Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোটের গন্ধেই ডেলি প্যাসেঞ্জারি শুরু
হিমাংশু সিংহ

এই লেখা যখন আজ পাঠকের হাতে পৌঁছচ্ছে তখন সবাই উদগ্রীব তেলেঙ্গানায় কংগ্রেসের উত্থান দেখতে। মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান মোদি না সোনিয়া গান্ধী, কার কপালে জনগণ জয়তিলক পরিয়ে দিল তা জানতে। একইসঙ্গে সেই ঢেউয়ে জাতীয় রাজনীতি তথা বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ কী দাঁড়াবে, তাও চর্চার বিষয়। যদি পাঁচ রাজ্যে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের ফল ভালো হয়, তাহলে আর একবার প্রমাণ হবে যে এজেন্সি দিয়ে তল্লাশি চালিয়ে জনমতকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। বিশেষ করে, বাংলায় যেখানে চার দশকের পরীক্ষিত এবং স্বাধীনতা-উত্তরকালের সর্বাধিক জনপ্রিয়, রক্ত, ঘাম, সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে মাটি থেকে উঠে আসা নেত্রী ক্ষমতায়। স্পষ্ট হবে, মোদির মুখ দেখেই আর ভুলছেন না ভোটাররা। 
গত বুধবার ধর্মতলায় বিজেপির সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের ফ্লপ সভা থেকেও সেই ইঙ্গিত মিলেছে। এরাজ্যেও, ভোটের কড়া নাড়া শুরু হতেই দিল্লি থেকে ডেলি প্যাসেঞ্জারি শুরু হয়েছে। কিন্তু অমিত শাহদের নামে কি আর কোনও আবেগ অবশিষ্ট আছে এই বঙ্গে, কিংবা ঘটা করে প্রধানমন্ত্রীকে এনে লক্ষ কণ্ঠের গীতাপাঠে? কোনও একাত্মবোধ নেই। দাঁতে দাঁত চেপে স্থির সঙ্কল্পকে সামনে রেখে অটল লড়াই নেই। এরপরও এরাজ্য থেকে লোকসভার ৩৫টি আসন জেতার খোয়াব আর দেখছে কি 
কেন্দ্রীয় বিজেপি? নিদেন পক্ষে ডাবল ফিগার ছোঁয়ার দুরাশা, মায় দশটা লোকসভা আসন জয়ের টার্গেট? বোধহয় না। অমিত শাহ নিজে কোনও সংখ্যা ধর্মতলায় উচ্চারণও করেননি। যদি সেই জোশ থাকত, তাহলে বেশ কয়েক কোটি টাকা খরচ করে পুলিস, আদালতের বাধা পেরিয়ে ধর্মতলায় মঞ্চ বেঁধে মাত্র ২৩ মিনিটের এলেবেলে ভাষণ দিয়েই দিল্লি ফেরত যেতেন না ব্যস্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্তত ভাষণ দেওয়ার পর নিউটাউন কিংবা বাইপাসের ধারের পাঁচতারা অট্টালিকায় বঙ্গ বিজেপির নেতাদের সংগঠনের অসুখ সারানোর দাওয়াই দিতেন চা চক্রের ফাঁকে। কৌশল নিয়ে চুলচেরা মতবিনিময় হতো। কিন্তু সেসব কিছুই করলেন না। উল্টে যেখানে বেলা ৩টে পর্যন্ত তাঁর মঞ্চে থাকার কথা, সেখানে বেলা ২টো ৭ মিনিট নাগাদ স্টেজে উঠেই আড়াইটের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করলেন তিনি! কারণ মঞ্চের উপর, মঞ্চের নীচে এবং উপস্থিত বঙ্গ বিজেপির নেতানেত্রীদের মধ্যে অনৈক্য, নীচ স্বার্থের বিষগন্ধ তিনি বিলক্ষণ পেয়েছেন। দিশেহারা কর্মীদের মধ্যে ‘দেখে নেওয়ার মানসিকতা’র অভাব থেকেই আঁচ করেছেন, একুশের বিধানসভার চেয়েও বড় ভরাডুবি অপেক্ষা করছে মমতার বঙ্গে। ‘উখারকে ফেক দেঙ্গে’ বললেন বটে কয়েকবার, কিন্তু লোহা যে গরমই হল না। বহুল ব্যবহারে বড্ড ক্লিশে শোনাল পুরনো হিন্দি বাক্যবন্ধটি!
ঠিক ন’বছর পর আবার ধর্মতলায় সিইএসসি’র সদর দপ্তরের বাইরে ২১ জুলাইয়ের স্টাইলে সভা করলেন বিজেপি ও সরকারের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অমিত শাহ। কিন্তু লোকসমাগম, সভার ঝাঁঝ এবং আবেগ কিছুই পাওয়া গেল না। রেকর্ড বলছে, আগের বার (৩০ নভেম্বর, ২০১৪) ভারতীয় রাজনীতির তথাকথিত চাণক্য ভাষণ দিয়েছিলেন প্রায় ৩৪ মিনিট। আর এবার অপেক্ষাকৃত ফাঁকা ধর্মতলায় আরও বেশি সময় ধরে ঝাঁঝালো বক্তব্য রাখার কথা থাকলেও খুব বেশি আর এগননি। নিজেকে বেঁধে ফেলেছেন তুলনায় ১১ মিনিট কম সময়ে। শুনেছি, নরেন্দ্র মোদি জনান্তিকে একটা কথা প্রায়ই বলেন, কোনও রাজ্যে গেলে একটা ভাত টিপেই সংগঠনের ফাঁকফোকর বলে দিতে পারেন অমিতজি। কোথায় সত্যি হবে, আর কোথায় সময় দিয়েও পদ্ম ফুটবে না, তা তাঁর কম্পাস দিয়ে আঁকা তীক্ষ্ণ চোখে ফুটে ওঠে পরিষ্কার। সেরকম কোনও ইঙ্গিত পেয়েই কি নমো নমো করে ভাষণ শেষ করে রেসকোর্সে  ছুটলেন তিনি চপার ধরতে?
আমাদের মনে আছে, এরাজ্যে বামফ্রন্টকে ২০১১ সালে গদিচ্যুত করতে সক্ষম হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তার আগের অন্তত দু’দশক এরাজ্যের রাজনীতি মানুষের আবেগ আন্দোলিত হয়েছে তাঁকে ঘিরেই। তারই ক্লাইম্যাক্স আমরা দেখেছি, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই। দেখেছি, ব্রিগেডে বামফ্রন্টের ‘মৃত্যুঘণ্টা’ বাজানোর মধ্যে। সমাবেশের উপর গুলি চালিয়ে ১১ জনের প্রাণ নিয়েছিল বামফ্রন্টের পুলিস। উত্তাল হয়েছে রাজ্য। কিন্তু পালাবদলের জন্য তারপরও অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৮ বছর! আর এই বিজেপি নেতারা ভাবেন কী? পাঁচটা শাসক নেতা-মন্ত্রীর বাড়িতে ইডি ঢুকলেই উপর থেকে ফানুসের মতো পরিবর্তন নেমে আসবে রামধনু পাখনা মেলে!
গত বুধবার যাঁরা ধর্মতলায় সকাল থেকে চরকি কেটেছেন, তাঁদের বক্তব্য, অমিতজির ভাষণের আধঘণ্টা আগেও ধর্মতলা, লেনিন সরণি এবং এস এন ব্যানার্জি রোড এদিন প্রায় স্বাভাবিকই ছিল। বিরাট কোনও অস্বাভাবিকতা লক্ষ করা যায়নি। অনেক জায়গায় আগত সদস্যদের জন্য দুপুরের ভাত তরকারির ব্যবস্থা থাকলেও খাওয়ার লোক ছিল না। স্রেফ নষ্ট হয়েছে। জেলা থেকে আবেগতাড়িত কিংবা স্বতঃস্ফূর্তভাবে লোকজন এলে শিয়ালদহ ও হাওড়া স্টেশন এবং ধর্মতলার দূরপাল্লার বাস গুমটিতে যে চেহারা দেখা যায়, তাও ছিল অনুপস্থিত। পরিষ্কার হল যে, স্থানীয় নেতৃত্ব যতই লম্বা-চওড়া ভাষণ দিন না কেন, তাঁদের উপর নিচুতলার কর্মীদের আস্থা, বিশ্বাস দুইই কমছে।
বঙ্গ বিজেপির সেই শোচনীয় অবস্থা দেখেই অমিতজিও গুটিয়ে গেলেন। একটাও কি নতুন ঝাঁকুনি দেওয়া বার্তা দিলেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় নেতা। কেউ বলছেন, পাঁচ রাজ্যের ভোটের প্রচার শেষে তিনি ক্লান্ত। কেউ বলছেন, বঙ্গ বিজেপির হাল দেখে তিনি হতাশ! তাই ডেলি প্যাসেঞ্জারি শুরু করলেও তাঁর বক্তব্যে ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজে সেই আগ্রাসন ছিল না। মমতার সরকারের দুর্নীতি নিয়ে বিজেপির আস্ফালন নতুন কিছু নয়, নয় অপ্রত্যাশিতও। কিন্তু গত পাঁচ বছরে বারবার ব্যবহারে এবং ভাঁওতা দেওয়ার আখ্যানে সিএএ যে নিছকই ভোটার, বিশেষ করে মতুয়াদের বিরক্তিরই উদ্রেক করবে তা বলাই বাহুল্য। এখানেও দ্বিচারিতা এবং পরস্পর-বিরোধী রাজনীতির মানসিকতা স্পষ্ট। ২০১৯ সালে তখনও এটি বিলই ছিল। এককথায় সিএএ বা সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট বিল। তারপর সংসদে পাশের মাধ্যমে হয়েছে একটি আইন—সিএএ। কিন্তু তারপর বেশ কয়েক বছর কেটে গেলেও আইনটি কার্যকর হল না কেন? মাত্র কয়েক দিন আগে অদ্ভুত স্তোকবাক্য শোনা গেল। শান্তনু ঠাকুরের সই করা শংসাপত্রই নাকি মতুয়াদের ‘নাগরিকত্বের প্রমাণ’। কৌশলে সস্তায় ভোট কেনার কী বিরাট আয়োজন! মতুয়ারা কিন্তু বছরের পর বছর গেরুয়া নেতাদের মিথ্যে খেলাটা ধরে ফেলেছেন। তাই বুধবার ধর্মতলার জমায়েতে তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ চোখে পড়েনি। বিজেপির দ্বিচারিতার রাজনীতির পাঁকে পড়ে মতুয়ারা আজ যারপরনাই ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত। ভোট এলেই নাগরিকত্বের খুড়োর কল ঝোলানোর রাজনীতি আর কতদিন চলবে, তা বোধহয় নেতাদেরও অজানা।
হিসেব বলছে, একুশ সালের শুধু ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসে এরাজ্যে ৩৮টি জনসভা করেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। এর মধ্যে আমাদের সম্মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করেছিলেন ১৭টি সভা আর দলের দ্বিতীয় সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী নেতা অমিত শাহ করেন ২১টি। তারপর বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর থেকে রাজ্যের সাধারণ কর্মীদের দুর্দশার কালে কতবার ঘুরে গিয়েছেন শাহজি? বিপন্নতার সময় দিল্লি থেকে আর কেউই আসেনি। কলকাতার বুকে ক’টা সভা করেছেন। দলীয় কর্মীদের ক’দিন উৎসাহ দিয়েছেন। রেকর্ডটা কিন্তু মোটেই সুখকর নয়। উল্টে বেশ কয়েকবার আসব আসব বলেও শেষ মুহূর্তে অজ্ঞাত কারণে তাঁর বঙ্গ সফর বাতিল হয়ে যায়। ২৯ নভেম্বর ধর্মতলার সভার আগে অমিতজি এসেছিলেন ১৬ অক্টোবর। এক দলীয় নেতার দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে। রামমন্দিরের আদলে প্যান্ডেলের ফিতে কাটতে। কোনও সাংগঠনিক বৈঠকে নয়। এমনকী, তার আগে ইস্টার্ন জোনাল কাউন্সিলের বৈঠকে তাঁর আসার কথা থাকলেও তা শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়। অবশ্য দলের পক্ষ থেকে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গিয়েছে। কিন্তু তা নিয়েও তেমন কোনও সাড়া পড়েনি জনমানসে। যেমন পড়েনি গত বুধবারের ধর্মতলার বিশাল আয়োজন ঘিরেও।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা অমিত শাহ বিশাল মাপের নেতা হতে পারেন, হতে পারেন দক্ষ সংগঠক কিন্তু বাঙালির আবেগ, বাঙালির হৃৎস্পন্দনের সঙ্গে তার কোনও যোগ আছে কি? নেই, সম্মান জানিয়েই বলছি নেই। না-হলে গত একবছরে যেভাবে একের পর এক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রী গ্রেপ্তার হয়েছেন, দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে, তাতে অমিত শাহের জনসভায় ঝড়ই ওঠার কথা ছিল। কিন্তু দলের র‌্যাঙ্ক অ্যান্ড ফাইলই যেখানে দ্বিধায়, বঙ্গ নেতৃত্ব দ্বিধাবিভক্ত, সেখানে হাওয়াই জাহাজে মাত্র দেড় থেকে পৌনে দু’ঘণ্টার বুড়ি ছোঁয়ায় কি বাংলার মানুষের মন জেতা সম্ভব? যেই বিজেপি আঙুল তোলে তৃণমূলের দুর্নীতির দিকে সঙ্গে সঙ্গে দলেই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে এক দলবদলুকে ‘মুখ’ করা হল কেন? তিনি তো তৃণমূলেরই প্রোডাক্ট। তাঁকেও তো ক্যামেরার সামনে হাত পেতে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে, জেরা হয়নি কেন? এমন নেতাই মুখ, আর আগমার্কা সঙ্ঘী দিলীপ ঘোষরা দলে ব্রাত্য! নেতৃত্বের এই গোলকধাঁধায় এরাজ্যে বুথ সংগঠনে জোর দেওয়ার কেউ নেই। শুধু মোদি আর অমিতজিকে উড়িয়ে এনে কতটা লাভ হতে পারে, একুশের ফলেই তার প্রমাণ। 
তাই নব্য ও পুরনোদের বিভেদ ঘুচিয়ে তৃণমূল যদি সর্বস্তরে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়তে পারে, তবে গত বিধানসভা ভোটের চেয়েও শোচনীয় ফল হবে বিজেপির। এই একটা ব্যাপারে নিশ্চিত—বাংলার কাকদ্বীপ থেকে কোচবিহার, নিঃসন্দেহ কাঁথিও।
03rd  December, 2023
প্রশ্নগুলো তোলা থাক লোকসভা ভোটের জন্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রশ্ন ১: এক্সিট পোলে প্রায় সব জাতীয় সংবাদমাধ্যমই জিতিয়ে দিয়েছিল কংগ্রেসকে। ঠিক তখনই সাংবাদিক সম্মেলন ডাকলেন রামন সিং। ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
বিশদ

পাঁচ রাজ্যের ভোটে আপনার সেরা বাজি কারা?
পি চিদম্বরম

এই নিবন্ধটি লিখেছি গত বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর)। সেদিনই ভোট নেওয়া হয়েছে তেলেঙ্গানায়। ওইসঙ্গেই শেষ হয়েছে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন।
বিশদ

03rd  December, 2023
এলেন, দেখলেন, কিন্তু জয় হল কি?
তন্ময় মল্লিক

এলেন, দেখলেন এবং ফিরে গেলেন। উদ্দেশ্য ছিল জয় করার। কিন্তু পারলেন কি? বঙ্গ বিজেপিকে অক্সিজেন জোগাতে এসে অমিত শাহ বাড়িয়ে দিলেন অস্বস্তি। তুলে দিয়ে গেলেন একগুচ্ছ প্রশ্ন। কী সেই প্রশ্ন? এক, অমিত শাহ বাংলা থেকে তাঁর ৩৫ আসনের দাবির কথা কেন কর্মীদের ফের স্মরণ করিয়ে দিলেন না? বিশদ

02nd  December, 2023
উত্তরকাশী সুড়ঙ্গ শেখালো ঐক্যের শক্তি
সমৃদ্ধ দত্ত

শাবা আহমেদের কাছে আমরা একটা শিক্ষা পেলাম। পুরনো শিক্ষা। নতুন করে। তিনি শিক্ষা দেবেন বলে বলেছেন এমন নয়। খুবই স্বাভাবিকভাবে বলছিলেন কথাগুলো। কিন্তু প্রতিটি বাক্যে আমরা বুঝলাম হ্যাঁ, এটাই হল সফল, সুখী আর মনের শক্তি অর্জনের চাবিকাঠি। বিশদ

01st  December, 2023
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি-রাজ!
মৃণালকান্তি দাস

ভিক্ট্রি ল্যাব: দ্য সিক্রেট সায়েন্স অব উইনিং ক্যাম্পেনস। বইটিতে মার্কিন সাংবাদিক সাশা আইজেনবার্গের লিখেছিলেন, নির্বাচনের সময় সোশ্যাল মিডিয়া নির্বাচকদের মতামতকে কতটা প্রভাবিত করতে পারে, তার প্রথম সফল পরীক্ষা–নিরীক্ষা হয়েছিল আমেরিকায়। বিশদ

30th  November, 2023
জো হুজুর রাজ্যপাল ও পদের কলঙ্ক আখ্যান
সন্দীপন বিশ্বাস

একটি কথায় সুপ্রিম কোর্ট বুঝিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে বিরোধী রাজ্যগুলিতে অভিষিক্ত রাজ্যপালরা কেমন কাজ করছেন। অত্যন্ত ভর্ৎসনার সুরেই দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি রাজ্যপালদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আগুন নিয়ে খেলবেন না।’
বিশদ

29th  November, 2023
কেসিআরের পথ এবার কিন্তু সহজ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তেলুগু রাজনীতিতে পবন কল্যাণ এক অদ্ভুত চরিত্র। আম ভারতীয়রা তাঁকে চিরঞ্জীবির ভাই হিসেবে চেনে। দক্ষিণে তিনি নিজেও কিন্তু বেশ জনপ্রিয় অভিনেতা। 
বিশদ

28th  November, 2023
ঔপনিবেশিক আইন রচয়িতাদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ!
পি চিদম্বরম

ইন্ডিয়ান পেনাল কোড (আইপিসি) ১৮৬০, ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট ১৮৭২ এবং কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সিআরপিসি) ১৯৭৩ হল—ফৌজদারি আইনের ‘ট্রিনিটি’ বা একটির ভিতরে তিনটির সমন্বয়। আইপিসি বা ভারতীয় দণ্ডবিধির রচয়িতা ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলি। বিশদ

27th  November, 2023
ভোট এলেই মমতার পথ অনুসরণ
হিমাংশু সিংহ

পাঁচ রাজ্যের ভোটে তিনি প্রচারে যাননি, তাঁর দলও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে না। কিন্তু না থেকেও তিনি আছেন ষোলো আনা। বোঝা গেল, এখনও তিনিই ভারতীয় রাজনীতির এক নম্বর চালিকাশক্তি। সমালোচনা করতেও আবার অনুসরণ করতেও। বিশদ

26th  November, 2023
ব্রিগেডে গীতাপাঠ কি বিজেপির রেকি?
তন্ময় মল্লিক

এক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে বাংলা। ২৪ ডিসেম্বর কলকাতায় হবে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান। মাস তিনেক পরই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের ‘টেস্টিং গ্রাউন্ড’ ব্রিগেডে গীতপাঠ। বিশদ

25th  November, 2023
ইন্ডিয়া জোট কোথায়? কংগ্রেস একটু ভাবুক
সমৃদ্ধ দত্ত

কিছুকাল আগেও শাহরুখ খান ছিলেন বিজেপি সমর্থকদের কাছে চক্ষুশূল। তাঁর সিনেমা রিলিজ করলে বয়কটের ডাক দেওয়া হতো। এই সেদিনও ‘পাঠান’ রিলিজ করার আগে একটি নাচগানের দৃশ্য নিয়ে আপত্তি ওঠে। ঝড় তোলা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিশদ

24th  November, 2023
আইজলের অভিমান, জোরামের রাজনীতি
মৃণালকান্তি দাস

সুখের সংজ্ঞা কী! দেশের অন্যতম সুখী রাজ্যের মানুষ তা জানেন কি? গত কয়েক বছরে সেই রাজ্যে অসন্তোষের কারণ কম নয়। নাগরিকত্ব আইন সংশোধনীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে রাস্তায় নেমে প্রকাশ্যে ‘হ্যালো চায়না, বাই বাই ইন্ডিয়া’ স্লোগান-পোস্টার উঁচিয়ে মিছিল করেছেন মিজোরা।
বিশদ

23rd  November, 2023
একনজরে
রাজ্যে বাড়ছে মাদক কারবারের রমরমা। উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে আসছে নিষিদ্ধ মাদক। এই রাজ্য হয়ে তা চলে যাচ্ছে দেশের অন্যান্য অংশ এবং বাংলাদেশে। ...

আচমকা চিতাবাঘের দেখা! দক্ষিণ দিল্লির নেব সরাইয়ে এই ঘটনায় প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বন্য পশুটির খোঁজে শুরু হয় তল্লাশি। ...

আমেরিকায় ফের শ্যুটআউট। এবার ডালাসের একটি বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে চারজনের মৃত্যু হল। ...

আজ, মঙ্গলবার বালুরঘাট এয়ারপোর্ট পরিদর্শনে আসছে এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি দল। আজ সকাল ১০টা নাগাদ ওই প্রতিনিধি দল বালুরঘাট এয়ারপোর্ট পরিদর্শন করবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

যে কোনও ব্যবসায় শুভ ফল লাভ। বিশেষ কোনও ভুল বোঝাবুঝিতে পারিবারিক ক্ষেত্রে চাপ। অর্থপ্রাপ্তি হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মাটি দিবস
১৩৬০: ফ্রান্সের মুদ্রা ফ্রাঁ চালু হয়
১৮৫৪: রিভলবিং থিয়েটার চেয়ারের পেটেন্ট করেন অ্যারোন অ্যালেন
১৮৭৯: স্বয়ংক্রিয় টেলিফোন সুইচিং সিস্টেম প্রথম পেটেন্ট হয়
১৯০১: মার্কিন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্দেশক ও কাহিনীকার ওয়াল্ট ডিজনির জন্ম
১৯১১: প্রবাদপ্রতিম গীতিকার ও কবি প্রণব রায়ের জন্ম
১৯১৩: বাঙালি চিত্রশিল্পী গোপাল ঘোষের জন্ম
১৯২৪: গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার জন্ম
১৯৩২: অভিনেত্রী নাদিরার জন্ম
১৯৩৫: কলকাতায় মেট্রো সিনেমা হল প্রতিষ্ঠা হয়
১৯৩৯: অভিনেত্রী বাসবী নন্দীর জন্ম
১৯৪০: সঙ্গীত শিল্পী গুলাম আলির জন্ম
১৯৪৩: জাপানী বোমারু বিমান কলকাতায় বোমা বর্ষণ করে
১৯৫০: বিপ্লবী, দার্শনিক ও আধ্যাত্মসাধক ঋষি অরবিন্দের প্রয়াণ
১৯৫১: শিল্পী ও লেখক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু
১৯৬৯: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব-পাকিস্তানের নামকরণ করেন ‘‘বাংলাদেশ ”
১৯৮৫: ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ানের জন্ম
১৯৯৯: যানজট এড়াতে ব্যাংককে আকাশ ট্রেন সার্ভিস চালু
১৯৯৯: মিস ওয়ার্ল্ড হলেন যুক্তামুখী
২০১৩: দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৪৫ টাকা ৮৪.১৯ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৯২ টাকা ১০৭.৩৯ টাকা
ইউরো ৮৯.১৩ টাকা ৯২.৩০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৬৩,৮০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৬৪,১০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৬০,৯৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৬,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৬,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪৩০, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩। অষ্টমী ৪৬/১৯ রাত্রি ১২/৩৮। পূর্বফল্গুনী নক্ষত্র ৫৩/৪৯ রাত্রি ৩/৩৮। সূর্যোদয় ৬/৬/১৪, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/৪২। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৩২ গতে ১১/৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৮ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ৯/১৪ গতে ১১/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৪১ গতে ৩/২৭ মধ্যে পুনঃ ৫/১৪ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৭/২৭ গতে ৮/৪৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪৩০, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩। অষ্টমী রাত্রি ১১/২। পূর্বফল্গুনী নক্ষত্র রাত্রি ২/৫৯। সূর্যোদয় ৬/৮, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ১১/৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ৯/২৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/৫২ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৫/২৭ গতে ৬/৮ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৮ গতে ৮/৪৮ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৮ মধ্যে। 
২০ জমাদিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বচসার জেরে গুলি চালানোর অভিযোগে উত্তরপ্রদেশে গ্রেপ্তার অভিনেতা ভূপিন্দর সিং, মৃত ১, জখম ৩

08:26:58 PM

তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন রেবন্ত রেড্ডিই, জানাল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব

07:00:00 PM

ভাইফোঁটায় সলমন খানকে আমন্ত্রণ মমতার

06:56:35 PM

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে জুন মালিয়া, চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়

06:45:00 PM

কেউ আমাদের ভাগ করতে পারবে না: মমতা

06:44:48 PM

বাংলা এখন ফিল্ম ডেস্টিনেশন হতে পারে: মমতা

06:43:53 PM