Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

দলবদলই হল রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের শুদ্ধিকরণের মহৌষধি। দল বদলালেই নেতারা হয়ে যান শুদ্ধ। তখন দুর্নীতির দায় গিয়ে পড়ে দলের ঘাড়ে। বঙ্গ রাজনীতির এখন এটাই চল। 
সাপ খোলস ছেড়ে গর্তে ঢুকলেই নিশ্চিন্ত। গর্তই সাপের নিরাপদ আশ্রয়। তখন সাপের ছেড়ে যাওয়া খোলসকে ঘিরেই যত আতঙ্ক। এরাজ্যে সাপকে নয়, তার ছেড়ে যাওয়া খোলসকেই বিপজ্জনক বলে দেখানোর মরিয়া চেষ্টা শুরু হয়েছে। দুর্ভাগ্য হলেও সত্যি, বহু মানুষ খোলসকেই মূল বিপদ ভাবছেন। সাপ থেকে যাচ্ছে চোখের আড়ালে।
‘রাম নাম জপ করে দস্যু রত্নাকর বাল্মীকি হয়েছিলেন। তাই পঞ্চায়েত প্রধানকে শুধরে নেওয়ার দায়িত্ব নিশ্চয়ই দল নেবে। তবে, শুদ্ধিকরণের প্রয়োজন আছে, এটা নিশ্চিত।’ কথাগুলি বিজেপির পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সহ সভাপতি প্রলয় পালের। নন্দীগ্রামের বয়লা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অভিযুক্ত প্রধান পবিত্র করের বিজেপিতে যোগদান ঘিরে 
অস্বস্তি এড়াতেই তাঁর এই মন্তব্য। এই পবিত্রবাবুর বিরুদ্ধেই ক্যানেল সংস্কারের মাটি লক্ষ লক্ষ টাকায় ইটভাটায় বিক্রি করার অভিযোগ জানিয়েছিলেন প্রলয়বাবু। ‘মাটি মাফিয়া’র তকমা লাগিয়ে যাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল, তাঁকেই কলকাতায় ঘটা করে বিজেপিতে যোগদান করানো হয়েছে। আর তাতেই ফের কাঠগড়ায় বিজেপির ‘স্বচ্ছতার রাজনীতি’। প্রশ্ন উঠেছে, বিজেপি কি তাহলে গঙ্গাজল? যার ছোঁয়ায় মুছে যায় দুর্নীতির দাগ!
রাজ্যের পরিবর্তনে নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনের ভূমিকা সকলেই স্বীকার করেন। সেই নন্দীগ্রামের তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান এবং উপ-প্রধানকে দলে যোগদান করিয়ে শাসক শিবিরে ভাঙন ধরিয়েছে বলে দাবি করছে বিজেপি। তবে প্রধানের এই দলবদল বিজেপিকে যতটা না গৌরবান্বিত করেছে, তার চেয়ে অনেক বেশি অস্বস্তির মুখে দাঁড় করিয়েছে। কারণ তারাই এই পবিত্রবাবুর বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চেয়েছিল। যদিও দলত্যাগী প্রধানের দাবি, তিনি ১০০ টাকার দুর্নীতিও করেননি। সমস্ত অভিযোগই মিথ্যে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বহুদিন সঙ্ঘের সঙ্গে যুক্ত। বিজেপিই তাঁর ‘প্রাণের দল’।
প্রলয়বাবু অবশ্য মাটি বিক্রি ও দুর্নীতির অভিযোগ থেকে সরতে নারাজ। তবে তাঁর মতে, বিজেপিতে থাকলে দুর্নীতির কালো দাগ উঠে যাবে। কারণ রাম নামেই রত্নাকর দস্যু থেকে বাল্মীকি হয়েছিলেন। দুর্নীতিমুক্ত করার উপায় ও পদ্ধতি তাঁদের জানা আছে।
অভিযোগকারী এবং অভিযুক্তের এমন সহাবস্থান বিজেপিতে অবশ্য নতুন কিছু নয়। বরং ঘটনার পরম্পরা বলছে, গেরুয়া শিবিরে এটাই ‘কালচার’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৫ সালে ‘ভাগ মুকুল ভাগ’ স্লোগান দিয়ে তৃণমূল বিরোধী লোকজনের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা সিদ্ধার্থনাথ সিং। এরাজ্যের দলীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে যখনই তিনি কোনও সভায় বা সমাবেশে ভাষণ দিতেন তখন মুকুলবাবুকেই বেশি আক্রমণ করতেন। আর যখনই তিনি ‘ভাগ মুকুল ভাগ’ বলতেন, করতালিতে ফেটে পড়ত সভাস্থল। সেই মুকুলবাবুই এখন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি। 
২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাকমুহূর্তে বিজেপি অফিস থেকে স্ট্রিং অপারেশেনের ভিডিও দেখানো হয়েছিল। তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। ভিডিওতে তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক নেতা মন্ত্রীর সঙ্গে তৎকালীন কলকাতা পুরসভার মেয়র তথা মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও টাকার বান্ডিল হস্তগত করতে দেখা গিয়েছিল। তারপর সেই টাকা তোয়ালে ঢেকে ফেলার দৃশ্য লক্ষ লক্ষ মানুষের হাসির খোরাক জুগিয়েছিল। শোভনবাবু এখন গেরুয়া শিবিরের শোভাবর্ধনকারীদের অন্যতম। নতুন দলে যোগদানের পর ১৪ মাস অতিক্রান্ত হলেও তিনি বিজেপির হয়ে মাঠে নামেননি। ফলে চিন্তায় পড়েছে গেরুয়া শিবির। নির্বাচন কড়া নাড়ায় তাঁর মান ভাঙাতে ময়দানে নেমেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শোনা যাচ্ছে, তাঁর বাড়িতে দিলীপবাবু মধ্যাহ্নভোজন সারবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় বরফ নাকি আপাতত গলেছে। তবে, না আঁচালে বিশ্বাস নেই! 
একটা সময় পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিস সুপার ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে বিজেপির অভিযোগের অন্ত ছিল না। খোদ দিলীপবাবু বহুবার তাঁকে ‘তৃণমূলের জেলা সভাপতি’ বলে কটাক্ষ করেছেন। সেই সময় বিজেপি কর্মীদের যতটা না তৃণমূল নেতাদের উপর রাগ ছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষোভ ছিল ভারতী ঘোষের উপর। কারণ বিজেপি মনে করত, ভারতী ঘোষের গেম প্ল্যানেই তৃণমূল কংগ্রেস খড়্গপুর পুরসভার ক্ষমতা দখল করেছিল। কিন্তু ভাগ্যের এমনই ফের, সেই ভারতী ঘোষই এখন বিজেপির নেত্রী।
এসব দেখে অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। একসময় আসানসোল থেকে কোচবিহার, নন্দীগ্রাম থেকে ঝাড়গ্রাম যাঁদের মাটি মাফিয়া, কয়লা মাফিয়া বলেছে, তাঁদেরই বিজেপিতে নিয়েছে অথবা নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। ক্ষমতা দখলের জন্য দল বাড়াতে গিয়ে বারে বারে হোঁচট খাচ্ছে বিজেপির ‘স্বচ্ছতার রাজনীতি’র স্লোগান।
এখন দিলীপবাবুর টার্গেট ছাত্রধর মাহাত। জনসাধারণের কমিটির এই নেতা জেল থেকে বের হয়ে তৃণমূলে যোগ দিতেই ফুঁসে উঠেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। ছত্রধরবাবুকে মাওবাদী আখ্যা দিয়ে রাজ্যে শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিল। সেই ছত্রধর মাহাতকে পাশে পাওয়ার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। প্রথমে গরম, তারপর নরম। কেস রিওপেন করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে ডেকে পাঠিয়ে দমিয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু, ছাত্রধর মাহাত ঘাড় ঝোঁকাননি। তারপরই গোপীবল্লভপুরে এক জনসভায় দিলীপ ঘোষের গলায় শোনা গিয়েছে একেবারে উল্টো সুর।
দিলীপবাবু উদাত্ত কণ্ঠে ছত্রধরবাবুকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। বলেছেন, ‘আমি ছত্রধর মাহাতকেও বলছি, আপনি যে লড়াই করেছেন, তা মানুষের জন্য করেছেন। কিন্তু যার জন্য করেছেন সে আপনাকে জেলে পাঠিয়েছে। আপনি আমাদের প্রতিনিধি ছিলেন। আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন। এটা জঙ্গলমহলের মানুষ মানবে না। পাহাড়ে বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে, জঙ্গলমহলে আপনার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা দেওয়া হয়েছিল। মানুষ ভালো চোখে দেখেনি। তাই পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটে তৃণমূলকে গোহারা হারিয়ে বিজেপিকে জিতিয়েছিল। যাঁরা অত্যাচারিত, প্রতারিত হয়েছেন, তাঁরা আসুন। আমি আহ্বান করছি, ভারতীয় জনতা পার্টি আপনাদের সম্মান দেবে, অধিকার দেবে। আমরা যা বলি, তাই করি।’
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, যাঁর গায়ে মাওবাদী তকমা 
এঁটে দিয়েছিল, সেই ছত্রধর মাহাতকে বিজেপি দলে টানতে চাইছে কেন?
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এর পিছনে তিনটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিমল গুরুং সমর্থন জানাতেই পাহাড় সহ উত্তরবঙ্গে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বিজেপি। দ্বিতীয়ত, শান্তি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিনা পয়সার রেশন এবং মাওবাদীদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে মুখ্যমন্ত্রী চাকরি ও টাকা দেওয়ায় জঙ্গলমহলের ক্ষোভ দূর হচ্ছে। বাড়ছে সমর্থন। তৃতীয়ত, ছত্রধর মাহাত তৃণমূলের হয়ে ময়দানে নামায় জঙ্গলমহলে আদিবাসী জনজাতি গোষ্ঠীর অভিমুখও একটু একটু করে বদলাতে শুরু করেছে। এই অবস্থায় বিজেপি বুঝেছে, ছাত্রধরকে জেলে ভরতে অথবা কাছে টানতে না পারলে জঙ্গলমহলে ভালো ফল একপ্রকার অসম্ভব। দিলীপবাবু জঙ্গলমহলের সন্তান হওয়ায় সম্ভবত সেটা আগাম টের পাচ্ছেন।
ছত্রধরের কথায়, ‘আমার জেলে থাকার বিষয়টি সামনে রেখে বিজেপি আদিবাসী জনজাতি 
গোষ্ঠীকে ভুল বুঝিয়ে লোকসভা ভোটে ফায়দা তুলেছে। আমি গ্রামে গ্রামে ঘুরে সেই ভুল ভাঙানোর চেষ্টা চালাচ্ছি। তাই সিবিআইকে দিয়ে বিজেপি আমাকে জেলে ভরার ভয় দেখাচ্ছে। তবে এসব করে আমাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করা যাবে না।’
বিরোধীদের দলে টানার কৌশল হিসেবে বিজেপির ‘রাবরি’ থিওরি বেশ প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। রাবরি তৈরির সময় আগুনের গনগনে আঁচে দুধ ফোটানো হয়, আর উপরে দেওয়া হয় পাখার বাতাস। বহু ক্ষেত্রেই এই থিওরি কাজে লাগিয়ে বিজেপি ফলও পেয়েছে। জেলযাত্রার ভয়ে অনেক মান্যিগণ্যিই আত্মসমর্পণ করেছেন। তবে, ছত্রধরের ক্ষেত্রে এই কৌশল খাটা কঠিন। কারণ জেলে যাওয়ার ভয় তাঁরাই পান, যাঁরা জেল খাটেননি কখনও। আট বছর জেলে থাকায় ছত্রধর সেই ভয় থেকে মুক্ত। উল্টে তাঁর সামনে এসেছে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ। সেই সুযোগ তিনি কিছু঩তেই হাতছাড়া করবেন না। 
28th  November, 2020
লড়াই এবার নেমে এসেছে রণভূমিতে
সন্দীপন বিশ্বাস

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের লড়াই ছিল একটা রক্তচক্ষু, বাহুবলী, উদ্ধত শাসকের ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানুষের সম্মিলিত লড়াই। সেই লড়াইটার সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ইতিহাস কোনওভাবেই মুছে ফেলা যাবে না। বিশদ

প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

01st  December, 2020
ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
একনজরে
সাখির (বাহরিন): গত সাতদিনে তিনবার কোভিড টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ এল ফর্মুলা-ওয়ান তারকা লুইস হ্যামিলটনের। যার জেরে আসন্ন সাখির গ্রাঁ প্রি’তে অংশ নিতে পারবেন না সাতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন রেসারটি। মঙ্গলবারই মার্সিডিজ-এএমজি পেট্রোনাস এফওয়ান দলের পক্ষ থেকে হ্যামিলটনের করোনায় আক্রান্তের খবর প্রকাশ্যে আনা ...

কৃষক বিক্ষোভের আঁচ ছড়াল দেশান্তরেও। কেন্দ্রীয় কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। বিক্ষোভরত ‘রোদে পোড়া, তামাটে’ মানুষগুলোর পরিবার ও বন্ধুদের জন্য চিন্তিত বলে জানিয়েছেন তিনি। ...

গত এক মাসে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় সহায়ক মূল্যে ৬ কোটি ৩৭ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকার ধান কেনা হয়েছে। গত ২ নভেম্বর থেকে রাজ্যজুড়ে সহায়ক মূল্যে ...

পরিবার পরিকল্পনার অধিকাংশ সূচকে দেশে এক নম্বরে বাংলা। কেন্দ্রীয় সরকারের অক্টোবর মাসের তথ্য থেকে একথা জানা গিয়েছে। এই সূচকগুলির মধ্যে গর্ভনিরোধক ওষুধ বা পিল থেকে শুরু করে বন্ধ্যাত্বকরণ, মেয়েদের আইইউসিডি থেকে শুরু করে ছেলেদের নিরোধ ব্যবহার— অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেশে শীর্ষে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় সাফল্য প্রাপ্তি। কর্মে দায়িত্ব বৃদ্ধিতে মানসিক চাপবৃদ্ধি। খেলাধূলায়  সাফল্যের স্বীকৃতি। শত্রুর মোকাবিলায় সতর্কতার ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৭৬: কিউবার প্রেসিডেন্ট হলেন ফিদেল কাস্ত্রো
১৯৮৪: ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনায় কমপক্ষে আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৮৮: পাকিস্তানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেন বেনজির ভুট্টো
১৯৮৯: ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হলেন ভিপিসিং 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.১৭ টাকা ৭৪.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৯৭.২১ টাকা ১০০.৬৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৯৬ টাকা ৯০.১২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬০,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬১,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া ৩০/৪৪ সন্ধ্যা ৬/২৩। মৃগশিরা নক্ষত্র ১১/২২ দিবা ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৬/৪/৪৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৭/২৯ গতে ৮/১২ মধ্যে পুনঃ ১০/২১ গতে ১২/৩০ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৮/২০ গতে ৩/২৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ গতে ৭/২৯ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ৩/২২ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৫ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/২৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪৫ গতে ৪/২৫ মধ্যে। 
 ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া সন্ধ্যা ৫/৪। মৃগশিরা নক্ষত্র দিবা ১০/২৪। সূর্যোদয় ৬/৬, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৬ মধ্যে ও ৭/৩৮ গতে ৮/২০ মধ্যে ও ১০/২৮ গতে ১২/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৬/৩৬ মধ্যে ও ৮/২৫ গতে ৩/৩২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৬ গতে ৭/৩৮ মধ্যে ও ১/১৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে। কালবেলা ৮/৪৬ গতে ১০/৭ মধ্যে ও ১১/২৭ গতে ১২/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪৬ গতে ৪/২৬ মধ্যে। 
১৬ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আপনার আজকের দিনটি
মেষ: সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় সাফল্য প্রাপ্তি। বৃষ: নানা উপায়ে অর্থপ্রাপ্তির সুযোগ। ...বিশদ

04:29:40 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে
  ১৯৭৬: কিউবার প্রেসিডেন্ট হলেন ফিদেল কাস্ত্রো ১৯৮৪: ভোপাল গ্যাস ...বিশদ

04:28:18 PM

আইএসএল: হায়দরাবাদ ও জামশেদপুরের ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র

09:33:58 PM

জিএসটি ফাঁকি: কলকাতা সহ রাজ্যের ১০৪টি ময়দা মিলে হানা আধিকারিকদের

06:29:00 PM

তৃতীয় একদিনের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৩ রানে জয়ী ভারত

05:15:15 PM

কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ: টিকা নিতে নাইসেডে ফিরহাদ হাকিম

04:15:35 PM