দক্ষিণবঙ্গ

শিল্পাঞ্চলে দু’টি আসনে জয়ের পর বিশেষ ভাবনা, বন্ধ শিল্পের জমি ব্যবহারে উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচন জিতেই শিল্পাঞ্চলে নতুন বিনিয়োগ আনতে উদ্যোগী হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৪ সালে আসানসোল ও বর্ধমান দুর্গাপুর দু’টি আসনেই তৃণমূল কংগ্রেস জয় পাওয়ার পর ফের শিল্পাঞ্চল নিয়ে বিশেষ ভাবনা চিন্তা শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাগৃহে বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে ডাক পেয়েছিলেন এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠান ফেডারেশন অব সাউথ বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধিদের। সেখানেই ব্যবসায়ীরা তাঁকে পরামর্শ দেন, আসানসোল দুর্গাপুরে বন্ধ শিল্পের জমি ব্যবহারে উদ্যোগী হোক রাজ্য। ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রস্তাবে খুশি হয়ে দ্রুত বিষয়টি নিয়ে মুখ্যসচিব বি পি গোপালিকাকে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের গুরুত্ব দেওয়াই নয়, এডিডিএর চেয়ারম্যান হিসাবে একজন ব্যবসায়ীকে বসিয়ে বণিক মহলকেও মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দিয়েছেন বলে শিল্পাঞ্চলের ব্যবসায়ীদের দাবি। 
তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে পানাগড় শিল্পতালুকে এসেছিলেন মমতা। সেখানের এক বেসরকারি কারখানার শিলান্যাস করে কর্মসংস্থানের বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। তারপর পানাগড় ও অণ্ডালে একাধিক শিল্প গড়ে উঠে। তারপরই শিল্পাঞ্চল জুড়ে চর্চা ছিল, বন্ধ কারখানার জমিতে কেন নতুন শিল্পদ্যোগ আনতে উদ্যোগী হচ্ছে না রাজ্য। একদিকে বন্ধ কারখানাগুলি থেকে লোহা কাটিং হয়ে পাচার হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে জমি পড়ে থাকায় তা অনেকে দখল করে অসাধু ব্যবসা করছে। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আক্রমণ করেন ফেডারেশন অব সাউথ বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ খৈতান। তিনি বলেন, হয় বন্ধ কারখানার মালিকদের তা নতুন করে খুলতে বলুন, না হলে জমি সরকার নিয়ে নতুন উদ্যোগীদের দেওয়ার ব্যবস্থা করুক। এরপরই প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়। এখন দেখার এনিয়ে রাজ্য সরকার কত দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
অন্যদিকে দুর্গাপুরের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীকে আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান করা নিয়ে শিল্পাঞ্চল জুড়ে জোর চর্চা। রাজনৈতিক মহলে এনিয়ে দড়ি টানাটানি থাকলেও ব্যবসায়ী মহল খুশি। সাধারণ রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধিরাই এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলে এসেছেন। এবার একজন ব্যবসায়ীকে এই পদে বসিয়ে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অনেকের মতে, আসানসোল দুর্গাপুরে শিল্প গড়ার ক্ষেত্রে এডিডিএর গুরুত্ব অপরিসীম। তার মাথায় এক ব্যবসায়ীকে দেখে অনেকেই বিনিয়োগ করতে আত্মবিশ্বাসী হবেন। 
ফেডারেশন অব সাউথ বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সম্পাদক শচীন রায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাদের সভাপতির আবেদনে সাড়া দিয়েছে। বন্ধ কারখানার জমি নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিলে শিল্পের নতুন বিকাশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া এডিডিএর চেয়ারম্যান হিসাবে যেভাবে একজন ব্যবসায়ীকে আনা হয়েছে তাতেও আমরা খুশি। এডিডিএ চেয়ারম্যান কবি দত্ত বলেন, নিয়মের মধ্যে থেকে ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধান করতে উদ্যোগী হব। শিল্পের যাতে বিকাশ হয়, তা নিয়ে আমরা সচেষ্ট থাকব। 
1Month ago
কলকাতা
রাজ্য
দেশ
বিদেশ
খেলা
বিনোদন
ব্ল্যাকবোর্ড
শরীর ও স্বাস্থ্য
বিশেষ নিবন্ধ
সিনেমা
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
আজকের দিনে
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
mesh

পারিবারিক সম্পত্তি সংক্রান্ত আইনি কর্মে ব্যস্ততা। ব্যবসা সম্প্রসারণে অতিরিক্ত অর্থ বিনিয়োগের পরিকল্পনা।...

বিশদ...

এখনকার দর
ক্রয়মূল্যবিক্রয়মূল্য
ডলার৮২.৮৫ টাকা৮৪.৫৯ টাকা
পাউন্ড১০৬.৪৩ টাকা১০৯.৯৫ টাকা
ইউরো৮৯.৬৩ টাকা৯২.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
*১০ লক্ষ টাকা কম লেনদেনের ক্ষেত্রে
দিন পঞ্জিকা