বিশেষ নিবন্ধ
 

আমেরিকায় এখনও কৈশোর বিবাহ বন্ধ হয়নি

আলোলিকা মুখোপাধ্যায়: উত্তর নিউজার্সির প্যাটারসন শহরে বহু সংখ্যক বাংলাদেশির বসবাস। আঞ্জুমন মাসুদ সেখানকার এক টিন-এজ মাদার। ১৪ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে এখন দুই ছেলে-মেয়ের মা। না শেষ হয়েছে তার স্কুলের পড়াশোনা, না মিটেছে তার কিশোরী বয়সের কোনও আশা, আকাঙ্ক্ষা। বাবা-মার জোর জবরদস্তির চাপে বাংলাদেশে গিয়ে ২৫ বছরের ফজলুলকে সে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছে। এরকম ঘটনা আমেরিকার অধিবাসী মুসলমান পরিবারে নতুন নয়। আমেরিকায় গোঁড়া ইহুদি ‘হ্যাসিডিক জিউ’দের মধ্যেও কিশোরী বিবাহের প্রচলন আছে। প্রশ্ন হচ্ছে, তবে কি এদেশে বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স নিয়ে কোনও কঠোর আইন নেই?
গত নব্বই বছর ধরে এদেশের প্রায় চল্লিশটি রাজ্যে ষোলো বছর বা তার কমবয়সি মেয়েদের বিয়ে দেওয়া আইনবিরুদ্ধ নয়। ১৯২৯ সালের বিবাহ আইন অনুযায়ী অভিভাবক এবং কোর্টের অনুমতি নিয়ে ১৪/১৫ বছরের মেয়ের বিয়ে হতে পারে, আর ১৬/১৭ বছর বয়সে বাবা-মার সম্মতিই যথেষ্ট। যেখানে কোর্ট হস্তক্ষেপ করতে পারে না। আঞ্জুমন মাসুদের ক্ষেত্রে সেটা সম্ভব হয়েছিল। প্রথমত: তাদের পরিবারের রক্ষণশীলতা। দ্বিতীয়ত: সে নিউজার্সি স্টেটের বাসিন্দা বলে। নিউইয়র্ক, নিউজার্সিতে এখনও নব্বই বছরের পুরানো বিবাহ আইনের সুযোগ নিয়ে কিশোরী বিবাহ সম্ভব হচ্ছে। আবার এমন কিছু রাজ্য আছে, যেখানে আইনত মেয়েদের বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স বলে কোনও কঠোর নির্দেশ নেই। গত পনেরো বছরে নিউইয়র্ক রাজ্যে প্রায় চার হাজার মেয়েরই অল্প বয়সে বিয়ে হয়েছে। যদিও অধিকাংশ ‘শুভবিবাহ’ সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নয়তো মিডল-ইস্টে। শুধু যুবক নয়, আধবুড়ো বরও ‘গ্রিনকার্ডের’ দৌলতে এদেশে চলে আসতে পেরেছে। নিউইয়র্কের ব্রুকলিন অঞ্চলের মেয়ে সাইদা আশির দশকে সেখানকার হাইস্কুলে খুব ভালো ছাত্রী ছিল। তখন তার পনেরো বছর বয়স। তার স্বপ্ন ছিল কলেজে ডাক্তারি পড়বে। কিন্তু গোঁড়া মুসলমান পরিবার তাকে ২১ বছরের খুড়তুতো দাদাকে বিয়ে করতে বাধ্য করল। সে দাদা থাকত কুয়েতে। সাইদার বাবা আর কুয়েতের কাকা (তাঁর ছেলের গ্রিনকার্ডের জন্য) মিলে তাঁদের ধর্মের দোহাই দিয়ে কাজটি করলেন। সাইদা বুঝেছিল বিয়েতে রাজি না হলে হয় তাকে ঘরে তালাবন্ধ করে রাখা হবে, নয়তো মিডল ইস্টে নিয়ে গিয়ে বিয়ে দেওয়া হবে। যখন কোর্টে জজের সামনে নিজের বিয়ের সম্মতি দেওয়ার আগে কেঁদে ফেলেছে, তখন তার মা সাইদার পায়ে নিজের জুতোর চাপ দিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন— রাজি হও। নয়তো তোমার বাবা প্রচণ্ড মারবে। বাকি জীবন ঘরে তালাবন্ধ করে রাখবে। এতই নিচু গলায় সেই শাসানি। ব্রুকলিন কোর্টের সাহেব জজ তা বুঝতেও পারেননি।
বিয়ের পর তিন বছর অনেক দুর্ভোগ, অশান্তি সহ্য করে সাইদা তার ঠাকুমার কাছে পালিয়ে গিয়েছিল। সেই বৃদ্ধা তাঁর দুই ছেলেকে ত্যাগ করার হুমকি দিয়ে সাইদার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটিয়েছিলেন। তখন তার মাত্র আঠারো বছর বয়স। বছর না শেষ হতে বাবা-মা আবার তার বিয়ে দিলেন। স্কুল পাশ করে সাইদার কলেজে পড়া হল না। চার ছেলে-মেয়ে মানুষ করতেই যৌবন এল, ফিরে গেল। তাও কিছু কিছু কোর্স পাশ করে সে উত্তর নিউজার্সির একটি অফিসে কাজ করে। সাইদা তার ছেলে-মেয়েদের বলে— কলেজের পড়াশোনা শেষ করো। যে প্রফেশনে যেতে চাও, তার জন্যে চেষ্টা করো। সময় এলে, নিজের পছন্দের মানুষকে বিয়ে করবে। এই নিয়ে স্বামীর সঙ্গে মতবিভেদ। সাইদার দাম্পত্যজীবনে সুখ শান্তি কোনওদিনই আসেনি।
নিউইয়র্ক শহরের ব্রুকলিন এলাকা আর নিউজার্সি ও নিউইয়র্ক রাজ্যের সীমান্তে রকল্যান্ড কাউন্টির ছোট ছোট শহরে বহুদিন থেকে মাথায় কালো টুপি আর লম্বা কালো কোটপরা দাড়িওয়ালা ‘হ্যাসিডিক’ ইহুদি সম্প্রদায়ের বাস। এদের ধর্মের গোঁড়ামির মধ্যে এমন রীতি আছে যে, ষোলো বছরের মধ্যে মেয়ের বিয়ে দিতে হবে। সুতরাং সেখানেও মাঝে মাঝে এমন বিয়ে হচ্ছে। কিন্তু, এদেশের মূল সমাজেও পারিবারিক চাপে নয়, নিজের ইচ্ছেমতো অসময়ে বিয়ে করে মেয়েরা ভুলের খেসারত দিচ্ছে। সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, ১৮ বছরের নিচে যাদের বিয়ে হয়, তাদের মধ্যে শতকরা সত্তর ভাগের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। প্রধান কারণ মেয়েদের হাইস্কুল, কলেজের শিক্ষার অভাব, অর্থকষ্ট এবং কখনও স্বামীর কাছ থেকে মানসিক ও দৈহিক নির্যাতন। শিশু সন্তান থাকলে আরও দুর্গতি। বিবাহ বিচ্ছেদ পেতে সময় লাগে। চোদ্দোবছরে বিয়ে হলেও আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের আগে ডিভোর্স পাওয়া যায় না। নির্যাতিতা মেয়েদের জন্যে যেসব ‘শেলটার হোম’ আছে, সেগুলি যদি সরকারি হয়, তবে সেখানেও ১৮ বছর না হলে অনেক সময় আশ্রয় পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে বাবা, মারও যদি সহানুভূতি না থাকে, মেয়েটি যাবে কোথায়? এদেশের নারী সংগঠনগুলি তখন তাদের শেলটারে আশ্রয় দেয়। বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে এই মেয়েদের লেখাপড়া শেষ করার সুযোগ, চাকরি ও স্বনির্ভরতার জন্য সাহায্য করে।
কিন্তু এসব তো পুনর্বাসনের কথা। প্রধান সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে অসময়ে বিয়ে হওয়ার জন্যে। নিউইয়র্ক স্টেটের রাজ্যপাল অ্যান্ড্রিউ কোমো বিবাহ আইন সংশোধনের জন্য নতুন বিল অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়ার ফলে সম্প্রতি নিউইয়র্ক স্টেট সেনেটে সংশোধিত বিবাহ আইন পাশ হয়েছে। এক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটিক অ্যাসেম্বলি ওম্যান এমি পলিন ও রিপাবলিকান সেনেটর অ্যান্ড্রিউ ল্যানজা প্রস্তাবটি লিখেছিলেন। কিন্তু নিউইয়র্কের গভর্নরের পক্ষে কাজটি সহজ হয়নি। গত বছর নিউইয়র্কের অ্যাসেম্বলি ম্যানদের জুডিশিয়ারি কমিটির মধ্যেই মতবিভেদ হয়েছিল। বাধা এসেছিল এক ইহুদি অ্যাসেম্বলি ম্যানের কাছ থেকে। কারণ তিনি নির্বাচিত হয়েছেন ব্রুকলিনের হ্যাসিডিক ইহুদিদের বিশেষ এলাকা বোরোপার্ক থেকে। তাঁর বক্তব্য ছিল— ষোলো বছরেই মেয়েরা বিয়ের উপযুক্ত হয়। আজ পর্যন্ত এ নিয়ে কোথাও আপত্তি ওঠেনি। তাহলে আইন সংশোধনের দরকার কী?
তবে তাঁদের বক্তব্য ধোপে টেকেনি। গত মাসে নিউইয়র্ক স্টেট সেনেটে বিল পাস হওয়ার পরে এখন নিউইয়র্ক রাজ্যের অ্যাসেম্বলিতে পাঠানো হয়েছে। গভর্নর কোমোর চেষ্টায় এ বছরের মধ্যেই লেজিসলেশন পাশ হয়ে যাবে। সংশোধিত বিবাহ আইন অনুযায়ী—নিউইয়র্ক রাজ্যে ছেলে-মেয়েদের বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স হতে হবে ১৮ বছর। তবে ১৭ বছরেও অভিভাবক ও কোর্টের সম্মতি নিয়ে বিয়ে করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে জজের বিশেষ দায়িত্ব থাকবে। তাঁকে বুঝে নিতে হবে যে, এরা স্বেচ্ছায় বিয়ে করছে, নাকি বাবা, মায়ের হুকুমে বিয়ে করতে বাধ্য হচ্ছে। কিন্তু জজ কি মনস্তত্ত্ব বোঝেন? এখানেই তো নারী সংগঠনগুলির আপত্তি। যে মেয়ে বিয়েতে সম্মতি না দিলে, বাড়ি ফিরে গিয়ে মার খেয়ে মরবে, নয়তো অন্য দেশে গিয়ে বিয়ে করতে বাধ্য হবে, তার কোর্টে দাঁড়িয়ে ‘‘নিজের ইচ্ছেয় বিয়ে করছি’’ বলা ছাড়া আর কী উপায় থাকে?
‘ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেন’-এর পক্ষ থেকে কিশোরী বিবাহের আইন পরিবর্তনের জন্য ওয়াশিংটনে অনেকদিন আগেই আবেদন জানানো হয়েছে। ‘ফ্যামিলি ল’ অর্থাৎ পারিবারিক আইন বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী ষোলো বছর বা তার কমবয়সি মেয়েদের বিয়ের পরে প্রায় ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে ডিভোর্স হয়ে যায়। তাঁদের বক্তব্য— নতুন আইন অনুযায়ী ছেলে-মেয়েদের বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স একুশ বছর হওয়া উচিত। পরিণত মন এবং স্বনির্ভর হওয়ার মতো স্কুল কলেজের শিক্ষা প্রভৃতির উপর ভিত্তি করেই জীবনের এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার।
নিউইয়র্কে ‘আনচেইনড অ্যাটলাস্ট’ নামে একটি মহিলা সংগঠনের কাজ হচ্ছে — যেসব মেয়েকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং যারা নির্যাতিত হয়ে কোথাও আশ্রয় চাইছে, তাদের সাহায্য করা। এদের শেলটারে এমন মেয়েরাও আসে, যারা বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় বাবা-মার নির্যাতন ভোগ করছে। কোনও মতে বাড়ি থেকে পালিয়ে ওই শেলটারে আশ্রয় নিলে, বাবা-মার জোর জবরদস্তি খাটবে না। সন্তানের উপর মানসিক ও শারীরিক নিগ্রহের অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন।
আমেরিকায় এখনও প্রায় চল্লিশটি রাজ্যে কিশোরী বিবাহের আইন সংশোধনের কাজ বাকি আছে। তার মধ্যে নিউজার্সি থেকে শুরু করে মিসৌরি পর্যন্ত বেশ কয়েকটি রাজ্যে ইতিমধ্যেই নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন আইন জারি হলেও নিউজার্সির প্যাটারসন শহরের আঞ্জুমনদের কি বেশিদিন ‘অরক্ষিতা’ রাখা হবে? এই শব্দটাই ব্যবহার করছি। কারণ যে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে অল্পবয়সে ওদের বিয়ে দেওয়া হয়, তার একটি কারণ হয়তো ওই শহরের পরিবেশ ও অপরাধের পরিসংখ্যান। প্যাটারসন এক সময় ছিল কলকারখানার শহর। পূর্ব উপকূলের টেক্সটাইল মিলের শহর। সে সব কাপড়ের কল বহু আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কালো আর ইতালিয়ানরা বংশ পরম্পরায় থাকলেও ক্রমশ হিসপ্যানিক আর মিডল-ইস্টার্নদের বসবাস বেড়েছে। নিম্নবিত্ত এলাকায় আছে আরও নানা দেশের আইনি-বেআইনি বাসিন্দা। খুন, জখম, ড্রাগের ব্যাবসা, প্রস্টিটিউশন। সব কিছু নিয়ে ওই শহর, বিশেষত রাতের প্যাটারসন কোনও কালেই নিরাপদ ছিল না। তখন ছিল শুধু কালো গুন্ডার আতঙ্ক। এখন তাদের ক্ষমতার দখল নিচ্ছে হিসপ্যানিক দল। তারই মধ্যে মধ্যবিত্ত পাড়ায় রয়েছে অজস্র বাংলাদেশি পরিবার। যাদের প্রধান ব্যাবসা গ্রোসারি স্টোর, মাছ, মাংসের দোকান। তাদের প্রতিবেশী বলতে খেটে খাওয়া পর্টুরিক্যান ও অন্যান্য হিসপ্যানিক পরিবার।
আঞ্জুমনদের বাবা, মায়ের মনে নানা আশঙ্কা। তেমন ভদ্র, শিক্ষিত পরিবেশ তো নয়। ছেলে-মেয়ে সবাই এক স্কুলে পড়ে। ছুটির পরেও পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়ায়। রাতে বাড়ি ফেরার কোনও বাঁধাধরা টাইম নেই। তাদের প্রতিবেশীদের আজ বিয়ে হচ্ছে। এক গাদা বাচ্চা-কাচ্চা রেখে বর পালিয়ে যাচ্ছে। পাড়ায় পাড়ায় স্টেপ ফাদার, স্টেপ মাদার, মায়ের বয়ফ্রেন্ড, বাবার গার্লফ্রেন্ড, দিদিটার বিয়ের আগেই দুটো বাচ্চা। এই যদি আদর্শ পরিবেশ হয়, বাংলাদেশি কিশোরীরও মতিভ্রম হতে পারে। অজাত, কুজাত কার খপ্পরে যে পড়ে যাবে, কে বলতে পারে? সুদর্শন সাহেব ছেলেদের আকর্ষণেই হয়তো নিজের জাতপাত ভুলে গেল। তার আগে, বাংলাদেশ থেকে ‘দুলহা’ আনিয়ে সৎ পাত্রে সমর্পণ করো। কিশোরী কন্যার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হোক।
20th  May, 2017
নদী তুমি কার

বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত করে দেয়। অবশ্য দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা পাবার আগে ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে ভারতবর্ষের নেতৃত্ব যখন আলোচনা আরম্ভ করেন তখনই ভারতবর্ষ দ্বিখণ্ডিত হলে প্রাকৃতিক সম্পদ বিশেষ করে জলবণ্টনের নীতি কীভাবে স্থিরীকৃত হবে সে ব্যাপারে কয়েকজন আলোচনাকারী উত্থাপন করলেও, দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা লাভ করার দুরন্ত আশা তদানীন্তন রাজনৈতিক নেতাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছিল।
বিশদ

চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে

কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে হেরে প্রমাণ করল ক্রিকেট বিশ্বে ভারত কতটা বন্ধুহীন। যেসব দেশকে ভারত হাতে করে জাতে তুলেছে তারাও ভারতের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
বিশদ

ভুলে যাওয়ার রাজনীতি

 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব সুবিধা হয় আমাদের বোকা বানাতে। এই তো মার্চ মাসে সংগীতশিল্পী কালিকাপ্রসাদের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বাংলা সংগীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতির জন্য যথার্থ শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল।
বিশদ

26th  May, 2017
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি

অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। কয়েকটা রেললাইনের পরে সারি সারি ওয়াগনের পাশে শান্টিং করছে একটা ডিজেল ইঞ্জিন। এই স্টেশনটা আমি বা আমার মতো অনেকেই হয়তো আগে চোখে দেখিনি।
বিশদ

25th  May, 2017
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়

অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া যাবে। এই ভাবনা এখন সবথেকে বেশি চর্চিত। কিন্তু এটা মাথায় রাখতে হবে যুদ্ধ কখনওই কাম্য নয়। যুদ্ধ কোনও দেশই চায় না। সবচেয়ে বড় কথা, আমার মনে হয় যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান বা আমরা কেউই তেমন তৈরি নয়।
বিশদ

25th  May, 2017
লোকসভার ভোট যখনই হোক এবার
মমতাই হবেন মোদির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী

হিমাংশু সিংহ : অধীরবাবুরা এতদিন রাজনীতি করছেন, এত দীর্ঘ সময় সংসদীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এখনও কংগ্রেস নেতৃত্বের মেজাজটাই বুঝতে পারেন না। গত বিধানসভা ভোটে এ রাজ্যে সিপিএমের সঙ্গে জোট করে, খুলে আম বুদ্ধদেববাবুর সঙ্গে মালাবদল করে কংগ্রেসের কোন লাভটা হয়েছে? 
বিশদ

24th  May, 2017
মমতা-সোনিয়া বৈঠক কি সিপিএমের চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে?

 শুভা দত্ত: কে বেশি বিজেপি বিরোধী? কে বেশি ধর্মনিরপেক্ষ? হিন্দু-মুসলমান সৌহার্দ সম্প্রীতি রক্ষার ব্যাপারে কে বেশি তৎপর, আন্তরিক? এইসব নিয়ে এ রাজ্যে শাসক-বিরোধী তরজা বহুদিন ধরেই চলছে।
বিশদ

21st  May, 2017
  এত দেরি করলেন কেন পার্থবাবু?

 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: কথায় বলে, বাঙালির ঝুঁটি ধরে না-ঝাঁকালে টনক নাকি নড়ে না। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও একবার খুব বড় একটা ধন্যবাদ জানাই বাঙালির এই টনকটা নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য।
বিশদ

21st  May, 2017



একনজরে
 সংবাদদাতা,শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির ক্রীড়া সংগঠক তথা রাজনৈতিক নেতা পীযূষ বসু শুক্রবার প্রয়াত হলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। এদিন কিালে তিনি কলকাতার একটি নার্সিংহোমে মারা যান। পীযূষ বসুর মৃত্যুতে শিলিগুড়ির ক্রীড়া মহল গভীর শোক ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চিরকাল বিরোধীদের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলে তার হিসাব চেয়ে এসেছে শাসকপক্ষ। এবার তার উলটো পথে হাঁটল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। রাজ্যে পালাবদলের পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ রয়েছে টিএমসিপি’র হাতেই। তাদের পক্ষ থেকে চিঠি লেখা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিক্ষক শিক্ষণের নিয়ামক সংস্থা ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন (এনসিটিই) এবার ইনটার্ন নিয়োগ করবে। এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে তারা। পড়ুয়া, গবেষক ও অন্যান্য বিভাগের বিশেষজ্ঞদের এই কাজে যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে এনসিটিই। শিক্ষক প্রশিক্ষণের পাঠ্যক্রম ...

 বিএনএ, রায়গঞ্জ: উত্তর দিনাজপুর জেলার কুলিক ও শ্রীমতি নদীর নাব্যতাসহ নানা ধরণের সমস্যা মেটাতে দক্ষিণ দিনাজপুরের একটি পরিবেশপ্রেমী সংগঠন আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই কুলিক নদীর নাব্যতা হারানো, যত্রতত্র পারের মাটি কেটে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে। শ্রীমতি নদীর ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটি শুভ। কর্মে সাফল্য। অবিবাহিতদের বিবাহের যোগ। প্রেমপরিণয়ে জটিলতা বৃদ্ধি।প্রতিকার: প্রবাহিত জলস্রোতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৪ টাকা ৬৫.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮১.৭৫ টাকা ৮৪.৭২ টাকা
ইউরো ৭১.০৭ টাকা ৭৩.৬০ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯, ২৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮, ২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০, ৩০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৩ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, শনিবার, দ্বিতীয়া অপঃ ৫/৩২, মৃগশিরানক্ষত্র অপঃ ৬/৭, সূ উ ৪/৫৬/২৩, অ ৬/১০/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১-অস্তাবধি রাত্রি ৬/৫৩-৭/৩৬, পুনঃ ১১/১২-১/২১ পুনঃ ২/৪৭-উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ পুনঃ ১/১৩-২/৫২ পুনঃ ৪/৩২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩২ পুনঃ ৩/৩৬-উদয়াবধি।
১২ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, শনিবার,দ্বিতীয়া রাত্রি ৮/৪৯/৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ৯/৩১/১৬, সূ উ ৪/৫৫/২, অ ৬/১১/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩২/১৭-৬/১১/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/২৯-৭/৩৭/২৩, ১১/১১/৫২-১/২০/৩৩, ২/৪৬/২০-৪/৫৪/৫৬, বারবেলা ১/১২/৫৩-২/৫২/২৭, কালবেলা ৬/৩৪/৩৬, ৪/৩২/২২-৬/১১/৩৫, কালরাত্রি ৭/৩২/১, ৩/৫৪/৩০-৪/৫৪/৫৬।
৩০ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে

 ১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম

09:46:00 PM

'একনায়কতন্ত্র চলছে, সম্পূর্ণ বিরোধিতা করি', জবাইয়ের উদ্দেশ্যে গবাদি পশু কেনাবেচা বন্ধ সংক্রান্ত কেন্দ্রের নির্দেশিকা প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের 
জবাইয়ের উদ্দেশ্যে কোনও গবাদি পশু কেনা বা বিক্রি করা যাবে না। গতকাল কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা এই নির্দেশিকার তীব্র বিরোধিতা করলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, 'প্রতিবার কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে দিচ্ছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা না বলে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। একনায়কতন্ত্র চলছে, এর সম্পূর্ণ বিরোধিতা করি।' তিনি আরও জানান, সাম্প্রদায়িকতা কোনও ভাবেই মানা হবে না। 

06:08:20 PM

জম্মু-কাশ্মীরের ত্রালে সেনা-বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ১জনের মৃত্যু 

04:47:02 PM

শিলিগুড়ির ফুলবাড়িতে শ্যালিকাকে অ্যাসিড ছুঁড়ল জামাইবাবু, জখম ২ 
শ্যালিকাকে অ্যাসিড ছুঁড়ে জখম করল জামাইবাবু। অ্যাসিড লেগে জখম হয়েছে এক শিশুও। শিলিগুড়ির ফুলবাড়ির ওই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

02:54:17 PM

উত্তরাখণ্ডে বজ্রাঘাতে মৃত ৩, জখম ৯

02:12:00 PM

বিক্ষোভে উত্তাল বারাসত আদালত চত্বর, প্রহৃত মনুয়ার আইনজীবী 
হৃদয়পুরে প্রেমিককে দিয়ে স্বামীকে খুনের ঘটনায় ধৃত মনুয়া মজুমদারকে আদালতে পেশ করা নিয়ে উত্তাল বারাসত আদালত চত্বর। সকাল থেকেই সেখানে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে সাধারণ মানুষ। মারধর করা হয়েছে মনুয়ার আইনজীবীকে। বিশাল পুলিশ বাহিনী ও RAF মোতায়েন থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। 

01:58:27 PM






বিশেষ নিবন্ধ
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...
ভুলে যাওয়ার রাজনীতি
 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব ...
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি
অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। ...
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়
অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া ...