Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

যোগী রাজ্যে ধর্মের বেসাতি
স্বস্তিনাথ শাস্ত্রী

 

‘বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে
মাটিতে লেগে আছে রক্তের দাগ।
এই রক্তমাখা মাটির ললাট ছুঁয়ে একদিন যারা বুক বেঁধেছিলো...।’ 
—কবি রুদ্র মহম্মদ শহিদুল্লাহ
লাশ, সর্বত্র লাশ। প্রয়াগের সঙ্গম থেকে নয়াদিল্লির স্টেশন—স্তূপাকার লাশ। সরকারি হিসেবে সংখ্যাটা এখনও পর্যন্ত ৫৫। কিন্তু কে না জানে, বাস্তবের সঙ্গে সরকারি হিসেব কখনওই মেলে না। বাস্তবে সংখ্যাটা হাজার ছাড়িয়ে যাওয়াও আশ্চর্যের নয়। সেই লাশের স্তূপের উপর দাঁড়িয়েই চলছে মোদি-যোগীর ২ লক্ষ কোটি টাকার বেসাতি— ধর্মের নামে। প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ২ লক্ষ কোটি টাকার ব্যবসার স্বপ্নে বিভোর উত্তরপ্রদেশ সরকার কিংবা কেন্দ্রের সরকার কেউই আম জনতার সুরক্ষার দিকটি নিশ্চিত করেনি। যদিও কনফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের (সিএআইটি) সম্পাদক, প্রবীণ বিজেপি নেতা ও সাংসদ খান্ডেলওয়ালের দাবি, ব্যবসার অঙ্ক ৩ লক্ষ কোটির গণ্ডি টপকাতে চলেছে। ব্যবসায় লাভের অঙ্ক যাই হোক, অভিযোগ হল, যথাযথ সুরক্ষার অভাবেই এই মৃত্যু মিছিল। প্রথমে মৌনী অমাবস্যার স্নানে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় ৩৭ জনের মৃত্যু। তারপর নয়াদিল্লি স্টেশনে ফের পদপিষ্ট হয়ে ১৮ জনের মৃত্যু। এছাড়াও বার তিনেক অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে মেলা প্রাঙ্গণে। যদিও সেইসব অগ্নিকাণ্ডে কোনও প্রাণহানি হয়নি। কুম্ভে যাওয়ার পথে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঘটনাও আছে। অথচ দেশ-বিদেশের সাংবাদিকদের সামনে উত্তরপ্রদেশ সরকারের আমলারা সুরক্ষা ব্যবস্থার কত গালভরা বিবরণই না দিয়েছিলেন! বলা হয়েছিল, এআই সুরক্ষার ব্যবস্থা থাকবে। এই নাকি এআই সুরক্ষা! বলা হয়েছিল ৫৫টি থানায় মোট ৪৫ হাজার পুলিস কর্মী মোতায়েন থাকবে। ৩ হাজার সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হবে গোটা মেলা। কিন্তু সেসব কী কাজে লাগল! আসলে গোড়ায় গলদ। গোটা মেলার পরিকল্পনাটাই হয়েছিল উচ্চকোটির লোকেদের কথা ভেবে। সাংবাদিকদের বলা হয়েছিল, ৪০ কোটি মানুষ আসতে পারে এই মেলায়। প্রত্যেকে যদি গড়ে ৫ হাজার টাকা করে ব্যয় করে তবে ২ লক্ষ কোটি টাকার ব্যবসা হবে। কিন্তু মহাকুম্ভে যে অগণিত মানুষ পুণ্যলাভের আশায় আসেন, তাঁদের অধিকাংশই তো গরিব গুর্বো। নয়াদিল্লি স্টেশনে কিংবা প্রয়াগের সঙ্গমে যাঁরা পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছেন তাঁদের অনেকেই গরিব মানুষ। পুণ্যার্থীদের অধিকাংশই জেনারেল কামরার টিকিট কেটে ট্রেনে চেপে বসেন। আখড়ার প্রসাদ খেয়ে পেট ভরান। স্টেশনে বা সাধু সন্ন্যাসীর ডেরায় রাতটা কাটিয়ে দেন। তারপর ফিরতি ট্রেন ধরেন। তাঁরা কী করে ব্যয় করবেন ৫ হাজার টাকা! হয়তো এঁদের মাসিক আয়ই ৫ হাজার টাকা হয় না। কিন্তু কুম্ভ তো এঁদেরই। অথচ এঁদের কথাই ভুলে গিয়েছিল মোদি ও যোগী সরকার। 
শঙ্করাচার্য পরিষদ ও শঙ্করাচার্য ট্রাস্টের সভাপতি স্বামী আনন্দস্বরূপ মহারাজ প্রয়াগে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনার আগের দিনই যা নিয়ে সাবধান করেছিলেন আয়োজকদের। তিনি বলেছিলেন, মহাকুম্ভে যেভাবে ভিআইপি সংস্কৃতির বাড়বাড়ন্ত হয়েছে তা আগে কখনও দেখা যায়নি। ভিআইপিরা গাড়ি নিয়ে সোজা পৌঁছে যাচ্ছিলেন স্নানের ঘাটে। যেখানে সাধারণ মানুষকে ১৫-২০ কিলোমিটার হেঁটে যেতে হচ্ছিল স্নান করতে। ভিআইপিদের যাতায়াত সহজ করতে বার বার আটকে দেওয়া হচ্ছিল সাধারণ মানুষকে। কুম্ভে সবচাইতে উপেক্ষিত ছিল আম জনতা। মোদি ও যোগী সরকার ভিআইপি ও বিদেশি অতিথিদের রাত্রিবাসের জন্য ১ লাখি টেন্ট করেছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত শৌচালয় করেনি। কুম্ভ ফেরত অধিকাংশ মানুষ এই অভিযোগ করেছেন। আসলে সাধারণ মানুষের সুরক্ষা ও সুবিধের থেকে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের বেশি নজর ছিল পয়সা রোজগারের দিকে, ‘বেওসা’ করার দিকে। বিজেপি প্রথমে ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার করে তুলেছে, আর এখন ধর্মকে তারা ব্যবসার উপকরণে পরিণত করেছে। যার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলির প্রতিনিধিদের কাছে কুম্ভকে ব্রাজিলের ‘রিও কার্নিভাল’-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেছে, রিওতে ৭০ লক্ষ মানুষ জড়ো হন। কুম্ভে আসবেন ৪০ কোটি মানুষ। কোথায় রিও কার্নিভাল, যেখানে স্বল্পবসনা সুন্দরীদের নাচ দেখতে বিশ্বের পয়সাওলা মানুষ ভিড় করেন, আর কোথায় মহাকুম্ভ!— যেখানে সাধারণ মানুষ আসে শান্তির খোঁজে। ত্রিবেণী সঙ্গমের জলে পাপ ধুয়ে পুনর্জন্ম থেকে নিষ্কৃতি লাভের আশায়। এই দু’-ই কি এক হল? কিন্তু বিজেপি পরিচালিত সরকার এই দুইকে এক করে ছাড়ল। এই হল বিজেপি। এই বিজেপিরই লোকসভার এক সাংসদ— অভিনেতা পরেশ রাওয়াল একটি ছবিতে এক নাস্তিক ব্যবসায়ীর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। ছবিটির নাম ‘ও মাই গড’। এটি আদতে একটি হিন্দি নাটক অবলম্বনে তৈরি। ‘কিষেন ভার্সেস কানহাইয়া’ নামে সেই নাটকেও অভিনয় করেছিলেন পরেশ এবং প্রযোজনাও ছিল তাঁরই। নাটকটি নিয়ে কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। তখনই তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি কি নাস্তিক? জবাবে তৎকালীন বিজেপির লোকসভার সাংসদ জানিয়েছিলেন, তিনি ঈশ্বরে বিশ্বাসী, কিন্তু ধর্ম নিয়ে ব্যবসার ঘোরতর বিরোধী। যেভাবে ভণ্ড বাবারা ধর্মকে ব্যবসার হাতিয়ার করে তুলেছে, তার বিরোধিতার জন্যই এই নাটক তাঁর করা। পরেশ কি দেখতে পাচ্ছেন কী চলছে কুম্ভমেলা নিয়ে? কুম্ভমেলা নিয়ে সরকারি উদ্যোগে এই ব্যবসার কি প্রতিবাদ করবেন তিনি? 
সিআইআই এক হিসেবে দেখিয়েছে, ২০১৩ সালে কুম্ভমেলায় ১২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়েছিল। ২০১৯ সালে কুম্ভমেলায় আয় হয়েছিল ১.২ লক্ষ কোটি টাকা। ওই বছর ৬ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছিল মেলার বিভিন্ন ক্ষেত্রে। এ বছর মোদি সরকারের লক্ষ্য ছিল সেই রাজস্ব বাড়িয়ে ২ লক্ষ কোটিতে নিয়ে যাওয়া। তার জন্য উত্তরপ্রদেশ সরকার ২০২৪-২৫ সালের রাজ্য বাজেটে ২৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল। তার আগের বছর রাজ্য বাজেটে এই লক্ষ্যেই বরাদ্দ করেছিল ৬২১.৫৫ কোটি টাকা। এতেই শেষ নয়। উত্তরপ্রদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে কেন্দ্রীয় সরকার ২১০০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ করেছে মহাকুম্ভ উপলক্ষ্যে। লক্ষ্য একটাই, কুম্ভ ভাঙিয়ে উত্তরপ্রদেশের অর্থনীতিতে জোয়ার নিয়ে আসা। কই বাঙালির দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে তো কোনওদিন এক পয়সাও দেয় না কেন্দ্র! দুর্গাপুজো তো ইউনেস্কোর কালচারাল হেরিটেজ স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রতিবছর দুর্গাপুজো দেখতে প্রচুর দেশি-বিদেশি অতিথির সমাগম হয় রাজ্যে। গত বছরও প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার মতো ব্যবসা হয়েছে পুজোর সময়ে। কিন্তু তাতে সরাসরি সরকারি অংশগ্রহণ থাকে না। হ্যাঁ, পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ সরকার নিশ্চয়ই করে। সেটা সরকারের দায়িত্ব। পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদানও দিয়েছে, কিন্তু বাজেটে বরাদ্দ করে সরাসরি বিনিয়োগ— নৈব নৈব চ। আর কেন্দ্রীয় সহায়তা তো কখনওই নয়। কুম্ভের তুলনায় অত্যন্ত অপরিসর কলকাতার রাস্তাঘাট। কিন্তু কোনওদিন একটা আঁচড় পর্যন্ত লাগেনি কোনও দর্শনার্থীর গায়ে। রাজ্যের পুলিস প্রশাসন এতটাই সচেতন থাকে মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে যে, দেশপ্রিয় পার্কের পুজো হোক কিংবা সুজিত বসুর পুজো—যেখানেই সামান্যতম দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে, সেখানেই প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে বিধি নিষেধ আরোপ করেছে। 
মোদ্দা কথা যোগীর প্রশাসন ঢাকঢোল পিটিয়ে মহাকুম্ভ আয়োজনের নামে একটি বিরাট অশ্বডিম্ব প্রসব করেছে। চূড়ান্ত ব্যর্থ উত্তরপ্রদেশের প্রশাসন। যোগীর রাজ্যের উচিত কী করে একটা মেগা ইভেন্টের আয়োজন করতে হয় তা পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজো দেখে শেখা। 
সর্বোপরি সংবিধান মোতাবেক ভারত এখনও ধর্মনিরপেক্ষ। ধর্মনিরপেক্ষ কথাটার অর্থ হচ্ছে, সাধারণ নাগরিকের ধর্মাচরণে রাষ্ট্র নাক গলাবে না। কিন্তু মোদি ও যোগীর সরকার শুধু নাক গলিয়েছে তা-ই নয়, তারা রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় কুম্ভমেলার আয়োজন করেছে। যা কি সরাসরি সংবিধান বিরোধী নয়? 
26th  February, 2025
বিশ্বে নতুন ইতিহাসের সূচনা: ভারত কী করবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

কঙ্গো অথবা লিবিয়া। লেবানন কিংবা নাইজেরিয়া।  সারাক্ষণ কেন যুদ্ধ অথবা গৃহযুদ্ধ লেগে থাকে? অভ্যন্তরীণ সংঘাত? দুই গোষ্ঠী, সরকার বনাম বিদ্রোহীর ক্ষমতার লড়াই? গণতন্ত্র বনাম স্বৈরাচার? এসব কারণেই তাবৎ সংঘাত ঘটছে। কিন্তু আসলে সেই কারণ গৌণ। মুখ্য কারণ মিনারেলসের লড়াই।
বিশদ

দুনিয়া কাঁপানো সাত দিন!
মৃণালকান্তি দাস

আমরা জানি না শান্তি আগে আসে, নাকি বসন্ত। কিন্তু আমরা জানি বসন্ত অবশ্যই আসবে। যেখানে সবকিছু আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে, সেখানেও বসন্ত আসবে। ঘাস গজাবে পরিখায়, মৃত সেনাদের হাড়ের ভিতর দিয়ে। পুড়ে যাওয়া সাঁজোয়া যানগুলির উপরেও।
বিশদ

27th  February, 2025
প্রয়াগে ঠাকুর, সারদা মা পুণ্যস্নান করেছিলেন
হারাধন চৌধুরী

আজ, মহাশিবরাত্রি এবং ৪৫ দিনের মহাকুম্ভ মেলার শেষদিন। কোটি কোটি ভক্তজনের পুণ্যস্নানকে কেন্দ্র করে অনেকগুলি মর্মান্তিক ঘটনা ইতিমধ্যেই ঘটে গিয়েছে।
বিশদ

26th  February, 2025
পুণ্যের আশা, রাজনীতির ফল
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভিড়ের স্রোতের মধ্যে বয়ে যেতে যেতেই ডান পা’টা আটকে গেল রামশরণের। কাঁধে একটা ঝোলা, আর ডান হাতে ব্যাগটা থাকায় প্রথমে ঠাহর করতে পারলেন না। ঘাড়টা একটু বেঁকিয়ে দেখতে পেলেন, এক বৃদ্ধা তাঁর পা’টা চেপে ধরেছে।
বিশদ

25th  February, 2025
বেকারত্ব, উৎপাদন, মুদ্রাস্ফীতি, গরিব উপেক্ষিত
পি চিদম্বরম

সরকারের দেওয়া শুকনো প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে আমি সাধারণত সন্দেহ পোষণ করে থাকি। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য একটি সময়সূচি মেনটেন করতে পছন্দ করি। আর চাই কাজের শেষে একটি পারফর্ম্যান্স রিপোর্ট থাকবে।
বিশদ

24th  February, 2025
রাজনীতির ওঠাপড়া

এই রাজ্যের দুই প্রধান বিরোধী দলের গ্রহণযোগ্যতা শূন্যে উড়ে বেড়ানো দিশাহীন বেলুনের মতো! আসলে আসন্ন নির্বাচনে সিপিএম, বিজেপি কেউ ক্ষমতা দখলের জন্য লড়াই করছে না। সিপিএম লড়ছে শূন্যের গ্লানি মোচনের লক্ষ্যে। যদিও তাও খুব সহজ হবে না। আর বিজেপি লড়ছে, গতবারের ৭৭টি আসনের অন্তত অর্ধেক আসনে মানরক্ষার টার্গেট হাতে নিয়ে।
বিশদ

23rd  February, 2025
ছেঁড়া কাঁথা, তবুও লাখপতি হতে চায় বিজেপি

বঙ্গ বিজেপির অবস্থা যত করুণই হোক না কেন, ‘ভোট পুজো’র ঢাকে কাঠি পড়লেই দিল্লির নেতাদের বাংলায় ডেলি প্যাসেঞ্জারি শুরু হবে। ফের বাড়বে কেন্দ্রীয় এজেন্সির সক্রিয়তা। কিন্তু তাতে বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাবে না। কারণ বিজেপি আছে টিভিতে, বামেরা আছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, কিন্তু মমতা আছেন মাঠে, ময়দানে, মানুষের পাশে। তাই মাটি দখলের লড়াইয়ে তিনিই এগিয়ে যান অনায়াসে।
  বিশদ

22nd  February, 2025
ব্যর্থ নবরত্নসভা এবং দিল্লির নারী মুখ্যমন্ত্রী 
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদির আমলে মনোনীত বিজেপি’র প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রেখা গুপ্তাকে কি দৃষ্টান্তমূলক এক সফল শাসক হয়ে ওঠার সুযোগ আদৌ তাঁর দল দেবে? এটা কিন্তু এক বড়সড় সুযোগ বিজেপির কাছে। প্রমাণ করা যে, তারা নারী ক্ষমতায়নের একটি জোরদার উদাহরণ স্থাপন করে যাচ্ছেন। নাকি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আর একজন পুতুল হবেন?
বিশদ

21st  February, 2025
‘আত্মঘাতী বাঙালি’র মুখের ভাষা আজ বিপন্ন
তাপসী দাস

সাহেবদের ভাষা বিহনে এখন উচ্চশিক্ষার জগৎ অন্ধকার। শৈশব থেকে তাই ইংরেজি শিখতে হবে। কিন্তু তার সঙ্গে মাতৃভাষা বাংলা ভুলতে হবে কেন? তাকিয়ে দেখুন, দক্ষিণ ভারতের দিকে। ইংরেজি সেখানেও স্বমহিমায় বিরাজমান। তবে কখনওই মাতৃভাষাকে বিসর্জন দিয়ে নয়। আজ দক্ষিণ ভারতের ছেলেমেয়েরা দেশ-বিদেশ সর্বত্রই উচ্চ পদমর্যাদার চাকরিতে বহাল। অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যদি ভাষাকে যুক্ত করা না যায়, তবে সেই ভাষা একদিন হারিয়ে যেতে বাধ্য।
বিশদ

21st  February, 2025
মিস্টার কো-প্রেসিডেন্ট!
মৃণালকান্তি দাস

মাস্ক এমনভাবে মার্কিন কংগ্রেসের উপরও ছড়ি ঘোরাতে শুরু করেছেন, যেখানে বিভ্রান্ত রিপাবলিকান পার্টির মাথারাও। মাস্ক একেবারে ট্রাম্প সুলভ। প্রতিদিনই কার্যত উল্টোপাল্টা কিছু না কিছু বলেই চলেছেন। সারাক্ষণ সংবাদমাধ্যমের চর্চায় থাকতে ভালোবাসেন। ফলে রিপাবলিকান পার্টি ও ট্রাম্পের প্রশাসনে মাস্কের প্রভাব বাড়ছে দিন-দিন। ‘মাস্কম্যানিয়া’ নামে একটা শব্দই তৈরি হয়ে গিয়েছে আমেরিকায়।
বিশদ

20th  February, 2025
নতুন লড়াইয়ে দৃপ্ত হবে একুশের ময়দান
সন্দীপন বিশ্বাস

বাংলাদেশে উন্মত্ত এই নতুন প্রজন্ম কি চেনে আব্দুল গাফফার চৌধুরীকে? এই মুহূর্তে যারা দাপাদাপি করে দেশটাকে আর একটা পাকিস্তান বানাতে চাইছে, তারা কি চেনে আব্দুল লতিফ কিংবা আলতাফ মামুদকে? এই আত্মঘাতী প্রজন্ম চেনে না রফিক, আজাদ, জব্বারকেও।
বিশদ

19th  February, 2025
সমাজে আলোর দিশারি দুই চিরজাগ্রত আলোকবর্তিকা
অতূণ বন্দ্যোপাধ্যায়

শীতের শেষ বসন্তের আগমন। বসন্ত যেন নতুনের শুরু। প্রকৃতি এই সময় শীতের রুক্ষতা ত্যাগ করে নতুন করে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। শীত বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে গাছে গাছে গজিয়ে ওঠা নতুন কচি কচি পাতায় প্রকৃতি তার অপরূপ রূপে সেজে ওঠে। ফুল ফোটে।
বিশদ

18th  February, 2025
একনজরে
এবার মালদহের দর্শনীয় স্থান নিয়ে তৈরি হচ্ছে শর্ট ফিল্মস। বাংলার প্রাচীন রাজধানী গৌড় থেকে আদিনা, আম থেকে রসকদম্ব, গঙ্গা থেকে মহানন্দার প্রাকৃতিক বৈচিত্র নিয়ে তৈরি ...

বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ও সভাধিপতি কাজল শেখের মধ্যে দ্বৈরথ নতুন কিছু নয়। দু’জনের সম্পর্ক নিয়ে জেলার রাজনৈতিক অলিন্দে নানা কানাঘুষো শোনা যায়। বহুবার ...

আজ ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান। তার আগে বৃহস্পতিবার লন্ডনের মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে সময় কাটালেন ব্রিটেনের রাজা চার্লস ও  রানি ক্যামিলা। ...

শ্রীরামপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের জায়গা থেকে হকার উচ্ছেদের কাজে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় থেকে অর্থাগম ও পুনঃ সঞ্চয়। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা নতুন কর্ম লাভের সম্ভাবনা। মন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

মারাঠি ভাষা দিবস
বিশ্ব এনজিও দিবস
১৭১২- মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ ১-এর মৃত্যু
১৯৩১- স্বাধীনতা সংগ্রামী চন্দ্রশেখর আজাদের মৃত্যু
২০১২- কিংবদন্তি ফুটবলার শৈলেন মান্নার মৃত্যু 
১৯৬৭- অভিনেতা ববি দেওলের জন্ম
১৯৬৯- পরিচালক বিক্রম ভাটের জন্ম
১৯৭৬- অভিনেতা শ্রেয়স তালপাড়ের জন্ম
১৯৯৩- অভিনেত্রী তথা যুব নেত্রী সায়নী ঘোষের জন্ম
১৯৭৭- মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার জন্ম

27th  February, 2025


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮৬.৪৩ টাকা ৮৮.১৭ টাকা
পাউন্ড ১০৮.৬৮ টাকা ১১২.৪৬ টাকা
ইউরো ৮৯.৭৪ টাকা ৯৩.১৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৮৫,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৮৬,১০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৮১,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৯৫,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৯৫,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ ফাল্গুন, ১৪৩১, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। অমাবস্যা ০/৩০ প্রাতঃ ৬/১৫ পরে ফাল্গুন শুক্ল প্রতিপদ ৫৩/৫ রাত্রি ৩/১৭। শতভিষা নক্ষত্র ১৯/৩ দিবা ১/৪০। সূর্যোদয় ৬/২/৫০, সূর্যাস্ত ৫/৩৫/৫০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৮/২১ গতে ১০/৪০ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৬ গতে ৮/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৩ গতে ৪/২২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৪ গতে ১১/২৪ মধ্যে পুনঃ ৪/২২ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৫৬ গতে ১১/৪৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪২ গতে ১০/১৫ মধ্যে। 
১৫ ফাল্গুন, ১৪৩১, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। অমাবস্যা প্রাতঃ ৬/৫৬ পরে প্রতিপদ শেষরাত্রি ৫/৪। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ২/৫৮। সূর্যোদয় ৬/৫, সূযাস্ত ৫/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৬ মধ্যে ও ৮/১৩ গতে ১০/৩৫ মধ্যে ও ১২/৫৭ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৫/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১৯ গতে ৮/৫৬ মধ্যে ও ৩/২৬ গতে ৪/১৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৪ গতে ১১/২২ মধ্যে ও ৪/১৬ গতে ৬/৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/৫৮ গতে ১১/৫০ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৩ গতে ১০/১৬ মধ্যে।  
২৯ শাবান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: ওড়িশা ০-মহামেডান ০ (৭৭ মিনিট)

09:07:00 PM

স্কাইপ পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত মাইক্রোসফ্টের

08:59:00 PM

লখনউতে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করলেন যোগী আদিত্যনাথ

08:45:00 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের ডোডায় চলছে তুষারপাত

08:27:00 PM

আইএসএল: ওড়িশা ০-মহামেডান ০ (হাফটাইম)

08:25:00 PM

আইএসএল: ওড়িশা ০-মহামেডান ০ (৪৫ মিনিট)

08:20:00 PM