দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় থেকে অর্থাগম ও পুনঃ সঞ্চয়। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা নতুন কর্ম লাভের সম্ভাবনা। মন ... বিশদ
লন্ডনের একজন জনপ্রিয় শেফ আসমা খান। কলকাতায় বেড়ে ওঠা আসমার ‘দার্জিলিং এক্সপ্রেস’রেস্তোরাঁ ইতিমধ্যে যথেষ্ট সমাদর পেয়েছে ভোজনরসিকদের মধ্যে। সেখানেও এদিন ঢুঁ মারেন রাজা-রানি। হাত লাগান সাদা কাগজের ব্যাগে
ড্রাই ফ্রুট ভরতে। এই ব্যাগ পাঠানো হবে হাসপাতালে হাসপাতালে। সেই ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে রাজ পরিবারের অফিসিয়াল ইনস্টা পেজে। সেখানে কমেন্ট করেন আসমা। লেখেন, ‘রাজা যে এত তাড়াতাড়ি কাজ করেন, এসম্পর্কে আমার কোনও ধারণাই ছিল না।’ এখানেই শেষ নয়, মহিলা পরিচালিত এই রেস্তোরাঁর কিচেনে
গিয়েও কর্মীদের সঙ্গে কাজে সহায়তা করেন রানি। সেখানে তখন বাক্সে বিরিয়ানি ভরা হচ্ছিল। সেগুলি ‘ডোরস্টেপ’ সংগঠনের মাধ্যমে বিলি হবে গৃহহীনদের মধ্যে। একটা বড় চামচে করে বাক্সে বিরিয়ানি ভরে রানি বলেন, ‘এটাই যথেষ্ট নাকি আরও কিছুটা দিতে হবে?’ সেসময় অন্য অতিথিদের সঙ্গে কথা বলতে ব্যস্ত ছিলেন রাজা। একটি বাক্স তুলে ধরে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন রানি ক্যামিলা। এর পরে রাজাও সেই কাজে সহায়তা করেন। সে সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এটা কি চিকেন ও বাসমতি চালের বিরিয়ানি?’ কিছুটা বিরিয়ানি রাজপ্রাসাদে পাঠানো হয়েছে, একথা জানার পরে খুশিতে তাঁর মুখ ভোরে যায়। এদিন আরও
একঝাঁক প্রথমসারির ব্রিটিশ মুসলিম নারীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন ব্রিটেনের রাজা ও রানি। তাঁদের মধ্যে আছেন সার্কিট জাজ খাতুন সূপর্ণা, লেখিকা সাইমা মীর, মাস্টারশেফ বিজয়ী সালিহা মহম্মদ আহমেদ ও শিল্পোদ্যোগী শাহীন সৈয়দের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। এদিন আসমার অভিভাবকদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন রাজা-রানি। এনিয়ে পরে আসমা সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘ আমার বাবার সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে রাজা কথা বলেন। উনি আমার ঠাকুরদা আহমেদ সেইদ খানের ছবির দিকেও তাকিয়ে ছিলেন।’ এই রাজকীয় সফর নিয়ে আসমা আরও লেখেন, ‘রাজা-রানি এদিন একঝাঁক বিশেষ ব্যক্তিদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আছেন ক্রীড়াবিদ থেকে শিল্পী ও কর্পোরেট জগতের নক্ষত্ররা।