Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দ্বিতীয় মণ্ডল: কংগ্রেসকে বদলে দিচ্ছেন রাহুল?
সমৃদ্ধ দত্ত

রাহুল গান্ধী শুধু নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে নয়, স্বাধীনতার পর কংগ্রেসের ইতিহাসেও সম্ভবত সবথেকে বড় এক সিদ্ধান্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাজি নিয়েছেন ঠিক লোকসভা ভোটের আগে। নিজের দলের ইতিহাসের ঘোষিত অথবা অঘোষিত অবস্থানের ঠিক বিপরীত অবস্থানে গিয়ে রাহুল গান্ধী সরাসরি জাতিগত রাজনীতিতে প্রবেশ করছেন। বিজেপির হিন্দুত্ব ও উগ্র জাতীয়তাবাদের সঙ্গে কোনও ইস্যুতেই টক্কর দিতে না পেরে রাহুল হয়তো সর্বশেষ রাজনৈতিক জুয়ায় এগিয়ে দিয়েছেন দলকে। তাঁকে প্রবল উচ্চকিতভাবে দেখা যাচ্ছে দলিত, অনগ্রসরদের দাবি ও অধিকার আদায়ের প্রতিনিধি হতে। জাতীয় স্তরে কোনও জাতিগত আইডেন্টিটি নিয়েই রাজনীতি করে এরকম দল নেই। যা ছিল বিগত শতকের নয়ের দশকে সেগুলি এখনও আঞ্চলিক স্তরেই রয়ে গিয়েছে। রাহুল গান্ধী এবার জাতীয় স্তরের কাস্ট লিডার হয়ে উঠতে চাইছেন। তিনি কি সফল হবেন? নাকি ব্যর্থ? 
ইতিহাসে ফেরা যাক। প্রথম লোকসভা ভোট হয়ে যাওয়ার পরই সংরক্ষণ নিয়ে দাবি উঠতে শুরু করে। কংগ্রেসেরই অনগ্রসর শ্রেণির নেতারা জওহরলাল নেহরুকে বললেন, পণ্ডিতজি, সরকারি চাকরিতে অনগ্রসরদের জন্য সংরক্ষণ দেওয়া দরকার। নচেৎ তারা এগবে কীভাবে? নেহরুর নিজের ব্রাহ্মণ পরিচয়ের জন্য তাঁর নামের আগে পণ্ডিতজি শব্দটা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে ছিল। কিন্তু তিনি জাতপাত নিয়ে এমনিতে মাথা ঘামাতেন না। উচ্চবর্ণ শ্রেষ্ঠ এরকম ধারণাও পোষণ করতেন না। আবার একমাত্র জাতিগত কারণেই তফসিলিদের জন্য সংরক্ষণ দিতে হবে এই ভাবনারও বিশেষ সমর্থক তিনি নন। তিনি মূলত আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়াদের অনগ্রসর মনে করতেন। তবু এই সম্মিলিত দাবিকে উপেক্ষা করা যায় না। ফলে স্বাধীন ভারতে প্রথম অনগ্রসর শ্রেণির জন্য কমিশন গঠন করলেন তিনি। ১৯৫৩ সালের ২৯ জানুয়ারি। কী দেখবে এই কমিশন? সামাজিক ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ভারতবাসী কী অবস্থায় আছে, তাদের হাল হকিকত জানবে এবং রিপোর্ট দেবে। কমিশনের প্রধান দত্তাত্রেয় বালাকৃষ্ণ কালেকর। সমাজ সংস্কারক এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী। 
১৯৫৫ সালে কালেকর রিপোর্ট জমা দিলেন। যেখানে তালিকাভুক্ত করা হল, ২৩৯৯ টি জাতিকে যারা আর্থিক ও সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া। তাঁর সুপারিশ ছিল, ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ সংরক্ষণ দেওয়া হোক এই শ্রেণিকে। নেহরু নিজে সরাসরি কোনও মত দিলেন না। কিন্তু তাঁর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোবিন্দবল্লভ পন্থ মনে করলেন যে, সবেমাত্র দেশ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এখনই যদি এই সুপারিশ কার্যকর করা হয় তাহলে প্রথমেই জাতিগত কারণে দেশে বিভাজন তৈরি হবে। আর তার ফলে শিল্প, পরিকাঠামো কিংবা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলি নির্মাণের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, সেটা বাধাপ্রাপ্ত হবে। সব মনোযোগ চলে যাবে ওই সংরক্ষণের দিকে। উচ্চবর্ণ বিদ্রোহ করতে পারে। নেহরু সমর্থন বিরোধিতা কিছুই করলেন না। ফলে সংসদে সেই রিপোর্ট জমা হল না। 
১৯৬১ সালে নেহরু সরকার স্থির করল, এই পদক্ষেপ রাজ্যের সিদ্ধান্তের উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। রাজ্যগুলিই ঠিক করুক তাদের মতো করে। সেইমতো বেশ কিছু রাজ্য নিজেদের কমিশন গঠন করল। দক্ষিণের রাজ্যগুলি সংরক্ষণ ঘোষণা করল তাদের মতো করে। পাঞ্জাবও ৫ শতাংশ সংরক্ষণ দিল। 
ভোটের প্রচারে ১৯৭৭ সালে জনতা দল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, তারা ক্ষমতাসীন হয়ে কালেকর কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করবে। তারা ক্ষমতায় এল বটে। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হল না। ১৯৭৮ সালে কিন্তু জনতা দলেরই বিহার সরকারের মুখ্যমন্ত্রী কর্পূরী ঠাকুর এক ধাক্কায় ২৬ শতাংশ সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন ওবিসিদের জন্য। কিন্তু বিহারে তো বটেই, জাতীয় স্তরেও প্রবল তোলপাড় শুরু হল। উচ্চবর্ণ বিহারে সরাসরি বিদ্রোহ করল। যা ভয় পাইয়ে দিল জনতা দলকে। পিছিয়ে এলেন কর্পূরী ঠাকুর। তিনি সংরক্ষণ রাখলেন। তবে মহিলা ও আর্থিকভাবে অনগ্রসরদের ৩ শতাংশ করে দিলেন সংরক্ষণ। ওবিসিদের সংরক্ষণ কমে গেল। 
এবারই নড়েচড়ে বসল জনতা পার্টি। ১৯৭৯ সালের জানুয়ারি মাসে জনতা সরকারের প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই ভারতের দ্বিতীয় অনগ্রসর কমিশন গঠন করলেন। কমিশনের সভাপতির নাম বিন্ধ্যেশ্বর প্রসাদ মণ্ডল। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বিন্ধ্যেশ্বর প্রসাদ মণ্ডল হয়তো স্বপ্নেও ভাবেননি যে, তাঁর  পদবি এভাবে একদিন ভারতের ঘরে ঘরে রাজনীতির প্রতিটি চর্চায় আলোচিত হবে। মণ্ডল কমিশন! মণ্ডল কমিশন যখন রিপোর্ট সমাপ্ত করল ততদিনে ভারতের রাজনৈতিক আকাশে বিরাট পটবদল হয়ে গিয়েছে। ১৯৮০ সালে যখন রিপোর্ট জমা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এসেছে তখন কেন্দ্রে ক্ষমতায় আবার ইন্দিরা গান্ধী। 
বছরের শেষ দিনে বিন্ধ্যেশ্বর প্রসাদ মণ্ডল দিল্লির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নর্থ ব্লকের অফিসে যখন আসেন তখন নর্থ ব্লক প্রায় ফাঁকা। কে থাকবে ওই নিউ ইয়ার্স ইভের দিনে! তবে আগে থেকেই অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছিল। এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁরই অপেক্ষায় ছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম জ্ঞানী জৈল সিং। তাঁর হাতে রিপোর্ট জমা হল।  কী ছিল সুপারিশ? ওবিসিদের জন্য সর্বোচ্চ সংরক্ষণ। কত? ২৭ শতাংশ। এই সংখ্যার কারণ কী? কারণ ১৯৩১ সালের জনগণনায় ওবিসির সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার ৫২ শতাংশ। অতএব সর্বোচ্চ ২৭ শতাংশ। এর বেশি নয় কেন? কারণ ১৯৬৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের রায় ছিল (এম আর বালাজি বনাম মহীশূর রাজ্য মামলা) সংরক্ষণ ৫০ শতাংশ অতিক্রম করতে পারবে না। যেহেতু তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণ তার অনেক আগে থেকেই সাড়ে ২২ শতাংশ রয়েছে, তাই ওবিসিকে সর্বোচ্চ দেওয়া হোক সংরক্ষণ অর্থাৎ ২৭ শতাংশ।
বিরোধী দলগুলি দাবি করল ওই রিপোর্ট সংসদে পেশ করা হোক। ইন্দিরা গান্ধী একটি কমিটি গঠন করলেন। এই রিপোর্টের সুপারিশ কার্যকর করা যায় কি না অথবা কীভাবে কার্যকর করা যায়, এসব নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ওই কমিটি। কমিটির প্রধান কে ছিলেন? পি ভি নরসিমা রাও। এক বছর...দু বছর...তিন বছর...। কমিটি বৈঠকের পর বৈঠক করে গেল। সিদ্ধান্ত হল না।  ১৯৮৪ সালে ইন্দিরা গান্ধী আততায়ীর হাতে নিহত হলেন। 
রাজীব গান্ধী সংরক্ষণ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। তিনি জানিয়ে দিলেন, এই রিপোর্ট মোতাবেক আমরা তাঁদের সামগ্রিক আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করব। কিন্তু সংরক্ষণে তাঁর সায় ছিল না। অতএব মণ্ডল কমিশনের রিপোর্ট আলমারি বন্দি হল। 
১৯৯০ সালের আগস্ট মাসে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং বোমা ফাটালেন। বললেন, মণ্ডল কমিশনের রিপোর্ট কার্যকর করা হবে। কীভাবে? সেই খুঁটিনাটি সরকারি অফিসারদের সাহায্যে স্থির করবেন সামাজিক ন্যায় মন্ত্রকের এক যুবক মন্ত্রী। যিনি অনগ্রসর শ্রেণিভুক্ত। মন্ত্রীর নাম রামবিলাস পাসোয়ান। তাই হল। ৭ আগস্ট সংসদের দুই কক্ষে ঘোষণা করা হল মণ্ডল কমিশন। ভারতের ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা হল। রাজনীতি বদলে গেল। সমাজ বদলে গেল। লালুপ্রসাদ যাদব, মুলায়ম সিং যাদব, নীতীশকুমার, মায়াবতী নামক একঝাঁক আইডেন্টিটি পলিটিক্সের দলনেতানেত্রীর আবির্ভাব ঘটল সরাসরি প্রথম সারিতে। আর বিজেপি আরও তীব্রভাবে সুযোগ পেল মন্দির রাজনীতির। মণ্ডল বনাম মন্দির। 
সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল একটি দল। কংগ্রেস। রাহুল গান্ধী তাঁর দলকে সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থানে আজ নিয়ে আসছেন। প্রথম পদক্ষেপ দলের সভাপতি করা হয়েছে দলিত নেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে। আর দ্বিতীয় পদক্ষেপ আবার কাস্ট সেন্সাস করার দাবি। তাঁর অভিমত হল, আরও বেশি সংরক্ষণ দেওয়া উচিত। 
রাহুল গান্ধী কি নরেন্দ্র মোদিকে ঠেকাতে শেষ পর্যন্ত দলের মণ্ডলায়নের পথে হাঁটছেন? লাভ হবে? নাকি লোকসান? ১৯৯০ সালের পর ২০২৪ সালে রাহুল ভারতে আবার ফেরালেন মণ্ডল বনাম মন্দির রাজনীতি। তাঁর পরিবারে প্রত্যেকে জাতিগত রাজনীতির বিরুদ্ধে ছিলেন। রাহুল সম্পূর্ণ বদলে দিচ্ছেন দলকে। ইতিহাসের বিস্ময়কর অধ্যায় হল, তাঁর পিতা রাজীব গান্ধীকে যিনি প্রায় একক চেষ্টায় ক্ষমতাচ্যুত করেছিলেন, সেই ভি পি সিং এর রেখে যাওয়া অস্ত্রই হাতে তুলে নিচ্ছেন রাহুল। কেমন হতে চলেছে রাহুলের মণ্ডল-টু? 
23rd  February, 2024
আমে-দুধে মেশায় আইএসএফ এখন ‘আঁটি’
তন্ময় মল্লিক

ডুবন্ত মানুষ বাঁচার আশায় খড়কুটোকেও আঁকড়ে ধরে। একুশের নির্বাচনে সেই আশায় ডুবন্ত সিপিএম আইএসএফকে আঁকড়ে ধরেছিল। বাংলার রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য ব্রিগেডের জনসভায় অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে দিয়ে আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকীর হাতে মাইক্রোফোন তুলে দিয়েছিলেন মহম্মদ সেলিম। বিশদ

অশ্বমেধের ঘোড়া বনাম এক নারীর লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবন ৫০ বছরে পা দিল। ৫০ বছর ধরে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্থান এক চমকপ্রদ ঐতিহাসিক রেফারেন্স। বিশেষত পুরুষতান্ত্রিক ভারতীয় রাজনীতিতে এক নারী হিসেবে ক্রমে শীর্ষে পৌঁছনো প্রায় বিরল। বিশদ

12th  April, 2024
ইতিহাসমেধ যজ্ঞের শেষ পরিণতি কী?
মৃণালকান্তি দাস

সদ্য ক্ষমতায় বসা নরেন্দ্র মোদি সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী তখন স্মৃতি ইরানি। ২০১৪-র অক্টোবর মাস। দিল্লির মধ্যপ্রদেশ ভবনে মন্ত্রীকে ডেকে এনে প্রায় সাত ঘণ্টা বৈঠক করেছিলেন আরএসএস নেতারা। বৈঠকে সুরেশ সোনি, দত্তাত্রেয় হোসাবোলে ছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সঙ্ঘের বিভিন্ন শাখার নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বিশদ

11th  April, 2024
অর্থ পরে, আগে আস্থা ফেরান মোদি
হারাধন চৌধুরী

পূর্ববর্তী দুটি লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাজিমাত করেছিলেন। এবার তাঁর প্রচারের ক্যাচলাইন ‘গ্যারান্টি’। কখনও কখনও তিনি শুধু ‘গ্যারান্টি’তেই থেমে নেই, ‘গ্যারান্টিরও গ্যারান্টি’ দিচ্ছেন! পুরো শরীরী ভাষা উজাড় করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে চলেছেন, ‘আজ পুরা হিন্দুস্থান জানতা হ্যায়, দুনিয়া ভি মানতা হ্যায়, মোদি কি গ্যারান্টি মতলব গ্যারান্টি পুরা হোনে কি গ্যারান্টি!’
বিশদ

10th  April, 2024
ফ্যাক্টর নারীশক্তি, গ্যারান্টিও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

জওহরলাল নেহরুর হাতে সময় যে বেশি নেই, তার আভাস অনেক আগে থেকেই পেয়েছিলেন কংগ্রেসের ‘বস’রা। তাই বছর দুয়েক ধরে নিজেদের গুছিয়ে নিতে পেরেছিলেন। বরং সময় দেননি লালবাহাদুর শাস্ত্রী। কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? বিশদ

09th  April, 2024
বিপন্ন সাংবিধানিক নৈতিকতা
পি চিদম্বরম

দুর্নীতির অভিযোগে একজন কর্তব্যরত মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার একইসঙ্গে আইনি, রাজনৈতিক এবং সাংবিধানিক সমস্যা। এটা আরও এমন একটা বিষয় যা সংবিধানের লিখিত বয়ানবহির্ভূত এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে সাংবিধানিক নৈতিকতার দিক। 
বিশদ

08th  April, 2024
ডায়মন্ডহারবারে বিজেপি’র প্রার্থী নেই কেন?
হিমাংশু সিংহ

মুখে বড় বড় কথা, লড়াই করার নেতা নেই, দমও নেই। শনিবার দুপুরে এই লেখা যখন লিখছি তখনও ডায়মন্ডহারবারে প্রার্থীই ঘোষণা করতে পারেনি রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। রণেভঙ্গ দিয়েছেন সিপিএমের মদতপুষ্ট নৌশাদ সিদ্দিকিও। বিশদ

07th  April, 2024
বেলাগাম হও, নম্বর বাড়াও
তন্ময় মল্লিক

‘বিধায়কের সম্পত্তির সঙ্গে উপার্জনের কোনও সঙ্গতি নেই। তার হিসেব আমার কাছে এসে গিয়েছে। কীভাবে এত সম্পত্তি, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হবে। তিনি হয়তো তিহারে যেতে পারেন। এই হুঁশিয়ারির পর বিধায়ক যদি চুপ করে যান তাহলে আমাদের কিছু বলার নেই।’ বিশদ

06th  April, 2024
ইতিহাসের তর্ক বিতর্ক: সর্বনাশ কিন্তু বাঙালিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা সবথেকে কী পেতে ভালোবাসি? ধনসম্পত্তি, প্রশংসা এবং সমর্থন। ধনসম্পত্তি, অর্থাৎ টাকাপয়সা সম্পদ পেলে আনন্দ হয়। প্রশংসা শুনলে মন খুশিতে ভরে ওঠে। আর আমাদের কথার সমর্থন পেতে পছন্দ করি আমরা। সাধারণ মানুষ অথবা ক্ষমতার শীর্ষস্তরে থাকা ব্যক্তিত্ব সকলেরই এই একইরকম মনের সুর। বিশদ

05th  April, 2024
চান্দা দো ধান্দা লো!
মৃণালকান্তি দাস

হেটেরো দেশের অন্যতম বড় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা। অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ড্রাগ প্রস্তুতের কাজে হায়দরাবাদের এই কোম্পানি বিশ্বেরও বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা। মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই বিখ্যাত কোম্পানির বিরুদ্ধে ছ’টি নোটিস জারি করেছিল। কেন জানেন?
বিশদ

04th  April, 2024
মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা
সন্দীপন বিশ্বাস

জনমেজয় অতঃপর ব্যাসশিষ্য বৈশম্পায়নকে বললেন, হে ঋষিপ্রবর আপনি আমার কাছে কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা বর্ণনা করুন। 
বিশদ

03rd  April, 2024
মোদির ম্যাজিক ফিগার আদৌ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বিশ্ব সমাজের পথচলাকে স্বামী বিবেকানন্দ দু’টি ভাগে ভাগ করেছিলেন—রাজনীতি ও ধর্ম। রাজনীতির ব্যাপারে তিনি সবসময় এগিয়ে রাখতেন গ্রিকদের। কারণ, ওই দেশেই জন্ম অ্যারিস্টটলের, যাঁর হাত ধরে পলিটিক্স বিজ্ঞানের মর্যাদা পেয়েছে। কারণ, ওই দেশেই গণতন্ত্রের ভাবনার জন্ম। বিশদ

02nd  April, 2024
একনজরে
মন্টে কার্লো ওপেনের পুরুষ সিঙ্গলসের শেষ আটে পৌঁছলেন নোভাক জকোভিচ। শনিবার রাউন্ড অব সিক্সটিনের লড়াইয়ে তিনি হারালেন ইতালির লরেঞ্জো মুসেত্তিকে। ...

ফালাকাটা বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আলিপুরদুয়ার পৌঁছতে আর কতক্ষণ লাগবে? বিরক্তি চেপে রেখে জবাব দিলেন—সময় লাগার তো কথা এক থেকে দেড় ঘণ্টা! তবে রাস্তার অবস্থা খারাপ। তাই সময় বেশিও লাগতে পারে। ...

বৃহস্পতিবার রাতে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক বধূ। মৃতার নাম সুপর্ণা দেবনাথ(২৮)। বাড়ি কালনা থানার রংপাড়ায়। শুক্রবার কালনা মহকুমা ...

চাকদহ থানার চরসরাটি এলাকায় শুক্রবার নদীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেলেন এক যুবক। দুপুরে কল্যাণী ব্লকের সগুনা এলাকার জয়েস ভট্টাচার্য (২০) সহ আরও দুই যুবক স্নান করতে নামেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সপরিবারে তীর্থভ্রমণ ও দেবদর্শনে আত্মিক শান্তি। ব্যাবসায়িক ক্ষেত্রে শুভ। বিদ্যায় অগ্রগতি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

চৈত্র সংক্রান্তি
১৭৭২: ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন
১৮৫৫: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কৃত ‘বর্ণপরিচয়’ প্রথম প্রকাশিত হয়। (১লা বৈশাখ,সংবৎ ১৯১২)
১৮৯৩: গোকুলচন্দ্র নাগ ও দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘কল্লোল’ প্রথম প্রকাশিত হয়
১৯০৯: প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী ও সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তীর জন্ম
১৯১৯: জালিওয়ানালাবাগে হত্যাকাণ্ড। জেনারেল ডায়ারের নেতৃত্বে চলল নির্বিচারে গুলি। মৃত অন্তত ৩৭৯, আহত ১২০০
১৯৪০: মেঘালয়ের রাজ্যপাল নাজমা হেপতুল্লার জন্ম  
১৯৪৮: ভুবনেশ্বরকে ওড়িশা রাজ্যের রাজধানী করা হয়
১৯৫৬: পরিচালক-অভিনেতা সতীশ কৌশিকের জন্ম
১৯৫৬: প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনিল আরোরার জন্ম
১৯৬৩: রুশ দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভের জন্ম 
১৯৭৩: চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা বলরাজ সাহনির মৃত্যু
২০২৩: পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এক বিশাল শঙ্খের আকারের বিশ্বমানের অডিটোরিয়াম ধনধান্য-র উদ্বোধন হয়।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৮৯ টাকা ৮৩.৯৮ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৪০ টাকা ১০৬.০২ টাকা
ইউরো ৮৮.২৩ টাকা ৯০.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৩,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৪,০০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭০,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী ১৬/৪৬ দিবা ১২/৫। মৃগশিরা নক্ষত্র ৪৮/৩৮ রাত্রি ১২/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২২/২, সূর্যাস্ত ৫/৫২/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/২৮ গতে ৩/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/১১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/১৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/১৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে উদয়াবধি। 
৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী অপরাহ্ন ৪/১২। মৃগশিরা নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৫০। সূর্যোদয় ৫/২৩, সূর্যাস্ত ৫/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৫ গতে ১২/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৯ মধ্যে ও ১২/২ গতে ১/৩৫ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৭ মধ্যে ও ১/১২ গতে ২/৪৬ মধ্যে ও ৪/২০ গতে ৫/৫৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২০ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/২২ মধ্যে। 
৩ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: লখনউকে ৬ উইকেটে হারাল দিল্লি

12-04-2024 - 11:23:37 PM

আইপিএল: ৪১ রানে আউট ঋষভ পন্থ, দিল্লি ১৪৬/৪ (১৫.৩ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 11:09:32 PM

আইপিএল: ৫৫ রানে আউট ফ্রেজার, দিল্লি ১৪০/৩ (১৪.৪ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 11:03:20 PM

আইপিএল: ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি ফ্রেজারের, দিল্লি ১২৮/২ (১৩.২ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 10:57:18 PM

আইপিএল: ৪১ রানে আউট ঋষভ পান্থ, দিল্লি ১৪৬/৪ (১৫.৩ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 10:56:00 PM

আইপিএল: ৩২ রানে আউট পৃথ্বী সাউ, দিল্লি ৬৩/২ (৭ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 10:29:49 PM