Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

লড়াইটা মোদির আমিত্বের বিরুদ্ধে
তন্ময় মল্লিক

অপেক্ষার অবসান। প্রথম দফার ২১টি রাজ্যের ১০২টি আসনের ভোট গ্রহণ শেষ। বাংলায় তিনটি। সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে বাংলায়। তারমধ্যে সর্বাধিক মোতায়েন ছিল অমিত শাহের ডেপুটি নিশীথ প্রামাণিকের নির্বাচনী কেন্দ্র কোচবিহারে। বুথ পাহারায় ‘দাদার পুলিস’। সেই সুযোগে নিশীথবাবুর কেন্দ্রেই তৃণমূলের ব্লক সভাপতিকে পিটিয়ে ভোটের ‘প্রথম সকালে’ বেড়াল মারতে গিয়েছিল গেরুয়া শিবির। তাতে বিজেপির লাভ হল নাকি ক্ষতি, সেটা পরে বোঝা যাবে। তবে, প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও মহিলাদের লম্বা লাইন গেরুয়া শিবিরের কপালে ভাঁজ ফেলেছে। কারণ, বাংলায় নরেন্দ্র ‘মোদির গ্যারান্টি’কে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’।
‘ইন্দিরা ইজ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়া ইজ ইন্দিরা।’ কথাটি কংগ্রেস নেতা দেবকান্ত বড়ুয়ার। সালটা ছিল ১৯৭৬। তার কয়েক মাস আগেই দেশে লাগু হয়েছে জরুরি অবস্থা। খর্ব হয়েছে মানুষের স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বিরোধিতা করলে জেলযাত্রা ছিল অনিবার্য। তেমনই এক পরিস্থিতিতে দেবকান্ত বড়ুয়ার এই মন্তব্য। দেবকান্তবাবু কংগ্রেসের সভাপতি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, এমনকী রাজ্যপালও হয়েছিলেন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলেছেন। কিন্তু তিনি বিখ্যাত এবং একই সঙ্গে সর্বাধিক সমালোচিত হয়েছিলেন তাঁর এই মন্তব্যের জন্যই। নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন জনসভায় সেকথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলছেন, মানুষ অহঙ্কার পছন্দ করে না। সেই অহঙ্কারের জন্যই দেশবাসী কংগ্রেসকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল।
একেবারে হক কথা বলেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। ১৯৭৮ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছিল গোটা দেশ। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পর্যন্ত সেই নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিলেন। মানুষ অহঙ্কারীকে অতীতেও পছন্দ করেনি, এখনও করে না, আগামী দিনেও করবে না। কিন্তু মোদিজি, আপনি নিজে কি সেই কথাটা বিশ্বাস করেন? নাকি শুধু কংগ্রেসকে আক্রমণের জন্যই ইতিহাসের পাতা থেকে তুলে এনেছেন অতীতকে?
‘নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সকলের কথা খুব মন দিয়ে আগে শোনা। আমার এই ঈশ্বর প্রদত্ত ক্ষমতাটি রয়েছে। আমি কিন্তু নিজেও এই গুণটিকে নিয়ে চলি। আমার আরও একটি গুণ রয়েছে। তা হল আমি কখনওই কাজের সময় কে ফোন করল, কে মেসেজ করল, তা নিয়ে বিশেষ ভাবি না। আমি যখন কোনও কাজ করি, তখন নিজের ১০০ শতাংশ দিয়ে করি।’ বক্তা আর কেউ নন, স্বয়ং নরেন্দ্র মোদি। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে এভাবেই নিজের ঢাক নিজে পিটিয়েছেন ‘বিশ্বগুরু’। এখানে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি হল, গত দশ বছরে তিনি একবারও সাংবাদিক সম্মেলন করেননি। কারণ কথা শুনতে নয়, কথা শোনাতে তিনি ভালোবাসেন।
দেবকান্ত বড়ুয়াকে মানুষ মনে রেখেছে তাঁর ‘তৈলাক্ত মন্তব্যে’র জন্য। নরেন্দ্র মোদিকেও মানুষ যুগ যুগ ধরে মনে রাখবে। কারণ রাষ্ট্রনায়ক হয়ে নিজের ঢাক নিজে পেটানোর এমন নজির অতীতে নেই, ভবিষ্যতে পাওয়ার সম্ভাবনাও অতীব ক্ষীণ। 
নির্বাচন আসতেই প্রধানমন্ত্রী ফের বাংলায় নিত্যযাত্রী হয়েছেন। ঘনঘন বাংলায় আসছেন। রাজনৈতিক ভাষণের মাঝে দু’চার লাইন বাংলাও বলছেন। বোঝা যাচ্ছে, তিনি বাংলা শিখছেন। এই সুযোগে ‘কে বড়’ ছড়াটা একবার মোদিজি পড়ে নিতে পারেন। তাতে বাংলার সংস্কৃতি, রুচি সম্পর্কে কিছুটা ধারণা হবে। ‘আপনারে বড় বলে, সেই বড় নয়/ লোকে যারে বড় বলে বড় সেই হয়।... বড় যদি হতে চাও, ছোট হও তবে।’ 
এবার প্রচারের স্টাইল বদলে ফেলেছেন নরেন্দ্র মোদি। একুশের ভোটে তাঁর টার্গেট ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই প্রতিটি জনসভায় তাঁকে কটাক্ষ করেছিলেন। মুখ থুবড়ে পড়েছিল বিজেপি। তাই আর ‘দিদি, অ দিদি’ বলে কটাক্ষ নয়, এবার তাঁর হাতিয়ার ‘আমিত্ব’। তিনি দেশজুড়ে আত্মপ্রচারে নেমেছেন। তাঁর আত্মপ্রচারের ধাক্কায় কেন্দ্রীয় সরকার এখন হয়ে গিয়েছে ‘মোদি সরকার’, ভারতীয় জনতা পার্টি হয়েছে ‘মোদির পার্টি’। তাই দলীয় হোর্ডিং থেকে সরকারি বিজ্ঞাপন, সর্বত্রই মোদির জয়গান।
এখন চলছে ‘মোদির গ্যারান্টি’। তাঁর কথায় ‘মোদির গ্যারান্টি হল গ্যারান্টি পূরণ হওয়ার গ্যারান্টি।’ তিনি বলছেন, ‘২০১৪ সালে মোদিকে দেশের মানুষ চিনত না। কিন্তু ১০ বছরে তাঁকে দেশের মানুষ চিনেছে। তাই সঠিকভাবে নির্বাচন করবে।’ তাঁর নিজের কাজের উপর ভরসা থাকলে তাঁকে এত ‘গ্যারান্টি’ দিতে হচ্ছে কেন? ১০ বছর দেশ চালানোর পরও তাঁর এত গ্যারান্টি দেওয়ার কি কোনও প্রয়োজন ছিল? মোটেই না। কিন্তু তাঁকে দিতে হচ্ছে। কারণ ‘আচ্ছে দিনের’ স্বপ্ন দেখিয়ে ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসা নরেন্দ্র মোদি প্রায় কোনও প্রতিশ্রুতিই রক্ষা করেননি। 
বছরে দু’কোটি চাকরির আশ্বাস দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। তা পূরণ যে হয়নি, বলাইবাহুল্য। উল্টে তাঁর আমলে দেশে বেকারত্ব বেড়েই চলেছে। ২০১৩-’১৪ অর্থবর্ষে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ৪.৯ শতাংশ। এবছর ফেব্রুয়ারিতে  মাসে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৮ শতাংশ। বাড়ছে অনাহারে, অর্ধাহারে, অপুষ্টিতে ভোগা মানুষের সংখ্যা। ২০১৮ সালে দেশে অনাহারে থাকা মানুষের সংখ্যা ছিল প্রায় ১৯ কোটি। ২০২৩ সালে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৩৫কোটি। ক্ষুধা, বেকারত্ব সহ প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রেই ভারতের অবনতি স্পষ্ট। তাই বিরোধীদের কটাক্ষ, মোদির গ্যারান্টি মানে দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার গ্যারান্টি।
এরাজ্যে লড়াইটা নরেন্দ্র মোদির ‘আমিত্বে’র সঙ্গে বাংলার ‘বহুত্ববাদে’র। বিজেপির সিএএ চালুর উদ্দেশ্য, একটি বিশেষ ধর্মের মানুষকে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করা। অন্যদিকে, বহুত্ববাদে বিশ্বাসী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, বাংলায় যাঁরা আছেন, তাঁরা সকলেই দেশের নাগরিক। নরেন্দ্র মোদি মুখে বলছেন, ‘সব কা সাথ সব কা বিকাশ।’ অথচ বাংলার গরিব মানুষের ১০০ দিনের কাজ বন্ধ, বন্ধ আবাস যোজনার টাকা। বিকশিত হচ্ছেন মুষ্টিমেয় কিছু শিল্পপতি। কালাধনও ফিরিয়ে আনতে পারেননি। নীরব মোদি, মেহুল চোকসিদেরও দেশে ফেরাননি। এসব দেখে দেশের মানুষ বুঝেছে, স্লোগানে ও প্রচারে নরেন্দ্র মোদিই সেরা। তাঁর ধারেকাছে কেউ নেই। 
নরেন্দ্র মোদির প্রতিটি পদক্ষেপের একটাই লক্ষ্য, প্রচার। প্রচারের আলো কীভাবে নিজের দিকে ঘোরাতে হয় তা তিনি হাতেকলমে করে দেখিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করতে হয়। উনিশের নির্বাচনে নিজের কেন্দ্রের প্রচার শেষ করেই পৌঁছে গেলেন অমরনাথ। সমস্ত সংবাদমাধ্যমে জায়গা করে নিল ধ্যানমগ্ন প্রধানমন্ত্রীর ছবি। করোনাকালেও তিনি লক্ষ্যচ্যুত হননি। ভ্যাকসিন সার্টিফিকেটে ছাপানো হয়েছিল তাঁরই ছবি। 
বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশন(ইউজিসি) এক নির্দেশিকায় জানিয়েছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ে ও কলেজে ‘সেলফি জোন’ তৈরি করতে হবে। পড়ুয়া ও শিক্ষকরা সেখানে দাঁড়িয়ে ছবি তুলবেন। তবে, সেই সেলফি পয়েন্টের ব্যাকগ্রাউন্ডে নরেন্দ্র মোদির ছবি মাস্ট। এমনকী, কোন ইভেন্টে এবং প্রধানমন্ত্রীর কোন মুডের ছবি দিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি হবে, সেটাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। 
এখানেই শেষ নয়। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, শিক্ষক এবং বিভিন্ন কাজে আসা অতিথিদের সেই সেলফি পয়েন্টে ছবি তোলার ব্যাপারে উৎসাহিত করার জন্য কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছিল বিশেষ নির্দেশ। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নিজের ইমেজ তৈরির এমন পরিকল্পনা অতীতের কোনও প্রধানমন্ত্রী করেননি। কিন্তু মোদিজি পেরেছেন। কারণ কে কী বলল, কে কী ভাবল, তার তিনি তোয়াক্কা করেন না। সেই জন্যই মোতেরা স্টেডিয়ামের নাম বদলে তা নিজের নামে করে নিতে পেরেছেন। বিজেপির কর্মী সমর্থকরাও মোদিজির আত্মপ্রচারের বিষয়টি বুঝে গিয়েছেন। তাই দলীয় সমাবেশে যত না ‘বিজেপি জিন্দাবাদ’ ধ্বনি ওঠে তারচেয়েও অনেক বেশি শোনা যায় ‘মোদি-মোদি’ চিৎকার। কর্মীদের সেকাজে উৎসাহিত করার জন্য মোদিজি আবার ভাষণের মাঝে ‘পজ’ও দেন।
রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, ‘অহংবোধ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় চোর। সে স্বয়ং ভগবানের সামগ্রীও নিজের বলিয়া দাবি করিতে কুণ্ঠিত হয় না।’ সঙ্ঘের বিস্তারক থেকে তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী, বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের দু’বারের প্রধানমন্ত্রী। এবার স্বপ্ন শুধু ক্ষমতায় ফেরার নয়, ৪০০ ছোঁয়ার। মোদিজি, অহঙ্কার হয়তো আপনাকেই মানায়। কিন্তু সমস্যাটা কোথায় জানেন? বাংলা আমিত্বে নয়, বহুত্ববাদে বিশ্বাসী। এটাই রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা।
20th  April, 2024
মহিষের উপর উত্তরাধিকার কর
পি চিদম্বরম

লোকসভা নির্বাচন নিয়ে এই যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে সেখানে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় কোনটি? যুদ্ধের এক পক্ষে নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর কয়েকজন মিত্র আর উল্টো দিক থেকে একটি বহুমুখী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী এবং বিভিন্ন রাজ্যভিত্তিক শক্তিশালী ও স্বাধীন সেনাপতিগণ। বিশদ

মোদিজি, গন্ধটা কিন্তু বেশ সন্দেহজনক!
হিমাংশু সিংহ

কোনও দল, কোনও নেতা কিংবা সংগঠন কখন নির্বাচন চলাকালীন কেঁচে গণ্ডূষ করে ফেলে? বারবার কথা বদলায়? যাকে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছিলেন, তাকেই আবার বুকে টেনে নেন? সহজ উত্তর, পায়ের তলার মাটি টালমাটাল হলে, কিংবা অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় আচমকা বেড়ে গেলে বুকের ধড়ফড়ানি। বিশদ

19th  May, 2024
আরামবাগে বিজেপির ভরসা তৃণমূলের গদ্দাররাই
তন্ময় মল্লিক

আরামবাগ লোকসভা আসনটি দলের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথম নির্বাচনী সভা করেছেন এখানে। শুধু তাই নয়, বেনজিরভাবে একই লোকসভা কেন্দ্রে দু’-দু’বার জনসভা করলেন নরেন্দ্র মোদি। বিশদ

18th  May, 2024
মহিলা-মুসলিম-গরিব: বঙ্গভোটে বড় ফ্যাক্টর
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা কেন ভোট দিই? কেউ ভোট দেয় নিজের পছন্দের দলকে সমর্থন করতে। নিজের পছন্দের দল ক্ষমতাসীন হোক অথবা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে নিজেই সবথেকে বেশি আসন পেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠুক, এটা দেখতে ভালো লাগে। ভাবতে ভালো লাগে। বিশদ

17th  May, 2024
একনায়কের পদধ্বনি!
মৃণালকান্তি দাস

জার্মানির রাজনীতিতে হিটলারের প্রবেশ ১৯১৯ সালে। ওয়াইমার রিপাবলিক-এর নতুন সংবিধানের জন্মও ওই বছরই। গণতান্ত্রিক অধিকারের মাপকাঠিতে এমন জোরদার সংবিধান দুনিয়ায় বিরল, মানবসভ্যতার শিখরে পৌঁছনোর অঙ্গীকার তার ছত্রে ছত্রে।  বিশদ

16th  May, 2024
দড়ি ধরে টান মারাটাও গণতন্ত্রের বড় শক্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

নির্বাচন পর্ব গড়িয়ে গড়িয়ে প্রায় শেষের দিকে এগিয়ে চলেছে। চার পর্বের ভোট শেষে ফলাফলের দিশা অনেকটাই যেন পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। আর দিন কুড়ি পরেই বাস্তব চিত্রটা বোঝা যাবে। কিন্তু এর মধ্যেই সারা দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটা দেখে ‘হীরক রাজার দেশে’র শেষাংশের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। বিশদ

15th  May, 2024
মতুয়াদের নিঃশর্ত নাগরিকত্ব দেবেন না মোদি
গোপাল মিস্ত্রি

আপনি কি মতুয়া? আপনার জন্ম কি ভারতেই? এই বাংলার মটিতে? আপনি এই মাটির জল-হাওয়ায় বড় হয়েছেন? আপনি কি চাকরিজীবী অথবা ব্যবসায়ী, কিংবা কৃষক? ভোট দেন কি? আপনার ভোটেই তো নির্বাচিত দেশজুড়ে মন্ত্রী, এমএলএ, এমপিরা। বিশদ

15th  May, 2024
এক বছরের প্রধানমন্ত্রী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পাওয়ার সেন্টার। হতে পারে বিশেষ কোনও ব্যক্তি, বা একটা কোর গ্রুপ। কোম্পানি চালাতে, পার্টি, রাজ্য কিংবা দেশ... পাওয়ার সেন্টারকে কিছুতেই অস্বীকার করা যায় না। গণতন্ত্রেও না। কারণ, গণতান্ত্রিক সিস্টেমকে ঠিকমতো প্রয়োগ করার জন্যও একজন ব্যান্ড মাস্টার প্রয়োজন। বিশদ

14th  May, 2024
একজন ‘শক্তিশালী’ নেতা মিথ্যা বলবেন কেন?
পি চিদম্বরম

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একজন স্বঘোষিত ‘শক্তিশালী’ নেতা। তিনি প্রায়ই তাঁর ৫৬ ইঞ্চির বুকের ছাতি নিয়ে অহঙ্কার করতেন। তাঁর অনুগামীরা—খান মার্কেট চক্রের নিয়ন্ত্রণ, শহুরে নকশালদের উপড়ে ফেলা, টুকরে-টুকরে গ্যাংকে ধ্বংস করা, পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া, সহযোগী সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজির কার্যত বিলুপ্তি, মূলধারার মিডিয়াকে বশীভূত করা এবং ‘বিশ্বগুরু’ হিসেবে ভারতের কাল্পনিক মর্যাদার দিকে ইঙ্গিত করেন। বিশদ

13th  May, 2024
নিরপেক্ষ রেফারি ছাড়া খেলার মূল্য কী?
জি দেবরাজন

ভারতের সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের অধীনে নির্বাচন কমিশনের ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারাটি কমিশনকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষমতা দেয়। কমিশনের কর্মপদ্ধতি ‘আইনসম্মত’ এবং ‘নিরপেক্ষ’ বলেই বিশ্বাস করা হয়। বিশদ

13th  May, 2024
আক্রমণ ছেড়ে মোদিজি আত্মরক্ষায় কেন?
হিমাংশু সিংহ

ছবিটা একবার ভাবুন। নরেন্দ্র মোদি একক প্রচেষ্টায় গোল করতে পারছেন না, উল্টে নিজের পেনাল্টি বক্সে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত গোল বাঁচাচ্ছেন। গোলকিপার না স্ট্রাইকার ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। অনেক দূরে অমিত শাহ। বাকিদের মেঘ-রোদ্দুরে ঠিক ঠাওরই করা যাচ্ছে না। বিশদ

12th  May, 2024
‘ধর্মগুরু’র কোটি টাকার ফ্ল্যাট, দ্বিধায় মতুয়ারা
তন্ময় মল্লিক

পাশাপাশি দু’টি মন্দির। একটি হরিচাঁদ ঠাকুরের, অন্যটি গুরুচাঁদের। পায়ের চাপে ভেঙে যাওয়া ভক্তদের ছড়ানো বাতাসার গুঁড়ো সরিয়ে গোবরজলে ধোয়া হয়েছে মন্দির চত্বর। তাতে নোংরা গেলেও কটু গন্ধে টেঁকা দায়। ভন ভন করছে মাছি। বিশদ

11th  May, 2024
একনজরে
লোকাল ট্রেনে বিনা টিকিটে সফর করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। প্রযুক্তির যুগে কাউন্টারের দীর্ঘ লাইন এড়িয়ে মোবাইল কিংবা বিকল্প উপায়ে ট্রেনের টিকিট কাটার সুযোগ রয়েছে। ...

মাটির উনুনের উপর বসানো হাঁড়িতে ফুটছে ধানের কুড়া, সঙ্গে শাকসব্জি। তৈরি হচ্ছে গোরুর খাবার। গৃহকর্ত্রী ঝুমা কিস্কু হাঁড়ির ঢাকনা সরিয়ে একবার দেখে নিলেন, কতটা ফুটেছে। ...

রবিবার পুরুলিয়া শহরে কার্যত জনজোয়ারে ভাসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রোড শো চলার মাঝেই কোথাও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট মেয়েকে আদর করলেন, কোথাও আবার বৃদ্ধাকে ...

বছর দশেক আগে মণিপুরে ফুটবল প্রতিযোগিতায় খেলতে গিয়েছিলেন। মারাত্মক চোট পান বাঁ হাঁটুতে। বহু চিকিৎসাতেও কোনও কাজ হয়নি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুরুজনের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা ও মানসিক উদ্বেগ। কাজকর্মে বড় কোনও পরিবর্তন নেই। বয়স্কদের স্বাস্থ্য সমস্যা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস
১৪৯৮ - ভাস্কো ডা গামা প্রথম ইউরোপীয়, যিনি আজকের দিনে জলপথে ভারতের কালিকট বন্দরে উপস্থিত হন
১৫০৬- ক্রিস্টোফার কলম্বাসের মৃত্যু
১৬০৯ - শেক্সপিয়ারের সনেট প্রথম প্রকাশিত হয় লন্ডনে। প্রকাশক ছিলেন থমাস থর্প
১৮৫৪ - বিশিষ্ট বাঙালি ব্যবসায়ী,সমাজসেবী ও দানবীর মতিলাল শীলের মৃত্যু
১৮৬৭ - মহারানি ভিক্টোরিয়া আজকের দিনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে রয়াল অ্যালবার্ট হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন
১৯৩২- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপিনচন্দ্র পালের মৃত্যু
১৯৩২ - ইয়ারহার্ট প্রথম মহিলা ‍যিনি একক উড্ডয়নে আটলান্টিক পাড়ি দেন
১৯৪৭ - বিশিষ্ট কবি প্রবন্ধকার ও শিশুসাহিত্যিক প্যারীমোহন সেনগুপ্তর মৃত্যু
১৯৫২ – প্রাক্তন ক্যামেরুনিয়ান ফুটবলার রজার মিল্লার জন্ম
১৯৭৪ - চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৮৩ - এইচআইভি ভাইরাস সম্পর্কে প্রথম প্রকাশিত হয় সায়েন্স ম্যাগাজিনে
১৯৮৬ - বাংলা ভাষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রতিষ্ঠিত
২০১৯ - বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধনের মৃত্যু
২০১৯ -  লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৫৩ টাকা ৮৪.২৭ টাকা
পাউন্ড ১০৪.২৩ টাকা ১০৭.৭১ টাকা
ইউরো ৮৯.২৯ টাকা ৯২.৪৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  May, 2024
পাকা সোনা (১০ গ্রাম)  
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম)  
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম)  
রূপার বাট (প্রতি কেজি)  
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি)  
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, সোমবার, ২০ মে, ২০২৪। দ্বাদশী ২২/৩৩ দিবা ৩/৫৯। চিত্রা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৪/৫৮/২৩, সূর্যাস্ত ৬/৭/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/১ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৩/৩২ গতে ৪/১৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ২/৫১ গতে ৪/৩০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।   
৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, সোমবার, ২০ মে, ২০২৪। দ্বাদশী দিবা ৩/১৭। চিত্রা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৪/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৩/৩০ গতে ৪/১২ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ২/৫২ গতে ৪/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১১ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় কোন রাজ্যে কত শতাংশ ভোট পড়ল
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় আজ, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ৭টি কেন্দ্র সহ ...বিশদ

08:22:49 PM

শ্রীরামপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
ভরসন্ধ্যায় শ্রীরামপুরের পিয়ারাপুর এলাকার একটি স্টকহাউসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। ...বিশদ

07:56:49 PM

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪(পঞ্চম দফা): বিকাল ৫টা পর্যন্ত কোন রাজ্যে কত ভোট পড়ল
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণপর্ব চলছে। আজ, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ৭টি ...বিশদ

06:30:00 PM

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪(পঞ্চম দফা): বিকাল ৫টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে কোথায় কত ভোট
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণপর্ব চলছে। গোটা দেশের একাধিক রাজ্যের ...বিশদ

06:20:00 PM

কল্যাণীর গয়েশপুরে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উপর কেন্দ্রীয়বাহিনীর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ করার অভিযোগ

05:35:00 PM

মোদি আপনাদের উন্নয়নে দিন-রাত কাজ করে: মোদি

04:57:00 PM