বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
উত্তরবঙ্গ
 

শিক্ষাবন্ধু সমিতির আন্দোলনে অচলাবস্থা অব্যাহত এনবিইউতে

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: অস্থায়ী কর্মীদের আন্দোলনের জেরে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিন থেকে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে চরম আর্থিক সঙ্কট দেখা দেওয়ার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থদপ্তর বন্ধ করে অস্থায়ী কর্মীদের লাগাতার আন্দোলন চলায় আটকে যেতে পারে সমস্ত লেনদেন। আজ, বৃহস্পতিবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, প্রশাসনিক কর্তা, অস্থায়ী কর্মী, পাহারাদার, সাফাই কর্মীদের অ্যাকাউন্টে বেতন ঢোকার কথা। কিন্তু, আন্দোলনের জেরে স্থগিত সমস্ত লেনদেন। পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকাও দিতে পারবে না অর্থদপ্তর। বুধবার অর্থদপ্তরের তরফে সমস্ত ধরনের লেনদেনের কাজ মিটিয়ে নেওয়ার কথা থাকলেও সেই কাজ করে উঠতে পারেনি অর্থদপ্তরের কর্মীরা। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই অর্থদপ্তরের কাজকর্ম থমকে রয়েছে। 
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার স্বপন রক্ষিত বলেন, মাসের শেষে একাংশ কর্মীর আন্দোলনের জেরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়বে বিশ্ববিদ্যালয়। পেনশন থেকে শুরু করে প্রভিডেন্ট ফান্ড, অধ্যাপক থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্মী কাউকেই বেতন দেওয়া যাবে না। আমি অসুস্থ। তারপরও অফিসে গিয়ে আবেদন জানাব যাতে তাঁরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে নেন। এদিকে, আন্দোলনকারীদের হুমকি, তাঁদের বেতন বৃদ্ধিতে সম্মতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে নোটিস জারি করেছিল তারউপর আচার্য যে স্থগিতাদেশের নির্দেশ দিয়েছেন তা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্দোলন জারি থাকবে। ফলে সারা বাংলা তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির আন্দোলনের জেরে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রসঙ্গত, এ মাসের ১৯ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৫তম কর্মসমিতির বৈঠক ডেকেছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সিএম রবীন্দ্রন। কিন্তু, রাজ্যের অনুমতি না থাকায় কর্মসমিতির সেই বৈঠকে ১৭ জন সদস্যের মধ্যে মাত্র তিনজন হাজির থাকায় বৈঠক বাতিল হয়। তবে অস্থায়ী কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে নিজেদের বেতন বৃদ্ধির দাবি তোলেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাতে সিলমোহরও দেয়। কিন্তু, মঙ্গলবার বিকেলে আচার্যের দপ্তর থেকে তা বাতিল এবং দুই কর্মীর বিরুদ্ধে রাজ্যপালের প্রতিনিধি ধীরাজকুমার ত্রিবেদীকে আটকে রাখার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। 
সংগঠনের মুখপাত্র তন্ময় বাগচি বলেন, রাজ্যপাল যে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন তা প্রত্যাহার করতে হবে। তিনি রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হয়ে একজন রাজবংশী ও একজন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কর্মীর বিরুদ্ধে কারণ ছাড়াই যে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তারজন্য ওঁকে ক্ষমা চাইতে হবে।

29th     February,   2024
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ