রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গ সহ একাধিক রাজ্যে রাজ্যপাল বদলের তোড়জোড়

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: একঝাঁক রাজ্যে রাজ্যপাল বদল সময়ের অপেক্ষা। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বেশ কয়েকজন রাজ্যপালের মেয়াদ সমাপ্ত হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু রাজ্যের রাজ্যপাল রদবদলের ভাবনা-চিন্তাও চলছে। বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে, বেশ কিছু নামের তালিকা তৈরি হচ্ছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হল, এবার শুধুই বিজেপি অথবা আরএসএস সদস্যদেরই রাজ্যপাল করা হবে, তা নয়। কেন্দ্রের জোট সরকারকে আরও শক্তিশালী রাখতে এনডিএ জোটের প্রধানতম দুই শরিকের দু‌ই মনোনীত ব্যক্তিকেও পদে বসানো হতে পারে। অর্থাৎ তেলুগু দেশম এবং সংযুক্ত জনতা দলের কোনও প্রবীণ নেতাকে রাজ্যপাল করে জোটধর্ম রক্ষার প্ল্যান। আর যে রাজ্যগুলির রাজ্যপাল বদল নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, সেই তালিকায় অন্যতম নাম  পশ্চিমবঙ্গের। বাংলার জন্য বিশেষ প্ল্যান রয়েছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের। জানা যাচ্ছে, রাজনৈতিকভাবে অতি সচেতন এবং হাই ভোল্টেজ বাংলায় আপাদমস্তক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকেই আগামী দিনে রাজ্যপাল করে পাঠানো হবে। অর্থাৎ আর অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে এরপর বাংলায় রাজ্যপাল নিয়োগ করা হবে না। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 
রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, কেরল, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, মণিপুরের রাজ্যপালদের কার্যকালের মেয়াদ সম্পূর্ণ হতে চলেছে। পাশাপাশি পাঞ্জাবের রাজ্যপাল ইস্তফা দিয়েছেন। সেখানেও নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যেই যে নামগুলি নিয়ে বিজেপির অন্দরে জোরদার চর্চা শুরু হয়েছে, তাঁরা হলেন মানেকা গান্ধী, ভি কে সিং, সন্তোষ গাঙ্গোয়ার, হর্ষবর্ধন, অশ্বিনী চৌবে, অর্জুন মুন্ডা, নারায়ণ রাণে। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং হরিয়ানায় এবার লোকসভা ভোটে বিপুল ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি। মূল কারণ, জাঠ ভোটব্যাঙ্ক। রাষ্ট্রীয় লোকদল নেতা জয়ন্ত চৌধুরী এই ভোটব্যাঙ্কের সমর্থন পেলেও যেখানে বিজেপির প্রার্থী, সেখানে তাঁরা বিরূপ ছিলেন। তাই জাঠ ভোটারদের সন্তুষ্ট করার প্রয়াস শুরু হয়েছে। জগদীপ ধনকারের মতো কোনও জাঠ নেতাকে সেক্ষেত্রে রাজ্যপাল করা হবে। অন্যদিকে নীতীশ কুমার এবং চন্দ্রবাবু নাইডুকে খুশি করতে হলে তাঁদের একাধিক উপহার দিতেই হবে। আর তাই এবার এনডিএ’র এই দুই প্রধান শরিক দল থেকেও দু’জন নেতাকে বেছে নেওয়া হতে পারে সম্ভাব্য রাজ্যপাল হিসেবে। শোনা যাচ্ছে, প্রাথমিকভাবে সংযুক্ত জনতা দলের নীতীশ-ঘনিষ্ঠ কে সি ত্যাগীকে রাজ্যপাল করা হতে পারে কোনও রাজ্যের। তবে বাংলার জন্য কাকে বাছাই করা হতে পারে, সেটা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও উচ্চবাচ্য করা হচ্ছে না। 
জানা যাচ্ছে, ২০২৬ সালের আগে বাংলায় বিজেপির সংগঠন আমূল বদলে দিতে চান নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। আর পাশাপাশি সরাসরি রাজনীতি এবং সংসদীয়  প্রশাসন সম্পর্কে সম্যক অবহিত কোনও রাজনৈতিক নেতাকেই বাংলায় আগামী দিনে করা হবে রাজ্যপাল। বিজেপি সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডাকে রাজ্যসভার নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন মোদি। ওই পদে আগে ছিলেন পীযূষ গোয়েল। তিনি এবার লোকসভায় নির্বাচিত। তাই আপাতত চলতি অধিবেশনের পর বিজেপি সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে কার্যকরী সর্বভারতীয় সভাপতি বেছে নেওয়া হবে। তারপর নিয়োগ হবে নতুন সভাপতি। তিনিই তৈরি করবেন নতুন টিম। 
27d ago
কলকাতা
দেশ
বিদেশ
খেলা
বিনোদন
ব্ল্যাকবোর্ড
শরীর ও স্বাস্থ্য
বিশেষ নিবন্ধ
সিনেমা
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
আজকের দিনে
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
mesh

পারিবারিক সম্পত্তি সংক্রান্ত আইনি কর্মে ব্যস্ততা। ব্যবসা সম্প্রসারণে অতিরিক্ত অর্থ বিনিয়োগের পরিকল্পনা।...

বিশদ...

এখনকার দর
ক্রয়মূল্যবিক্রয়মূল্য
ডলার৮২.৮৫ টাকা৮৪.৫৯ টাকা
পাউন্ড১০৬.৪৩ টাকা১০৯.৯৫ টাকা
ইউরো৮৯.৬৩ টাকা৯২.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
*১০ লক্ষ টাকা কম লেনদেনের ক্ষেত্রে
দিন পঞ্জিকা