Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সব কালো অথবা সাদা
পি চিদম্বরম

পাগলামির ভিতরেও মাঝেমধ্যে একটা পদ্ধতি থাকে। একটা সরকার তার শেষ বাজেট পেশ করল সাধারণ নির্বাচনের মুখে। তার বদলে পরবর্তী অর্থবর্ষের এপ্রিল থেকে জুলাই মাসের জন্য ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’ সংবলিত একটা অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে পারত তারা। অর্থমন্ত্রীর ভাষণটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত যদি সেটা দেওয়া হতো এই সরকারের অতীত কীর্তি ফিরে দেখার উপর এবং তাতে থাকত ভবিষ্যতের জন্যও একটা দিশা। গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। নির্মলা সীতারামন দুটোই কিছুটামাত্র করেছেন। কিন্তু তাঁর এবারের বাজেট ভেস্তে গিয়েছে কংগ্রেসের তরফে প্রকাশিত কৃষ্ণপত্র (ব্ল্যাক পেপার) এবং ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারের তরফে প্রকাশিত শ্বেতপত্রে (হোয়াইট পেপার)।
সবাই ভেবেছিলেন যে বিজেপির শ্বেতপত্রের বিষয় হবে তাদের এক দশকের কার্যকালের উপর ভিত্তি করে। কিন্তু মানুষ অবাক হয়ে দেখল যে, শ্বেতপত্রটি তৈরি ২০০৪-১৪ সালে ইউপিএর মেয়াদ নিয়ে। এই শ্বেতপত্রের উদ্দেশ্যই ছিল—ইউপিএ জমানার ১০টা বছরকে শুধু কালো রঙে চিহ্নিত করে দেওয়া। তবে সেটা করতে গিয়ে ইউপিএ সরকারের সাফল্যগুলো আলোচনায় জায়গা পেয়ে গেল। অনিবার্যভাবে, চলে এল ইউপিএ এবং এনডিএর তুলনা। এই জাতীয় যেকোনও তুলনায়, কিছু মাপকাঠিতে এনডিএর চেয়ে ইউপিএ অবশ্যই শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ রেখেছে। সেজন্যই আমি এটাকে পাগলামি বলেছি, কিন্তু চতুর কুশলীদের খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।
বড় পার্থক্য
একটা সংখ্যা আলোচনার বৃত্তে চলে এসেছে, সেটা হল—স্থির মূল্যে গড় জিডিপি বৃদ্ধির হার (অ্যাভারেজ জিডিপি গ্রোথ রেট ইন কনস্ট্যান্ট প্রাইসেস)। এই মাপকাঠিতে ইউপিএ বড় সাফল্য পেয়েছিল। পুরনো ভিত্তিবর্ষ ২০০৪-০৫ অনুযায়ী, ১০ বছরে গড় জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৭.৫ শতাংশ। ২০১৫ সালে, বিজেপি সরকার ইউপিএ-এর সংখ্যা ম্লান করে দেখানোর জন্য ভিত্তিবর্ষটা পাল্টে করেছিল ২০১১-১২। তা সত্ত্বেও গড় বৃদ্ধির হার ৬.৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছিল। সেই তুলনায় এনডিএর ১০ বছরে গড় বৃদ্ধির হার হল ৫.৯ শতাংশ। তফাতটা কিন্তু ফেলনা নয়। ১০ বছর মেয়াদে, প্রতিবছর ১.৬ শতাংশের (বা ০.৮ শতাংশ) তফাত—জিডিপির আকার, মাথাপিছু আয়, পণ্য ও পরিষেবার পরিমাণ, রপ্তানির পরিমাণ/মূল্য, রাজকোষ ও রাজস্ব ঘাটতি এবং অন্যান্য মাপকাঠিতে একটা বিরাট পার্থক্য গড়ে দেয়। একটা জিনিস অন্য একটা দিকও দেখিয়ে দেয় এবং শুরু হয়ে যায় তুলনা টানার খেলা। 
টেবিল দেখুন:

অনেক মাপকাঠিতে এনডিএর ফলাফল আরও খারাপ। এনডিএর ভাবমূর্তি সবচেয়ে ম্লান করে দিয়েছে এই জমানার কয়েকটি তথ্য—বিপুল পরিমাণ মোট জাতীয় ঋণ, মারাত্মক পরিমাণে পারিবারিক সঞ্চয় হ্রাস; পাইকারি হারে ব্যাঙ্কঋণ মকুব (রিটন অফ), স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা খাতে অতিসামান্য ব্যয় এবং কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীর সংখ্যায় বিরাট হ্রাস। এগুলোতে তাদের ভুল নীতি এবং অর্থনীতি সামলানোর ক্ষেত্রে চূড়ান্ত অব্যবস্থাই প্রকট হয়েছে। অন্যকিছু মেট্রিক বা মাপকাঠিতে অবশ্য এনডিএর পারফরম্যান্স ভালোই হয়েছে।
সাদা মিথ্যাচার
সরকারের শ্বেতপত্রটা অত্যধিক সাদা। এখানে ইউপিএ সরকারের অনেক সাফল্যের উপর কালো রং লেপে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এনডিএ সরকারের ঐতিহাসিক ভুলগুলোর (নোট বাতিল এবং মাইক্রো ও স্মল সেক্টর ধ্বংস সমেত) উপর করে দেওয়া হয়েছে চুনকাম। তার ফলে শ্বেতপত্রটার ডাকনাম জুটেছে ‘হোয়াইট-লাই পেপার’ বা ‘শ্বেত-মিথ্যা-পত্র)। উল্লেখ করতে হবে—জন ধন (আগের ‘নির্ঝঞ্ঝাট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট’; সোজা কথায়, ন্যূনতম ডকুমেন্টের কেওয়াইসি দিয়ে জিরো ব্যালান্সের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট), আধার এবং মোবাইল বিপ্লবের ধারণা ও উৎসটা যে ইউপিএতেই ছিল, এই সত্যটা নির্মলা সীতারামনের এই শ্বেতপত্র স্বীকার করতে পারেনি। 
এই সরকারের অভিযোগ অনুসারে, ইউপিএ জমানার অব্যবস্থাপনার সময়কালটা (যেমন শ্বেতপত্রের টেবিল এবং গ্রাফ থেকে দেখা যাচ্ছে) ছিল মূলত ২০০৮-১২ সাল। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে, আন্তর্জাতিক অর্থ বাজারগুলো ভেঙে পড়েছিল। সেবারের একটা আর্থিক সুনামি ধ্বংস করে দিয়েছিল প্রতিটা দেশের অর্থনীতি। সমস্ত বড় অর্থনীতিগুলো ‘কোয়ান্টিটেটিভ ইজিং’ পলিসি মেনে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়ে ব্যয়ের বহর বাড়িয়ে করেছিল চতুর্গুণ। তাতে সর্বত্র ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি ঘটেছিল।  ২০০৯-এর জানুয়ারি থেকে ২০১২-র জুলাই পর্যন্ত, অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি এবং রাজস্ব ঘাটতির সর্বোচ্চ সময়কালে অর্থমন্ত্রী ছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। প্রণববাবু দেশের অর্থনীতিকে বাঁচাতে যা অনুসরণ করেছিলেন, সেটা প্রচলিত প্রজ্ঞা। আর্থিক বৃদ্ধি এবং অধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির দিকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল। তবে রাজকোষ ঘাটতি এবং মুদ্রাস্ফীতির মূল্যও চোকাতে হয়েছিল তাঁকে। 
পলিমিক্স হল পলিটিক্স
কংগ্রেসের কৃষ্ণপত্রটাও অবশ্য একতরফা। স্বাভাবিকভাবেই, এতে রয়েছে কৃষিক্ষেত্রের ভয়াবহ দুর্দশা, একরোখা অগ্নিমূল্য, রেকর্ড বেকারত্ব এবং ক্রোনিজম বিষয়ে কিছু কথা। অন্যান্য বক্তব্যের মধ্যে রয়েছে তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার, প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করা, ভারতীয় ভূখণ্ডে চীনা অনুপ্রবেশ এবং মণিপুরের কান্না। শিরোনামটা কিন্তু যথার্থ, এনডিএর উপর তৈরি একটা ব্ল্যাক পেপার বা কৃষ্ণপত্র। আর্থিক সত্যের দিকটা একেবারে পরিষ্কারই। তবু পেপার বা পত্র দুটোর উদ্দেশ্য যত না অর্থনৈতিক তার চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক। দুটি পত্রে উত্থাপিত বিষয়গুলো নিয়ে সংসদের উভয় কক্ষে ১০ বছর ধরে আলোচনা হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা হয়নি। কারণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির উপর বিতর্কের অনুমতি দেয়নি সরকার। বিতর্কের জন্য পত্র দুটো তাই জায়গা খুঁজে নিয়েছে নির্বাচনের ময়দান। শুধু সময়ই বলে দেবে, সেখানে এমন বিতর্ক আদৌ হবে, নাকি টাকার জোর, ধর্ম ও বিদ্বেষমূলক ভাষণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারই ঠিক করে দেবে ভোটের ফলাফল।
• লেখক সাংসদ ও ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
19th  February, 2024
আমে-দুধে মেশায় আইএসএফ এখন ‘আঁটি’
তন্ময় মল্লিক

ডুবন্ত মানুষ বাঁচার আশায় খড়কুটোকেও আঁকড়ে ধরে। একুশের নির্বাচনে সেই আশায় ডুবন্ত সিপিএম আইএসএফকে আঁকড়ে ধরেছিল। বাংলার রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য ব্রিগেডের জনসভায় অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে দিয়ে আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকীর হাতে মাইক্রোফোন তুলে দিয়েছিলেন মহম্মদ সেলিম। বিশদ

অশ্বমেধের ঘোড়া বনাম এক নারীর লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবন ৫০ বছরে পা দিল। ৫০ বছর ধরে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্থান এক চমকপ্রদ ঐতিহাসিক রেফারেন্স। বিশেষত পুরুষতান্ত্রিক ভারতীয় রাজনীতিতে এক নারী হিসেবে ক্রমে শীর্ষে পৌঁছনো প্রায় বিরল। বিশদ

12th  April, 2024
ইতিহাসমেধ যজ্ঞের শেষ পরিণতি কী?
মৃণালকান্তি দাস

সদ্য ক্ষমতায় বসা নরেন্দ্র মোদি সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী তখন স্মৃতি ইরানি। ২০১৪-র অক্টোবর মাস। দিল্লির মধ্যপ্রদেশ ভবনে মন্ত্রীকে ডেকে এনে প্রায় সাত ঘণ্টা বৈঠক করেছিলেন আরএসএস নেতারা। বৈঠকে সুরেশ সোনি, দত্তাত্রেয় হোসাবোলে ছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সঙ্ঘের বিভিন্ন শাখার নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বিশদ

11th  April, 2024
অর্থ পরে, আগে আস্থা ফেরান মোদি
হারাধন চৌধুরী

পূর্ববর্তী দুটি লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাজিমাত করেছিলেন। এবার তাঁর প্রচারের ক্যাচলাইন ‘গ্যারান্টি’। কখনও কখনও তিনি শুধু ‘গ্যারান্টি’তেই থেমে নেই, ‘গ্যারান্টিরও গ্যারান্টি’ দিচ্ছেন! পুরো শরীরী ভাষা উজাড় করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে চলেছেন, ‘আজ পুরা হিন্দুস্থান জানতা হ্যায়, দুনিয়া ভি মানতা হ্যায়, মোদি কি গ্যারান্টি মতলব গ্যারান্টি পুরা হোনে কি গ্যারান্টি!’
বিশদ

10th  April, 2024
ফ্যাক্টর নারীশক্তি, গ্যারান্টিও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

জওহরলাল নেহরুর হাতে সময় যে বেশি নেই, তার আভাস অনেক আগে থেকেই পেয়েছিলেন কংগ্রেসের ‘বস’রা। তাই বছর দুয়েক ধরে নিজেদের গুছিয়ে নিতে পেরেছিলেন। বরং সময় দেননি লালবাহাদুর শাস্ত্রী। কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? বিশদ

09th  April, 2024
বিপন্ন সাংবিধানিক নৈতিকতা
পি চিদম্বরম

দুর্নীতির অভিযোগে একজন কর্তব্যরত মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার একইসঙ্গে আইনি, রাজনৈতিক এবং সাংবিধানিক সমস্যা। এটা আরও এমন একটা বিষয় যা সংবিধানের লিখিত বয়ানবহির্ভূত এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে সাংবিধানিক নৈতিকতার দিক। 
বিশদ

08th  April, 2024
ডায়মন্ডহারবারে বিজেপি’র প্রার্থী নেই কেন?
হিমাংশু সিংহ

মুখে বড় বড় কথা, লড়াই করার নেতা নেই, দমও নেই। শনিবার দুপুরে এই লেখা যখন লিখছি তখনও ডায়মন্ডহারবারে প্রার্থীই ঘোষণা করতে পারেনি রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। রণেভঙ্গ দিয়েছেন সিপিএমের মদতপুষ্ট নৌশাদ সিদ্দিকিও। বিশদ

07th  April, 2024
বেলাগাম হও, নম্বর বাড়াও
তন্ময় মল্লিক

‘বিধায়কের সম্পত্তির সঙ্গে উপার্জনের কোনও সঙ্গতি নেই। তার হিসেব আমার কাছে এসে গিয়েছে। কীভাবে এত সম্পত্তি, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হবে। তিনি হয়তো তিহারে যেতে পারেন। এই হুঁশিয়ারির পর বিধায়ক যদি চুপ করে যান তাহলে আমাদের কিছু বলার নেই।’ বিশদ

06th  April, 2024
ইতিহাসের তর্ক বিতর্ক: সর্বনাশ কিন্তু বাঙালিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা সবথেকে কী পেতে ভালোবাসি? ধনসম্পত্তি, প্রশংসা এবং সমর্থন। ধনসম্পত্তি, অর্থাৎ টাকাপয়সা সম্পদ পেলে আনন্দ হয়। প্রশংসা শুনলে মন খুশিতে ভরে ওঠে। আর আমাদের কথার সমর্থন পেতে পছন্দ করি আমরা। সাধারণ মানুষ অথবা ক্ষমতার শীর্ষস্তরে থাকা ব্যক্তিত্ব সকলেরই এই একইরকম মনের সুর। বিশদ

05th  April, 2024
চান্দা দো ধান্দা লো!
মৃণালকান্তি দাস

হেটেরো দেশের অন্যতম বড় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা। অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ড্রাগ প্রস্তুতের কাজে হায়দরাবাদের এই কোম্পানি বিশ্বেরও বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা। মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই বিখ্যাত কোম্পানির বিরুদ্ধে ছ’টি নোটিস জারি করেছিল। কেন জানেন?
বিশদ

04th  April, 2024
মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা
সন্দীপন বিশ্বাস

জনমেজয় অতঃপর ব্যাসশিষ্য বৈশম্পায়নকে বললেন, হে ঋষিপ্রবর আপনি আমার কাছে কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা বর্ণনা করুন। 
বিশদ

03rd  April, 2024
মোদির ম্যাজিক ফিগার আদৌ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বিশ্ব সমাজের পথচলাকে স্বামী বিবেকানন্দ দু’টি ভাগে ভাগ করেছিলেন—রাজনীতি ও ধর্ম। রাজনীতির ব্যাপারে তিনি সবসময় এগিয়ে রাখতেন গ্রিকদের। কারণ, ওই দেশেই জন্ম অ্যারিস্টটলের, যাঁর হাত ধরে পলিটিক্স বিজ্ঞানের মর্যাদা পেয়েছে। কারণ, ওই দেশেই গণতন্ত্রের ভাবনার জন্ম। বিশদ

02nd  April, 2024
একনজরে
বৃহস্পতিবার রাতে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক বধূ। মৃতার নাম সুপর্ণা দেবনাথ(২৮)। বাড়ি কালনা থানার রংপাড়ায়। শুক্রবার কালনা মহকুমা ...

চলতি অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৭ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (এডিবি)। তাদের বক্তব্য, মূলত চাহিদা বৃদ্ধি এবং সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের হাত ধরে পূর্বের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাবে ভারত। ...

ফালাকাটা বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আলিপুরদুয়ার পৌঁছতে আর কতক্ষণ লাগবে? বিরক্তি চেপে রেখে জবাব দিলেন—সময় লাগার তো কথা এক থেকে দেড় ঘণ্টা! তবে রাস্তার অবস্থা খারাপ। তাই সময় বেশিও লাগতে পারে। ...

মন্টে কার্লো ওপেনের পুরুষ সিঙ্গলসের শেষ আটে পৌঁছলেন নোভাক জকোভিচ। শনিবার রাউন্ড অব সিক্সটিনের লড়াইয়ে তিনি হারালেন ইতালির লরেঞ্জো মুসেত্তিকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সপরিবারে তীর্থভ্রমণ ও দেবদর্শনে আত্মিক শান্তি। ব্যাবসায়িক ক্ষেত্রে শুভ। বিদ্যায় অগ্রগতি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

চৈত্র সংক্রান্তি
১৭৭২: ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন
১৮৫৫: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কৃত ‘বর্ণপরিচয়’ প্রথম প্রকাশিত হয়। (১লা বৈশাখ,সংবৎ ১৯১২)
১৮৯৩: গোকুলচন্দ্র নাগ ও দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘কল্লোল’ প্রথম প্রকাশিত হয়
১৯০৯: প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী ও সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তীর জন্ম
১৯১৯: জালিওয়ানালাবাগে হত্যাকাণ্ড। জেনারেল ডায়ারের নেতৃত্বে চলল নির্বিচারে গুলি। মৃত অন্তত ৩৭৯, আহত ১২০০
১৯৪০: মেঘালয়ের রাজ্যপাল নাজমা হেপতুল্লার জন্ম  
১৯৪৮: ভুবনেশ্বরকে ওড়িশা রাজ্যের রাজধানী করা হয়
১৯৫৬: পরিচালক-অভিনেতা সতীশ কৌশিকের জন্ম
১৯৫৬: প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনিল আরোরার জন্ম
১৯৬৩: রুশ দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভের জন্ম 
১৯৭৩: চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা বলরাজ সাহনির মৃত্যু
২০২৩: পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এক বিশাল শঙ্খের আকারের বিশ্বমানের অডিটোরিয়াম ধনধান্য-র উদ্বোধন হয়।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৮৯ টাকা ৮৩.৯৮ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৪০ টাকা ১০৬.০২ টাকা
ইউরো ৮৮.২৩ টাকা ৯০.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৩,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৪,০০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭০,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী ১৬/৪৬ দিবা ১২/৫। মৃগশিরা নক্ষত্র ৪৮/৩৮ রাত্রি ১২/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২২/২, সূর্যাস্ত ৫/৫২/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/২৮ গতে ৩/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/১১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/১৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/১৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে উদয়াবধি। 
৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী অপরাহ্ন ৪/১২। মৃগশিরা নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৫০। সূর্যোদয় ৫/২৩, সূর্যাস্ত ৫/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৫ গতে ১২/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৯ মধ্যে ও ১২/২ গতে ১/৩৫ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৭ মধ্যে ও ১/১২ গতে ২/৪৬ মধ্যে ও ৪/২০ গতে ৫/৫৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২০ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/২২ মধ্যে। 
৩ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: লখনউকে ৬ উইকেটে হারাল দিল্লি

12-04-2024 - 11:23:37 PM

আইপিএল: ৪১ রানে আউট ঋষভ পন্থ, দিল্লি ১৪৬/৪ (১৫.৩ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 11:09:32 PM

আইপিএল: ৫৫ রানে আউট ফ্রেজার, দিল্লি ১৪০/৩ (১৪.৪ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 11:03:20 PM

আইপিএল: ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি ফ্রেজারের, দিল্লি ১২৮/২ (১৩.২ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 10:57:18 PM

আইপিএল: ৪১ রানে আউট ঋষভ পান্থ, দিল্লি ১৪৬/৪ (১৫.৩ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 10:56:00 PM

আইপিএল: ৩২ রানে আউট পৃথ্বী সাউ, দিল্লি ৬৩/২ (৭ ওভার), টার্গেট ১৬৮

12-04-2024 - 10:29:49 PM