বিশেষ নিবন্ধ
 

রিঙ্কু, রিঙ্কুর মা এবং বাবুবিবি বৃত্তান্ত
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

আধুনিক নাগরিক সমাজে ‘গেটেড সোসাইটি’ বলে যা পরিচিতি পেয়েছে, রাজধানী ও তার আশপাশে এইরকম কিছু আবাসনে ইদানীং কয়েকটা ঘটনা ঘটেছে। শেষ ঘটনাটা চিন্তাজনক।
এই আবাসনগুলি পাঁচিল দিয়ে ঘেরা এবং তাতে ঢোকা ও বেরনো মোটেই চাট্টিখানি কথা নয়। প্রাইভেট সিকিউরিটি গার্ড চব্বিশ ঘণ্টা পাহারায় থাকে। গোটা আবাসন সিসিটিভির নজরবন্দি। কারও কাছে যেতে গেলে সিকিউরিটি আগে ইন্টারকমে জানতে চাইবে। অনুমতি পেলে তবেই ছাড়পত্র। তবে তার আগে ভিজিটর বুকে নাম-ধাম লেখা বাধ্যতামূলক। অনেক হ্যাপা। আবাসনের অভ্যন্তর সাধারণত বেশ ঝকঝকে-তকতকে। সে জন্য আবাসিকদের মাসিক মূল্য ধরে দিতে হয়। কলকাতাতেও এমন আবাসন এখন অনেক।
দিল্লি এবং তার লাগোয়া নয়ডা ও গুরুগ্রামের (আগে নাম ছিল গুরগাঁও) বেশ কিছু আবাসন তাদের মতো করে কিছু নিয়ম সৃষ্টি করেছে। যেমন, কোথাও নিয়ম রয়েছে পোষ্য হিসেবে কুকুর রাখা চলবে না। কেননা তারা নাকি সকাল-সন্ধে আবাসন নোংরা করে। পলিথিন বোঝাই কুকুরের ‘পটি’ এখানে-সেখানে দেখা যায়। কাদের কুকুর বা তার মালিক/মালকিন এই অপকম্মটি করছে তা বোঝা দুষ্কর বলে এই নিয়ম। দেশ যেহেতু গণতান্ত্রিক এবং যেহেতু আবাসনের বেশিরভাগ গৃহেই এমন ‘অবলা পোষ্য’ নেই, তাই গভর্নিং বডির বৈঠকে অধিকাংশের মতোই প্রাধান্য পেয়েছে।
কিছু আবাসন আবার অবিবাহিত ছেলে বা মেয়েকে ভাড়া না-দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ সহজেই অনুমেয়। কোনও কোনও আবাসন আবার আফ্রিকানদের ওপর বেজায় খাপ্পা। তাদের সংস্কৃতি, উদ্দাম জীবন দর্শন ‘ভারতীয়ত্বের সঙ্গে বেমানান’ বলে। প্রতিটি সিদ্ধান্তই কিন্তু গণতান্ত্রিক উপায়ে গৃহীত। এ নিয়ে গণমাধ্যমে আলোচনা যে হয়নি বা হচ্ছে না তা নয়। কিন্তু আবাসিকেরা যদি সিদ্ধান্ত নেন, সরকারের কীই বা বলার থাকে?
ক’দিন আগে নয়ডায় যে-ঘটনাটা ঘটল সেটা কিন্তু অন্য ধরনের এবং চিন্তাজনক। কাগজে পড়লাম, চুরির অভিযোগে এক গৃহকর্তা ও তাঁর পরিচারিকার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। অভিযোগ, পরিচারিকাটি নাকি অনেকক্ষণ ‘নিখোঁজ’ ছিলেন এবং গৃহকর্তার গাড়ির ‘বুট’ থেকে নাকি তাঁকে পাওয়া যায়। পুলিশ অবশ্য জানায়, পরিচারিকাটিকে তাঁর ঝুপড়ি-ঝুগ্গিতেই দেখা গিয়েছে। এর পরের ঘটনা হল মারাত্মক। ঝুপড়িবাসী মানুষ লাঠি, রড, কাঠের টুকরো ও ইটপাটকেল নিয়ে আবাসন আক্রমণ করেন। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে তাঁদের মারপিট হয়। অনেকেই আহত। তারপর পুলিশ ও আদালত।
এই ঘটনার পরেই ওই আবাসন কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, সেখানে কোনও বাংলাদেশিকে আর কখনও পরিচারক বা পরিচারিকা অথবা পাহারাদার কিংবা ড্রাইভারের কাজে বহাল করা হবে না। কারণ, ‘ওরা নাকি স্বভাবগতভাবে ঝঞ্ঝাটের মানুষ এবং অবিশ্বাসী।’
যাঁর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ, তিনি মুসলমান, বাঙালি এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা। আবাসনের বাঙালি আবাসিকদের ঘোরতর সন্দেহ, আদতে তাঁরা বাংলাদেশি।
অস্বীকার করার উপায় নেই, দিল্লির কিছু কিছু এলাকায় বাংলাদেশি বোঝাই। নয়ডাসহ দিল্লি-লাগোয়া উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানার কোনও কোনও এলাকাতেও। মাঝে মাঝেই এই বিদেশিদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান চলে। কিন্তু তাতে বিশেষ কিছুই হয় না। আমাদের দেশের রাজনীতি ও পুলিশি-চরিত্র ওই বিশেষ কিছু না-হওয়ার প্রধান কারণ। তাছাড়া ‘বাংলাদেশি ধরো’ অভিযানকে কিছু কিছু রাজনৈতিক দল ‘বাঙালি ধরো’ বলে তকমা দিয়ে তা প্রতিরোধে এগিয়েও আসে। মানবাধিকার কর্মীরাও তাঁদের পাশে দাঁড়ান। অভাবী এই মানুষজন পেটের দায়ে চলে এসে রাজধানীর ‘ডোমেস্টিক হেল্প’-এর বিপুল চাহিদা অনেকাংশে পূরণ করছেন। পুরানো দিল্লির প্রতি পাঁচজন রিকশ চালকের একজন বাঙালি। বাঙালি সিকিউরিটি গার্ডও অগুনতি।
রাজধানীর আশপাশে চলে আসা সব বাংলাদেশিই যে বাঙালি তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু সব বাঙালিই বাংলাদেশি নন। পশ্চিবঙ্গের সীমান্তবর্তী নদীয়া, দুই চব্বিশ পরগনা, মালদহ ও মুর্শিদাবাদ এবং ঝাড়খণ্ড থেকে প্রতিদিন কিছু না কিছু দরিদ্র কিশোরী ও যুবতী আড়কাঠির হাত ধরে দিল্লি আসছে। এদের কেউ কেউ পরিচারিকা হয়ে ভালোমন্দ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে, কারও কারও জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। শারীরিক ও মানসিক শোষণের শিকার হয়ে কেউ কেউ আত্মহননের পথও বেছে নিয়েছে। কারও স্থান হয়েছে বেশ্যাপল্লিতে। কে বাঙালি, কে বাংলাদেশি, কে মুসলমান, কেই বা হিন্দু আড়কাঠিদের কাছে এসব বিচার অবান্তর। তাদের মন নেই। মানবিকতার ধারও তারা ধারে না। তারা জানে একটা মেয়ে পাচার করতে পারলে তারাও ক’টা মাস নিশ্চিন্তে খেতে পারবে।
সেদিন নয়ডায় এক পরিচিতের বাড়ি গিয়েছিলাম। সে বাড়ির পরিচারিকা মা ও মেয়ে। দু’জনে ভাগাভাগি করে কাজ করে। বাঙালি। কিশোরীটির নাম রিঙ্কু, তার মা ‘রিঙ্কুর মা’। কথায় কথায় রিঙ্কুর মা স্বীকার করলেন, তাঁরা বাংলাদেশি। পেটের দায়ে দেশত্যাগী হয়েছেন। রিঙ্কুর বাবা দেশে মাছ ধরতেন, এখন গাজিয়াবাদের মাছের মন্ডিতে সকালবেলায় কাজ করেন। বাকি সময় রিকশ চালান। সেই রিকশর মালিক আবার পুলিশ। ধরপাকড়ের সম্ভাবনা তাই কম।
সহানুভূতিশীলের কাছে দুর্গত সব সময়েই আশ্রয় খোঁজে। রিঙ্কুর মাও তাই অকপট। বললেন, ইদানীং খরচ ও ভয় খুব বেড়ে গেছে। সস্তার গো-মাংস অমিল। মোষের মাংস যেটুকু পাওয়া যায় লুকিয়ে-চুরিয়ে। অচেনাদের কাছে মুসলমান পরিচয় গোপন রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। ধরা পড়ার চেয়ে মার খেয়ে মরার ভয় দিন দিন বেশি জাঁকিয়ে বসছে।
আমি হাঁ করে রিঙ্কুর মায়ের কথা শুনতে শুনতে আগডুম বাগডুম কত কিছু ভাবি। ভাবতে ভাবতে ভেসে উঠল দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার (কনসুলার) মোশারফ হোসেনের মুখ। ক’দিন আগেই ডেপুটি হাই কমিশনার সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরিকে নিয়ে তিনি পুনে গিয়েছিলেন দুর্গতদের উদ্ধার করে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে। বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি পদমর্যাদার মোশারফ ভাই সেই কাহিনি শোনাচ্ছিলেন। শুনতে শুনতে চোখে জল এসে যাচ্ছিল। আড়কাঠি ও পাচারকারীদের মন থাকে না। আবেগও নয়। কারও কান্না তাদের মন ছোঁয় না। কাউকে গৃহহীন করে পাতালে নিক্ষেপ করতে তাদের মায়া হয় না।
মোশারফ ভাই কেরল গিয়েছেন। বেঙ্গালুরু। পুনে। পাঞ্জাবেও। বাংলাদেশিদের শনাক্ত করে তাদের ফেরত পাঠানোর হ্যাপা প্রচুর। তবু তিনি তাঁর মতো চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে চারশো পুরুষ ও নারী বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ তিনি শেষ করতে পেরেছেন। যাঁরা যাচ্ছেন তাঁদের কেউ কেউ স্ব-ইচ্ছায়। কেউ ধরা পড়ে বাধ্য হয়ে। কেউ বা স্রেফ অনিচ্ছায়।
অনিচ্ছায়, কেননা, এত কাঠখড় পুড়িয়ে এত চোখ এড়িয়ে এত খরচ করে ভারতে এসে ফের দেশের অনিশ্চিত জীবনে কেইবা ফিরে যেতে চায়?
বাংলাদেশের রাজনীতিকবৃন্দ এবং সরকার ভারতে ‘লাগামহীন’ অনুপ্রবেশের তত্ত্ব প্রকাশ্যে মানতে নারাজ। অথচ অসম ও পশ্চিমবঙ্গের ছবি এবং অভিজ্ঞতা ভিন্ন। সত্যটা ভারতের দক্ষিণপন্থী রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের সরকারি কর্তাদের পরস্পর-বিরোধী দাবির মধ্যবর্তী কিছু একটা।
আমি বরং বাংলাদেশের উপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাম্প্রতিক চাপ সৃষ্টির কাহিনিটা শোনাই। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ডিঙি নৌকায় ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে অবৈধভাবে পাড়ি দেওয়া বাংলাদেশিদের রমরমায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন উদ্বিগ্ন। তাদের প্রস্তাব, গ্রেপ্তার করা বাংলাদেশিদের পরিচয় জানানোর আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারকে তাদের পরিচয় সম্পর্কে ইইউকে নিশ্চিত করতে হবে। না হলে তাদের ফেরত পাঠানো হবে। আপাতত এ নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাপান-উতোর চলছে।
অনুপ্রবেশ নিয়ে ভারতীয় রাজনীতিকদের দাবি যত সহজে পাশ কাটানো সম্ভব, এক্ষেত্রে অস্বীকার করা ততটাই কঠিন। আমার চোখে এসব ছাপিয়ে ভেসে ওঠে বেঁচে থাকার তাগিদে প্রাণ হাতে করে ডিঙি নৌকোয় সাগরপাড়ের দুঃসাহস। কিংবা পেটের খিদে মেটাতে কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে দেশান্তরী মানুষদের মনুষ্যেতর জীবনযাপনের অন্ধকারে মাখামাখি হওয়ার কাহিনি।
বাংলাদেশিদের কাজে বহাল না করার যে-সিদ্ধান্ত নয়ডার ‘গেটেড সোসাইটি’ নিয়েছে, তা আদৌ কত দিন মানা যাবে সন্দেহ। বাংলাদেশিদের সস্তার শ্রম অচ্ছুৎ হলে ফ্ল্যাটবাসীদেরও যে চিল-চিৎকার শোনা যাবে না, কে তা বলতে পারে? আমি ভাবছি অন্য কথা। এইসব শ্রমজীবীকে সপ্তাহান্তে এক দিন ছুটি দিতেও ফ্ল্যাটবাড়ির বাবু ও বিবিরা বাড়াবাড়ি মনে করেন। তাঁদের ছুটি চাইতে নেই, অসুখ হতে নেই, শখ-আহ্লাদ করতে নেই, বাড়তি টাকা দাবি করতে নেই, স্বপ্ন দেখতে নেই, নিদেনপক্ষে পেট চালানোর মতো অর্থ দাবি করার মুরোদও দেখাতে নেই। বাবু-বিবিদের করুণা, কিছু উচ্ছিষ্ট ও সময়-অসময়ের লাথি-ঝাঁটা তাঁদের একমাত্র পাওনা।
16th  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

দলিত, কৃষক ক্ষোভ এত বাড়ছে কেন?
সমৃদ্ধ দত্ত

 একটা বাড়ি করার পর খুব স্বাভাবিকভাবেই মনে ইচ্ছা থাকে সেই বাড়ির গেটের পাশে অথবা বোগেনভিলিয়া ঢাকা আর্চ প্যাটার্নের বারান্দার উপরের দেওয়ালে লেখা হবে একটা নাম। নিজের বাড়ির নাম।
বিশদ

 সব বিরোধ মেটাতেই চান নরেন্দ্র মোদি, তবে মোটেই চীনের আগ্রাসন মেনে নয়
গৌরীশঙ্কর নাগ

 অমরনাথের সাম্প্রতিক হামলার যে বিভীষিকা, তার আগে থেকেই ভুটানের ডোকলা মালভূমি ও ভারতের সিকিম সীমান্তে চীনা-ড্রাগনের শ্যেনদৃষ্টিকে কেন্দ্র করে ভারত-চীন সামরিক দামামা নতুন করে দক্ষিণ এশিয়ার আবহাওয়াকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। বিশদ

20th  July, 2017
সেচ ও জলপথ দপ্তরের কাজে বামেদের কার্যত দশ গোল দিয়েছে মমতার সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

উচ্চতর সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন বলতে বোঝায় ব্যারেজ, চেক ড্যাম পদ্ধতি থেকে শুরু করে নদীপাড় ও নদীবাঁধ নির্মাণ ইত্যাদি পদ্ধতিতে অতিরিক্ত সেচের জমি চাষের আওতায় আনা। পশ্চিমবঙ্গে সেচ ও জলপথ দপ্তরের অধীনেই রাজ্যে উচ্চতর সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের সামগ্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়ে থাকে।
বিশদ

20th  July, 2017
২১ জুলাই: গণতন্ত্র ফেরানোর মস্ত সুযোগ
হারাধন চৌধুরী

 রাজ্যে গণতন্ত্র ফেরানোর প্রশ্নে তৃণমূল ও তার প্রশাসন কতটা আন্তরিক ১৩ আগস্ট‌ই হতে পারে তার প্রথম পরীক্ষা। এই ভোটপর্বটিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। ওইদিন যে রেকর্ড সৃষ্টি হবে সেটাই কিন্তু বাজবে রাজ্যজুড়ে পরবর্তী পঞ্চায়েত ভোটে। এই অনুমান অসংগত নয় যে, গত সাত বছরে বিভিন্ন দফায় নানা কৌশলে বাংলায় কংগ্রেস, কমিউনিস্ট প্রভৃতিকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলার কারণেই বিজেপি ও তাদের দোসরদের অভাবনীয় উত্থান ঘটেছে। এখন সেই ম্যাও সামলানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এবার সম্মানের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চ হয়ে উঠুক একুশে জুলাই। এ স্বার্থ শুধু তৃণমূলের নয়—সব দলের, সার্বিকভাবে সারা বাংলার ও গণতন্ত্রের।
বিশদ

18th  July, 2017
মোদির দৃঢ় সংকল্পের অঙ্গীকার জিএসটি
অনিল বালুনি

  ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে আমরা পেয়েছিলাম এক অপরিমেয় উদ্যম। মধ্যরাতের সেই ঐতিহাসিক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, জিএসটি চালু করা ছাড়া অন্য কোনও পথ ছিল না।
বিশদ

18th  July, 2017
জিএসটি যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেছে: অসহায় মানুষ, নির্বিকার কেন্দ্র
শুভা দত্ত

 এসব করে বাংলা ভাগ করা যাবে, গোর্খাল্যান্ড মিলবে? অত সোজা! আর এসবে ক্ষতি হচ্ছে কার? বিমল গুরুং বা তাঁর সঙ্গীদের নয় নিশ্চয়ই। ক্ষতি হচ্ছে সেই সরল সাদাসিধে খেটে খাওয়া পাহাড়ি মানুষজনের। আন্দোলনের ঠেলায় তাঁদের রুটিরুজি বন্ধ হবার জোগাড় হয়েছে। চা বাগানগুলোর দশা এমনিই রুগ্‌ণ। আন্দোলনের ঝাপটে সেসব বাগানের উৎপাদন আরও কমে গেছে। রাজ্যে দার্জিলিং চায়ের জোগান কমেছে, দামও বাড়ছে। তাতেও চাপ পড়ছে চা-প্রিয় সাধারণ বাঙালির ওপরই। শুধু কি তাই? দার্জিলিং পর্যটনেরও তো দফারফা। বাংলার পর্যটন শিল্পের অন্যতম স্পটটাকে এভাবে পঙ্গু করে দেওয়া কি ন্যায়সংগত হচ্ছে? পাহাড়বাসী মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা এর মধ্যেই কতকিছুই না করেছেন। সেসবও তো নাকি নষ্ট করতে লেগেছে গুরুং বাহিনী। এমন ধ্বংসাত্মক বিচ্ছিন্নতাবাদ চলছে দার্জিলিং পাহাড়ে আর কেন্দ্রীয় শাসকদলের কে একজন বলছেন—দার্জিলিং বাংলার কাশ্মীর হবে! বোঝাই যাচ্ছে কার কী উদ্দেশ্য।
বিশদ

16th  July, 2017
তখনও আমি ‘হিন্দু’ হইনি, দাদু সানদ্দি কিংবা বন্ধু আনিসুরও ‘মুসলমান’ নয়
শংকরদেব গোস্বামী

 আমার শৈশব কেটেছে আমার দাদু সানদ্দি মিঞার কোলে পিঠে। ভাবছেন, আমি গোঁসাই, তো আমার দাদু মিঞা হন কেমন করে? তখনও (১৯৪২-৪৭) হত। দাদুর পরিচয় জানতে চাইলে এখনকার ছেলে হলে হয়তো বলতাম—হাউস কিপার বা বেবি-সিটার বা ওইরকম কিছু। বিশদ

15th  July, 2017
জিএসটি: নয়া ব্যবস্থায় ধৈর্যের অভাবই প্রকট
নিমাই দে

 কয়েকদিন আগে একটি সংবাদপত্রে জিএসটি সংক্রান্ত লেখায় এক ব্যবসায়ীর ইন্টারভিউ পড়ছিলাম। ওই ব্যক্তি লোহা উৎপাদন সংক্রান্ত ব্যাবসা করেন। নতুন করে প্ল্যাস্টিকের পণ্য রিসাইক্লিং এবং ট্রেডিং ব্যাবসায় নেমেছেন। তিনি কী বলছেন, শোনা যাক। তাঁর কথায়, আমাকে আর এক্সাইজ রিটার্ন, ভ্যাট রিটার্ন বা সার্ভিস ট্যাক্স আলাদা করে প্রতি মাসে জমা দিতে হয় না।
বিশদ

14th  July, 2017



একনজরে
 নয়াদিল্লি, ২০ জুলাই: ভারত, ভুটান ও চীনের মধ্যবর্তী ভূখণ্ড নিয়ে তৈরি হওয়া অচলাবস্থার সমাধানে কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা এখনও ‘অধরা’ই রয়ে গিয়েছে। তবে, ডোকলাম থেকে ভারত সেনা না সরালে তা সম্ভব নয়। বৃহস্পতিবার ফের এমনটাই জানিয়েছে চীন। পাশাপাশি, ডোকলামের পরিস্থিতির জন্য ...

 সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: নিষিদ্ধ প্ল্যাস্টিক ক্যারিব্যাগের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় বাধার মুখে না পড়লেও বৃহস্পতিবার ফুটপাত জবরদখলমুক্ত অভিযানের প্রথম দিনেই ব্যবসায়ী ও হকারদের বাধার মুখে পড়ল আলিপুরদুয়ার পুরসভা। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামে যাদবপুর থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার তাঁর কুশপুতুল পোড়াল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন। ...

 সিডনি, ২০ জুলাই (এএফপি): একেই বোধহয় বলে ‘সমুদ্রমন্থন’! বিমানের সন্ধান করতে গিয়ে হদিশ মিলল সমুদ্রগর্ভের গুপ্ত ভাণ্ডারের! যা সমুদ্রবিজ্ঞানের বহু অজানা তথ্যকে সামনে নিয়ে আসবে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যাবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

• ১৯৩০ – গীতিকার আনন্দ বক্সির জন্ম
• ১৯৩৪ – ক্রিকেটার চাঁদু বোরদের জন্ম
• ১৯৯৩- কলকাতার রাজপথে আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫০ টাকা ৬৫.১৮ টাকা
পাউন্ড ৮২.৩৯ টাকা ৮৫.২২ টাকা
ইউরো ৭২.৮৭ টাকা ৭৫.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৮,৬৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,২১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৬২৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ শ্রাবণ, ২১ জুলাই, শুক্রবার, ত্রয়োদশী রাত্রি ৯/৫০, মৃগশিরানক্ষত্র দিবা ২/৫৩, সূ উ ৫/৭/৭, অ ৬/১৮/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ পুনঃ ৭/৪৫-১০/২৪ পুনঃ ১/২-২/৪৮ পুনঃ ৪/৩৩-অস্তাবধি, বারবেলা ৮/২৫-১১/৪৩, কালরাত্রি ৯/১-১০/২২।
৪ শ্রাবণ, ২১ জুলাই, শুক্রবার, ত্রয়োদশী রাত্রি ৮/২৯/৫০, মৃগশিরানক্ষত্র ২/৯/৫০, সূ উ ৫/৪/১৪, অ ৬/২০/২১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০/২৩, ৭/৪৩/২৭-১০/২২/৪১, ১/১৫৪-২/৪৮/৩, ৪/৩৪/১২-৬/২০/২১ রাত্রি ৭/৪৬/১২-৯/১২/৩, ২/৫৫/২৭-৩/৩৮/২৩ , বারবেলা ৮/২৩/১৬-১০/২/৪৭, কালবেলা ১০/২/৪৭-১১/৪২/১৮, কালরাত্রি ৯/১/১৯-১০/২১/৪৮।
২৬ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 আমি কংগ্রেস ছাড়লেও বিজেপি দলে যোগ দেব না: শঙ্কর সিং বাঘেলা

03:42:46 PM

 হাওড়ায় বন্ধ লঞ্চ চলাচল

 প্রবল ভিড়ের চাপ সামলাতে না পেরে হাওড়ায় বন্ধ লঞ্চ চলাচল

03:20:08 PM

পুরুলিয়ায় ৪ বছরের শিশুকে আছাড় মেরে খুনের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে 
পুরুলিয়ার আদ্রায় চার বছরের শিশুকে আছাড় মেরে খুনের অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ঘটনাটি ঘটে আদ্রার বহর গ্রামে। মৃত সঞ্জয় শেখের বাবা পলাতক। 

03:12:35 PM

  কোচবিহারের দিনহাটায় রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে পথ অবরোধ
কোচবিহারের দিনহাটা বত্রিগাছ রাস্তা সংস্কারের দাবিতে দিনহাটা ঝুড়ি পাড়া এলাকায় রাস্তা কেটে এবং নেতাজি ব্রিজে গাছ ফেলে সকাল থেকে পথ অবরোধ করে রেখেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

03:12:00 PM

  ঘাটালে ধর্মতলাগামী তৃণমূল কর্মী সমর্থক বোঝাই বাস আটকে দুর্ভোগ
ঘাটালে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ওপর আড়াআড়ি ভাবে আটকে যায়। বাসটিতে তৃণমূলের ধর্মতলায় শহিদ স্মরণে অনুষ্ঠানে যোগদান করার জন্য যাত্রীরা ছিলেন। ঘাটাল-রানিচক রাস্তার ওপর বাসটি আড়াআড়ি ভাবে আটক থাকার ফলে এদিন সকাল থেকে ওই রুটে গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে বহু মানুষ দুর্ভোগে পড়েন। বেলা ১টার সময় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

03:09:00 PM

বক্তব্য শেষ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

02:49:53 PM