Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রশ্নগুলো তোলা থাক লোকসভা ভোটের জন্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রশ্ন ১: এক্সিট পোলে প্রায় সব জাতীয় সংবাদমাধ্যমই জিতিয়ে দিয়েছিল কংগ্রেসকে। ঠিক তখনই সাংবাদিক সম্মেলন ডাকলেন রামন সিং। ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, ‘এই সব ঝুটা। আমাদের স্থানীয় মিডিয়া যা সমীক্ষা করেছে, তার ফল দেখুন। আমরাই ক্ষমতায় আসছি। ওটাই মিলবে।’ জাতীয় সংবাদমাধ্যমের অধিকাংশই কিন্তু বিজেপি ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তা সত্ত্বেও রামন সিং কীভাবে এই দাবিটা করলেন? কীসের কনফিডেন্সে?
প্রশ্ন ২: ‘রাজনীতিতে নির্দিষ্ট কোনও ছক হয় না। নমনীয় আপনাকে হতেই হবে। রিজিড হয়ে থাকলে চলবে না।’ তেলেঙ্গানার ভোটের আগে এই বিশ্লেষণ অমিত শাহের। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেছিলেন, ‘মানুষের মনোভাব আমি বুঝেছি। ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে বিজেপিই জিতবে। আর চব্বিশে মোদিজি আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবেন।’ মধ্যপ্রদেশে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়া, রাজস্থান-ছত্তিশগড়ে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে কংগ্রেসের জয়জয়কার, সাধারণ মানুষ দিকে দিকে বলেছে যে কংগ্রেস কাজ করেছে... এরপরও এতটা নিশ্চিত তিনি কীভাবে ছিলেন? কীভাবেই বা মানুষের মন বুঝে গেলেন?
প্রশ্ন ৩: চার রাজ্যের ফল ঘোষণার পর মোদিজি ধন্যবাদ জানালেন তেলেঙ্গানার মানুষকে। এই রাজ্যে কংগ্রেস জিতেছে। বিজেপি ক’টি আসন পেয়েছে? মাত্র আটটি। এটাও কি পাওয়ার ছিল? গেরুয়া শিবিরের লোকজনও বোধহয় এত বড় স্বপ্ন দেখেনি। তাহলে এই ফল হল কীভাবে? মোদিজিও হঠাৎ এত গদগদ হয়ে তেলেঙ্গানাকেই বা ধন্যবাদ জানালেন কেন? আগামী দিনে কি আবার কোনও চমক অপেক্ষা করছে? অপারেশন লোটাস?
সেমি-ফাইনালের ফল নিরঙ্কুশ। কিন্তু তারপরও কেন প্রশ্ন ফুরোচ্ছে না? কারণ, হিসেব উল্টেছে। অধিকাংশ এক্সিট পোল যা বলেছিল, তা মেলেনি। পাবলিক যা ভেবেছিল, মেলেনি তাও। রাজস্থান মেনে নেওয়া যায়। সেখানে প্রতি পাঁচ বছরে একবার করে সরকার বদলায়। এ বছর বিজেপি, তো পাঁচ বছর পর কংগ্রেস। এটাই ট্রেন্ড। সেই কারণেই হয়তো অশোক গেহলট ঢালাও উপহার দেওয়া সত্ত্বেও কংগ্রেস জিতল না। ৫০০ টাকায় গ্যাস, সাধারণের অ্যাকাউন্টে টাকা... সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলি যদিও বা কাজ করে যেত, শচীন পাইলটের সৌজন্যে সেটাও হল না। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার ছিল রাজস্থানে। সমীক্ষা থেকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক, প্রত্যেকেই বলেছিলেন, যেই জিতুক না কেন, কান ঘেঁষে সরকার হবে মরুরাজ্যে। কিন্তু সেই ‘ফাইট’ আর হল না। শচীন মাঠে নামলেন না। গুর্জর ভোটও বিপক্ষে গেল। ফল? বিজেপির একচ্ছত্র। 
খুব জোরজবরদস্তি করলে মানার চেষ্টা করা যায় মধ্যপ্রদেশেও। বিজেপি বলছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, থুড়ি লাডলি বেহনা প্রকল্পের কথা। মানে, মহিলাদের অ্যাকাউন্টে মাসে মাসে টাকা পৌঁছে যাওয়া। খুব বেশিদিন শিবরাজ সিং চৌহান এই প্রকল্প কিন্তু চালু করেননি। তাও মরিয়া হয়ে প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন। সঙ্গে বিজেপি নামিয়ে দিয়েছে একঝাঁক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যকে। উদ্দেশ্য ছিল, ভোটারদের সবদিক থেকে বেঁধে ফেলা। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের আম জনতা কি এতটুকুতেই ভুলে গেলেন? প্রাক-ভোট অভিজ্ঞতা সে কথা বলছে না। গত পাঁচ বছরে এ রাজ্যে উন্নয়ন যে হয়নি, সে ব্যাপারে এক সুর ধরেছেন এখানকার সাধারণ ভোটাররা। গেরুয়া রাজনীতির সমালোচনা শোনা গিয়েছে মাঠে-প্রান্তরে। এমনকী চার বছর আগের সরকার ভাঙা-গড়ার দগদগে স্মৃতিও উস্কে উঠেছে। গোয়ালিয়র-চম্বল এলাকার মানুষ বিরক্তি প্রকাশ করেছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে নিয়ে। রাজকুমার নিজেও যে ছিলেন ব্যাকফুটে! তাঁর চাহিদার অনেকাংশই পূরণ করেনি দিল্লি নেতৃত্ব। ফলে, যতজন সিন্ধিয়া-অনুগামী এই ভোটে টিকিট পাবেন বলে ধারণা করা হয়েছি, তার অর্ধেকও মেলেনি। দলে দলে ঘনিষ্ঠরা তাঁর সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরেছেন, উগরেছেন ক্ষোভ। খুব সহজ একেবারেই মনে হয়নি মধ্যপ্রদেশের নির্বাচন। তাহলে কোন জাদুবলে সিন্ধিয়া গোয়ালিয়র-চম্বল এলাকার প্রায় পুরোটাই দখল করে নিলেন? মোদি-শিবরাজ ফাটলের যে তত্ত্ব নির্বাচনের আগে বিজেপিকে বেসামাল করে রেখেছিল, কীভাবে তা বস্তাবন্দি করে ভোটের ব্যালান্স বিজেপি ফিরে পেল? আর সবচেয়ে বড় কথা, ভোট হওয়া মাত্র সরকারে ফেরার আত্মবিশ্বাসটাই বা কীভাবে পেয়ে গেলেন দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব? ভবিষ্যৎদ্রষ্টা তো তাঁরা নন! তাহলে অঙ্কটা কী?  
এই অঙ্কের সূত্র একটাই—সাধারণ মানুষ যা বলেছে, ইভিএমে তা করেননি। কিংবা এও বলা যায়, সাধারণ মানুষ মুখে যা বলেছে, ইভিএম তা যথাযথভাবে কার্যকর করেনি। খুব মারাত্মক অভিযোগ। কংগ্রেস ইতিমধ্যে এ নিয়ে গোঁসা উজাড় করতে শুরু করেছে। কিন্তু তারা একটা বিষয় ভাবছে না... ডিজিটাল রিগিং একেবারে অসম্ভব না হলেও ইভিএমে বিপুল আকারে তা বাস্তবসম্মত নয়। কারচুপি ধরা পড়বেই। কারণ এটি কোনও একজন বা দু’জনের কাজ নয়। বহু সংখ্যক মানুষকে এই কাজে জুতে দিতে হবে। আর তাতে কিছুতেই আর খবর পেটের ভিতর থাকবে না। লিক হবেই হবে। তাহলে উপায় কী? র‌্যান্ডাম কয়েকটিতে কারচুপি করা যেতে পারে। সংখ্যায় সেগুলি কত হবে? ২০? ৫০? ২০০? তাতে কি একটা ভোটের ফল বদলে যেতে পারে? সেক্ষেত্রে ছত্তিশগড়ে কংগ্রেসের ভরাডুবি হল কেন? বিজেপির রেউড়ি রাজনীতির প্রতিশ্রুতি মানুষ বিশ্বাস করল, আর যে দু’রাজ্যে এই পাঁচ বছর ধরে সামাজিক সুরক্ষা তারা পেয়ে এসেছে, সেই বাস্তবে আস্থা রাখল না? এও কি হয়? কোন খেলা হয়ে গেল নেপথ্যে? 
হ্যাটট্রিক। আসলে এটাই এখন নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর দলের মূল মন্ত্র। যেভাবে হোক তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরতেই হবে। তার জন্য যা যা করার, সেটাই করবে বিজেপি। এই পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে ভরাডুবি হলে মোদির ইমেজ অবশ্যই ধাক্কা খেত। একগুচ্ছ সমালোচনা কাঁধে নিয়ে নামতে হতো লোকসভা ভোটের ময়দানে... তাহলে কি মোদি ম্যাজিক খতম? ভোট পর্যন্ত এই প্রশ্ন অন্তত আর উঠবে না। বিজেপির প্রচারের জন্য খুব বেশি তির কিন্তু তূণীরে নেই। এই ব্রহ্মাস্ত্রটা তাই দরকার ছিল। সেটা আপাতত হাতে থেকে গেল। মোদিজির আচ্ছে দিন, মোদিজির বিকাশ, আর এবার মোদিজির গ্যারান্টি। প্রতি পাঁচ বছরে স্লোগান বদলেছে বিজেপির। ব্যক্তিটি এক রয়ে গিয়েছেন। এছাড়া আর মুখই বা কোথায়? তাই ক্ষমতা চাই। যে কোনও মূল্যে। এর মোহ যে অপার। ম্যাজিক হোক বা মেশিনারি, কাজ উতরে দিতে হবে। কাজ উতরে যাবে। শুধুমাত্র ছাপ্পা দিলেই এখন আর ভোটের খেলা হয় না। প্রযুক্তি এখনকার রাজনৈতিক দলগুলির হাতে অপরিসীম শক্তি দিয়েছে। ছেলেবেলায় পড়া ছিল, জেরম কে জেরমের টেকনোলজি ফর ম্যানকাইন্ড। এখন বেঁচে থাকলে তিনি হয়তো লিখতেন, টেকনোলজি ফর পলিটিক্স। একপক্ষ ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়, আর এক পক্ষ চায় ক্ষমতায় আসতে। গণতন্ত্রের এই যুদ্ধে ভারত এখন দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে। বিজেপির জন্য উত্তর ভারত। আর কংগ্রেসের দাপট দক্ষিণে। তেলেঙ্গানা অবশেষে সোনিয়া গান্ধীকে রিটার্ন গিফ্ট দিয়েছে। দশ বছর পর। সোনিয়া গান্ধীই ছিলেন পৃথক তেলেঙ্গানা রাজ্যের কারিগর। এতদিন তাঁর এবং তেলেঙ্গানার মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিলেন কেসিআর। এবার তিনিও পিছনের সারিতে। অপারেশন লোটাস না হলে এই রাজ্য কংগ্রেসের জন্য সান্ত্বনা পুরস্কার হয়ে থাকবে। ভোট পর্যন্ত। কিন্তু সান্ত্বনা পুরস্কার কেন? কারণ, কংগ্রেসের পাখির চোখ ছিল এই পাঁচ রাজ্যের ফল। শুধু সরকার গঠন নয়, লোকসভা নির্বাচনের আগে মহাজোট ‘ইন্ডিয়া’য় বড়দাদার মর্যাদা দখলের। তাই এতদিন থমকে থেকেছে জোটের বৈঠক, আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনাও। আর আজ তিনটি বড় রাজ্যে ব্যর্থতা কংগ্রেসের উচ্চাকাঙ্ক্ষার উড়ানকে মাটিতে টেনে নামিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস, জেডিইউ, সমাজবাদী পার্টি কিংবা আপ... প্রত্যেকেই এখন স্পষ্ট ভাষায় তাদের বুঝিয়ে দেবে, ‘বেশি বেড়ো না। নেতৃত্ব আমরা যে কেউ দিতে পারি।’ কংগ্রেসও তা মানতে বাধ্য থাকবে। কিন্তু বিরোধী মহাজোটকে আরও একটা সারসত্য বুঝতে হবে, মোদি ব্রিগেডকে হটাতে হলে এবং দিল্লিতে স্থিতিশীল সরকার গড়তে গেলে কংগ্রেসকে ১৪০ থেকে ১৫০টি আসন পেতেই হবে। আঞ্চলিক দলগুলি তাদের পূর্ণ ক্ষমতায় জিতলেও কংগ্রেসের সমর্থন দরকার হবেই। কারণ, লোকসভা ভোটের ক্ষেত্রে সাধারণ ভোটারকুল কিন্তু স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী। বিজেপি না হলে কংগ্রেস—একটি নাম তাদের প্রয়োজন। অন্তত এই মুহূর্তে। বিজেপি হয় মোদি ম্যাজিকের জন্য জিততে চাইবে, না হলে মোদি ম্যাজিক আছে... সেটা প্রমাণ করার জন্য। একটার সঙ্গে আর একটা পরিপূরকের মতো আজ জড়িয়ে গিয়েছে। ম্যাজিকের সঙ্গে তাই নির্দ্বিধায় এখন জুড়ে যেতেই পারে মেশিনারি। ভোট মেশিনারি। যা আছে রাষ্ট্রের হাতে। পাঁচ রাজ্যের ভোটেও কি কলকাঠি তেমন কিছুরই? প্রশ্নটা তোলা থাকল লোকসভা ভোটের জন্য। 
ও হ্যাঁ, ২০১৯ সালে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়... এই তিনটি রাজ্যেই কিন্তু জিতেছিল কংগ্রেস। লোকসভা নির্বাচনে তাদের প্রাপ্ত আসন কত ছিল? মাত্র ৫২টি। আর একটু পিছনে যাওয়া যাক। ২০০৩ সাল। এই সবক’টি রাজ্যেই হেরেছিল কংগ্রেস। বিজেপির কাছে। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছিলেন সোনিয়া গান্ধী এবং তাঁর ইউপিএ। কংগ্রেস বলতেই পারে, পিকচার আভি বাকি হ্যায় মেরে মিত্রোঁ।
05th  December, 2023
৩৭০ আসনের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ!
মৃণালকান্তি দাস

লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই এনডিএ জোট কত আসন পাবে, কত আসনে বিজেপি জয়ী হবে, তা সংসদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করে দিয়েছেন প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী, ‘আমি দেশের মেজাজ দেখে বলছি, এনডিএ ৪০০ পার করবে। আর ভারতীয় জনতা পার্টিকে ৩৭০ সিট অবশ্যই দেবে জনগণ।’
বিশদ

বিজেপি আর দুর্গ নয়, নিছকই কাচের ঘর
হারাধন চৌধুরী

বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, হিউম্যারিস্ট স্টিফেন লিকক বলেছিলেন, প্রবাদগুলো নতুন করে লেখা উচিত। কারণ এগুলো প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। এমনকী, কিছু প্রবাদ সাম্প্রতিক বাস্তবের বিপরীত ব্যাখ্যাই বহন করছে। প্রবাদ: কাচের ঘরের বাসিন্দাদের কখনওই অন্যের দিকে ঢিল ছোড়া উচিত নয়। বিশদ

28th  February, 2024
বাংলা চুলোয় যাক, কাঁকড়ানীতি জিন্দাবাদ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাংলায় বসে যাঁরা রাজ্য সরকারের বিরোধিতা করেন, তাঁদের অবস্থা মনিবের প্যান্টে মুখ ঘষা মার্জারের মতো। যদি মনিব মাথাটা একটু থাবড়ে দেন, তাতেই স্বর্গপ্রাপ্তি। চুলোয় যাক বাংলা। উচ্ছন্নে যাক বাঙালি। তাতে তাদের কিছুই আসে যায় না। তাঁরা বিশ্বের দরবারে বাংলাকে জুতো মারতে বেশি আগ্রহী। কেন? কারণ একটাই—তাঁদের 
পার্টি এই রাজ্যে সরকার চালায় না। সন্দেশখালি নামে একটি দ্বীপে তিনটি ব্যক্তিকে ঘিরে বিক্ষোভের আঁচে তাঁরা গোটা বাংলাকে সেদ্ধ করতে মরিয়া। একটি দ্বীপ, দু’টি ব্লক, ১৬টা গ্রাম পঞ্চায়েত, মেরেকেটে সাড়ে চার লক্ষ মানুষ। সমগ্র বাংলার বিচার এর নিরিখে হতে পারে? নাকি হওয়া উচিত?
বিশদ

27th  February, 2024
নির্বাচনী বন্ড নিয়ে ভীত দাতা, গ্রহীতা দু’পক্ষই
হুমায়ুন কবীর

‘না খাউঙ্গা না খানে দুঙ্গা’—বহুল চর্চিত জুমলাটি রাজনীতির অঙ্গন ছাড়িয়ে সমস্ত নাগরিকের মস্তিষ্কে বাসা বেঁধেছে। আমেদাবাদ থেকে আদানির চার্টার্ড ফ্লাইটে তাঁর দিল্লি উড়ে আসা আমরা ভুলিনি। ভুলিনি দূষিত দিল্লির আকাশ-বাতাসে প্রচারের ঢক্কানিনাদ, সঙ্গে প্রতিশ্রুতির বন্যা।
বিশদ

26th  February, 2024
প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা কৌশলী, ভাঙা জরুরি
পি চিদম্বরম

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেকে বোঝাতে ‘আমি’ বা ‘আমার’ শব্দ দুটি এড়িয়ে চলেন এবং সেই জায়গায় বরাবর ব্যবহার করেন উত্তম পুরুষ।
বিশদ

26th  February, 2024
সন্দেশখালি দিয়ে গোটা বাংলার বিচার!
হিমাংশু সিংহ

গেল গেল রব উঠেছে চারদিকে। একজনেরও প্রাণ যায়নি। এক রাউন্ডও গুলি চলেনি। আদালত কোনও রায় দেয়নি। ঠিক একুশ সালের বিধানসভা ভোটের আগের রিপ্লে যেন।
বিশদ

25th  February, 2024
আধার বন্ধ কি ঝড়ের পূর্বাভাস?
তন্ময় মল্লিক

বিপুল সরকার থাকেন পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের জুহিহাটি গ্রামে। নিজের কোনও ঘরবাড়ি নেই। থাকেন আত্মীয়ের ঘরে। সংসারে অভাব লেপ্টে থাকে ছায়ার মতো। সর্বক্ষণ। ভরসা বলতে খেতমজুরি আর বিনাপয়সার রেশন। অভাব থাকলেও স্বপ্নটাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। বিশদ

24th  February, 2024
দ্বিতীয় মণ্ডল: কংগ্রেসকে বদলে দিচ্ছেন রাহুল?
সমৃদ্ধ দত্ত

রাহুল গান্ধী শুধু নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে নয়, স্বাধীনতার পর কংগ্রেসের ইতিহাসেও সম্ভবত সবথেকে বড় এক সিদ্ধান্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাজি নিয়েছেন ঠিক লোকসভা ভোটের আগে। নিজের দলের ইতিহাসের ঘোষিত অথবা অঘোষিত অবস্থানের ঠিক বিপরীত অবস্থানে গিয়ে রাহুল গান্ধী সরাসরি জাতিগত রাজনীতিতে প্রবেশ করছেন। বিশদ

23rd  February, 2024
হিন্দুত্ববাদী পপস্টারদের এজেন্ডা
মৃণালকান্তি দাস

হিন্দুত্ববাদীদের জন্য এই ‘ভক্তিমূলক’ গান রচেছেন প্রেম কৃষ্ণবংশী। যার বাংলা তর্জমা: ‘তুমি মানুষ নও, তুমি কসাই; যথেষ্ঠ হয়েছে হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই।’ বিদ্বেষমূলক রাজনীতির টানে কৃষ্ণবংশীর এই গান এখন গোবলয়ে নতুন গণসংস্কৃতির অংশ। বিশদ

22nd  February, 2024
বারবার আক্রান্ত হয়েছে বাংলা ভাষা
সন্দীপন বিশ্বাস

বাংলা ভাষার যে প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে, তা কম করে হাজার বছরের। মোটামুটি ‘চর্যাপদ’ই হল বাংলা ভাষার প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ। এই হাজার বছর ধরে বাংলা ভাষাকে বার বার লড়াই করতে হয়েছে অন্য ভাষার সঙ্গে। তার উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে অন্য ভাষাকে। বিশদ

21st  February, 2024
‘ফ্রিজ’ হয়েছে কংগ্রেসের রাজনৈতিক লক্ষ্যটাই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রথমে অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’। তারপর শর্তসাপেক্ষে ব্যবহারের অনুমতি। কী সেই শর্ত? প্রথমত, টাকা জমা দেওয়া যাবে না। আর দ্বিতীয়ত, টাকা তোলা যাবে, কিন্তু কী কারণে তোলা হচ্ছে এবং কোন খাতে খরচ, সেটা জানাতে হবে আয়কর দপ্তরকে। বিশদ

20th  February, 2024
সব কালো অথবা সাদা
পি চিদম্বরম

পাগলামির ভিতরেও মাঝেমধ্যে একটা পদ্ধতি থাকে। একটা সরকার তার শেষ বাজেট পেশ করল সাধারণ নির্বাচনের মুখে। তার বদলে পরবর্তী অর্থবর্ষের এপ্রিল থেকে জুলাই মাসের জন্য ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’ সংবলিত একটা অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে পারত তারা। বিশদ

19th  February, 2024
একনজরে
বর্তমান সময়ে শতায়ু পার করা বিরল না হলেও অনেক ক্ষেত্রেই তা থেকে যায় চোখের আ‌ড়া঩লে। তবে লন্ডনের বাসিন্দা দহিবেন জীবরাজ কারামশি শাহের গল্পটা একটু অন্যরকম। ...

লোকসভা ভোটের আগে মরুরাজ্যে ফের প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্কলহ। বুধবার আজমিরে প্রাক নির্বাচনী বৈঠক চলছিল গেরুয়া শিবিরের। সেই বৈঠকের মাঝপথে বেরিয়ে যান বিধায়ক অনিতা ভাদেল। এদিনের ...

‘মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম, হিন্দু-মুসলমান...।’ বিদ্রোহী কবির এই সম্প্রীতির বাণীকে ছড়িয়ে দিতে আজ, বৃহস্পতিবার থেকে কাঁথি-১ ব্লকের মাজনার তাজপুর সুপারস্টার ক্লাবের পরিচালনায় শুরু হচ্ছে ...

আগামী অর্থবর্ষে যাত্রীবাহী গাড়ির বাজার বাড়াতে সাহায্য করবে ‘স্পোর্ট ইউটিলিটি ভেহিকল’ বা এসইউভি। দেশের অন্যতম ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ক্রিসিলের দাবি, আগামী অর্থবর্ষে যাত্রীবাহী গাড়ির সার্বিক বাজার এবারের তুলনায় অন্তত পাঁচ থেকে সাত শতাংশ বাড়বে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

জীবাণুঘটিত রোগ বৃদ্ধিতে দেহ কষ্ট। সন্তানের সাফল্যে আনন্দ। কর্মোন্নতি ও আয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫০৪ - ক্রিস্টোফার কলম্বাস তার জ্যোতির্বিজ্ঞানের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে একটি চন্দ্রগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেন
 ১৪৬৮ - পোপ দ্বিতীয় পলের জন্ম
১৭১২ - সুইডেনে ২৯ ফেব্রুয়ারির পর ৩০ ফেব্রুয়ারি পালনের সিদ্বান্ত হয়। এর কারণ তারা আগের নিয়মে ফিরতে চেয়েছিল।
১৮৯৬ - ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেসাইয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৪৩ টাকা ৮৩.৫২ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৮১ টাকা ১০৬.৪৪ টাকা
ইউরো ৮৮.৬৮ টাকা ৯১.১১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৬২,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৬২,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৯,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৯,৮৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৯,৯৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ ফাল্গুন, ১৪৩০, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। পঞ্চমী অহোরাত্র। চিত্রা নক্ষত্র ১০/৪৯ দিবা ১০/২২। সূর্যোদয় ৬/২/৩৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৫/৫৭। অমৃতযোগ রাত্রি ১/৩ গতে ২/৩৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১০/৪০ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৪২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪৯ গতে ১/২৩ মধ্যে। 
১৬ ফাল্গুন, ১৪৩০, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। পঞ্চমী রাত্রি ২/৩৪। চিত্রা নক্ষত্র দিবা ৭/৪৪। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৫/৩৫। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৫৫ গতে ৩/১৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ১০/৩১ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৪৩ গতে ৫/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫০ গতে ১/২৪ মধ্যে। 
১৮ শাবান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শেখ শাহজাহানকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করল তৃণমূল, সরানো হল দলীয় সমস্ত পদ থেকেও

03:22:38 PM

৫৩ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

02:54:45 PM

অশীতিপর যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এয়ার ইন্ডিয়া বিমান সংস্থাকে ৩০ লক্ষ টাকার জরিমানা

02:42:24 PM

কোচবিহারে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান পুলিসের
কোচবিহারে একই সঙ্গে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান পুলিসের। ওই বাড়িগুলির ...বিশদ

02:19:42 PM

দুর্গাপুরের একটি কারখানায় দুর্ঘটনা, গুরুতর জখম ৪ জন

02:13:30 PM

১৫৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

01:27:29 PM