রাজ্য

সিংহভাগ শিশু ও মহিলা ভুগছেন রক্তাল্পতায় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের সাফল্য নিয়েই প্রশ্ন

কৌশিক ঘোষ, কলকাতা: ইউপিএ জমানায়, ২০১৩ সালে দেশে চালু হয়েছিল খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্প। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই প্রকল্প নিয়ে মোদি সরকার প্রচুর ঢাকঢোল পিটিয়েছে। কিন্তু তাতে কাজের কাজ যে বিশেষ হয়নি, তা এখন কার্যত মেনে নিচ্ছে মোদি সরকারের খাদ্যমন্ত্রক। খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে আজও যে দেশের বড় অংশের মানুষের প্রয়োজনীয় পুষ্টির ব্যবস্থা করে ওঠা যায়নি, তা স্বীকার করে নিয়েছে তারা। তাদের সাম্প্রতিক একটি নোটে  বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, শিশু থেকে মহিলা-পুরুষ সবার মধ্যে কতটা বেশি মাত্রায় পুষ্টির অভাব রয়েছে। নোটে ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে-৫ এর পরিসংখ্যান উল্লেখ করেছে খাদ্যমন্ত্রক। ওই সমীক্ষা অনুযায়ী, ৬ মাস থেকে ৫ বছরের শিশুদের মধ্যে অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতায় ভোগার হার ৬৭.১ শতাংশ। ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সি মহিলা ও পুরুষদের মধ্যে এই হার যথাক্রম ৫৭ ও ২৫ শতাংশ। শিশুদের কম ওজন, বৃদ্ধির অভাব ইত্যাদি ক্ষেত্রেও খুব একটা উন্নতি হয়নি। নোটে মন্তব্য করা হয়েছে, ৮১ কোটি মানুষের জন্য খাদ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা করার পরেও দেশের বহু মানুষ পুষ্টির অভাবে ভুগছে। 
খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় গ্রাহকদের জন্য সরবরাহ করা বিনা পয়সার চালের পুষ্টিগুণ বৃদ্ধির জন্য ইতিমধ্যে দেশজুড়ে ‘ফর্টিফায়েড’ চাল সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, আয়রন, ভিটামিন, ফলিক অ্যাসিড ইত্যাদি মিশিয়ে অতরিক্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন বিশেষ ধরনের চাল কারখানায় উৎপাদন করা হয়। তা এক শতাংশ হারে সাধারণ চালে মিশিয়ে ‘ফর্টিফায়েড চাল’ তৈরি হয়। কিন্তু তারপরও যে দেশের একটা বড় অংশের মানুষ, বিশেষ করে দরিদ্রদের জন্য উপযুক্ত পুষ্টির জোগান দেওয়া যাচ্ছে না, তা বুঝতে পেরে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশজুড়ে ‘জন পোষণ কেন্দ্র’ তৈরি করবে তারা। রেশন দোকানগুলিকেই পর্যায়ক্রমে ‘জন পোষণ কেন্দ্র’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সাধারণ মানুষকে আরও বেশি পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য সরবরাহের জন্য এখান থেকে মিলেট, ডাল, তেল, সয়াবিন, দুগ্ধজাত সামগ্রী দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তবে এসব খাদ্যসামগ্রী চাল-গমের মতো বিনা পয়সায় মিলবে না। এমনকী, নামমাত্র দামেও যে মিলবে না, তা দপ্তরের নোটে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তবে খোলা বাজারের দামের সঙ্গে ‘প্রতিযোগিতামূলক’ তুলনা করেই দর ঠিক হবে বলে জানানো হয়েছে। 
রেশন ডিলারদের সংগঠন মনে করছে, এই উদ্যোগকে সফল করতে গেলে পুষ্টিকর খাদ্যের দাম যথাসম্ভব কম রাখার ব্যবস্থা অবশ্যই সরকারকে করতে হবে। অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন, তাঁদের দাবি হল গরিব মানুষের স্বার্থে ভর্তুকি মূল্যে পুষ্টিকর খাদ্য বিক্রির ব্যবস্থা করা। প্রকল্প রূপায়ণ নিয়ে কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রকের সঙ্গে তাঁদের আলোচনা শুরু হয়েছে। আপাতত বলা হয়েছে, রেশন ডিলারদের এসব সামগ্রী কেনার জন্য ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন ব্যাঙ্ক (সিডিবি) থেকে কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে দেবে কেন্দ্র।
1Month ago
কলকাতা
দেশ
বিদেশ
খেলা
বিনোদন
ব্ল্যাকবোর্ড
শরীর ও স্বাস্থ্য
বিশেষ নিবন্ধ
সিনেমা
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
আজকের দিনে
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
mesh

পারিবারিক সম্পত্তি সংক্রান্ত আইনি কর্মে ব্যস্ততা। ব্যবসা সম্প্রসারণে অতিরিক্ত অর্থ বিনিয়োগের পরিকল্পনা।...

বিশদ...

এখনকার দর
ক্রয়মূল্যবিক্রয়মূল্য
ডলার৮২.৮৫ টাকা৮৪.৫৯ টাকা
পাউন্ড১০৬.৪৩ টাকা১০৯.৯৫ টাকা
ইউরো৮৯.৬৩ টাকা৯২.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
*১০ লক্ষ টাকা কম লেনদেনের ক্ষেত্রে
দিন পঞ্জিকা