Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

জয়বাংলার লোক/ মোটা মোটা চোখ/ আতপ চালের ভাত খেয়ে/ ক্যাম্পের মধ্যে ঢোক।
এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। তবু রয়ে গিয়েছে। শৈশবস্মৃতির শিকড় এতটাই গভীর কখনও। আজ বুঝতে পারি, কারণ, এই ছড়া আমার শুধু শ্রবণযন্ত্রকে অধিকার করেনি, দর্শনেন্দ্রিয়, এমনকী ত্বক রক্ত মাংস অস্থি ভেদ করে হৃদয়কে আন্দোলিত করেছে দীর্ঘকাল। এখনও করছে। পঞ্চাশ পেরনো অনেকেইর চেনা হয়তো ছড়াটি। সূচনার ‌‘জয়বাংলা’ শব্দবন্ধটি অবশ্যই গৌরবসূচক। কিন্তু, ছড়াটি কোনোভাবে মর্যাদাসূচক হয়ে ওঠেনি। বরং বাংলার একটি অংশের মানুষের প্রতি অবজ্ঞা তাচ্ছিল্য, এমনকী ঘৃণাই প্রকট হয়ে উঠেছে এই ছড়ার পরবর্তী শব্দগুলি চয়নের ভিতর দিয়ে।
‘জয়বাঙলা’ শব্দবন্ধটি, কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম (১৯২২) ব্যবহার করেছিলেন। পূর্ববঙ্গে মাদারিপুরের ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলনের নেতা পূর্ণ চন্দ্রের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কবি একটি প্রশস্তি লেখেন। তাতেই শব্দটির প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়। পরে এটাই হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ‘মন্ত্র’। এই মন্ত্রশক্তির বলেই মুক্তিযোদ্ধারা সমস্ত ভয় তুচ্ছ করতে পেরেছিলেন, পরাস্ত করেছিলেন পাকিস্তানের জল্লাদ বাহিনীকে, জিন্না সাহেবের সাধের পূর্ব পাকিস্তান ২৪ বছরের ভিতরে ‘স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ’ রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয়েছিল। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘জয়বাংলা’ নামে একটি সাপ্তাহিক কাগজও বেরত। ‘মুজিবনগর’ (কলকাতায়) থেকে। ছিল প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মুখপত্র। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’টি এই কাগজের প্রথম সংখ্যায় ছাপা হয়। পাকপন্থীরা অবশ্য ‘জয়বাংলা’ স্লোগানটিকে বাঙালির হৃদয় থেকে মুছে ফেলতে চায়। অন্যদিকে, স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখার পক্ষের বাংলাদেশিরা চান ‘জয়বাংলা’কেই সে-দেশের ‘রাষ্ট্রীয় স্লোগান’-এর স্বীকৃতি দেওয়া হোক।
মনে পড়ছে, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এবং তারপর দীর্ঘ কয়েক বছর এপার বাংলায় পূর্ববঙ্গের শরণার্থীর ঢল নেমেছিল। দুই বাংলার সীমান্তে হেন জায়গা পাওয়া দুষ্কর ছিল যেখান দিয়ে পূর্ববাংলার মানুষ এপারে প্রবেশ করেনি—নদী খাল বিল, খেত-খামার, জঙ্গল কোনও কিছুকেই বাধা মানেনি তারা। উপায়ও ছিল না। কোনোরকমে প্রাণটাকে বাঁচাতে হবে। এই ছিল সবার লক্ষ্য, মোক্ষ। তাদের বেশিরভাগই চলে এসেছিল বস্তুত একবস্ত্রে, খালি পেটে আর একটি করে ভাঙা বুক নিয়ে। অবশ্য সবার সেই সৌভাগ্যও হয়নি। সীমান্ত পেরনোর আগেই খান সেনাদের নজরে পড়েছিল যারা, তাদের হয় কচুকাটা করেছিল, নয়তো এলোপাতাড়ি গুলিতে ঝাঁজরা করে দিয়েছিল। দুধের শিশু থেকে নিরীহ নারী, অশক্ত বৃদ্ধবৃদ্ধা কারও জন্য তাদের এতটুকু মায়া মহব্বত ছিল না। নাবালিকা থেকে অন্তঃসত্ত্বা, এমনকী প্রৌঢ়া, বৃদ্ধাদেরও ইজ্জত লুটেছিল সেই বেজম্মার দল। বামপন্থীদের কল্যাণে ‘সর্বহারা’ কথাটির সঙ্গে আমরা বেশ পরিচিত। এতক্ষণ যে বাঙালি শরণার্থীদের কথা বলা হল, সর্বহারার সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত তো তারাই।
প্রথম দিকে তাদের কারও কারও অস্বাস্থ্যকর শরণার্থী ক্যাম্পগুলিতে জায়গা হয়েছে, আবার কারও হয়নি। তারা রাস্তা রেললাইন খাল নদী প্রভৃতির ধারে খোলা আকাশের নীচে, অথবা কোনোরকমে খাড়া করা ছাউনিগুলিতে ছিল। তার ভিতরেই শীত বর্ষাও কেটেছে মানুষগুলির। তাদের কাছে টাকাকড়ি বলতে কিছু নেই। সরকারি দানখয়রাতিই এক ও একমাত্র ভরসা। কিছুদিন রান্না খাবার, পাউরুটি, ছাতু, গুঁড়ো দুধ, জরুরি কিছু ওষুধ প্রভৃতি দেওয়া হয়েছে। তারপর রেশন মারফত দেওয়া হতো চাল। চাল বলতে আতপ চাল। এসব মিলিয়েই শরণার্থীদের হিউমিলিয়েট করার জন্য ‘জয়বাংলার লোক ...’ ছড়াকাটা হতো। ‘দিন আসবে’ ধরে নিয়ে হতভাগ্যরা কিছুই বলত না।
এই মানুষগুলি এমনভাবে থাকতে বাধ্য হতো যে তাদের মধ্যে পেটের ও ত্বকের নানা ধরনের অসুখ সংক্রামক হয়ে উঠেছিল। আর ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল চোখের চেনা অসুখ কনজাংটিভাইটিস। অস্বীকার করার উপায় নেই, কনজাংটিভাইটিস ওইসময় গণহারে ছড়িয়েছিল। অতএব, এই অসুখটির জন্য কেউ কেউ শরণার্থীদেরই দায়ী করল। শুধু দায় চাপাল না, অসুখটার নামও দিয়ে দিল ‘জয়বাংলা’! প্রকোপ অনেক কমে এলেও অসুখটা এখনও বিরল নয়। অবাক ব্যাপার, এখনও অনেক শিক্ষিত মানুষকেও বলতে শুনি—ওর ‘জয়বাংলা’ হয়েছে! সোজা কথায় পূর্ববঙ্গ থেকে আসা উদ্বাস্তু বা শরণার্থীদের সম্পর্কে ঘৃণা দেশভাগের ৭২ বছর পরেও দূর হয়নি।
আজ মানবেতর জীবনের সংজ্ঞা খুঁজতে গেলে প্রথমেই একাত্তরের সেই জীবন্মৃত মানুষগুলির ছবি সারি দিয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে পড়ে। গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত আফ্রিকার কিছু দেশ, সিরিয়া, প্যালেস্তাইন, আফগানিস্তান, কিংবা মার্কিনহানায় বিপর্যস্ত ভিয়েতনামের যেসব ছবি পরবর্তীকালে দেখেছি তাকে বাঙালির সেই দুর্দশার পাশে ন্যূন মনে হয়।
এই মানুষগুলির আদি পরিচয় কী? তারা ভারতসন্তান। ছোটবেলায় ইতিহাসে পড়েছি, ভারতকে অত্যাচারী ব্রিটিশের শাসনমুক্ত করার কাজে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল মূলত তিনটি প্রদেশ—বাংলা, পাঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র। পূর্ববঙ্গ কোনোভাবেই তার বাইরে ছিল না। পূর্ববঙ্গের মানুষজন সমান লড়েছিল। তবেই ভারত স্বাধীন হয়েছিল। কিন্তু সেই ‘স্বাধীনতা’ যে তাদের একাংশের জীবনে চরম অভিশাপের নামান্তর হয়ে উঠবে, তা তারা দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি। আমরা জানি, সেই অভিশাপের নাম দেশভাগ। হতভাগ্য মানুষগুলি এজন্য সেকালের হাতে গোনা কিছু ন্যাশনাল লিডারকেই দায়ী করে, যাঁদের ক্ষমতার লোভ দেশভাগ অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছিল। সাবেক বাংলা প্রদেশ দু’ভাগেই অবশ্য ক্ষান্ত হয়নি। বাংলার বেশিরভাগটা এসেছিল পশ্চিমবঙ্গে। (যদিও হিন্দুপ্রধান সাবেক খুলনা ও যশোহর জেলা পাকিস্তান কেন পেয়েছিল, সদুত্তর মেলনি।) আর কিছুটা গিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতে। বরাক উপত্যাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল যুক্ত হয়েছে আজকের অসম প্রদেশের সঙ্গে আর কিছুটা নিয়ে গঠিত হয়েছে ত্রিপুরা রাজ্য। ভারতের মানচিত্র নিয়ে স্যার শেরিল র‌্যাডক্লিফের কাটাকুটির খেলা এখানেই শেষ হয়নি, দুই বাংলা আর অসমের মধ্যে তিনি দেড়শোর বেশি ছিটমহলেরও জন্ম দিয়ে গিয়েছেন। যে-যন্ত্রণা এই সেদিন অবধি বয়ে বেড়াতে হয়েছে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষকে।
তাহলে বলুন, এই মানুষগুলির নিজের দোষটা কোথায়? যাদের বসবাসের পুরনো অঞ্চল অসমের অন্তর্ভুক্ত করা হল তাদের কেন অসমে ‘বহিরাগত’ দেগে দেওয়া হবে? কেন কিছু মানুষকে সাত দশকের বেশিকাল ছিটমহলের জাঁতাকলে পেষাই করা হল? নেতাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের কারণে কিছু মানুষকে পাকিস্তানে ফেলে রাখা হল। সেখানে একাধিক বার দাঙ্গার শিকার হল তারা। এইভাবে আড়াই দশক কাটার আগেই, একাত্তরে যুদ্ধের বলি হল তারা।
এখন জাতীয় নাগরিক পঞ্জির (এনআরসি) নতুন ধুয়ো তোলা হচ্ছে। সেখানে বাঙালিকে ফের প্রমাণ করতে হবে যে সে ‘ভারতীয়’! মানেটা কী? এই জাতিটার কি আর কোনও কাজ নেই। একটা করে ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে-না-উঠতেই তাকে আরেকটা নতুন ধাক্কা গ্রহণের জন্য তৈরি হতে হবে! কেন? কেন? কেন? এবং, আর কত বার, আর কত কাল চলবে এই পিং পং খেলা?
এখন শঙ্কিত স্বয়ং হেমন্ত বিশ্বশর্মা, মানে উত্তর-পূর্ব ভারতে বিজেপির প্রধান মুখ তথা অসমের অর্থমন্ত্রী। চতুর্দিকে বিজেপির মুখ পুড়ছে বলেই না? বিশেষত অসমের চূড়ান্ত এনআরসি তালিকায় ১২ লক্ষাধিক হিন্দুর নাম বাদ পড়েছে। তিনি পরিষ্কার বুঝে গিয়েছেন, এই বার্তা ক্রমে রটে গেলে তাঁদের ঘৃণার রাজনীতি ফিনিশ হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। ২০ নভেম্বর হেমন্তবাবুই দাবি করেছেন, অসমের চূড়ান্ত নাগরিকপঞ্জি বাতিল করা উচিত। তবে শুধু অসমের জন্য নয়, সারা ভারতের জন্য নতুন করে এনআরসি প্রস্তুত করা উচিত, যার একটি নির্দিষ্ট কাট অফ ডেট (অসমের জন্য ২৪ মার্চ, ১৯৭১ দিনটি ধার্য করা হয়) থাকা প্রয়োজন বলেও তিনি মনে করেন। হেমন্তবাবু মনে করছেন, অসমে এনআরসি তালিকা তৈরিতে অনেক গলদ আছে। ২৮ নভেম্বর তিনি বলেন, এনআরসিতে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য যেসব হিন্দু বাঙালি আবেদন করেছিলেন তাঁদের জেলাভিত্তিক নাম প্রকাশ্যে আনা হবে।
তা, কী লভ্যটা হবে মশায়? ক্ষমতার কারবারিদের আরেক দফা চাপান-উতোর ছাড়া কী মিলবে? এখন কথা হল, বাঙালি কেন এত ভুগবে? এই দুর্ভোগের অগ্রে বাঙালির নামটিই রাখছি, কারণটি সোজা—এদেশের আর কোনও জাতিকে এই দুর্ভোগ পোহাতে হবে না—অমিত শাহের হুঙ্কার মতো সারা দেশে এনআরসি হলেও না। বাঙালি ছাড়া আর কাউকেই যাযাবর বা নিজভূমে পরবাসী বানায়নি এদেশের ঘৃণ্য রাজনীতি, পাঞ্জাবিদের কথা মাথায় রেখেই বলছি। এনআরসির পরীক্ষায় পাশ নম্বর পাওয়ার জন্য যেসব নথি রেডি রাখার ফতোয়া আসছে বলে শোনা যাচ্ছে, তা পশ্চিমবঙ্গের দু-চার কোটি বাঙালি জোগাড় করতে ব্যর্থ হবে। ১৯৭১-এর ২৪ মার্চের আগে ভারতে প্রবেশ করার সময় ক’জন বর্ডার স্লিপ নিতে পেরেছিল? নিয়ে থাকলেও ক’জন তা এতকাল গুছিয়ে রাখতে পেরেছে? ক’জন ওই কাগজের ভবিষ্যৎ গুরুত্ব বুঝেছিল? কোন জ্যোতিষ-গণনায় তারা টের পাবে যে, কোনও একদিন এক মহান সরকারের এনিয়ে বাই চাগাড় দিয়ে উঠবে?
শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ তৈরি হয়। তিনি হিন্দুসহ সমস্ত ধর্মীয় সংখ্যালঘুকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে নতুন দেশ হবে সবার, চলবে ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিতে। আর যায় কোথায়! পাকিস্তানের দালাল বাহিনী তাঁকে ‘হিন্দু ভারতের হাতের পুতুল’ দেগে দিয়ে খুন করল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, ভারতের স্বাধীনতা দিবসে। তাঁর মৃত্যুর পরই বাংলাদেশের উপর ‘রাষ্ট্রধর্ম’ ইসলাম চাপিয়ে দেওয়া হল। ফলে, মুজিব-উত্তর বাংলাদেশ বহু হিন্দুর কাছে মোটেই নিরাপদ মনে হয়নি। সব ছেড়েছুড়ে কিংবা যাবতীয় সহায় সম্বল জলের দরে বেচে দিয়ে তারা এদেশে চলে এসেছে। বাংলাদেশের প্রগতিশীল সমাজ বার বার দাবি জানালেও বাংলাদেশকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত সংবিধান। দীর্ঘদিন ক্ষমতাসীন থেকে তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাও তা পারেননি। হাসিনার সরকার হিন্দুসহ সমস্ত সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার ব্যাপারে আন্তরিক বলে শুনতে পাই। তবু, কেন যেন এখনও সে-দেশের হিন্দুদের একটা বড় অংশের মন থেকে ভয় দূর হয়নি।
অন্যদিকে বলব সেইসব মানুষের কথা, যারা এই বাংলা কিংবা এই ভারতের বাইরে পৃথিবীর কিছু আছে বলে জানে না, শোনেওনি, তাদের কথা। তারা এই বঙ্গে, এই ভারতে নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহদের থেকেও বেশিকাল যাবৎ বসবাস করছে। হলফ করে বলা যায়, এমন বহু মানুষও এনআরসির প্রয়োজনীয় নথির জোগান দিতে পারবে না। যে-দেশের নানা অংশের মানুষ বংশপরম্পরায় ভূমিহীন গৃহহীন, ঝড়ঝঞ্ঝা বন্যা প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ফি বছর যাদের সঙ্গী, অশিক্ষার অভিশাপ এখনও যাদের আষ্টেপৃষ্ঠে রেখেছে, তারা জানে না জন্ম সার্টিফিকেট, মৃত্যুর সার্টিফিকেট বলে যে কিছু হয়, সেসব গুছিয়ে রাখতে হয়, কীভাবে রাখতে হয়। একবেলার চাল আটা জোগাড় করতেই যাদের কালঘাম ছোটে তাদের জমির দলিল আবার কী মশায়? চাকরির নথি কোত্থেকে জুটবে? সাত জম্মে কেউ স্কুল-পাঠশালায় গিয়েছে? অফিসে ঢোকার পারমিশন জুটবে কোত্থেকে হে? এই লোকগুলোর কী বন্দোবস্ত? ভারতে ভবঘুরে লোকের সংখ্যা কত, সরকার হিসেব দিতে পারবে? সারা পৃথিবীতে জিপসি-রোমানি যারা, শুনেছি তারা আদিতে ভারতীয়! তাদের উপর ইউরোপে একসময় খুব অত্যাচার হয়েছে, হিটলারের জমানা থেকে, এখনও হচ্ছে। তারা আজকের ভারতেও চলমান—ভদ্রজনেরা তাদের বানাজারা বলি। এনআরসি-ওয়ালারা এদের কথা মাথায় রেখেছেন তো?
ভারতভাগের খেলা থেকে এ পর্যন্ত অনেক দেখলাম আমরা। নেতাদের খামখেয়াল বন্ধ হওয়া দরকার। তাঁরা একটু মানবিক হোন। মানুষকে মানুষ ভাবতে শিখুন। তাহলেই দেখবেন এসব বদবুদ্ধি মাথা থেকে জাস্ট উবে যাবে। শুধু একটি মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক খুলে ফেললেই দায় মিটে যায় না, দেশবাসীই যে যথার্থ মানবসম্পদ (হিউম্যান রিসোর্স)—এই শ্রদ্ধাটি থাকা জরুরি। দেশকে দ্রুত এবং সুন্দরভাবে সাজাতে হলে এই অমূল্য সম্পদের সদ্ব্যবহার করতেই হবে। মানুষকে অকারণ, বারংবার, ব্যতিব্যস্ত করার পরিণাম—অপূরণীয় ক্ষতিই আহ্বান করা।
05th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বিজেপির অহঙ্কারের পতন
হিমাংশু সিংহ

সবকিছুর একটা সীমা আছে। সেই সীমা অতিক্রম করলে অহঙ্কার আর দম্ভের পতন অনিবার্য। সভ্যতার ইতিহাস বারবার এই শিক্ষাই দিয়ে এসেছে। আজও দিচ্ছে। তবু ক্ষমতার চূড়ায় বসে অধিকাংশ শাসক ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এই আপ্তবাক্যটা প্রায়শই ভুলে যায়।  বিশদ

01st  December, 2019
উপনির্বাচনের ফল ও বঙ্গ রাজনীতির অভিমুখ
তন্ময় মল্লিক

জনতা জনার্দন। ফের প্রমাণ হয়ে গেল। মাত্র মাস ছয়েক আগে লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন দখল করে গেরুয়া শিবির মনে করেছিল, গোটা রাজ্যটাকেই তারা দখল করে নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেই বঙ্গেই তিন বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে একেবারে উল্টো হওয়া বইয়ে দিল মানুষ।
বিশদ

30th  November, 2019
ওভার কনফিডেন্স
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের সব থেকে প্রিয় হবি হল পরিবর্তন। তাঁরা স্থিতাবস্থায় বিশ্বাস করেন না। তাঁরা বদলের বন্দনাকারী। পরিবর্তন কি খারাপ জিনিস? মোটেই নয়। বরং পরিবর্তনই তো সভ্যতার স্থাণু হয়ে না থেকে এগিয়ে চলার প্রতীক।   বিশদ

29th  November, 2019
উপনির্বাচনী ফল: বঙ্গজুড়ে পারদ চড়ছে কৌতূহলের
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ রাজ্যের তিন বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনী ফল বেরচ্ছে। কথায় বলে, ফলেই পরিচয়। ফলেন পরিচীয়তে। আজ সেই ফলের জন্য উদ্‌গ্রীব বাংলা, বাংলার রাজনৈতিকমহল। নানান জনের নানা প্রত্যাশা চতুর্দিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অবশ্য সেজন্য আসমুদ্রহিমাচল বাংলা টানটান উত্তেজনায় কাঁপছে বললে হয়তো অত্যুক্তি হবে। বিশদ

28th  November, 2019
পাওয়ারের শক্তিপরীক্ষা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এখন সত্যিই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, বালাসাহেব থ্যাকারে বেঁচে থাকলে কী করতেন! আগের রাতে শুনে ঘুমাতে গেলেন, শিবসেনার জোট সরকার হচ্ছে এবং ছেলে উদ্ধব সেখানে মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু পরদিন সাতসকালে ঘুম ভেঙে দেখলেন, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ফেলেছেন।
বিশদ

26th  November, 2019
মহারাষ্ট্রে টানটান সিরিয়ালের নায়ক কে
সন্দীপন বিশ্বাস

কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের অবসান হয়েছে। যুধিষ্টিরের অভিষেক পর্বও হয়ে গিয়েছে। রাজনীতি, রাজধর্ম নিয়ে শিক্ষা নিতে তিনি গেলেন শরশয্যায় শায়িত ভীষ্মের কাছে। ভীষ্ম তাঁকে সেদিন যে উপদেশ দিয়েছিলেন তা আদর্শ রাজধর্ম এবং রাজনীতি বলেই বিবেচিত হয়। কিন্তু আজকের যুগের স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতি দেখলে মনে হয় এই রাজনীতি যেমন নীতির রাজা নয়, তেমনই রাজার নীতিও নয়। 
বিশদ

25th  November, 2019
একনজরে
বিএনএ, মালদহ: উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছে মাদক ট্যাবলেট। আর সেই পাচারের রুট হিসেবে এখন দুষ্কৃতীদের পছন্দের তালিকায় উঠে এসেছে মালদহ সহ উত্তরবঙ্গের ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: খড়্গপুরে এসে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার উন্নয়নে ৩৬টি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে ২৯টি নয়া প্রকল্পের শিলান্যাসও করবেন তিনি। বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূলের বিপুল সাফল্যে খড়্গপুরবাসীকে ধন্যবাদ জানাতে ৯ ডিসেম্বর আসছেন মুখ্যমন্ত্রী।  ...

রূপাঞ্জনা দত্ত, ৬ ডিসেম্বর: লন্ডন ব্রিজে হামলাকারী জঙ্গি উসমান খানের দেহ পাঠানো হল পাকিস্তানে। বৃহস্পতিবার তার মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। শুক্রবার সকালে যাত্রীবাহী বিমানে দেহ পৌঁছয় পাকিস্তানে। এদিন ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আধিকারিকরা একথা জানিয়েছেন।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: সমস্ত দপ্তরের অফিসারদের নিয়ে এবার ব্লক অফিসে গিয়ে বৈঠক করে কাজের হালহকিকত খতিয়ে দেখতে শুরু করলেন হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্য। বৃহস্পতিবার তিনি সাঁকরাইল ব্লকে প্রশাসনিক বৈঠক করেন। এর আগে তিনি আমতা-২ ব্লকেও প্রশাসনিক বৈঠক করেছিলেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বন্ধু-বান্ধবদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা দরকার। কর্মে একাধিক শুভ যোগাযোগ আসবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭২: কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হল ন্যাশনাল থিয়েটার
১৯৪১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পার্ল হারবারে বোমাবর্ষণ
১৯৮৪: বরুণ সেনগুপ্তের সম্পাদনায় আত্মপ্রকাশ করল ‘বর্তমান’  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯২.২০ টাকা ৯৫.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৫ টাকা ৮০.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৬৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,২২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, দশমী ১/৭ দিবা ৬/৩৪। রেবতী ৪৭/৫০ রাত্রি ১/২৮। সূ উ ৬/৭/৩৪, অ ৪/৪৮/২, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৩ গতে ৯/৪১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ২/৪০ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪৮ গতে ২/৩৫ মধ্যে, বারবেলা ৭/২৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২৮ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৬/২৮ মধ্যে পুনঃ ৪/২৬ গতে উদয়াবধি। 
২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, একাদশী ৬০/০/০ অহোরাত্র। রেবতী ৪৭/৫০/২৭ রাত্রি ১/১৭/৯, সূ উ ৬/৮/৫৮, অ ৪/৪৮/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ৭/৪৩ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫২ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৪৩ মধ্যে, কালবেলা ৭/২৮/৫৫ মধ্যে ও ৩/২৮/৩৮ গতে ৪/৪৮/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৮/৩৯ মধ্যে ও ৪/২৮/৫৬ গতে ৬/৯/৩৭ মধ্যে। 
৯ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের রাশিফল 
মেষ: কর্মে একাধিক শুভ যোগাযোগ আসবে। বৃষ: কর্মক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। মিথুন: উপার্জন ভাগ্য ...বিশদ

07:11:04 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৮৭২: কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হল ন্যাশনাল থিয়েটার১৯৪১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পার্ল হারবারে ...বিশদ

07:03:20 PM

আলিপুরে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মান বাড়ির একাংশ 
আলিপুর রোডে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ বহুতলের একাংশ। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ...বিশদ

05:05:00 PM

মালদহে মহিলার রহস্যমৃত্যুর ঘটনার তদন্তে অতিরিক্ত পুলিস সুপারকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ বিজেপির 

03:51:00 PM

মালদা, বালুরঘাট, কোচবিহার বিমানবন্দর নবীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী 
মালদা, বালুরঘাট, কোচবিহারের মতো অব্যবহৃত বিমানবন্দর ও বিমান স্ট্রিপগুলির নবীকরণের ...বিশদ

03:34:00 PM

একনজরে গতকালের ম্যাচের রেকর্ডগুলি 
গতকাল হায়দরাবাদে প্রথম টি-২০ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দারুণ জয় ...বিশদ

02:35:02 PM