দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় থেকে অর্থাগম ও পুনঃ সঞ্চয়। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা নতুন কর্ম লাভের সম্ভাবনা। মন ... বিশদ
বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি চৈতালী চট্টোপাধ্যায়ের (দাস) ডিভিশন বেঞ্চে মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, সড়কগুলি চালকদের নিরাপদ স্থল করে তুলতে প্রতিটি রঙের নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে। বিজ্ঞানসম্মতভাবেই সেই রং বেছে নেওয়া হয়। ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেসে এই সংক্রান্ত নির্দিষ্ট গাইউলাইন ও সুপারিশ রয়েছে। সেই সুপারিশ মেনেই দেশের সবক’টি রাজ্য হলুদ, সাদা, কালো ইত্যাদি রং রাস্তা মার্কিংয়ের জন্য ব্যবহার করে থাকে। এরাজ্যেরও জাতীয় সড়কগুলিতে এই নিয়ম মানা হয়। ব্যতিক্রম শুধু রাজ্য সড়কগুলি। অবৈজ্ঞানিকভাবেই এখানে রাস্তায় নীল, সাদা রঙে সড়ক মার্কিং করা হয়েছে।
এই সওয়ালের প্রেক্ষিতে রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেসের সুপারিশ মানতেই হবে এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। রাজ্য এব্যাপারে হলফনামা দিতে চায়। এরপরই তিন সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এব্যাপারে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। উল্লেখ্য, এর আগে এই মামলাতেই ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যকে। প্রধান বিচারপতিকে এও বলতে শোনা যায় হাইকোর্ট কর্তৃপক্ষ নজরদারি না করলে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবনকেও নীল সাদায় রাঙিয়ে দেওয়া হত।