Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ধর্মতন্ত্রের মুদ্রাদোষ ও রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা
মৃণালকান্তি দাস

কবিগুরুকে নিয়ে রাজনীতির তাড়না নতুন কিছু নয়। তাঁকে ছাড়া নাকি বাঙালি মনন ধরা দেয় না। তাই সব রঙের রাজনেতাই সেই তাড়না বোধ করে এসেছেন। মোদি-অমিত শাহরাও চেষ্টার ত্রুটি রাখেননি।
ভোট এলেই তাঁদেরও মুখে শোনা যায় রবীন্দ্রনাথের নাম। ঠিক যেমন পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের প্রচারে ঘন ঘন রবীন্দ্রনাথকে স্মরণ করতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর ভোটের পরই প্রয়োজন ফুরিয়েছিল গুরুদেবের। তাতে হয়তো তিনি হাঁপ ছেড়েই বেঁচেছিলেন। কারণ, রবীন্দ্র-ভাবনা তাঁর পক্ষে অত্যন্ত অস্বস্তিকর। রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘রাজা সবারে দেন মান, সে মান আপনি ফিরে পান’। এক ধরনের গণতান্ত্রিকতার আদর্শ এই বাণীতে নিহিত আছে, যে আদর্শ মানলে রাজার রাজত্বে সবাই রাজা। অন্যের সম্মান করলে অন্যেও তোমার সম্মান করবে, তাই প্রকৃত সম্মান। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিদের রাজধর্মে এমন নীতি ‘অচল’। তাঁদের নীতি— অপরকে ছোট করো, অগ্রাহ্য করে কেবল নিজের এবং নিজেদের ঢাক প্রচণ্ড রবে পেটাও। আত্মপ্রচারের বহর যত বিপুল হবে, অন্যের গৌরবকে অস্বীকার করার প্রবণতাও ততটাই প্রবল হবে— এটাই তাঁদের জীবনাদর্শ। শাসক ভুল করতে পারে, এমন ধারণা ভারতের বর্তমান শাসকরা মানেন না, তাঁদের শাসন-তন্ত্রে সেই ধারণার কোনও স্থানই নেই। এই দুর্মর এবং অটল অহমিকা কীভাবে গণতন্ত্রের ভিতটিকে নষ্ট করে দিতে পারে, এক দশক ধরে ভারতের নাগরিকরা কার্যত প্রতিনিয়ত তার সাক্ষী।
গোটা লোকসভা ভোটে দেখা গেল, গেরুয়া শিবির ‘কংগ্রেস-মুক্ত’ ভারতের রাজনৈতিক স্লোগানটিকে এমন আক্ষরিক অর্থে প্রয়োগে তৎপর যে, দেশের ইতিহাস থেকেও কংগ্রেসের সমস্ত চিহ্ন মুছে দিতে পারলেই যেন তাঁদের অন্তরাত্মা তৃপ্ত হয়। জওহরলাল নেহরু থেকে মনমোহন সিং সম্পর্কে তাঁদের বিরাগ এতটাই প্রকট যে, প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং তারস্বরে প্রচার করেন, কংগ্রেসের শাসনে ভারতের কোনও উন্নতিই হয়নি। পারলে এই শাসকরা বুঝি গান্ধীজির নামও মুছে ফেলতেন, তা নিতান্ত অসম্ভব বলে তাঁকে আত্মসাৎ করার বিচিত্র কৌশল নেন। বুঝতে অসুবিধে হয় না, যাঁরা অন্তরে নিজেদের মর্যাদা নিয়ে সতত গভীর অনিশ্চয়তায় ভোগেন, তাঁরাই প্রাণপণে বিরোধীদের সমস্ত কৃতিত্ব ও অবদানকে অস্বীকার করতে ব্যস্ত হন। তাঁরা জানেন, লোকে তাঁদের সম্মান করে না, বড়জোর ভয় পায়। অতএব জোর করে সমস্ত বিষয়ে সব কৃতিত্বের স্বীকৃতি বেদখল করার এমন মরিয়া উদ্যোগ। এই ব্যাধি যে সারবার নয় তা বোঝা গিয়েছে বিজেপি নেতাদের ভোট প্রচারেই। এই নেতারা কি জানেন চীন সফরে গিয়ে বক্তৃতায় রবীন্দ্রনাথ কী বলেছিলেন? বলেছিলেন, ‘দ্য মিক শ্যাল ইনহেরিট দি আর্থ’: দুর্বলরা একদিন এই পৃথিবীর উত্তরাধিকারী হবে। সেই চীনের বন্ধুরা রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধাভরে ‘চু চেন-তান’ নামে ডাকতেন। যার অর্থ, ভারতের বজ্র-নির্ঘোষী সূর্য। রবীন্দ্রনাথের বক্তৃতা রাষ্ট্রক্ষমতা বিরোধী বজ্রনির্ঘোষ। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, ‘অহংকার থেকেই নিজের সামর্থ সম্বন্ধে অন্ধবিশ্বাস তৈরি হয়, সেই অহংকারের মধ্যেই নিহিত থাকে বিচ্ছিন্নতা ও আত্মধ্বংসের বীজ।’
টানা দশ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও হিন্দুত্ববাদী নেতারা বুঝতেই পারলেন না, ভারতীয় মূল্যবোধ বা ভারতীয়ত্বের শিকড় আসলে ইতিহাসের অনেক গভীরে। সভ্যতার নানা প্রবাহে বা জীবনের নানা ক্ষেত্রে ভারত যে সমস্ত শৃঙ্গ জয় করতে পেরেছে আজ, সেই সব জয়ের ভিতগুলি তৈরি হয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। অর্থাৎ যুগ যুগ ধরে বিপুল বৈচিত্র্যের সমাহার ঘটাতে পারাই এই ভারতভূমির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট। বহুত্বের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কোনও এক অভিন্ন বিন্দুতে পৌঁছতে পারাই ভারতীয়ত্ব। রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা সে কথাই আজ মনে করিয়ে দিতে পারে আরও একবার। তিনি বলেছিলেন, আমরা নাকি ধর্মপ্রাণ জাতি! তার পরিচয় হল কেমনধারা?... নির্বিচারে ধর্মের নামে মেনে নেওয়ার নাম উদারতা নয়, তা হল ভয়ঙ্কর অন্ধতা, জড়তা। এই জড়তাকে যখন কোনও জাতি উদারতা মনে করে পূজা করে তখন তার মরণ আসন্ন।... ভারতের আজ এই দশা। এই দিক থেকেই তার মৃত্যুর আয়োজন চলছে। ধর্মের নামে পঙ্গুত্ব দেশজুড়ে জাঁকিয়ে বসেছে।
কবিগুরু মূঢ় ধার্মিকতা, ধর্মমোহ, ধর্মীয় গোঁড়ামি, জাতপাত আচারসর্বস্বতার বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘...ধর্ম আর ধর্মতন্ত্র এক জিনিস নয়। ও যেন আগুন আর ছাই। ধর্মতন্ত্রের কাছে ধর্ম যখন খাটো হয় তখন নদীর বালি নদীর জলের উপর মোড়লি করিতে থাকে।... ধর্ম বলে, যে মানুষ যথার্থ মানুষ সে যে-ঘরেই জন্মাক পূজনীয়। ধর্মতন্ত্র বলে, যে মানুষ ব্রাহ্মণ সে যত বড়ো অভাজনই হোক মাথায় পা তুলিবার যোগ্য। অর্থাৎ মুক্তির মন্ত্র পড়ে ধর্ম আর দাসত্বের মন্ত্র পড়ে ধর্মতন্ত্র।’ তিনি অস্পৃশ্যতা, জাতপাত প্রবলভাবে ঘৃণা করতেন। তিনি ধর্মে আস্থাবান, ধর্মের বিকৃতিতে, আচারসর্বস্বতায়, আগ্রাসী ভঙ্গিতে আস্থাবান নন। ‘হিন্দু মুসলমান’ প্রবন্ধে তিনি স্মরণ করেছেন, ফরাসি বিপ্লব, মেক্সিকোর বিপ্লব, রুশ বিপ্লব, স্পেন বিপ্লবে বিদ্রোহীরা প্রচলিত ধর্মের জাড্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। যে হিন্দু মুসলিমকে ম্লেচ্ছ মনে করে, যে মুসলিম হিন্দুকে কাফের মনে করে, সেই হিন্দু-মুসলিমের ধর্মের বিরুদ্ধে আন্দোলন না হলে সমস্যার সমাধান অসম্ভব। ধর্ম মানুষকে সঙ্কীর্ণ করে দেয়। রবীন্দ্রনাথের বিশ্বাস ছিল ‘নেশন’-ই রূপান্তরিত হয় সাম্রাজ্যবাদে। তাঁর চিন্তায় ‘নেশন’মাত্রই সঙ্কীর্ণ জাত্যভিমান এবং স্বার্থান্ধ সাম্রাজ্যবাদ।
গেরুয়া শিবির জানে, যে কোনও ধর্মেই ধার্মিক অপেক্ষা ধর্মভীরু মানুষ বেশি। এই সংখ্যাধিক্যের মনকে লক্ষ্য করে যে দল রাজনৈতিক কর্মসূচি নেয়, তার এক প্রচ্ছন্ন গ্রাহ্যতা, মান্যতা থাকে। বিজেপি-রাজনীতির রণকৌশলে আছে দু’টি দিক, সংঘর্ষ ও নির্মাণ। ‘ব্র্যান্ড মোদি’ ঢক্কানিনাদে যা প্রচ্ছন্ন রাখা হয়। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের মতাদর্শ অনুসারী শাখা সংগঠনের মাধ্যমে সারা দেশে বনবাসী, জনজাতি, মহিলা, ছাত্র ও অন্যান্য বর্গে নিরন্তর সামাজিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন দলীয় ব্রতীদের লেগে থাকা। এটা নির্মাণের দিক। সঙ্গে থাকে গোমাতা, এনআরসি, সিএএ, সিভিল কোড নিয়ে সংঘর্ষের অভিমুখ। মোদি, শাহ, আদিত্যনাথ যতটা দৃশ্যমান, অদৃশ্যে আছে ধারাবাহিক নেপথ্য কর্মযজ্ঞ। ফলে আরও স্পষ্ট যে, ভারতীয় রাজনীতি থেকে ধর্মের মুদ্রাদোষ যাওয়ার নয়। আর তাই মন্দিরকে কেন্দ্র করে ‘হিন্দুরাজ’-এর ধ্বনি তোলা জাতীয়তাবাদী মেরুকরণের রাজনীতি বিধ্বস্ত জনসাধারণের দাবির অভিমুখকে ঘুরিয়ে দেয় সহজেই। দারিদ্র্য, ক্ষুধা, অপুষ্টি, স্বাস্থ্য-শিক্ষা-বাসস্থানের অব্যবস্থা এবং ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, এমন সমস্ত মৌলিক সমস্যা হারিয়ে যায় ধর্মভিত্তিক বিভাজনকারী রাজনীতির অন্ধকারে! সেই কবে ‘রাশিয়ার চিঠি’-তে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, ‘যে-রাজা প্রজাকে দাস করে রাখতে চেয়েছে, সে-রাজার সর্বপ্রধান সহায় সেই ধর্ম যা মানুষকে অন্ধ করে রাখে। সে-ধর্ম বিষকন্যার মতো; আলিঙ্গন করে সে মুগ্ধ করে, মুগ্ধ করে সে মারে।... ধর্মমোহের চেয়ে নাস্তিকতা অনেক ভালো।’
তাকিয়ে দেখুন, গোটা দেশজুড়ে যখন হাসপাতাল ও বিদ্যালয় নির্মাণের প্রয়োজন, তখন মন্দির ও মসজিদ নির্মাণের প্রতিযোগিতা চলছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আমাদের দেশে ১০০০ মানুষ পিছু ০.৫টি হাসপাতালের বেড আছে। ন্যূনতম প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার মতো পরিকাঠামো আমাদের গ্রামীণ ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে নেই। ২০২৩ সালের শিক্ষা সংক্রান্ত রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, দেশের গ্রামাঞ্চলের ১৪-১৮ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরীদের ২৫ শতাংশ নিজের মাতৃভাষায় লেখা পাঠ্যবই পড়তে হোঁচট খায়। গ্রামের এই বয়সের ৫০ শতাংশ ছেলেমেয়ে সাধারণ ভাগের অঙ্ক করতে গিয়ে আটকে যায়। অথচ, আমাদের দেশে হাজার হাজার সরকারি বিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীর অভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের এই বেহাল অবস্থার পরিবর্তন করার পরিবর্তে অযোধ্যায় রামমন্দির প্রতিষ্ঠা, ও তার সঙ্গে দেশজুড়ে নানা দেব-দেবীর মন্দির নির্মাণের কর্মযজ্ঞ চলছে। আসলে শাসক চান, জনজীবনের জ্বলন্ত সমস্যাগুলি মন্দির আর মসজিদের চার দেওয়ালের মধ্যে আটকে থাকুক।
বিজেপির রাজনৈতিক খেলায় আমাদের দেশে ধর্মীয় মেরুকরণের যে আবাদ হচ্ছে, তা রবীন্দ্রনাথ অবশ্যই ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করতেন। তাঁর অজস্র লেখায় তার প্রমাণ আছে। বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে হিন্দুত্বের অনুপ্রবেশের তিনি বিরোধিতা করেছিলেন। শান্তিনিকেতনে মুসলিম ছাত্রের ভর্তি নিয়ে উঠে-আসা সমস্যা তিনি দূর করেছিলেন। মুসলিম যুবক আকুল সরকার ও হিন্দু কন্যা লতার ভালোবাসার বিবাহ নিয়ে ঘনিয়ে-ওঠা সম্ভাব্য সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার তিনি মোকাবিলা করেছিলেন দৃঢ় ভাবেই। এমন উদাহরণ অনেক।
রবীন্দ্রনাথই বাঙালির মজ্জায় গ্রথিত করেছেন উদারতার বোধ। যে কোনও বিষয়ে তাঁর উদ্ধৃতি ব্যবহার বাঙালি আবেগ-এর কারণে নয়, তা অনিবার্য। ভারত বলতে যাঁরা শুধু বোঝেন হিন্দি-হিন্দু-হিন্দুস্থান, বাঙালির আদর্শের সর্বাঙ্গে সাম্প্রতিক এই আঘাতগুলি দেখেও যাঁরা আশ্রয় খোঁজেন মিথ্যে প্রতিশ্রুতির কাছে, তখন জয়সিংহের মতো তাঁদের উদ্দেশে বলে উঠতে হবেই, ‘মিথ্যারে রাখিয়া দিই মন্দিরের মাঝে বহু যত্নে, তবু সে থেকেও থাকে না। সত্যেরে তাড়ায়ে দিই মন্দির বাহিরে অনাদরে, তবুও সে ফিরে ফিরে আসে।’
না, এই বাংলা এখনও ধর্মতন্ত্রের মুদ্রাদোষে আক্রান্ত হয়নি। ভয়ঙ্কর আবহে আপামর বাঙালি বারবার ফিরে যান সেই রবীন্দ্রনাথের কাছেই। এই লোকসভা ভোটেও।
30th  May, 2024
মোদির চ্যালেঞ্জ এখন ত্রিমুখী!
মৃণালকান্তি দাস

জওহরলাল নেহরুর মন্ত্রিসভার শেষ দিকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী ছিলেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী। নেহরু তাঁকে একবার অসমে পাঠাতে চাইলেন। সফরের সবকিছু বুঝে নিয়ে শাস্ত্রী নেহরুর রুম থেকে বেরিয়ে আসেন। নেহরুর হঠাৎ খেয়াল হল, অসমে তো এখন হাড় কাঁপানো শীত।
বিশদ

বাংলা দখলের গেরুয়া স্বপ্ন, লক্ষ্য অতীত
হারাধন চৌধুরী

সমস্যা ভিতর থেকে বুঝতে হলে ফিরে যেতে হবে সাতচল্লিশে। স্বাধীনতার লড়াইয়ে পূর্ববঙ্গের মানুষের ভূমিকা দেশের বাকি অংশের তুলনায় কম ছিল না। সকলেই লড়াই করেছিলেন স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন নিয়ে। সে-বছর আগস্ট মাসের ১৫ তারিখের মধ্য রাত্রি তাঁদের সেই স্বপ্ন চুরমার করে দিয়েছিল।
বিশদ

19th  June, 2024
মোদির ভোট-দিদির ভোট
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ব্রাজিলের ওয়ার্কার্স পার্টি পোর্তো আলেগ্রেতে ক্ষমতায় আসে ১৯৯০ সালে। তখন শহরের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ মানুষই ঝুপড়িবাসী। রাস্তা নেই, জল নেই। বিদ্যুৎ বলে একটা বস্তু আছে বটে, কিন্তু তার সংযোগ নেই। বাড়িতে শৌচাগার বা নিকাশি ব্যবস্থাও নেই। পোর্তো আলেগ্রের অধিকাংশই নিরক্ষর।
বিশদ

18th  June, 2024
প্রত্যাখ্যাত নীতিতেই ফের আস্থা মোদির
পি চিদম্বরম

গত ৯ জুন যে নতুন সরকার শপথ নিল, তার গল্পটি অল্প কয়েকটি শব্দে বেঁধে ফেলা যেতে পারে: মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছে, কিন্তু নরেন্দ্র মোদি বেছে নিয়েছেন তাঁর ধারাবাহিকতা। 
বিশদ

17th  June, 2024
সরকার গড়েও মুষড়ে কেন বিজেপি
হিমাংশু সিংহ

এত বড় জয়, টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার অতুল কীর্তি, তবু বিজেপি ও সঙ্ঘ পরিবারের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এত ডিফেন্সিভ কেন? শপথ নিয়েও শাসকের অন্দরে উল্লাস নেই, স্বতঃস্ফূর্ত হাসিটুকুও উধাও, উপর থেকে নিচুস্তর পর্যন্ত সবাই ব্যস্ত আত্মরক্ষায়। বিশদ

16th  June, 2024
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিছক ভোটব্যাঙ্ক নয়
তন্ময় মল্লিক

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কি শুধুই ভোটব্যাঙ্ক? লোকসভা ভোটে বাংলায় জোর ধাক্কা খাওয়ার পর বিজেপির অনেক নেতা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে ‘ঢাল’ করে ব্যর্থতা ঢাকতে চাইছেন। তাঁরা এমন ভাব করছেন যেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্যই বিজেপির বাংলায় ভরাডুবি হয়েছে। বিশদ

15th  June, 2024
মানুষকে অপমান করা হচ্ছে কেন?
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা আউশগ্রামের প্রেমগঞ্জ অথবা বাবুইসোল কিংবা প্রতাপপুরে থাকি। সকাল ৬টার মধ্যে বাড়ির সব কাজ সেরে জঙ্গলে চলে যাই। খেজুর পাতা আনতে। ব্যাপারটা কঠিন। সেই পাতা রোদে শুকাতে দেওয়া হয়। ঝাঁটা তৈরি হবে। বিশদ

14th  June, 2024
গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বিনোদন!
মৃণালকান্তি দাস

চার্চিল নাকি বলেছিলেন, ‘পাবলিক ওপিনিয়ন’ বলে কিছু হয় না, পুরোটাই ‘পাবলিশড ওপিনিয়ন’! বিশদ

13th  June, 2024
পরমাত্মা এখন পরজীবী, প্রণত শরিক পদে
সন্দীপন বিশ্বাস

হে পরমাত্মা, হে নন বায়োলজিক্যাল প্রাণ, ধ্যানের খেলা যখন ভাঙল, তখন আপনি উঠে দেখলেন আপনার একচ্ছত্র সাম্রাজ্য চুরমার, আপনার শৌর্যের ঢক্কানিনাদ মাটিতে লুটোপুটি খাচ্ছে। দীর্ঘ ভোটপর্বের সমাপ্তি হয়েছে। আপনিও শপথ নিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। বিশদ

12th  June, 2024
 ভোট, শেয়ার বাজার এবং কিছু শিক্ষা
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

অধৈর্যদের টাকা ধৈর্যশীলদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর সবচেয়ে ভালো মাধ্যম কী? উত্তরটা দিয়ে গিয়েছেন ওয়ারেন 
বাফে—স্টক মার্কেট। তাঁর কথাটা বাজার দুনিয়ায় প্রায় মিথ হয়ে গিয়েছে। তা সে মার্কিন মুলুক হোক, বা ভারত। নিউটনের তৃতীয় সূত্রের মতো জীবনের নানা ওঠাপড়ার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে বাফের বিশ্লেষণ।
বিশদ

11th  June, 2024
নয়া অবতারে চ্যালেঞ্জের মুখে মোদি
পি চিদম্বরম

‘সমগ্র পৃথিবীটাই একটা রঙ্গমঞ্চ .../ এবং সমস্ত নরনারীই নিছক অভিনয় শিল্পী।/ নিজ নিজ ভূমিকা অনুসারে মঞ্চে তাদের সকলেরই প্রবেশ এবং প্রস্থান ঘটে;/ এমনকী, একই মানুষকে প্রয়োজনমতো অনেক ভূমিকার চিত্রায়ণ করতে হয়।’ বিশদ

10th  June, 2024
শরিকি মেহফিলে এবার মুজরো কার?
হিমাংশু সিংহ

নরেন্দ্র মোদি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খেয়েছেন, এটা এখন সারা বিশ্বের জানা। চোখ ধাঁধানো মন্দির গড়েও উত্তরপ্রদেশে বিপর্যস্ত হয়েছেন, তাও অজানা নয়। কিন্তু যেটা আজানা, তা হচ্ছে জোট সরকারে দ্রুত রং বদলে ফেলা শরিকদের মেহফিলে ‘বিশ্বগুরু’র ‘মুজরো’টা শুরু হতে কতটা সময় লাগবে? বিশদ

09th  June, 2024
একনজরে
রাজ্যের সমস্ত সংশোধনাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার কাজে আরও জোর দিল রা঩঩জ্যের কারাদপ্তর। জেলে থাকা বন্দিদের শ্রমের বিনিময়ে উপার্জিত অর্থ প্রতিমাসে তাঁদের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে ...

তীব্র দাবদাহ সহ্য করতে না পেরে মক্কায় মৃত্যু হল সাড়ে পাঁচশো হজযাত্রীর। এ বছর সৌদি আরবের মক্কায় হজযাত্রায় এসেছিলেন প্রায় ১৮ লক্ষ পূণ্যার্থী। তাঁদের মধ্যে ...

নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিহারের রাজগীরে প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসাবশেষের কাছেই তৈরি হয়েছে এই নতুন ক্যাম্পাস।  ২০০৭ সালে ফিলিপিন্সে দ্বিতীয় ...

রেমাল ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যেও দু-দু’বার চেষ্টা করেছিলেন জেলবন্দি প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করার। তবে দেখা মেলেনি। জেলের বাইরে একরাত কাটিয়েওছিলেন। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। ফিরে যেতে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চশিক্ষায় নামী স্বদেশি/ বিদেশি প্রতিষ্ঠানে সুযোগ পেতে পারেন। স্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ে চিন্তা। কর্মে অগ্রগতি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব উদ্বাস্তু দিবস
১৭০২: মহম্মদ বিন কাশিম সিন্ধু প্রদেশের রওয়ার আক্রমণ করেন এবং রাজা দাহির নিহত হন
১৭৫৬: নবাব সিরাজদ্দৌলার বাহিনী একটি ব্রিটিশ গ্যারিসনের সেনাদের একটি বদ্ধ ঘরে আবদ্ধ করে। সে ঘরে ১৪৬ জনের মধ্যে ১২৩ জন মারা যায়
১৭৫৬: ইংরেজদের কাছ থেকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার কলকাতা পুনরুদ্ধার
১৮৩৭: রানী ভিক্টোরিয়ার সিংহাসনে আরোহণ
১৮৫৮: গোয়ালিয়র দুর্গ ব্রিটিশের দখলে গেলে সিপাই বিদ্রোহের অবসান ঘটে
১৮৮৫: সংস্কৃত ভাষার সুপণ্ডিত তারানাথ তর্কবাচস্পতির মৃত্যু
১৯১২: পোলান্ডের বিজ্ঞানী ডক্টর কাসিমির ফুনক প্রথম ভিটামিন আবিষ্কার করেন
১৯২৩: বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক গৌরকিশোর ঘোষের জন্ম
১৯৩৯: ক্রিকেটার রমাকান্ত দেশাইয়ের জন্ম
১৯৪৩: বিশিষ্ট অভিনেতা দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৪৭: বঙ্গ আইন সভায় বাংলা ভাগের প্রস্তাব গৃহীত হয়
১৯৫২: লেখক বিক্রম শেঠের জন্ম
১৯৭২: অভিনেতা রাহুল খান্নার জন্ম
১৯৭৯: ফুটবলার রেনেডি সিংয়ের জন্ম
২০০০: অভিনেতা বসন্ত চৌধুরীর মৃত্যু
২০০৭: অভিনেত্রী অনীতা গুহের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৫৬ টাকা ৮৪.৩০ টাকা
পাউন্ড ১০৪.৩৩ টাকা ১০৭.৮১ টাকা
ইউরো ৮৮.০৪ টাকা ৯১.১৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭২,৩৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭২,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৬৯,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৮,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৮,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আষাঢ়, ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪। ত্রয়োদশী ৭/১৮ দিবা ৭/৫১। অনুরাধা নক্ষত্র ৩৩/৫ অপরাহ্ন ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/২৮, সূর্যাস্ত ৬/১৯/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২ গতে ৯/৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৯ গতে ২/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ প্রাতঃ ৫/৫০ মধ্যে পুনঃ ৯/২৪ গতে ১১/১১ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৮ গতে ১২/৫৮ ম঩ধ্যে।  
৫ আষাঢ়, ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪। ত্রয়োদশী ৬/৩৭ অনুরাধা নক্ষত্র অপরাহ্ন ৫/৪৭। সূর্যোদয় ৪/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/২২। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪২ গতে ৬/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৯/১৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/১২ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৪/৫৫ মধ্যে মাহেন্দ্রযোগ  দিবা ৫/৫৬ মধ্যে ও ৯/২৩ গতে ১১/১৬ মধ্যে। কালবেলা ৩/১ গতে ৬/২২ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৯ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।  
১৩ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এবার গঙ্গায় কুমির দর্শন হাওড়ায়
এবার হাওড়া সংলগ্ন গঙ্গায় কুমিরের আতঙ্ক। বুধবার সাঁকরাইলের পাঁচপাড়া পঞ্চায়েত ...বিশদ

09:14:01 AM

ইউরো কাপ: আজকের খেলা
স্লোভেনিয়া : সার্বিয়া (সন্ধ্যা ৬-৩০ মিনিটে) ডেনমার্ক : ইংল্যান্ড (রাত ৯-৩০ মিনিটে) স্পেন : ...বিশদ

08:47:36 AM

পর্যালোচনা বৈঠক তৃণমূলের
লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তৃণমূলের পর্যালোচনা বৈঠক হল। বুধবার বিকেলে ...বিশদ

08:40:00 AM

দৈনিক চলবে ডিব্রুগড় কন্যাকুমারী বিবেক এক্সপ্রেস
সপ্তাহে পাঁচদিনের বদলে এবার দৈনিক করা হল ডিব্রুগড় কন্যাকুমারী বিবেক ...বিশদ

08:40:00 AM

স্পেশাল ট্রেনের স্টপ পেল তুফানগঞ্জ
নিউ জলপাইগুড়ি-গুয়াহাটি স্পেশাল ট্রেনের স্টপ পেল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন। বুধ ...বিশদ

08:37:41 AM

দিল্লির সাইবার প্রতারণা মামলায় এবার কলকাতার বেলেঘাটার বহুতলে তল্লাশি ইডি-র

08:36:20 AM