Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
চন্দ্রগুট্টির দেবী গুত্তেভারা, পর্ব-২৯
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সেবার কোলহাপুর থেকে সৌন্দত্তি গিয়েছিলাম দেবদাসী তীর্থের ইয়েলাম্মাকে দেখতে। ঠিক তার পরের বছরই ওই একই তিথিতে অর্থাৎ মাঘী পূর্ণিমায় কর্ণাটকেরই আর এক দেবী চন্দ্রগুট্টির গুত্তেভারা দেবীকে দর্শন করতে গেলাম। কিন্তু কেন এত জায়গা থাকতে এই সুদূর দেবীতীর্থে আসা? কারণটা বলছি।
সেবার সৌন্দত্তি থেকে ফেরার পথে কোলহাপুরে না এসে সবার নির্দেশ অনুযায়ী এসেছিলাম বেলগাঁওয়ে। সেখানে যে লজে উঠেছিলাম তার মালিক বললেন, ‘আপনি সৌন্দত্তি গিয়েছিলেন শুনে খুব খুশি হলাম। ওখানকার নিয়মরীতি দেখে খুবই অবাক হয়েছিলেন, তাই না? সামনের বছর ঠিক একই সময়ে চলে যান চন্দ্রগুট্টি গ্রামে। বেলগাঁও থেকে বাসে অথবা একটা গাড়ি নিয়ে চলে যান। সকালে গিয়ে রাতে ফিরে আসুন। অর্থাৎ ওই মাঘী পূর্ণিমার দিন ওখানকার পবিত্র বরোদা নদীতে মেয়েরা পুণ্যস্নান সেরে গুত্তেভারা দেবীর মন্দিরে পুজো দিতে যান। ওখানে আপনার অন্যরকম অভিজ্ঞতা লাভ হবে। তবে ভুলেও যেন ওদের ছবি তুলতে যাবেন না।’ ঠিক সেই কারণেই আবার হাওড়া থেকে রওনা হয়ে পুনেয় এসে ভাস্কো-দা-গামার পথে বেলগাঁওতে নামলাম। আগে থেকে চিঠি দেওয়াই ছিল। তাই একটা সিঙ্গল রুম রাখা ছিল আমার জন্য। ঘরের ভাড়া তখনকার দিনে দশ টাকা। পরদিন খুব সকালে বেলগাঁও থেকে রওনা হলাম চন্দ্রগুট্টির দিকে। ভাগ্য ভালো যে লজ মালিকের সৌজন্যে অন্য এক যাত্রীদলের সঙ্গে তাদের গাড়িতেই ব্যবস্থা হল। প্রায় ঘণ্টা তিনেকের যাত্রাপথ। এক সময় পৌঁছে গেলাম চন্দ্রগুট্টিতে।
বাস থেকে নেমেই যে দৃশ্য দেখলাম তা শুধুই অভাবনীয় নয়, অকল্পনীয়। যাই হোক, এই ভাবেই একবার বরোদা নদীর তীরে এসে জলস্পর্শ করে মাথায় একটু জল ছেটালাম। চারদিকে তখন অসংখ্য পুলিসের কড়া নজরদারি। সে কী স্নানের উৎসব সেখানে। পুলিসের লোকেরা অবশ্য আমাকে থাকতে দিল না বেশিক্ষণ। হাত নেড়ে স্থান ত্যাগ করতে বললেন। সৌজন্যবোধে আমিও বিদায় নিলাম। এরপর প্রশস্ত রাজপথ ধরে চলে এলাম মহাদেবী গুত্তেভারার মন্দিরে। এখানেও বৃহন্নলাদের দল ঘোরাফেরা করছে সর্বত্র। এখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই পুজো দিচ্ছেন মন্দিরে। মেয়েরা স্নান করে গলায় মালা ও হাতে ঘটি বা ছোট কলসি ভর্তি বরোদার জল নিয়ে মন্দিরে এসে ঢালছেন। এই দিন মা গঙ্গা নাকি গুপ্তপথে বরোদা নদীতে এসে মিলিত হন। আমি বহুকষ্টে ভিড় ঠেলে কোনওরকমে দর্শন করলাম গুত্তেভারাদেবীকে।
এরপর শহরের একটি দোকানে বসে এখানকার সুস্বাদু ইডলি, ধোসা ইত্যাদি খেয়ে খিদে মেটালাম। এই দোকানেই এক সদাশয় ব্যক্তি প্রসন্ন চিত্তে আমার সঙ্গে আলাপ জমালেন। ভাগ্য ভালো যে, কন্নড়বাসী হয়েও ভাঙা ভাঙা হিন্দিতে আমার সঙ্গে কথা বলতে লাগলেন। পুনেতে ওঁর কর্মস্থল, আজ মাঘী পূর্ণিমা উপলক্ষে এখানে এসেছেন উনি।
আমি গত বছর সৌন্দত্তি গেছি শুনে খুশি হলেন খুব। বললেন, ‘সৌন্দত্তি এখান থেকে বেশি দূরে নয়। তবে সৌন্দত্তি হল সতীপীঠ। আর গুত্তেভারা উপপীঠ। এখানে সতী অঙ্গ নয়, দেবীর ‘মেখলা’ পড়েছিল। সৌন্দত্তির কাহিনী নিশ্চয়ই শুনেছেন? দেবী অতি ভয়ঙ্করী। আর গুত্তেভারাও ঠিক তাই। এঁর কাছে নিষ্কাম হয়ে আসতে হবে। এই সব বিবস্ত্র মহিলাদের দিকে তাকিয়ে যদি কেউ কামভাব মনে আনে, তবে তার কিন্তু নিস্তার নেই। তাই কেউ ওদের দিকে মনে কুভাব নিয়ে তাকায় না। সৌন্দত্তিতেও সেই একই নিয়ম। দেবদাসীদের প্রতি মনে কুভাব আনবে না কেউ।’
এরপর তিনি যা বললেন তা এই— ‘সৌন্দত্তির ওই দেবীর মধ্যে রেণুকা বা রেণুকাম্বা দেহান্তে লীন হয়ে আছেন। এই রেণুকা হলেন জমদগ্নি মুনির স্ত্রী এবং পরশুরামের মাতা। অসাধারণ সতীত্বের জন্য তিনি কাঁচা মাটির কলসিতে ভরে মলপ্রভা নদী থেকে জল নিয়ে আসতেন। একবার জল আনতে গিয়ে এক সর্বাঙ্গসুন্দর গন্ধর্বকে দেখে মুহূর্তের জন্য তাঁর রূপদর্শনে বিচলিত হন। তারই ফলে তাঁর সতীত্ব নষ্ট হওয়ায় তিনি আর কলসিতে জল ভরতে পারলেন না। জল ভরামাত্রই কলসির তলা ছেড়ে গেল। জমদগ্নি সব বুঝে রেণুকাকে অভিশাপ দিলেন এবং পরশুরামকে আদেশ দিলেন এই মুহূর্তে জননীর মস্তক ছেদন করতে। পরশুরাম পিতার আদেশ পালন করলেন। জমদগ্নি তখন খুশি হয়ে বর দিতে চাইলেন পরশুরামকে। পরশুরাম বললেন, ‘আমি আপনার আদেশ পালন করেছি। এখন আমি আমার জননীর পুনর্জীবন চাই।’ জমদগ্নি বললেন, ‘তথাস্তু।’ সেই সময় পথ দিয়ে এক নীচ জাতীয়া স্ত্রীলোক যাচ্ছিলেন। জমদগ্নি তাঁর মাথাটি কেটে বসিয়ে দিলেন রেণুকার দেহের ওপর। রেণুকা কুৎসিত মুখ নিয়ে বেঁচে উঠলেন। জমদগ্নির রাগ তখন পড়েছে। রেণুকাকে তিনি এই বলে আশীর্বাদ করলেন, ‘আজ থেকে তোমাকে দেবীর মতোই পূজা করবে সকলে এবং অবিবাহিতা মেয়েদের উৎসর্গ করা হবে তোমার কাছে। সেই সব মেয়েরা চিরকাল তোমার দাসী হয়ে থেকে পরপুরুষকে দেহদান করবে। সেক্ষেত্রে কুষ্ঠরোগীও বাদ যাবে না। দেহান্তে ইয়েলাম্মায় লীন হবে।’
আমি শুধু শুনেই গেলাম। কোনও মন্তব্য করলাম না। আমাদের পৌরাণিক কাহিনীতে পরস্পর বিরোধী এমন অনেক কাহিনী আছে।
এরপর আমি চন্দ্রগুট্টির পথে পথে ঘুরে সন্ধের আগেই বেলগাঁওতে ফিরে এলাম। কর্ণাটকের গুত্তেভারা মন্দিরে মাঘী পূর্ণিমার দিন দেবদাসীরা এইভাবেই পুজো দিতে যায়।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
22nd  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে।  
বিশদ

03rd  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩৪

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। জমে উঠল বন্দ্যোপাধ্যায় দম্পতির সুখের সংসার। আর সেই দৃশ্য দেখে বিধাতা বোধহয় একটু মুচকি হেসেছিলেন, হয়তো মনে মনে বলেছিলেন, বিভূতিভূষণ, সুখ নয় , তোমাকে আমি পৃথিবীতে পাঠিয়েছি সৃষ্টি করার জন্য, সুখভোগের অধিকারী তুমি নও!  
বিশদ

03rd  November, 2019
পরম্পরা
বিনতা রায়চৌধুরী 

প্রাণগোপাল সরকার জমিদার না হলেও গ্রামের একজন অত্যন্ত সম্পন্ন গৃহস্থ। বিঘের পর বিঘে জমিতে তাঁর ধান চাষ হয়। ধান-চালের ব্যবসায়ে প্রাণগোপাল সবদিক থেকেই সার্থক। তারসঙ্গে সে সৎ-ও। তাঁর অধীনস্থ কোনও কর্মচারীকে সে ঠকায় না।  
বিশদ

03rd  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ রাজরপ্পা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 এবার ছিন্নমস্তা দেবীর কথা বলি। দশমহাবিদ্যার ভয়ঙ্করী রূপের প্রকাশ ছিন্নমস্তায়। এটি হল মহাদেবীর অন্তর্মুখী রূপ। এঁর স্বরূপ অনুধাবন করার শক্তি একমাত্র সাধকের পক্ষেই সম্ভব। ছিন্নশির হয়েও ইনি জীবিত থাকেন। চতুর্দিকে এঁর বসন। অর্থাৎ ইনি দিগবসনা। বিশদ

27th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 কিন্তু সুখ দীর্ঘস্থায়ী নয়। পঞ্চাননবাবু মারা যাওয়ার আগে জাহ্নবীদেবী এক কন্যা সন্তানের মাতা হন। কিন্তু পিতার অকাল মৃত্যুর দায় বহন করতে হয়েছিল সদ্যোজাত সেই কন্যা সন্তানকে। তাকে চট পেতে শুইয়ে রাখা হতো বাড়ির বাইরের নারকেল গাছের তলায়। স্বভাব কবি বিভূতিভূষণকে নাড়িয়ে দিয়েছিল এই দৃশ্য। বিশদ

27th  October, 2019
ঝাঁপ
পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাবলু তিনতলার ছাদ থেকে দূরের চার্চের ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে আছে। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে চলেছে। সেকেন্ডের কাঁটা ঘুরে ঘুরে বারোটার কাছে যাচ্ছে। আর কয়েকটা মুহূর্ত। তারপর-ই বাবলু ঝাঁপ দেবে। নিজেকে ছিন্নভিন্ন করে শেষ করে দেবে। এখন ছাদের এক কোণায় এসে ও দাঁড়িয়েছে। এখানটাতে রেলিং নেই।
বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 নদীর বালুচরে পথ চলতে চলতে হঠাৎই একটি বালি সংগ্রহকারী লরি এসে পড়ায় আমরা তারই সাহায্যে এগিয়ে গেলাম অনেকটা পথ। এইভাবে বিশেষ একটি জায়গায় যাওয়ার পর যেখানে লরি থেকে নামলাম সেখান থেকে একই নদী-কাঠের গুঁড়ির সাঁকোয় কতবার যে পার হলাম তার ঠিক নেই। বিশদ

20th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 এই দাম্পত্য জীবন কিন্তু মোটেই দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ঠিক ষোলো মাসের মাথায় পুজোর পর পরই একই দিনে আগে মা কামিনী দেবী এবং তার কিছুক্ষণ পরেই চলে গেলেন মেয়ে গৌরী দেবী। মহামারীর আকারে সেবার বাংলায় প্রবেশ করেছিল ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো এক জ্বর। সেই জ্বরে কিছুক্ষণের তফাতে একই পরিবার থেকে অকালে ঝরে গেল দুটি প্রাণ। বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মণিকূটের বিগ্রহ, পর্ব-৩১
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

তিব্বতের লোহিত সরোবর থেকে বয়ে আসা সাংমা (ব্রহ্মপুত্র) নদের তীরে পাহাড় নদী ও নানা দেব-দেবীর মন্দিরে ভরা এক অন্য তীর্থভূমির কথা এবার বলব। তার কারণ স্থানটি গুয়াহাটি শহর থেকে মাত্র ৩২ কিমি দূরে— হাজো। এটি হল নানা ধর্মসমন্বয়ের ক্ষেত্র। অনেকেই কিন্তু এই স্থানটির সম্বন্ধে পরিচিত নন। 
বিশদ

13th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩১

‘মরণ রে,
তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান ।
মেঘবরণ তুঝ, মেঘজটাজুট,
রক্ত কমলকর, রক্ত অধরপুট, 
তাপবিমোচন করুণ কোর তব বিশদ

13th  October, 2019
সাত বছরের ফাঁদে
ভগীরথ মিশ্র 

ভর-দুপুরে সদর বাজার দিয়ে হাঁটছিল শুখা।
পান্তু নাগের গোপন ডেরায় যাচ্ছে সে। কেন জানি, খুব জরুরি তলব দিয়েছে পান্তু।
এলাকার মুকুটহীন-সম্রাট রামতনু শিকদারের বাঁ হাত হল পান্তু নাগ। মানুষজন জলশৌচ জাতীয় যাবতীয় নোংরা-ঘাঁটা কাজগুলো তো বাঁ হাত দিয়েই করে। সেই হিসেবে পান্তু রামতনুর বাঁ হাতই।  
বিশদ

13th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

সুকুমার রায়। শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে ‘ননসেন্স রাইম’-এর প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর পুত্র।  বিশদ

29th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

একান্ন মহাপীঠের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাপীঠ হল কামাখ্যা। এই মহাতীর্থে সতীর মহামুদ্রা অর্থাৎ যোনিদেশ পতিত হয়েছিল। দেবীর গুপ্ত অঙ্গ পতিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, পর্বতটি নীলবর্ণ ধারণ করে এবং শত যোজন উচ্চ পর্বত ক্রমশ ভূগর্ভে নেমে যেতে থাকে।   বিশদ

29th  September, 2019
ম্যাজিক
ধ্রুব মুখোপাধ্যায় 

নম্বরগুলো মেলানোর পর যে আনন্দটা হয়েছিল, বিশ্বাস করুন, আমি জীবনে অতটা খুশি কোনওদিনও হয়নি। ‘পঞ্চাশ হাজার’ -না, এমনটা নয় যে আমি কোনওদিনও ভাবিনি। আসলে আমি বিগত কুড়ি বছর ধরে এটাই ভেবে এসেছি। আজকে ভাবনাটা সত্যি হল।
বিশদ

22nd  September, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 বিএনএ, বারাকপুর: বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের গড় ভাটপাড়া পুরসভার আরও পাঁচ বিজেপি কাউন্সিলার তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে রাখলেন। তাঁরা যে কোনও দিন ঘরে ফিরতে পারেন ...

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: রাস উৎসবকে সামনে রেখে নবদ্বীপে ফেরিঘাটগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হল। রাসের দিনগুলিতে ফেরিঘাট দিয়ে কয়েক লক্ষ মানুষের আনাগোনা লেগে থাকে। ফলে তাদের পারাপার ও নিরাপত্তা নিয়ে নবদ্বীপের ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগী হয়েছেন। পাশাপাশি নবদ্বীপ পুরসভা ও ব্লক প্রশাসনও এনিয়ে তৎপর। ...

সংবাদদতা, আলিপুরদুয়ার: ২০২১ সালে বিধানসভা ভোট। তার আগেই রয়েছে আলিপুরদুয়ার পুরসভার ভোট। এই জোড়া নির্বাচনকে পাখির চোখ করে জেলায় বন্ধ চা বাগানের ইস্যুকে হাতিয়ার করে তেড়েফুঁড়ে ময়দানে নেমে পড়েছে গেরুয়া বাহিনী। অন্যদিকে বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল শিবিরে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬২- সঙ্গীত জগতের কিংবদন্তি পুরুষ ওস্তাদ আলাউদিন খাঁর জন্ম।
১৮৯৫- জার্মান পর্দাথবিদ উইলিয়াম কনরাড রঞ্জন এক্স রে আবিষ্কার করেন।
১৯১০ - ওয়াশিংটনের নির্বাচনে প্রথম কোনও মহিলা ভোট দেন।
১৯২৭- রাজনীতিক লালকৃষ্ণ আদবানির জন্ম
১৯৩৬ - প্রখ্যাত হিন্দী কথাসাহিত্যিক মুনশি প্রেমচাঁদের মৃত্যু
১৯৪৭ – সঙ্গীতশিল্পী ঊষা উত্থুপের জন্ম
১৯৭৬ - ক্রিকেটার ব্রেট লি’র জন্ম
২০১৭ – ভারতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হয়





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪৮ টাকা ৭২.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.১২ টাকা ৯৩.৪৫ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৪ টাকা ৮০.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৬/৩০ দিবা ১২/২৫। পূর্বভাদ্রপদ ১৫/৫৯ দিবা ১২/১২। সূ উ ৫/৪৮/২৭, অ ৪/৫২/২১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে। 
২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৫/৫৮/১৯ দিবা ১২/১২/৪৩। পূর্বভাদ্রপদ ১৭/৫৮/২৫ দিবা ১/০/৪৫, সূ উ ৫/৪৯/২৩, অ ৪/৫৩/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৪ মধ্যে ও ৭/২৭ গতে ৯/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৫ গতে ২/৩৭ মধ্যে ও ৩/২০ গতে ৪/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৩৯ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে ও ৪/১৫ গতে ৫/৫০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৫/২১ গতে ৯/৫৮/২০ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৮/২০ গতে ১১/২১/১৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৭/১৬ গতে ৯/৪৪/১৭ মধ্যে। 
১০ রবিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামীকাল অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা করবে সুপ্রিম কোর্ট

09:17:50 PM

এবার হকি বিশ্বকাপ ভারতে
২০২৩ সালে পুরুষদের এফআইএইচ হকি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে ভারত। ...বিশদ

05:08:38 PM

পদত্যাগ করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী
 মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সরকার গড়ার ...বিশদ

05:01:39 PM

আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হল এবছরের আন্তর্জাতিক কলকাতা ফিল্ম উৎসবের

05:01:00 PM

বর্ধমান স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে জখম বহু
বর্ধমান স্টেশনে ৪ ও ৫ নম্বর প্লাটফর্মের মাঝে ফুটওভারব্রিজে ওঠানামা ...বিশদ

04:54:00 PM

গান্ধী পরিবারের এসপিজি নিরাপত্তা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের: সূত্র 

03:53:10 PM