Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

‘ফ্রিজ’ হয়েছে কংগ্রেসের রাজনৈতিক লক্ষ্যটাই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রথমে অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’। তারপর শর্তসাপেক্ষে ব্যবহারের অনুমতি। কী সেই শর্ত? প্রথমত, টাকা জমা দেওয়া যাবে না। আর দ্বিতীয়ত, টাকা তোলা যাবে, কিন্তু কী কারণে তোলা হচ্ছে এবং কোন খাতে খরচ, সেটা জানাতে হবে আয়কর দপ্তরকে। বিষয়টা খুব পরিষ্কার—কংগ্রেসের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর পুরোদমে সরকারের নজরদারি। ‘ইন্ডিয়া’ মহাজোট ভেঙে যাওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি নিশ্চিন্ত মনে এখন কংগ্রেসের উপর মনোনিবেশ করতে পেরেছেন। তিনি জানেন, এই পার্টিটাকে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে দেওয়া যাবে না। তবে তিনি আশ্বস্ত, তেমন কোনও নমুনাও শতাব্দীপ্রাচীন দলটি দেখাচ্ছে না। তাও দরকার কী ঝুঁকি নেওয়ার! কেটে দাও টাকা আসার পাইপলাইন। দল চালাতে টাকা লাগে। আর দল যত বড় হয়, টাকার পরিমাণও তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে। কংগ্রেসের মতো দলে যেমন স্টেটাস রক্ষার খরচই প্রচুর। বহু রাজ্যে সাইনবোর্ডে পরিণত হওয়ার পরও অবশ্য তাতে ফাঁক নেই। তারপর আসছে সঠিকভাবে দল চালানো। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে ভরাডুবি কংগ্রেসের উপার্জনের বহু দরজায় তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। যে দল একশোটা আসন জিততে পারে না, তাদের অ্যাকাউন্ট ভর্তি করার মতো বিলাসিতা কোন কর্পোরেট দেখাবে? মানুষই বা ডোনেশন দেবে কেন? একটা ছোট্ট পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যাবে। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে কংগ্রেসের ‘দেখানো’ ইনকাম ছিল ৬৮২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। সেটাই পরের আর্থিক বছরে কমেছে একধাক্কায় ৫৮ শতাংশ! তবে কমেছে বললে বেশি সম্মান দেওয়া হয়। বলতে হবে ধস নেমেছে। আয়ের অঙ্কটা সেই বছর দাঁড়িয়েছিল ২৮৫ কোটি ৭০ লক্ষ টাকায়। হিসেবটা প্রতি বছর, প্রত্যেক মাস, প্রতিদিন আরও কমেছে। তার উপর অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’। মোদি বাহিনী জানে, এটাই মাস্টার স্ট্রোক। টাকার লাইনটা কেটে দিলে রাজনৈতিক দলের পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন। তার উপর নির্দেশ জারি হয়েছে, অ্যাকাউন্টে ১১৫ কোটি টাকা রাখতেই হবে। এও এক চরম হতাশার হুকুম বটে। কারণ, কংগ্রেস প্রকাশ্যে জানিয়ে দিয়েছে, অ্যাকাউন্টে অত টাকাই নেই! তার মানে যে প্রশ্নটা এক্ষেত্রে সহজাত—‘কংগ্রেস ভোটটা উতরাতে পারবে তো?’ 
এখানে একটা উল্টো প্রশ্ন করা যাক। কংগ্রেসের মতো ধনী পার্টির একটা অ্যাকাউন্ট নজরদারিতে চলে যাওয়া মানে তারা ভোট করতে পারবে না? এও কি বিশ্বাসযোগ্য? বরং যে প্রশ্ন এখানে লাগসই সেটা হল, কংগ্রেস সত্যিই এবার ৪০ আসন পেরতে পারবে তো? পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থীরা গত কয়েক বছর ধরেই খোরাক। কারণ, ২৩৫ থেকে ওরা এখন শূন্যে পৌঁছে গিয়েছে। আবার কবে পিদিম জ্বলবে, সেই পিদিম কবে মশাল হবে, কবেই বা হ্যালোজেনের আলো দেবে... এইসব আকাশ-কুসুম চিন্তাধারায় কিছু উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানুষ দিনপাত করছেন। কিন্তু বলতে পারেন, কংগ্রেসের জন্য এই প্রশ্ন কেন উঠছে না? অথচ, তাদেরই বেশি করে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাদের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা যথাক্রমে ৪৪ এবং ৫২। নরেন্দ্র মোদির প্রথম ইনিংসে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা কমেছিল ১৬২টি। এর কারণ কী? শুধুই দুর্নীতি? কয়লা কেলেঙ্কারি, অথবা টুজি? খুচরো দুর্নীতি দেখে ভারতবাসী অভ্যস্ত। সেটা আর বিরাট পরিধিতে মানুষের মধ্যে দাগ কাটে না। তার জন্য ৫০টি আসন কমতে পারে। কিন্তু পতনের সংখ্যা ১৬২? কখনওই নয়। তার উপর যেখানে বেশ কয়েকটি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প শুরু করেছিল ইউপিএ’র দ্বিতীয় সরকার। প্রধান তো অবশ্যই ছিল খাদ্য সুরক্ষা। তাহলে কারণটা কী? একটা বিষয় এক্ষেত্রে নজর করতে হবে। ২০০৪ সালে কংগ্রেসের মুখ কে ছিলেন? সোনিয়া গান্ধী। আর ২০০৯ সালে? মনমোহন সিং। এ পর্যন্ত কোনও অসুবিধা ছিল না। কিন্তু ২০১৪ সালে? কংগ্রেস কিন্তু ততদিনে একজনকেই প্রজেক্ট করায় মন দিয়েছিল—রাহুল গান্ধী। তারপর তৃতীয় সাধারণ নির্বাচন হতে চলেছে। এখনও মুখ সেই রাহুল গান্ধী। তিনি গত কয়েক বছরে সাংবাদিক সম্মেলন এবং ভারত জোড়ো ছাড়া কী করেছেন? তাও এমন সব রাজ্যে, যেখানে বিজেপির কোমরে জোর নেই! কোন কর্মসূচি গত কয়েক বছরে কংগ্রেস নিয়েছে যে, আসন সংখ্যা ৪৪ থেকে লাফিয়ে ১৫৫-তে গিয়ে পৌঁছবে? ইস্যু ধরার ক্ষেত্রে কংগ্রেস গত পাঁচ বছর ধরেই শর্ট টার্ম মেমোরি লস উপসর্গে ভুগছে। কোনও ইস্যুই ছ’মাসের বেশি তাদের মনে থাকে না। তা সে পেগাসাস হোক, টাকার অবমূল্যায়ন, আদানি, পেট্রল-ডিজেল... সবই শেষ ওই প্রেস কনফারেন্সে। তারপরও মানুষ কংগ্রেসের উপর ভরসা রাখবে? এই আশা রাহুল গান্ধীও করেন তো? 
নরেন্দ্র মোদির আর কিছু না থাকুক, নিত্যনতুন স্বপ্ন দেখানোর প্ল্যানিং রয়েছে। আর আছে ঢাক পেটানোর ক্ষমতা। সব মিলিয়ে মার্কেটিংয়ের অকাট্য প্যাকেজ। একটু তলিয়ে দেখলে, মাসখানেক যাবৎ মোদি লাগাতার একটি সংখ্যার উপর জোর দিয়ে চলেছেন—৩৭০। বিজেপি নাকি আসন্ন নির্বাচনে এই অঙ্ক দখল করে ফেলবে। নেপথ্য কারণ কী? কাশ্মীরকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ থেকে ‘মুক্ত’ করার নিঃশব্দ প্রচার। মানুষকে মনে করিয়ে দেওয়া, ‘আমরাই করেছি। কয়েক বছর কেটে গিয়েছে ঠিকই, কিন্তু ওই ঐতিহাসিক ঘটনা ভুলে গেলে চলবে না! তাই বারবার আমরা হাতুড়ির ঘা দিয়ে যাব আপনাদের মগজে। বলব, আমরা ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করেছি। ওটাই আমাদের ‘নম্বর’। আসন প্রাপ্তির নিরিখেও তাই ৩৭০ আসবে। বারবার। ভোট পর্যন্ত।’ আম জনতাকে বিশ্বাস করানো হবে, নরেন্দ্র মোদিই ফিরছেন ক্ষমতায়। অন্যত্র ভোট দিয়ে লাভ নেই। কারণ, তাদের কোনও সম্ভাবনাই এটাই নিয়তি। 
নিয়তির প্রসঙ্গ টেনেছিলেন জওহরলাল নেহরুও। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্বাধীন ভারতবর্ষের প্রথম ভাষণে। এই দেশ কীভাবে যুগ যুগ ধরে নিয়তির সঙ্গে ঘর-সংসার পেতে এসেছে। কীভাবে তাকে মাথা পেতে নিয়েছে। কীভাবে লড়াই করেছে। বলেছিলেন, ‘যে প্রাপ্তি নিয়ে আজ আমরা আনন্দ করছি, সেটা প্রথম ধাপ মাত্র। সাফল্য আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। সেই পথচলা শুরু হয়ে গিয়েছে আজ। সেই সাফল্য ছোঁয়ার মতো সাহস এবং বিবেচনা করার ক্ষমতা আমাদের আছে তো? ভবিষ্যৎ যে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছে, তা আমরা নিতে প্রস্তুত তো?’ নেহরুর সেই বিখ্যাত ভাষণের অর্থ অবশ্য মোদি জমানায় বদলে গিয়েছে। নতুন সূর্যোদয়ে দেশবাসীকে জাগিয়ে তোলার যে চেষ্টা তিনি করেছিলেন, এখন সেটাই হয়ে গিয়েছে ভারতকে হেয় করার চেষ্টা! নরেন্দ্র মোদি সংসদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেছেন, ভারতের সামর্থ্যে আস্থা ছিল না নেহরুর। স্বাধীনতার ৭৫ বছরেও তাও দেশ এতটুকু এগতে পারেনি। ভারতকে সামনের সারিতে ঠেলে দেওয়ার কারিগর শুধু এবং শুধুই মোদি। কংগ্রেস মুক্ত ভারত হলে দেশবাসীর লাভ কী হবে? দুর্নীতি কমে যাবে? মূল্যবৃদ্ধি থাকবে না? বছরে ২ কোটি চাকরি হবে? নাকি প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা ঢুকবে? আসলে, এর কোনওটাই হবে না। তাহলে কংগ্রেস-মুক্ত ভারতে লাভ কার? একমাত্র নরেন্দ্র মোদির। কারণ তিনি জানেন, এই একটি দল যদি কোনওভাবে ১৫০ আসন পেয়ে যায়, তাঁর তৃতীয়বার সরকারে ফেরা হবে না। আঞ্চলিক দলগুলি সব মিলিয়ে কত আসন পেতে পারে? খুব বেশি হলে ১৫০! তার মধ্যেও আবার তৃণমূল কংগ্রেস এবং ডিএমকে ছাড়া ৩০ পেরনোর ক্ষমতা খুব বেশি দলের নেই। আম আদমি পার্টি দিল্লি এবং পাঞ্জাব দিয়ে কিছুটা মেক আপ দেবে। সমাজবাদী পার্টি যদি কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে আসরে নামত, তাহলে উত্তরপ্রদেশেও কিছুটা লাভের মুখ দেখার সম্ভাবনা ছিল। এখন বিজেপি বিরোধী ভোট নিশ্চিতভাবে কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির মধ্যে ভাগ হয়ে যাবে। কয়েকটা আসন মায়াবতীও দখল করবেন। তেলেঙ্গানায় কেসিআর যে ক’টা পাবেন, কিংবা অন্ধ্রে জগন্মোহন রেড্ডি... ধরে নেওয়া যেতে পারে, সবটাই চলে যাবে বিজেপি তথা এনডিএর ঝুলিতে। তাই এভাবে কুড়িয়ে-বাড়িয়ে সরকার গড়া মুশকিল। শুধুমাত্র কংগ্রেস যদি ধুলো ঝেড়ে উঠে দাঁড়াতে পারে, জোট সরকার গঠন সম্ভব। নরেন্দ্র মোদি সেটাই চান না। তাই রাহুল গান্ধীদের কফিনে পেরেক মেরেই চলেছেন তিনি। এই ট্রেন্ড আপাতত চলবে। আর মোদি জানেন, যতদিন রাহুল গান্ধীরা বিরোধী পক্ষকে ‘নেতৃত্ব’ দেবে, ততই তাঁর লাভ। বিরোধীদের উপর থেকে ভরসার ‘ভ’ টুকুও আর থাকবে না দেশবাসীর মনে। তাই অ্যাকাউন্ট তো বাহানা মাত্র। লক্ষ্য তাঁর অনেক বড়। দাবার বোর্ড সাজিয়ে বসেছেন মোদি। গুটিগুলো সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কিন্তু এখনও সবটা তাঁর নিয়ন্ত্রণে। অঘটন ঘটানোর মতো মন্ত্রী-ঘোড়া বিরোধীদের নেই। বোড়েই শেষ আশা তাদের। আর রাজনীতির দাবাখেলায় বোড়ে কারা? আম জনতা।
20th  February, 2024
আমে-দুধে মেশায় আইএসএফ এখন ‘আঁটি’
তন্ময় মল্লিক

ডুবন্ত মানুষ বাঁচার আশায় খড়কুটোকেও আঁকড়ে ধরে। একুশের নির্বাচনে সেই আশায় ডুবন্ত সিপিএম আইএসএফকে আঁকড়ে ধরেছিল। বাংলার রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য ব্রিগেডের জনসভায় অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে দিয়ে আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকীর হাতে মাইক্রোফোন তুলে দিয়েছিলেন মহম্মদ সেলিম। বিশদ

অশ্বমেধের ঘোড়া বনাম এক নারীর লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবন ৫০ বছরে পা দিল। ৫০ বছর ধরে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্থান এক চমকপ্রদ ঐতিহাসিক রেফারেন্স। বিশেষত পুরুষতান্ত্রিক ভারতীয় রাজনীতিতে এক নারী হিসেবে ক্রমে শীর্ষে পৌঁছনো প্রায় বিরল। বিশদ

12th  April, 2024
ইতিহাসমেধ যজ্ঞের শেষ পরিণতি কী?
মৃণালকান্তি দাস

সদ্য ক্ষমতায় বসা নরেন্দ্র মোদি সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী তখন স্মৃতি ইরানি। ২০১৪-র অক্টোবর মাস। দিল্লির মধ্যপ্রদেশ ভবনে মন্ত্রীকে ডেকে এনে প্রায় সাত ঘণ্টা বৈঠক করেছিলেন আরএসএস নেতারা। বৈঠকে সুরেশ সোনি, দত্তাত্রেয় হোসাবোলে ছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সঙ্ঘের বিভিন্ন শাখার নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বিশদ

11th  April, 2024
অর্থ পরে, আগে আস্থা ফেরান মোদি
হারাধন চৌধুরী

পূর্ববর্তী দুটি লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাজিমাত করেছিলেন। এবার তাঁর প্রচারের ক্যাচলাইন ‘গ্যারান্টি’। কখনও কখনও তিনি শুধু ‘গ্যারান্টি’তেই থেমে নেই, ‘গ্যারান্টিরও গ্যারান্টি’ দিচ্ছেন! পুরো শরীরী ভাষা উজাড় করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে চলেছেন, ‘আজ পুরা হিন্দুস্থান জানতা হ্যায়, দুনিয়া ভি মানতা হ্যায়, মোদি কি গ্যারান্টি মতলব গ্যারান্টি পুরা হোনে কি গ্যারান্টি!’
বিশদ

10th  April, 2024
ফ্যাক্টর নারীশক্তি, গ্যারান্টিও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

জওহরলাল নেহরুর হাতে সময় যে বেশি নেই, তার আভাস অনেক আগে থেকেই পেয়েছিলেন কংগ্রেসের ‘বস’রা। তাই বছর দুয়েক ধরে নিজেদের গুছিয়ে নিতে পেরেছিলেন। বরং সময় দেননি লালবাহাদুর শাস্ত্রী। কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? বিশদ

09th  April, 2024
বিপন্ন সাংবিধানিক নৈতিকতা
পি চিদম্বরম

দুর্নীতির অভিযোগে একজন কর্তব্যরত মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার একইসঙ্গে আইনি, রাজনৈতিক এবং সাংবিধানিক সমস্যা। এটা আরও এমন একটা বিষয় যা সংবিধানের লিখিত বয়ানবহির্ভূত এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে সাংবিধানিক নৈতিকতার দিক। 
বিশদ

08th  April, 2024
ডায়মন্ডহারবারে বিজেপি’র প্রার্থী নেই কেন?
হিমাংশু সিংহ

মুখে বড় বড় কথা, লড়াই করার নেতা নেই, দমও নেই। শনিবার দুপুরে এই লেখা যখন লিখছি তখনও ডায়মন্ডহারবারে প্রার্থীই ঘোষণা করতে পারেনি রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। রণেভঙ্গ দিয়েছেন সিপিএমের মদতপুষ্ট নৌশাদ সিদ্দিকিও। বিশদ

07th  April, 2024
বেলাগাম হও, নম্বর বাড়াও
তন্ময় মল্লিক

‘বিধায়কের সম্পত্তির সঙ্গে উপার্জনের কোনও সঙ্গতি নেই। তার হিসেব আমার কাছে এসে গিয়েছে। কীভাবে এত সম্পত্তি, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হবে। তিনি হয়তো তিহারে যেতে পারেন। এই হুঁশিয়ারির পর বিধায়ক যদি চুপ করে যান তাহলে আমাদের কিছু বলার নেই।’ বিশদ

06th  April, 2024
ইতিহাসের তর্ক বিতর্ক: সর্বনাশ কিন্তু বাঙালিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা সবথেকে কী পেতে ভালোবাসি? ধনসম্পত্তি, প্রশংসা এবং সমর্থন। ধনসম্পত্তি, অর্থাৎ টাকাপয়সা সম্পদ পেলে আনন্দ হয়। প্রশংসা শুনলে মন খুশিতে ভরে ওঠে। আর আমাদের কথার সমর্থন পেতে পছন্দ করি আমরা। সাধারণ মানুষ অথবা ক্ষমতার শীর্ষস্তরে থাকা ব্যক্তিত্ব সকলেরই এই একইরকম মনের সুর। বিশদ

05th  April, 2024
চান্দা দো ধান্দা লো!
মৃণালকান্তি দাস

হেটেরো দেশের অন্যতম বড় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা। অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ড্রাগ প্রস্তুতের কাজে হায়দরাবাদের এই কোম্পানি বিশ্বেরও বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা। মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই বিখ্যাত কোম্পানির বিরুদ্ধে ছ’টি নোটিস জারি করেছিল। কেন জানেন?
বিশদ

04th  April, 2024
মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা
সন্দীপন বিশ্বাস

জনমেজয় অতঃপর ব্যাসশিষ্য বৈশম্পায়নকে বললেন, হে ঋষিপ্রবর আপনি আমার কাছে কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা বর্ণনা করুন। 
বিশদ

03rd  April, 2024
মোদির ম্যাজিক ফিগার আদৌ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বিশ্ব সমাজের পথচলাকে স্বামী বিবেকানন্দ দু’টি ভাগে ভাগ করেছিলেন—রাজনীতি ও ধর্ম। রাজনীতির ব্যাপারে তিনি সবসময় এগিয়ে রাখতেন গ্রিকদের। কারণ, ওই দেশেই জন্ম অ্যারিস্টটলের, যাঁর হাত ধরে পলিটিক্স বিজ্ঞানের মর্যাদা পেয়েছে। কারণ, ওই দেশেই গণতন্ত্রের ভাবনার জন্ম। বিশদ

02nd  April, 2024
একনজরে
বৃহস্পতিবার রাতে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক বধূ। মৃতার নাম সুপর্ণা দেবনাথ(২৮)। বাড়ি কালনা থানার রংপাড়ায়। শুক্রবার কালনা মহকুমা ...

চলতি অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৭ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (এডিবি)। তাদের বক্তব্য, মূলত চাহিদা বৃদ্ধি এবং সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের হাত ধরে পূর্বের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাবে ভারত। ...

রাজ্য সরকারের সচিবালয়ে বিভিন্ন স্তরে প্রচুর নতুন পদ সৃষ্টির সুফল পেতে শুরু করেছেন সরকারি কর্মীরা। বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মীদের পদোন্নতির সুযোগ বেড়ে গিয়েছে। ভোট ঘোষণার আগেই আপার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট (ইউডিএ), সেকশন অফিসার (এসও) প্রভৃতি পদে অনেক কর্মীই উন্নীত হয়েছেন। ...

চাকদহ থানার চরসরাটি এলাকায় শুক্রবার নদীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেলেন এক যুবক। দুপুরে কল্যাণী ব্লকের সগুনা এলাকার জয়েস ভট্টাচার্য (২০) সহ আরও দুই যুবক স্নান করতে নামেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সপরিবারে তীর্থভ্রমণ ও দেবদর্শনে আত্মিক শান্তি। ব্যাবসায়িক ক্ষেত্রে শুভ। বিদ্যায় অগ্রগতি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

চৈত্র সংক্রান্তি
১৭৭২: ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন
১৮৫৫: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কৃত ‘বর্ণপরিচয়’ প্রথম প্রকাশিত হয়। (১লা বৈশাখ,সংবৎ ১৯১২)
১৮৯৩: গোকুলচন্দ্র নাগ ও দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘কল্লোল’ প্রথম প্রকাশিত হয়
১৯০৯: প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী ও সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তীর জন্ম
১৯১৯: জালিওয়ানালাবাগে হত্যাকাণ্ড। জেনারেল ডায়ারের নেতৃত্বে চলল নির্বিচারে গুলি। মৃত অন্তত ৩৭৯, আহত ১২০০
১৯৪০: মেঘালয়ের রাজ্যপাল নাজমা হেপতুল্লার জন্ম  
১৯৪৮: ভুবনেশ্বরকে ওড়িশা রাজ্যের রাজধানী করা হয়
১৯৫৬: পরিচালক-অভিনেতা সতীশ কৌশিকের জন্ম
১৯৫৬: প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনিল আরোরার জন্ম
১৯৬৩: রুশ দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভের জন্ম 
১৯৭৩: চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা বলরাজ সাহনির মৃত্যু
২০২৩: পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এক বিশাল শঙ্খের আকারের বিশ্বমানের অডিটোরিয়াম ধনধান্য-র উদ্বোধন হয়।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৮৯ টাকা ৮৩.৯৮ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৪০ টাকা ১০৬.০২ টাকা
ইউরো ৮৮.২৩ টাকা ৯০.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৩,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৪,০০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭০,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী ১৬/৪৬ দিবা ১২/৫। মৃগশিরা নক্ষত্র ৪৮/৩৮ রাত্রি ১২/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২২/২, সূর্যাস্ত ৫/৫২/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/২৮ গতে ৩/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/১১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/১৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/১৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে উদয়াবধি। 
৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী অপরাহ্ন ৪/১২। মৃগশিরা নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৫০। সূর্যোদয় ৫/২৩, সূর্যাস্ত ৫/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৫ গতে ১২/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৯ মধ্যে ও ১২/২ গতে ১/৩৫ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৭ মধ্যে ও ১/১২ গতে ২/৪৬ মধ্যে ও ৪/২০ গতে ৫/৫৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২০ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/২২ মধ্যে। 
৩ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: লখনউকে ৬ উইকেটে হারাল দিল্লি

12-04-2024 - 11:23:37 PM

আইপিএল: ৪১ রানে আউট ঋষভ পন্থ, দিল্লি ১৪৬/৪ (১৫.৩ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 11:09:32 PM

আইপিএল: ৫৫ রানে আউট ফ্রেজার, দিল্লি ১৪০/৩ (১৪.৪ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 11:03:20 PM

আইপিএল: ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি ফ্রেজারের, দিল্লি ১২৮/২ (১৩.২ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 10:57:18 PM

আইপিএল: ৪১ রানে আউট ঋষভ পান্থ, দিল্লি ১৪৬/৪ (১৫.৩ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 10:56:00 PM

আইপিএল: ৩২ রানে আউট পৃথ্বী সাউ, দিল্লি ৬৩/২ (৭ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 10:29:49 PM