Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রশ্নগুলো তোলা থাক লোকসভা ভোটের জন্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রশ্ন ১: এক্সিট পোলে প্রায় সব জাতীয় সংবাদমাধ্যমই জিতিয়ে দিয়েছিল কংগ্রেসকে। ঠিক তখনই সাংবাদিক সম্মেলন ডাকলেন রামন সিং। ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, ‘এই সব ঝুটা। আমাদের স্থানীয় মিডিয়া যা সমীক্ষা করেছে, তার ফল দেখুন। আমরাই ক্ষমতায় আসছি। ওটাই মিলবে।’ জাতীয় সংবাদমাধ্যমের অধিকাংশই কিন্তু বিজেপি ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তা সত্ত্বেও রামন সিং কীভাবে এই দাবিটা করলেন? কীসের কনফিডেন্সে?
প্রশ্ন ২: ‘রাজনীতিতে নির্দিষ্ট কোনও ছক হয় না। নমনীয় আপনাকে হতেই হবে। রিজিড হয়ে থাকলে চলবে না।’ তেলেঙ্গানার ভোটের আগে এই বিশ্লেষণ অমিত শাহের। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেছিলেন, ‘মানুষের মনোভাব আমি বুঝেছি। ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে বিজেপিই জিতবে। আর চব্বিশে মোদিজি আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবেন।’ মধ্যপ্রদেশে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়া, রাজস্থান-ছত্তিশগড়ে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে কংগ্রেসের জয়জয়কার, সাধারণ মানুষ দিকে দিকে বলেছে যে কংগ্রেস কাজ করেছে... এরপরও এতটা নিশ্চিত তিনি কীভাবে ছিলেন? কীভাবেই বা মানুষের মন বুঝে গেলেন?
প্রশ্ন ৩: চার রাজ্যের ফল ঘোষণার পর মোদিজি ধন্যবাদ জানালেন তেলেঙ্গানার মানুষকে। এই রাজ্যে কংগ্রেস জিতেছে। বিজেপি ক’টি আসন পেয়েছে? মাত্র আটটি। এটাও কি পাওয়ার ছিল? গেরুয়া শিবিরের লোকজনও বোধহয় এত বড় স্বপ্ন দেখেনি। তাহলে এই ফল হল কীভাবে? মোদিজিও হঠাৎ এত গদগদ হয়ে তেলেঙ্গানাকেই বা ধন্যবাদ জানালেন কেন? আগামী দিনে কি আবার কোনও চমক অপেক্ষা করছে? অপারেশন লোটাস?
সেমি-ফাইনালের ফল নিরঙ্কুশ। কিন্তু তারপরও কেন প্রশ্ন ফুরোচ্ছে না? কারণ, হিসেব উল্টেছে। অধিকাংশ এক্সিট পোল যা বলেছিল, তা মেলেনি। পাবলিক যা ভেবেছিল, মেলেনি তাও। রাজস্থান মেনে নেওয়া যায়। সেখানে প্রতি পাঁচ বছরে একবার করে সরকার বদলায়। এ বছর বিজেপি, তো পাঁচ বছর পর কংগ্রেস। এটাই ট্রেন্ড। সেই কারণেই হয়তো অশোক গেহলট ঢালাও উপহার দেওয়া সত্ত্বেও কংগ্রেস জিতল না। ৫০০ টাকায় গ্যাস, সাধারণের অ্যাকাউন্টে টাকা... সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলি যদিও বা কাজ করে যেত, শচীন পাইলটের সৌজন্যে সেটাও হল না। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার ছিল রাজস্থানে। সমীক্ষা থেকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক, প্রত্যেকেই বলেছিলেন, যেই জিতুক না কেন, কান ঘেঁষে সরকার হবে মরুরাজ্যে। কিন্তু সেই ‘ফাইট’ আর হল না। শচীন মাঠে নামলেন না। গুর্জর ভোটও বিপক্ষে গেল। ফল? বিজেপির একচ্ছত্র। 
খুব জোরজবরদস্তি করলে মানার চেষ্টা করা যায় মধ্যপ্রদেশেও। বিজেপি বলছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, থুড়ি লাডলি বেহনা প্রকল্পের কথা। মানে, মহিলাদের অ্যাকাউন্টে মাসে মাসে টাকা পৌঁছে যাওয়া। খুব বেশিদিন শিবরাজ সিং চৌহান এই প্রকল্প কিন্তু চালু করেননি। তাও মরিয়া হয়ে প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন। সঙ্গে বিজেপি নামিয়ে দিয়েছে একঝাঁক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যকে। উদ্দেশ্য ছিল, ভোটারদের সবদিক থেকে বেঁধে ফেলা। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের আম জনতা কি এতটুকুতেই ভুলে গেলেন? প্রাক-ভোট অভিজ্ঞতা সে কথা বলছে না। গত পাঁচ বছরে এ রাজ্যে উন্নয়ন যে হয়নি, সে ব্যাপারে এক সুর ধরেছেন এখানকার সাধারণ ভোটাররা। গেরুয়া রাজনীতির সমালোচনা শোনা গিয়েছে মাঠে-প্রান্তরে। এমনকী চার বছর আগের সরকার ভাঙা-গড়ার দগদগে স্মৃতিও উস্কে উঠেছে। গোয়ালিয়র-চম্বল এলাকার মানুষ বিরক্তি প্রকাশ করেছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে নিয়ে। রাজকুমার নিজেও যে ছিলেন ব্যাকফুটে! তাঁর চাহিদার অনেকাংশই পূরণ করেনি দিল্লি নেতৃত্ব। ফলে, যতজন সিন্ধিয়া-অনুগামী এই ভোটে টিকিট পাবেন বলে ধারণা করা হয়েছি, তার অর্ধেকও মেলেনি। দলে দলে ঘনিষ্ঠরা তাঁর সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরেছেন, উগরেছেন ক্ষোভ। খুব সহজ একেবারেই মনে হয়নি মধ্যপ্রদেশের নির্বাচন। তাহলে কোন জাদুবলে সিন্ধিয়া গোয়ালিয়র-চম্বল এলাকার প্রায় পুরোটাই দখল করে নিলেন? মোদি-শিবরাজ ফাটলের যে তত্ত্ব নির্বাচনের আগে বিজেপিকে বেসামাল করে রেখেছিল, কীভাবে তা বস্তাবন্দি করে ভোটের ব্যালান্স বিজেপি ফিরে পেল? আর সবচেয়ে বড় কথা, ভোট হওয়া মাত্র সরকারে ফেরার আত্মবিশ্বাসটাই বা কীভাবে পেয়ে গেলেন দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব? ভবিষ্যৎদ্রষ্টা তো তাঁরা নন! তাহলে অঙ্কটা কী?  
এই অঙ্কের সূত্র একটাই—সাধারণ মানুষ যা বলেছে, ইভিএমে তা করেননি। কিংবা এও বলা যায়, সাধারণ মানুষ মুখে যা বলেছে, ইভিএম তা যথাযথভাবে কার্যকর করেনি। খুব মারাত্মক অভিযোগ। কংগ্রেস ইতিমধ্যে এ নিয়ে গোঁসা উজাড় করতে শুরু করেছে। কিন্তু তারা একটা বিষয় ভাবছে না... ডিজিটাল রিগিং একেবারে অসম্ভব না হলেও ইভিএমে বিপুল আকারে তা বাস্তবসম্মত নয়। কারচুপি ধরা পড়বেই। কারণ এটি কোনও একজন বা দু’জনের কাজ নয়। বহু সংখ্যক মানুষকে এই কাজে জুতে দিতে হবে। আর তাতে কিছুতেই আর খবর পেটের ভিতর থাকবে না। লিক হবেই হবে। তাহলে উপায় কী? র‌্যান্ডাম কয়েকটিতে কারচুপি করা যেতে পারে। সংখ্যায় সেগুলি কত হবে? ২০? ৫০? ২০০? তাতে কি একটা ভোটের ফল বদলে যেতে পারে? সেক্ষেত্রে ছত্তিশগড়ে কংগ্রেসের ভরাডুবি হল কেন? বিজেপির রেউড়ি রাজনীতির প্রতিশ্রুতি মানুষ বিশ্বাস করল, আর যে দু’রাজ্যে এই পাঁচ বছর ধরে সামাজিক সুরক্ষা তারা পেয়ে এসেছে, সেই বাস্তবে আস্থা রাখল না? এও কি হয়? কোন খেলা হয়ে গেল নেপথ্যে? 
হ্যাটট্রিক। আসলে এটাই এখন নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর দলের মূল মন্ত্র। যেভাবে হোক তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরতেই হবে। তার জন্য যা যা করার, সেটাই করবে বিজেপি। এই পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে ভরাডুবি হলে মোদির ইমেজ অবশ্যই ধাক্কা খেত। একগুচ্ছ সমালোচনা কাঁধে নিয়ে নামতে হতো লোকসভা ভোটের ময়দানে... তাহলে কি মোদি ম্যাজিক খতম? ভোট পর্যন্ত এই প্রশ্ন অন্তত আর উঠবে না। বিজেপির প্রচারের জন্য খুব বেশি তির কিন্তু তূণীরে নেই। এই ব্রহ্মাস্ত্রটা তাই দরকার ছিল। সেটা আপাতত হাতে থেকে গেল। মোদিজির আচ্ছে দিন, মোদিজির বিকাশ, আর এবার মোদিজির গ্যারান্টি। প্রতি পাঁচ বছরে স্লোগান বদলেছে বিজেপির। ব্যক্তিটি এক রয়ে গিয়েছেন। এছাড়া আর মুখই বা কোথায়? তাই ক্ষমতা চাই। যে কোনও মূল্যে। এর মোহ যে অপার। ম্যাজিক হোক বা মেশিনারি, কাজ উতরে দিতে হবে। কাজ উতরে যাবে। শুধুমাত্র ছাপ্পা দিলেই এখন আর ভোটের খেলা হয় না। প্রযুক্তি এখনকার রাজনৈতিক দলগুলির হাতে অপরিসীম শক্তি দিয়েছে। ছেলেবেলায় পড়া ছিল, জেরম কে জেরমের টেকনোলজি ফর ম্যানকাইন্ড। এখন বেঁচে থাকলে তিনি হয়তো লিখতেন, টেকনোলজি ফর পলিটিক্স। একপক্ষ ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়, আর এক পক্ষ চায় ক্ষমতায় আসতে। গণতন্ত্রের এই যুদ্ধে ভারত এখন দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে। বিজেপির জন্য উত্তর ভারত। আর কংগ্রেসের দাপট দক্ষিণে। তেলেঙ্গানা অবশেষে সোনিয়া গান্ধীকে রিটার্ন গিফ্ট দিয়েছে। দশ বছর পর। সোনিয়া গান্ধীই ছিলেন পৃথক তেলেঙ্গানা রাজ্যের কারিগর। এতদিন তাঁর এবং তেলেঙ্গানার মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিলেন কেসিআর। এবার তিনিও পিছনের সারিতে। অপারেশন লোটাস না হলে এই রাজ্য কংগ্রেসের জন্য সান্ত্বনা পুরস্কার হয়ে থাকবে। ভোট পর্যন্ত। কিন্তু সান্ত্বনা পুরস্কার কেন? কারণ, কংগ্রেসের পাখির চোখ ছিল এই পাঁচ রাজ্যের ফল। শুধু সরকার গঠন নয়, লোকসভা নির্বাচনের আগে মহাজোট ‘ইন্ডিয়া’য় বড়দাদার মর্যাদা দখলের। তাই এতদিন থমকে থেকেছে জোটের বৈঠক, আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনাও। আর আজ তিনটি বড় রাজ্যে ব্যর্থতা কংগ্রেসের উচ্চাকাঙ্ক্ষার উড়ানকে মাটিতে টেনে নামিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস, জেডিইউ, সমাজবাদী পার্টি কিংবা আপ... প্রত্যেকেই এখন স্পষ্ট ভাষায় তাদের বুঝিয়ে দেবে, ‘বেশি বেড়ো না। নেতৃত্ব আমরা যে কেউ দিতে পারি।’ কংগ্রেসও তা মানতে বাধ্য থাকবে। কিন্তু বিরোধী মহাজোটকে আরও একটা সারসত্য বুঝতে হবে, মোদি ব্রিগেডকে হটাতে হলে এবং দিল্লিতে স্থিতিশীল সরকার গড়তে গেলে কংগ্রেসকে ১৪০ থেকে ১৫০টি আসন পেতেই হবে। আঞ্চলিক দলগুলি তাদের পূর্ণ ক্ষমতায় জিতলেও কংগ্রেসের সমর্থন দরকার হবেই। কারণ, লোকসভা ভোটের ক্ষেত্রে সাধারণ ভোটারকুল কিন্তু স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী। বিজেপি না হলে কংগ্রেস—একটি নাম তাদের প্রয়োজন। অন্তত এই মুহূর্তে। বিজেপি হয় মোদি ম্যাজিকের জন্য জিততে চাইবে, না হলে মোদি ম্যাজিক আছে... সেটা প্রমাণ করার জন্য। একটার সঙ্গে আর একটা পরিপূরকের মতো আজ জড়িয়ে গিয়েছে। ম্যাজিকের সঙ্গে তাই নির্দ্বিধায় এখন জুড়ে যেতেই পারে মেশিনারি। ভোট মেশিনারি। যা আছে রাষ্ট্রের হাতে। পাঁচ রাজ্যের ভোটেও কি কলকাঠি তেমন কিছুরই? প্রশ্নটা তোলা থাকল লোকসভা ভোটের জন্য। 
ও হ্যাঁ, ২০১৯ সালে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়... এই তিনটি রাজ্যেই কিন্তু জিতেছিল কংগ্রেস। লোকসভা নির্বাচনে তাদের প্রাপ্ত আসন কত ছিল? মাত্র ৫২টি। আর একটু পিছনে যাওয়া যাক। ২০০৩ সাল। এই সবক’টি রাজ্যেই হেরেছিল কংগ্রেস। বিজেপির কাছে। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছিলেন সোনিয়া গান্ধী এবং তাঁর ইউপিএ। কংগ্রেস বলতেই পারে, পিকচার আভি বাকি হ্যায় মেরে মিত্রোঁ।
পাঁচ রাজ্যের ভোটে আপনার সেরা বাজি কারা?
পি চিদম্বরম

এই নিবন্ধটি লিখেছি গত বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর)। সেদিনই ভোট নেওয়া হয়েছে তেলেঙ্গানায়। ওইসঙ্গেই শেষ হয়েছে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন।
বিশদ

03rd  December, 2023
ভোটের গন্ধেই ডেলি প্যাসেঞ্জারি শুরু
হিমাংশু সিংহ

এই লেখা যখন আজ পাঠকের হাতে পৌঁছচ্ছে তখন সবাই উদগ্রীব তেলেঙ্গানায় কংগ্রেসের উত্থান দেখতে। মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান মোদি না সোনিয়া গান্ধী, কার কপালে জনগণ জয়তিলক পরিয়ে দিল তা জানতে। 
বিশদ

03rd  December, 2023
এলেন, দেখলেন, কিন্তু জয় হল কি?
তন্ময় মল্লিক

এলেন, দেখলেন এবং ফিরে গেলেন। উদ্দেশ্য ছিল জয় করার। কিন্তু পারলেন কি? বঙ্গ বিজেপিকে অক্সিজেন জোগাতে এসে অমিত শাহ বাড়িয়ে দিলেন অস্বস্তি। তুলে দিয়ে গেলেন একগুচ্ছ প্রশ্ন। কী সেই প্রশ্ন? এক, অমিত শাহ বাংলা থেকে তাঁর ৩৫ আসনের দাবির কথা কেন কর্মীদের ফের স্মরণ করিয়ে দিলেন না? বিশদ

02nd  December, 2023
উত্তরকাশী সুড়ঙ্গ শেখালো ঐক্যের শক্তি
সমৃদ্ধ দত্ত

শাবা আহমেদের কাছে আমরা একটা শিক্ষা পেলাম। পুরনো শিক্ষা। নতুন করে। তিনি শিক্ষা দেবেন বলে বলেছেন এমন নয়। খুবই স্বাভাবিকভাবে বলছিলেন কথাগুলো। কিন্তু প্রতিটি বাক্যে আমরা বুঝলাম হ্যাঁ, এটাই হল সফল, সুখী আর মনের শক্তি অর্জনের চাবিকাঠি। বিশদ

01st  December, 2023
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি-রাজ!
মৃণালকান্তি দাস

ভিক্ট্রি ল্যাব: দ্য সিক্রেট সায়েন্স অব উইনিং ক্যাম্পেনস। বইটিতে মার্কিন সাংবাদিক সাশা আইজেনবার্গের লিখেছিলেন, নির্বাচনের সময় সোশ্যাল মিডিয়া নির্বাচকদের মতামতকে কতটা প্রভাবিত করতে পারে, তার প্রথম সফল পরীক্ষা–নিরীক্ষা হয়েছিল আমেরিকায়। বিশদ

30th  November, 2023
জো হুজুর রাজ্যপাল ও পদের কলঙ্ক আখ্যান
সন্দীপন বিশ্বাস

একটি কথায় সুপ্রিম কোর্ট বুঝিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে বিরোধী রাজ্যগুলিতে অভিষিক্ত রাজ্যপালরা কেমন কাজ করছেন। অত্যন্ত ভর্ৎসনার সুরেই দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি রাজ্যপালদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আগুন নিয়ে খেলবেন না।’
বিশদ

29th  November, 2023
কেসিআরের পথ এবার কিন্তু সহজ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তেলুগু রাজনীতিতে পবন কল্যাণ এক অদ্ভুত চরিত্র। আম ভারতীয়রা তাঁকে চিরঞ্জীবির ভাই হিসেবে চেনে। দক্ষিণে তিনি নিজেও কিন্তু বেশ জনপ্রিয় অভিনেতা। 
বিশদ

28th  November, 2023
ঔপনিবেশিক আইন রচয়িতাদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ!
পি চিদম্বরম

ইন্ডিয়ান পেনাল কোড (আইপিসি) ১৮৬০, ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট ১৮৭২ এবং কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সিআরপিসি) ১৯৭৩ হল—ফৌজদারি আইনের ‘ট্রিনিটি’ বা একটির ভিতরে তিনটির সমন্বয়। আইপিসি বা ভারতীয় দণ্ডবিধির রচয়িতা ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলি। বিশদ

27th  November, 2023
ভোট এলেই মমতার পথ অনুসরণ
হিমাংশু সিংহ

পাঁচ রাজ্যের ভোটে তিনি প্রচারে যাননি, তাঁর দলও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে না। কিন্তু না থেকেও তিনি আছেন ষোলো আনা। বোঝা গেল, এখনও তিনিই ভারতীয় রাজনীতির এক নম্বর চালিকাশক্তি। সমালোচনা করতেও আবার অনুসরণ করতেও। বিশদ

26th  November, 2023
ব্রিগেডে গীতাপাঠ কি বিজেপির রেকি?
তন্ময় মল্লিক

এক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে বাংলা। ২৪ ডিসেম্বর কলকাতায় হবে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান। মাস তিনেক পরই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের ‘টেস্টিং গ্রাউন্ড’ ব্রিগেডে গীতপাঠ। বিশদ

25th  November, 2023
ইন্ডিয়া জোট কোথায়? কংগ্রেস একটু ভাবুক
সমৃদ্ধ দত্ত

কিছুকাল আগেও শাহরুখ খান ছিলেন বিজেপি সমর্থকদের কাছে চক্ষুশূল। তাঁর সিনেমা রিলিজ করলে বয়কটের ডাক দেওয়া হতো। এই সেদিনও ‘পাঠান’ রিলিজ করার আগে একটি নাচগানের দৃশ্য নিয়ে আপত্তি ওঠে। ঝড় তোলা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিশদ

24th  November, 2023
আইজলের অভিমান, জোরামের রাজনীতি
মৃণালকান্তি দাস

সুখের সংজ্ঞা কী! দেশের অন্যতম সুখী রাজ্যের মানুষ তা জানেন কি? গত কয়েক বছরে সেই রাজ্যে অসন্তোষের কারণ কম নয়। নাগরিকত্ব আইন সংশোধনীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে রাস্তায় নেমে প্রকাশ্যে ‘হ্যালো চায়না, বাই বাই ইন্ডিয়া’ স্লোগান-পোস্টার উঁচিয়ে মিছিল করেছেন মিজোরা।
বিশদ

23rd  November, 2023
একনজরে
২০০৪ সাল। ভারতীয় ফুটবলে সাড়া জাগানো নাম মাহিন্দ্রা ইউনাইটেড। ম্যানেজমেন্টের আন্তরিকতা দেখে সই করতে দ্বিধা করিনি। মরশুমের শুরুটা ভালোই হয়েছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাত। একদিন অনুশীলনের আগে হঠাৎ ডাক পড়ল। ...

আচমকা চিতাবাঘের দেখা! দক্ষিণ দিল্লির নেব সরাইয়ে এই ঘটনায় প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বন্য পশুটির খোঁজে শুরু হয় তল্লাশি। ...

রাজ্যে বাড়ছে মাদক কারবারের রমরমা। উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে আসছে নিষিদ্ধ মাদক। এই রাজ্য হয়ে তা চলে যাচ্ছে দেশের অন্যান্য অংশ এবং বাংলাদেশে। ...

জবজের চিত্রগঞ্জ কালীবাড়িতে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের আনাগোনা দিনে দিনে বাড়ছে। দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ছুটে আসছেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

যে কোনও ব্যবসায় শুভ ফল লাভ। বিশেষ কোনও ভুল বোঝাবুঝিতে পারিবারিক ক্ষেত্রে চাপ। অর্থপ্রাপ্তি হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মাটি দিবস
১৩৬০: ফ্রান্সের মুদ্রা ফ্রাঁ চালু হয়
১৮৫৪: রিভলবিং থিয়েটার চেয়ারের পেটেন্ট করেন অ্যারোন অ্যালেন
১৮৭৯: স্বয়ংক্রিয় টেলিফোন সুইচিং সিস্টেম প্রথম পেটেন্ট হয়
১৯০১: মার্কিন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্দেশক ও কাহিনীকার ওয়াল্ট ডিজনির জন্ম
১৯১১: প্রবাদপ্রতিম গীতিকার ও কবি প্রণব রায়ের জন্ম
১৯১৩: বাঙালি চিত্রশিল্পী গোপাল ঘোষের জন্ম
১৯২৪: গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার জন্ম
১৯৩২: অভিনেত্রী নাদিরার জন্ম
১৯৩৫: কলকাতায় মেট্রো সিনেমা হল প্রতিষ্ঠা হয়
১৯৩৯: অভিনেত্রী বাসবী নন্দীর জন্ম
১৯৪০: সঙ্গীত শিল্পী গুলাম আলির জন্ম
১৯৪৩: জাপানী বোমারু বিমান কলকাতায় বোমা বর্ষণ করে
১৯৫০: বিপ্লবী, দার্শনিক ও আধ্যাত্মসাধক ঋষি অরবিন্দের প্রয়াণ
১৯৫১: শিল্পী ও লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯৬৯: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব-পাকিস্তানের নামকরণ করেন ‘‘বাংলাদেশ ”
১৯৮৫: ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ানের জন্ম
১৯৯৯: যানজট এড়াতে ব্যাংককে আকাশ ট্রেন সার্ভিস চালু
১৯৯৯: মিস ওয়ার্ল্ড হলেন যুক্তামুখী
২০১৩: দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৪৫ টাকা ৮৪.১৯ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৯২ টাকা ১০৭.৩৯ টাকা
ইউরো ৮৯.১৩ টাকা ৯২.৩০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৬৩,৮০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৬৪,১০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৬০,৯৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৬,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৬,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪৩০, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩। অষ্টমী ৪৬/১৯ রাত্রি ১২/৩৮। পূর্বফল্গুনী নক্ষত্র ৫৩/৪৯ রাত্রি ৩/৩৮। সূর্যোদয় ৬/৬/১৪, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/৪২। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৩২ গতে ১১/৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৮ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ৯/১৪ গতে ১১/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৪১ গতে ৩/২৭ মধ্যে পুনঃ ৫/১৪ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৭/২৭ গতে ৮/৪৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪৩০, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩। অষ্টমী রাত্রি ১১/২। পূর্বফল্গুনী নক্ষত্র রাত্রি ২/৫৯। সূর্যোদয় ৬/৮, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ১১/৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ৯/২৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/৫২ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৫/২৭ গতে ৬/৮ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৮ গতে ৮/৪৮ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৮ মধ্যে। 
২০ জমাদিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বচসার জেরে গুলি চালানোর অভিযোগে উত্তরপ্রদেশে গ্রেপ্তার অভিনেতা ভূপিন্দর সিং, মৃত ১, জখম ৩

08:26:58 PM

তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন রেবন্ত রেড্ডিই, জানাল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব

07:00:00 PM

ভাইফোঁটায় সলমন খানকে আমন্ত্রণ মমতার

06:56:35 PM

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে জুন মালিয়া, চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়

06:45:00 PM

কেউ আমাদের ভাগ করতে পারবে না: মমতা

06:44:48 PM

বাংলা এখন ফিল্ম ডেস্টিনেশন হতে পারে: মমতা

06:43:53 PM