Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বোঝাপড়ার অঙ্কেই কি এত আসন দাবি?
তন্ময় মল্লিক

দৃশ্য-১: স্থান-পি সুন্দরাইয়া ভবন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমারের সিপিএমের এরিয়া অফিস। কিছুক্ষণ পরেই হবে শীতলপুর পশ্চিম গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের ভোটাভুটি। তাই বাইরে দলীয় কর্মী সমর্থকদের জটলা। একটি ঘরে চলছে পঞ্চায়েত দখলের শলাপরামর্শ। যাকে বলে, একেবারে রুদ্ধদ্বার বৈঠক। রয়েছেন ১২জন পঞ্চায়েত সদস্য। তাঁরা প্রত্যেকে তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী, কিন্তু সকলেই সিপিএম নন। তারমধ্যে পাঁচজন বিজেপি এবং দু’জন নির্দল সদস্য। ক্রস ভোটিং এড়াতে নেওয়া হচ্ছে ক্লাস। প্রশিক্ষকের ভূমিকায় দুই দলের দুই নেতা। একজন সিপিএমের এরিয়া কমিটির সম্পাদক, অন্যজন বিজেপির মণ্ডল সভাপতি। বৈঠকে সিদ্ধান্ত, প্রধান হবে সিপিএমের, উপ প্রধান বিজেপির। প্রত্যেকে বাধ্য ছাত্রের মতো ঘাড় নেড়ে জানিয়ে দিলেন, কোনও ভুলচুক হবে না।
দৃশ্য-২: স্থান-নন্দকুমার বিডিও অফিসের সভাকক্ষ। দলবদ্ধভাবে ঢুকলেন ১২জন পঞ্চায়েত সদস্য। হাজির তৃণমূলের টিকিটে জেতা ১১জন সদস্যও। উভয় দলের পক্ষ থেকে প্রধান ও উপ প্রধানের নাম প্রস্তাব করা হল। নিয়ম মেনে নেওয়া হল ভোট। গোপন ব্যালটে। ফলাফল সিপিএম-বিজেপি জোটের অনুকূলে ১২-১১।
দৃশ্য-৩: সবই হয়েছে পরিকল্পনা মাফিক। তাই কৃতজ্ঞতা স্বীকারের একটা দায় থেকেই যায়। ফের ১২জন পঞ্চায়েত সদস্য সিপিএমের এরিয়া অফিসে ঢুকলেন। জানালেন তাঁদের দায়িত্ব পালনের কথা। তারপর সাংবাদিকদের দাবি মেনে ১২জন সদস্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ালেন। মুখে হাসি, হাতে বিজয়চিহ্ন। সিপিএম-বিজেপি-নির্দল মিলেমিশে একাকার। ঝলসে উঠল ক্যামেরার ফ্ল্যাশগান। তাঁদের মাথার উপর জ্বলজ্বল করছে কমরেড জ্যোতি বসুর ছবি। 
হ্যাঁ, এরপরেও সিপিএমের নেতারা বুক ফুলিয়ে তৃণমূল-বিজেপি সেটিংয়ের কথা বলবেন। কারণ তাঁরা গোয়েবেলসের থিওরিতেই বিশ্বাসী। মিথ্যেকে সত্যি বলে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তাই একই মিথ্যে বারবার বলে যেতে হবে। একবার, দু’বার, দশবারেও বিশ্বাস না করলে একটা সময় মিথ্যে শুনতে শুনতে তাকেই ‘সত্যি’ বলে ভাববে। হিটলারের যাবতীয় অপরাধ এইভাবেই আড়াল করার চেষ্টা করেছিলেন গোয়েবেলস। তাঁর সেই থিওরি পরবর্তীকালে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে খুবই জনপ্রিয় হয়। কিন্তু এই থিওরির একটাই সমস্যা, প্রকৃত সত্যিটা সামনে এলে বিশ্বাস উবে যায় কর্পূরের চেয়েও তাড়াতাড়ি। 
তিন রা঩জ্যে জেতার পর বঙ্গ বিজেপির লম্ফঝম্ফ কিঞ্চিৎ বেড়েছে। জয় সেলিব্রেট করার জন্য জেলায় জেলায় গেরুয়া আবির মেখে মিছিল হয়েছে। কোথাও কোথাও লাড্ডু বিলিও হয়েছে। বিজেপির এসব কাণ্ডকারখানা দেখে সিপিএম রাজত্বের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। তখন বাংলায় কংগ্রেস টিম টিম করে জ্বলছে। ক্ষমতায় ফেরা তো দূরের কথা, সিপিএমের সঙ্গে লড়াইয়ের জায়গাতেও নেই। কিন্তু অন্য রাজ্যে দল জিতলেই বাংলার কংগ্রেস কর্মীরা রাস্তায় নেমে পড়তেন। বাজনা বাজিয়ে, পটকা ফাটিয়ে, আবির খেলতে খেলতে বিজয়মিছিল করতেন। নাচনকোদন দেখে মনে হতো, কংগ্রেস বোধহয় এরাজ্যেই জিতেছে। কিন্তু ’৭৭ সালে কংগ্রেস সেই যে গেল আর ফিরল না। অথচ তারপর কংগ্রেস বারবার দিল্লির ক্ষমতায় বসেছে। কিন্তু বাংলা দখল করতে পারেনি। কারণ বাংলা একবার মুখ ঘুরিয়ে নিলে তার দিকে ফিরেও তাকায় না। এটাই বাংলার ট্র্যাডিশন। বাংলার পর রাজস্থানেও শূন্য হয়ে গেল সিপিএম। গতবার দু’টি আসনে জয়ী হয়েছিল। এবার আরও বেশি আসন পাওয়ার আশায় ছিল। ভেবেছিল, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলে তারাই হবে ‘ডিসাইডিং ফ্যাক্টর’। কিন্তু কংগ্রেসের পাশাপাশি সিপিএমও সেখানে মুখ থুবড়ে পড়েছে। ফলে রাজস্থানে তাদের আর ‘কিং মেকার’ হওয়া হল না। 
এর আগে ত্রিপুরাতেও বিজেপিকে রুখে দিতে পারেনি সিপিএম। তবে, সেখানে তৃণমূল প্রার্থী দিয়েছিল। সেটাকেই নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার ‘ঢাল’ বানিয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘ভোট কাটুয়া’ বলে সিপিএম, কংগ্রেস একযোগে আক্রমণ করেছিল। বলেছিল, বিজেপিকে জেতানোর জন্যই তৃণমূল ত্রিপুরায়, মেঘালয়ে প্রার্থী দিয়েছিল। গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে তৃণমূল সেটিং করে বিজেপির ‘কংগ্রেসমুক্ত ভারত’ গঠনে সাহায্য করছে।
তর্কের খাতিরে ধরেই নেওয়া গেল, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে সিপিএম এবং কংগ্রেসকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারিয়ে দিয়েছেন। তাহলে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে এই ফল হল কেন? সেখানে তো তৃণমূল প্রার্থী দেয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারেও যাননি। তা সত্ত্বেও কংগ্রেসের কেন এই ফল? সিপিএম কেন রাজস্থানে দু’টি আসন ধরে রাখতে পারল না?
বাংলায় একটা কথা আছে, যত দোষ নন্দ ঘোষ। কংগ্রেস ও সিপিএমের চোখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ‘নন্দ ঘোষ’। ভোটে হারলেই তাঁর দিকে তোলে আঙুল। তিন রাজ্যে শোচনীয় পরাজয়ের পর লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী ছিলেন ‘স্পিকটি নট’। মুখে রা কাটেননি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘ইন্ডিয়া’ জোটকে গুরুত্ব না দেওয়ার কথা বলামাত্র অধীরবাবুর মুখে বুলি ফিরেছে। 
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, কংগ্রেস সিট শেয়ারিং করলে তিন রাজ্যে এই ফল হতো না। রাজ্যে রাজ্যে আসন সমঝোতা হলে চব্বিশে বিজেপি ক্ষমতায় ফিরবে না। এটা কংগ্রেসের পরাজয়, মানুষের নয়। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির জয়কে বড় করে দেখাতে চাননি। তিনি সুকৌশলে চব্বিশের ভোটে বিজেপি বিরোধী লড়াইটা ঩জিইয়ে রাখতে চেয়েছেন। সেটাই কি তাঁর দোষ? বঙ্গ কংগ্রেস আত্মসমালোচনার ধার ধারে না। কেউ ভুল ধরিয়ে দিলে তা শুধরে না নিয়ে আক্রমণ করে। উদ্দেশ্য, মুখ বন্ধ করে দেওয়া। এবারও অধীরবাবু সেটাই করলেন। তাঁর প্রশ্ন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি পাঁচ রাজ্যে ভোটের আগে বিজেপি বিরোধী প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার কথা বলেছিলেন? বলেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোট দেওয়ার আবেদন জানালে অধীরবাবুরা বাজার গরম করার সুযোগটা পেতেন। তাঁরা বলতে পারতেন, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিশগড়ে একজনও তৃণমূল সমর্থক নেই। তাই ওঁর এই আবেদনের কোনও মূল্য নেই। বিজেপিকে হারানোর জন্য কংগ্রেসের অন্য কারও দয়ার দরকার নেই। 
রাজনীতিতে ‘কমন এনিমি’ বলে একটা কথা আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন বিজেপি, বঙ্গ কংগ্রেস এবং সিপিএমের সেই ‘কমন এনিমি’। তাঁর জন্যই নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহরা বাংলায় দাঁত ফোটাতে পারছেন না। তাঁর জন্যই সিপিএমকে ৩৪ বছরের রাজ্যপাট গোটাতে হয়েছে। তাঁর জন্যই বাংলায় কংগ্রেস দলটা আজ সাইনবোর্ডে পরিণত হয়েছে। ফলে সোনিয়া গান্ধী হাজার চেষ্টা করলেও লোকসভা ভোটে বাংলায় বিজেপি-বিরোধী জোট করাতে পারবেন না। কেউ ব্যক্তিগত, কেউ দলগত ঝাল মেটাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করেই যাবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘শিক্ষা’ দেওয়ার জন্য সিপিএম সবসময় এক পায়ে খাড়া। সিপিএম নেতৃত্ব জানে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোকাবিলার ক্ষমতা তাদের নেই। তাই তারা কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার রাস্তা নিয়েছে। সেই কারণে গত লোকসভা নির্বাচন থেকেই বিজেপিকে দু’হাত উজাড় করে ভোট দিয়ে যাচ্ছে বামেরা। তা করতে গিয়ে নিজেরা শূন্য হয়েছে, কিন্তু রাস্তা বদলায়নি। বিজেপির ক্ষতি হবে এমন কাজ সিপিএম ভুল করেও করে না। পঞ্চায়েত ভোটেও বহু জায়গায় তৃণমূলকে হারানোর জন্য সিপিএম কৌশলে বিজেপিকে আসন ছেড়ে দিয়েছিল। লড়াই হয়েছিল একের বিরুদ্ধে এক। তবে, শীতলপুর পশ্চিম গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষমতা দখলের জন্য কোনও নাটক করেনি। একেবারে খুল্লামখুল্লা বোঝাপড়া। বার্তা পরিষ্কার, লোকসভা ভোটে বাংলায় মমতাকে লড়তে হবে ‘রামধনু জোটে’র বিরুদ্ধে।
নির্বাচনে সংগঠনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তা সত্ত্বেও কখনও কখনও ‘হাওয়া’ বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বাংলা তার প্রমাণও পেয়েছে। কোনও রকম সাংগঠনিক শক্তি ছাড়াই বিজেপি এরাজ্যে প্রায় অর্ধেক আসন জিতে গিয়েছিল। তারপর থেকেই এরাজ্যে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। তা সত্ত্বেও অধিকাংশ জেলাতেই বিজেপি অর্ধেক বুথ কমিটিও  তৈরি করতে পারেনি। ফলে প্রতিটি নির্বাচনেই বিজেপি হয়েছে গোহারা। তারপরেও দিল্লির বিজেপি নেতাদের কেউ ৩৫টা, কেউ ২৫টা আসন দখলের হুঙ্কার ছেড়েছেন। নেতারা এত জোর পাচ্ছেন কোথা থেকে? এর পিছনে কি আছে নন্দকুমারের মতো কোনও বোঝাপড়া! নাকি এসব একুশের ভোটের মতোই ফাঁকা আওয়াজ? পর্দা ফাঁসের জন্য অপেক্ষা আর কয়েক মাসের।
09th  December, 2023
৩৭০ আসনের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ!
মৃণালকান্তি দাস

লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই এনডিএ জোট কত আসন পাবে, কত আসনে বিজেপি জয়ী হবে, তা সংসদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করে দিয়েছেন প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী, ‘আমি দেশের মেজাজ দেখে বলছি, এনডিএ ৪০০ পার করবে। আর ভারতীয় জনতা পার্টিকে ৩৭০ সিট অবশ্যই দেবে জনগণ।’
বিশদ

বিজেপি আর দুর্গ নয়, নিছকই কাচের ঘর
হারাধন চৌধুরী

বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, হিউম্যারিস্ট স্টিফেন লিকক বলেছিলেন, প্রবাদগুলো নতুন করে লেখা উচিত। কারণ এগুলো প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। এমনকী, কিছু প্রবাদ সাম্প্রতিক বাস্তবের বিপরীত ব্যাখ্যাই বহন করছে। প্রবাদ: কাচের ঘরের বাসিন্দাদের কখনওই অন্যের দিকে ঢিল ছোড়া উচিত নয়। বিশদ

28th  February, 2024
বাংলা চুলোয় যাক, কাঁকড়ানীতি জিন্দাবাদ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাংলায় বসে যাঁরা রাজ্য সরকারের বিরোধিতা করেন, তাঁদের অবস্থা মনিবের প্যান্টে মুখ ঘষা মার্জারের মতো। যদি মনিব মাথাটা একটু থাবড়ে দেন, তাতেই স্বর্গপ্রাপ্তি। চুলোয় যাক বাংলা। উচ্ছন্নে যাক বাঙালি। তাতে তাদের কিছুই আসে যায় না। তাঁরা বিশ্বের দরবারে বাংলাকে জুতো মারতে বেশি আগ্রহী। কেন? কারণ একটাই—তাঁদের 
পার্টি এই রাজ্যে সরকার চালায় না। সন্দেশখালি নামে একটি দ্বীপে তিনটি ব্যক্তিকে ঘিরে বিক্ষোভের আঁচে তাঁরা গোটা বাংলাকে সেদ্ধ করতে মরিয়া। একটি দ্বীপ, দু’টি ব্লক, ১৬টা গ্রাম পঞ্চায়েত, মেরেকেটে সাড়ে চার লক্ষ মানুষ। সমগ্র বাংলার বিচার এর নিরিখে হতে পারে? নাকি হওয়া উচিত?
বিশদ

27th  February, 2024
নির্বাচনী বন্ড নিয়ে ভীত দাতা, গ্রহীতা দু’পক্ষই
হুমায়ুন কবীর

‘না খাউঙ্গা না খানে দুঙ্গা’—বহুল চর্চিত জুমলাটি রাজনীতির অঙ্গন ছাড়িয়ে সমস্ত নাগরিকের মস্তিষ্কে বাসা বেঁধেছে। আমেদাবাদ থেকে আদানির চার্টার্ড ফ্লাইটে তাঁর দিল্লি উড়ে আসা আমরা ভুলিনি। ভুলিনি দূষিত দিল্লির আকাশ-বাতাসে প্রচারের ঢক্কানিনাদ, সঙ্গে প্রতিশ্রুতির বন্যা।
বিশদ

26th  February, 2024
প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা কৌশলী, ভাঙা জরুরি
পি চিদম্বরম

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেকে বোঝাতে ‘আমি’ বা ‘আমার’ শব্দ দুটি এড়িয়ে চলেন এবং সেই জায়গায় বরাবর ব্যবহার করেন উত্তম পুরুষ।
বিশদ

26th  February, 2024
সন্দেশখালি দিয়ে গোটা বাংলার বিচার!
হিমাংশু সিংহ

গেল গেল রব উঠেছে চারদিকে। একজনেরও প্রাণ যায়নি। এক রাউন্ডও গুলি চলেনি। আদালত কোনও রায় দেয়নি। ঠিক একুশ সালের বিধানসভা ভোটের আগের রিপ্লে যেন।
বিশদ

25th  February, 2024
আধার বন্ধ কি ঝড়ের পূর্বাভাস?
তন্ময় মল্লিক

বিপুল সরকার থাকেন পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের জুহিহাটি গ্রামে। নিজের কোনও ঘরবাড়ি নেই। থাকেন আত্মীয়ের ঘরে। সংসারে অভাব লেপ্টে থাকে ছায়ার মতো। সর্বক্ষণ। ভরসা বলতে খেতমজুরি আর বিনাপয়সার রেশন। অভাব থাকলেও স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। বিশদ

24th  February, 2024
দ্বিতীয় মণ্ডল: কংগ্রেসকে বদলে দিচ্ছেন রাহুল?
সমৃদ্ধ দত্ত

রাহুল গান্ধী শুধু নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে নয়, স্বাধীনতার পর কংগ্রেসের ইতিহাসেও সম্ভবত সবথেকে বড় এক সিদ্ধান্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাজি নিয়েছেন ঠিক লোকসভা ভোটের আগে। নিজের দলের ইতিহাসের ঘোষিত অথবা অঘোষিত অবস্থানের ঠিক বিপরীত অবস্থানে গিয়ে রাহুল গান্ধী সরাসরি জাতিগত রাজনীতিতে প্রবেশ করছেন। বিশদ

23rd  February, 2024
হিন্দুত্ববাদী পপস্টারদের এজেন্ডা
মৃণালকান্তি দাস

হিন্দুত্ববাদীদের জন্য এই ‘ভক্তিমূলক’ গান রচেছেন প্রেম কৃষ্ণবংশী। যার বাংলা তর্জমা: ‘তুমি মানুষ নও, তুমি কসাই; যথেষ্ঠ হয়েছে হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই।’ বিদ্বেষমূলক রাজনীতির টানে কৃষ্ণবংশীর এই গান এখন গোবলয়ে নতুন গণসংস্কৃতির অংশ। বিশদ

22nd  February, 2024
বারবার আক্রান্ত হয়েছে বাংলা ভাষা
সন্দীপন বিশ্বাস

বাংলা ভাষার যে প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে, তা কম করে হাজার বছরের। মোটামুটি ‘চর্যাপদ’ই হল বাংলা ভাষার প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ। এই হাজার বছর ধরে বাংলা ভাষাকে বার বার লড়াই করতে হয়েছে অন্য ভাষার সঙ্গে। তার উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে অন্য ভাষাকে। বিশদ

21st  February, 2024
‘ফ্রিজ’ হয়েছে কংগ্রেসের রাজনৈতিক লক্ষ্যটাই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রথমে অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’। তারপর শর্তসাপেক্ষে ব্যবহারের অনুমতি। কী সেই শর্ত? প্রথমত, টাকা জমা দেওয়া যাবে না। আর দ্বিতীয়ত, টাকা তোলা যাবে, কিন্তু কী কারণে তোলা হচ্ছে এবং কোন খাতে খরচ, সেটা জানাতে হবে আয়কর দপ্তরকে। বিশদ

20th  February, 2024
সব কালো অথবা সাদা
পি চিদম্বরম

পাগলামির ভিতরেও মাঝেমধ্যে একটা পদ্ধতি থাকে। একটা সরকার তার শেষ বাজেট পেশ করল সাধারণ নির্বাচনের মুখে। তার বদলে পরবর্তী অর্থবর্ষের এপ্রিল থেকে জুলাই মাসের জন্য ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’ সংবলিত একটা অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে পারত তারা। বিশদ

19th  February, 2024
একনজরে
ই এম বাইপাস সংলগ্ন শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে পানীয় জলের মিটার চুরির ঘটনা ঘটছে। কলকাতা পুরসভার দাবি, পাটুলি, কসবা ও যাদবপুর থানায় গত এক বছরে এ ...

বর্তমান সময়ে শতায়ু পার করা বিরল না হলেও অনেক ক্ষেত্রেই তা থেকে যায় চোখের আ‌ড়া঩লে। তবে লন্ডনের বাসিন্দা দহিবেন জীবরাজ কারামশি শাহের গল্পটা একটু অন্যরকম। ...

আগামী অর্থবর্ষে যাত্রীবাহী গাড়ির বাজার বাড়াতে সাহায্য করবে ‘স্পোর্ট ইউটিলিটি ভেহিকল’ বা এসইউভি। দেশের অন্যতম ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ক্রিসিলের দাবি, আগামী অর্থবর্ষে যাত্রীবাহী গাড়ির সার্বিক বাজার এবারের তুলনায় অন্তত পাঁচ থেকে সাত শতাংশ বাড়বে। ...

‘নফরত কি বাজার মে মহব্বত কা টুর্নামেন্ট’। এই শ্লোগান সামনে রেখে হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের মশালদহ অঞ্চল কংগ্রেস ও যুব কংগ্রেসের পরিচালনায় চলছে আট দলীয় মহিলা ফুটবল। রাহুল গান্ধীর ন্যায়যাত্রাকে সমর্থন জানিয়ে এই টুর্নামেন্টে বুধবার দ্বিতীয় দিন নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

জীবাণুঘটিত রোগ বৃদ্ধিতে দেহ কষ্ট। সন্তানের সাফল্যে আনন্দ। কর্মোন্নতি ও আয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫০৪ - ক্রিস্টোফার কলম্বাস তার জ্যোতির্বিজ্ঞানের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে একটি চন্দ্রগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেন
 ১৪৬৮ - পোপ দ্বিতীয় পলের জন্ম
১৭১২ - সুইডেনে ২৯ ফেব্রুয়ারির পর ৩০ ফেব্রুয়ারি পালনের সিদ্বান্ত হয়। এর কারণ তারা আগের নিয়মে ফিরতে চেয়েছিল।
১৮৯৬ - ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেসাইয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৪৩ টাকা ৮৩.৫২ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৮১ টাকা ১০৬.৪৪ টাকা
ইউরো ৮৮.৬৮ টাকা ৯১.১১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৬২,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৬২,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৯,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৯,৮৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৯,৯৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ ফাল্গুন, ১৪৩০, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। পঞ্চমী অহোরাত্র। চিত্রা নক্ষত্র ১০/৪৯ দিবা ১০/২২। সূর্যোদয় ৬/২/৩৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৫/৫৭। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৩ গতে ২/৩৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১০/৪০ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৪২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪৯ গতে ১/২৩ মধ্যে। 
১৬ ফাল্গুন, ১৪৩০, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। পঞ্চমী রাত্রি ২/৩৪। চিত্রা নক্ষত্র দিবা ৭/৪৪। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৫/৩৫। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৫৫ গতে ৩/১৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ১০/৩১ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৪৩ গতে ৫/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫০ গতে ১/২৪ মধ্যে। 
১৮ শাবান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শেখ শাহজাহানকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করল তৃণমূল, সরানো হল দলীয় সমস্ত পদ থেকেও

03:22:38 PM

৫৩ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

02:54:45 PM

অশীতিপর যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এয়ার ইন্ডিয়া বিমান সংস্থাকে ৩০ লক্ষ টাকার জরিমানা

02:42:24 PM

কোচবিহারে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান পুলিসের
কোচবিহারে একই সঙ্গে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান পুলিসের। ওই বাড়িগুলির ...বিশদ

02:19:42 PM

দুর্গাপুরের একটি কারখানায় দুর্ঘটনা, গুরুতর জখম ৪ জন

02:13:30 PM

১৫৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

01:27:29 PM