বিশেষ নিবন্ধ
 

সংবিধান ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ঠিক কেমন সম্পর্ক ছিল তখন জওহরলাল নেহরু আর মহম্মদ আলি জিন্নার? ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গার পর, নোয়াখালি, তারপর বিহার, তারপর পাঞ্জাব। রক্তগঙ্গা বইছে। ঠিক সেই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ভারতীয় নেতাদের ডেকেছিলেন একটি মিটিংয়ে। মাল্টা হয়ে লন্ডন। ‘ইয়র্ক’ নামক সেই ফোর ইঞ্জিন বিমানে ‘নো স্মোকিং’ লাইট নিভে যাওয়ার পর জিন্না একটা ‘স্টেট এক্সপ্রেস ফাইভ ফাইভ ফাইভ’ সিগারেট ধরিয়ে বই খুললেন। বইয়ের নাম ছিল ‘আ নেশন বিট্রেড’। অবশ্যই প্রস্তাবিত পাকিস্তান সম্পর্কে। ঠিক পিছনের সিটে যিনি বসেছিলেন তিনি সাধারণত কুর্তা পরেন। কিন্তু সেদিন পরেছিলেন স্যুট আর টাই। জওহরলাল নেহরু। কিছুদিন ধরে তাঁর পিঠে ব্যাথা। স্যুট পরতে সুবিধা। সঙ্গে দুটি বই নিয়েছেন। রোজামন্ড লেহম্যানের লেখা ‘দ্য ব্যালাড অ্যান্ড দ্য সোর্স’। আর একটি বই পাশেই রাখা। সিনক্লেয়ার লিউইসের ’কাস টিম্বারলেন’। গোটা পথ দুজনে বই পড়লেন। একটিও বাক্য বিনিময় হল না। প্লেন যখন ল্যান্ড করল মাল্টায়, তখন নামার সময় কথা না বলা অত্যন্ত অশোভন। তাই জিন্না প্রশ্ন করলেন, ‘ওয়েল, আজকাল কী করছেন আপনি মিস্টার নেহরু?’ নেহরু মৃদু হেসে জবাব দিয়েছিলেন, ‘তেমন কিছু না। এই একটু পড়ছি, একটু ঘুমোচ্ছি, একটু হাঁটাহাঁটি করছি। ব্যস!’ আর কোনও আলাপচারিতা নয়। দুজনে দুদিক থেকে এয়ারপোর্ট লাউঞ্জে চলে যান।
কলকাতায় সদর দপ্তর থাকা হিন্দু সংগঠন অল ইন্ডিয়া বর্ণশর্মা স্বরাজ সংঘ লিখিতভাবে প্রস্তাব পাঠিয়ে দাবি করেছিল সংবিধান যেন প্রাচীন হিন্দু পুঁথিপত্রে যেসব বিধি, নিয়ম ও নীতি বর্ণিত হয়েছে তার ভিত্তিতেই তৈরি হয়। নচেৎ তারা ওই সংবিধান মেনে নেবে না। উইনস্টন চার্চিল কটাক্ষ করে বলেছিলেন, ভারতের সংবিধান যারা তৈরি করছে সেই সভায় তো কংগ্রেসের সদস্যদেরই আধিক্য। তার মানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব কোথায় হল? ওটা তো বর্ণহিন্দুদের স্বার্থই সুরক্ষা করবে। কংগ্রেস তো সংখ্যাগুরুদের দল। সংযুক্ত প্রদেশের এক সংসদ সদস্য আর ভি ধূলেকর ১৯৪৬ সালের ১০ ডিসেম্বর সংবিধান সভায় দাঁড়িয়ে একটি সংশোধনী পেশ করেছিলেন। এবং সেটির সমর্থনে ‘হিন্দুস্তানি’ ভাষায় বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। সংবিধান সভার সভাপতি ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ তাঁকে বলেছিলেন, এখানে বহু সদস্য কিন্তু হিন্দুস্তানি ভাষা জানেন না। ধূলেকর জবাব দিয়েছিলেন, যাঁরা হিন্দুস্তানি ভাষা জানেন না তাঁদের ভারতে থাকার কোনও অধিকারই নেই। এই সভায় উপস্থিত সদস্যরা সংবিধান নির্মাণের কাজে যুক্ত হয়েছেন অথচ হিন্দুস্তানি জানেন না, তাঁদের এই সভার সদস্য হওয়ারই যোগ্যতা নেই। সবথেকে ভালো হয় আপনারা অন্যত্র চলে যান। ভারত ছেড়ে। চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছিল বাংলা ও দক্ষিণ ভারতীয় সদস্যদের মধ্যে। জওহরলাল নেহরু উঠে দাঁড়িয়ে ওই ধূলেকরকে ধমক দিয়ে বিরত করেন। বলেছিলেন, ‘শুনুন, এটা ঝাঁসির ময়দান নয় যে ভাইয়ো অর বহেনো বলে গলা ফুলিয়ে লেকচার দেবেন।’ সংবিধানের প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পরই কিছু সদস্য দাবি করেন ব্রিটিশ নাগরিকতাকে বর্জন করতে হবে। ভারতের সংবিধান আর প্রশাসন নির্মিত হোক গ্রামভিত্তিক। গান্ধীজির আদর্শকে সামনে রেখে। পঞ্চায়েত রাজ হোক ভারত। গ্রামীণ কাউন্সিল দেশ চালাবে। সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান বি আর আম্বেদকর বলেন, এটা কিছুতেই হতে দেওয়া যাবে না। গ্রাম মানেও এক প্রাদেশিকতা। স্থানীয় স্বার্থ, অজ্ঞতা, সংকীর্ণ মনোভাব আর সাম্প্রদায়িকতা। এভাবে একটি রাষ্ট্র চলে না। রাষ্ট্রকে প্রাদেশিকতার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। তাই একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার শক্তিশালী রাজ্যগুলিকে নিয়ে গড়ে তোলা হোক নয়া ভারত। কৃষক নেতা এন সি রাঙ্গা গর্জে উঠেছিলেন। তিনি বললেন, আম্বেদকর ভারতের ঐতিহ্য কিছুই জানেন না। দক্ষিণ ভারতে এসে একটু দেখে যান সেখান শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে কীভাবে গ্রামীণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা সমাজকে উন্নত করেছে। চার্চিল যা বলেছিলেন সেটা সত্যি প্রমাণ করতে মুসলিম লিগ সংবিধান সভা প্রথমদিকে বয়কট করেছিল। যাতে প্রতিষ্ঠিত হয় যে সত্যিই এটা আসলে হিন্দুদের স্বার্থই দেখবে এবং সেইভাবেই তৈরি হবে ভারতের সংবিধান। আর তাহ঩লেই পাকিস্তানের দাবি আরও জোরদার হবে।
এসব প্রসঙ্গ উত্থাপন করার কারণ কী? কারণ হল ১৯৪৬ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতের সংবিধান রচনার কাজটি কী প্রবল সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে হয়েছিল তা বিশ্বের ইতিহাসে সম্ভবত একমাত্র উদাহরণ। আর এই দুয়েকটি উদাহরণ থেকে স্পষ্ট যে কতরকম মতবাদ পাল্টা মতবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছিল সংবিধান রচনাকারীদের সামনে। সেসব সামলাতে হয়েছে তাঁদের। সেই সংবিধান গ্রহণের ৭০ বছর হতে চলেছে এই বছর। ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর সংবিধান সভায় অনুমোদিত তথা পাশ হয়েছিল ভারতের সংবিধান। স্থির হয়েছিল ঠিক দু’মাস পর অর্থাৎ ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে সেই নয়া সংবিধান অনুযায়ী ভারত হবে নয়া সাধারণতন্ত্র। সুতরাং এই ২০১৯ সাল ভারতের সংবিধান অনুমোদন তথা গ্রহণের ৭০ তম বর্ষ। আর আজ আমাদের পারিপার্শ্বিক সামাজিক, রাজনৈতিক, নৈতিক আবট তথা নিত্যদিনের চর্চা, মনোভাব ও আচরণ বহু ক্ষেত্রে কিন্তু সংবিধানের লক্ষ্য, আদর্শ ও স্পিরিটের সম্পূর্ণ বিপরীত। ওরকম এক প্রবল ঘুর্ণিঝড়ের আবহে যে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা নিবিষ্টমনে এরকম একটি নিপুণ সংবিধান রচনা করে গেলেন তাকে নস্যাৎ করে সম্পূর্ণ বিপরীত আচরণ করে আমরা কি আমাদের অতীত ঐতিহ্য আর গৌরবকেই অপমান করছি না? ধর্ম নিয়ে হানাহানি বেড়েছে, জাতপাত নিয়ে রাজনীতি বিদ্যমান, ভাষার আগ্রাসন সমানভাবে চলছে। আজ সবথেকে বেশি আমরা আলোচনা করি, ঝগড়া করি, চর্চা করি আর পরস্পরকে আক্রমণ করি প্রধানত দুটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিভেদ এবং রাজনৈতিক ভিন্নমত। অথচ সংবিধান রচনাকারীরা সবার আগে যেটা ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন সেটি হল এই দুই বিভেদ। অস্পৃশ্যতা, জাতপাত, সম্প্রদায়গত এবং ধনী দরিদ্র বিভাজনের পাশাপাশি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক শত্রুতার অবসান চেয়েছিলেন তাঁরা। সেই কারণে সবথেকে শক্তিশালী দল কংগ্রেসের প্রথম সারির যোগ্য নেতারা থাকা সত্ত্বেও গান্ধীজি থেকে নেহরু, সকলের চরম সমালোচক বি আর আম্বেদকরকে করা হয়েছিল সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান। সংবিধান সভার প্রথম সারিতে নেহরু ও প্যাটেলের পাশেই আসন নির্ধারিত করা হয়েছিল কংগ্রেসের অন্যতম বিরোধী নেতা শরৎচন্দ্র বসুর। জয়পাল সিং লাগাতার বলেছিলেন, মুসলিম লিগ যোগ না দিলে এই সভার কোনও গুরুত্ব নেই। সেই জয়পাল সিংকে তথ্য আর যুক্তি দিয়ে বোঝানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন আর কেউ নয়, স্বয়ং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ৩০০ জন সদস্য ছিলেন। অসংখ্য মতবাদ। তার থেকে বাছাই করে, জোরজবরদস্তি নয়, সকলের মন জয় করে সংবিধান রচনার কাজটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
১৯৪৬ থেকে ১৯৪৯, ভারতের এই তিনটি বছরের ইতিহাস বস্তুত আধুনিক ভারতের সবথেকে অস্থির, সবথেকে বেদনাদায়ক, সবথেকে সন্ত্রাসকবলিত, সবথেকে অমানবিক আর সবথেকে লড়াইয়ের সময় হিসেবেই পরিগণিত। দাঙ্গার ঘা শুকানোর আগেই ঝড়ের মতো এসেছিল দেশভাগ। কাশ্মীরে যুদ্ধ। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তুকে নিয়ে দিশাহারা নতুন সরকার। তার সঙ্গে চলছে রক্তের উৎসব। ১৯৪৮ সালের জুন মাসে ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে চলে যাবে স্থির হয়েছিল। কিন্তু আচমকা ৩ জুন ১৯৪৭ সালে ভাইসরয় মাউন্টব্যাটেন একটি বৈঠক ডাকলেন। এবং বললেন, আর মাত্র আট সপ্তাহ। ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ চলে যাবে এবং দেশভাগ হচ্ছেই। পরদিন ৪ জুন সেটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও হয়ে গেল। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল অখণ্ড ভারতের। কোনও মানসিক, প্রশাসনিক প্রস্তুতিই ছিল না। লক্ষ লক্ষ মানুষ জানে না তাঁদের দেশ কোনটা হবে। কারণ দেশ কাটার কাঁচি ভারতের হাতে নেই। তার জন্য আসবেন একজন ব্রিটিশ । সিরিল র‌্যাডক্লিফ। দাঙ্গা বেড়ে গেল। উদ্বাস্তুর সমুদ্র আছড়ে পড়ছে প্রতিদিন। সেরকম এক মুহূর্তে চলছে সংবিধান রচনা। এবং গান্ধী হত্যা। ৩০ জানুয়ারি ১৯৪৮ সালে ওই খবরের পর রেডিওতে শান্তিরক্ষা করার আহ্বান জানাতে গিয়ে নেহরু কেঁদে ফেলেছিলেন। প্যাটেল বলেছিলেন, আমাদের এবার সব বিভেদ ভুলে একজোট হয়ে বাপুর স্বপ্ন পূরণ করতে হবে। এবং ওই প্রচণ্ড আঘাতের মধ্যেই প্যাটেল কয়েকদিন পরই মর্নিং ওয়াকের সময় ডেকে পাঠাতেন সংবিধান সভার কিছু সদস্যকে। তাঁদের সঙ্গে মর্নিং ওয়াক করতে করতে তিনি তাঁদের সংবিধানের খসড়া নিয়ে আপত্তি ও প্রতিবাদের কথা শুনতেন। এবং বোঝাতেন ধৈর্য ধরে। নিষ্পত্তি হতো সমস্যার। এগিয়ে যেত সংবিধান রচনার কাজ।
১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর সংবিধান সভার কাজ সমাপ্ত হওয়ার প্রাক্কালে বি আর আম্বেদকর শেষ বক্তৃতায় সতর্ক করেছিলেন কয়েকটি বিষয়ে। তার মধ্যে দুটি সতর্কবার্তা আমরা ৭০ বছর পর স্বচ্ছন্দে ভুলে গিয়েছি। তিনি বলেছিলেন, ১) ‘পৃথিবীর যে কোনও দেশের তুলনায় রাজনীতিতে ভক্তিবাদ ভারতে সবথেকে বেশি। ধর্মে ভক্তি আত্মাকে শান্তিপ্রদান করে। কিন্তু রাজনীতিতে ভক্তি অথবা একজন নেতাকেই হিরো হিসাবে বন্দনা করা চরম বিপজ্জনক। কারণ সেটি নিশ্চিতভাবে অগ্রসর হয় স্বৈরতন্ত্রের দিকে।’ ২) ‘২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ থেকে ভারত চরম এক বৈপরীত্য ও দ্বিচারিতা নিয়ে অগ্রসর হবে। রাজনীতিতে আমাদের মধ্যে সাম্য থাকবে, অথচ আর্থিক ও সামাজিকভাবে থেকে যাবে চরম বৈষম্য। রাজনীতিতে আমরা স্বীকৃতি দেব একটি ভোট একটি মূল্য। প্রতিটি ভারতবাসীর ক্ষেত্রে যা প্রযোজ্য। কিন্তু সামাজিক ও আর্থিকভাবে সব মানুষের মূল্য সমান হবে না। কতদিন এই বৈষম্য আর দ্বিচারিতা নিয়ে ভারত চলবে? ভারতবাসীর মধ্যে সামাজিক আর আর্থিক বৈষম্যের যদি অবসান না হয় তাহলে আমরা রাজনৈতিক গণতন্ত্রকেও আসলে হত্যা করব।’
সংবিধান রচনার ৭০ বছর পরও আম্বেদকরের সতর্কবার্তা ধ্রুব সত্য হিসেবে রয়ে গিয়েছে। এটাই আমাদের কাছে সবথেকে বড় অগৌরব। তাই সংবিধানের ৭০ বছরে পা দিয়ে আজ আমাদের কী উচিত নয় অন্তত প্রতিটি মৌলিক অধিকারকে সযত্নে করে রক্ষা করার শপথ গ্রহণ? ধর্ম ও সংস্কৃতির অধিকার, স্বাধীনতার অধিকার, সাম্যের অধিকার, ভাষার অধিকার ... জীবনের অধিকার! সোজা কথা হল, যে দল সংবিধানকে রক্ষা করবে, আমরা সেই দলের সমর্থক হব। সে দলের নেতানেত্রীর নাম যাই হোক না কেন!
04th  January, 2019
নেতাজির জন্যই ভারত ছেড়েছিল ইংরেজ
পিনাকী ভাদুড়ী

গত অক্টোবরে আজাদ হিন্দ সরকারের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় ইতিহাসকে স্মরণ করে আজাদ হিন্দ সরকারকে সম্মানিত করেছেন। এর প্রতিক্রিয়া দু’রকম। কেউ বলেছেন, বিষয়টা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনী প্রচারের প্রস্তুতি।
বিশদ

নেতাজির তুলনা একমাত্র নেতাজি সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী 

তাঁর জীবনরহস্য সমুদ্রের মতোই গভীর, অর্ধগোলক ব্যাপী কর্মকাণ্ডের উত্তাল সংগ্রাম মুক্তিচেতনায় ঋদ্ধ। এমন নক্ষত্রসম মহাজীবনের সান্নিধ্য পাওয়া যে কোনও জাতির পক্ষেই দুর্লভ ও চিরকালীন গৌরবের উত্তরাধিকার।
বিশদ

22nd  January, 2019
বছরের গোড়ায় পরিস্থিতি বিচার
পি চিদম্বরম

বড়দিন-ইংরেজি নববর্ষ-পোঙ্গল-মকরসংক্রান্তির ছুটি এবং উৎসব অনুষ্ঠান কঠোর পরিশ্রমী ভারতবাসীকে অবশ্যই চাঙ্গা করেছে (ব্যতিক্রম সংসদ সদস্যগণ, যাঁদেরকে ওইরকম কিছুদিনেও কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে)। নতুন বছরটা কার্যকরীভাবে শুরু হয়েছে ১৫ জানুয়ারি থেকে।
বিশদ

21st  January, 2019
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

20th  January, 2019
রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: গোরু চরানো নিয়ে বচসার জেরে এক ব্যক্তিকে কুড়ুল দিয়ে মেরে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সাঁকরাইল থানার রগড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শিমুলিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।  ...

লখনউ, ২২ জানুয়ারি: ভোটের অঙ্ক ঠিক রাখতেই কংগ্রেসকে বাইরে রেখে উত্তরপ্রদেশে জোট বেঁধেছে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এবং মায়াবতীর বহুজন সমাজপার্টি (বিএসপি)। এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব।  ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: শীতের মরশুমে পর্যটকদের ঢল নেমেছে গোসানিমারিতে। সম্প্রতি রাজপাট ঢিবি সংলগ্ন জমিতে পুকুর খুঁড়তে গিয়ে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন সামগ্রী দেখতে প্রচুর মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। গোসানিমারির শালবাগানে পিকনিক করতে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন আসছে।  ...

 নয়াদিল্লি, ২২ জানুয়ারি: হকি খেলোয়াড় আরএস ভোলা ৯২ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন। তিনি ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন ওলিম্পিক ও ১৯৬০ সালে রোম ওলিম্পিকে ভারতীয় সোনা ও রুপো জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন। হকি ছিল তাঁর প্যাশন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৪- সাহিত্যিক জ্যোতির্ময়ীদেবীর জন্ম
১৮৯৭- মহাবিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম
১৯২৬- শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল থ্যাকারের জন্ম
১৯৩৪- সাংবাদিক তথা ‘বর্তমান’ এর প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্তর জন্ম
১৯৭৬- গায়ক পল রোবসনের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৯ টাকা ৭২.০৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.১০ টাকা ৯৩.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৯.৫৪ টাকা ৮২.৫৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৯০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৬৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৫, ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার, তৃতীয়া ৪৪/২ রাত্রি ১১/৫৯। নক্ষত্র- মঘা ৩৬/০ রাত্রি ৮/৪৭, সূ উ ৬/২২/২৭, অ ৫/১৪/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/০ গতে ১১/২৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৪ গতে ৪/৩০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৯/৫ গতে ১০/২৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/৯ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৩/৬ গতে ৪/৪৪ মধ্যে।
৮ মাঘ ১৪২৫, ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার, দ্বিতীয়া প্রাতঃ ৬/৫৪/১৬ পরে তৃতীয়া রাত্রিশেষ ৪/৩৪/৪৮। মঘানক্ষত্র রাত্রি ১/১৫/৩৪। সূ উ ৬/২৪/৫০, অ ৫/১১/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৫১/৪ মধ্যে ও ঘ ১০/০/২৫ থেকে ১১/২৬/৩৯ মধ্যে ও ৩/২/১৪ থেকে ৪/২৮/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪/২৭ থেকে ৮/৪৩/৬ মধ্যে ও ২/০/২৪ থেকে ৬/২৪/৩১ মধ্যে। বারবেলা ১১/৪৮/১২ থেকে ১/৯/৩ মধ্যে, কালবেলা ৯/৬/৩১ থেকে ১০/২৭/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ৩/৬/৩১ থেকে ঘ ৪/৪৫/৪০ মধ্যে। আজ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৩তম জন্মদিবস
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ডালখোলায় তৃণমূল কর্মী খুন 
উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলার হাসান এলাকায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ গেল এক ...বিশদ

10:41:54 AM

প্রথম ওয়ান ডে: ১৫৭ রানে অল আউট নিউজিল্যান্ড 

10:24:23 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, বুধবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:08:36 AM

প্রথম ওয়ান ডে: নিউজিল্যান্ড ১৪৬/৬ (৩২ ওভার) 

09:59:49 AM

নির্বাচকদের ২০ লক্ষ টাকা বোনাস দেবে বিসিসিআই
বিসিসিআই ভারতীয় সিনিয়র ক্রিকেট দলের তিন নির্বাচককে সফল দল চয়নের ...বিশদ

09:42:28 AM

  ফের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান অশোক
ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে চান শিলিগুড়ি পুরসভার ...বিশদ

09:40:00 AM