Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

একান্ন মহাপীঠের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাপীঠ হল কামাখ্যা। এই মহাতীর্থে সতীর মহামুদ্রা অর্থাৎ যোনিদেশ পতিত হয়েছিল। দেবীর গুপ্ত অঙ্গ পতিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, পর্বতটি নীলবর্ণ ধারণ করে এবং শত যোজন উচ্চ পর্বত ক্রমশ ভূগর্ভে নেমে যেতে থাকে। দেবাদিদেব মহাদেব তখন উমানন্দ ভৈরব নাম ধারণ করে পর্বতকে নিজশক্তিতে ধরে রাখেন বলে পর্বত আর নামতে পারে না। সতী অঙ্গ এরপর কঠিন শিলারূপ ধারণ করে এবং দেবী মহামায়াও এই পর্বতে ক্রমশ যোগনিদ্রায় বিলীন হতে থাকেন। পর্বত নীল হওয়ার কারণে এর নাম হয় নীলপর্বত। দেবী কামাখ্যারও নাম হয় নীলপার্বতী। পর্বতের যে স্থানে দেবীর অঙ্গ পতিত হয় সেই স্থানের নাম হয় কুজ্জিকাপীঠ।
আমার পনেরো বছর বয়সের সময় মা-বাবার সঙ্গে প্রথম এসেছিলাম কামাখ্যা-তীর্থে। সালটা হবে ১৯৫৬। তখন কামাখ্যায় যাওয়া সহজসাধ্য ছিল না। প্রথমে সাহেবগঞ্জ হয়ে সকরিগলি ঘাট। তারপর দীর্ঘক্ষণ ধরে গঙ্গা পার হয়ে ওপারে মণিহারি ঘাটে। সেখান থেকে আবার ট্রেনে আমিনগাঁও। পরে আবার ব্রহ্মপুত্র পার হয়ে পাণ্ডুঘাট। সেখান থেকে ট্রেনে অথবা বাসে গৌহাটি (গুয়াহাটি)। এরপর কামাখ্যা, ওই কামাখ্যাতে আমরা কয়েকদিন ছিলাম এবং কামাখ্যা থেকে ঘুরে এসে দেবীর কৃপায় কামাখ্যা ভ্রমণ লিখে আমি লেখকজীবন শুরু করি। এখন এই পথের মহাপ্রস্থান হয়েছে। কামাখ্যা তীর্থযাত্রীদের জন্য হাওড়া থেকে সরাইঘাট এক্সপ্রেসই এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্রেন। এছাড়াও ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রেন আসে গুয়াহাটিতে। এই মহাতীর্থে অজস্র ধর্মশালা, লজ, পাণ্ডার বাড়ি ইত্যাদি হয়েছে।
আমার কিশোর বয়সে যা ছিল না, এখন তাই হয়েছে। তখন হেঁটে উঠতে হতো পাহাড়ে। এখন বাস, মোটর, অটো, ট্রেকার সবেরই ব্যবস্থা হয়েছে। মন্দিরে দর্শনার্থীদের ভিড়ও এখন অনেক। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয় তাই। কম ভিড়ের জন্য একশো টাকা ও পাঁচশো টাকার লাইনও আছে। এখন গেলে ওইভাবেই দর্শন করতে হয়। তবে জাগ্রতা দেবীর আশীর্বাদেই আমি শুধু নয় অনেকেই ধন্য।
কামাখ্যা দর্শনের পর একটু উচ্চস্থানে নীলপর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গে হল ভুবনেশ্বরী পীঠ। কামাখ্যা মন্দির ছাড়া এই পর্বতের বিভিন্ন অংশে দশমহাবিদ্যার যেসব মন্দির আছে তার মধ্যে মহাগৌরী ভুবনেশ্বরীরই প্রাধান্য বেশি। এখান থেকে ব্রহ্মপুত্র ও পিকক আইল্যান্ডে উমানন্দ ভৈরবের দৃশ্য ভারী সুন্দর দেখায়। কামাখ্যা দর্শনার্থীদের প্রত্যেকেরই উচিত উমানন্দ ভৈরবকে দর্শন করা।
ভুবনেশ্বরী পীঠ হল আর এক জাগ্রত পীঠ। এখানে জপতপাদি ক্রিয়াকর্ম করলে স্থানমাহাত্ম্যে অপ্রত্যাশিত ফললাভ হয়। তন্ত্রসাধকদের মতে তন্ত্রসাধনার এর চেয়ে উপযুক্ত স্থান আর নেই। শুধু কামাখ্যা মন্দির বা ভুবনেশ্বরী নয় কামরূপ জেলার সর্বত্র তন্ত্রসাধনা যথেষ্ট ফলপ্রদ। আগে এই কামরূপ প্রদেশ চারভাগে বিভক্ত ছিল। যেমন কামপীঠ, রত্নপীঠ, স্বর্ণপীঠ বা ভদ্রপীঠ ও সৌমার পীঠ। দেবী কামাখ্যা যেখানে বিরাজ করছেন সেই স্থান হল কামপীঠ।
কামরূপের দেবী কামাখ্যা দশমহাবিদ্যার এক মহাবিদ্যা। মহামায়ার বিভূতির অন্তর্গত ষোড়শী দেবী নামেই পূজিতা ইনি। মাতঙ্গী এখানে দেবী সরস্বতী। আর কমলা হলেন লক্ষ্মী। এখানে কামাখ্যা ও কামেশ্বর মন্দিরের মধ্যস্থলে আছেন দেবী কালিকা। ইনি দীর্ঘেশ্বরী নামে পূজিতা। কামাখ্যা এবং কালী মন্দিরের মধ্যস্থলে তারা দেবীর অবস্থান। ইনি এখানে উগ্রতারা। ভুবনেশ্বরীর কথা তো আগেই বলেছি। এবার ভৈরবীর কথা বলি। কামাখ্যা মন্দিরের দক্ষিণ দিকে একটু নিম্নস্থানে ভৈরবী দেবীর মন্দির। এই দেবী ত্রিঅঙ্গে বিভক্ত। উত্তরাঙ্গ হর, পশ্চিমাঙ্গ হেরুক ও দক্ষিণাঙ্গ ত্রিপুর ভৈরবী। এখানকার কুণ্ডটির নাম ভৈরবীকুণ্ড। অসংখ্য কচ্ছপে পরিপূর্ণ। কামাখ্যা মন্দিরের দক্ষিণে দেবী ছিন্নমস্তা গুপ্তদুর্গা নামে বিরাজিতা। অগ্নিকোণে আছেন বগলা। এর দক্ষিণ প্রান্তেই ধূমবতীর পীঠ। ইনি কষ্মাণ্ডী নামে প্রসিদ্ধা। এই পীঠকে বলা হয় কোটেশ্বরী পীঠ। দশমহাবিদ্যা দর্শনের পর মহাদেবের পঞ্চপীঠও দর্শন করতে হয়। তবে এই দর্শনে একজন পাণ্ডা অথবা স্থানীয় কাউকে সঙ্গে নিলে দর্শন সহজসাধ্য হয়।
কামাখ্যা মন্দিরে সবচেয়ে দর্শনীয় যা তা হল সৌভাগ্যকুণ্ড। মন্দির এলাকার মধ্যেই উত্তরদিকে এই সৌভাগ্যকুণ্ড। ইন্দ্রাদি দেবগণ এখানেই কুণ্ড খনন করে নরকাসুর বধের জন্য তপ ও জলতর্পণ করেন। দ্বারভাঙার মহারাজ ইটের প্রাচীর দিয়ে এই কুণ্ডটিকে দু’ভাগ করেছেন। একদিকের জল সাধারণের ব্যবহারের জন্য অপরদিকের কুণ্ডসলিলে মহামায়ার নিত্যস্নান ও ভোগপূজাদি হয়।
কামাখ্যা মন্দির দর্শনের পর তন্ত্র সাধনার মূল পীঠস্থান প্রাগ্‌঩জ্যোতিষপুরেও যাওয়া যেতে পারে। সুপ্রাচীনকালে পিতামহ ব্রহ্মা এখানে বসে নক্ষত্রাদি জগতের সৃষ্টিকার্য আরম্ভ করেছিলেন তাই এর নাম প্রাগ্‌঩জ্যোতিষপুর। নরকাসুর ও তাঁর পুত্র ভগদত্ত এই প্রাগ্‌঩জ্যোতিষপুরেই রাজত্ব করতেন। ভগদত্তের কন্যা ভানুমতীকে মহাভারতের দুর্যোধন বিবাহ করেছিলেন। যেখানে নরকাসুরের রাজ্যপাট ছিল সেটি গুয়াহাটি শহর থেকে তিন কিমি দূরে চিত্রাচলে। সেখানে নবগ্রহের অধিষ্ঠান আছে। এখনও প্রবলভাবে জ্যোতিষচর্চা হয় সেখানে।
গুয়াহাটি শহর থেকে ১২ কিমি দূরে বশিষ্ঠ আশ্রম না দেখলে মন ভরবে না। স্টেশনের কাছ থেকেই ঘন ঘন বাস ছাড়ে বশিষ্ঠ আশ্রমের।
বশিষ্ঠ আশ্রমের অবস্থান সন্ধ্যাচল পর্বতে। কী দারুণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সেখানকার। দলে দলে যাত্রীরা আসেন এখানে পুজো দিতে। একটি বড় গুহাকে ঘিরে মন্দির। অন্ধকার গুহায় দুটি বড় বড় শিলাখণ্ডই বশিষ্ঠমুনির স্মৃতি বহন করছে। এখানে বসেই মুনি তপস্যা করতেন। গুহামন্দিরের পাশে উচ্চ পর্বতের ঘন বনভূমির মধ্য দিয়ে সন্ধ্যা, ললিতা ও কান্তা নামে তিনটি ঝর্ণা নেমে এসে বশিষ্ঠ গঙ্গা নাম নিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কালিকাপুরাণে আছে— ব্রহ্মার মানসপুত্র বশিষ্ঠদেব একবার নিমি রাজার অভিশাপে দেহহীন হন। রাজর্ষি নিমিও তখন দেহহীন হন বশিষ্ঠের শাপে। যাই হোক, বশিষ্ঠদের দেহ ফিরে পাওয়ার জন্য ব্রহ্মার শরণাপন্ন হন। ব্রহ্মা বশিষ্ঠকে উপদেশ দেন কামরূপের সন্ধ্যাচল পর্বতে বসে বিষ্ণুর তপস্যা করতে। বশিষ্ঠদেব তাই করেন। বিষ্ণুও প্রসন্ন হন। বশিষ্ঠের তপোপ্রভাবে এবং বিষ্ণুর বরে সন্ধ্যাচল পর্বতে সন্ধ্যা, ললিতা ও কান্তা নামে তিনটি ঝর্ণা উদ্‌গম হয় এবং সেই ঝর্ণা ধারাতেই আবির্ভূতা হন মা গঙ্গা। তাই এর নাম হল বশিষ্ঠগঙ্গা। বশিষ্ঠদেব প্রতিদিন এই ত্রিধারা সঙ্গমে স্নান, পান, সন্ধ্যা ও তর্পণ করে পূর্বশরীর প্রাপ্ত হন।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
29th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে।  
বিশদ

03rd  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩৪

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। জমে উঠল বন্দ্যোপাধ্যায় দম্পতির সুখের সংসার। আর সেই দৃশ্য দেখে বিধাতা বোধহয় একটু মুচকি হেসেছিলেন, হয়তো মনে মনে বলেছিলেন, বিভূতিভূষণ, সুখ নয় , তোমাকে আমি পৃথিবীতে পাঠিয়েছি সৃষ্টি করার জন্য, সুখভোগের অধিকারী তুমি নও!  
বিশদ

03rd  November, 2019
পরম্পরা
বিনতা রায়চৌধুরী 

প্রাণগোপাল সরকার জমিদার না হলেও গ্রামের একজন অত্যন্ত সম্পন্ন গৃহস্থ। বিঘের পর বিঘে জমিতে তাঁর ধান চাষ হয়। ধান-চালের ব্যবসায়ে প্রাণগোপাল সবদিক থেকেই সার্থক। তারসঙ্গে সে সৎ-ও। তাঁর অধীনস্থ কোনও কর্মচারীকে সে ঠকায় না।  
বিশদ

03rd  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ রাজরপ্পা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 এবার ছিন্নমস্তা দেবীর কথা বলি। দশমহাবিদ্যার ভয়ঙ্করী রূপের প্রকাশ ছিন্নমস্তায়। এটি হল মহাদেবীর অন্তর্মুখী রূপ। এঁর স্বরূপ অনুধাবন করার শক্তি একমাত্র সাধকের পক্ষেই সম্ভব। ছিন্নশির হয়েও ইনি জীবিত থাকেন। চতুর্দিকে এঁর বসন। অর্থাৎ ইনি দিগবসনা। বিশদ

27th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 কিন্তু সুখ দীর্ঘস্থায়ী নয়। পঞ্চাননবাবু মারা যাওয়ার আগে জাহ্নবীদেবী এক কন্যা সন্তানের মাতা হন। কিন্তু পিতার অকাল মৃত্যুর দায় বহন করতে হয়েছিল সদ্যোজাত সেই কন্যা সন্তানকে। তাকে চট পেতে শুইয়ে রাখা হতো বাড়ির বাইরের নারকেল গাছের তলায়। স্বভাব কবি বিভূতিভূষণকে নাড়িয়ে দিয়েছিল এই দৃশ্য। বিশদ

27th  October, 2019
ঝাঁপ
পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাবলু তিনতলার ছাদ থেকে দূরের চার্চের ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে আছে। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে চলেছে। সেকেন্ডের কাঁটা ঘুরে ঘুরে বারোটার কাছে যাচ্ছে। আর কয়েকটা মুহূর্ত। তারপর-ই বাবলু ঝাঁপ দেবে। নিজেকে ছিন্নভিন্ন করে শেষ করে দেবে। এখন ছাদের এক কোণায় এসে ও দাঁড়িয়েছে। এখানটাতে রেলিং নেই।
বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 নদীর বালুচরে পথ চলতে চলতে হঠাৎই একটি বালি সংগ্রহকারী লরি এসে পড়ায় আমরা তারই সাহায্যে এগিয়ে গেলাম অনেকটা পথ। এইভাবে বিশেষ একটি জায়গায় যাওয়ার পর যেখানে লরি থেকে নামলাম সেখান থেকে একই নদী-কাঠের গুঁড়ির সাঁকোয় কতবার যে পার হলাম তার ঠিক নেই। বিশদ

20th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 এই দাম্পত্য জীবন কিন্তু মোটেই দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ঠিক ষোলো মাসের মাথায় পুজোর পর পরই একই দিনে আগে মা কামিনী দেবী এবং তার কিছুক্ষণ পরেই চলে গেলেন মেয়ে গৌরী দেবী। মহামারীর আকারে সেবার বাংলায় প্রবেশ করেছিল ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো এক জ্বর। সেই জ্বরে কিছুক্ষণের তফাতে একই পরিবার থেকে অকালে ঝরে গেল দুটি প্রাণ। বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মণিকূটের বিগ্রহ, পর্ব-৩১
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

তিব্বতের লোহিত সরোবর থেকে বয়ে আসা সাংমা (ব্রহ্মপুত্র) নদের তীরে পাহাড় নদী ও নানা দেব-দেবীর মন্দিরে ভরা এক অন্য তীর্থভূমির কথা এবার বলব। তার কারণ স্থানটি গুয়াহাটি শহর থেকে মাত্র ৩২ কিমি দূরে— হাজো। এটি হল নানা ধর্মসমন্বয়ের ক্ষেত্র। অনেকেই কিন্তু এই স্থানটির সম্বন্ধে পরিচিত নন। 
বিশদ

13th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩১

‘মরণ রে,
তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান ।
মেঘবরণ তুঝ, মেঘজটাজুট,
রক্ত কমলকর, রক্ত অধরপুট, 
তাপবিমোচন করুণ কোর তব বিশদ

13th  October, 2019
সাত বছরের ফাঁদে
ভগীরথ মিশ্র 

ভর-দুপুরে সদর বাজার দিয়ে হাঁটছিল শুখা।
পান্তু নাগের গোপন ডেরায় যাচ্ছে সে। কেন জানি, খুব জরুরি তলব দিয়েছে পান্তু।
এলাকার মুকুটহীন-সম্রাট রামতনু শিকদারের বাঁ হাত হল পান্তু নাগ। মানুষজন জলশৌচ জাতীয় যাবতীয় নোংরা-ঘাঁটা কাজগুলো তো বাঁ হাত দিয়েই করে। সেই হিসেবে পান্তু রামতনুর বাঁ হাতই।  
বিশদ

13th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

সুকুমার রায়। শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে ‘ননসেন্স রাইম’-এর প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর পুত্র।  বিশদ

29th  September, 2019
ম্যাজিক
ধ্রুব মুখোপাধ্যায় 

নম্বরগুলো মেলানোর পর যে আনন্দটা হয়েছিল, বিশ্বাস করুন, আমি জীবনে অতটা খুশি কোনওদিনও হয়নি। ‘পঞ্চাশ হাজার’ -না, এমনটা নয় যে আমি কোনওদিনও ভাবিনি। আসলে আমি বিগত কুড়ি বছর ধরে এটাই ভেবে এসেছি। আজকে ভাবনাটা সত্যি হল।
বিশদ

22nd  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
চন্দ্রগুট্টির দেবী গুত্তেভারা, পর্ব-২৯
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সেবার কোলহাপুর থেকে সৌন্দত্তি গিয়েছিলাম দেবদাসী তীর্থের ইয়েলাম্মাকে দেখতে। ঠিক তার পরের বছরই ওই একই তিথিতে অর্থাৎ মাঘী পূর্ণিমায় কর্ণাটকেরই আর এক দেবী চন্দ্রগুট্টির গুত্তেভারা দেবীকে দর্শন করতে গেলাম। কিন্তু কেন এত জায়গা থাকতে এই সুদূর দেবীতীর্থে আসা? কারণটা বলছি। 
বিশদ

22nd  September, 2019
একনজরে
রাঁচি, ৭ নভেম্বর (পিটিআই): ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতে এক মহিলার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবারের দাবি, না খেতে পেয়ে তিনি মারা গিয়েছেন। যদিও রাজ্য প্রশাসনের তরফে অনাহারে মৃত্যুর ...

 ইস্তানবুল, ৭ নভেম্বর (এএফপি): ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিগোষ্ঠীর অনেক ‘হাঁড়ির খবর’ ফাঁস করে দিয়েছে নিহত জঙ্গিনেতা আবু বকর আল বাগদাদির স্ত্রী রানিয়া মাহমুদ। এমনটাই দাবি ...

 বিএনএ, বারাকপুর: বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের গড় ভাটপাড়া পুরসভার আরও পাঁচ বিজেপি কাউন্সিলার তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে রাখলেন। তাঁরা যে কোনও দিন ঘরে ফিরতে পারেন ...

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: রাস উৎসবকে সামনে রেখে নবদ্বীপে ফেরিঘাটগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হল। রাসের দিনগুলিতে ফেরিঘাট দিয়ে কয়েক লক্ষ মানুষের আনাগোনা লেগে থাকে। ফলে তাদের পারাপার ও নিরাপত্তা নিয়ে নবদ্বীপের ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগী হয়েছেন। পাশাপাশি নবদ্বীপ পুরসভা ও ব্লক প্রশাসনও এনিয়ে তৎপর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬২- সঙ্গীত জগতের কিংবদন্তি পুরুষ ওস্তাদ আলাউদিন খাঁর জন্ম।
১৮৯৫- জার্মান পর্দাথবিদ উইলিয়াম কনরাড রঞ্জন এক্স রে আবিষ্কার করেন।
১৯১০ - ওয়াশিংটনের নির্বাচনে প্রথম কোনও মহিলা ভোট দেন।
১৯২৭- রাজনীতিক লালকৃষ্ণ আদবানির জন্ম
১৯৩৬ - প্রখ্যাত হিন্দী কথাসাহিত্যিক মুনশি প্রেমচাঁদের মৃত্যু
১৯৪৭ – সঙ্গীতশিল্পী ঊষা উত্থুপের জন্ম
১৯৭৬ - ক্রিকেটার ব্রেট লি’র জন্ম
২০১৭ – ভারতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হয়





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪৮ টাকা ৭২.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.১২ টাকা ৯৩.৪৫ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৪ টাকা ৮০.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৬/৩০ দিবা ১২/২৫। পূর্বভাদ্রপদ ১৫/৫৯ দিবা ১২/১২। সূ উ ৫/৪৮/২৭, অ ৪/৫২/২১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে। 
২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৫/৫৮/১৯ দিবা ১২/১২/৪৩। পূর্বভাদ্রপদ ১৭/৫৮/২৫ দিবা ১/০/৪৫, সূ উ ৫/৪৯/২৩, অ ৪/৫৩/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৪ মধ্যে ও ৭/২৭ গতে ৯/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৫ গতে ২/৩৭ মধ্যে ও ৩/২০ গতে ৪/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৩৯ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে ও ৪/১৫ গতে ৫/৫০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৫/২১ গতে ৯/৫৮/২০ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৮/২০ গতে ১১/২১/১৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৭/১৬ গতে ৯/৪৪/১৭ মধ্যে। 
১০ রবিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামীকাল অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা করবে সুপ্রিম কোর্ট

09:17:50 PM

এবার হকি বিশ্বকাপ ভারতে
২০২৩ সালে পুরুষদের এফআইএইচ হকি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে ভারত। ...বিশদ

05:08:38 PM

পদত্যাগ করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী
 মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সরকার গড়ার ...বিশদ

05:01:39 PM

আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হল এবছরের আন্তর্জাতিক কলকাতা ফিল্ম উৎসবের

05:01:00 PM

বর্ধমান স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে জখম বহু
বর্ধমান স্টেশনে ৪ ও ৫ নম্বর প্লাটফর্মের মাঝে ফুটওভারব্রিজে ওঠানামা ...বিশদ

04:54:00 PM

গান্ধী পরিবারের এসপিজি নিরাপত্তা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের: সূত্র 

03:53:10 PM