Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দুনিয়া কাঁপানো সাত দিন!
মৃণালকান্তি দাস

আমরা জানি না শান্তি আগে আসে, নাকি বসন্ত। কিন্তু আমরা জানি বসন্ত অবশ্যই আসবে। যেখানে সবকিছু আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে, সেখানেও বসন্ত আসবে। ঘাস গজাবে পরিখায়, মৃত সেনাদের হাড়ের ভিতর দিয়ে। পুড়ে যাওয়া সাঁজোয়া যানগুলির উপরেও। ক্যালেন্ডার বা সময়কে থামাতে পারে না যুদ্ধ। কেবল জীবনের গতি থামায়। ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা গার্ডিয়ানে যুদ্ধের যন্ত্রণা লিখেছিলেন ইউক্রেনীয় ঔপন্যাসিক আন্দ্রেই কুরকোভ।
তিন বছর ধরে চলা সেই যুদ্ধই থামাতে চাইছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের দেশের স্বার্থেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মার্কিন করদাতাদের অর্থে এভাবে দিনের পর দিন একটা যুদ্ধ চলতে পারে না। শুধু এক ইউক্রেনের জন্য মার্কিন কোষাগার থেকে বেরিয়ে গিয়েছে ১৭৫ বিলিয়ন ডলার। আর নয়। এবার সেই অর্থ ইউক্রেনকে ফেরত দিতে হবে। নয়তো ইউক্রেনের লিথিয়াম, টাইটানিয়ামসহ বিরল খনিজ সম্পদের প্রায় ৫০ শতাংশ মালিকানা চায় আমেরিকা।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনী প্রচারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করে দেবেন। বাস্তবে তা হয়নি। তবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে মাত্র তিন সপ্তাহ পার হতেই এই যুদ্ধ থামানোর প্রক্রিয়া জেলেনস্কির মাথায় রীতিমতো বাজ ফেলে দিয়েছে। গোটা দুনিয়ার সব অঙ্ক ওলটপালট করে দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য জেলেনস্কিকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। বলেছেন, ‘আপনার কখনওই যুদ্ধ শুরু করা উচিত হয়নি।’ জেলেনস্কিকে ‘স্বৈরশাসক’ বলতেও ছাড়েননি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প লিখেছেন, জেলেনস্কি বিদেশি সহায়তার ‘রসালো ট্রেন’ চালু রাখতে চান। কিন্তু এই বর্বরতার শেষ হোক। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে তাঁর দেশ আর থাকবে না। এক্স পোস্টে এলন মাস্ক লিখেছেন, ইউক্রেনের জনগণ আজ জেলেনস্কিকে ঘৃণা করেন। ভোট হলে তিনি হেরে যাবেন। নিশ্চিত...
বিবিসির মস্কো সংবাদদাতা স্টিভ রোজেনবার্গ বলছেন, মার্কিন সাংবাদিক জন রিড তাঁর নিজের চোখে দেখা ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের অভিজ্ঞতা লিখেছিলেন। বিখ্যাত সেই বইটির শিরোনাম দিয়েছিলেন, ‘দুনিয়া কাঁপানো ১০ দিন’। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে ১০ দিন যেন অনেক বেশি। তাঁরা এক সপ্তাহেই সবকিছু কাঁপিয়ে দিয়েছেন। গোটা দুনিয়াটাকে উল্টো স্রোতে নিয়ে গিয়েছেন। যার শুরুটা হয়েছিল গত ১২ ফেব্রুয়ারি। সবাইকে অবাক করে দিয়ে সেদিন ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন। এরপর ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে গোটা দুনিয়াকে জানিয়ে দিয়েছেন, যুদ্ধে ইতি টানতে তাঁরা একমত। এই আলোচনার পরই সৌদি আরবে রাশিয়া-আমেরিকার শীর্ষ সম্মেলনের কথা ঘোষণা করা হয়। আর সেদিনই রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছিলেন, ইউরোপের দিন শেষ!
১৩ ফেব্রুয়ারি, ব্রাসেলসের ন্যাটো সদর দপ্তরে এক বক্তৃতায় মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের জন্য আমেরিকার প্রস্তাবের মূল বিষয় তুলে ধরেন। আগের মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান থেকে একেবারে উল্টো পথে গিয়ে তিনি বলেন, ইউক্রেনের পক্ষে তার সব ভূখণ্ড পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয়। আলোচনার পথ উন্মুক্ত রাখতে ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ পাওয়ার বিষয়টিও বাদ দিতে হবে। এই বক্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন কার্যত ২০০৮ সালের মার্কিন-ইউক্রেন কৌশলগত অংশীদারিত্বের চুক্তিকে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। ওই চুক্তিতে ইউক্রেনের অখণ্ডতা রক্ষা এবং ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউক্রেনের অন্তর্ভুক্তিকে নীতিগত অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ইউক্রেনের নিরাপত্তা প্রশ্নে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব বলেছেন, যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নের জন্য ইউরোপীয় ও অন্যান্য অঞ্চলের শান্তিরক্ষী মোতায়েনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে আর কোনও মার্কিন সেনা পাঠানো হবে না এবং ন্যাটোভুক্ত দেশের সেনারা ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় থাকবে না। এই অনুচ্ছেদে রয়েছে, কোনও সদস্যরাষ্ট্র আক্রান্ত হলে তাকে রক্ষা করতে ন্যাটো সম্মিলিতভাবে সক্রিয় হয়। ইতিমধ্যে ন্যাটোর অন্যতম মিত্র পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক জানিয়ে দিয়েছেন, শান্তিরক্ষায় তাদের দেশের কোনও সেনা ইউক্রেনে যাবে না।
পিট হেগসেথের কথায় ইউক্রেনের কিছু ইউরোপীয় মিত্র আপাতত ক্ষোভ প্রকাশ করলেও তাদের আমেরিকার পথেই হাঁটতে হবে। উপায় নেই। হয়তো তাই, ১৪ ফেব্রুয়ারি ন্যাটোর নতুন মহাসচিব মার্ক রুটে বলেছেন, ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদানের নিশ্চয়তা কখনওই দেওয়া হয়নি। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে তাঁর আগের কিছু প্রতিশ্রুতির কোনও মিল নেই। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর এই মার্ক রুটে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ইউক্রেন ‘ন্যাটোর সদস্যপদ পাবেই’। কিন্তু এখন ঠিক উল্টো কথা বলা শুরু করেছেন। আর বিধ্বস্ত জেলেনস্কিও বলেছেন, আমেরিকার সরাসরি অংশগ্রহণ ছাড়া পশ্চিমী নিরাপত্তা নিশ্চয়তার তেমন কোনও মূল্য নেই। ইউরোপের দেশগুলি যে ‘ঠুঁটো’ তা এই যুদ্ধকালীন সময়ে বুঝে গিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টও।
ট্রাম্প ও হেগসেথের এই ঘোষণার পর পশ্চিমের কিছু সংবাদমাধ্যম ‘ইউক্রেনের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে সমালোচনা করেছে। কিন্তু এটা তো কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়। বরং ইউক্রেনের সঙ্গে মার্কিন সম্পর্কের ধরন যে বদলাবে অনেক আগেই তা অনুমেয় ছিল। এই পরিস্থিতি তৈরির জন্য ট্রাম্পকে কীভাবে দায়ী করবেন? ইউক্রেনের সঙ্গে আসলে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে ইউরোপ তথা পশ্চিমের দেশগুলিই। তারা ইউক্রেনকে ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। গত তিন বছরে পশ্চিমী দুনিয়া অস্ত্র সরবরাহ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাশিয়াকে যত দূর সম্ভব চাপে রাখার চেষ্টা করেছে। লাভ হয়নি। এর বেশি এগোলে বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হতো। রাশিয়া পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। এই কারণেই পশ্চিমী দুনিয়া সরাসরি সংঘাতে জড়াতে চায়নি। অথচ, তাদেরই ভরসায় ইউক্রেন আপসের পথ ছেড়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যায়।
রাশিয়া-আমেরিকার শীর্ষ সম্মেলনের পর আপ্লুত মার্কিন প্রেসিডেন্ট এয়ার ফোর্স ওয়ানে বসে বিবিসিকে সাক্ষাৎকার দেন। বলেন, ‘আমি মনে করি, রাশিয়া যুদ্ধের ইতি টানতে চায়, আমি তা বিশ্বাস করি। কার্ড এখন পুতিনের হাতে।’ এর মানে কি রাশিয়ার জয়? হ্যাঁ, তাই-ই। তবে ইউক্রেনকে রাশিয়ার সামনে ছুড়ে দিয়েছে কে? যুদ্ধে উৎসাহী পশ্চিমের আগ্রাসী নীতির অনুসারীরাই। পশ্চিমী বিশ্লেষকরা মনে করেছিলেন, যুদ্ধের চাপে রাশিয়ার অর্থনীতি ধসে পড়বে। ভেঙে পড়বে তার শাসনব্যবস্থা। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বিশাল সামরিক ব্যয়ের ফলে রাশিয়ার অর্থনীতি বরং চাঙ্গা হয়েছে। রুশ জনগণ এই যুদ্ধের বড় কোনও প্রভাব অনুভব করেনি। অন্যদিকে জীবন দুর্বিষহ হয়েছে ইউক্রেনের জনগণেরই। পুতিনকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজিত করা সম্ভব নয়। তাঁর পতন সম্ভব রাশিয়ার জনগণ রুখে দাঁড়ালে। কিন্তু পশ্চিমী বিশ্ব ও ইউক্রেন এতটাই কট্টর যে পুতিনবিরোধী অনেক রুশ নাগরিকও তাদের থেকে দূরে সরে গিয়েছে। পশ্চিমীদের আচরণ দেখে মনে হয়েছে, তারা শান্তি নয়, যুদ্ধই চেয়েছে। আজ জাতীয় নির্বাচনে একের পর এক ইউরোপীয়ান নেতাদের পতন জেলেনস্কিকে কার্যত কোণঠাসা করে ফেলেছে।
ক্রেমলিনপন্থী ট্যাবলয়েড মস্কোভস্কি কমসোমোলেৎস লিখেছে, ‘ট্রাম্প জানেন, তিনি এমন একটি পক্ষের সঙ্গে দর-কষাকষি করছেন, যারা ইউক্রেনে জিততে চলেছে। তাঁকে রাশিয়াকে ছাড় দিতেই হবে। তবে সেই ছাড় আমেরিকার ক্ষতি করে নয়, তা হবে ইউরোপ ও ইউক্রেনের মূল্য চোকানোর মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ সময় ধরে ইউরোপ একধরনের দম্ভের মধ্যে ছিল। তাঁরা নিজেদের সভ্য জগৎ ও স্বর্গের উদ্যান মনে করতেন। কিন্তু তাঁদের পরণে যে ট্রাউজার নেই, সেটা তাঁরা খেয়াল রাখেননি।...এখন অতলান্তিকের ওপারে তাঁদের নেতা আমেরিকাই সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে...।’
গত সপ্তাহে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জি-৭-এর বিবৃতিতে আমেরিকা স্বাক্ষর করতে রাজি হয়নি। এর কারণ একটাই, বিবৃতিতে ‘রাশিয়ার আগ্রাসন’ শব্দবন্ধটি ব্যবহার করা হয়েছিল। বোঝাই যাচ্ছে, ইউক্রেনের সামনে আর কোনও বিকল্প নেই। এই হতাশা প্রকাশ পেয়েছে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে জেলেনস্কির বক্তব্যে। তাঁর বক্তব্য ছিল চ্যালেঞ্জ ছোড়ার মতো, কিন্তু ভিতরে ছিল অসহায়ত্বের ছাপ। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নকে প্রস্তাব দেন, ইউক্রেনের সেনাবাহিনীই নতুন ইউরোপীয় সামরিক শক্তির কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু এটি অবাস্তব। কারণ, তাহলে ইউরোপ সরাসরি রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়বে। ব্রিটেন থেকে জার্মানি— কেউ সেই অবস্থায় নেই। জেলেনস্কি যতই লম্ফঝম্ফ করুন না কেন, যতই ট্রাম্পকে সাম্রাজ্যবাদী বলুন না কেন, আমেরিকার জন্য ইউক্রেনের খনিজ সম্পদের দরজা খুলে দিতেই হবে। ছেড়ে দিতে হবে রাশিয়ার দখলে চলে যাওয়া জমিও। দেশ বিক্রির পথেই হাঁটতে হবে তাঁকে। এর জন্য দায়ী জেলেনস্কি নিজেই! সংবাদসংস্থা দ্য ইকোনমিস্টের প্রাক্তন প্রধান সম্পাদক বিল ইমোট তো লিখতে বাধ্য হয়েছেন, রাশিয়া হাসছে, ইউরোপ কাঁদছে!
27th  February, 2025
বিশ্বে নতুন ইতিহাসের সূচনা: ভারত কী করবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

কঙ্গো অথবা লিবিয়া। লেবানন কিংবা নাইজেরিয়া।  সারাক্ষণ কেন যুদ্ধ অথবা গৃহযুদ্ধ লেগে থাকে? অভ্যন্তরীণ সংঘাত? দুই গোষ্ঠী, সরকার বনাম বিদ্রোহীর ক্ষমতার লড়াই? গণতন্ত্র বনাম স্বৈরাচার? এসব কারণেই তাবৎ সংঘাত ঘটছে। কিন্তু আসলে সেই কারণ গৌণ। মুখ্য কারণ মিনারেলসের লড়াই।
বিশদ

যোগী রাজ্যে ধর্মের বেসাতি
স্বস্তিনাথ শাস্ত্রী

 

লাশ, সর্বত্র লাশ। প্রয়াগের সঙ্গম থেকে নয়াদিল্লির স্টেশন—স্তূপাকার লাশ। সরকারি হিসেবে সংখ্যাটা এখনও পর্যন্ত ৫৫। কিন্তু কে না জানে, বাস্তবের সঙ্গে সরকারি হিসেব কখনওই মেলে না। বাস্তবে সংখ্যাটা হাজার ছাড়িয়ে যাওয়াও আশ্চর্যের নয়। সেই লাশের স্তূপের উপর দাঁড়িয়েই চলছে মোদি-যোগীর ২ লক্ষ কোটি টাকার বেসাতি— ধর্মের নামে।
বিশদ

26th  February, 2025
প্রয়াগে ঠাকুর, সারদা মা পুণ্যস্নান করেছিলেন
হারাধন চৌধুরী

আজ, মহাশিবরাত্রি এবং ৪৫ দিনের মহাকুম্ভ মেলার শেষদিন। কোটি কোটি ভক্তজনের পুণ্যস্নানকে কেন্দ্র করে অনেকগুলি মর্মান্তিক ঘটনা ইতিমধ্যেই ঘটে গিয়েছে।
বিশদ

26th  February, 2025
পুণ্যের আশা, রাজনীতির ফল
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভিড়ের স্রোতের মধ্যে বয়ে যেতে যেতেই ডান পা’টা আটকে গেল রামশরণের। কাঁধে একটা ঝোলা, আর ডান হাতে ব্যাগটা থাকায় প্রথমে ঠাহর করতে পারলেন না। ঘাড়টা একটু বেঁকিয়ে দেখতে পেলেন, এক বৃদ্ধা তাঁর পা’টা চেপে ধরেছে।
বিশদ

25th  February, 2025
বেকারত্ব, উৎপাদন, মুদ্রাস্ফীতি, গরিব উপেক্ষিত
পি চিদম্বরম

সরকারের দেওয়া শুকনো প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে আমি সাধারণত সন্দেহ পোষণ করে থাকি। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য একটি সময়সূচি মেনটেন করতে পছন্দ করি। আর চাই কাজের শেষে একটি পারফর্ম্যান্স রিপোর্ট থাকবে।
বিশদ

24th  February, 2025
রাজনীতির ওঠাপড়া

এই রাজ্যের দুই প্রধান বিরোধী দলের গ্রহণযোগ্যতা শূন্যে উড়ে বেড়ানো দিশাহীন বেলুনের মতো! আসলে আসন্ন নির্বাচনে সিপিএম, বিজেপি কেউ ক্ষমতা দখলের জন্য লড়াই করছে না। সিপিএম লড়ছে শূন্যের গ্লানি মোচনের লক্ষ্যে। যদিও তাও খুব সহজ হবে না। আর বিজেপি লড়ছে, গতবারের ৭৭টি আসনের অন্তত অর্ধেক আসনে মানরক্ষার টার্গেট হাতে নিয়ে।
বিশদ

23rd  February, 2025
ছেঁড়া কাঁথা, তবুও লাখপতি হতে চায় বিজেপি

বঙ্গ বিজেপির অবস্থা যত করুণই হোক না কেন, ‘ভোট পুজো’র ঢাকে কাঠি পড়লেই দিল্লির নেতাদের বাংলায় ডেলি প্যাসেঞ্জারি শুরু হবে। ফের বাড়বে কেন্দ্রীয় এজেন্সির সক্রিয়তা। কিন্তু তাতে বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাবে না। কারণ বিজেপি আছে টিভিতে, বামেরা আছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, কিন্তু মমতা আছেন মাঠে, ময়দানে, মানুষের পাশে। তাই মাটি দখলের লড়াইয়ে তিনিই এগিয়ে যান অনায়াসে।
  বিশদ

22nd  February, 2025
ব্যর্থ নবরত্নসভা এবং দিল্লির নারী মুখ্যমন্ত্রী 
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদির আমলে মনোনীত বিজেপি’র প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রেখা গুপ্তাকে কি দৃষ্টান্তমূলক এক সফল শাসক হয়ে ওঠার সুযোগ আদৌ তাঁর দল দেবে? এটা কিন্তু এক বড়সড় সুযোগ বিজেপির কাছে। প্রমাণ করা যে, তারা নারী ক্ষমতায়নের একটি জোরদার উদাহরণ স্থাপন করে যাচ্ছেন। নাকি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আর একজন পুতুল হবেন?
বিশদ

21st  February, 2025
‘আত্মঘাতী বাঙালি’র মুখের ভাষা আজ বিপন্ন
তাপসী দাস

সাহেবদের ভাষা বিহনে এখন উচ্চশিক্ষার জগৎ অন্ধকার। শৈশব থেকে তাই ইংরেজি শিখতে হবে। কিন্তু তার সঙ্গে মাতৃভাষা বাংলা ভুলতে হবে কেন? তাকিয়ে দেখুন, দক্ষিণ ভারতের দিকে। ইংরেজি সেখানেও স্বমহিমায় বিরাজমান। তবে কখনওই মাতৃভাষাকে বিসর্জন দিয়ে নয়। আজ দক্ষিণ ভারতের ছেলেমেয়েরা দেশ-বিদেশ সর্বত্রই উচ্চ পদমর্যাদার চাকরিতে বহাল। অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যদি ভাষাকে যুক্ত করা না যায়, তবে সেই ভাষা একদিন হারিয়ে যেতে বাধ্য।
বিশদ

21st  February, 2025
মিস্টার কো-প্রেসিডেন্ট!
মৃণালকান্তি দাস

মাস্ক এমনভাবে মার্কিন কংগ্রেসের উপরও ছড়ি ঘোরাতে শুরু করেছেন, যেখানে বিভ্রান্ত রিপাবলিকান পার্টির মাথারাও। মাস্ক একেবারে ট্রাম্প সুলভ। প্রতিদিনই কার্যত উল্টোপাল্টা কিছু না কিছু বলেই চলেছেন। সারাক্ষণ সংবাদমাধ্যমের চর্চায় থাকতে ভালোবাসেন। ফলে রিপাবলিকান পার্টি ও ট্রাম্পের প্রশাসনে মাস্কের প্রভাব বাড়ছে দিন-দিন। ‘মাস্কম্যানিয়া’ নামে একটা শব্দই তৈরি হয়ে গিয়েছে আমেরিকায়।
বিশদ

20th  February, 2025
নতুন লড়াইয়ে দৃপ্ত হবে একুশের ময়দান
সন্দীপন বিশ্বাস

বাংলাদেশে উন্মত্ত এই নতুন প্রজন্ম কি চেনে আব্দুল গাফফার চৌধুরীকে? এই মুহূর্তে যারা দাপাদাপি করে দেশটাকে আর একটা পাকিস্তান বানাতে চাইছে, তারা কি চেনে আব্দুল লতিফ কিংবা আলতাফ মামুদকে? এই আত্মঘাতী প্রজন্ম চেনে না রফিক, আজাদ, জব্বারকেও।
বিশদ

19th  February, 2025
সমাজে আলোর দিশারি দুই চিরজাগ্রত আলোকবর্তিকা
অতূণ বন্দ্যোপাধ্যায়

শীতের শেষ বসন্তের আগমন। বসন্ত যেন নতুনের শুরু। প্রকৃতি এই সময় শীতের রুক্ষতা ত্যাগ করে নতুন করে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। শীত বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে গাছে গাছে গজিয়ে ওঠা নতুন কচি কচি পাতায় প্রকৃতি তার অপরূপ রূপে সেজে ওঠে। ফুল ফোটে।
বিশদ

18th  February, 2025
একনজরে
আজ ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান। তার আগে বৃহস্পতিবার লন্ডনের মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে সময় কাটালেন ব্রিটেনের রাজা চার্লস ও  রানি ক্যামিলা। ...

টিউশন পড়তে গিয়ে শিক্ষকের লালসার শিকার কিশোরী। গত তিন বছর ধরে তাকে ধর্ষণ করে গিয়েছে অভিযুক্ত শিক্ষক। অবশেষে গুণধর গৃহশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ...

এবার মালদহের দর্শনীয় স্থান নিয়ে তৈরি হচ্ছে শর্ট ফিল্মস। বাংলার প্রাচীন রাজধানী গৌড় থেকে আদিনা, আম থেকে রসকদম্ব, গঙ্গা থেকে মহানন্দার প্রাকৃতিক বৈচিত্র নিয়ে তৈরি ...

শ্রীরামপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের জায়গা থেকে হকার উচ্ছেদের কাজে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় থেকে অর্থাগম ও পুনঃ সঞ্চয়। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা নতুন কর্ম লাভের সম্ভাবনা। মন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

মারাঠি ভাষা দিবস
বিশ্ব এনজিও দিবস
১৭১২- মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ ১-এর মৃত্যু
১৯৩১- স্বাধীনতা সংগ্রামী চন্দ্রশেখর আজাদের মৃত্যু
২০১২- কিংবদন্তি ফুটবলার শৈলেন মান্নার মৃত্যু 
১৯৬৭- অভিনেতা ববি দেওলের জন্ম
১৯৬৯- পরিচালক বিক্রম ভাটের জন্ম
১৯৭৬- অভিনেতা শ্রেয়স তালপাড়ের জন্ম
১৯৯৩- অভিনেত্রী তথা যুব নেত্রী সায়নী ঘোষের জন্ম
১৯৭৭- মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার জন্ম

27th  February, 2025


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮৬.৪৩ টাকা ৮৮.১৭ টাকা
পাউন্ড ১০৮.৬৮ টাকা ১১২.৪৬ টাকা
ইউরো ৮৯.৭৪ টাকা ৯৩.১৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৮৫,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৮৬,১০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৮১,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৯৫,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৯৫,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ ফাল্গুন, ১৪৩১, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। অমাবস্যা ০/৩০ প্রাতঃ ৬/১৫ পরে ফাল্গুন শুক্ল প্রতিপদ ৫৩/৫ রাত্রি ৩/১৭। শতভিষা নক্ষত্র ১৯/৩ দিবা ১/৪০। সূর্যোদয় ৬/২/৫০, সূর্যাস্ত ৫/৩৫/৫০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৮/২১ গতে ১০/৪০ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৬ গতে ৮/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৩ গতে ৪/২২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৪ গতে ১১/২৪ মধ্যে পুনঃ ৪/২২ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৫৬ গতে ১১/৪৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪২ গতে ১০/১৫ মধ্যে। 
১৫ ফাল্গুন, ১৪৩১, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। অমাবস্যা প্রাতঃ ৬/৫৬ পরে প্রতিপদ শেষরাত্রি ৫/৪। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ২/৫৮। সূর্যোদয় ৬/৫, সূযাস্ত ৫/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৬ মধ্যে ও ৮/১৩ গতে ১০/৩৫ মধ্যে ও ১২/৫৭ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৫/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১৯ গতে ৮/৫৬ মধ্যে ও ৩/২৬ গতে ৪/১৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৪ গতে ১১/২২ মধ্যে ও ৪/১৬ গতে ৬/৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/৫৮ গতে ১১/৫০ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৩ গতে ১০/১৬ মধ্যে।  
২৯ শাবান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি: হাফ সেঞ্চুরি করলেন ওমারজায়ি, আফগানিস্তান ২৫৪/৮ (৪৮ ওভার), বিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া

05:50:00 PM

হরিদ্বারের একটি রবার কারখানায় আগুন, ঘটনাস্থলে দমকল

05:49:00 PM

মা হচ্ছেন কিয়ারা
বিয়ের দু'বছর পর সুখবর শোনালেন কিয়ারা আদবানি এবং সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। ...বিশদ

05:46:17 PM

বদ্রীনাথের কাছেই ভয়াবহ তুষারধস, চাপা পড়লেন ৫৭ জন শ্রমিক, চলছে বরফ সরানোর কাজ

05:46:03 PM

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি: ১৯ রানে আউট রশিদ, আফগানিস্তান ২৩৮/৮ (৪৬ ওভার), বিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া

05:40:00 PM

জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে ৩ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে গণ্ডার গণনা, চলবে ৬ মার্চ পর্যন্ত

05:28:00 PM