Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সবকা বিকাশ কীভাবে হতে পারে
পি চিদম্বরম

বিপুল জনসমর্থন সবসময় আশীর্বাদ হয় না, একটি দুর্বলতর বিরোধী শাসনকার্যকে আরও দুঃসহ করে তোলে এবং উপর্যুপরি দু’দফায় ক্ষমতালাভ শাসকের অজুহাত খাড়া করার সুযোগ কেড়ে নেয়। আমি নিশ্চিত যে মানুষের বিরাট প্রত্যাশা আর তাঁর মন্ত্রিসভার উপর কতখানি বোঝা চাপল সেই কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি খুব ভালো করেই জানেন। তাঁর প্রথম দফার শাসন পরিচালনা দেখার অভিজ্ঞতা থেকে আমি নিশ্চিত যে তিনি প্রতিটি পদক্ষেপ করবেন চ্যালেঞ্জ-সহকারে এগনোর লক্ষ্যে।
এই পন্থার সমস্যা দুটি। সমস্যার প্রথমটা হল, ভারতে কাজকর্ম হয়ে থাকে প্রচলিত বা পরম্পরাগত ধারায়। সমস্যার দ্বিতীয়টা হল সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর প্রতিযোগিতামূলক দাবি। তার মধ্যে অনড়ভাবে থাকবে দরিদ্রতম, দুর্বলতম, সবচেয়ে বঞ্চিত এবং শোষিত মানুষের কণ্ঠ। এই সরকারের প্রথম দফা শেষ হওয়ার অভিজ্ঞতা এই যে—(১) প্রচলিত ধারার কর্মপদ্ধতি আরও বিলম্বিত হয়েছে এবং (২) দরিদ্রতম, দুর্বলতম, সবচেয়ে বঞ্চিত এবং শোষিত মানুষ রয়ে গিয়েছে দরিদ্র, দুর্বল, বঞ্চিত ও শোষিত।
পরীক্ষিত ও ব্যর্থ
দ্বিতীয় দফা মোদিজি অবশ্যই প্রচলিত পথ ভেঙে যাত্রা শুরু করবেন। মোদিজির মিত্র অরবিন্দ পানাগড়িয়া এবং বেঙ্কটেশ কুমার নিম্নোক্ত পথ বাতলে দিয়েছেন:
‘তাঁর (মোদিজির) শাসনপদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান (কি এলিমেন্ট) হল—তিনি কয়েকটি গ্রুপে সচিবদের নিয়োগ করে থাকেন, প্রতিটি গ্রুপকে প্রজেক্ট, প্রোগ্রাম এবং পলিসির প্রেজেন্টেশন তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়, পরবর্তী বছরে অর্থনীতির প্রধান ক্ষেত্রগুলিতে সেগুলি রূপায়ণের জন্য। এটা চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পর প্রেজেন্টেশনগুলোই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর রোড ম্যাপ হয়ে ওঠে।’
এরপর লেখকদের হুঁশিয়ারি:
‘কিন্তু যখন এটা আমূল সংস্কারে (র‌্যাডিকাল রিফর্মস) গিয়ে দাঁড়ায় তখন এই পদ্ধতির একটি নেতিবাচক দিক ধরা পড়ে। প্রকৃতিগতভাবে, আমলারা সতর্ক হয়ে থাকেন এবং তাঁদের ঝোঁকটা অতি মাত্রায় থাকে প্রজেক্ট ও প্রোগ্রাম মুখী। এমনকী, তাঁরা যখন পলিসি পরিবর্তনের প্রস্তাব দেন, তখন তাঁরা ধাপে ধাপে করেন এবং ক্বচিৎ জোড়াতাপ্পির বাইরে যান।’
আমি এবিষয়ে একমত কিন্তু, তাঁদের বিকল্প পদ্ধতির সঙ্গে একমত হতে পারি না। খুব কাছ থেকে নিরীক্ষণ করে বুঝেছি, এটাতে কোনও তফাত হয় না। বিকল্প মডেলে মন্ত্রীর জায়গা নেবেন মিশন হেড, সচিবের জায়গা নেবেন উপদেষ্টা এবং আধুনিক পেশাদারদরা আসবেন যুগ্মসচিব এবং তাঁর টিমের জায়গায়!  
‘ডিসরাপশন’টাই মূল
স্বচ্ছ ভারত এবং উজ্জ্বলা-তে যা প্রাপ্তি হয়েছে তার থেকে পৃথক কিছু ফললাভ ঘটবে না। স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পের ক্ষেত্রে তিক্ত সত্যটি হল—গুজরাত ভিন্ন কোনও বড় রাজ্যকে ‘খোলা স্থানে মলত্যাগ মুক্ত (ওডিএফ)’ হিসেবে ঘোষণা করেনি। তৈরি হওয়া শৌচাগারের কত শতাংশ অব্যবহৃত বা ব্যবহারের অযোগ্য রয়ে গিয়েছে? উজ্জ্বলা প্রকল্পের ক্ষেত্রে সাফল্য অথবা ব্যর্থতার মাপকাঠি হল একজন উপকৃত ব্যক্তি (বেনিফিসিয়ারি) বছরে গড়ে ক’টি পরিবর্ত সিলিন্ডার কিনে থাকেন: এটা হতাশ হওয়ার মতো ৩ অথবা সর্বাধিক ৮ কি? আমি যতটা জানি আপনারাও জানেন ততটাই।
আমূল সংস্কার র‌্যাডিক্যাল পলিসি এবং ‘ডিসরাপশন’-এর মাধ্যমেই কার্যকরী হতে পারে মাত্র। ১৯৯১-৯৬ পর্বে আমরা ‘রেড বুক’-এর বহ্ন্যুৎসব করেছিলাম এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে আমূল পরিবর্তন ঘটে গিয়েছিল। আমরা পুরনো বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন (ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট) পাল্টে ফেলেছিলাম এবং তার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডার (ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ) হু হু করে বেড়েছিল। শিল্প লাইসেন্স ব্যবস্থা বাতিল করে দিয়েছিলাম এবং তার ফলে নতুন প্রজন্মের শিল্পোদ্যোগীদের দেখা পাওয়া গিয়েছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, এবং গ্রামীণ সড়ক ও পরিবহণ ক্ষেত্রে মোদিজি অবশ্যই তেমন কিছু একটা করার চেষ্টা করবেন। স্কুলশিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহার থেকে আইডিয়া ধার নিয়ে স্কুলশিক্ষাকে রাজ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে দিতে পারেন, রাজ্যগুলিকে টাকা দিতে পারেন, যাতে করে তারা স্বাধীনভাবে উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে বিকশিত হতে পারে। মানুষ তার রাজ্য সরকারের কাছে ‘রেজাল্ট’ দাবি করবে এবং, একটা সময়ে তারা সেটা পাবেও।
মূল আইডিয়া—যেটা হবে সবচেয়ে ‘ডিসরাপটিভ’—বিকেন্দ্রীকরণ। স্বল্পমেয়াদি রেজাল্ট অসন্তোষজনক হবে হয়তো কিন্তু মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে সুশাসিত রাজ্যগুলি এখনকার থেকে অনেক ভালো করবে এবং এটাই রাজ্যস্তরে সুশাসনের চাহিদা বাড়িয়ে দেবে মানুষের মনে। বিকেন্দ্রীকরণের সুফল যেসব ক্ষেত্রে অত্যন্ত বেশি পরিমাণে পৌঁছবে সেগুলি হল—প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের স্বাস্থ্য পরিষেবা, পানীয় জল, শৌচাগার (স্যানিটেশন), পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি (রিনিউয়েবল এনার্জি), বিদ্যুৎ বণ্টন প্রভৃতি।
ড. সুব্রামনিয়ন শরণ
দ্বিতীয় মারাত্মক চ্যালেঞ্জটি হল ‘দরিদ্রের মধ্যে দরিদ্রতম’। তারা সবচেয়ে গরিব বলে সাক্ষরতায়, স্বাস্থ্যসূচকে, গৃহ ও শৌচাগার, খাদ্য ও জল, সরকারি পণ্য এবং পরিষেবা গ্রহণেও তাদের অবস্থান সবার নীচে। একটি গ্রামে আপনি তাদের দেখতে পাবেন সেই গ্রামটিরই প্রান্তিক এলাকাগুলিতে। অপেক্ষাকৃত গরিব রাজ্যগুলিতে দেখবেন গ্রামগুলি গরিব মানুষেই পরিপূর্ণ। এটাই মেনে নেওয়া যাক যে, উপর্যুপরি সরকারের অধীনে উন্নয়ন প্রক্রিয়া চলে ভারতের সবচেয়ে গরিব যে ২০ শতাংশ মানুষ তাঁদেরকে এড়িয়ে। মন্ত্রীরা এবং সরকারি কর্তাব্যক্তিরা গ্রাম ও সরকারি কর্মসূচির পরিদর্শনে গিয়ে হয় বড় রাস্তাতেই থেমে যান অথবা তাঁদের সেখানেই থামিয়ে দেওয়া হয়।
দরিদ্রতম মানুষের কাছে পৌঁছনোর একমাত্র উপায় হল তাদের স্বনির্ভর করে তুলতে সাহায্য করা: আকাঙ্ক্ষাপূরণে ব্যাকুল হওয়ার আগুন জ্বালিয়ে দিতে হবে তাদের মনে, সেটা তাদের হৃদয় বিদীর্ণ করে ঘরে ঢুকে যাবে, দারিদ্রের শৃঙ্খল থেকে তাদের বেরতে দিতে হবে এবং নিজেদেরকেই উঁচুতে তুলে ধরতে হবে নিজেদেরকে। পিএম-কিসান তাদের কোনও সাহায্য করবে না, কারণ খুব কম মানুষেরই একখণ্ড জমি আছে, বেশিরভাগই কৃষিশ্রমিক অথবা অন্য কোথাও শ্রমিকের কাজ করেন এবং ভীষণ গরিব মানুষের একটা বড় অংশই থাকেন শহরে, মহানগরে। ডিসরাপটিভ পলিসি পরিবর্তনটা হবে সরাসরি টাকা ট্রান্সফার করার মাধ্যমে একটি ‘বেসিক ইনকাম’। মোদিজি এই আইডিয়াটার জন্য ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়নকে কৃতিত্ব দিতে পারেন এবং তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের শীর্ষপদে বসিয়ে এই স্কিমটার রূপরেখা তৈরি ও রূপায়ণ করে নিতে পারেন।
যদি আমরা ৬-৭ শতাংশ হারে বার্ষিক বৃদ্ধির চিরাচরিত ক্লান্ত-মন্থর পথটিই আঁকড়ে থাকি তবে আমাদের বিশেষ পরিবর্তন হবে না। কোনও পরিবর্তনই দেখতে পাব না যদি আমরা বর্তমান পলিসিগুলো নিয়ে রগড়ারগড়ি করতে থাকি অথবা বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থাটার মেরামতির পথটাই নিই। সংশ্লিষ্ট অফিসারদের অস্বাভাবিক ক্ষমতা বাড়িয়ে দিলে অথবা মানুষকে অভিযুক্ত করার কিংবা জেলে ভরে দেওয়ার হুমকি দিলে আরও ক্ষতি হবে। রূপান্তর গোছের পরিবর্তনের সবচেয়ে কার্যকরী একক উপায়টি হল মানুষের ক্ষমতায়ন এবং তাদের জ্ঞান, শিল্প ও কর্মদক্ষতার উপর আস্থা স্থাপন।
03rd  June, 2019
এনআরসি, সংখ্যালঘু ভোট ও বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

‘এবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের আরও বেশি করে বিজেপির ছাতার তলায় নিয়ে আসতে হবে। সেই মতো গ্রহণ করতে হবে যাবতীয় কর্মসূচি।’ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই বিজেপির বঙ্গ নেতৃত্বকে এই কথাগুলি যিনি বলেছিলেন তিনি আর কেউ নন, ‘গেরুয়া শিবিরের চাণক্য’ অমিত শাহ।
বিশদ

সরকারি চাকরির মোহে আবিষ্ট সমাজ
অতনু বিশ্বাস

সমাজ বদলাবে আরও। আমি বা আপনি চাইলেও, কিংবা গভীরভাবে বিরোধিতা করলেও। সরকারি বা আধা-সরকারি চাকরির নিরাপত্তার চক্রব্যূহ ক্রমশ ভঙ্গুর হয়ে পড়বে আরও অনেকটা। এবং দ্রুতগতিতে। গোটা পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ এক প্রকারের ভবিতব্যই। একসময় আমরা দেখব, চাকরি বাঁচাতে গড়পড়তা সরকারি চাকুরেদেরও খাটতে হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরেদের মতো। সরকারি চাকরির নিশ্চিন্ত আশ্রয়ের নিরাপত্তার ‘মিথ’ ভেঙে চুরচুর হয়ে পড়বে। এবং সে-পথ ধরেই ক্রমে বিদায় নেবে পাত্রপাত্রী চাই-য়ের বিজ্ঞাপন থেকে ‘সঃ চাঃ’ নামক অ্যাক্রোনিম।
বিশদ

আলোচনার অভিমুখ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রাচীন বিশ্বের বিভিন্ন সভ্যতায় দেখা যায় সম্রাটরা অসীম ক্ষমতার অধিকারী প্রমাণ করার জন্য অতি প্রাকৃতিক শক্তি সম্পন্ন হিসেবে নিজেদের প্রতিভাত করতেন। এর ফলে প্রজা শুধু সম্রাটকে যে মান্য করত তাই নয়, ভয়ও পেত, সমীহ করত। প্রাচীন মিশরে শতাব্দীর পর শতাব্দীর ধরে ফারাওরা নিজেদেরই ঈশ্বর হিসেবে ঘোষণা করতেন।
বিশদ

20th  September, 2019
হিন্দু বাঙালির বাড়ি ভাঙছে, হারাচ্ছে দেশ 
শুভময় মৈত্র

জয় গৃহশিক্ষকতা করেন, বাড়ি সিঁথি মোড়ের কাছে, বরানগরে। নিজেদের তিরিশ বছরের পুরনো বাড়ি, সারানোর প্রয়োজন। একান্নবর্তী পরিবার, দাদা বড় ইঞ্জিনিয়ার। তিনি আর একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন কাছেই। 
বিশদ

20th  September, 2019
বাংলায় এনআরসি বিজেপির স্বপ্নের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না তো 
মেরুনীল দাশগুপ্ত

লোকসভা ভোটে অপ্রত্যাশিত ফলের পর বাংলার বিজেপি রাজনীতিতে যে জমকালো ভাবটা জেগেছিল সেটা কি খানিকটা ফিকে হয়ে পড়েছে? পুজোর মুখে এমন একটা প্রশ্ন কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের আমজনতার মধ্যে ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। 
বিশদ

19th  September, 2019
জন্মদিনে এক অসাধারণ নেতাকে কুর্নিশ
অমিত শাহ

 আজ, মঙ্গলবার আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬৯তম জন্মদিন। অল্প বয়স থেকেই মোদিজি নিজেকে দেশের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। যৌবন থেকেই তাঁর মধ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়নে কাজের একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে মোদিজির শৈশবটা খুব সুখের ছিল না। বিশদ

17th  September, 2019
ব্যাঙ্ক-সংযুক্তিকরণ কতটা সাধারণ মানুষ এবং সামগ্রিক ব্যাঙ্কব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে?
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

অনেকগুলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে দেশে সরকারি ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা হল আর সংযুক্তির পর চারটি এমন বেশ বড় ব্যাঙ্ক তৈরি হল, আকার আয়তনে সেগুলিকে খুব বড় মাপের ব্যাঙ্কের তকমা দেওয়া যাবে। এসব ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে দেশের অর্থনীতির খুব উপকার হবে।  
বিশদ

16th  September, 2019
রাজনীতির উত্তাপ কি পুজোর আমেজ
জমে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
শুভা দত্ত

 পরিস্থিতি যা তাতে এমন কথা উঠলে আশ্চর্যের কিছু নেই। উঠতেই পারে, উঠছেও। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের মুখে প্রায় প্রতিদিনই যদি কিছু না কিছু নিয়ে নগরী মহানগরীর রাজপথে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে, পুলিস জলকামান, লাঠিসোঁটা, কাঁদানে গ্যাস, ইটবৃষ্টি, মারদাঙ্গা, রক্তারক্তিতে যদি প্রায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনজীবন ব্যবসাপত্তর উৎসবের মরশুমি বাজার কিছু সময়ের জন্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এমন কথা এমন প্রশ্ন ওঠাই তো স্বাভাবিক।
বিশদ

15th  September, 2019
আমেরিকায় মধ্যবয়সের
সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়া
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

যে বয়সে পৌঁছে দূরের আত্মীয়স্বজন ও পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ক্রমশ আগের মতো সম্ভব হয় না, সেই প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জীবনে ইন্টারনেট এক প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কারণে যে, নিঃসঙ্গতা এমন এক উপসর্গ যা বয়স্ক মানুষদের শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। বিশদ

14th  September, 2019
মোদি সরকারের অভূতপূর্ব কাশ্মীর পদক্ষেপ পরবর্তী ভারতীয় কূটনীতির সাফল্য-ব্যর্থতা
গৌরীশঙ্কর নাগ

 এই অবস্থায় এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ৩৭০ ধারা বিলোপ পর্বের প্রাথমিক অবস্থাটা আমরা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি।
বিশদ

14th  September, 2019
ব্যর্থতা নয়, অভিনন্দনই
প্রাপ্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের
মৃণালকান্তি দাস

 কালামের জেদেই ভেঙে পড়েছিল ইসরোর রোহিনী। না, তারপরেও এ পি জে আব্দুল কালামকে সে দিন ‘ফায়ার’ করেননি ইসরোর তদানীন্তন চেয়ারম্যান সতীশ ধাওয়ান! বলেননি, ‘দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কালামকে’! তার এক বছরের মধ্যেই ধরা দিয়েছিল সাফল্য। ধাওয়ানের নির্দেশে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সেই কালাম-ই। তাঁর কথায়, ‘ওই দিন আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ পাঠ পেয়েছিলাম। ব্যর্থতা এলে তার দায় সংস্থার প্রধানের। কিন্তু,সাফল্য পেলে তা দলের সকলের। এটা কোনও পুঁথি পড়ে আমাকে শিখতে হয়নি। এটা অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত।’ বিশদ

13th  September, 2019
রাষ্ট্রহীনতার যন্ত্রণা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভিক্টর নাভরস্কি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করলেন, তিনি আচমকাই ‘রাষ্ট্রহীন’ হয়ে পড়েছেন। কারণ, তাঁর দেশ ক্রাকোজিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির কাছে মানবিকতার নিরিখে ক্রাকোজিয়ার আর কোনও ‘অস্তিত্ব’ নেই।
বিশদ

10th  September, 2019
একনজরে
 ইন্দোনেশিয়া, ২০ সেপ্টেম্বর: দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার হিসেবে এশিয়ান টেবল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেন জি সাথিয়ান। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ভারতের টপ র‌্যাঙ্কিং সাথিয়ান ১১-৭, ১১-৮, ১১-৬ পয়েন্টে হারালেন উত্তর কোরিয়ার আন-জি সংকে। ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: দুই শিক্ষাকর্মীর বদলির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে শুক্রবার উত্তাল হল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্ক ও কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সায়েন্স বিভাগের সামনে কয়েকশ’ ছাত্রছাত্রী ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: শুক্রবার সকালে সাঁকরাইলের ডেল্টা জুটমিলের পরিত্যক্ত ক্যান্টিন থেকে নিখোঁজ থাকা এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্বার হল। তাঁর নাম সুভাষ রায় (৪৫)। তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেছেন। ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সংসদ সদস্য বাবুল সুপ্রিয়কে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হেনস্তার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে দাসপুর থানার গৌরা বাসস্টপে বিজেপি পথ অবরোধ করে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহবৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে মানসিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৭,৯৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,০৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৫৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ৩৭/১২ রাত্রি ৮/২১। রোহিণী ১৪/৪৩ দিবা ১১/২২। সূ উ ৫/২৮/২৩, অ ৫/৩১/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪১ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১/০ গতে ২/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি।
৩ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ২৫/২২/২১ দিবা ৩/৩৭/৫। রোহিণী ৭/১/২৪ দিবা ৮/১৬/৪৩, সূ উ ৫/২৮/৯, অ ৫/৩৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ১/১/২৯ গতে ২/৩২/৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৮/৪৯ মধ্যে ও ৪/২/৪৯ গতে ৫/৩৩/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৫৮/৪৯ গতে ৫/২৮/২৮ মধ্যে।
২১ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ
আজ রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল আলিপুর ...বিশদ

08:21:33 PM

ফের সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ
আরও একবার সিএবি-র প্রেসিডেন্ট হলেন সৌরভ গঙ্গোপাধধ্যায়। আজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ...বিশদ

07:39:27 PM

অস্কারে মনোনীত ছবি-গালি বয়

06:03:00 PM

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধর
স্কুলের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় এক যুবককে লাঠি-রড দিয়ে ...বিশদ

05:22:00 PM

মুর্শিদাবাদে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ১ 
আজ সকালে মুর্শিদাবাদের পাহাড়ঘাটি মোড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ সফিকুল ইসলাম ...বিশদ

05:13:00 PM

দীঘায় ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করল নুলিয়া
 

দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার মুখে এক পর্যটককে উদ্ধার করল নুলিয়া। ...বিশদ

05:05:00 PM