Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

তিন তালাক: এক কুপ্রথার অবসান
অমিত শাহ

কিছু দিন ইতিহাসে বিশিষ্ট হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। ভারতের সংসদের ইতিবৃত্তে ৩০ জুলাই, ২০১৯ তেমনই একটি দিন। সংসদের উচ্চকক্ষে ঐতিহাসিক তিন তালাক বিলের জায়গা করে নেওয়াটা নিছক একটি নতুন আইনপ্রণয়ন নয়। এটি একটি ঐতিহাসিক ভুলের সংশোধনের বিষয়। এটি মুসলিম নারীদের সম্মান ও মর্যাদার পুনরুদ্ধারের বিষয়। এটি লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠার বিষয়।
এই বিলটির উত্থাপন দেখিয়ে দিল বিরোধীদের প্রতিরোধ সত্ত্বেও মোদি সরকার দ্রুত সমাজ সংস্কারের অঙ্গীকার রক্ষায় কতটা আন্তরিক। এটা সেই সমস্ত মুসলিম নারীর জন্য একটি বিধিবদ্ধ রক্ষাকবচ হয়ে উঠল যাঁরা একটি চূড়ান্ত অন্যায় প্রথার নীরব শিকার হচ্ছিলেন।
বিলটিকে রাজ্যসভায় জায়গা করে দেওয়ার বৃত্তান্ত এবং একইসঙ্গে সংসদের বাইরেটাও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত রেখে গিয়েছে। প্রথমত পরিষ্কার হল যে ভারতে নারীদের সামাজিক মর্যাদা, সম্মান ও সম্ভ্রম দিতে নরেন্দ্র মোদির সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা রয়েছে। সমানভাবে প্রকট হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস দলের দ্বিচারিতামূলক মতলবটি, যারা বরাবর সংখ্যালঘুদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবেই দেখে এসেছে, নারীর আত্মমর্যাদার কথা না-ভেবে তাদের নিদারুণ বৈষম্যের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করেছে।
আর একটি উল্লেখযোগ্য দিক লক্ষ করা গিয়েছে যে তাদের তাঁবের দলগুলিকে বাগে আনার ব্যাপারে কংগ্রেসের ক্ষমতা আজ ক্রমহ্রাসমান। যখন কোনও একটি সরকার জনগণের ও সমাজের কল্যাণে ব্রতী থাকে, যেমনটা নরেন্দ্র মোদির সরকার রয়েছে, তখন অন্যদলগুলির পক্ষে তাতে সমর্থন দেওয়াটাই শুধু স্বাভাবিক।
তিন তালাক বিল এনডিএ-বহির্ভূত দলগুলির যে সমর্থন পেয়েছে তা স্বাগত। সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে আমাদের আরও আবেদন, ভারতকে একটি জাতি এবং সমাজ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে বাধাস্বরূপ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলিতে তারা রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে আসুক এবং দলাদলি ভুলে সমর্থন দিক।
ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাস প্রিজমের মাধ্যমে তিন তালাকে কংগ্রেস দলের ভূমিকার বিশ্লেষণটি গুরুত্বপূর্ণ। তিন দশক আগে লোকসভায় কংগ্রেসের চারশোর বেশি এমপি ছিলেন, তাদের কাছে সুবর্ণ সুযোগ ছিল শাহবানু মামলাটিকে হাতিয়ার করে মুসলিম নারীদের প্রতি ঐতিহাসিক অন্যায়ের প্রতিকার করে ফেলার। ১৯৮৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট তিন তালাকের শিকার শাহবানুর পক্ষে রায় দিয়েছিল, তাঁর জন্য প্রতি মাসে ৫০০ টাকা ভাতার সংস্থান করেছিল এবং বলেছিল যে তাদের রায়টি শরিয়া বা ইসলামি আইন মোতাবেক। যাই হোক, এটা কার্যকর করার পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সেদিন আত্মসমর্পণ করেছিল—মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের প্রতিনিধিদের চাপের কাছে এবং ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির লালসার কাছে, এবং আদালতের রায় নস্যাৎ করে দেওয়ার জন্য একটি আইনও প্রণয়ন করেছিল তারা।
কংগ্রেস সরকারের এই আত্মসমর্পণ আহত করেছিল বামপন্থী আইনজ্ঞ তথা সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ভি আর কৃষ্ণ আয়ারকে। কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী আরিফ মহম্মদ খান আদালতের সিদ্ধান্তটিকে ‘সঠিক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন এবং সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তিনি ইস্তফাও দিয়েছিলেন। আরিফ মহম্মদ খানকে রাজীব গান্ধী বুঝিয়েছিলেন যে সুপ্রিম কোর্টের এই প্রগতিশীল রায়টিকে তিনি কার্যকর করবেন। ইস্যুটিকে সেই থেকে বছরের পর বছর ঠান্ডাঘরে ফেলে রাখা হয়েছিল, নরেন্দ্র মোদির সরকার যখন সেটাকে সামনে আনল, তখনও কংগ্রেসের বিদ্বেষপূর্ণ দোলাচলে কোনও পরিবর্তন দেখা গেল না। তিরিশ বছর আগে কংগ্রেসের যে ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ এবং বিভাজনের রাজনীতি ছিল, সেটা স্পষ্ট হয়েছিল যখন রাজীব গান্ধীর ভুলটি নিয়ে অস্বস্তি এড়ানোর কৌশল তারা করেছিল। প্রতিবন্ধকতার নীতিতে অন্তরের চেহারাটি প্রতিফলিত হয়েছিল, যা তোষণ আর ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি চিরস্থায়ী করে। তিন তালাক নিষিদ্ধকরণের আইন এই ধরনের রাজনীতির উপর এক বিরাট আঘাত।
এই বিল ভারতের তথাকথিত উদারপন্থীদের পুরো বেআব্রু করে দিয়েছে। এই সমস্ত ‘উদারপন্থীদের’ মধ্যে যাঁরা লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে স্বঘোষিত ‘চ্যাম্পিয়ন’ তাঁরা লক্ষণীয়ভাবে নীরব অথবা যে বিলটি মুসলিম নারীদের ক্ষমতায়নের চেষ্টা করছে তার বিরোধিতার চাতুরিতে নিয়োজিত হয়েছেন। এই দ্বিচারিতা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই স্বঘোষিত উদারপন্থীরা মানবিক মূল্যবোধের পূজারি না-হয়ে, নিছক সংকীর্ণ দলীয় রাজনীতির ক্রীড়নক।
উল্লেখ করার মতো বিষয় এই যে, এই ধরনের একটি আইনপ্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা কী—এই প্রশ্ন যাঁরা তুলছেন তাঁরা ভুলে যাচ্ছেন যে—২০১৭ সালের জানুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট এই প্রথা বাতিল করে দেওয়ার পরেও কয়েকশো নারী তিন তালাকের শিকার হয়েছেন বলে খবর আছে। এই ঔদ্ধত্যের কারণেই একটি কঠোর আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে, যা দিয়ে অন্যায় প্রথাটি রুখে দেওয়া সম্ভব হবে। আইনটি ইসলাম-বিরুদ্ধ নয়—এটাকে সমর্থন করে পাকিস্তান, ইরান, ইরাক ও সিরিয়াসহ ১৯টি দেশ এবং তারা তাৎক্ষণিক মৌখিক বিবাহবিচ্ছেদ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
আমাদের বোঝা দরকার যে, তিন তালাকের বিরুদ্ধে যে মহিলারা দীর্ঘ লড়াইটা করেছেন তাঁদের কারও মধ্যে কোনোরকম রাজনৈতিক অভিসন্ধি ছিল না। নিজেদের জীবনে নেমে আসা অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইতে এই অসীম সাহসী মহিলারা ছিলেন সাধারণ। এই অন্যায় প্রথার শেষ দেখে ছাড়ার প্রতিজ্ঞা নিয়েছিলেন তাঁরা এবং শেষমেশ দেশের সর্বোচ্চ আদালতে জয়লাভ করেছেন। আমাদের সরকার তিন তালাক আইন প্রণয়ন করে তাঁদের সংগ্রামের পিছনে বিধিবদ্ধ সমর্থন জোগাল। যাই হোক, আইনপ্রণেতা এবং রাজনৈতিক দলগুলির অবশ্যকর্তব্য হল এই ধরনের লড়াইকে সমর্থন জোগানো এবং সঠিক দিশা দেখানো।
শুধুমাত্র মুসলিম সমাজের জন্য প্রযোজ্য আইনপ্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিরোধী পক্ষ যে বিতর্কটি তুলেছে তা ভিত্তিহীন। অন্যসকল গোষ্ঠীর ভেতরে বদ্ধমূল অনেক প্রথার সংস্কারের লক্ষ্য নিয়েও স্বাধীন ভারত আইন তৈরি করতে দেখেছে। হিন্দু বিবাহ আইন, খ্রিস্টান বিবাহ আইন, এবং বাল্যবিবাহ ও পণপ্রথা নিষিদ্ধকরণের আইনগুলি হল সামাজিক প্রথার সংস্কারে হস্তক্ষেপের দৃষ্টান্ত।
যাঁরা সুবিধাবাদী, সংকীর্ণ রাজনীতির বিতর্কে মগ্ন তাঁরা এগুলি মানতে অস্বীকার করছেন। তিন তালাককে ফৌজদারি অপরাধ করা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছেন আর কিছু সত্য যে—হিন্দু সমাজের অনেক প্রথাকেও ক্রিমিনাল অফেন্স বা ফৌজদারি অপরাধ গণ্য করা হয় এবং সেসবের জন্য কঠোর শাস্তির বিধানই রয়েছে।
তিন তালাক নিষিদ্ধকরণের আইন তৈরি করার জন্য নরেন্দ্র মোদির সরকারের কৃতিত্ব প্রাপ্য। এখন আমি নিশ্চিত যে মোদিজি একজন সমাজ সংস্কারক হিসেবে ইতিহাসে উজ্জ্বল স্থান করে নেবেন—তাঁর আসন নির্দিষ্ট হবে রাজা রামমোহন রায় এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পঙ্‌঩ক্তিতে, যাঁরা অসংখ্য নারীর কল্যাণে লড়েছিলেন এবং ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
06th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

 জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
বিশদ

12th  August, 2019
রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

 প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।
বিশদ

11th  August, 2019
শুধু উন্নয়ন নয়, ভোটের জন্য চাই ভালো মাস্টার
তন্ময় মল্লিক

মোটা বেতন দিয়ে মাস্টার রাখলেই ছেলেমেয়ে মানুষ হয় না। তেমনটা হলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েই উচ্চশিক্ষিত হতো। কিন্তু, তা তো হয় না। ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনায় আগ্রহ, মেধা যেমন থাকা দরকার, তেমনই নজরদারিটাও জরুরি। ফাঁকিবাজি থাকলেই ছাত্র হয় গাড্ডু খাবে, অথবা ‘বিবেচনায়’ পাশ।
বিশদ

10th  August, 2019
পঞ্চায়েত নির্বাচন, ৩৭০ কিংবা ৩৫এ
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গ ২০১৮, আর ত্রিপুরা ২০১৯। পঞ্চায়েত ভোটে ফলাফল একইরকম। ঠিক কত আসন সেটা গোনার দরকার নেই। সহজ অঙ্কে বিষয়টা এরকম। ধরা যাক, মোট আসন ১০০, শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৭০টি আসনে। বাকি তিরিশের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের শেষে শাসক দল ২০, বিরোধীরা দশ। পাটিগণিতের অঙ্ক একেবারে মিলে গেল।
বিশদ

10th  August, 2019
কাশ্মীর: নতুন চ্যালেঞ্জ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রকৃত চ্যালেঞ্জ সরকারের। কাশ্মীরকে আন্তরিকভাবে ভারতের অন্তঃস্থলে মিশিয়ে দেওয়ার কাজটিই কিন্তু হবে কাশ্মীরের নয়া ইতিহাস রচনা। সেটা নিছক একটা ভূমিখণ্ড দখল নয়। কাশ্মীরিয়াৎকে আপন করে নেওয়া। একমাত্র তাহলেই পাকিস্তান সবথেকে বেশি ধাক্কা খাবে! আর কাশ্মীরিদের আমরা যদি শত্রু বিবেচনা করে চলি, তাহলে কিন্তু টেনিসের পরিভাষায় অ্যাডভান্টেজ পাকিস্তান হয়ে যাবে! সে সুযোগ দেব কেন?
বিশদ

09th  August, 2019
সংযুক্তিকরণের মিশ্র অভিজ্ঞতার পংক্তিতে কাশ্মীর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 সমস্ত প্রশ্ন আসলে আবর্তিত হচ্ছে মূলত কাশ্মীরসমস্যা সমাধানের প্রশ্নে ‘স্বাধিকার বনাম সংযুক্তিকরণ’ ভাবনাকে কেন্দ্র করে। নেহরুর অনুসৃত কাশ্মীরের স্বাধিকার মডেল বিগত ৭০ বছর ধরে কার্যকরী থাকলেও কাশ্মীরসমস্যার সমাধান কিন্তু অধরাই থেকে গিয়েছে। তৈরি হয়েছিল অচলাবস্থা। বিজেপির সংযুক্তিকরণ মডেলে কাশ্মীরের এই দীর্ঘ অচলাবস্থা ভেঙে এগিয়ে চলার কথা বলা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে সংযুক্তিকরণ মডেলের যে অভিজ্ঞতা উঠে এসেছে, তা মিশ্র। চীনের সঙ্গে তিব্বতের সংযুক্তিকরণ সফল হয়েছে। আলাস্কার ক্ষেত্রেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্তিকরণ সফল ছিল। আবার চীনের সঙ্গে হংকংয়ের সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া কিন্তু কঠিন বাধার সম্মুখীন হয়েছে। এখন দেখার, কাশ্মীরকে ভারতের মূল প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার ফল কী হয়? বিশদ

08th  August, 2019
জিতে গেলেন শ্যামাপ্রসাদ
জিষ্ণু বসু 

দিনটি ছিল ১১ মে, ১৯৫৩। পারমিট ছাড়া কাশ্মীরে প্রবেশের অপরাধে পাঠানকোটের মাধোপুর সীমান্তে গ্রেপ্তার হলেন শ্যামাপ্রসাদ। সেখান থেকে শ্রীনগর ৩০০ কিমির বেশি। এতটা পথ পুলিসের জিপে আনা হল তাঁকে।  বিশদ

07th  August, 2019
দমনমূলক ফেডারালিজম
পি চিদম্বরম

 ১৯৯৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাজেট ভাষণে আমি ‘কোঅপারেটিভ ফেডারাল পলিটি’—এই ফ্রেজ বা বাগধারাটি ব্যবহার করেছিলাম। এই বাগধারা আমিই প্রথম ব্যবহার করেছি এমন কোনও দাবি করছি না, কিন্তু আমি আনন্দিত যে ‘কোঅপারেটিভ ফেডারালিজম’ কথাটি বাজেট ভাষণে এবং অন্য অনেক উপলক্ষে বারংবার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
বিশদ

05th  August, 2019
কলকাতা কি প্রবীণদের জন্য ক্রমশ বিপজ্জনক হয়ে উঠছে?
শুভা দত্ত

বুধবার ভোরের কাগজে চোখ রাখতেই এমন একটা প্রশ্ন যেন বুকের মধ্যে শেল হয়ে বিঁধল। এ কী কাণ্ড সব হচ্ছে! খুনের পর খুন! আর সেই খুনিদের টার্গেট কিনা নিরীহ সাধারণ প্রৌঢ় আর প্রবীণ! কী অপরাধ তাঁদের? অপরাধ তাঁরা বাড়িতে একলা থাকেন, তাঁদের ছেলেমেয়েরা হয়তো চাকরিসূত্রে দেশের অন্য রাজ্যে বা দূর বিদেশে। অপরাধ—তাঁদের একটা ছোট বড় জমি বাড়ি বাগান বা ফ্ল্যাট আছে, আছে সারাজীবন কষ্ট করে রোজগারের কিছু টাকা-পয়সা, ব্যাঙ্ক আমানত, গয়নাগাটি।
বিশদ

04th  August, 2019
একনজরে
 মুম্বই, ১৩ আগস্ট: স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ থেকে রেহাই পেলেন প্রাক্তন অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড়। তার ফলে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির কোচ হতে তাঁর সামনে আর কোনও বাধা রইল না। প্রশাসক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাহুল দ্রাবিড়ের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের যে অভিযোগ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দক্ষিণ ভারতে একের পর এক পুলিসি অভিযানে ধরা পড়েছে বেশ কয়েকজন জেএমবি জঙ্গি। তাই জায়গা পরিবর্তন করে মধ্য ভারতে ঘাঁটি বানাতে শুরু করেছিল এই জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা।  ...

প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: জোর করে দরজা আটকে পাতাল পথের ট্রেনে ওঠার অভিযোগে এক মাসেই জরিমানা বাবদ আদায় হয়েছে ১০ হাজার টাকা। স্টেশনে চলছে প্রচারও। তবুও ...

বিএনএ, কৃষ্ণনগর: ঘূর্ণির শিল্পী সুবীর পাল ‘লিমকা বুক অব রেকডর্সে’ নাম তুলে ফেললেন। সুবীরবাবুর ঝুলিতে অনেক আগেই এসেছে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার। একইসঙ্গে বৃহৎ মূর্তি(লার্জার দ্যান লাইফ) এবং ক্ষুদ্র ভাস্কর্য তৈরি করে তিনি ঠাঁই পেয়েছেন লিমকা বুকে। ভেঙে ফেলেছেন আগের রেকর্ডও। সম্প্রতি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কোনও কিছুতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভাববেন। শত্রুতার অবসান হবে। গুরুজনদের কথা মানা দরকার। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুফল ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭- পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস
১৯৪৮- শেষ ইনিংসে শূন্য রানে আউট হলনে ডন ব্র্যাডম্যান
১৯৫৬- জার্মা নাট্যকার বের্টোল্ট ব্রেখটের মৃত্যু
২০১১- অভিনেতা শাম্মি কাপুরের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.২৭ টাকা ৭১.৯৭ টাকা
পাউন্ড ৮৪.২৫ টাকা ৮৭.৩৭ টাকা
ইউরো ৭৮.০৭ টাকা ৮১.০৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৪৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,০০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৪ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ২৬/১৩ দিবা ৩/৪৬। উত্তরাষাঢ়া ০/৫ প্রাতঃ ৫/১৯। সূ উ ৫/১৬/৩৫, অ ৬/৬/১৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৮ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে। 
২৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৪ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ২৪/৩১/৩ দিবা ৩/৪/৩। উত্তরাষাঢ়ানক্ষত্র ২/১০/১৭ দিবা ৬/৭/৪৫, সূ উ ৫/১৫/৩৮, অ ৬/৮/৪২, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/১৬ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪২/১০ গতে ১/১৮/৪৮ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৮/৫৪ গতে ১০/৫/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৮/৫৪ গতে ৩/৫২/১৬ মধ্যে। 
১২ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় একদিনের ম্যাচ: বৃষ্টিতে ফের বন্ধ খেলা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৫৮/২(২২ওভার)  

09:25:56 PM

তৃতীয় একদিনের ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৩১/২(১৫ওভার)  

08:44:01 PM

তৃতীয় একদিনের ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১১৪/০(১০ ওভার)  

08:19:26 PM

 আগামীকাল কম ট্রেন মেট্রোয়
আগামীকাল ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ...বিশদ

08:12:59 PM

তৃতীয় একদিনের ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৯/০(৫ ওভার)  

07:49:21 PM

তৃতীয় একদিনের ম্যাচ: বৃষ্টিতে বন্ধ খেলা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮/০(১.৩ ওভার) 

07:24:54 PM