Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

অবিশ্বাস্য
রাতুল ঘোষ

পার্থিব জীবন থেকে মুক্তি মিললেও ডিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনা অমর হয়ে থাকবেন। অন্তত এই গ্রহে যতদিন ফুটবল খেলা বেঁচে থাকবে। খ্যাতি-অখ্যাতির নেপথ্যে তাঁর এই চিরপ্রস্থানে ব্যথিত, শোকস্তব্ধ ফুটবল দুনিয়া। ফিফা আয়োজিত ফুটবলপ্রেমীদের গরিষ্ঠাংশের ভোটে মারাদোনা বিংশ শতাব্দীর সেরা ফুটবলারের সম্মান যৌথভাবে পেয়েছিলেন ফুটবল সম্রাট পেলের সঙ্গে ভাগাভাগি করে। তিনটি বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন পেলে। কিন্তু তাঁর পাশে খেলেছিলেন ডিডি, ভাভা, মারিও জাগালো, নিলটন স্যান্টোস, জালমো স্যান্টোস এবং অবশ্যই অদ্বিতীয় গ্যারিঞ্চা। ১৯৬২ সালে চিলিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তো মাত্র দু’টি ম্যাচ খেলেই টুর্নামেন্ট থেকে চোটের জন্য ছিটকে যান পেলে। তাঁর আরব্ধ কাজ স্কিলের ফুলঝুরি জ্বেলে সম্পন্ন করেছিলেন অ্যামারিল্ডো ও ‘ফ্লাইং বার্ড’ গ্যারিঞ্চা। আর ১৯৭০ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল দলটিকে বলা হয় শতাব্দীর সেরা একাদশ। ফুটবল সম্রাট পেলের পাশে চকিত স্কিলের বিচ্ছুরণে ঝলমলে ফুটবল মেলে ধরেছিলেন কার্লোস আলবার্তো, গার্সন, জোয়ার্জিনহো, টোস্টাও, রিভেলিনোরা। কিন্তু মেক্সিকোয় আয়োজিত ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্তিনাকে প্রায় একক দক্ষতায় জিতিয়েছিলেন ডিয়েগো মারাদোনা। চুলচেরা বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, ব্যক্তিগত গোল ও অ্যাসিস্টসহ মারাদোনার একক অবদান ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ। আর্জেন্তিনার ওই দলের অধিকাংশ ফুটবলার লাতিন আমেরিকার বাইরে তখনও পর্যন্ত ফুটবল খেলতেন না। ব্যতিক্রম বলতে ছিলেন মারাদোনা (নাপোলি), বুরুচাগা (ন্যান্টে) এবং জর্জ ভালদানো (রিয়াল মাদ্রিদ)। এই অনভিজ্ঞ ও তারকাহীন দল নিয়েই মারাদোনা প্রায় একক দক্ষতায়, ঐশ্বরিক প্রতিভার অলৌকিক নিদর্শন মেলে ধরে আর্জেন্তিনাকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করে ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে গিয়েছেন। তাঁকে ব্যাখ্যা করতে গেলে ‘অবিশ্বাস্য’ শব্দটাই সবচেয়ে প্রথমে মনে পড়ে। 

মেক্সিকো বিশ্বকাপের আড়াই বছর আগে আর্জেন্তিনার সম্ভাব্য দল গুছিয়ে নিতে কলকাতায় নেহরু কাপে খেলতে এসেছিলেন ’৮৬-র বিশ্বকাপজয়ী কোচ  কার্লোস বিলার্দো। ইতালিয়ান লিগ খেলতে ব্যস্ত থাকায় মারাদোনা সেবার দলের সঙ্গে আসেননি। কিন্তু ইডেনে সেবার নেহরু কাপে যাঁরা নজর কেড়েছিলেন, সেই পনসে, গ্যারেকারা মেক্সিকোগামী বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পাননি। আর এই ’৮৬-এর বিশ্বকাপই মারাদোনাকে অমরত্ব প্রদান করেছে।
মেক্সিকো বিশ্বকাপের গ্রুপপর্ব এবং রাউন্ড অব সিক্সটিন মিলিয়ে প্রথম চারটি ম্যাচের মধ্যে মারাদোনা গোল পেয়েছিলেন মাত্র একটি। সেটি ইতালির বিরুদ্ধে। এছাড়া এই পর্বে আর্জেন্তিনার হয়ে স্কোরশিটে নাম তুলেছিলেন ভালদানো, অস্কার রুগেরি, বুরুচাগা, পাসকুলিরা। অতঃপর বিশ্বকাপ কোয়ার্টার-ফাইনালে প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে ২২ জুন থ্রি লায়ন্স’রা মুখোমুখি হল মারাদোনার আর্জেন্তিনার। প্রথমার্ধের খেলা গোলশূন্য। বিরতির পর ৫১ মিনিটে ইংল্যান্ড ডিফেন্ডারের মিসকিক ভেসে এল বক্সে। পাঁচ ফিট পাঁচ ইঞ্চি উচ্চতার মারাদোনা অবিশ্বাস্য স্পট জাম্পে চ্যালেঞ্জ জানালেন পিটার শিলটনকে। ভয়ে ক্ষণিকের জন্য চোখ বুজে ফেলল ইংল্যান্ডের গোলরক্ষকটি। আর সেই সুযোগে মারাদোনার বাঁ হাতের শিল্পকর্ম। যা ইংরেজদের চোখে দিনে-দুপুরে হাত সাফাই বা পকেটমারি। মারাদোনা যাকে বলেছেন ‘হ্যান্ড অব গড’। চার বছর আগে ইংল্যান্ডের নৌবহর ১৯৮২’র যুদ্ধে আর্জেন্তাইন বাহিনীকে পর্যুদস্ত করে ফকল্যান্ড দ্বীপ দখল করেছিল। মারাদোনা সেদিন যেন সেই পরাজয়ের বদলা নিয়েছিলেন। তিউনিশিয়ান রেফারি বেন নাসের কিছুই বুঝতে পারেননি। তিনি গোলের বাঁশি বাজিয়ে দেন। কিন্তু এই কলঙ্ক চার মিনিটের মধ্যে এক অবিশ্বাস্য শিল্পকর্মে ধুয়ে মুছে সাফ করে দিয়েছিলেন মারাদোনা। যাকে বিংশ শতাব্দীর সেরা গোলের সম্মান দিয়েছিল ফিফা। একমাত্র স্বপ্নেই এমন গোলের দেখা মেলা সম্ভব। সেন্টার সার্কেলের নীচে ডানদিকে বল পেয়ে শুরু হয়েছিল সেই স্বপ্নের দৌড়। মাখনের মাঝখান দিয়ে ছুরি চালানোর মসৃণতায় প্রথমে বেয়ার্ডসলে ও রিডের মধ্যে দিয়ে চকিত বডি ফেইন্টে গলে বেরলেন মারাদোনা। এরপর বুচারকে ইনসাইড ডজ দিয়ে বেরনোর মুহূর্তে তিনকাঠি দেখতে পেলেন তিনি। বাঁদিকে ‘আনমার্কড’ ভালদানো বল চাইছেন, আড়চোখে সেটা দেখেও উপেক্ষা করলেন ডিয়েগো। কারণ, ততক্ষণে ট্যাকল করতে উদ্যত ফেনউইক। অতঃপর এক স্বর্গীয় ‘ডামি ফেইন্ট’— বাঁদিক দেখিয়ে ডানদিক দিয়ে বেরিয়ে মারাদোনা দেখলেন ইংরেজ গোলরক্ষক পিটার শিলটন এগিয়ে আসছেন। তাঁকে শরীরের এক মোচড়ে ধরাশায়ী করে ফাঁকা গোলে বল পুশ করলেন মারাদোনা। প্রায় ৬০ মিটার লম্বা এই একক দৌড় বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এক  অবিস্মরণীয় স্মৃতি। বলের উপর অবিশ্বাস্য নিয়ন্ত্রণ স্কিল, গতি ও প্রত্যুৎপন্নমতিত্বের এ এক বিস্ময়কর পরিণতি। ওই বল ফিনিশ না করলে ক’জন আজ মারাদোনাকে মনে রাখতেন? তিনদিন বাদে ওই অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামেই বিশ্বকাপ সেমি-ফাইনালে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে একক দক্ষতায় প্রায় কাছাকাছি মানের আরও একটা গোল করেছিলেন মারাদোনা। এনজো শিফোর বেলজিয়ামকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্তিনা। দুটো গোলই মারাদোনার।
২৯ জুন ফাইনাল। কার্ল হাইঞ্জ রুমেনিগে, রুডি ফোলার, উলি হোনেস, লোথার ম্যাথাউজ সমৃদ্ধ সাবেক পশ্চিম জার্মানিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে মারাদোনার নেতৃত্বে ১৯৮৬’র বিশ্বকাপে জিতেছিল আর্জেন্তিনা। এখনও অনেকে ভুলতে পারেননি মারাদোনার জেম অব আ থ্রু পাসটিকে। যা থেকে জয়সূচক গোলটি করেছিলেন বুরুচাগা। তার আগে হোসে লুই ব্রাউন ও ভালদানোর দেওয়া গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর রুমেনিগে ও রুডি ফোলার ৭৩ ও ৮১ মিনিটে পর পর দুটো গোল করে ম্যাচ ২-২ করে দেন। কিন্তু ফাইনালের ভাগ্য গড়ে দিয়েছিল মারাদোনার দুরন্ত থ্রু পাসটি।
ইতালিয়া-৯০ বিশ্বকাপ কভার করতে গিয়ে স্রেফ মারাদোনার প্র্যাকটিস দেখার জন্যই রোম থেকে ৬০ কিমি দূরে টিগরিয়ায় আর্জেন্তিনার বেস ক্যাম্পে পাড়ি দিয়েছিলাম। তাও রোমা তার্মিনি স্টেশনে আমার পকেটমারি হওয়ায় শোক কিছুটা হলেও ভুলতে পেরেছিলাম মারাদোনার অত্যাশ্চর্য স্কিল প্রত্যক্ষ করে। সেদিন    ছিল ওপেন প্র্যাকটিস সেশন। গোলের নীচে আর্জেন্তিনার দু’জন গোলরক্ষক   নেরি পম্পিদু এবং গায়কোচিয়াকে দাঁড় করিয়ে প্রায় বিশ গজ দূর থেকে বাঁ পায়ে একের পর এক শট নিয়ে চলেছেন।  বিস্মিত হয়ে দেখলাম, অধিকাংশ শটই দু’জন গোলরক্ষককে পরাস্ত করে জালে জড়িয়ে যাচ্ছে। মাঠের চারধারে গোটা ওয়ার্ল্ড মিডিয়া হামলে পড়েছে। ডিয়েগোর মুড সেদিন ভালো ছিল। ইচ্ছে মতো ভক্তদের অটোগ্রাফ বিলোলেন। আলোকচিত্রীদের ছবির জন্য নানারকম পোজ দিলেন।
এর ক’দিন বাদেই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডেই মুখোমুখি হল ব্রাজিল ও আর্জেন্তিনা। দিনটা ছিল ১৯৯০ সালের ২৪ জুন। স্থান তুরিনের দেলা আলপি স্টেডিয়াম। ব্রাজিলের ক্যারেকা একাই গোলের এক গণ্ডা সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে দলকে ডোবালেন। ব্রাজিলের আলেমাও এবং ক্যারেকা ছিলেন নাপোলিতে মারাদোনার সহ-খেলোয়াড়। ওই ম্যাচে পায়ে চোট নিয়ে খেলার জন্য মাঠে দীর্ঘক্ষণ মারাদোনাকে স্বমহিমায় দেখা যায়নি। ম্যাচের ৫৫ মিনিট পর্যন্ত ব্রাজিলের একচ্ছত্র প্রাধান্য ছিল। ব্রাজিলের মুলার ও ক্যারেকা অবিশ্বাস্য সুযোগ নষ্ট করেছিলেন। কিন্তু চকিতে একটা দুরন্ত কাউন্টার অ্যাটাক তুলে আনলেন মারাদোনা। কোণাকুণিভাবে  দৌড়ে ব্রাজিলের দুই ডিফেন্ডার রিকার্ডো রোচা এবং আলেমাওকে টেনে এনে বাঁদিকে ক্যানিজিয়াকে ‘জেম অব আ থ্রু’ বাড়ালেন ডিয়েগো। সেই মুহূর্তে কাছে এসে যাওয়া ব্র্যাঙ্কোকে ট্যাকলে আসার কোনও সুযোগই দেননি মারাদোনা। ফাঁকায় বল পেয়ে ক্যানিজিয়া ব্রাজিল গোলরক্ষক তাফারেলকে আউটসাইড দেখিয়ে বাঁপায়ে বল পুশ করলেন ফাঁকা গোলে।
ম্যাচের পর সাম্বা সমর্থকদের হাপুস নয়নে কান্না দেখে আমার চোখেও জল এসে গিয়েছিল। কলকাতা থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থে ওই ম্যাচটি দেখতে সেদিন মাঠে ছিলেন চুনী, পি কে, শৈলেন মান্না, সুকুমার সমাজপতিরা। ওঁদের মনও ছিল নিদারুণ ভারাক্রান্ত। সেবার বিশ্বকাপ কোয়ার্টার-ফাইনালে যুগোস্লাভিয়াকে পেনাল্টি শ্যুট আউটে হারিয়ে আর্জেন্তিনা সেমি-ফাইনালে উঠেছিল। মারাদোনা পেনাল্টি মিস করলেও দুটি স্পট কিক বাঁচিয়ে সেই ম্যাচের নায়ক বনে যান আর্জেন্তিনার গোলরক্ষক গায়কোচিয়া। অতঃপর নেপলসে নাপোলির হোমগ্রাউন্ড সান পাওলো স্টেডিয়ামে আয়োজক দেশ ইতালির মুখোমুখি হল আর্জেন্তিনা। সেই ম্যাচও গড়াল পেনাল্টি শ্যুট আউটে। ওই ম্যাচে স্পটকিক থেকে মারাদোনা গোল করেন। সেদিন রাতে আয়োজক দেশ ইতালি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ায় গোটা দেশে যেন অরন্ধন ও নিষ্প্রদীপ পালিত হয়েছিল।
ইতালিয়া-৯০ বিশ্বকাপের ফাইনালে সাবেক পশ্চিম জার্মানি ব্রেহমের দেওয়া একমাত্র গোলে আর্জেন্তিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। রোমের ওলিম্পিক স্টেডিয়ামে দেখেছিলাম, সেদিন হাতে আঘাত পাওয়া লোথার ম্যাথাউজ কার্যত মারাদোনাকে দর্শকের মতো দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন। ম্যাচের শেষে রানার্স ট্রফি নেওয়ার সময় মারাদোনার চোখে জল এখনও স্পষ্ট মনে আছে।
চার বছর বাদে ইউএসএ-৯৪ বিশ্বকাপ কভার করতে গিয়ে ডিয়েগো মারাদোনার পতন প্রত্যক্ষ করেছিলাম। বোস্টনের ববসন কলেজের গেস্ট হাউসে সেবার ঘাঁটি গেঁড়েছিল আর্জেন্তিনা দল। সেখান থেকে ফক্সবোরো স্টেডিয়াম প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে। ১৯৯৪ সালের ২৮  জুন নাইজেরিয়াকে হারানোর পর হঠাৎ দেখলাম, এক বিশালবপু শ্বেতাঙ্গ মহিলা প্রায় পাঁজাকোলা করে মারাদোনাকে তুলে নিয়ে মাঠের বাইরে চলে গেলেন। আমি তারপর কলকাতায় খবর পাঠিয়ে হোটেলে ফিরে গভীর রাতে একটা চ্যানেলে দেখলাম, ফিফার মেডিক্যাল কমিশনের বিশেষ মিটিং বসছে পরদিন ডালাসের ফোর সিজনস রিসর্টে। আর্জেন্তিনার দু’জন ফুটবলার নাকি ডোপ টেস্টে ধরা পড়েছেন!
পরদিন ভোরবেলা ট্যাক্সি নিয়ে ছুটলাম বোস্টন এয়ারপোর্টে। কিন্তু বোস্টন টু ডালাস— কোনও ফ্লাইটেই টিকিট নেই। আমি কলকাতা থেকে ডেলটা এয়ারলাইন্সের স্ট্যান্ড বাই কুপন কিনে নিয়ে গিয়েছিলাম। এই কুপন থাকলে তখন এক মাসের সময়সীমায় আমেরিকার যে কোনও শহরে দৈনিক যতবার খুশি যাতায়াত করা যেত। তাই সরাসরি ডালাসের বিমান টিকিট না পেয়ে আটলান্টা এবং সিনসিনাটি হয়ে শেষ পর্যন্ত দুপুরে ডালাস ডি ডব্লু এয়ারপোর্টে এসে ল্যান্ড করলাম। আর তারপরই ট্যাক্সি নিয়ে ছুটলাম ফোর সিজনস রিসর্ট হোটেলে। সেদিন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র সাংবাদিকরূপে ফিফার মেডিক্যাল কমিশনের প্রেস কনফারেন্সে হাজির ছিলাম আমি। সেখানেই সরকারিভাবে ঘোষিত হয়েছিল, পাঁচরকমের নিষিদ্ধ ড্রাগ— এফিড্রিন, সিউডো-এফিড্রিন, মেডিফেডরিন, নানড্রোলন ও স্ট্যানজানল ইত্যাদি বস্তু মারাদোনার মূত্রের নমুনায় পাওয়া গিয়েছে।
দিগভ্রষ্ট রাজপুত্রের এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট তখন ‘বর্তমান’ পত্রিকায় লিখলেও তা অনেকে বিশ্বাস করতে চাননি। তাঁদের ভুল ধারণা ছিল, মারাদোনাকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। আসলে নাপোলিতে খেলতে গিয়েই ড্রাগ মাফিয়াদের খপ্পরে পড়েছিলেন তিনি। যদিও সিরি-এ’তে নীচের সারির দল নাপোলিকে টপফর্মে তিনি দু’বার ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। আর সেটাও গুলিট, ফন বাস্তেন, রাইকার্ড সমৃদ্ধ এসি মিলানের সার্বিক দাপট খর্ব করে। নাপোলিকে সুপার কোপা এবং উয়েফা কাপেও জেতান মারাদোনা। নামী ফুটবলারদের মধ্যে পাশে পেয়েছিলেন ব্রাজিলের আলেমাও, ক্যারেকা, তারানতিনিদের। তার আগে ’৮৩ ও ’৮৪ সালে বার্সেলোনায় থাকাকালীন গোড়ালির চোট ও হেপাটাইটিসে ভোগায় বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল মারাদোনার উত্থান। তবু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থকরা দু’টি এল ক্লাসিকোর পর আসন ছেড়ে  উঠে দাঁড়িয়ে মারাদোনাকে ‘স্ট্যান্ডিং ওভেশন’ দিয়েছিলেন। এই বিরল সম্মান লিও মেসির এখনও অধরা। পেয়েছিলেন জোহান ক্রুয়েফ, রোনাল্ডিনহো এবং আন্দ্রে ইনিয়েস্তা।
ব্যক্তিগত জীবনে শুকনো ও তরল নেশার প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি মাত্র ৬০ বছর বয়সেই কেড়ে নিল মারাদোনার জীবন। ২০০৪ সালের এপ্রিলে মৃত্যুকে হার মানাতে সক্ষম হয়েছিলেন ডিয়েগো। ফিদেল কাস্ত্রো হাভানার হাসপাতালে রেখে দীর্ঘ সুচিকিৎসার পর তাঁকে সুস্থ করে তুলেছিলেন। কিন্তু তারপরেও নেশামুক্ত হতে পারেননি তিনি। আর হয়তো সেই কারণেই ফুটবলার মারাদোনা যতটা ক্ষণজন্মা, কোচ হিসেবে ডিয়েগো ততটাই ব্যর্থ। এর কারণ তাঁর হামবড়াই মনোভাব ও পুওর ম্যান ম্যানেজমেন্ট। ২০১০ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্তিনার কোচ হয়ে তিনি চরম ব্যর্থ হন। সদ্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী ইন্তার মিলানের স্তম্ভ জেভিয়ার জানেত্তিকে কোনও কারণ ছাড়াই বাদ দেন কোচ মারাদোনা। প্রশিক্ষক জীবনে রেসিং ক্লাব, মধ্যপ্রাচ্যে আল ওয়াসল, ফুজাইরা, মেক্সিকোয় ডোরাডোস ও জিমনাসিয়া— সর্বত্রই কোচ হিসেবে ব্যর্থ মারাদোনা। তবু এটা ঘটনা, মহম্মদ আলির পর মারাদোনাই গোটা দুনিয়াকে আলোড়িত করা সবচেয়ে উজ্জ্বল ক্রীড়াব্যক্তিত্ব।
................................................
 গ্রাফিক্স : সোমনাথ পাল
 সহযোগিতায় : উজ্জ্বল দাস
29th  November, 2020
হেমন্তের দুর্গা 
সুখেন বিশ্বাস

মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের স্বপ্নে পাওয়া জগদ্ধাত্রী। এই পুজো এখন আর কৃষ্ণনগর বা চন্দননগরে সীমাবদ্ধ নেই। ছড়িয়ে গিয়েছে বাংলার সর্বত্র। হেমন্তকালের শুক্লা কার্তিকের নবমীতিথিতে তাই বাংলায় নতুন করে দেখা যায় শরতের রোদ্দুর। আকাশবাণীর প্রভাতী অনুষ্ঠান বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের ‘আশ্বিনের শারদপ্রাতে বেজে উঠেছে আলোকমঞ্জীর’ নেই... তবু প্রবাসীরা ঘরে ফেরে। দুর্গাপুজোর মতোই নতুন পোশাকে মানুষ বেরিয়ে পড়ে ঠাকুর দেখতে।  
বিশদ

22nd  November, 2020
শ্যামাসংগীত...
আলাদা একটা অধ্যায়
শ্রীকান্ত আচার্য্য

 ছোটবেলা থেকেই শ্যামাসংগীতে আমার বিশেষ আকর্ষণ ছিল। সেটা পান্নালাল ভট্টাচার্যের গান শুনেই। বাড়িতে রেকর্ড ছিল। ‘দোষ কারও নয় গো মা...’ পাগল করা একটা গান, দাশরথি রায়ের অপূর্ব লিরিক। পুজোআচ্চা বা মন্দিরে যাওয়া, এসবে আমি নেই ঠিকই... কিন্তু ভক্তিগীতি বরাবর ভালো লাগে। শ্যামাসংগীত আমাদের বাংলা গানের ইতিহাসে পৃথক একটা অধ্যায় বলা যেতে পারে। এই গান ঘিরে যে সাহিত্য-সম্পদ তৈরি হয়েছে, তা অমূল্য। বিশদ

15th  November, 2020
একবার দেখা দিলি না মা... 

 আর দশ বছর পরই তাঁর জন্মশতবর্ষ। বাঙালি তাঁকে মনের মণিকোঠায় কতটা রেখেছে, বলবে সময়ের দলিল। কিন্তু একটা বিষয়ে সকলেই একমত... ফুল ছাড়া যেমন পুজো হয় না, পান্নালাল ভট্টাচার্যের শান্ত-মিঠে কণ্ঠ ছাড়া মা কালীর আরাধনাও যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। বহু সাধক-কণ্ঠে মায়ের গান শুনেও পান্নালালের সেই আর্তি খুঁজে পেয়েছেন, এমনটা হলফ কেউ বলতে পারেন না। মায়ের পায়ের জবা হয়ে ফুটে ওঠা পান্নালাল ভট্টাচার্যকে সেদিন ভুলে থাকে, সাধ্য কার! পান্নালালের চেয়ে আট বছরের বড়, তাঁর মেজদা ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য। তাঁরই ছেলে দীপঙ্কর ভট্টাচার্য... পান্নালালের ভাইপো। যিনি গর্ব করে বলতেই পারেন, তাঁর বাবা-কাকার মতো শিল্পী আগামী দু’শো বছরে আর আসবে না এ বাংলায়। বলতেই পারেন, কালীপুজোর নির্ঘণ্ট মানে জবাফুল, বেলপাতা আর পান্নালালের গান। এই অমূল্য রত্নকে কাছ থেকে দেখা ভাইপো দীপঙ্কর ভট্টাচার্যর স্মৃতিচারণায় উঠে এলেন এক অন্য সাধক। শুনলেন অন্বেষা দত্ত। বিশদ

15th  November, 2020
মোদির মিশন বিহার
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি রেকর্ড গড়তে ভালোবাসেন। যে কোনও একটি সাফল্যকেই তাঁর অনুগামী ও দল রেকর্ড হিসেবে প্রচার করে এবং বিশ্বাসও করে। রেকর্ড করতে কে না ভালোবাসে? তাই এটা কোনও অন্যায় নয়। অপার জনপ্রিয়তা, অপরিসীম ক্যারিশমা, দল ও সরকারের উপর একচ্ছত্র অথরিটি।   বিশদ

08th  November, 2020
হোয়াইট হাউসের 
ভাগ্য গণনা
সুদীপ্ত রায়চৌধুরী

ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের কথা। বিকেল গড়িয়ে প্রায় সন্ধে। অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে মোবাইলের চেনা রিংটোন। স্ক্রিনে +৯১... নম্বর, মায়ের। অসময়ে ফোনটা দেখেই নাতাশার ভ্রূ দু’টো একে অপরকে আলতো করে ছুঁয়ে ফেলেছিল। ফোন কানে দিতেই বয়ে এল দুঃসংবাদ। আচমকাই মারা গিয়েছেন শ্বশুর। ব্যাঙ্কের কনফারেন্সে স্বামী তখন অন্য শহরে। বাড়ি ফিরে একটা ব্যাগে টুকিটাকি সমস্ত কিছু গুছিয়ে চার বছরের ছেলেকে নিয়ে সোজা এয়ারপোর্ট। এর মধ্যেই বরকে খবর দেওয়া, প্লেনের টিকিট কাটা...। বিশদ

01st  November, 2020
জাগরিত জ্যোতির্ময়ী 
সৌম্য নিয়োগী

১৯ বছর পর... আরও একবার কার্তিকে মায়ের আগমনি।
আজ মাস পয়লা। ১ কার্তিক, ১৪২৭। ক্যালেন্ডার থেকে আশ্বিনের পাতা ঝরে গিয়েছে। শরৎ নেই। আকাশের দিকে চোখ রাখা যায় না। মাটিতে রোদ্দুরের ছায়া। হেলে পড়া আলো আর বিষাদ। ঋতুর কি কোনও ভাবনা থাকে? মানুষ কি সৃষ্টি করে তাকে?   বিশদ

18th  October, 2020
থিমের বিবর্তন
প্যান্ডেলওয়ালা থেকে শিল্পের সফর
বন্দন রাহা

 একটি অগ্নিকাণ্ড একরাতেই বদলে দিয়েছিল বাংলার দুর্গাপুজো। একচালার সাবেকি দুর্গাপ্রতিমাকে পাঁচটি চালচিত্রে ভেঙে দিয়েছিলেন শিল্পী গোপেশ্বর পাল। দুঃসাহসিক এই পদক্ষেপের নেপথ্যে ছিলেন এক মহান বাঙালি, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ১৯৩৮ সালে কুমোরটুলি সর্বজনীনে। বিশদ

11th  October, 2020
থিমের বিবর্তন
শিল্প হল ‘সর্বজনীন’
ভবতোষ সুতার

 পুজোয় প্রথম কাজ ২০০০ সালে। বড়িশা জনকল্যাণ সংঘ। বেহালা চৌরাস্তা ও সখেরবাজারের মধ্যিখানে। স্বল্প পরিচিত একটি ক্লাব। তারাই আমার উপর ভরসা রাখার সাহস দেখিয়েছিল। অক্লান্ত পরিশ্রম সেবার ছিল আমার সঙ্গী। দিনরাতের খেয়াল নেই। বিশদ

11th  October, 2020
ছৌ নাচের ইতিকথা
মৃন্ময় চন্দ

সিঁদুরের বিন্দু বিন্দু মূষিক বাহন/ নমঃ নারায়ণ/ গণেশদেব হর গৌরীর নন্দন...।  তাক ধিন দা ধিন—বেজে উঠল ঢোল-ধামসা। সূত্রধর সানাইয়ে একতালে ঝুমুরে শুরু করেছে গণেশ বন্দনা। হেলতে দুলতে শুঁড় নাড়াতে নাড়াতে, নাচের তালে পা ফেলে আসরে আগমন গণেশ বাবাজির। বিশদ

04th  October, 2020
নিয়ন্ত্রণের জালে
মৃণালকান্তি দাস

যন্ত্রমানব আজও তো এক ফ্যান্টাসি! যা আমার হুকুম মেনে চলবে। চা বানিয়ে দেবে। গাড়ি চালিয়ে দেবে। হাত-পা টিপে দিতে বললে, তাও। আমারই অঙ্গুলিহেলনে নাচ দেখাবে গান শোনাবে... বিশদ

27th  September, 2020
মাতৃরূপেণ...
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বিধাননগর স্টেশন থেকে লাইন ধরে দমদমের দিকে নাক বরাবর খানিকটা হাঁটাপথ। পথ আর কই! এ তো রেললাইন! এখানে হাঁটতে মানা। তাও হাঁটে লোকে। এটাই শর্টকাট। তারপর ডানদিকের ঢাল ধরে নেমে যায়। খুচখাচ কয়েকটা কারখানার পথ মেলে এখানেই। দু’টো বস্তি পেরিয়ে বাঁয়ে ঘুরলে দেখা যায় ওই গেটটা। বন্ধ... কোনওরকমে একটা মানুষ গলে যেতে পারে, এমন একটা ফুটো শুধু রয়েছে। তার সামনেই প্লাস্টিকের চেয়ার পেতে বসে আছেন বিধুবাবু। বিধুশেখর বিশ্বাস। চেয়ারটার রং কোনও এক কালে লাল ছিল। এখন তার ছোঁয়া বেঁচেবর্তে আছে।  বিশদ

20th  September, 2020
দ্বিশত শরতে ‘সিদ্ধপুরুষ’
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

দু’শো বছর আগে ‘আবির্ভাব’ হয়েছিল তাঁর। বিদ্যার সাগর তিনি। করুণার মহাসমুদ্র তিনি। ঈশ্বর ছিল তাঁর মানবজগৎ, ঈশ্বর ছিল তাঁর কর্ম। কর্মেই তিনি ‘সিদ্ধপুরুষ’। চিরন্তন প্রণম্য তিনি। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
বিশদ

13th  September, 2020
অ প রি হা র্য
সৌগত রায়

সালটা ১৯৭৪। কিছুটা ধন্দেই ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাই আলোচনার জন্য ডেকেছিলেন প্রণবদাকে। অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী। পদের দিক থেকে সুপ্রিম পাওয়ারফুল হয়তো নন, কিন্তু আস্থাভাজন। ইন্দিরা জানতেন, বাস্তবটা একমাত্র উনিই বলতে পারবেন। আর পারবেন কাজটা করতে। ট্যাক্স আইন ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে গ্রেপ্তার করতে হবে দুই মহারানিকে। একজন জয়পুরের গায়ত্রী দেবী।   বিশদ

06th  September, 2020
মাস্টার নেগোশিয়েটর প্রণবদা
পি চিদম্বরম

সঠিক মনে করতে পারছি না যে প্রণবদার সঙ্গে আমার কবে এবং কীভাবে প্রথম দেখা হল। কোনও নির্দিষ্ট ইভেন্ট হলে মনে পড়ত। আসলে প্রণবদা মোটামুটি ১৯৭৫ সাল থেকেই তাঁর রাজনীতির জীবনে এবং জাতীয় স্তরে পরিচিত হয়ে গিয়েছিলেন। কারণ, তিনি ততদিনে হয়েছিলেন অর্থমন্ত্রকের একজন জুনিয়র মন্ত্রী। কিন্তু সেভাবে দেখতে গেলে তরুণ রাষ্ট্রমন্ত্রী হলেও সেটা ছিল স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর এবং যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।   বিশদ

06th  September, 2020
একনজরে
পরিবার পরিকল্পনার অধিকাংশ সূচকে দেশে এক নম্বরে বাংলা। কেন্দ্রীয় সরকারের অক্টোবর মাসের তথ্য থেকে একথা জানা গিয়েছে। এই সূচকগুলির মধ্যে গর্ভনিরোধক ওষুধ বা পিল থেকে শুরু করে বন্ধ্যাত্বকরণ, মেয়েদের আইইউসিডি থেকে শুরু করে ছেলেদের নিরোধ ব্যবহার— অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেশে শীর্ষে ...

কৃষক বিক্ষোভের আঁচ ছড়াল দেশান্তরেও। কেন্দ্রীয় কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। বিক্ষোভরত ‘রোদে পোড়া, তামাটে’ মানুষগুলোর পরিবার ও বন্ধুদের জন্য চিন্তিত বলে জানিয়েছেন তিনি। ...

সীমান্তে পাচার রুখতে আরও কঠোর হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত বরাবর কোথাও যেন কাঁটাতারবিহীন এলাকা না থাকে, তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দুই দেশের সীমান্তের মধ্যে কাঁটাতার নেই মালদহের যে সব সীমান্তে, ...

উম-পুন পরবর্তী ক্ষতিপূরণে দুর্নীতির যাবতীয় অভিযোগের তদন্ত করবে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ক্যাগ)। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি থোট্টাথিল বি রাধাকৃষ্ণাণ ও অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার তিন মাসের মধ্যে তদন্তসাপেক্ষে ক্যাগকে রিপোর্ট দাখিল করতে বলেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় সাফল্য প্রাপ্তি। কর্মে দায়িত্ব বৃদ্ধিতে মানসিক চাপবৃদ্ধি। খেলাধূলায়  সাফল্যের স্বীকৃতি। শত্রুর মোকাবিলায় সতর্কতার ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৭৬: কিউবার প্রেসিডেন্ট হলেন ফিদেল কাস্ত্রো
১৯৮৪: ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনায় কমপক্ষে আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৮৮: পাকিস্তানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেন বেনজির ভুট্টো
১৯৮৯: ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হলেন ভিপিসিং 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.১৭ টাকা ৭৪.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৯৭.২১ টাকা ১০০.৬৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৯৬ টাকা ৯০.১২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬০,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬১,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া ৩০/৪৪ সন্ধ্যা ৬/২৩। মৃগশিরা নক্ষত্র ১১/২২ দিবা ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৬/৪/৪৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৭/২৯ গতে ৮/১২ মধ্যে পুনঃ ১০/২১ গতে ১২/৩০ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৮/২০ গতে ৩/২৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ গতে ৭/২৯ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ৩/২২ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৫ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/২৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪৫ গতে ৪/২৫ মধ্যে। 
 ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া সন্ধ্যা ৫/৪। মৃগশিরা নক্ষত্র দিবা ১০/২৪। সূর্যোদয় ৬/৬, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৬ মধ্যে ও ৭/৩৮ গতে ৮/২০ মধ্যে ও ১০/২৮ গতে ১২/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৬/৩৬ মধ্যে ও ৮/২৫ গতে ৩/৩২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৬ গতে ৭/৩৮ মধ্যে ও ১/১৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে। কালবেলা ৮/৪৬ গতে ১০/৭ মধ্যে ও ১১/২৭ গতে ১২/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪৬ গতে ৪/২৬ মধ্যে। 
১৬ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আপনার আজকের দিনটি
মেষ: সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় সাফল্য প্রাপ্তি। বৃষ: নানা উপায়ে অর্থপ্রাপ্তির সুযোগ। ...বিশদ

04:29:40 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে
  ১৯৭৬: কিউবার প্রেসিডেন্ট হলেন ফিদেল কাস্ত্রো ১৯৮৪: ভোপাল গ্যাস ...বিশদ

04:28:18 PM

আইএসএল: হায়দরাবাদ ও জামশেদপুরের ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র

09:33:58 PM

জিএসটি ফাঁকি: কলকাতা সহ রাজ্যের ১০৪টি ময়দা মিলে হানা আধিকারিকদের

06:29:00 PM

তৃতীয় একদিনের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৩ রানে জয়ী ভারত

05:15:15 PM

কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ: টিকা নিতে নাইসেডে ফিরহাদ হাকিম

04:15:35 PM