Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লব: ফিরে দেখা
জিষ্ণু বসু

রুশ বিপ্লবের গৌরবগাথা শুনেই আজকের বাঙালি বড় হয়েছে। জারের অত্যাচার থেকে রাশিয়ার মানুষকে বাঁচানোর জন্য বিপ্লব হয়েছিল কমরেড লেনিনের নেতৃত্বে। আশির দশক পর্যন্ত বাঙালির ঘরে ঘরে ‘সোভিয়েত দেশ’ পত্রিকা আসত। ওইসব পত্রিকায় প্রকাশিত ছবি দেখে আর দেশের বর্ণনা পড়ে মনে হতো পৃথিবীতে যদি স্বর্গ কোথাও থেকে থাকে তো সেটা সোভিয়েত রাশিয়া। আর এই স্বর্গের যিনি নির্মাতা তিনি কমরেড জোসেফ স্তালিন।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন ভেঙে গেল কেবল তখনই বাইরের সংবাদমাধ্যম রাশিয়ার ভেতরটা দেখতে পেল। দেখা গেল স্বর্গ তো দূরের কথা, দারিদ্র্য, অপুষ্টি, দুর্নীতিতে জর্জরিত দেশটার অবস্থা নরকের থেকেও খারাপ। ক্ষুধা এতটাই ভীষণ যে একটি ১৭ বছরের মেয়ে একবেলা পেট ভরে খেতে পাওয়ার বিনিময়ে জীবনের সবটুকু দিতেও রাজি আছে! সবকিছুই লুকিয়ে রাখা হতো। চেরনোবিল-এর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভয়ানক ঘটনাও কমিউনিস্ট সরকার প্রথমে লুকাবার চেষ্টা করেছিল।
সোভিয়েতের পতনের পরে ধীরে ধীরে সব সত্য সামনে এসে গেল। এমনকী রুশ গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি’র অতি গোপন ফাইলও সারা পৃথিবীর মানুষ দেখতে পেল। আজকের গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত বিস্তৃত বর্ণনা, বৈজ্ঞানিক যুক্তিবোধ এসবের নিরিখে নভেম্বর বিপ্লবের পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন। কেবল কমিউনিজমের প্রতি ভক্তিভাব নিয়ে এই ঐতিহাসিক ঘটনার বিশ্লেষণ করা এক ধরনের ধর্মান্ধতা। আধুনিক যুক্তির আলোকে রুশ বিপ্লবের ঘটনাকে ফিরে দেখা প্রয়োজন।
প্রথমেই বলা দরকার যে, ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসের ৭ তারিখে মস্কোতে জারের শাসনের পতন হয়নি। সে বছর ফেব্রুয়ারি মাসেই জারের সাম্রাজ্য শেষ হয়ে গিয়েছিল। দেশে একটি গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা শুরু হয়েছিল। একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার, কিয়েরেনস্কির নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা আর দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধরে রাখার জন্য একটি সংসদও গঠিত হয়েছিল, রুশ ভাষায় যাকে ‘ডুমা’ বলা হতো। ৭ নভেম্বর মধ্যরাত্রে বলশেভিকরা এই ডুমার সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। ত্রোৎস্কির নেতৃত্বে বলশেভিকদের এই অভিযানে সহায়তা করেছিলেন ‘জার্মান গোল্ড’ দিয়ে কেনা সরকারি আধিকারিক ও সৈনিকদের একাংশ। গণতন্ত্র সমাপ্ত হওয়ার পরে, ৮ নভেম্বর অজ্ঞাতবাস থেকে আত্মপ্রকাশ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিওনভ ওরফে লেনিন। পেত্রোগার্দ, মানে আজকের সেন্ট পিটার্সবাগে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন লেনিন।
৫ মে ১৯২০ আরও একটি বিখ্যাত ভাষণ দেন লেনিন। মস্কোর শ্রেদলোফ স্কোয়ারে সেই বক্তৃতাস্তম্ভের ঠিক নীচে দাঁড়িয়েছিলেন লিঁওফ ত্রোৎস্কি। যাঁর আসল নাম ছিল লেভ ডাভিডোভিচ ব্রণস্টেইন। পরে অবশ্য স্তালিন সেই ছবিটিকে বিকৃত করে বিশ্বের দরবারে পেশ করেন। ত্রোৎস্কিকে সরিয়ে সেখানে কয়েকটি কাঠের তক্তা রাখা হয়। সেটা ফটোশপের যুগ ছিল না, তবু রুশ শিল্পীরা ভালোই কাজ করেছিলেন কমরেড স্তালিনের আদেশে। ঐতিহাসিক ওই দিনগুলির কথা বিস্তৃতভাবে লিখেছিলেন এক তরুণ মার্কিন সাংবাদিক জন রিড। ‘দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন’ পুস্তকে ত্রোৎস্কির বীরত্বের কথাই বলা আছে। ১৯১৯ সালে লেনিন এই বইটি প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘পৃথিবীর শ্রমিকদের কাছে এই বইটি পড়ার জন্য আমি সুপারিশ করছি। আমি চাই পৃথিবীর সব ভাষায় এই সত্যনিষ্ঠ বইটির কোটি কোটি কপি ছাপা হোক’। ১৯২০ সালের ১৭ অক্টোবর জনের মাত্র ৩৩ বছর বয়সে মৃত্যু হওয়ার পর তাঁকে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে ক্রেমলিন ওয়াল নেক্রোপলিস প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়। কিন্তু লেনিনের মৃত্যুর পরে পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টাতে থাকে। যেহেতু জন রিড তাঁর গ্রন্থে স্তালিনের ভূমিকা বিশেষ বর্ণনা করেননি, তাই খোদ রাশিয়াতেই নিষিদ্ধ হয়ে গেল ‘দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন’।
শুরু হল ত্রোৎস্কিকে মুছে ফেলার পালা। ত্রোৎস্কি ১৯১৮ সালের বসন্তে ‘রেড আর্মির’ প্রধান হয়েছিলেন। সেই বীরকেই নিজের দেশ ছেড়ে যেতে হল প্রাণ বাঁচাতে, স্ত্রী আর পুত্রকে নিয়ে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। প্রথমে তুরস্কে, তারপর ফ্রান্সে, এরকম হতে হতে তাঁর শেষ ঠিকানা হয়েছিল মেক্সিকো। কিন্তু ১৯৩৯ সালের শেষের দিকে স্তালিন ত্রোৎস্কিকে মারার জন্য এন কে ভি ডি’র আধিকারিক পাভেল সুডোপলাটভকে নিয়োগ করলেন। তাঁরা মেক্সিকোর স্থানীয় দু-একজন পেশাদার খুনিকেও ভাড়া করেন। ১৯৪০ সালের ২৪ মে এই দল ত্রোৎস্কির বাড়ি আক্রমণ করে, তাঁর ১৪ বছরের নাতিকে গুলি করে আততায়ীরা। সেই বছর ৮ জুন ত্রোৎস্কি লিখলেন, ‘স্তালিন আমার মৃত্যু চান।’ তারপর শেষের সেই দিন এসে গেল। ১৯৪০ সালের ২০ আগস্ট বরফ কাটার কুড়ুল দিয়ে মাথার পিছনে আঘাত করা হল তাঁকে। একদিন পরেই মৃত্যু হল লেনিনের মূল সহযোগী ত্রোৎস্কির, হত্যার মূল যন্ত্রী ছিলেন জোসেফ স্তালিন।
রোমানভ পরিবারের হত্যাকাণ্ডও পৃথিবীর নির্মমতার ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। জার দ্বিতীয় নিকোলাস তো বহুদিন ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন। তার পর থেকে ওই পরিবারকে জবাই করতে
আনা পশুর মতো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে
নেওয়া হতে থাকে।
পরিবারের সদস্যরা; জার, জারিনা আলেকজান্দ্রা, চার মেয়ে ওলগা, মারিয়া, তাতিয়ানা, আনাস্তাসিয়া, একটি মাত্র ছোট ছেলে অ্যালেক্সি। ইকাটেরিনবুর্গের এক ইঞ্জিনিয়ারকে হত্যা করেছিল বলশেভিকরা। শেষে সেই বাড়িটাতেই রোমানভদের রাখা হয়েছিল। বাড়ির কোনও দরজায় ছিটকানি ছিল না। চার-চারটি প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে নিয়ে জারিনার জীবন মৃত্যুর সমান হয়ে গিয়েছিলেন। বাইরের যে কোনও লোক তাঁদের শয়ন কক্ষে, স্নানঘরে ঢুকে পড়ত। এত অত্যাচার করেও ওই পরিবারের সদস্যদের নিস্তার দেওয়া হয়নি। ১৯১৮ সালের ১৭ জুলাই ওই পরিবারের সব সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়। দুটি মেয়ে গুলি লাগার পরেও নড়ছিল। তাই বলশেভিকরা তাদের বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
ইউরোভস্কি নামে চেকার এক অফিসার এই হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনিই জারকে এক লাইনের বিচার শুনিয়েছিলেন, ‘নিকোলাই আলেকজান্দ্রোভিচ, যেহেতু তোমার আত্মীয়রা এখনও সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে, তাই ইউরাল এক্সিকিউটিভ কমিটি তোমাদের হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ জার বাচ্চাদের দেখছিলেন, একবার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী? কী বললে?’ ইউরোভস্কি ঝটপট রায়টি আরেকবার পড়েই নিজের কোল্ট রিভলভার বের করে গুলি চালানো শুরু করলেন। মারিয়া, ওলগা পালানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু মিলিটারি অফিসার পিটার ইরমাকভের বন্দুক গর্জে উঠল। এই হত্যাকাণ্ডের বিস্তৃত বর্ণনা ইউরোভস্কি শ্রদ্ধাভরে মস্কোতে পাঠিয়েছিলেন।
এতকিছুর পরেও যে শাসন ব্যবস্থা রাশিয়াতে এসেছিল, তা যে কত নিষ্ঠুর ছিল সেটাও আলোচনা প্রয়োজন। সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেতরে মানুষ কেমন ছিলেন? সে স্বপ্নের কথা শুনে বাংলার দুই প্রজন্ম বড় হয়েছে। সেই শ্রেণীহীন সমাজ বা সমগ্র সমাজে শ্রেণীচেতনার বিকাশ কেমন হয়েছিল? ১৯৯১ সালে সাত দশকের সোভিয়েত শাসনের পরে যখন ইউনিয়ন ভেঙে গেল তখন তার থেকে চারটি ইসলামিক রাষ্ট্র আজারবাইজান, তুর্কমেনিস্তান, কাজাকিস্তান আর উজবেকিস্তানের জন্ম হয়েছে। এত বছরের কমিউনিস্ট শাসনেও এইসব জায়গায় একবিন্দুও শ্রেণীচেতনা বাড়েনি আর মৌলবাদের প্রভাবও কমেনি।
কমিউনিস্ট শাসকরা এক একটি প্রাচীন জাতির উপর নিজেদের মত চাপিয়েছিলেন। যেসব জনগোষ্ঠী তা মানতে চায়নি তাদের উপর নির্দয় অত্যাচার নেমে এসেছে। এই রকম শত শত মর্মন্তুদ ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ছিল ইউক্রেনের ‘হলোডোমার’। হলোডোমার অপারেশন স্তালিন চালিয়েছিলেন ১৯৩১-৩২ সালে। কেবল খাদ্যশস্য বন্ধ করে দিয়ে স্তালিন এক বছরের কিছু বেশি সময় প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার সাধারণ ইউক্রেনবাসীকে হত্যা করেছিলেন।
যতদিন পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের অস্তিত্ব ছিল ততদিন সারা পৃথিবীতে কমিউনিজমের নামে এই নিষ্ঠুরতাকে নির্লজ্জভাবে চালানো হয়েছে। শিক্ষিত রুচিশীল বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের একাংশ বৃহত্তর মানবিক স্বার্থের নামে এইসব অমানবিক কাজের সমর্থন করতেন। ডুমা সদস্যদের হত্যা এক অর্থে গণতন্ত্রের হত্যাই ছিল। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সমাপ্তি না ঘটালে সর্বহারার একনায়কতন্ত্র সম্ভব নয়। তাই গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সঙ্গে যারাই যুক্ত, তাদেরকে শেষ করলেই বিশ্বজুড়ে যৌথ খামার হবে। এই আকাশকুসুম কল্পনাতে লক্ষ লক্ষ নিরীহ মানুষের প্রাণ গেছে।
এই বছরই এপ্রিল মাসে ওড়িশার কান্দামাল জেলায় লোকসভা ভোটের সময় সংযুক্তা দিগলের হত্যায় আবার এক প্রশ্ন সামনে উঠে এল। ৩১ বছরের তফসিলি জাতির দরিদ্র পরিবারের মেয়ে সংযুক্তা ছিলেন প্রথম প্রজন্মের শিক্ষিত। সরকারি আধিকারিকের চাকরি পেয়েছিলেন নিজের যোগ্যতায়। গত বছরই বিয়ে হয়েছিল সংযুক্তার। কিন্তু অতিবিপ্লবীরা ভোট নিতে যাওয়ার অপরাধে তাঁর সব স্বপ্ন শেষ করে দিল। নভেম্বর বিপ্লবের শতবর্ষে ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে’ ডেভিড স্যাটারের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল, ‘হান্ড্রেড ইয়ার্স অফ কমিউনিজম অ্যান্ড হান্ড্রেড মিলিয়ন ডেড’। লেখায় উঠে এসেছে গত ১০০ বছরে বিপ্লবের নামে কীভাবে ১০ কোটি মানুষের প্রাণ গিয়েছে।
এই তালিকায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোপালচন্দ্র সেন বা কান্দামালের সংযুক্তা দিগলের মতো নিরপরাধ মানুষের নামও যুক্ত হওয়া উচিত। ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লবের দিবস সেই সব মানুষের বলিদানেরও স্মরণের দিন।
 লেখক কলকাতায় সাহা ইনস্টিটিউট অফ
নিউক্লিয়ার ফিজিক্স-এ কর্মরত।
07th  November, 2019
ফজলুর রহমানের উত্থান, ইমরানের মাথাব্যথা
মৃণালকান্তি দাস

ক্ষমতা টলমল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের! সরকারের অপদার্থতা, ভোটে রিগিং এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন জমিয়াত উলেমা-এ-ইসলামের প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান।  
বিশদ

ঘরে ঘরে হানাদার 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উওটার স্লটবুম আমস্টারডামের একটি কাফেতে ঢুকলেন। সঙ্গে একজন ডাচ সাংবাদিক। কাফেতে ওয়াই-ফাই চলছে। স্লটবুম একটি চেয়ার টেনে বসে তাঁর ল্যাপটপটা খুললেন। পাশে ছোট কালো রঙের একটা ডিভাইস।  বিশদ

05th  November, 2019
মর্ত্যলোক থেকে ঘুরে গিয়ে শিবের কাছে রিপোর্ট জমা দিল টিম-দুর্গা
সন্দীপন বিশ্বাস

মর্ত্য থেকে ফিরে প্রতিবারই শিবের কাছে টিম-দুর্গা একটা করে রিপোর্ট জমা দেয়। ‘পিতৃগৃহং পরিক্রমণং সন্দেশম্‌’ ফাইলে সেই রিপোর্ট জমা পড়ে এবং শিব সেই রিপোর্ট পড়ে মর্ত্যধামের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত হন। এবারও যথারীতি প্রত্যেকে তাঁদের রিপোর্ট ‘মহাদেব অ্যাট কৈলাস ডট কমে’ পাঠিয়ে দিয়েছেন। ওটা শিবের ই-মেল অ্যাড্রেস। 
বিশদ

04th  November, 2019
অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বিদেশিদের সফর, রহস্যময়ী
ম্যাডি শর্মা ও পাঁচ বাঙালির নৃশংস হত্যা 
হিমাংশু সিংহ

কাকতালীয় ঘটনা হলেও সত্যি! বাংলার পাঁচ শ্রমিককে অপহরণ করে নৃশংসভাবে খুন করার দিনেই নরেন্দ্র মোদি সরকারের সৌজন্যে অবরুদ্ধ কাশ্মীর সফর করেছেন একঝাঁক বিদেশি প্রতিনিধি।
বিশদ

03rd  November, 2019
বন্ধ হোক মৃত্যুকে রাজনীতির পণ্য বানানো
তন্ময় মল্লিক

জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত। শৈশবের গণ্ডি ছাড়াতে না ছাড়াতেই অমর কবির এই কবিতা প্রথম শিখিয়েছিল, জন্ম আর মৃত্যু এক সুতোয় বাঁধা। ভাবসম্প্রসারণ লিখতে গিয়ে শিখেছিলাম, জীবনের অবশ্যম্ভাবী পরিণতিই হল মৃত্যু। আধ্যাত্মিক মনোভাবাপন্ন মানুষের মতে, আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার মিলন।   বিশদ

02nd  November, 2019
চীনা সাম্রাজ্যবাদ
সমৃদ্ধ দত্ত

 কোনও এক সময় শুরু হয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে। কিন্তু পরবর্তীকালে প্রধানত বিহারের বিষহরি উৎসবের প্রধান হস্তশিল্প হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে যায় মঞ্জুষা। ভাগলপুরে ব্রিটিশ আমলে মঞ্জুষা শিল্প এতটাই খ্যাতি ও বাণিজ্য পেয়েছিল যে, এমনকী ম্যানচেস্টারেও নিয়ম করে যেত ওই সিরিয়াল আর্ট। বিশদ

01st  November, 2019
ভূস্বর্গে বাংলার পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যুই
বুঝিয়ে দিল কাশ্মীর ভালো নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

 প্রত্যেকেরই একটা নিজস্ব উদ্দেশ্য থাকে। সেই উদ্দেশ্য যাতে সফল হয়, তার একটা পন্থাও থাকে। উদ্দেশ্য অনেক সময় ঠিক থাকলেও দেখা যায় বহু ক্ষেত্রে পদ্ধতির ভুল থাকে। তাতে উদ্দেশ্য সফল হয় না। উল্টে তা আরও অনেক সমস্যা ডেকে আনে। কাশ্মীরে সেই ঘটনাই ঘটেছে। বিশদ

01st  November, 2019
অতঃ কিম্‌
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 প্রশ্নটা অনিবার্যভাবেই উঠছে। চারদিকের পরিবেশ পরিস্থিতিই সাধারণ জনমনে প্রশ্নটা তুলে দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, কখনও-সখনও অপ্রত্যাশিত ঘটনার আকস্মিক ধাক্কায় প্রশ্নটা জিজ্ঞাসার সীমা ছাড়িয়ে কার্যত আমাদের বিস্ময়ে বিহ্বল করে দিচ্ছে। বিশদ

31st  October, 2019
বেসরকারিকরণ: অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 মোদি সরকারের সাংসারিক হালচালটা একবার দেখে নেওয়া যাক। দেশের জিডিপি নেমে গিয়েছে ৫ শতাংশে। বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরের মধ্যে সর্বাধিক। ফলে কর্মসংস্থান তৈরি তো হচ্ছেই না, পাশাপাশি বাজারদর হু হু করে বাড়ছে। ২০১৪ সাল থেকে নরেন্দ্র মোদি স্বপ্ন বেচার সওদাগর। বিশদ

29th  October, 2019
উৎসবের সুন্দরবন
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

 সোদপুরে এবার ঠাকুর দেখতে গেছেন? ওখানকার ওয়াটার-সাইড পুজোমণ্ডপে এবারের থিম ছিল বনবিবি দুর্গা। সেখানে দেখানো হয়েছে সুন্দরবনের কাঠুরে-মৎস্যজীবীদের জীবন। থিম দেখে কতটুকুই বা বুঝবেন ওদের। প্র্যাকটিক্যালি মৎস্যজীবীরা ট্রলার-ডুবিতে কত যে মরছে, জঙ্গলে যাওয়ার ছাড়পত্র পাওয়া নিয়ে কত যে ওদের ভোগান্তি-অশান্তি! অবশ্য উৎসবের মুখে (২১.০৯.১৯) জেলা প্রশাসন কাকদ্বীপে গিয়ে এফডি নয়ন ও দশভুজা নামের ট্রলার দুটির নিখোঁজ ২৩টি মাছ-মারা পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে ২ লাখ টাকার চেক দিয়েছেন। এটাই বা মন্দ কী! তবু পরিবারগুলো সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েছে। কিন্তু উৎসবে কিছুটা চাঙ্গা হলেও হয়েছে তারা।
বিশদ

29th  October, 2019
প্রতিবেশীর আতঙ্ক বাড়াতে আইএস
জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানই
মৃণালকান্তি দাস

আমেরিকা কি সিরিয়ায় আইএস-এর বিরুদ্ধে অভিযানে বড় কোনও সাফল্য পেয়েছে? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ট্যুইট সেই জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন সময় শনিবার রাতে ট্রাম্প ট্যুইটারে লেখেন, ‘এইমাত্র খুব বড় একটা ঘটনা ঘটল।’ তার মধ্যেই হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হোগান গিডলে সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘‘মার্কিন সময় রবিবার সকাল নটায় বিরাট ঘোষণা করতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।’’  
বিশদ

28th  October, 2019
হরিয়ানা-মহারাষ্ট্র ভোটের ফল বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে মমতাকে
হিমাংশু সিংহ

মে মাসে লোকসভা ভোটের ফল বেরনোর পর থেকেই গত পাঁচমাস ধরে বিরোধীরা ছত্রভঙ্গ। টুঁ শব্দ করার কেউ নেই। তার উপর গত আগস্টে ৩৭০ ধারার অবলুপ্তির পর থেকে কাশ্মীরের প্রথম সারির নেতা-নেত্রীরা কার্যত অন্তরালে। সেই নিষেধাজ্ঞার বজ্র আঁটুনি পুরোপুরি শিথিল হয়নি এখনও। 
বিশদ

27th  October, 2019
একনজরে
 বিএনএ, বারাকপুর: বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের গড় ভাটপাড়া পুরসভার আরও পাঁচ বিজেপি কাউন্সিলার তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে রাখলেন। তাঁরা যে কোনও দিন ঘরে ফিরতে পারেন ...

সংবাদদতা, আলিপুরদুয়ার: ২০২১ সালে বিধানসভা ভোট। তার আগেই রয়েছে আলিপুরদুয়ার পুরসভার ভোট। এই জোড়া নির্বাচনকে পাখির চোখ করে জেলায় বন্ধ চা বাগানের ইস্যুকে হাতিয়ার করে তেড়েফুঁড়ে ময়দানে নেমে পড়েছে গেরুয়া বাহিনী। অন্যদিকে বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল শিবিরে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: আগামী ২২ থেকে ২৬ নভেম্বর কলকাতায় হবে টাটা স্টিল র‌্যাপিড - ব্লিৎজ টুর্নামেন্ট। এই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের প্রথম ১৫ জন গ্র্যান্ডমাস্টারের মধ্যে দশজন যোগ ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬২- সঙ্গীত জগতের কিংবদন্তি পুরুষ ওস্তাদ আলাউদিন খাঁর জন্ম।
১৮৯৫- জার্মান পর্দাথবিদ উইলিয়াম কনরাড রঞ্জন এক্স রে আবিষ্কার করেন।
১৯১০ - ওয়াশিংটনের নির্বাচনে প্রথম কোনও মহিলা ভোট দেন।
১৯২৭- রাজনীতিক লালকৃষ্ণ আদবানির জন্ম
১৯৩৬ - প্রখ্যাত হিন্দী কথাসাহিত্যিক মুনশি প্রেমচাঁদের মৃত্যু
১৯৪৭ – সঙ্গীতশিল্পী ঊষা উত্থুপের জন্ম
১৯৭৬ - ক্রিকেটার ব্রেট লি’র জন্ম
২০১৭ – ভারতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হয়





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪৮ টাকা ৭২.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.১২ টাকা ৯৩.৪৫ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৪ টাকা ৮০.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৬/৩০ দিবা ১২/২৫। পূর্বভাদ্রপদ ১৫/৫৯ দিবা ১২/১২। সূ উ ৫/৪৮/২৭, অ ৪/৫২/২১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে। 
২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৫/৫৮/১৯ দিবা ১২/১২/৪৩। পূর্বভাদ্রপদ ১৭/৫৮/২৫ দিবা ১/০/৪৫, সূ উ ৫/৪৯/২৩, অ ৪/৫৩/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৪ মধ্যে ও ৭/২৭ গতে ৯/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৫ গতে ২/৩৭ মধ্যে ও ৩/২০ গতে ৪/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৩৯ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে ও ৪/১৫ গতে ৫/৫০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৫/২১ গতে ৯/৫৮/২০ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৮/২০ গতে ১১/২১/১৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৭/১৬ গতে ৯/৪৪/১৭ মধ্যে। 
১০ রবিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামীকাল অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা করবে সুপ্রিম কোর্ট

09:17:50 PM

এবার হকি বিশ্বকাপ ভারতে
২০২৩ সালে পুরুষদের এফআইএইচ হকি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে ভারত। ...বিশদ

05:08:38 PM

পদত্যাগ করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী
 মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সরকার গড়ার ...বিশদ

05:01:39 PM

আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হল এবছরের আন্তর্জাতিক কলকাতা ফিল্ম উৎসবের

05:01:00 PM

বর্ধমান স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে জখম বহু
বর্ধমান স্টেশনে ৪ ও ৫ নম্বর প্লাটফর্মের মাঝে ফুটওভারব্রিজে ওঠানামা ...বিশদ

04:54:00 PM

গান্ধী পরিবারের এসপিজি নিরাপত্তা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের: সূত্র 

03:53:10 PM