রাজ্য

প্রত্যেক পুর এলাকায় ‘রেড’ ও ‘ইয়েলো’ জোন চিহ্নিত,  বর্ষায় জমবে না জল, উদ্যোগী রাজ্য

প্রীতেশ বসু, কলকাতা: বর্ষায় জমা জলের দুর্ভোগ থেকে শহরাঞ্চলের মানুষকে রেহাই দিতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। পুরসভার কোন এলাকায় কতটা জল জমে, তার সমীক্ষা চালিয়ে ‘রেড জোন’ ও ‘ইয়েলো জোন’ চিহ্নিত করা হবে। যেসব এলাকায় বর্ষায় বাড়ির মধ্যে জমা জল ঢুকে যায়, সেগুলি ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। যেসব এলাকায় ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জল জমে থাকে, সেগুলি চিহ্নিত করা হবে ‘ইয়েলো জোন’ হিসেবে। সমীক্ষালব্ধ তথ্য এবং বিগত বছরগুলির অভিজ্ঞতার নিরিখে এলাকাগুলি এভাবে দু’টি ভাগে ভাগ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট পুরসভাকেই। সেই মতো বর্ষায় জল জমার ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট পুরসভাকে জরুরি নির্দেশ দেবে রাজ্য প্রশাসন। প্রসঙ্গত, রাজ্যের প্রতিটি পুরসভাকে এক মাস আগে থেকেই ‘কম্প্রিহেন্সিভ ড্রেনেজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে  তারাই জমা জলের সমস্যা এড়াতে এই বিশেষ পদক্ষেপ করছে। সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে প্রত্যেক পুরসভার প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন পুরদপ্তর ও সুডার পদস্থ কর্তারা। রেড ও ইয়েলো জোন চিহ্নিত করার নির্দেশ আগেই চিঠি দিয়ে পুরসভাগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে ওই বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।  
কোভিডের সময় সংক্রমণ ঠেকাতে ‘অতিস্পর্শকাতর’ এলাকাকে ‘রেড জোন’, তুলনামূলক কম ‘স্পর্শকাতর’ এলাকাকে ‘অরেঞ্জ জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হতো। অনেক সময় বায়ুদুষণের ব্যাপকতার তারতম্য বোঝাতেও এভাবে এলাকা চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। তবে বর্ষায় জমা জল সংক্রান্ত সমস্যার নিরিখে এলাকা বিভাজন রাজ্যে এই প্রথম বলেই দাবি নগরোন্নয়ন দপ্তরের কর্তাদের। এক পদস্থ আধিকারিকের কথায়, ‘সমীক্ষার পর উঠে আসা তথ্য সরাসরি অনলাইনে আপলোড করা হবে। খুব সহজেই আমরা হাতের কাছে একটি মানচিত্র প্রস্তুত রাখতে পারব। কোনও পুরসভার নির্দিষ্ট কোনও এলাকার জন্য কী ব্যবস্থা নিলে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে, তা আমরা সহজেই বুঝতে পারব।’ 
এর পাশাপাশি, আড়াই মিটারের কম চওড়া সমস্ত নর্দমা, খাল এবং নিকাশিনালা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য অনলাইনে আপলোড করতে বলা হয়েছে প্রতিটি পুরসভাকে। অধিকাংশ পুরসভাই সেই রিপোর্ট জমা দিয়েছে বলে খবর। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাম্পিং স্টেশন ও পোর্টেবল পাম্প প্রস্তুত রাখা, পাশাপাশি সেচ, পূর্ত, কেএমডিএ সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির সঙ্গে বৈঠক সেরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুরসভাগুলিকে। এই নির্দেশিকা ইতিমধ্যে পুরসভাগুলির কাছে পৌঁছে গিয়েছে।
1Month ago
কলকাতা
দেশ
বিদেশ
খেলা
বিনোদন
ব্ল্যাকবোর্ড
শরীর ও স্বাস্থ্য
বিশেষ নিবন্ধ
সিনেমা
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
আজকের দিনে
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
mesh

চল্লিশের ঊর্ধ্ব বয়সিরা সতর্ক হন, রোগ বৃদ্ধি হতে পারে। অর্থ ও কর্ম যোগ শুভ। পরিশ্রম...

বিশদ...

এখনকার দর
ক্রয়মূল্যবিক্রয়মূল্য
ডলার৮৩.১৭ টাকা৮৪.২৬ টাকা
পাউন্ড১০৬.৯৩ টাকা১০৯.৬০ টাকা
ইউরো৯০.০০ টাকা৯২.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
*১০ লক্ষ টাকা কম লেনদেনের ক্ষেত্রে
দিন পঞ্জিকা