Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী তো তাঁর মর্মান্তিক প্রয়াণের সময়ও সভাপতি পদেই বৃত ছিলেন। আর রাহুল তো মাত্র কয়েক মাস আগেও জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে লোকসভা ভোট লড়েছেন।
কিন্তু, এবারের লোকসভা ভোটের ফলে কংগ্রেসের গুরুতর বিপর্যয়ের পর তার দায় নিয়ে সভাপতি পদ থেকে রাহুল গান্ধী সরে দাঁড়ানোর পর কংগ্রেসের অন্দরে এক অভূতপূর্ব নেতৃত্বহীনতা দেখা দিল! কংগ্রেসের নবীন, প্রবীণ, প্রৌঢ় কোনও শীর্ষ নেতা-নেত্রীই সভাপতি হতে আগ্রহী নন! সকলেই দফায় দফায় রাহুলজিকে অনুরোধ, উপরোধ করে চলেছেন—আপনি ফিরে আসুন পদে, আপনার নেতৃত্বে দল নরেন্দ্র মোদিজির গেরুয়া ব্রিগেডের বিরুদ্ধে লড়াই করবে জান বাজি রেখে—দেশ ও দশের স্বার্থে আগামী দিনের ভারতে ফের একবার কংগ্রেসের তেরঙ্গাকে স্বমহিমায় সগৌরবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংগ্রামে সভাপতি হিসেবে আপনি নেতৃত্ব দিন—সভাপতি তথা নেতা হিসেবে আপনাকে ছাড়া এই মুহূর্তে কোনও বিকল্প নেই আমাদের ইত্যাদি প্রভৃতি কত কী! হরেক নেতার হরেক দাবি, হরেক প্রার্থনা। কিন্তু, রাহুল গান্ধী অনড়। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন—সভাপতি পদে তিনি আর ফিরছেন না। অবশ্যই এখানে ‘আপাতত’ কথাটা যোগ করে নিতে হবে। কারণ, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু হয় না।
কিন্তু, যেটা লক্ষণীয়, রাহুল না করে দেওয়ার পর গত তিন মাস যাবৎ খালি পড়ে থাকল জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন! গোটা দেশ থেকে একজন সভাপতি খুঁজে পাওয়া গেল না কংগ্রেসে! সংসদে বাংলার অধীর চৌধুরীকে নেতা করে সোনিয়া, রাহুল সামাল দিলেন বটে কিন্তু ‘হাইকমান্ডে’র পাশের চেয়ারটি খালিই রইল দিনের পর দিন। তো, কংগ্রেসের মতো এমন একটা বিরাট ঐতিহ্যশালী দলের শীর্ষস্তরে এমন নেতৃত্বহীনতা দেখলে প্রশ্ন তো উঠবেই—উঠেছেও। কংগ্রেসের সাধারণ কর্মী সমর্থক নেতা-নেত্রী থেকে কংগ্রেস-বিরোধী শিবির মায় দেশের আমজনতা সর্বত্র জিজ্ঞাসা একটাই—রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগতে শুরু করল কেন? গান্ধী ফ্যামিলির বাইরে কি আজ একজনও নেই যিনি আপন রাজনৈতিক যোগ্যতাবলে শক্ত হাতে কংগ্রেসের হাল ধরতে পারেন, হতে পারেন উমেশচন্দ্র, সুরেন্দ্রনাথ, প্যাটেল, নেতাজি, চিত্তরঞ্জন প্রমুখের মতো চিরস্মরণীয় মহারথীদের আধুনিক উত্তরসূরি!?
সত্যি বলতে কি, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের কেন্দ্রীয় উদ্যোগের পর প্রশ্নটা যেন আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। তার অবশ্য সুনির্দিষ্ট কারণও আছে। কারণটা হল, ভারতের সংসদে এত বড় একটা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে গেল, কাশ্মীরের জনগণ ৩৭০ ধারা রদের সঙ্গে সঙ্গে এতদিন পাওয়া বিশেষ সুযোগ-সুবিধা হারাল, এই রদ প্রক্রিয়ায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক রীতিনীতি না মানার অভিযোগ উঠল, দেশের রাজনৈতিক মহল থেকে জনতার দৈনন্দিন জীবন—সর্বত্র এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় তোলপাড় চলছে অথচ, দেশের অন্যতম প্রভাবশালী দল কংগ্রেসের তথাকথিত হাইকমান্ড বা মাস কয়েকের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর তরফে তেমন কোনও সাড়া-শব্দ নেই! বরং ঘটনার দিন সংসদে কংগ্রেসের পক্ষে অধীর চৌধুরীর বক্তব্য শাসক বিজেপি তথা মোদি, অমিত শাহ জুটিকে সন্তুষ্ট করতে পারুক না পারুক সনিয়া-রাহুলের পক্ষে প্রীতিকর হয়নি বলেই খবর!
অন্যদিকে দেখা গেল—কংগ্রেসের তরুণ-প্রবীণ ব্রিগেডের কয়েকজন নেতার মন্তব্যেও ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে সেই মিশ্র-ভাবনার প্রকাশ ঘটেছে! গত বুধবার রাতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে পর্যন্ত ৩৭০ নিয়ে গরিষ্ঠ জনমতের পক্ষ নেওয়ার জন্য সওয়াল ওঠে বলে খবর! বৈঠকে উপস্থিত কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ সেই সূত্রে মোদিজি, অমিত শাহের ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত সমর্থনের কথা বলেন। অবশ্য, রাহুল গান্ধী সেই ভাবনা সরাসরি নাকচ করে দিয়ে পাল্টা লড়াইয়ের কথা বলেন। চিদম্বরম, আহমেদ প্যাটেলের মতো প্রবীণ এবং প্রিয়াঙ্কার মতো নবীন নেতা-নেত্রীর সমর্থনে রাহুলের যুক্তিই কমিটি বৈঠকে শেষ পর্যন্ত মান্যতা পায়। কিন্তু, ৩৭০ বাতিল নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরের মতপার্থক্যটি তাতে কতটা আড়াল করা গিয়েছে তা নিয়ে রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞমহলে যথেষ্ট সংশয় ছড়িয়েছে।
তার প্রমাণও মিলেছে। জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে দল যে দ্বিধার ভাবটা কাটিয়ে উঠতে পারেনি—গত বৃহস্পতিবার সংসদে অধীর চৌধুরী ও গুলাম নবি আজাদের বিতর্কিত মন্তব্য এবং পরবর্তীতে কংগ্রেস নেতা কর্ণ সিং ও তাঁর পুত্রের বক্তব্য তার প্রমাণ। গুলাম নবি বলে দিলেন, কাশ্মীরের মানুষজনকে টাকা দিয়ে কেনা যায় আর অধীর কাশ্মীরের বর্তমান অবস্থাকে ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে’র সঙ্গে তুলনা করে বিতর্ক বাধালেন। অন্যদিকে কর্ণ সিং ও তাঁর পুত্র বিক্রমাদিত্য মোদি-শাহের ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তকে ভূস্বর্গে নতুন যুগের সূচনা বলে অস্বস্তিতে ফেললেন দলকে! শুধু তাই নয়, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার মতো আরও কেউ কেউ এমনভাবে কেন্দ্রের ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তের পক্ষে-বিপক্ষে দাঁড়িয়ে—বর্তমান ক্ষেত্রে জাতীয় কংগ্রেসের রাজনৈতিক ভূমিকা কেবল ধোঁয়াশাচ্ছন্নই করে তোলেননি, পরন্তু সোনিয়া-রাহুল-প্রিয়াঙ্কা ঘোষিত বিরোধিতার নীতির গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। ফলে, শাসক পদ্মদলের ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দলের লাইন কী হবে তা নিয়ে রীতিমতো ধন্দে পড়ে গেছেন কংগ্রেসের উপর থেকে নিচুতলার প্রায় সকলেই। এবং প্রতিপক্ষের সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী দল কংগ্রেসের অন্দর-বাহিরের এই দ্বিধা দোলাচল, রাজনৈতিক নীতি নির্ধারণে এই মতপার্থক্যে সঙ্গত কারণেই বিশেষ স্বস্তিতে পদ্ম শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। কংগ্রেসের এই টালমাটাল কাটতে কাটতে জম্মু-কাশ্মীর-লাদাখের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে, দেশের নানা প্রান্তে ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে প্রতিবাদের যেটুকু ঢেউ-তরঙ্গ উঠেছে তাও মিলিয়ে যাবে, তখন এ নিয়ে আন্দোলনে নামা কংগ্রেসের পক্ষে খুব সুবিধেজনক হবে না—এমনই ধারণা শাসক বিজেপি’র। অন্তত তথ্যভিজ্ঞজনেদের অনেকে তেমনই বলছেন।
কিন্তু, এত বড় একটা দলে এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এত বিপরীত মত আসছে কেন? তাহলে কি দলের শীর্ষস্তরে সোনিয়া-রাহুলের মানে গান্ধী পরিবারের কর্তৃত্ব শিথিল হতে শুরু করেছে, ‘হাইকমান্ডে’র সার্বজনিক মান্যতায় টান পড়ছে? দলে গান্ধী পরিবারের বাইরের প্রভাব বাড়ছে? তাই যদি, তবে তিন মাসে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরে থেকে একজন যোগ্য সভাপতি খুঁজে পাওয়া গেল না কেন? তাহলে কি প্রকৃত অর্থেই যোগ্য বলিষ্ঠ নেতৃত্বের খরা দেখা দিয়েছে স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জাতীয় কংগ্রেসে? অন্যগুলো নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও শেষ প্রশ্নটিতে দেখা যাচ্ছে অনেকেই সহমত। ইন্দিরার আমল থেকেই কংগ্রেস পুরোপুরিভাবে গান্ধী পরিবার নির্ভর। সীতারাম কেশরী বা নরসীমা রাওয়ের মতো যাঁরা সভাপতি হয়েছেন তাঁরা কার্যত গান্ধী পরিবারের নির্দেশ-নীতিকে শিরোধার্য করেই কাজ চালিয়েছেন। ফলে সভাপতির চেয়ারে যে-ই থাকুন গান্ধী পরিবারের কর্তৃত্ব ও শাসনই বহাল থেকেছে কংগ্রেসে—নিন্দুকেরা তেমনটাই বলেন। শনিবার এই লেখা যখন লেখা হচ্ছে তখনও সভাপতি ঠিক হয়নি কংগ্রেসে। ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হচ্ছে। কুমারী শৈলজা মল্লিকার্জুন খাড়গে, মুকুল ওয়াসনিক, বেণুগোপালের মতো কিছু নাম উড়ছে বাতাসে।
শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে সেটা রাজনীতির ভাগ্যদেবতা জানেন। আমরা কেবল অতীত অভিজ্ঞতার নিরিখে এটুকুই অনুমান করতে পারি—সভাপতি পদে যিনিই মনোনীত হোন—তিনি গান্ধী পরিবারের বিশেষ প্রীতিভাজন হবেন। কিন্তু, আপন রাজনৈতিক দক্ষতা কৌশলে আজকের এই দিশেহারা জাতীয় কংগ্রেসকে তিনি কতটা দিশা দিতে পারবেন, জাতীয় রাজনীতিতে তার হৃত মহিমা কতটা ফেরাতে পারবেন তা বলবে সময়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই মনে করেন, সময়ের সেই পরীক্ষায় নয়া সভাপতির সাফল্যই নেতৃত্বহীনতার চলতি দুর্বলতা থেকে কংগ্রেসকে রেহাই দিতে পারে। না হলে ফের গান্ধী রাহুলেরই দ্বারস্থ হতে হবে কংগ্রেসকে। কংগ্রেসে গান্ধী-পরিবার নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার স্বপ্ন যাঁরা দেখেন তাঁদের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। নান্য পন্থা।
11th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

 জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
বিশদ

12th  August, 2019
শুধু উন্নয়ন নয়, ভোটের জন্য চাই ভালো মাস্টার
তন্ময় মল্লিক

মোটা বেতন দিয়ে মাস্টার রাখলেই ছেলেমেয়ে মানুষ হয় না। তেমনটা হলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েই উচ্চশিক্ষিত হতো। কিন্তু, তা তো হয় না। ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনায় আগ্রহ, মেধা যেমন থাকা দরকার, তেমনই নজরদারিটাও জরুরি। ফাঁকিবাজি থাকলেই ছাত্র হয় গাড্ডু খাবে, অথবা ‘বিবেচনায়’ পাশ।
বিশদ

10th  August, 2019
পঞ্চায়েত নির্বাচন, ৩৭০ কিংবা ৩৫এ
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গ ২০১৮, আর ত্রিপুরা ২০১৯। পঞ্চায়েত ভোটে ফলাফল একইরকম। ঠিক কত আসন সেটা গোনার দরকার নেই। সহজ অঙ্কে বিষয়টা এরকম। ধরা যাক, মোট আসন ১০০, শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৭০টি আসনে। বাকি তিরিশের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের শেষে শাসক দল ২০, বিরোধীরা দশ। পাটিগণিতের অঙ্ক একেবারে মিলে গেল।
বিশদ

10th  August, 2019
কাশ্মীর: নতুন চ্যালেঞ্জ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রকৃত চ্যালেঞ্জ সরকারের। কাশ্মীরকে আন্তরিকভাবে ভারতের অন্তঃস্থলে মিশিয়ে দেওয়ার কাজটিই কিন্তু হবে কাশ্মীরের নয়া ইতিহাস রচনা। সেটা নিছক একটা ভূমিখণ্ড দখল নয়। কাশ্মীরিয়াৎকে আপন করে নেওয়া। একমাত্র তাহলেই পাকিস্তান সবথেকে বেশি ধাক্কা খাবে! আর কাশ্মীরিদের আমরা যদি শত্রু বিবেচনা করে চলি, তাহলে কিন্তু টেনিসের পরিভাষায় অ্যাডভান্টেজ পাকিস্তান হয়ে যাবে! সে সুযোগ দেব কেন?
বিশদ

09th  August, 2019
সংযুক্তিকরণের মিশ্র অভিজ্ঞতার পংক্তিতে কাশ্মীর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 সমস্ত প্রশ্ন আসলে আবর্তিত হচ্ছে মূলত কাশ্মীরসমস্যা সমাধানের প্রশ্নে ‘স্বাধিকার বনাম সংযুক্তিকরণ’ ভাবনাকে কেন্দ্র করে। নেহরুর অনুসৃত কাশ্মীরের স্বাধিকার মডেল বিগত ৭০ বছর ধরে কার্যকরী থাকলেও কাশ্মীরসমস্যার সমাধান কিন্তু অধরাই থেকে গিয়েছে। তৈরি হয়েছিল অচলাবস্থা। বিজেপির সংযুক্তিকরণ মডেলে কাশ্মীরের এই দীর্ঘ অচলাবস্থা ভেঙে এগিয়ে চলার কথা বলা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে সংযুক্তিকরণ মডেলের যে অভিজ্ঞতা উঠে এসেছে, তা মিশ্র। চীনের সঙ্গে তিব্বতের সংযুক্তিকরণ সফল হয়েছে। আলাস্কার ক্ষেত্রেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্তিকরণ সফল ছিল। আবার চীনের সঙ্গে হংকংয়ের সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া কিন্তু কঠিন বাধার সম্মুখীন হয়েছে। এখন দেখার, কাশ্মীরকে ভারতের মূল প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার ফল কী হয়? বিশদ

08th  August, 2019
জিতে গেলেন শ্যামাপ্রসাদ
জিষ্ণু বসু 

দিনটি ছিল ১১ মে, ১৯৫৩। পারমিট ছাড়া কাশ্মীরে প্রবেশের অপরাধে পাঠানকোটের মাধোপুর সীমান্তে গ্রেপ্তার হলেন শ্যামাপ্রসাদ। সেখান থেকে শ্রীনগর ৩০০ কিমির বেশি। এতটা পথ পুলিসের জিপে আনা হল তাঁকে।  বিশদ

07th  August, 2019
তিন তালাক: এক কুপ্রথার অবসান
অমিত শাহ

কিছু দিন ইতিহাসে বিশিষ্ট হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। ভারতের সংসদের ইতিবৃত্তে ৩০ জুলাই, ২০১৯ তেমনই একটি দিন। সংসদের উচ্চকক্ষে ঐতিহাসিক তিন তালাক বিলের জায়গা করে নেওয়াটা নিছক একটি নতুন আইনপ্রণয়ন নয়। এটি একটি ঐতিহাসিক ভুলের সংশোধনের বিষয়। এটি মুসলিম নারীদের সম্মান ও মর্যাদার পুনরুদ্ধারের বিষয়।
বিশদ

06th  August, 2019
দমনমূলক ফেডারালিজম
পি চিদম্বরম

 ১৯৯৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাজেট ভাষণে আমি ‘কোঅপারেটিভ ফেডারাল পলিটি’—এই ফ্রেজ বা বাগধারাটি ব্যবহার করেছিলাম। এই বাগধারা আমিই প্রথম ব্যবহার করেছি এমন কোনও দাবি করছি না, কিন্তু আমি আনন্দিত যে ‘কোঅপারেটিভ ফেডারালিজম’ কথাটি বাজেট ভাষণে এবং অন্য অনেক উপলক্ষে বারংবার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
বিশদ

05th  August, 2019
কলকাতা কি প্রবীণদের জন্য ক্রমশ বিপজ্জনক হয়ে উঠছে?
শুভা দত্ত

বুধবার ভোরের কাগজে চোখ রাখতেই এমন একটা প্রশ্ন যেন বুকের মধ্যে শেল হয়ে বিঁধল। এ কী কাণ্ড সব হচ্ছে! খুনের পর খুন! আর সেই খুনিদের টার্গেট কিনা নিরীহ সাধারণ প্রৌঢ় আর প্রবীণ! কী অপরাধ তাঁদের? অপরাধ তাঁরা বাড়িতে একলা থাকেন, তাঁদের ছেলেমেয়েরা হয়তো চাকরিসূত্রে দেশের অন্য রাজ্যে বা দূর বিদেশে। অপরাধ—তাঁদের একটা ছোট বড় জমি বাড়ি বাগান বা ফ্ল্যাট আছে, আছে সারাজীবন কষ্ট করে রোজগারের কিছু টাকা-পয়সা, ব্যাঙ্ক আমানত, গয়নাগাটি।
বিশদ

04th  August, 2019
একনজরে
 মুম্বই, ১৩ আগস্ট: স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ থেকে রেহাই পেলেন প্রাক্তন অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড়। তার ফলে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির কোচ হতে তাঁর সামনে আর কোনও বাধা রইল না। প্রশাসক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাহুল দ্রাবিড়ের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের যে অভিযোগ ...

বিএনএ, কৃষ্ণনগর: ঘূর্ণির শিল্পী সুবীর পাল ‘লিমকা বুক অব রেকডর্সে’ নাম তুলে ফেললেন। সুবীরবাবুর ঝুলিতে অনেক আগেই এসেছে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার। একইসঙ্গে বৃহৎ মূর্তি(লার্জার দ্যান লাইফ) এবং ক্ষুদ্র ভাস্কর্য তৈরি করে তিনি ঠাঁই পেয়েছেন লিমকা বুকে। ভেঙে ফেলেছেন আগের রেকর্ডও। সম্প্রতি ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দক্ষিণ ভারতে একের পর এক পুলিসি অভিযানে ধরা পড়েছে বেশ কয়েকজন জেএমবি জঙ্গি। তাই জায়গা পরিবর্তন করে মধ্য ভারতে ঘাঁটি বানাতে শুরু করেছিল এই জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা।  ...

বেজিং, ১২ আগস্ট (পিটিআই): ঘূর্ণিঝড় লেকিমার তাণ্ডবে চীনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪৯ জন। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ২১ জন। প্রশাসন সূত্রে এই তথ্য জানা গিয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কোনও কিছুতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভাববেন। শত্রুতার অবসান হবে। গুরুজনদের কথা মানা দরকার। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুফল ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭- পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস
১৯৪৮- শেষ ইনিংসে শূন্য রানে আউট হলনে ডন ব্র্যাডম্যান
১৯৫৬- জার্মা নাট্যকার বের্টোল্ট ব্রেখটের মৃত্যু
২০১১- অভিনেতা শাম্মি কাপুরের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.২৭ টাকা ৭১.৯৭ টাকা
পাউন্ড ৮৪.২৫ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
ইউরো ৭৮.০৭ টাকা ৮১.০৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৪৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,০০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৪ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ২৬/১৩ দিবা ৩/৪৬। উত্তরাষাঢ়া ০/৫ প্রাতঃ ৫/১৯। সূ উ ৫/১৬/৩৫, অ ৬/৬/১৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৮ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে। 
২৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৪ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ২৪/৩১/৩ দিবা ৩/৪/৩। উত্তরাষাঢ়ানক্ষত্র ২/১০/১৭ দিবা ৬/৭/৪৫, সূ উ ৫/১৫/৩৮, অ ৬/৮/৪২, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/১৬ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪২/১০ গতে ১/১৮/৪৮ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৮/৫৪ গতে ১০/৫/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৮/৫৪ গতে ৩/৫২/১৬ মধ্যে। 
১২ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় একদিনের ম্যাচ: বৃষ্টিতে ফের বন্ধ খেলা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৫৮/২(২২ওভার)  

09:25:56 PM

তৃতীয় একদিনের ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৩১/২(১৫ওভার)  

08:44:01 PM

তৃতীয় একদিনের ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১১৪/০(১০ ওভার)  

08:19:26 PM

 আগামীকাল কম ট্রেন মেট্রোয়
আগামীকাল ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ...বিশদ

08:12:59 PM

তৃতীয় একদিনের ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৯/০(৫ ওভার)  

07:49:21 PM

তৃতীয় একদিনের ম্যাচ: বৃষ্টিতে বন্ধ খেলা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮/০(১.৩ ওভার) 

07:24:54 PM