বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
বিনোদন
 

শাহরুখ আর আমি একে অপরের মনের কথা বুঝতে পারি

সলমন খানের ‘টাইগার’ ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতিটা ছবি দর্শকদের মন জয় করেছে। দীপাবলি উপলক্ষে মুক্তি পেয়েছিল ‘টাইগার থ্রি’। এবারও সাফল্যের মুখ দেখেছে মণীশ শর্মা পরিচালিত ছবিটি। সম্প্রতি যশরাজ স্টুডিওতে আড্ডা দিলেন বলিউডের ভাইজান। সেই আড্ডায় কথা হল শাহরুখের সঙ্গে বন্ধুত্ব থেকে সাফল্যের চাবিকাঠি নিয়ে।

একসঙ্গে জোড়া সাফল্য। আপনার ভাগনি আলিজেহর ‘ফরে’ ছবিটি প্রশংসিত হচ্ছে। ছবির প্রযোজক আপনি। আর ‘টাইগার’ ফ্র্যাঞ্চাইজি এবারও সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখল। কেমন লাগছে? 
খুব ভালো লাগছে। ‘টাইগার থ্রি’ অ্যাকশন ধর্মী ছবি। সকলে অ্যাকশনের প্রশংসা করছেন, আর তা স্বাভাবিক। পাশাপাশি, ‘টাইগার’ আর ‘জোয়া’র রসায়নও সকলে পছন্দ করছেন। অনেকের মতে, ছবিতে স্বামী-স্ত্রীর রসায়ন সবচেয়ে ভালো ছিল, এটা আমার জন্য অনেক বড় কমপ্লিমেন্ট। তবে, ‘টাইগার’-এর সাফল্যের চেয়েও আমি আলিজেহর সাফল্যে বেশি খুশি। ওর অভিনীত ছবিটি দারুণ প্রশংসিত হচ্ছে।

আপনি সবসময় আপনার ছবির সাফল্যের কৃতিত্ব সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন...
আমার কোনও ছবি যখন চলে না, তার দায় আমি নিজের কাঁধে নিই। কিন্তু কোনও ছবি যখন ভালো চলে, আমি একা তার কৃতিত্ব গ্রহণ করি না। কারণ আমি এই ছবির একটা অংশ মাত্র। তাই ছবির সাফল্যের কৃতিত্ব সবার সঙ্গে ভাগ করে নিই।

‘পাঠান’ ছবিতে আপনি আর ‘টাইগার থ্রি’তে শাহরুখ খান স্বল্প উপস্থিতিতেও পর্দায় ম্যাজিক সৃষ্টি করেছেন। শাহরুখের সঙ্গে বন্ধুত্ব নিয়ে কী বলবেন?
আমাদের মধ্যে দারুণ বন্ডিং বলেই পর্দায় সেই রসায়ন ধরা পড়েছে। আমরা একে অপরকে ভালো কানেক্ট করতে পারি। আমি আর শাহরুখ শুধু একে অপরের চোখের দিকে তাকিয়ে মনের কথা বুঝতে পারি। সঞ্জয় দত্তের সঙ্গেও আমার একই রকম বোঝাপড়া।

পর্দায় শাহরুখ আর আপনি দুই সুপারস্টার একসঙ্গে— এই নিয়ে কোনও সমস্যা হয় না?
আমি কেরিয়ারের শুরু থেকেই বহু ডাবল হিরো ছবিতে কাজ করেছি। আমিই সম্ভবত বলিউডের একমাত্র নায়ক যে শুরু থেকে আজ পর্যন্ত এমন সব ছবিতে কাজ করেছি যেখানে দু’জন বা তিনজন নায়ক ছিলেন। অনেক নায়কের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করেছি। এখনকার প্রজন্ম ডাবল হিরোর ছবিতে কাজ করতে ভয় পায়। ওরা অনেক বেশি অনিশ্চয়তায় ভোগে। তাই ওরা ডাবল বা ট্রিপল হিরোর ছবিতে কাজ করতে চায় না। আমরা অনেক বেশি নিশ্চিন্ত অনুভব করতাম। আমাদের সময়কালের নায়করা অনেক বুঝদার বলতে পারেন। আমরা বুঝেছি যে, দু’জন নায়ক একসঙ্গে কাজ করার মানে আমাদের দু’জনের ফ্যান-ফলোয়াররা মিলে ছবির বক্স অফিসের অঙ্ক দ্বিগুণ করে দেবে। এ প্রজন্মের নায়কদের প্রতি আমার আবেদন যে, ওরা যেন কখনওই ডাবল হিরো ছবিতে কাজ না করে। এই অঙ্ক বোঝার ওদের প্রয়োজন নেই। ওদের বক্স অফিসের নম্বর বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। আমাদেরই এটা করতে দাও। কারণ আমাদের প্রয়োজন আছে। (সশব্দে হেসে)

সাফল্য আর ব্যর্থতা— দুটোরই কীভাবে মুখোমুখি হন?
সাফল্যের স্বাদ আমি কখনও আস্বাদন করি না। আমরা একটা ছবি নির্মাণ করি, এবার দর্শকের কাজ তা দেখা। আমরা সকলে মিলে পরিশ্রম করে ছবি নির্মাণ করি, আর তাই ছবিটি প্রশংসিত হলে নিশ্চয়ই ভালো লাগে। আর কোনও ছবি যখন ব্যর্থ হয়, তখন নিশ্চয়ই কষ্ট লাগে। তবে, এই কষ্ট থেকে একটা শিক্ষা নিই যে, পরবর্তী ছবিটা আরও ভালো করে বানাতে হবে। আমরা যেন দর্শককে আর হতাশ না করি। তবে ব্যর্থতার বিশ্রী স্বাদ পাওয়া খুব জরুরি বলে আমি মনে করি।
দেবারতি ভট্টাচার্য, মুম্বই
 

27th     November,   2023
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ