Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ রাজরপ্পা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 পর্ব-৩৩
ঝাড়খণ্ডের সিদ্ধপীঠ হল রাজরপ্পা। ছোটনাগপুরের গভীর বনপ্রদেশে এক মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে এই মহাতীর্থের অবস্থান। দেবী এখানে ছিন্নমস্তা।
রাঁচি থেকে ৫০ কিমি দূরে রাষ্ট্রীয় রাজমার্গ। সেখান থেকে ৩০ কিমি দূরে রাজরপ্পা। রাঁচি, হাজারিবাগ, ধানবাদ ও বোকারো থেকে রামগড় পর্যন্ত সারাদিনে অনেক বাস ও ট্যাক্সির যাতায়াত। রামগড় থেকেও রাজরপ্পা যাওয়ার জন্য ঘন ঘন ট্রেকার ও ট্যাক্সি মেলে।
সৌন্দর্যের এই রম্যস্থান দেবী ছিন্নমস্তার কারণে দারুণ মহিমান্বিত। দেবনদ দামোদর ও ভৈরবী দেবনদী এখানে বিপরীত রতিতে এসে মিলেছে দেবী ছিন্নমস্তার চরণবন্দনা করতে। এই রমণীয় সঙ্গমস্থলের নাম ভাণ্ডারদহ।
এবার ছিন্নমস্তা দেবীর কথা বলি। দশমহাবিদ্যার ভয়ঙ্করী রূপের প্রকাশ ছিন্নমস্তায়। এটি হল মহাদেবীর অন্তর্মুখী রূপ। এঁর স্বরূপ অনুধাবন করার শক্তি একমাত্র সাধকের পক্ষেই সম্ভব। ছিন্নশির হয়েও ইনি জীবিত থাকেন। চতুর্দিকে এঁর বসন। অর্থাৎ ইনি দিগবসনা। ইনি বিশ্বপ্রপঞ্চের প্রতীক শ্বেতপদ্মের উপর দণ্ডায়মানা। এঁর নাভিদেশে যোনিচক্রের অধিষ্ঠান। রজো এবং তমোগুণের দুই দেবী তাঁর সখী। অর্ধরাত্রে দেবীর স্বরূপ কল্পনা করে নিষ্ঠার সঙ্গে ছিন্নমস্তার ধ্যান করলে সাধক বা সাধিকা সরস্বতী সিদ্ধ হয়। শত্রুবিজয়, রোগমুক্তি, রাজ্যপ্রাপ্তি এবং দুর্লভ মোক্ষপ্রাপ্তির জন্য ছিন্নমস্তার ধ্যান ও পূজা অত্যন্ত ফলদায়ক।
হিমালয়ের এক অতি উচ্চস্থানে সতী ছিন্নশির হয়ে চিন্তাপূর্ণিতে যে ছিন্নমস্তা রূপ মহাদেবকে দর্শন করিয়েছিলেন সে-কথা আমি অনেক আগের নিবন্ধে বলেছি। এবার এই স্থানে দেবীর আবির্ভাব কী করে হল তা বলি।
সুপ্রাচীনকালে এই স্থান মিথিলাক্ষেত্র নামে পরিচিত ছিল। কিন্তু এই স্থান রাজরপ্পা হওয়ার নেপথ্যেও এক কাহিনী আছে।
বহুকাল পূর্বে ছোটনাগপুরে রজ নামে এক প্রতাপশালী রাজা রাজত্ব করতেন। তাঁর রানির নাম রূপমা। রাজা তাঁকে রপ্পা বলে ডাকতেন। এঁরা ছিলেন নিঃসন্তান। একবার এক পূর্ণিমা তিথিতে রাজা রজ তাঁর সেপাইদের নিয়ে শিকারে বেরিয়ে এখানকার এই রমণীয় স্থানে এসে পৌঁছলেন। এই নয়নাভিরাম দৃশ্যস্থলে দামোদর ও ভৈরবীর সঙ্গম দেখে মোহিত হলেন রাজা। তখন সন্ধ্যা উত্তীর্ণ হয়েছে। পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় এখানকার প্রকৃতি মায়াময় হলে ভাব-বিভোর হয়ে উঠলেন তিনি। সেপাইদের বললেন, এখানেই ছাউনি ফেলে রাত্রিবাসের ব্যবস্থা করতে।
মধ্যরাতে চন্দ্রমার প্রকাশ যখন আরও প্রকট হয়ে সমস্ত পাহাড় ও জঙ্গলকে ঝলমলিয়ে দিল রাজা তখন এক স্বপ্ন দেখলেন। লাল শাড়ি পরিহিতা তেজোদীপ্তা, মুখমণ্ডলে আশ্চর্য দ্যুতিসম্পন্না এক কন্যা তাঁকে বলছেন, ‘হে রাজন! এতখানি বয়স হয়ে গেল তবুও কোনও সন্তানাদি না হওয়ায় তোমার মনে শান্তি নেই। যদি আমার কথা শোনো তবে অচিরেই তোমার রানি সন্তানসম্ভবা হবে।’
স্বপ্নভঙ্গে শয্যা ত্যাগ করে তাঁবুর বাইরে এলেন রাজা। চারদিক ঘুরে দেখলেন কাউকে কোথাও দেখতে পান কি না। কিন্তু না। কেউ কোথাও নেই। তবুও রাজা সেই ভয়ঙ্কর নির্জনে একা একাই এদিক-সেদিক দেখতে দেখতে চলে এলেন দামোদর ও ভৈরবীর সঙ্গমস্থল ভাণ্ডারদহে। সেখানে আসতেই দেখতে পেলেন জলের ভেতর থেকে এক তেজস্বিনী কন্যা অলৌকিকভাবে প্রকট হলেন। সেই কন্যার পরনে লাল বস্ত্র, গলায় নরমুণ্ডের মালা, এক হাতে শঙ্খ অপর হাতে খড়্গ। কন্যার সারা শরীর থেকে চন্দনের সুবাস ভেসে আসছে। সেই দৃশ্য দেখে রাজা অত্যন্ত ভয় পেয়ে গেলেন। রাজার ভীতিদর্শনে কন্যা বললেন, ‘হে রাজন! আমাকে দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমিই তোমাকে স্বপ্নে দেখা দিয়েছিলাম। আমি প্রচণ্ডচণ্ডিকা দেবী ছিন্নমস্তা। এই রমণীয় তপোবনে প্রাচীনকাল থেকে আমি গুপ্তরূপে অবস্থান করছি। কলিযুগের মানুষ এখনও আমার অবস্থান সম্বন্ধে অবগত নয়। আমার এই রম্যবনে তোমার আগমন তোমারই মনস্কামনা পূর্ণ হবার জন্য হয়েছে। তোমার মনে সন্তান লালসা রয়েছে। আমার বরে আজ থেকে ঠিক এগারো মাস পরে তুমি একটি পুত্রসন্তান লাভ করবে।’
রাজা রজ দূর থেকে জোড় হাতে দেবীকে প্রণাম জানালেন।
দেবী বললেন, ‘হে রাজন! আজকের রাত্রি প্রভাত হলে এই সঙ্গমস্থলের পাশে বনমধ্যে বহু প্রাচীন এবং পরিত্যক্ত আমার একটি মন্দির তুমি দেখতে পাবে। সেই মন্দির মধ্যে একটি শিলাখণ্ডে আমার স্বরূপ আঁকা আছে। তুমি কাল সকালে এই সঙ্গমস্থলে স্নান করে শুদ্ধচিত্ত হয়ে আমার পূজা করবে এবং বলি চড়াবে। শুধু তাই নয়, প্রতিদিন বিধিপূর্বক আমার পূজা-অর্চনার জন্য এক সৎ ব্রাহ্মণকে নিযুক্ত করবে।’ এই বলে দেবী অন্তর্ধান করলেন।
এরপর রাজা সেই বনময় স্থানে একাকী ভ্রমণ করে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে দেবীর পরিত্যক্ত ভগ্নমন্দির দেখতে পেলেন। মন্দিরের অভ্যন্তরে একটি শিলাখণ্ডে অঙ্কিত দেবীর দিব্যরূপও দর্শন করলেন। এরপর স্নান-পূজা অন্তে বলিদান ইত্যাদির দ্বারা দেবীর আদেশ পালন করলেন। এবং পরবর্তীকালে নতুন একটি রম্য মন্দিরও নির্মাণ করালেন।
কথিত আছে, নতুন মন্দিরে রাজা যখন পূজায় বসলেন তখন হঠাৎ কোথা থেকে এক ব্রাহ্মণ পূজারী মন্দিরে প্রবেশ করে বিধিপূর্বক পূজা করাতে লাগলেন রাজাকে। সেই পূজায় দেবী এমনই সন্তুষ্ট হলেন যে, ব্রাহ্মণ ও রাজার মস্তকে ফুল-বেলপাতা নিক্ষেপ করে বললেন, ‘আমি তোমাদের পূজা ও উপাসনায় অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছি। তাই আমার ইচ্ছায় আজ থেকে রাজা রজ ও রানি রপ্পার নামানুসারে এই স্থানের নাম হবে রাজরপ্পা।’
দেবীর আদেশ মান্য করা হল। রাজ-আজ্ঞায় সেই ব্রাহ্মণই এরপর থেকে দেবীর সেবা-পূজা চালিয়ে যেতে লাগলেন।
এর বহুকাল পরে রামগড়ের রাজাকে দেবী ছিন্নমস্তা স্বপ্নাদেশ দিয়ে বললেন, ‘আমার সেবাপূজার জন্য এখানকার বংশজ ব্রাহ্মণ নয়, কলকাতার কালীঘাট থেকে বাঙালি ব্রাহ্মণ নিয়ে এসে পূজা করাও। কেন না বাঙালি ব্রাহ্মণরা শক্তির উপাসক হয়।’
দেবীর আদেশ মতো কালীঘাট থেকে বাঙালি ব্রাহ্মণরা এসে ছিন্নমস্তার পূজা করতে লাগলেন। স্থানটি এখনও অতি মনোরম। আমি সময় পেলেই শনি ও মঙ্গলবার দেখে সেখানে যাই। নবাগত যাত্রীদের অনুরোধ, বর্ষার সময়টা বাদ দিয়ে গেলে শুধু দেবী দর্শন নয়, ভৈরবী ও দামোদরের বিপরীত রতিতে মিলনদৃশ্য দেখে মন মোহিত হয়ে যাবে। অন্যসময় জলপ্লাবনে তা সম্ভব নয়।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল
27th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে।  
বিশদ

03rd  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩৪

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। জমে উঠল বন্দ্যোপাধ্যায় দম্পতির সুখের সংসার। আর সেই দৃশ্য দেখে বিধাতা বোধহয় একটু মুচকি হেসেছিলেন, হয়তো মনে মনে বলেছিলেন, বিভূতিভূষণ, সুখ নয় , তোমাকে আমি পৃথিবীতে পাঠিয়েছি সৃষ্টি করার জন্য, সুখভোগের অধিকারী তুমি নও!  
বিশদ

03rd  November, 2019
পরম্পরা
বিনতা রায়চৌধুরী 

প্রাণগোপাল সরকার জমিদার না হলেও গ্রামের একজন অত্যন্ত সম্পন্ন গৃহস্থ। বিঘের পর বিঘে জমিতে তাঁর ধান চাষ হয়। ধান-চালের ব্যবসায়ে প্রাণগোপাল সবদিক থেকেই সার্থক। তারসঙ্গে সে সৎ-ও। তাঁর অধীনস্থ কোনও কর্মচারীকে সে ঠকায় না।  
বিশদ

03rd  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 কিন্তু সুখ দীর্ঘস্থায়ী নয়। পঞ্চাননবাবু মারা যাওয়ার আগে জাহ্নবীদেবী এক কন্যা সন্তানের মাতা হন। কিন্তু পিতার অকাল মৃত্যুর দায় বহন করতে হয়েছিল সদ্যোজাত সেই কন্যা সন্তানকে। তাকে চট পেতে শুইয়ে রাখা হতো বাড়ির বাইরের নারকেল গাছের তলায়। স্বভাব কবি বিভূতিভূষণকে নাড়িয়ে দিয়েছিল এই দৃশ্য। বিশদ

27th  October, 2019
ঝাঁপ
পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাবলু তিনতলার ছাদ থেকে দূরের চার্চের ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে আছে। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে চলেছে। সেকেন্ডের কাঁটা ঘুরে ঘুরে বারোটার কাছে যাচ্ছে। আর কয়েকটা মুহূর্ত। তারপর-ই বাবলু ঝাঁপ দেবে। নিজেকে ছিন্নভিন্ন করে শেষ করে দেবে। এখন ছাদের এক কোণায় এসে ও দাঁড়িয়েছে। এখানটাতে রেলিং নেই।
বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 নদীর বালুচরে পথ চলতে চলতে হঠাৎই একটি বালি সংগ্রহকারী লরি এসে পড়ায় আমরা তারই সাহায্যে এগিয়ে গেলাম অনেকটা পথ। এইভাবে বিশেষ একটি জায়গায় যাওয়ার পর যেখানে লরি থেকে নামলাম সেখান থেকে একই নদী-কাঠের গুঁড়ির সাঁকোয় কতবার যে পার হলাম তার ঠিক নেই। বিশদ

20th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 এই দাম্পত্য জীবন কিন্তু মোটেই দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ঠিক ষোলো মাসের মাথায় পুজোর পর পরই একই দিনে আগে মা কামিনী দেবী এবং তার কিছুক্ষণ পরেই চলে গেলেন মেয়ে গৌরী দেবী। মহামারীর আকারে সেবার বাংলায় প্রবেশ করেছিল ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো এক জ্বর। সেই জ্বরে কিছুক্ষণের তফাতে একই পরিবার থেকে অকালে ঝরে গেল দুটি প্রাণ। বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মণিকূটের বিগ্রহ, পর্ব-৩১
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

তিব্বতের লোহিত সরোবর থেকে বয়ে আসা সাংমা (ব্রহ্মপুত্র) নদের তীরে পাহাড় নদী ও নানা দেব-দেবীর মন্দিরে ভরা এক অন্য তীর্থভূমির কথা এবার বলব। তার কারণ স্থানটি গুয়াহাটি শহর থেকে মাত্র ৩২ কিমি দূরে— হাজো। এটি হল নানা ধর্মসমন্বয়ের ক্ষেত্র। অনেকেই কিন্তু এই স্থানটির সম্বন্ধে পরিচিত নন। 
বিশদ

13th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩১

‘মরণ রে,
তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান ।
মেঘবরণ তুঝ, মেঘজটাজুট,
রক্ত কমলকর, রক্ত অধরপুট, 
তাপবিমোচন করুণ কোর তব বিশদ

13th  October, 2019
সাত বছরের ফাঁদে
ভগীরথ মিশ্র 

ভর-দুপুরে সদর বাজার দিয়ে হাঁটছিল শুখা।
পান্তু নাগের গোপন ডেরায় যাচ্ছে সে। কেন জানি, খুব জরুরি তলব দিয়েছে পান্তু।
এলাকার মুকুটহীন-সম্রাট রামতনু শিকদারের বাঁ হাত হল পান্তু নাগ। মানুষজন জলশৌচ জাতীয় যাবতীয় নোংরা-ঘাঁটা কাজগুলো তো বাঁ হাত দিয়েই করে। সেই হিসেবে পান্তু রামতনুর বাঁ হাতই।  
বিশদ

13th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

সুকুমার রায়। শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে ‘ননসেন্স রাইম’-এর প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর পুত্র।  বিশদ

29th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

একান্ন মহাপীঠের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাপীঠ হল কামাখ্যা। এই মহাতীর্থে সতীর মহামুদ্রা অর্থাৎ যোনিদেশ পতিত হয়েছিল। দেবীর গুপ্ত অঙ্গ পতিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, পর্বতটি নীলবর্ণ ধারণ করে এবং শত যোজন উচ্চ পর্বত ক্রমশ ভূগর্ভে নেমে যেতে থাকে।   বিশদ

29th  September, 2019
ম্যাজিক
ধ্রুব মুখোপাধ্যায় 

নম্বরগুলো মেলানোর পর যে আনন্দটা হয়েছিল, বিশ্বাস করুন, আমি জীবনে অতটা খুশি কোনওদিনও হয়নি। ‘পঞ্চাশ হাজার’ -না, এমনটা নয় যে আমি কোনওদিনও ভাবিনি। আসলে আমি বিগত কুড়ি বছর ধরে এটাই ভেবে এসেছি। আজকে ভাবনাটা সত্যি হল।
বিশদ

22nd  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
চন্দ্রগুট্টির দেবী গুত্তেভারা, পর্ব-২৯
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সেবার কোলহাপুর থেকে সৌন্দত্তি গিয়েছিলাম দেবদাসী তীর্থের ইয়েলাম্মাকে দেখতে। ঠিক তার পরের বছরই ওই একই তিথিতে অর্থাৎ মাঘী পূর্ণিমায় কর্ণাটকেরই আর এক দেবী চন্দ্রগুট্টির গুত্তেভারা দেবীকে দর্শন করতে গেলাম। কিন্তু কেন এত জায়গা থাকতে এই সুদূর দেবীতীর্থে আসা? কারণটা বলছি। 
বিশদ

22nd  September, 2019
একনজরে
 বিএনএ, বারাকপুর: বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের গড় ভাটপাড়া পুরসভার আরও পাঁচ বিজেপি কাউন্সিলার তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে রাখলেন। তাঁরা যে কোনও দিন ঘরে ফিরতে পারেন ...

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: আগামী ২২ থেকে ২৬ নভেম্বর কলকাতায় হবে টাটা স্টিল র‌্যাপিড - ব্লিৎজ টুর্নামেন্ট। এই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের প্রথম ১৫ জন গ্র্যান্ডমাস্টারের মধ্যে দশজন যোগ ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদতা, আলিপুরদুয়ার: ২০২১ সালে বিধানসভা ভোট। তার আগেই রয়েছে আলিপুরদুয়ার পুরসভার ভোট। এই জোড়া নির্বাচনকে পাখির চোখ করে জেলায় বন্ধ চা বাগানের ইস্যুকে হাতিয়ার করে তেড়েফুঁড়ে ময়দানে নেমে পড়েছে গেরুয়া বাহিনী। অন্যদিকে বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল শিবিরে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

ব্যবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬২- সঙ্গীত জগতের কিংবদন্তি পুরুষ ওস্তাদ আলাউদিন খাঁর জন্ম।
১৮৯৫- জার্মান পর্দাথবিদ উইলিয়াম কনরাড রঞ্জন এক্স রে আবিষ্কার করেন।
১৯১০ - ওয়াশিংটনের নির্বাচনে প্রথম কোনও মহিলা ভোট দেন।
১৯২৭- রাজনীতিক লালকৃষ্ণ আদবানির জন্ম
১৯৩৬ - প্রখ্যাত হিন্দী কথাসাহিত্যিক মুনশি প্রেমচাঁদের মৃত্যু
১৯৪৭ – সঙ্গীতশিল্পী ঊষা উত্থুপের জন্ম
১৯৭৬ - ক্রিকেটার ব্রেট লি’র জন্ম
২০১৭ – ভারতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হয়





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪৮ টাকা ৭২.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.১২ টাকা ৯৩.৪৫ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৪ টাকা ৮০.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৬/৩০ দিবা ১২/২৫। পূর্বভাদ্রপদ ১৫/৫৯ দিবা ১২/১২। সূ উ ৫/৪৮/২৭, অ ৪/৫২/২১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে। 
২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৫/৫৮/১৯ দিবা ১২/১২/৪৩। পূর্বভাদ্রপদ ১৭/৫৮/২৫ দিবা ১/০/৪৫, সূ উ ৫/৪৯/২৩, অ ৪/৫৩/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৪ মধ্যে ও ৭/২৭ গতে ৯/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৫ গতে ২/৩৭ মধ্যে ও ৩/২০ গতে ৪/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৩৯ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে ও ৪/১৫ গতে ৫/৫০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৫/২১ গতে ৯/৫৮/২০ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৮/২০ গতে ১১/২১/১৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৭/১৬ গতে ৯/৪৪/১৭ মধ্যে। 
১০ রবিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামীকাল অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা করবে সুপ্রিম কোর্ট

09:17:50 PM

এবার হকি বিশ্বকাপ ভারতে
২০২৩ সালে পুরুষদের এফআইএইচ হকি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে ভারত। ...বিশদ

05:08:38 PM

পদত্যাগ করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী
 মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সরকার গড়ার ...বিশদ

05:01:39 PM

আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হল এবছরের আন্তর্জাতিক কলকাতা ফিল্ম উৎসবের

05:01:00 PM

বর্ধমান স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে জখম বহু
বর্ধমান স্টেশনে ৪ ও ৫ নম্বর প্লাটফর্মের মাঝে ফুটওভারব্রিজে ওঠানামা ...বিশদ

04:54:00 PM

গান্ধী পরিবারের এসপিজি নিরাপত্তা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের: সূত্র 

03:53:10 PM