Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত-পাকিস্তান মিলিয়ে যে আটটি দেশ রয়েছে—তাদের সবগুলোই কমবেশি উত্তর-ঔপনিবেশিক ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৃতীয় গণতান্ত্রিক ঢেউ, তথা জাতীয়তাবাদী চেতনা ও অভিঘাতের ফসল। সে সময় ইতিহাসের দিকে মুখ ফেরালে আমরা দেখব যুদ্ধোত্তর আগ্নেয় পরিস্থিতি; ছাত্র, যুব ও শ্রমিকদের আবেগসর্বস্ব মিছিলে সেদিন বিশৃঙ্খলা হয়তো ছিল, কিন্তু ‘দেশভক্তির প্রেরণা আর সাম্রাজ্যবাদী শাসকদের প্রতি ঘৃণাই যে তাহাদিগকে কঠিন প্রতিজ্ঞায় শামিল করিয়াছিল সে কথা কে অস্বীকার করিবে?’ (অমলেন্দু সেনগুপ্ত: উত্তাল চল্লিশ)
অথচ এই উদ্দাম উচ্ছ্বাস ফুরিয়ে যেতেই আমরা দেখেছি সামাজিক বিভাজনের কঠিন রূপ। আবার যেখানে অপরিপক্ব রাজনৈতিক ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক চাহিদার ‘ওভারলোড’ নিতে পারেনি। যেমন পাকিস্তান, সেখানে পুনঃপুন সেনা অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটেছে। তবে এটাই সামগ্রিক চালচিত্রের সবটা নয়। দক্ষিণ এশিয়ায় রাজনৈতিক ব্যবস্থার আপেক্ষিক দুর্বলতার জন্য দায়ী নেতৃত্বের দুর্বলতা এবং বিরূপ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বাহ্যিক শক্তির সাঁড়াশি চাপ, যা প্রায়শই শৈশব অবস্থায় গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনকে ব্যাহত করেছে। রাজনীতিকে পরিচালিত করেছে সংঘাতের খাতে, টিকিয়ে রাখতে চেয়েছে পারস্পরিক যুযুধান জাতীয়তাবাদী ও ধর্মীয় ফ্রন্টগুলো যাতে রাষ্ট্রের দাপট তার বর্শামুখকে ভোঁতা না করে দেয়। তাই প্রথম থেকেই আমরা যতটা না জাতীয় লক্ষ্যের কথা ভেবেছি, তার থেকেও দেশ-ভাগ-উত্তর পরিস্থিতিতে পাকিস্তান-বিরোধিতা আমাদের রাজনীতির প্রধান আশ্রয় হয়ে উঠেছে। ফলে স্বাধীন দেশে যখন আমাদের সামনে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও তদনুরূপ পরিবর্তনের একটা সুবর্ণ সুযোগ এল—তখনও সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী ঐতিহ্যের ওপরে ভর করে আমরা নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চেয়েছি, যথার্থ inclusive policy আমরা প্রণয়ন করতে পারিনি।
ভেবে আশ্চর্য হতে হয় যে, স্বাধীনতার সাত দশক পরেও, নতুন করে জাতীয়তাবাদকে উস্কে দেবার অপচেষ্টা আমরা লক্ষ করছি। এর মধ্যে দুটি বিষয় প্রণিধানযোগ্য—(১) এটা রাজনীতিগতভাবে একটি স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচিতি তৈরি করার চেষ্টা। এই নির্মাণের প্রক্রিয়া আরও জোরদার হয়েছে কেন্দ্রে হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক শক্তির কার্যকলাপে। দ্বিতীয়ত, সাম্প্রতিককালে উরিতে পাক-জঙ্গিহামলা বা কাশ্মীরের অবন্তীপুরায় ভারতের আধাসেনা কনভয়ে অভূতপূর্ব জয়েশ হামলার অভিঘাতে আমরা চমকে উঠে লক্ষ করলাম ভারত উত্তর-আধুনিক রাষ্ট্র নয়, সে এখনও পুরনো ধারায় বর্তমান, জাতীয় সুরক্ষার প্রশ্নে প্রতিক্রিয়াশীল, এবং এমনকী পাল্টা আক্রমণেও পিছপা নয়। বস্তুত এই জাতীয়তাবাদী আস্ফালন কি ভারতের নয়া অর্থনৈতিক কূটনীতির সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ? হয়তো এই বিপরীতধর্মী টানাপোড়েনের অস্বস্তি আম জনতার কাছে ধরা পড়ে না, কিন্তু ভারত-পাক দ্বৈরথের মোকাবিলায় মানুষের যে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া—তা দেখে মনে হয় যে তারা সন্ত্রাস নয়, শান্তি চায়। মানুষের এই যে চেতনা ও আগ্রহ তা কিন্তু সংকীর্ণভাবে কোনও ভূখণ্ডকেন্দ্রিক নয়, বরং এটাকে একটা বৃহত্তর আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে রেখে দেখা উচিত, যে রূপান্তরটা ইতিমধ্যেই আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মূর্ত হয়ে উঠতে দেখেছি। ২০১৪ সালে মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সার্কের গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রপ্রধানদের আহ্বানের মধ্য দিয়ে এমন একটা সৌহার্দপূর্ণ আঞ্চলিক বাতাবরণ নির্মাণের একটা রাজনৈতিক সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যখন বিমুদ্রাকরণ নিয়ে সাধারণ মানুষের সীমাহীন ক্ষোভ, অন্যদিকে রাফাল বিমানের দাম বিতর্কে যখন ‘চৌকিদার’-এর দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা, তখনই পুলওয়ামার ঘটনায় আশ্চর্যজনকভাবে ‘অক্সিজেন’ পেয়ে মোদি শিবির যেন খানিকটা চাঙ্গা। তবে ঘুরে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই পাক উজির-এ-আজম ইমরান খানের মন্তব্যে বিজেপি শিবিরে অস্বস্তি বেড়েছে। ইমরান আশা করেছেন, বিজেপির (বস্তুত মোদি-শাহ জোটের) বিজয়ে ভারত-পাক আলোচনার দরজা খুলে যাবে। এতেই অস্বস্তির সূত্রপাত। কারণ এতদিন বিজেপির পোস্টারবয় এই দুই ব্যক্তির নিশানা ছিল পাকিস্তান। তবে কি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ধরে নিতে হবে ইমরানের ‘রিভার্স সুইং’ দুই পুরনো প্রতিপক্ষের গোপন বোঝাপড়ার ইঙ্গিতবাহী?
বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
অন্যদিকে, ভারতের নির্বাচনকে চীন গুরুত্ব দিলেও তাদের কাছে বিষয়টা কমিউনিস্ট-ভাবাদর্শের প্রোপাগান্ডাকে জোরদার করার দিক থেকে নয়, কারণ ভারতের কমিউনিস্ট দলগুলি বরাবরই চীনপন্থী। তাই আলাদা করে তাদের সমর্থন লাভের বিষয়টি বাহুল্যমাত্র। তাছাড়া ইতিমধ্যেই পুরনো ভুলের মাশুল দিতে যখন তাদের হিমশিম অবস্থা, তখন চীন এতটা অপরিপক্ব নয় যে, সে বিপন্ন কমিউনিস্ট দলগুলিকে নির্বাচনের বাজি ধরবে। অতএব চীনের কাছেও ভারতের লোকসভা নির্বাচন, তাদের জাতীয় স্বার্থ—ডোকালাম ইস্যু, অরুণাচল-সমস্যার মতো সীমান্তভিত্তিক ইস্যুগুলির মীমাংসার প্রধান উপায়।
তবে, শুধু চীন বা পাকিস্তানই নয়, এই নির্বাচনের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হল কীভাবে তা সংঘটিত হচ্ছে। নির্বাচনের পবিত্রতা ও কমিশনের নিরপেক্ষতাকে টি এন সেশন যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন—তা কি আমরা বজায় রাখতে পারব? ইতিমধ্যেই আমরা উত্তরবঙ্গ, ত্রিপুরা ও অন্যত্র হিংসা লক্ষ করেছি। গণতন্ত্র যদি ‘Soft Power’ হয়, তবে এই হিংসার দরুন ভারতের ইমেজ সাফার করবে। যথার্থ গণতন্ত্র যেমন বিরোধীপক্ষকে সম্মান করে, তেমনি দক্ষিণ এশিয়ায় সেই সংস্কৃতি কবে গড়ে উঠতে আমরা দেখব?
 লেখক সিধো কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্র- বিজ্ঞানের অধ্যাপক (মতামত লেখকের ব্যক্তিগত)
20th  April, 2019
 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
একনজরে
দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২৪ মে: তত্ত্ব কথা আওড়ানোর লোক আছে। কিন্তু মাঠে ময়দানে নেমে কাজ করার জন্য দলীয় কর্মী নেই। সেই কারণে সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশের কাছে পৌঁছনোই যায়নি। লোকসভা থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়ে কার্যত এই মর্মেই দলের কেন্দ্রীয় ...

 দীপ্তিমান মুখোপাধ্যায়, হাওড়া: ব্যবধান মাত্র তিন বছরের। তার মধ্যেই হাওড়া সদর লোকসভার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রেই তৃণমূলের জয়ের মার্জিন অনেকখানি কমল। যদিও শতাংশের হারে তৃণমূলের ভোট না কমলেও সিপিএমের ভোট প্রায় সবটাই বিজেপির বাক্সে গিয়েছে। ...

 লন্ডন, ২৪ মে: বল বিকৃতি কাণ্ডের জেরে এক বছর ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন তিনি। তবু ব্যাটের ধার এতটুকু কমেনি ডেভিড ওয়ার্নারের। বরং নির্বাসন কাটিয়ে ঢের ...

 বিএনএ, মালদহ : নিজেদের জীবন দিয়ে মালদহে কংগ্রেসকে বাঁচিয়ে দিয়ে গেল সিপিএম। দক্ষিণ মালদহে কংগ্রেসের কষ্টার্জিত জয়ের পরে একথাই চর্চা চলছে মালদহের রাজনৈতিক মহলে। প্রবাদপ্রতিম ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩/৪১ দিবা ৬/২৬। শ্রবণা ১৩/১৪ দিবা ১০/১৫। সূ উ ৪/৫৭/০, অ ৬/৯/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ২/১০/২৫ দিবা ৫/৪৮/৪৮। শ্রবণানক্ষত্র ১২/৪০/১৪ দিবা ১০/০/৪৪, সূ উ ১/২৯/৫, অ ৬/১১/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১/১৩/৪১ গতে ২/৫৩/৬ মধ্যে, কালবেলা ৬/৩৬/৩ মধ্যে ও ৪/৩২/৩১ গতে ৬/১১/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩২/৩০ মধ্যে ও ৩/৩৬/২ গতে ৪/৫৬/৩১ মধ্যে।
১৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সুরাতে আগুন: মৃতদের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা সাহায্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানী ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি মৃতদের ...বিশদ

24-05-2019 - 06:19:00 PM

সুরাতে আগুন: কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু
সুরাত পুলিস কমিশনার সতীশকুমার মিশ্র জানিয়েছেন, কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু ...বিশদ

24-05-2019 - 06:16:00 PM

সুরাতে আগুন: সমবেদনা জানালেন মোদি 
অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। সুরাতে আগুন লাগার ঘটনা প্রসঙ্গে জানালেন নরেন্দ্র মোদি। ...বিশদ

24-05-2019 - 06:07:00 PM

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সুরাতে
ভয়াবহ আগুন সুরাতের সার্থনার একটি বাড়িতে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১৮টি ইঞ্জিন। ...বিশদ

24-05-2019 - 06:01:00 PM

শুভ্রাংশু রায়কে সাসপেন্ড করল তৃণমূল
দলে থেকে দল বিরোধী মন্তব্য করার অপরাধে এবং অন্য ...বিশদ

24-05-2019 - 05:26:55 PM

আউশগ্রামের দিগনগরে তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগানোর অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে 

24-05-2019 - 04:26:22 PM