Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিজেপি আর দুর্গ নয়, নিছকই কাচের ঘর
হারাধন চৌধুরী

বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, হিউম্যারিস্ট স্টিফেন লিকক বলেছিলেন, প্রবাদগুলো নতুন করে লেখা উচিত। কারণ এগুলো প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। এমনকী, কিছু প্রবাদ সাম্প্রতিক বাস্তবের বিপরীত ব্যাখ্যাই বহন করছে। প্রবাদ: কাচের ঘরের বাসিন্দাদের কখনওই অন্যের দিকে ঢিল ছোড়া উচিত নয়। সেখানে স্টিফেন লিককের যুক্তি, বেঁচে থাকতে হলে কাচের ঘরের বাসিন্দারাই ঢিল ছুড়বে এবং অনবরত, যাতে অন্যদের একটা ঢিলও কাচের ঘর ঘেঁষতে না-পারে। প্রবাদটির বক্তব্য আমরা জানি—যাদের কিছু দোষ-ত্রুটি রয়েছে, তাদের অন্যের সমালোচনা করা উচিত নয়। কারণ পাল্টা সমালোচনা শুরু হলে তাদেরই কেচ্ছা বেরিয়ে পড়বে। লিককের তির্যক যুক্তি হল, যারা হাজার দোষে দুষ্ট তাদের ব্রত হওয়া উচিত—অন্যদের সমালোচনায় অনবরত মুখর থাকা, যাতে তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার অবকাশই কেউ না-পায়!
নোট বদল নিয়ে সংঘর্ষ
নোট বাতিল করা হয়েছিল ২০১৬ সালে। তারপর চালু করা হয় ২০০০ টাকার নোট। ওই মুদ্রা ছাপতে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের খরচ হয় ১৮ হাজার কোটি টাকা। এরপর এটিএমগুলিকে পিঙ্ক নোটের উপযুক্ত করে তুলতে ব্যাঙ্কগুলির উপর চাপে বিপুল ব্যয়ের বোঝা। শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিই ৩২ হাজার কোটি টাকা খরচ করতে বাধ্য হয়। এবার সেই নোটও প্রত্যাহার (আসলে বাতিল) করা হল গত মে মাসে। হুকুম জারি হল, দু’হাজারি নোটগুলো নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে ব্যাঙ্ক থেকে বদলে নাও। বাড়ির কাছের ব্যাঙ্কের দরজা অবশ্য এজন্য বেশিদিন খোলা ছিল না। পরিবর্তে নাগরিকদের পাঠানো হল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাউন্টারে। এখন আরবিআইয়ের সামনে উদ্বিগ্ন মানুষজনের লম্বা লাইন। ক’জনের আর লাইনে দাঁড়ানোর সামর্থ্য, সময় ও ধৈর্য থাকে? এই মওকায় গজিয়ে উঠেছে দালাল চক্র। মানে কিছু কমিশন দাও, তোমারটা তাড়াতাড়ি করে দেব। এমন বন্দোবস্ত কখনওই শান্তিপূর্ণ হতে পারে না, এবং হচ্ছেও না। যেমন ২২ ফেব্রুয়ারি, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলকাতায় আরবিআই অফিসের সামনে ছোটখাট সংঘর্ষ ঘট‍ল। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে জখম হলেন কয়েকজন। সাতবছর আগের বিষাদময় স্মৃতিই ফিরল। অথচ, এটা ছিল দেশ থেকে দুর্নীতির মূল উপড়ে ফেলার অঙ্গীকারের অংশ। সেই অঙ্গীকার পূরণ দূর, বাস্তবে দেখা গেল জালিয়াত এবং কালো টাকার কারবারিদের বাড়তি সুবিধাই করে দিয়েছে পিঙ্ক নোট। আর সেজন্যই শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে খারিজ হচ্ছে দু’হাজারি মনসবদারি। মাঝখান থেকে নিরপরাধ মানুষগুলোর ভয়াবহ দুর্ভোগ এবং আর্থিক ক্ষয়ক্ষতিই সার!
সাইবার গ্যাংয়ের মওকা
সাইবার অপরাধীরা অনেকের চেয়ে বেশি ধুরন্ধর। উৎপাদন ও ব্যবসার একটা ফলপ্রসূ কৌশলের নাম ‘ডাইভার্সিফিকেশন’। ঠগবাজরা এতে আস্থা রাখে আরও বেশি। কারণ কোনও একটা ছক বহু মানুষের কাছে ফাঁস হয়ে যেতে বেশি দেরি হয় না। তাই তারা নিত্যনতুন কৌশল বের করে। যেমন ওটিপি এবং অন্যান্য তথ্য হাতিয়ে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড প্রতারণা করা এখন কঠিন হয়ে গিয়েছে। ফলে প্রতারকরা মার্কেট ধরে রাখতে ইলেক্ট্রিক বিল পেমেন্ট না-হওয়ায় বিদ্যুৎ লাইন কাটার ভয় দেখানো, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়ে যাওয়ার মতো কৌশল নেয়। মোটা টাকার লটারি কিংবা ব্যাঙ্ক কার্ডের ক্রেডিট পয়েন্টস রিডিম করার লোভও দেখায়। বিমার টাকা পাইয়ে দেওয়ার টোপ আসে এসএমএস/ইমেল মারফত। এসবই এখন পুরনো। সাইবার প্রতারকরা এবার আসরে হাজির আধার বাতিলের যন্ত্রণাকে হাতিয়ার করে। ইতিমধ্যেই, অসংখ্য গরিব মানুষকে আধার বাতিলের (নিষ্ক্রিয়) চিঠি ধরানো হয়েছে। তার ফলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে অনেকের ব্যাঙ্কে লেনদেন। সংসার খরচ থেকে হাসপাতালের বিল মেটানো—কিছুই করা যাচ্ছে না। রেশনের খাদ্য নিতে গিয়েও খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন অনেকে। বিপাকে পড়ুয়ারাও। তারা স্টাইপেন্ডের টাকা তুলতে পারছে না। কিছুদিন পরে বিভিন্ন এন্ট্রান্স পরীক্ষায় বসা এবং কলেজে ভর্তির কী হবে, তা ভেবে রাতের ঘুম ছুটেছে তাদের। বিপদ এখানেই শেষ নয়, নিষ্ক্রিয় আধার কার্ড ফের চালু করে দেওয়ার টোপ নিয়ে আসরে অবতীর্ণ ক্রিমিনালরাও। এই কাজের ফি’র জন্য তারা দাবি করছে গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের গোপন তথ্যাদি। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দৌরাত্ম্যে ইতিমধ্যেই ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা মোদি-বিরোধীদের। তার সাতকাহন অবগত দেশবাসী। ইডি, সিবিআই জুজু এবার সাইবার শয়তানরাও লুফে নিয়েছে। এই দুর্বৃত্তদের নয়া শিকারের নাম রিটায়ার্ড পার্সনস—বিশেষত যাঁরা উচ্চপদে চাকরি শেষে মোট অঙ্কের অর্থ পেয়েছেন। একটি কেন্দ্রীয় এজেন্সির নাম করে ফোনে তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে—আপনার নামে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে আপনারই অজান্তে এবং সেগুলি মারফত বিপুল কালো টাকার লেনদেন ঘটছে! সমাধানের পথ বাতলে দেওয়ার অছিলায় তারা টাকা দাবি করছে। কিছু ব্যক্তি এই ফাঁদে পা দিয়ে বহু টাকা খুইয়েছেনও। বঙ্গদেশে বর্গির হানা এমন হয়েছিল যে, দুষ্টু বাচ্চাদের ঘুম পাড়াতে তাদেরই ভয় দেখাতেন মায়েরা। মোদি সরকার এত ঘন ঘন দুর্ভোগের রকমারি ‘উপহার’ দিচ্ছে যে সাধারণ মানুষ তাল মেলাতেই পারছে না। তাল কেটে গিয়ে ভয়ানকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন গরিরগুর্বোদের সঙ্গে সুশিক্ষিত এবং প্রাক্তন পদাধিকারীরাও!
দুর্নীতির রাজনীতি
রেশন ব্যবস্থার পাশাপাশি মিড ডে মিলে দুর্নীতি হয়েছে বলে বিস্তর লাফালাফি করেছিল বঙ্গ বিজেপি। শিশুদের মুখের গ্রাস কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্বয়ং! তদন্তেও এগিয়েছিল ইডি-সিবিআই জুটি। কিন্তু বাস্তবে খারাপ তথ্যই মেলেনি। বরং সম্প্রতি কেন্দ্র-রাজ্য বৈঠকে বাংলা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এমনকী, মিড ডে মিল (পিএম পোষণ) প্রকল্প নিয়ে বাংলার ব্যবস্থাটিকেই ‘মডেল’ করতে চেয়েছেন দিল্লির কর্তারা। ৫ মার্চ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু দেশের সেরা পুরসভাগুলিকে পুরস্কৃত করবেন। সেই তালিকায় বিবেচিত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গেরও ১১টি পুরসভা। পানীয় জল, নিকাশি প্রভৃতি নাগরিক পরিষেবার উন্নয়নে ‘অম্রুত’ প্রকল্প চালু করেছে কেন্দ্র। সেটি বিশেষ সাফল্যের সঙ্গে রূপায়ণে বাংলা যে দক্ষতা ও স্বচ্ছতার পরিচয় দিয়েছে, এরপর তা বুঝতে বাকি থাকে কি? তবু মনরেগা এবং আবাস নিয়ে গ্রামবাংলার লক্ষ লক্ষ গরিব মানুষের সঙ্গে বঞ্চনার ইতিহাস গড়েছেন মোদিরা। রাজ্যের হিসেবে, ইতিমধ্যে বাংলায় জব কার্ডধারী ১২ হাজার গরিব মানুষ বঞ্চনা নিয়েই পৃথিবী ছেড়ে গিয়েছেন। এই রাজ্যকে ২৬ মাস যাবৎ একশো দিনের কাজ ও টাকা দেয়নি দিল্লি। অথচ বিজেপি-শাসিত মধ্যপ্রদেশে আবাস যোজনায় ভূরি ভূরি অনিয়ম ঘটেছে। ক্যাগ সেসব ধরার পরেও ওই রাজ্যে কেন্দ্রীয় টাকার ফ্লো বন্ধ হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে সামান্যতম পদক্ষেপেরও খবর নেই। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা পেতে অনলাইন অডিট বাধ্যতামূলক। সেই নিয়ম প্রশংসনীয়ভাবে মেনে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গ। অন্যদিকে, এই প্রশ্নে ডাহা ফেল বেশিরভাগ ‘ডাবল ইঞ্জিন’ রাজ্য। তবু ওই ‘আলালের ঘরের দুলাল’দের গায়ে আঁচড়টিও পড়ছে না! এখানেই পরিষ্কার নয় কি—মোদি সরকারের এত নিয়মের বেড়াজাল কতটা রাজনৈতিক মতলব আর কতটা প্রশাসনিক দায়?
পেটের সওয়াল
বছরে ২ কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি—মোদি জমানার দশক শেষের আগেই ‘জুমলা’ বলে প্রমাণিত। ইপিএফও’র হালফিল তথ্য বলছে, উল্টে নতুন চাকরির প্রবণতা নিম্নমুখী—২০২২ সালের তুলনায় গতবছর ১০ শতাংশ হ্রাস রেকর্ড হয়েছে। সম্প্রতি ইউপিতে পুলিসে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হয়েছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে। তার মধ্যেই বিষাদের খবর, যোগীরাজ্যে এক উচ্চ শিক্ষিত যুবক চাকরি না-পেয়ে আত্মঘাতী! নিজেকে শেষ করে ফেলার আগে পুড়িয়েছেন তাঁর ‘অজাকের’ সার্টিফিকেটগুলো! বয়স্ক পিএফ পেনশনারদের সঙ্গে মোদি সরকারের ‘প্রতারণা’র অবসান হয়নি এখনও। সবধরনের শ্রমিকের প্রকৃত আয় দীর্ঘদিন যাবৎ ‘স্ট্যাগন্যান্ট’। তার মধ্যে আছেন কৃষি শ্রমিকরাও। কৃষিপণ্যের এমএসপি-বঞ্চনার আঁচ সাগরপারের দেশগুলিতেও পৌঁছে গিয়েছে। অথচ, ‘আচ্ছে দিন’-এ জিনিসপত্র অগ্নিমূল্য বললেও কম বলা হবে। এনএসএসও-ই বলছে, সংসার খরচ বেড়েছে মনমোহন জমানার আড়াই গুণ!
এরই পাশে রাখুন—ইলেক্টোরাল বন্ড কিসসা, বিলকিস বানোর প্রতি অবিচার, মণিপুর পরিস্থিতি, মহিলা কুস্তিগিরদের সঙ্গে জঘন্য ব্যবহার, বুলডোজ প্রশাসন, ট্যাক্স টেররিজম, এনআরসির রক্তচক্ষু, অপারেশন লোটাস বা ঘোড়া কেনাবেচা এমনকী সংসদের বুকে দাঁড়িয়েও গণতন্ত্র হত্যা প্রভৃতি ইস্যু। ‘দোর্দণ্ডপ্রতাপ’ সরকারের সামনে একের পর এক ধারালো কাঁটার চেহারায় খাড়া হয়ে আছে এগুলো। বিন্দুমাত্র রাজনৈতিক সততা থাকলে গেরুয়া শিবিরের কারও মুখেই কোনও আস্ফালন আসত না, তাঁরা সবাই মুখ লুকোতেন একসঙ্গেই। তা নিশ্চয় করবেন না কাচের ঘরের বাসিন্দারা। অতএব, সংবাদ মাধ্যম এবং বিচার ব্যবস্থার উচিত আরও নিষ্ঠার সঙ্গে এই জমানার সবগুলো বেড়ালকে ঝুলি থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে আনা। বৃহত্তম গণতন্ত্রকে বাঁচানোর মূল দায়িত্ব বিরোধীদের। এই সুবর্ণ সুযোগ তাদের মহাজোট ‘ইন্ডিয়া’কে নিতেই হবে। মোদি এবং তাঁর গেরুয়া শিবির এখন আর কোনও দুর্গের নাম নয়, এমনকী নয় সুদৃশ্য সৌধও, একটা কাচের ঘরে পরিণত করেছেন তাঁরাই। একটা ঢিল ঠিকঠাক লেগে গেলে চুর চুর হয়ে ভেঙে পড়বে! কিন্তু সবরকমে বাগে পেয়েও বিরোধীরা ব্যর্থ হলে তাদের শক্তি, ভবিষ্যৎ দুটো নিয়েই দীর্ঘ হবে প্রশ্নচিহ্ন।
28th  February, 2024
ফৌজদারি অভিযোগ, না প্রার্থীর অলঙ্কার?
হারাধন চৌধুরী

ভারতের বহু মানুষ এখনও নিরক্ষর। সর্বশেষ সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, দেশে সাক্ষরতার হার ৭৭.৭০ শতাংশ। হলফ করে বলা যায়, দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন স্বাধীনতার অমৃতকালের কথা বলেন তখন নিশ্চয় তিনি এই তথ্য মনে রাখেন না। বিশদ

দ্বিতীয় দফায় কতটা আত্মবিশ্বাসী বিজেপি?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটের মরশুম শুরুর আগে ‘মডেল রিসোর্স’ সংস্থা কলকাতায় একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। পুরোদস্তুর রাজনৈতিক ইস্যু। প্রশ্নের মুখে রাখা হয়েছিল সব বয়সের এবং সবরকম শিক্ষাগত যোগ্যতার মানুষকে। নানাবিধ জিজ্ঞাস্য। কিন্তু তার মধ্যে মোক্ষম একটি প্রশ্ন ছিল, ‘আপনার মতে রামমন্দিরের জন্য ৬০০ কোটি টাকা খরচ করাটা কি যুক্তিসঙ্গত? বিশদ

23rd  April, 2024
ধর্মের নামে বজ্জাতির পরিণতি
পি চিদম্বরম

কংগ্রেস এবং বিজেপির ইস্তাহারের মধ্যে তুলনা করতে পারিনি বলে আমার গত সপ্তাহের কলামে আক্ষেপ করেছিলাম। আমার লেখার পরপরই অবশ্য ‘মোদি কি গ্যারান্টি’ নামে একটি ইস্তাহার বিজেপি প্রকাশ করে। এটা এখন ভীষণ রকমে স্পষ্ট যে বিজেপি আর একটি রাজনৈতিক দলমাত্র নয়, এটি একটি কাল্ট বা গোঁড়া ধর্মীয় গোষ্ঠীর নাম।
বিশদ

22nd  April, 2024
মোদির ইস্তাহারে মানুষ ব্রাত্য, শুধুই ব্যক্তিপুজো
হিমাংশু সিংহ

ঘটা করে ইস্তাহার বেরিয়েছে গত রবিবার। প্রধানমন্ত্রীও ইতিমধ্যেই দেশের উত্তর থেকে দক্ষিণ জনসভার সংখ্যায় হাফ সেঞ্চুরি পেরিয়ে ছুটছেন। কিন্তু বাংলার গরিব মানুষের বকেয়া একশো দিনের কাজের টাকা ছাড়ার প্রতিশ্রুতি দিতে কেউ শুনেছেন একবারও? বিশদ

21st  April, 2024
লড়াইটা মোদির আমিত্বের বিরুদ্ধে
তন্ময় মল্লিক

অপেক্ষার অবসান। প্রথম দফার ২১টি রাজ্যের ১০২টি আসনের ভোট গ্রহণ শেষ। বাংলায় তিনটি। সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে বাংলায়। তারমধ্যে সর্বাধিক মোতায়েন ছিল অমিত শাহের ডেপুটি নিশীথ প্রামাণিকের নির্বাচনী কেন্দ্র কোচবিহারে। বুথ পাহারায় ‘দাদার পুলিস’।
বিশদ

20th  April, 2024
আজ থেকে পরীক্ষা শুরু তরুণদের
সমৃদ্ধ দত্ত

আপনাদের কাছে এই আজ থেকে যে মহাযুদ্ধ শুরু হচ্ছে, সেটি সবথেকে বড় অগ্নিপরীক্ষা। এটা মাথায় রাখবেন। আপনারা অর্থাৎ রাজ্যে রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় রাজনীতির তরুণ প্রজন্ম কতটা যোগ্য, কতটা আপনারা  নিজেদের প্রস্তুত করতে পারলেন এবং আগামী দিনে রাজ্যবাসী আপনাদের উপর কতটা বিশ্বাস, আস্থা কিংবা ভরসা করতে পারবে, মনে রাখবেন, সেই পরীক্ষাটি আজ থেকেই শুরু হচ্ছে। বিশদ

19th  April, 2024
‘আপ রুচি খানা’
মৃণালকান্তি দাস

দ্বারকার ক্ষত্রিয়ভূমিতে মদ্য-মাংসের বারণ ছিল না, তার প্রমাণ মহাভারতে আছে। আর অযোধ্যার পথেঘাটে ছিল সুরা-মদের ছড়াছড়ি। বলে গিয়েছেন বাল্মীকি।
বিশদ

18th  April, 2024
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বনাম ছাপ্পান্ন ইঞ্চির ভাঁওতা
সন্দীপন বিশ্বাস

নমস্কার, আমি আপনার ব্যাঙ্কের ম্যানেজার বলছি। আপনার অ্যাকাউন্টে একটু আগে একটা বিদেশি লটারির পুরস্কার বাবদ ১৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঢুকেছে। কিন্তু অ্যাকাউন্টে একটা সমস্যা থাকায় টাকাটা ঢুকছে না। আপনার কাছে একটা ওটিপি নম্বর যাচ্ছে, সেটা আমাকে বলে দিলেই আপনার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা ঢুকে যাবে।  বিশদ

17th  April, 2024
লক্ষ্য উত্তরবঙ্গ: মমতার প্রকল্প আছে, মোদির?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

রাস্তাঘাটে আম জনতার সঙ্গে কথা বলছেন সঞ্চালক। প্রত্যেকের জন্য প্রশ্ন একটিই, গত ১০ বছরে নরেন্দ্র মোদি সরকারের এমন তিনটি কাজ বলুন, যার মাধ্যমে আপনি সরাসরি উপকৃত হয়েছেন।
বিশদ

16th  April, 2024
এক জাতি, এক নির্বাচন: সন্দেহজনক তত্ত্ব
পি চিদম্বরম

ইস্তাহার হল একটি লিখিত ঘোষণা। তাতে থাকে মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি সম্পর্কে কিছু ইচ্ছা এবং মতামত। এই প্রসঙ্গেই মনে আসে ১৭৭৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং ১৯৪৭-এর ১৪-১৫ আগস্ট জওহরলাল নেহরুর সেই বিখ্যাত ‘ভাগ্যদেবতার সঙ্গে অভিসারের সংকল্প’ ভাষণের মতো দৃষ্টান্তগুলি।
বিশদ

15th  April, 2024
৪০০ নামুমকিন, তবু মরিয়া ‘গোয়েবলস’
হিমাংশু সিংহ

নির্বাচন কত বড় ‘মাইন্ড গেম’ তার অকাট্য প্রমাণ এবারের লড়াই। নরেন্দ্র মোদি জানেন, কোনও অঙ্কেই ৪০০ আসন জেতা সম্ভব নয়। দক্ষিণ ভারত না সাথ দিলে ৩০০ অতিক্রম করাও কঠিন। উত্তর ভারতে দু’-চারটে রাজ্যে হিসেব না মিললে ২০০-র আগেই কিংবা সামান্য ওপরে থমকে যেতে পারে বিজেপির রথ। বিশদ

14th  April, 2024
আমে-দুধে মেশায় আইএসএফ এখন ‘আঁটি’
তন্ময় মল্লিক

ডুবন্ত মানুষ বাঁচার আশায় খড়কুটোকেও আঁকড়ে ধরে। একুশের নির্বাচনে সেই আশায় ডুবন্ত সিপিএম আইএসএফকে আঁকড়ে ধরেছিল। বাংলার রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য ব্রিগেডের জনসভায় অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে দিয়ে আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকীর হাতে মাইক্রোফোন তুলে দিয়েছিলেন মহম্মদ সেলিম। বিশদ

13th  April, 2024
একনজরে
মাঠের মাঝে হেলিপ্যাড তৈরি হয়েছে। প্রখর রোদে মাটি ফেটে গিয়েছে। বেলা যত গড়াচ্ছে সূর্যের তেজ ততই বাড়ছে। কিন্তু তাতে হেলদোল নেই মণিরা বিবি, প্রমীলা রায়, কবিতা রায়দের। ...

বাড়ি ফেরার পথে এক ব্যক্তিকে পথ আটকে হাঁসুয়া দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাত ৯টা নাগাদ চাঁচল থানার গোয়ালপাড়া এলাকার ...

আট ম্যাচে পাঁচটা পরাজয়। প্লে-অফের পথ ক্রমশ কঠিন হচ্ছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। সোমবার সোয়াই মান সিং স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে ৯ উইকেটে ...

কেউ আছেন পাঁচ বছর, কেউ বা দশ। তাঁরা প্রত্যেকেই বারুইপুরের ‘আপনজন’ হোমের আবাসিক। প্রত্যেকেই প্রবীণ নাগরিক। তাঁদের অনেকেই পরিবার থেকে দূরে থাকেন। মাঝেমধ্যে কেউ কেউ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মে অগ্রগতি ও নতুন কাজের বরাত প্রাপ্তি। আইটি কর্মীদের শুভ। মানসিক চঞ্চলতার জন্য বিদ্যাচর্চায় বাধা। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় পঞ্চায়েতী রাজ দিবস 
১০৬১: ইংল্যান্ডের আকাশে হ্যালির ধূমকেতু দেখা যায়
১২৭১ : মার্কো পোলো তার ঐতিহাসিক এশিয়া সফর শুরু করেন
১৯২৬:  যক্ষার ভ্যাকসিন বিসিজি আবিষ্কার
১৯৪২: মারাঠি মঞ্চ অভিনেতা, নাট্য সঙ্গীতজ্ঞ এবং হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী দীনানাথ মঙ্গেশকরের মৃত্যু
১৯৪৫ :সোভিয়েত সেনাবাহিনী  বার্লিনে প্রবেশ করে
১৯৫৬: লোকশিল্পী তিজ্জনবাইয়ের জন্ম
১৯৭২: চিত্রশিল্পী যামিনী রায়ের মৃত্যু
১৯৭৩: ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকারের জন্ম
১৯৮৭: বরুণ ধাওয়ানের জন্ম
২০১১: ধর্মগুরু শ্রীসত্য সাঁইবাবার মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৯০ টাকা ৮৩.৯৯ টাকা
পাউন্ড ১০১.৮৯ টাকা ১০৪.৫০ টাকা
ইউরো ৮৭.৯৯ টাকা ৯০.৪১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭২,৩৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭২,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৬৯,১৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮০,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮০,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ বৈশাখ, ১৪৩১, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪। পূর্ণিমা ০/১৫ প্রাতঃ ৫/১৯। স্বাতী নক্ষত্র ৪৬/৩০ রাত্রি ১২/৪১। সূর্যোদয় ৫/১৩/০, সূর্যাস্ত ৫/৫৬/৩৭। অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১১/৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪২ গতে ৩/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/২৭ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৪ গতে ৯/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৪ গতে ১/১০ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৩ গতে ৩/৪৭ মধ্যে। 
১১ বৈশাখ, ১৪৩১, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪। প্রতিপদ অহোরাত্র। স্বাতী নক্ষত্র রাত্রি ১২/১। সূর্যোদয় ৫/১৩, সূর্যাস্ত ৫/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/২২ গতে ১১/৬ মধ্যে ও ৩/২৬ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ গতে ৯/০ মধ্যে ও ১/২২ গতে ৫/১৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৩ গতে ৩/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/০ গতে ১০/২৭ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৫ গতে ১০/০ মধ্যে ও ১১/৩৬ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৫ গতে ৩/৪৯ মধ্যে। 
১৪ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: গুজরাতকে ৪ রানে হারাল দিল্লি

11:27:04 PM

আইপিএল: ১৩ রানে আউট সাই কিশোর, গুজরাত ২০৬/৮ (১৯ ওভার) টার্গেট ২২৫

11:18:57 PM

আইপিএল: ৫৫ রানে আউট ডেভিড মিলার, গুজরাত ১৮১/৭ (১৭.৩ ওভার) টার্গেট ২২৫

11:08:30 PM

আইপিএল: ২১ বলে হাফসেঞ্চুরি ডেভিড মিলারের, গুজরাত ১৭৭/৬ (১৭ ওভার) টার্গেট ২২৫

11:05:47 PM

আইপিএল: ৪ রানে আউট রাহুল তেওতিয়া, গুজরাত ১৫২/৬ (১৬ ওভার) টার্গেট ২২৫

10:58:15 PM

আইপিএল: ৮ রানে আউট শাহরুখ খান, গুজরাত ১৩৯/৫ (১৪.১ ওভার) টার্গেট ২২৫

10:49:17 PM