Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বারবার আক্রান্ত হয়েছে বাংলা ভাষা
সন্দীপন বিশ্বাস

বাংলা ভাষার যে প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে, তা কম করে হাজার বছরের। মোটামুটি ‘চর্যাপদ’ই হল বাংলা ভাষার প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ। এই হাজার বছর ধরে বাংলা ভাষাকে বার বার লড়াই করতে হয়েছে অন্য ভাষার সঙ্গে। তার উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে অন্য ভাষাকে। অন্য ভাষা দিয়ে বাংলাকে নির্মূল করার চেষ্টা বাঙালি কিন্তু মেনে নেয়নি। বার বার সে তার মাতৃভাষা রক্ষার জন্য লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। সেই লড়াইকেই স্বীকৃতি দিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ। তাই আজ সারা বিশ্বে পালিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। 
২১ ফেব্রুয়ারি এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৫২ সালে এই দিনেই বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে প্রাণ দিয়েছিলেন রফিক, জব্বাররা। এই লড়াইয়ের সূচনা ১৯৪৭-এ পাকিস্তানের জন্ম নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই। পাকিস্তান জোর করে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসাবের ঘোষণা করে। মনে রাখা দরকার, তখন কিন্তু সমগ্র পাকিস্তানে উর্দুভাষীর থেকে বাংলায় কথা বলা মানুষই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিলেন। পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন বাঙালি মুসলমানদের জাতীয়তাবোধ ছিল ধর্মনিরপেক্ষ। তাই সেই সিদ্ধান্ত তাঁরা মেনে নেননি। তাঁদের প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছিল। দাবি ছিল, সরকারি কাজে বাংলা ভাষাকেও স্বীকৃতি দিতে হবে। মাতৃভাষার সম্মান রক্ষার লক্ষ্যে ধর্মীয় প্রশ্নকে দূরে সরিয়ে রেখে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়লেন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা। তাঁদের কাছে প্রধান লক্ষ্য ছিল বাঙালির জাতীয়তাবোধকে রক্ষা করা, বাঙালির সংস্কৃতিকে রক্ষা করা। ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রাজপথে নেমে এল ছাত্র-যুবকদের অনমনীয় প্রতিবাদের ঝড়। সেই আন্দোলনে শাসকের গুলিতে প্রাণ গেল রফিক, সালাম, বরকত, জব্বারদের। সেই ভাষা আন্দোলনকে স্বীকৃতি দিয়ে ১৯৯৯ সালে রাষ্ট্রসঙ্ঘ ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস হিসাবে ঘোষণা করে। 
কিন্তু বাংলা ভাষার উপর আক্রমণ সেটাই প্রথম ছিল না। তার আগে ইংরেজ আমলেও তার লক্ষণগুলি দেখা গিয়েছিল। আরবি, ফারসি, হিন্দি দিয়ে বাংলা ভাষার অগ্রগতি রুদ্ধ করার চেষ্টা হয়েছিল। সেদিন বাংলা ভাষার সম্মানের জন্য প্রতিবাদী ভূমিকা গ্রহণ করেন একজন ইংরেজ। নাম তাঁর উইলিয়াম কেরি। ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যু হল মধ্যযুগের শেষ শক্তিমান কবি ভারতচন্দ্রের। তারপর একবারে ঈশ্বর গুপ্তের হাত ধরে সূচনা হল সাহিত্যের নতুন যুগের। মোটামুটি একশো বছর ছিল বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ। যে কোনও ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখে তার সাহিত্য। সারস্বত সাধনার মধ্য দিয়ে পুষ্ট না হলে ভাষার মান অধোগামী হয়ে ওঠে। তখন একদিকে নিম্নমানের কুরুচিকর সাহিত্য ও খেউড় গানের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষা বেঁচে থাকার চেষ্টা করছিল, অন্যদিকে ইংরেজদের অবজ্ঞা আর অবহেলায় তার মর্যাদা ক্রমেই ক্ষুণ্ণ হচ্ছিল। একদম প্রথম যুগের ইংরেজদের মধ্যে অনেকেই বাংলা ভাষাকে পছন্দ করত না। তাই আরবি, ফারসি আর হিন্দি ভাষার চাপে শ্বাসরুদ্ধ হচ্ছিল বাংলা ভাষার। সেই বদ্ধ আবহ থেকে তাকে মুক্ত আলোয় পাখা মেলার উদ্যোগ নিলেন উইলিয়াম কেরি। ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠা একটি মাইলস্টোন। ভারতে কেরি আসেন ১৭৯৩ সালে। এসেই তিনি সংস্কৃত, ফারসি, হিন্দি ভাষা শেখেন। বুঝেছিলেন বাংলায় কাজ করতে গেলে বাংলা ভাষাটাও শেখা দরকার। সেটা শিখলেন রামরাম বসুর কাছ থেকে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে যোগদানের পর তিনি বাংলা ভাষার প্রসারে উদ্যোগী হন। তিনি মনে করেছিলেন বাংলা ভাষাকে  শক্তিশালী করতে গেলে বাংলায় লেখা কয়েকটি বইয়ের প্রয়োজন। ১৮০১ সালে কেরি লিখলেন বাংলা ব্যাকরণ বই। অবশ্য এ ব্যাপারে কেরির আগে আরও দুই বিদেশির নাম করতে হয়। প্রথমে মানোয়েল দ্য আসসুম্পসাঁও এবং পরে নাথানিয়াল হ্যালহেড। দু’জনেই বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন। কেরির ব্যাকরণ অবশ্য ছিল অনেক বেশি স্বয়ংসম্পূর্ণ। তিনি বুঝেছিলেন, শুধু সাধু ভাষা নয়, বাংলা ভাষাকে সমুন্নত করার জন্য দরকার সাহিত্যে সাধারণ মানুষের অর্থাৎ শ্রমজীবী মানুষের মুখের ভাষাকে তুলে ধরা। সেই উদ্দেশ্য থেকে লিখলেন ‘কথোপকথন’। জেলে, মুটে, মজুর থেকে ভিক্ষুকের ভাষা সেখানে স্থান পেয়েছে। এরপর তিনি অন্যদেরও বাংলা ভাষায় বই লেখার প্রেরণা দিলেন। রামরাম বসুকে দিয়ে লেখালেন ‘প্রতাপাদিত্য চরিত্র’। নিজে লিখলেন বাংলা অভিধানও। তারপরেও চলল প্রবল লড়াই। কলেজের ফরাসি, উর্দু, হিন্দি বিভাগের জন্য যে টাকা বরাদ্দ হল, তার অর্ধেকও হল না বাংলা বিভাগের জন্য। এছাড়াও বাংলা বিভাগকে সঙ্কুচিত করার জন্য কর্তৃপক্ষ উঠে পড়ে লাগল। হাল ছাড়লেন না কেরি। একদিকে কলেজে বাংলার মর্যাদা রক্ষার লড়াই, অন্যদিকে কলেজের বাইরে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাংলা বই ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াস। এই লড়াইয়ে তিনি হেরে যাননি। তাঁর ‘কথোপকথন’ বইটি থেকে উৎসাহিত হয়ে সেই ভাষায় সাহিত্য রচনায় প্রয়াসী হয়েছিলেন টেকচাঁদ ঠাকুর, হুতোম পেঁচা, দীনবন্ধু মিত্ররা। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে তাই উইলিয়াম কেরির অবদান ভোলার নয়।       
২১ ফেব্রুয়ারির আড়ালে যেন খানিকটা চাপা পড়ে গিয়েছে আর একটি ঐতিহাসিক দিন। ১৯৬১ সালের ১৯ মে। অসমে রাজ্যভাষা হিসাবে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছিল অসমিয়া ভাষাকে। অথচ সেই সময় সেখানে বাংলায় যত মানুষ কথা বলতেন, প্রায় ততজন মানুষই অসমিয়া ভাষায় কথা বলতেন। কিন্তু দিল্লি এবং অসম সরকার মদত দিল অসমিয়াদের। বরাক উপত্যকার বাঙালিদের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও ১৯৬০ সালের ১০ অক্টোবর অসম বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল রাজ্যভাষা বিল। সেখানে অসমিয়া ভাষাকেই একমাত্র রাজ্যভাষা বলে স্বীকৃতি দেওয়া হল। প্রতিবাদে শুরু হল বাঙালিদের আন্দোলন। মাতৃভাষার সম্মান রক্ষার্থে এবং বাংলা ভাষার স্বীকৃতি আদায়ের সেই আন্দোলন হয়ে উঠেছিল রক্তাক্ত। ধিকি আগুন জ্বলছিল হাইলাকান্দি, শিলচর, বদরপুর, করিমগঞ্জ, মাজুলিতে। অসমিয়াদের অত্যাচারে জর্জরিত হলেন সেখানকার বাঙালিরা। তাঁদের স্লোগান ছিল, ‘জান দেব, জবান দেব না’। কিন্তু ১৯৬১-র ১৯ মে সত্যাগ্রহ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঘটে গেল বিপর্যয়। শিলচর স্টেশনে  বাঙালির অহিংস আন্দোলনের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল সেনারা। গুলির পর গুলি চলল। স্বাধীন ভারতে যেন আর এক জালিয়ানওয়ালাবাগ। মুহূর্তে লুটিয়ে পড়লেন ১১ জন সত্যাগ্রহী। কমলা ভট্টাচার্য, হিতেশ বিশ্বাস, কুমুদ দাস, শচীন পাল সহ ১১ জন। সেই ভাষা-শহিদদেরও আমরা যেন ভুলে না যাই।     
আসলে ভাষার সম্মান রক্ষার লড়াই হল অধিকার রক্ষার লড়াই, যে অধিকারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে রাজনৈতিক অধিকারও। ভাষা একটা জাতির সংস্কৃতির পরিচয়। জাতিসত্তার বিকাশের মাধ্যম হল এই ভাষা। মনে রাখা দরকার, আজও বাংলা সহ দেশের অহিন্দিভাষী রাজ্যগুলি ভাষা সন্ত্রাসের শিকার। বাহুবলী সরকার হিন্দি ভাষার দাদাগিরি চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। প্রত্যেকেই এর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তাই ভাষাদিবস স্মরণ করার একটা তাৎপর্য রয়েছে। বাঙালির জাতীয়তাবোধ এতটুকু খর্ব হলে তার ভাষা ও সংস্কৃতি বিপর্যস্ত হতে পারে। তার কিছু কিছু লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। তাই সাবধান হওয়া দরকার। সতর্ক থাকতে হবে, বাংলা ভাষার ওপর যেন গুটকার ছাপ না পড়ে।  প্রতি মুহূর্তে নিঃশব্দে সোশ্যাল মিডিয়া, সিরিয়াল, চলচ্চিত্র, কথোপকথনের মধ্য  দিয়ে আমাদের ভাষা থেকে বাস্তুচ্যূত করার খেলা চলছে, আমাদের পরাধীন করার চেষ্টা চলছে। 
শুধু কবিতা লিখে আর গল্প, উপন্যাস লিখে বাংলা ভাষাকে রক্ষা করা সম্ভব নয়। মুখের কথার মধ্য দিয়ে তার অস্তিত্ব বজায় থাকে। তা বলে কী আমরা অন্য ভাষা থেকে শব্দ ধার নেব না! অবশ্যই নেব। পৃথিবীর সব ভাষাই অন্য ভাষা থেকে শব্দগ্রহণ করে পুষ্ট হয়েছে। কিন্তু বিদেশি শব্দকে প্রত্যেক ভাষা নিজের মতো করে আত্তীকরণ করেছে। বাংলাও তার চলার পথে নানা ভাষা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আত্তীকরণ করেছে। কিন্তু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে সে বিদ্রোহ করেছে। 
ভাষা হল স্রোতস্বিনী নদীর মতো। চলতে চলতে তার শব্দভাণ্ডার পূর্ণ হয়। কিছু শব্দ আসে, কিছু হারিয়ে যায়। হাজার বছরে বাংলা ভাষার বারবার বদল ঘটেছে। চর্যাপদের কাহ্নপাদ, ভুসুকপাদ থেকে বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হয়ে জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস, বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাসের সরণি বেয়ে বাংলা ভাষা এগিয়েছে। মুকুন্দরাম, ভারতচন্দ্র, রামপ্রসাদের কাল পেরিয়ে ভাষা এসে পৌঁছেছে আধুনিক কালে। বঙ্কিমচন্দ্র যে ভাষায় সাহিত্য রচনা করেছেন, রবীন্দ্রনাথ সে ভাষায় করেননি। শরৎচন্দ্র, তারাশঙ্কর, বিভূতিভূষণ, মানিকের ভাষার মধ্যেও ভিন্নতা আছে। আবার জীবনানন্দ যে বাংলায় কবিতা লেখেন, বিষ্ণু দে, সুধীন্দ্রনাথ সেই ভাষায় কবিতা লেখেন না। কিন্তু সবই বাংলা ভাষা। মনে রাখা দরকার, বাংলা ভাষার মধ্য দিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত মাতৃদর্শন করি।  তাই কেউ যখন বলেন, ‘আমার ছেলের বাংলাটা ঠিক আসে না’, তখন বোঝা যায় তিনি আসলে নিজের অজান্তেই ভাষা-সন্ত্রাসের শিকার। তিনি মৃত এক সত্তা।   
21st  February, 2024
আমে-দুধে মেশায় আইএসএফ এখন ‘আঁটি’
তন্ময় মল্লিক

ডুবন্ত মানুষ বাঁচার আশায় খড়কুটোকেও আঁকড়ে ধরে। একুশের নির্বাচনে সেই আশায় ডুবন্ত সিপিএম আইএসএফকে আঁকড়ে ধরেছিল। বাংলার রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য ব্রিগেডের জনসভায় অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে দিয়ে আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকীর হাতে মাইক্রোফোন তুলে দিয়েছিলেন মহম্মদ সেলিম। বিশদ

অশ্বমেধের ঘোড়া বনাম এক নারীর লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবন ৫০ বছরে পা দিল। ৫০ বছর ধরে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্থান এক চমকপ্রদ ঐতিহাসিক রেফারেন্স। বিশেষত পুরুষতান্ত্রিক ভারতীয় রাজনীতিতে এক নারী হিসেবে ক্রমে শীর্ষে পৌঁছনো প্রায় বিরল। বিশদ

12th  April, 2024
ইতিহাসমেধ যজ্ঞের শেষ পরিণতি কী?
মৃণালকান্তি দাস

সদ্য ক্ষমতায় বসা নরেন্দ্র মোদি সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী তখন স্মৃতি ইরানি। ২০১৪-র অক্টোবর মাস। দিল্লির মধ্যপ্রদেশ ভবনে মন্ত্রীকে ডেকে এনে প্রায় সাত ঘণ্টা বৈঠক করেছিলেন আরএসএস নেতারা। বৈঠকে সুরেশ সোনি, দত্তাত্রেয় হোসাবোলে ছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সঙ্ঘের বিভিন্ন শাখার নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বিশদ

11th  April, 2024
অর্থ পরে, আগে আস্থা ফেরান মোদি
হারাধন চৌধুরী

পূর্ববর্তী দুটি লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাজিমাত করেছিলেন। এবার তাঁর প্রচারের ক্যাচলাইন ‘গ্যারান্টি’। কখনও কখনও তিনি শুধু ‘গ্যারান্টি’তেই থেমে নেই, ‘গ্যারান্টিরও গ্যারান্টি’ দিচ্ছেন! পুরো শরীরী ভাষা উজাড় করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে চলেছেন, ‘আজ পুরা হিন্দুস্থান জানতা হ্যায়, দুনিয়া ভি মানতা হ্যায়, মোদি কি গ্যারান্টি মতলব গ্যারান্টি পুরা হোনে কি গ্যারান্টি!’
বিশদ

10th  April, 2024
ফ্যাক্টর নারীশক্তি, গ্যারান্টিও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

জওহরলাল নেহরুর হাতে সময় যে বেশি নেই, তার আভাস অনেক আগে থেকেই পেয়েছিলেন কংগ্রেসের ‘বস’রা। তাই বছর দুয়েক ধরে নিজেদের গুছিয়ে নিতে পেরেছিলেন। বরং সময় দেননি লালবাহাদুর শাস্ত্রী। কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? বিশদ

09th  April, 2024
বিপন্ন সাংবিধানিক নৈতিকতা
পি চিদম্বরম

দুর্নীতির অভিযোগে একজন কর্তব্যরত মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার একইসঙ্গে আইনি, রাজনৈতিক এবং সাংবিধানিক সমস্যা। এটা আরও এমন একটা বিষয় যা সংবিধানের লিখিত বয়ানবহির্ভূত এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে সাংবিধানিক নৈতিকতার দিক। 
বিশদ

08th  April, 2024
ডায়মন্ডহারবারে বিজেপি’র প্রার্থী নেই কেন?
হিমাংশু সিংহ

মুখে বড় বড় কথা, লড়াই করার নেতা নেই, দমও নেই। শনিবার দুপুরে এই লেখা যখন লিখছি তখনও ডায়মন্ডহারবারে প্রার্থীই ঘোষণা করতে পারেনি রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। রণেভঙ্গ দিয়েছেন সিপিএমের মদতপুষ্ট নৌশাদ সিদ্দিকিও। বিশদ

07th  April, 2024
বেলাগাম হও, নম্বর বাড়াও
তন্ময় মল্লিক

‘বিধায়কের সম্পত্তির সঙ্গে উপার্জনের কোনও সঙ্গতি নেই। তার হিসেব আমার কাছে এসে গিয়েছে। কীভাবে এত সম্পত্তি, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হবে। তিনি হয়তো তিহারে যেতে পারেন। এই হুঁশিয়ারির পর বিধায়ক যদি চুপ করে যান তাহলে আমাদের কিছু বলার নেই।’ বিশদ

06th  April, 2024
ইতিহাসের তর্ক বিতর্ক: সর্বনাশ কিন্তু বাঙালিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা সবথেকে কী পেতে ভালোবাসি? ধনসম্পত্তি, প্রশংসা এবং সমর্থন। ধনসম্পত্তি, অর্থাৎ টাকাপয়সা সম্পদ পেলে আনন্দ হয়। প্রশংসা শুনলে মন খুশিতে ভরে ওঠে। আর আমাদের কথার সমর্থন পেতে পছন্দ করি আমরা। সাধারণ মানুষ অথবা ক্ষমতার শীর্ষস্তরে থাকা ব্যক্তিত্ব সকলেরই এই একইরকম মনের সুর। বিশদ

05th  April, 2024
চান্দা দো ধান্দা লো!
মৃণালকান্তি দাস

হেটেরো দেশের অন্যতম বড় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা। অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ড্রাগ প্রস্তুতের কাজে হায়দরাবাদের এই কোম্পানি বিশ্বেরও বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা। মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই বিখ্যাত কোম্পানির বিরুদ্ধে ছ’টি নোটিস জারি করেছিল। কেন জানেন?
বিশদ

04th  April, 2024
মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা
সন্দীপন বিশ্বাস

জনমেজয় অতঃপর ব্যাসশিষ্য বৈশম্পায়নকে বললেন, হে ঋষিপ্রবর আপনি আমার কাছে কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা বর্ণনা করুন। 
বিশদ

03rd  April, 2024
মোদির ম্যাজিক ফিগার আদৌ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বিশ্ব সমাজের পথচলাকে স্বামী বিবেকানন্দ দু’টি ভাগে ভাগ করেছিলেন—রাজনীতি ও ধর্ম। রাজনীতির ব্যাপারে তিনি সবসময় এগিয়ে রাখতেন গ্রিকদের। কারণ, ওই দেশেই জন্ম অ্যারিস্টটলের, যাঁর হাত ধরে পলিটিক্স বিজ্ঞানের মর্যাদা পেয়েছে। কারণ, ওই দেশেই গণতন্ত্রের ভাবনার জন্ম। বিশদ

02nd  April, 2024
একনজরে
চলতি অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৭ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (এডিবি)। তাদের বক্তব্য, মূলত চাহিদা বৃদ্ধি এবং সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের হাত ধরে পূর্বের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাবে ভারত। ...

চাকদহ থানার চরসরাটি এলাকায় শুক্রবার নদীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেলেন এক যুবক। দুপুরে কল্যাণী ব্লকের সগুনা এলাকার জয়েস ভট্টাচার্য (২০) সহ আরও দুই যুবক স্নান করতে নামেন। ...

রাজ্য সরকারের সচিবালয়ে বিভিন্ন স্তরে প্রচুর নতুন পদ সৃষ্টির সুফল পেতে শুরু করেছেন সরকারি কর্মীরা। বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মীদের পদোন্নতির সুযোগ বেড়ে গিয়েছে। ভোট ঘোষণার আগেই আপার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট (ইউডিএ), সেকশন অফিসার (এসও) প্রভৃতি পদে অনেক কর্মীই উন্নীত হয়েছেন। ...

ফালাকাটা বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আলিপুরদুয়ার পৌঁছতে আর কতক্ষণ লাগবে? বিরক্তি চেপে রেখে জবাব দিলেন—সময় লাগার তো কথা এক থেকে দেড় ঘণ্টা! তবে রাস্তার অবস্থা খারাপ। তাই সময় বেশিও লাগতে পারে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সপরিবারে তীর্থভ্রমণ ও দেবদর্শনে আত্মিক শান্তি। ব্যাবসায়িক ক্ষেত্রে শুভ। বিদ্যায় অগ্রগতি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

চৈত্র সংক্রান্তি
১৭৭২: ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন
১৮৫৫: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কৃত ‘বর্ণপরিচয়’ প্রথম প্রকাশিত হয়। (১লা বৈশাখ,সংবৎ ১৯১২)
১৮৯৩: গোকুলচন্দ্র নাগ ও দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘কল্লোল’ প্রথম প্রকাশিত হয়
১৯০৯: প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী ও সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তীর জন্ম
১৯১৯: জালিওয়ানালাবাগে হত্যাকাণ্ড। জেনারেল ডায়ারের নেতৃত্বে চলল নির্বিচারে গুলি। মৃত অন্তত ৩৭৯, আহত ১২০০
১৯৪০: মেঘালয়ের রাজ্যপাল নাজমা হেপতুল্লার জন্ম  
১৯৪৮: ভুবনেশ্বরকে ওড়িশা রাজ্যের রাজধানী করা হয়
১৯৫৬: পরিচালক-অভিনেতা সতীশ কৌশিকের জন্ম
১৯৫৬: প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনিল আরোরার জন্ম
১৯৬৩: রুশ দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভের জন্ম 
১৯৭৩: চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা বলরাজ সাহনির মৃত্যু
২০২৩: পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এক বিশাল শঙ্খের আকারের বিশ্বমানের অডিটোরিয়াম ধনধান্য-র উদ্বোধন হয়।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৮৯ টাকা ৮৩.৯৮ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৪০ টাকা ১০৬.০২ টাকা
ইউরো ৮৮.২৩ টাকা ৯০.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৩,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৪,০০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭০,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী ১৬/৪৬ দিবা ১২/৫। মৃগশিরা নক্ষত্র ৪৮/৩৮ রাত্রি ১২/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২২/২, সূর্যাস্ত ৫/৫২/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/২৮ গতে ৩/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/১১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/১৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/১৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে উদয়াবধি। 
৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী অপরাহ্ন ৪/১২। মৃগশিরা নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৫০। সূর্যোদয় ৫/২৩, সূর্যাস্ত ৫/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৫ গতে ১২/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৯ মধ্যে ও ১২/২ গতে ১/৩৫ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৭ মধ্যে ও ১/১২ গতে ২/৪৬ মধ্যে ও ৪/২০ গতে ৫/৫৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২০ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/২২ মধ্যে। 
৩ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: লখনউকে ৬ উইকেটে হারাল দিল্লি

12-04-2024 - 11:23:37 PM

আইপিএল: ৪১ রানে আউট ঋষভ পন্থ, দিল্লি ১৪৬/৪ (১৫.৩ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 11:09:32 PM

আইপিএল: ৫৫ রানে আউট ফ্রেজার, দিল্লি ১৪০/৩ (১৪.৪ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 11:03:20 PM

আইপিএল: ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি ফ্রেজারের, দিল্লি ১২৮/২ (১৩.২ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 10:57:18 PM

আইপিএল: ৪১ রানে আউট ঋষভ পান্থ, দিল্লি ১৪৬/৪ (১৫.৩ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 10:56:00 PM

আইপিএল: ৩২ রানে আউট পৃথ্বী সাউ, দিল্লি ৬৩/২ (৭ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 10:29:49 PM