Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত-পাকিস্তান মিলিয়ে যে আটটি দেশ রয়েছে—তাদের সবগুলোই কমবেশি উত্তর-ঔপনিবেশিক ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৃতীয় গণতান্ত্রিক ঢেউ, তথা জাতীয়তাবাদী চেতনা ও অভিঘাতের ফসল। সে সময় ইতিহাসের দিকে মুখ ফেরালে আমরা দেখব যুদ্ধোত্তর আগ্নেয় পরিস্থিতি; ছাত্র, যুব ও শ্রমিকদের আবেগসর্বস্ব মিছিলে সেদিন বিশৃঙ্খলা হয়তো ছিল, কিন্তু ‘দেশভক্তির প্রেরণা আর সাম্রাজ্যবাদী শাসকদের প্রতি ঘৃণাই যে তাহাদিগকে কঠিন প্রতিজ্ঞায় শামিল করিয়াছিল সে কথা কে অস্বীকার করিবে?’ (অমলেন্দু সেনগুপ্ত: উত্তাল চল্লিশ)
অথচ এই উদ্দাম উচ্ছ্বাস ফুরিয়ে যেতেই আমরা দেখেছি সামাজিক বিভাজনের কঠিন রূপ। আবার যেখানে অপরিপক্ব রাজনৈতিক ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক চাহিদার ‘ওভারলোড’ নিতে পারেনি। যেমন পাকিস্তান, সেখানে পুনঃপুন সেনা অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটেছে। তবে এটাই সামগ্রিক চালচিত্রের সবটা নয়। দক্ষিণ এশিয়ায় রাজনৈতিক ব্যবস্থার আপেক্ষিক দুর্বলতার জন্য দায়ী নেতৃত্বের দুর্বলতা এবং বিরূপ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বাহ্যিক শক্তির সাঁড়াশি চাপ, যা প্রায়শই শৈশব অবস্থায় গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনকে ব্যাহত করেছে। রাজনীতিকে পরিচালিত করেছে সংঘাতের খাতে, টিকিয়ে রাখতে চেয়েছে পারস্পরিক যুযুধান জাতীয়তাবাদী ও ধর্মীয় ফ্রন্টগুলো যাতে রাষ্ট্রের দাপট তার বর্শামুখকে ভোঁতা না করে দেয়। তাই প্রথম থেকেই আমরা যতটা না জাতীয় লক্ষ্যের কথা ভেবেছি, তার থেকেও দেশ-ভাগ-উত্তর পরিস্থিতিতে পাকিস্তান-বিরোধিতা আমাদের রাজনীতির প্রধান আশ্রয় হয়ে উঠেছে। ফলে স্বাধীন দেশে যখন আমাদের সামনে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও তদনুরূপ পরিবর্তনের একটা সুবর্ণ সুযোগ এল—তখনও সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী ঐতিহ্যের ওপরে ভর করে আমরা নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চেয়েছি, যথার্থ inclusive policy আমরা প্রণয়ন করতে পারিনি।
ভেবে আশ্চর্য হতে হয় যে, স্বাধীনতার সাত দশক পরেও, নতুন করে জাতীয়তাবাদকে উস্কে দেবার অপচেষ্টা আমরা লক্ষ করছি। এর মধ্যে দুটি বিষয় প্রণিধানযোগ্য—(১) এটা রাজনীতিগতভাবে একটি স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচিতি তৈরি করার চেষ্টা। এই নির্মাণের প্রক্রিয়া আরও জোরদার হয়েছে কেন্দ্রে হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক শক্তির কার্যকলাপে। দ্বিতীয়ত, সাম্প্রতিককালে উরিতে পাক-জঙ্গিহামলা বা কাশ্মীরের অবন্তীপুরায় ভারতের আধাসেনা কনভয়ে অভূতপূর্ব জয়েশ হামলার অভিঘাতে আমরা চমকে উঠে লক্ষ করলাম ভারত উত্তর-আধুনিক রাষ্ট্র নয়, সে এখনও পুরনো ধারায় বর্তমান, জাতীয় সুরক্ষার প্রশ্নে প্রতিক্রিয়াশীল, এবং এমনকী পাল্টা আক্রমণেও পিছপা নয়। বস্তুত এই জাতীয়তাবাদী আস্ফালন কি ভারতের নয়া অর্থনৈতিক কূটনীতির সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ? হয়তো এই বিপরীতধর্মী টানাপোড়েনের অস্বস্তি আম জনতার কাছে ধরা পড়ে না, কিন্তু ভারত-পাক দ্বৈরথের মোকাবিলায় মানুষের যে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া—তা দেখে মনে হয় যে তারা সন্ত্রাস নয়, শান্তি চায়। মানুষের এই যে চেতনা ও আগ্রহ তা কিন্তু সংকীর্ণভাবে কোনও ভূখণ্ডকেন্দ্রিক নয়, বরং এটাকে একটা বৃহত্তর আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে রেখে দেখা উচিত, যে রূপান্তরটা ইতিমধ্যেই আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মূর্ত হয়ে উঠতে দেখেছি। ২০১৪ সালে মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সার্কের গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রপ্রধানদের আহ্বানের মধ্য দিয়ে এমন একটা সৌহার্দপূর্ণ আঞ্চলিক বাতাবরণ নির্মাণের একটা রাজনৈতিক সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যখন বিমুদ্রাকরণ নিয়ে সাধারণ মানুষের সীমাহীন ক্ষোভ, অন্যদিকে রাফাল বিমানের দাম বিতর্কে যখন ‘চৌকিদার’-এর দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা, তখনই পুলওয়ামার ঘটনায় আশ্চর্যজনকভাবে ‘অক্সিজেন’ পেয়ে মোদি শিবির যেন খানিকটা চাঙ্গা। তবে ঘুরে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই পাক উজির-এ-আজম ইমরান খানের মন্তব্যে বিজেপি শিবিরে অস্বস্তি বেড়েছে। ইমরান আশা করেছেন, বিজেপির (বস্তুত মোদি-শাহ জোটের) বিজয়ে ভারত-পাক আলোচনার দরজা খুলে যাবে। এতেই অস্বস্তির সূত্রপাত। কারণ এতদিন বিজেপির পোস্টারবয় এই দুই ব্যক্তির নিশানা ছিল পাকিস্তান। তবে কি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ধরে নিতে হবে ইমরানের ‘রিভার্স সুইং’ দুই পুরনো প্রতিপক্ষের গোপন বোঝাপড়ার ইঙ্গিতবাহী?
বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
অন্যদিকে, ভারতের নির্বাচনকে চীন গুরুত্ব দিলেও তাদের কাছে বিষয়টা কমিউনিস্ট-ভাবাদর্শের প্রোপাগান্ডাকে জোরদার করার দিক থেকে নয়, কারণ ভারতের কমিউনিস্ট দলগুলি বরাবরই চীনপন্থী। তাই আলাদা করে তাদের সমর্থন লাভের বিষয়টি বাহুল্যমাত্র। তাছাড়া ইতিমধ্যেই পুরনো ভুলের মাশুল দিতে যখন তাদের হিমশিম অবস্থা, তখন চীন এতটা অপরিপক্ব নয় যে, সে বিপন্ন কমিউনিস্ট দলগুলিকে নির্বাচনের বাজি ধরবে। অতএব চীনের কাছেও ভারতের লোকসভা নির্বাচন, তাদের জাতীয় স্বার্থ—ডোকালাম ইস্যু, অরুণাচল-সমস্যার মতো সীমান্তভিত্তিক ইস্যুগুলির মীমাংসার প্রধান উপায়।
তবে, শুধু চীন বা পাকিস্তানই নয়, এই নির্বাচনের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হল কীভাবে তা সংঘটিত হচ্ছে। নির্বাচনের পবিত্রতা ও কমিশনের নিরপেক্ষতাকে টি এন সেশন যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন—তা কি আমরা বজায় রাখতে পারব? ইতিমধ্যেই আমরা উত্তরবঙ্গ, ত্রিপুরা ও অন্যত্র হিংসা লক্ষ করেছি। গণতন্ত্র যদি ‘Soft Power’ হয়, তবে এই হিংসার দরুন ভারতের ইমেজ সাফার করবে। যথার্থ গণতন্ত্র যেমন বিরোধীপক্ষকে সম্মান করে, তেমনি দক্ষিণ এশিয়ায় সেই সংস্কৃতি কবে গড়ে উঠতে আমরা দেখব?
 লেখক সিধো কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্র- বিজ্ঞানের অধ্যাপক (মতামত লেখকের ব্যক্তিগত)
20th  April, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

 জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
বিশদ

12th  August, 2019
রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

 প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।
বিশদ

11th  August, 2019
শুধু উন্নয়ন নয়, ভোটের জন্য চাই ভালো মাস্টার
তন্ময় মল্লিক

মোটা বেতন দিয়ে মাস্টার রাখলেই ছেলেমেয়ে মানুষ হয় না। তেমনটা হলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েই উচ্চশিক্ষিত হতো। কিন্তু, তা তো হয় না। ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনায় আগ্রহ, মেধা যেমন থাকা দরকার, তেমনই নজরদারিটাও জরুরি। ফাঁকিবাজি থাকলেই ছাত্র হয় গাড্ডু খাবে, অথবা ‘বিবেচনায়’ পাশ।
বিশদ

10th  August, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, মালদহ: ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির আওতায় ইতিমধ্যেই মালদহের গ্রামে গ্রামে গিয়ে জনসংযোগ শুরু করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধিরা। তাঁদের লক্ষ্য, শাসক দলের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ আরও মজবুত করা।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বদলি হওয়া বিভিন্ন রাজ্য কর্মী সংগঠনের পদাধিকারীদের ফের কলকাতার সচিবালয়ে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সিপিএম প্রভাবিত কো-অর্ডিনেশন কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর দুই সদস্য ও তৃণমূল প্রভাবিত কর্মী সংগঠনের কোর কমিটির এক সদস্যকে উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতায় ফেরানো হয়েছে। ...

মস্কো, ২০ আগস্ট (পিটিআই): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে সুর চড়াল রাশিয়া ও চীন। মার্কিন সরকারের এহেন পদক্ষেপের ফলে সামরিক ক্ষেত্রে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হবে বলেও দুই দেশের তরফে জানানো হয়েছে। ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: কাঁথির তাজপুর গ্রামীণ হাটের জমিতে স্থায়ী দোকানঘর নির্মাণের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষের জেরে উত্তেজনা ছড়ায়। এই ঘটনায় দু’পক্ষের আটজন কমবেশি জখম হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে নিগ্রহের শিকার হন খোদ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিও।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। ব্যবসাতে যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩১: গায়ক বিষ্ণু দিগম্বর পালুসকরের মৃত্যু
১৯৭২: বন সংরক্ষণ আইন চালু হল
১৯৭৮: ভিনু মানকড়ের মৃত্যু
১৯৮৬: জামাইকার স্প্রিন্টার উসেইন বোল্টের জন্ম
১৯৯৫: ভারতের নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখরের মৃত্যু
২০০৬: প্রখ্যাত সানাইবাদক ওস্তাদ বিসমিল্লা খানের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৭ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৪ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ ভাদ্র ১৪২৬, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, পঞ্চমী ০/২৯ প্রাতঃ ৫/৩১। অশ্বিনী ৪৮/৪০ রাত্রি ১২/৪৭। সূ উ ৫/১৯/২, অ ৬/০/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৪ মধ্যে পুনঃ ৩/২৮ গতে ৫/৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪০ গতে ১/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩০ গতে ৩/৫৪ মধ্যে।
৩ ভাদ্র ১৪২৬, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ষষ্ঠী ৫৩/৫৮/৩০ রাত্রি ২/৫৩/৩১। অশ্বিনীনক্ষত্র ৪২/৯/৫৩ রাত্রি ১০/১০/৪, সূ উ ৫/১৮/৭, অ ৬/৩/৪৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৯/৩১ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৩ গতে ৮/৫৩ মধ্যে ও ১/৩১ গতে ৫/১৮ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪০/৫৫ গতে ১/১৬/৩৭ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৯/৩১ গতে ১০/৫/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৯/৩১ গতে ৩/৫৩/৪৯ মধ্যে। 
১৯ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাড়ছে পিএফে ন্যূনতম পেনশন

07:30:26 PM

জাগুয়ার দুর্ঘটনার তদন্তে নয়া মোড়
কলকাতার শেক্সপিয়র সরণির জাগুয়ার দুর্ঘটনার তদন্তে নয়া মোড়। আজ জানা ...বিশদ

05:26:00 PM

শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে চিদাম্বরমের আর্জির শুনানি
আগামী শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে চিদাম্বরমের আর্জির শুনানি হবে বলে জানা ...বিশদ

05:18:17 PM

চায়ের দোকানে গিয়ে চা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী
আজ বুধবার ওড়িশা সীমান্তের দীঘার দত্তপুর এলাকায় জনসংযোগে গিয়েছিলেন ...বিশদ

05:15:00 PM

নেতাজি ইস্যুতে ধর্মতলায় বিক্ষোভ মিছিল ফরওয়ার্ড ব্লক 

04:10:00 PM

আবেদনে ত্রুটি, সুপ্রম কোর্টে পি চিদম্বরমের আবেদন গ্রাহ্য হল না 

04:07:16 PM