Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এক জাতি, এক নির্বাচন, অনেক ভীতি
পি চিদম্বরম

প্রধানমন্ত্রীকে আপনার বাহবা দিতে হবে যে সাধারণ মানুষের চিত্তবিক্ষেপ ঘটিয়ে দেওয়ার মতো ইস্যুগুলো তিনি খাড়া করে দিতে পারেন। তিনি এই বিষয়ে বাজি ধরেন যে বিরোধীরা বহু কণ্ঠে প্রতিক্রিয়া জানাবে এবং সেগুলি সবসময় অকাট্য বা যুক্তিনির্ভর হবে না।
পুলওয়ামা ছিল একটি মোক্ষম দৃষ্টান্ত। সবদিক থেকে গোয়েন্দা ব্যর্থতা (ইন্টেলিজেন্স ফেলিয়োর) ছিল। ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যপাল যতটা সম্ভব স্বীকার করে নেন এই কথা বলে যে, ‘‘বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি রাজপথ ধরে যাওয়ার সময় আমরা শনাক্ত করতে কিংবা আটকাতে পারিনি ...। ঘটনা হল আমরা জানতে পারিনি যে তাদের (স্থানীয় বিদ্রোহীদের) মধ্যে একজন ফিদায়েঁও ছিল, এটা গোয়েন্দা ব্যর্থতার একটা অংশ।’’
এই ধরনের হামলার পর কোনও সরকারই মৌন থাকতে পারত না। জবাব ছিল বালাকোট, পাকিস্তান বায়ুসেনা ছিল আধা-প্রস্তুত, ভারতীয় বায়ুসেনা লক্ষ্যে আঘাত হেনেছিল, এবং পাকিস্তান ভারতীয় বায়ুসেনার একটি বিমানকে গুলি করে নামিয়েছিল। এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে কোনও সংশয় নেই, প্রশ্ন যেটা উঠেছে সে হল হতাহতের সংখ্যা নিয়ে। সুতরাং, আমাদের কী বলার আছে?—পুলওয়ামায় উদ্বেগজনক ব্যর্থতা আর বালাকোটে তাৎপর্যপূর্ণ সাফল্য।
মনোযাগ বিক্ষিপ্ত করে দাও
নরেন্দ্র মোদি সাফল্যের সঙ্গে পুলওয়ামা আর বালাকোটকে মিশিয়ে দিয়েছেন। কেউ যদি পুলওয়ামায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা (৪০টি তাজা প্রাণ হারানোর বিষাদময় ঘটনা) নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তবে অনৈতিকভাবে তার ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে তিনি বালাকোটে বায়ুসেনার সাফল্যকে খাটো করেছেন, এবং তাঁকে জাতীয়তা-বিরোধী হিসেবে দেগেও দেওয়া হয়েছে। বিরোধীরা, বিশেষত হিন্দিভাষী রাজ্যগুলির বিরোধীরা এই চতুর নির্বাচনী কৌশল মোকাবিলার মতো প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেনি এবং মানুষকে বোঝাতে পারেনি পুলওয়ামায় ব্যর্থতা আর বালাকোটে সাফল্যের তফাতটা কী। মানুষের দৃষ্টিকে মন্থরগতির অর্থনীতি, বেকারত্ব, কৃষকদের দুর্দশা, সাম্প্রদায়িক ঘৃণা, গণপ্রহারে মৃত্যু প্রভৃতির দিক থেকে মোদিজি তাঁর নির্বাচনী ভাষণে সাফল্যের সঙ্গে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন।
লোকসভার নির্বাচনের পর দৃষ্টিটা মন্থরগতির অর্থনীতি, বেকারত্ব, কৃষকদের দুর্দশা, সাম্প্রদায়িক ঘৃণা, গণপ্রহারে মৃত্যু প্রভৃতির দিকে ফিরিয়ে আনা উচিত। রাষ্ট্রপতির ভাষণে এসবের উপরেই গুরুত্ব আরোপ করা উচিত ছিল; সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জবাবটিও হওয়া উচিত ছিল এসব কেন্দ্র করে; প্রাক বাজেট বিতর্কের থিমও হওয়া উচিত এটা। হায়, সে হওয়ার নয়, মানুষের চিন্তায় ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে মোদিজির নতুন স্লোগান ‘এক জাতি এক নির্বাচন’। চিত্তবিক্ষেপের নতুন এক কৌল।
অসাংবিধানিক
ফেডারেল কাঠামোর সংসদীয় গণতন্ত্রে কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভা যথাক্রমে লোকসভার প্রতি [অনুচ্ছেদ ৭৫(৩)] এবং বিধানসভার প্রতি [অনুচ্ছেদ ১৬৪(২)] যৌথভাবে দায়বদ্ধ থাকবে। আইনসভার প্রতি ‘দায়বদ্ধতা’র অর্থ হল মন্ত্রিসভা প্রতিটি দিন এবং প্রতিটি ঘণ্টায় অবশ্যই আইনসভার সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থাভাজন থাকবে। যে-মুহূর্তে সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন হারিয়ে যায় সেই মুহূর্তে সরকারটির ক্ষমতা ত্যাগ করা উচিত। ধারণা এইরকম যে সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন নিয়ে পরবর্তী মন্ত্রিসভা দায়িত্বভার গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত এই ধরনের সংখ্যালঘু মন্ত্রিসভাও কাজ চালিয়ে যেতে পারে, কিন্তু এটা সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল নীতির বিরোধী ব্যাপার। ধরা যাক, একটা সরকার ভোটাভুটিতে পরাস্ত হয়ে গেল, কিন্তু আইনসভার ভিতরে এমন কোনও সদস্যকে পাওয়া গেল না যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন জোগাড় করতে সমর্থ হলেন, তখন কি সেই পরাজিত প্রধানমন্ত্রী অথবা মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পদে বহাল থাকবেন? সেটা হবে সংসদকে অপবিত্র করার শামিল। তখন এক এবং একমাত্র ন্যায়সংগত সমাধান হল অন্তর্বর্তী বা মধ্যবর্তী নির্বাচন।
সংসদীয় গণতন্ত্রের পক্ষে আরও দুটি বিষয় সমানভাবে ‘অ্যান্টিথেটিক্যাল’ হল—নির্দিষ্ট মেয়াদ পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পরেও কোনও একটি সরকারের মেয়াদ বৃদ্ধি করার কিংবা নির্দিষ্ট মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সেটা কমিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দান। মানুষ প্রার্থীদের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচন করে পাঠায়: সেই মেয়াদ বাড়িয়ে অথবা ছেঁটে দেওয়ার অর্থ হবে নির্বাচকদের অপমান করা।
এটা স্পষ্ট যে, বর্তমান সংবিধান অনুসারে অসাংবিধানিক এটা সম্পূর্ণ জেনে বুঝেও ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ ক্যাম্পেনটা চালানো হচ্ছে। যদিও সমর্থক প্রবক্তারা এটা আদৌ স্বীকার করবেন না যে তাঁদের আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে সংবিধান সংশোধন করা। তাঁদের সংশোধনের দিগ্‌঩নির্দেশটা খুব স্পষ্ট: একক (ইউনিটারি), যুক্তরাষ্ট্রীয় (ফেডারেল) নয়; অধিক ক্ষমতাধর প্রধান (এগজিকিউটিভ), দুর্বল আইনসভা; একরূপতা (ইউনিফর্মিটি), বৈচিত্র নয়; সাধারণ পরিচয় (কমন আইডেন্টিটি), বিবিধ সংস্কৃতি নয়; এবং সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্য, সহমতের ভিত্তিতে নয় (মেজরিটারিয়ান, নট কনসেনস্যুয়াল)। নির্দেশটা রাষ্ট্রপতি-প্রধান সরকারের ব্যবস্থার (প্রেসিডেন্সিয়াল সিস্টেম অফ গভর্নমেন্ট) দিকেই।
পরিবর্তন সম্পর্কে সর্তক হওয়ার পরামর্শ
একমাত্র ভারতের সংবিধানের ব্যাপক সংশোধনের মাধ্যমেই, উপরে যেসব আশঙ্কার কথা বলা হল, সেগুলি অর্জন করা সম্ভব। সংবিধানের আমূল সংশোধনের ধারণাটিতে বিজেপির অমত নেই বলে মনে হয়, কারণ তারা বিশ্বাস করে, যেহেতু কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেব্লিতে (গণপরিষদ বা সংবিধান রচনার জন্য ভারপ্রাপ্ত নির্বাচিত প্রতিনিধিসভা) আরএসএসের প্রতিনিধিত্ব ছিল না, সুতরাং বর্তমান সংবিধানের মালিকানার ভারগ্রহণে তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ নয়। এটা জলের মতো পরিষ্কার যে আরএসএস এবং বিজেপি তাদের পছন্দের সংবিধান চায় এবং ‘এক জাতি, এক নির্বাচন’ প্রচারটা হল সেইমতো সংবিধান পরিবর্তনের পূর্বলক্ষণ।
ফেডারেল সিস্টেম সরকারের এমন কোনও দেশ নেই যার সঙ্গে আমরা তুলনা করে নিতে পারি যেখানে একইসঙ্গে জাতীয় সংসদ এবং রাজ্য বা প্রাদেশিক আইনসভার ভোট নেওয়া হয়ে থাকে—উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং জার্মানির নাম নেওয়া যেতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্সিয়াল সিস্টেমের সরকার, অতএব ওই দেশের সঙ্গে আমাদের তুলনা চলে না। পাশাপাশি এটাও দেখতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যুগপৎ এবং অযুগপৎ—দুই ধরনেরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে (একটা হয় চার বছর অন্তর আর-একটা হয় দু’বছর অন্তর)। একটি দেশে একটিমাত্র নির্বাচন ব্যবস্থা চির-প্রযোজ্য হতে পারে না গোছের বিতর্কটাও অন্তঃসারশূন্য: যদি কতকগুলি রাজ্যে একইসঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় উপস্থিত হয় তো সমস্যাটা কীসের? যদি কোনও দেশ তথাকথিত চির-প্রযোজ্য নির্বাচন ব্যবস্থার (পারপিচুয়াল ইলেকশন মোড) মধ্যে দিয়ে চলে, সেটা হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেখানে প্রতিনিধিসভার (হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস) নির্বাচনটা হয় নিয়ম করে দু’বছর অন্তর! এর জন্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনও ক্ষতি হয়েছে বলে তো মনে হয় না।
বিজেপির উচিত তাদের মতলবটা পরিষ্কার করে দেওয়া। দলটা যদি প্রেসিডেন্সিয়াল সিস্টেম অফ গভর্নমেন্ট বা রাষ্ট্রপতিতান্ত্রিক ব্যবস্থার সরকার চায় তবে সেটা তারা খোলাখুলি বলে দিক। তখন দেশবাসীকেই সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া হোক দেশের সামনে এই পরিস্থিতিতে অগ্রাধিকার কোনটি—মন্থরগতির অর্থনীতি, বেকারত্ব, কৃষকের দুর্দশা, সাম্প্রদায়িক ঘৃণা এবং গণপ্রহারে মৃত্যু অথবা বসানো প্রথম এগজিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট, অধীন বা অনুগত মন্ত্রিসভা এবং ক্ষমতাহীন সংসদ।
01st  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

 কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
বিশদ

কেন তেরোজন অর্থনীতিবিদ অখুশি হবেন?
পি চিদম্বরম

প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন পাঁচ বছর আগে তাঁর প্রথম অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকনমিক সার্ভে ২০১৪-১৫) পেশ করে বলেছিলেন, ‘‘ভারত একটা সুন্দর জায়গায় (সুইট স্পট) পৌঁছে গিয়েছে—জাতির ইতিহাসে এটা বিরল—এইভাবে শেষমেশ দুই সংখ্যার মধ্যমেয়াদি বৃদ্ধির কৌশলে ভর করে এগনো যাবে।’’
বিশদ

08th  July, 2019
জলের জন্য হাহাকার আমাদের কি একটুও ভাবাচ্ছে!
শুভা দত্ত

আমাদের এখনও তেমন অসুবিধে হচ্ছে না। কারণ, কলকাতা মহানগরীতে এখনও পানীয় হোক কি সাধারণ কাজকর্ম সারার জলের অভাব ঘটেনি। ঘটেনি কারণ আমাদের জল জোগান যে মা গঙ্গা, তিনি এখনও বহমান এবং তাঁর বুকের ঘোলা জলে এখনও নিয়ম করে বান ডাকে, জোয়ার-ভাটা খেলে।
বিশদ

07th  July, 2019
এক বাস্তববাদী রাজনীতিকের নাম শ্যামাপ্রসাদ
হারাধন চৌধুরী

 নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় সরকার নিয়ে বিজেপি তিন দফায় ভারত শাসনের দায়িত্ব পেল। কংগ্রেসকে বাদ দিলে ভারতের আর কোনও রাজনৈতিক দল এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। ২০১৯-এর লোকসভার ভোটে বিজেপি ক্ষমতা অনেকখানি বাড়িয়ে নিয়েছে। ২০১৪-র থেকে বেশি ভোট পেয়েছে এবং তিনশোর বেশি আসন দখল করেছে।
বিশদ

06th  July, 2019
চাকরি ও পরিকাঠামো উন্নয়নে প্রত্যাশিত দিশা দেখাতে পারল না নির্মলা সীতারামনেরও বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

 লোকসভা নির্বাচনের আগে গত ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান বছরের (২০১৯-২০) অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করা হয়েছিল। নির্বাচনে বিপুল জয়ের পরে বর্তমান অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দ্বিতীয় মোদি সরকারের বর্তমান অর্থবর্ষের পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করলেন। এই বাজেটে আয় ও ব্যয় অন্তর্বর্তী বাজেটে যা ধরা হয়েছিল সেটাই অপরিবর্তিত রইল।
বিশদ

06th  July, 2019
চীনা ঋণের ‘নাগপাশ’
মৃণালকান্তি দাস

বৈদেশিক ঋণের পাহাড় কীভাবে একটা দ্রুত বিকাশশীল অর্থনীতির চাকাকে স্তব্ধ করে দিতে পারে, শ্রীলঙ্কা তার ক্ল্যাসিক দৃষ্টান্ত। হামবানতোতা বন্দরকে ৯৯ বছরের লিজে চীনের কাছে হস্তান্তরে বাধ্য হওয়ার পর সেই ধারণাই আরও জোরালো হয়েছে। শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিবিদ উমেশ মোরামুদালি লিখেছেন, শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক ঋণের চেহারা আসলে যা ভাবা হচ্ছে, তার চেয়েও অনেক বেশি সাঙ্ঘাতিক। চীনের ঋণ একা দায়ী নয়। হামবানতোতা বন্দর নির্মাণের জন্য চীনের এক্সিম ব্যাঙ্ক থেকে শ্রীলঙ্কা যে ঋণ নিয়েছিল তার জন্য প্রতিবছর যে টাকা শোধ করতে হচ্ছে, সেটা শ্রীলঙ্কার মোট বার্ষিক ঋণ পরিশোধের ৫ শতাংশও নয়। অন্যভাবে বললে, হামবানতোতা আসলে হিমশৈলের চূড়ামাত্র।
বিশদ

05th  July, 2019
জি-টোয়েন্টির মঞ্চে ভারতের সফল কূটনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ 

বাস্তবিকই তাই। দ্বিতীয়বার জিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর বিপুল জনসমর্থনকে ভারতের বহির্বাণিজ্য ও কূটনৈতিক নেটওয়ার্ককে মজবুত করার কাজে নিযুক্ত করেছেন। ইতিমধ্যে তাঁর দ্বিতীয়বার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বিমস্টেকের অন্তর্গত সকল সদস্য রাষ্ট্র ও সাংহাই কোয়াপারেশন অর্গানাইজেশনের এখনকার সভাপতি কিরঘীজ রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি মোক্ষম চাল দিয়েছেন। 
বিশদ

04th  July, 2019
অ্যাঞ্জি, আয়লান ও মানবিকতার হত্যা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 আরও একটা ছবি...। মর্মান্তিক বললেও কম। আর সেটাই গোটা দুনিয়ার চোখে আঙুল দিয়ে ফের দেখিয়ে দিল, মানবিকতার থেকে অর্থনীতির গুরুত্ব আজ অনেক বেশি। কালো টি-শার্ট, কালো শর্টস পরা শরীরটা মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছে কাদায়। আগাছার মধ্যে। টি-শার্টটা একটু উঠে। তার ফাঁক থেকে দেখা যাচ্ছে ছোট্ট আর একটা শরীর। ২৩ মাসের অ্যাঞ্জির।
বিশদ

02nd  July, 2019
রাজ্য মেধাতালিকা ও প্রান্তিক সুন্দরবন
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

 অনেকেই বলাবলি করেন: রাজ্যের মেধাতালিকায় কোথায় আর সুন্দরবন। কথাটা ঠিক নয়। ক্ষেত্রসমীক্ষা বলছে—মেধাতালিকায় সে-মাথায় দার্জিলিং তো এ-মাথায় সুন্দরবন। সদ্য বের হল জয়েন্টের মেধাতালিকা। পঞ্চম স্থানে অর্ক দাস। অর্কের শিকড় আসলে সুন্দরবন সন্নিহিত অঞ্চলে। খোদ সুন্দরবনের জ্ঞানপীঠ বিদ্যায়তনে ওর প্রাথমিক শিক্ষাগ্রহণ।
বিশদ

01st  July, 2019
অশান্তি ঠেকাতে পুলিসের একাংশের ভূমিকা অশান্তি বাড়িয়ে দিচ্ছে না তো?
শুভা দত্ত

  পুলিসি দক্ষতা এবং সময়ানুগ সক্রিয়তা বজায় থাকলে অনায়াসে অনেক কিছুই সহজে মিটে যায় বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। প্রাণও বাঁচে। কিন্তু, মার ঠেকাতে গিয়ে যদি পুলিসই প্রাণঘাতী মারমুখী হয়ে ওঠে তবে তো বিপদ। সেই বিপদের আভাস মিলেছে। যতদূর খবর, বিপদ যাতে বাড়তে না পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নিচ্ছে মমতা সরকার।
বিশদ

30th  June, 2019
কাটমানি ও শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

এক ফোঁটা গোচোনা যেভাবে গোটা বালতির দুধ নষ্ট করে দেয়, তেমনই তৃণমূলের মাতব্বরদের কাটমানি খেয়ে ফুলে ফেঁপে ঢোল হয়ে ওঠা মুখ্যমন্ত্রীর সমস্ত ভালো কাজে কেরোসিন ঢেলে দিয়েছে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাটমানির মূলেই কুঠারাঘাত করেছেন। তাঁর এই ‘শুদ্ধিকরণ’ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে ২০২১ সালটা হবে ইতিহাস সৃষ্টির বছর। রচিত হবে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ের ইতিহাস।
বিশদ

30th  June, 2019
রাজ্য মেধাতালিকা ও প্রান্তিক সুন্দরবন
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

অনেকেই বলাবলি করেন: রাজ্যের মেধাতালিকায় কোথায় আর সুন্দরবন। কথাটা ঠিক নয়। ক্ষেত্রসমীক্ষা বলছে—মেধাতালিকায় সে-মাথায় দার্জিলিং তো এ-মাথায় সুন্দরবন। সদ্য বের হল জয়েন্টের মেধাতালিকা। পঞ্চম স্থানে অর্ক দাস। অর্কের শিকড় আসলে সুন্দরবন সন্নিহিত অঞ্চলে। খোদ সুন্দরবনের জ্ঞানপীঠ বিদ্যায়তনে ওর প্রাথমিক শিক্ষাগ্রহণ।
বিশদ

29th  June, 2019
একনজরে
 ম্যাঞ্চেস্টার, ১০ জুলাই: জেমস নিসামের বল যুজবেন্দ্র চাহালের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটরক্ষক টম লাথামের দস্তানায় জমা পড়তেই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন বুকে টেনে নিলেন মার্টিন গাপটিলকে। ...

 অভিজিৎ চৌধুরী  মালদহ, বিএনএ: গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে লাগাতার নানান অশান্তি এবং অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবার উপাচার্যকে ডেকে পাঠালেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। আগামী ১৪ই জুলাই কলকাতায় উপাচার্যকে বৈঠকে থাকার জন্য বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ...

 করাচি, ১০ জুলাই (পিটিআই): অর্থ নিয়ে বচসার জেরে পাকিস্তানে খুন হলেন একজন টিভি সঞ্চালক। মঙ্গলবার রাতে খায়াবন-ই-বুখারি এলাকায় বোল নিউজ চ্যানেলের টিভি সঞ্চালক মুরিদ আব্বাস ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডোমিসাইল বিতর্কের জল এবার গড়াতে চলেছে আদালতে। এ নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছে নিট পাশ ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের একাংশ। শুক্রবার এ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের হতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আবেগের বশে কোনও কাজ না করাই ভালো। দাম্পত্য জীবনে বনিবনার অভাবে সংসারে অশান্তি বাড়বে। কর্মে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
১৮২৩ সালের এই দিনে ভারতের তৈরি প্রথম জাহাজ ডায়না কলকাতা বন্দর থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।
১৮৮৯ সালের এই দিনে অবিভক্ত ভারতের কলকাতায় প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়।
১৯২১: মঙ্গোলিয়ায় গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করল লাল ফৌজ
১৯৩০ সালের এই দিনে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ডন ব্রাডম্যান এক দিনে ৩০৯ রান করার রেকর্ড করেন, পরে টেস্ট ম্যাচে তা ৩৩৪ রানের সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছিল।
১৯৫৬: সাহিত্যিক অমিতাভ ঘোষের জন্ম
১৯৬২: প্রথম ট্রান্সআতলান্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সম্প্রচার শুরু হল
১৯৬৭: সাহিত্যিক ঝুম্পা লাহিড়ির জন্ম
১৯৭২: বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম খেলা ববি ফিশার ও বরিস স্পাসকির মধ্যে শুরু হল
১৯৭৯: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মহাকাশ স্টেশন স্কাইল্যাব পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। সেটিকে ভারত মহাসাগরে ফেলে ধ্বংস করা হয়।
২০০৬: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে ২০৯জনের মৃত্যু
২০১২: আবিষ্কার হল প্লুটোর পঞ্চম উপগ্রহ এস/২০১২ পি ১



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৮৩ টাকা ৬৯.৫২ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৯৪ টাকা ৮৭.০৭ টাকা
ইউরো ৭৫.৪৬ টাকা ৭৮.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৪,৭৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩২,৯৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৩,৪৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, দশমী ৫০/০ রাত্রি ১/৩। স্বাতী ২৭/১১ দিবা ৩/৫৫। সূ উ ৫/২/৪৯, অ ৬/২১/১, অমৃতযোগ দিবা ৩/৪১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ২/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৩/১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/২ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৬, ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, নবমী ০/১৫/১৭ প্রাতঃ ৫/৮/৪৭ পরে দশমী ৫৬/১২/২১ রাত্রি ৩/৩১/৪০। স্বাতীনক্ষত্র ৩৫/৩৮/১৯ রাত্রি ৭/১৮/৪, সূ উ ৫/২/৪৪, অ ৬/২৩/১০, অমৃতযোগ দিবা ৩/৪২ গতে ৬/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৯/১৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/১২ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/৪৩/৬ গতে ৬/২৩/১০ মধ্যে, কালবেলা ৩/৩/৩ গতে ৪/৪৩/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৪২/৫৭ গতে ১/২/৫৪ মধ্যে।
৭ জেল্কদ
এই মুহূর্তে
 বিশ্বকাপ: অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে ইংল্যান্ড

09:49:59 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ২১০/২ (৩০ ওভার)

09:41:16 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ১৪৭/২ (২০ ওভার)

08:55:51 PM

বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ৫০/০ (১০ ওভার)

08:00:01 PM

 মুচিপাড়া ডাকাতি: একজন কনস্টেবল পলাতক

06:46:00 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডকে ২২৪ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া

06:44:41 PM