Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সংবিধান ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ঠিক কেমন সম্পর্ক ছিল তখন জওহরলাল নেহরু আর মহম্মদ আলি জিন্নার? ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গার পর, নোয়াখালি, তারপর বিহার, তারপর পাঞ্জাব। রক্তগঙ্গা বইছে। ঠিক সেই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ভারতীয় নেতাদের ডেকেছিলেন একটি মিটিংয়ে। মাল্টা হয়ে লন্ডন। ‘ইয়র্ক’ নামক সেই ফোর ইঞ্জিন বিমানে ‘নো স্মোকিং’ লাইট নিভে যাওয়ার পর জিন্না একটা ‘স্টেট এক্সপ্রেস ফাইভ ফাইভ ফাইভ’ সিগারেট ধরিয়ে বই খুললেন। বইয়ের নাম ছিল ‘আ নেশন বিট্রেড’। অবশ্যই প্রস্তাবিত পাকিস্তান সম্পর্কে। ঠিক পিছনের সিটে যিনি বসেছিলেন তিনি সাধারণত কুর্তা পরেন। কিন্তু সেদিন পরেছিলেন স্যুট আর টাই। জওহরলাল নেহরু। কিছুদিন ধরে তাঁর পিঠে ব্যাথা। স্যুট পরতে সুবিধা। সঙ্গে দুটি বই নিয়েছেন। রোজামন্ড লেহম্যানের লেখা ‘দ্য ব্যালাড অ্যান্ড দ্য সোর্স’। আর একটি বই পাশেই রাখা। সিনক্লেয়ার লিউইসের ’কাস টিম্বারলেন’। গোটা পথ দুজনে বই পড়লেন। একটিও বাক্য বিনিময় হল না। প্লেন যখন ল্যান্ড করল মাল্টায়, তখন নামার সময় কথা না বলা অত্যন্ত অশোভন। তাই জিন্না প্রশ্ন করলেন, ‘ওয়েল, আজকাল কী করছেন আপনি মিস্টার নেহরু?’ নেহরু মৃদু হেসে জবাব দিয়েছিলেন, ‘তেমন কিছু না। এই একটু পড়ছি, একটু ঘুমোচ্ছি, একটু হাঁটাহাঁটি করছি। ব্যস!’ আর কোনও আলাপচারিতা নয়। দুজনে দুদিক থেকে এয়ারপোর্ট লাউঞ্জে চলে যান।
কলকাতায় সদর দপ্তর থাকা হিন্দু সংগঠন অল ইন্ডিয়া বর্ণশর্মা স্বরাজ সংঘ লিখিতভাবে প্রস্তাব পাঠিয়ে দাবি করেছিল সংবিধান যেন প্রাচীন হিন্দু পুঁথিপত্রে যেসব বিধি, নিয়ম ও নীতি বর্ণিত হয়েছে তার ভিত্তিতেই তৈরি হয়। নচেৎ তারা ওই সংবিধান মেনে নেবে না। উইনস্টন চার্চিল কটাক্ষ করে বলেছিলেন, ভারতের সংবিধান যারা তৈরি করছে সেই সভায় তো কংগ্রেসের সদস্যদেরই আধিক্য। তার মানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব কোথায় হল? ওটা তো বর্ণহিন্দুদের স্বার্থই সুরক্ষা করবে। কংগ্রেস তো সংখ্যাগুরুদের দল। সংযুক্ত প্রদেশের এক সংসদ সদস্য আর ভি ধূলেকর ১৯৪৬ সালের ১০ ডিসেম্বর সংবিধান সভায় দাঁড়িয়ে একটি সংশোধনী পেশ করেছিলেন। এবং সেটির সমর্থনে ‘হিন্দুস্তানি’ ভাষায় বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। সংবিধান সভার সভাপতি ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ তাঁকে বলেছিলেন, এখানে বহু সদস্য কিন্তু হিন্দুস্তানি ভাষা জানেন না। ধূলেকর জবাব দিয়েছিলেন, যাঁরা হিন্দুস্তানি ভাষা জানেন না তাঁদের ভারতে থাকার কোনও অধিকারই নেই। এই সভায় উপস্থিত সদস্যরা সংবিধান নির্মাণের কাজে যুক্ত হয়েছেন অথচ হিন্দুস্তানি জানেন না, তাঁদের এই সভার সদস্য হওয়ারই যোগ্যতা নেই। সবথেকে ভালো হয় আপনারা অন্যত্র চলে যান। ভারত ছেড়ে। চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছিল বাংলা ও দক্ষিণ ভারতীয় সদস্যদের মধ্যে। জওহরলাল নেহরু উঠে দাঁড়িয়ে ওই ধূলেকরকে ধমক দিয়ে বিরত করেন। বলেছিলেন, ‘শুনুন, এটা ঝাঁসির ময়দান নয় যে ভাইয়ো অর বহেনো বলে গলা ফুলিয়ে লেকচার দেবেন।’ সংবিধানের প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পরই কিছু সদস্য দাবি করেন ব্রিটিশ নাগরিকতাকে বর্জন করতে হবে। ভারতের সংবিধান আর প্রশাসন নির্মিত হোক গ্রামভিত্তিক। গান্ধীজির আদর্শকে সামনে রেখে। পঞ্চায়েত রাজ হোক ভারত। গ্রামীণ কাউন্সিল দেশ চালাবে। সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান বি আর আম্বেদকর বলেন, এটা কিছুতেই হতে দেওয়া যাবে না। গ্রাম মানেও এক প্রাদেশিকতা। স্থানীয় স্বার্থ, অজ্ঞতা, সংকীর্ণ মনোভাব আর সাম্প্রদায়িকতা। এভাবে একটি রাষ্ট্র চলে না। রাষ্ট্রকে প্রাদেশিকতার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। তাই একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার শক্তিশালী রাজ্যগুলিকে নিয়ে গড়ে তোলা হোক নয়া ভারত। কৃষক নেতা এন সি রাঙ্গা গর্জে উঠেছিলেন। তিনি বললেন, আম্বেদকর ভারতের ঐতিহ্য কিছুই জানেন না। দক্ষিণ ভারতে এসে একটু দেখে যান সেখান শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে কীভাবে গ্রামীণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা সমাজকে উন্নত করেছে। চার্চিল যা বলেছিলেন সেটা সত্যি প্রমাণ করতে মুসলিম লিগ সংবিধান সভা প্রথমদিকে বয়কট করেছিল। যাতে প্রতিষ্ঠিত হয় যে সত্যিই এটা আসলে হিন্দুদের স্বার্থই দেখবে এবং সেইভাবেই তৈরি হবে ভারতের সংবিধান। আর তাহ঩লেই পাকিস্তানের দাবি আরও জোরদার হবে।
এসব প্রসঙ্গ উত্থাপন করার কারণ কী? কারণ হল ১৯৪৬ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতের সংবিধান রচনার কাজটি কী প্রবল সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে হয়েছিল তা বিশ্বের ইতিহাসে সম্ভবত একমাত্র উদাহরণ। আর এই দুয়েকটি উদাহরণ থেকে স্পষ্ট যে কতরকম মতবাদ পাল্টা মতবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছিল সংবিধান রচনাকারীদের সামনে। সেসব সামলাতে হয়েছে তাঁদের। সেই সংবিধান গ্রহণের ৭০ বছর হতে চলেছে এই বছর। ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর সংবিধান সভায় অনুমোদিত তথা পাশ হয়েছিল ভারতের সংবিধান। স্থির হয়েছিল ঠিক দু’মাস পর অর্থাৎ ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে সেই নয়া সংবিধান অনুযায়ী ভারত হবে নয়া সাধারণতন্ত্র। সুতরাং এই ২০১৯ সাল ভারতের সংবিধান অনুমোদন তথা গ্রহণের ৭০ তম বর্ষ। আর আজ আমাদের পারিপার্শ্বিক সামাজিক, রাজনৈতিক, নৈতিক আবট তথা নিত্যদিনের চর্চা, মনোভাব ও আচরণ বহু ক্ষেত্রে কিন্তু সংবিধানের লক্ষ্য, আদর্শ ও স্পিরিটের সম্পূর্ণ বিপরীত। ওরকম এক প্রবল ঘুর্ণিঝড়ের আবহে যে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা নিবিষ্টমনে এরকম একটি নিপুণ সংবিধান রচনা করে গেলেন তাকে নস্যাৎ করে সম্পূর্ণ বিপরীত আচরণ করে আমরা কি আমাদের অতীত ঐতিহ্য আর গৌরবকেই অপমান করছি না? ধর্ম নিয়ে হানাহানি বেড়েছে, জাতপাত নিয়ে রাজনীতি বিদ্যমান, ভাষার আগ্রাসন সমানভাবে চলছে। আজ সবথেকে বেশি আমরা আলোচনা করি, ঝগড়া করি, চর্চা করি আর পরস্পরকে আক্রমণ করি প্রধানত দুটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিভেদ এবং রাজনৈতিক ভিন্নমত। অথচ সংবিধান রচনাকারীরা সবার আগে যেটা ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন সেটি হল এই দুই বিভেদ। অস্পৃশ্যতা, জাতপাত, সম্প্রদায়গত এবং ধনী দরিদ্র বিভাজনের পাশাপাশি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক শত্রুতার অবসান চেয়েছিলেন তাঁরা। সেই কারণে সবথেকে শক্তিশালী দল কংগ্রেসের প্রথম সারির যোগ্য নেতারা থাকা সত্ত্বেও গান্ধীজি থেকে নেহরু, সকলের চরম সমালোচক বি আর আম্বেদকরকে করা হয়েছিল সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান। সংবিধান সভার প্রথম সারিতে নেহরু ও প্যাটেলের পাশেই আসন নির্ধারিত করা হয়েছিল কংগ্রেসের অন্যতম বিরোধী নেতা শরৎচন্দ্র বসুর। জয়পাল সিং লাগাতার বলেছিলেন, মুসলিম লিগ যোগ না দিলে এই সভার কোনও গুরুত্ব নেই। সেই জয়পাল সিংকে তথ্য আর যুক্তি দিয়ে বোঝানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন আর কেউ নয়, স্বয়ং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ৩০০ জন সদস্য ছিলেন। অসংখ্য মতবাদ। তার থেকে বাছাই করে, জোরজবরদস্তি নয়, সকলের মন জয় করে সংবিধান রচনার কাজটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
১৯৪৬ থেকে ১৯৪৯, ভারতের এই তিনটি বছরের ইতিহাস বস্তুত আধুনিক ভারতের সবথেকে অস্থির, সবথেকে বেদনাদায়ক, সবথেকে সন্ত্রাসকবলিত, সবথেকে অমানবিক আর সবথেকে লড়াইয়ের সময় হিসেবেই পরিগণিত। দাঙ্গার ঘা শুকানোর আগেই ঝড়ের মতো এসেছিল দেশভাগ। কাশ্মীরে যুদ্ধ। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তুকে নিয়ে দিশাহারা নতুন সরকার। তার সঙ্গে চলছে রক্তের উৎসব। ১৯৪৮ সালের জুন মাসে ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে চলে যাবে স্থির হয়েছিল। কিন্তু আচমকা ৩ জুন ১৯৪৭ সালে ভাইসরয় মাউন্টব্যাটেন একটি বৈঠক ডাকলেন। এবং বললেন, আর মাত্র আট সপ্তাহ। ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ চলে যাবে এবং দেশভাগ হচ্ছেই। পরদিন ৪ জুন সেটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও হয়ে গেল। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল অখণ্ড ভারতের। কোনও মানসিক, প্রশাসনিক প্রস্তুতিই ছিল না। লক্ষ লক্ষ মানুষ জানে না তাঁদের দেশ কোনটা হবে। কারণ দেশ কাটার কাঁচি ভারতের হাতে নেই। তার জন্য আসবেন একজন ব্রিটিশ । সিরিল র‌্যাডক্লিফ। দাঙ্গা বেড়ে গেল। উদ্বাস্তুর সমুদ্র আছড়ে পড়ছে প্রতিদিন। সেরকম এক মুহূর্তে চলছে সংবিধান রচনা। এবং গান্ধী হত্যা। ৩০ জানুয়ারি ১৯৪৮ সালে ওই খবরের পর রেডিওতে শান্তিরক্ষা করার আহ্বান জানাতে গিয়ে নেহরু কেঁদে ফেলেছিলেন। প্যাটেল বলেছিলেন, আমাদের এবার সব বিভেদ ভুলে একজোট হয়ে বাপুর স্বপ্ন পূরণ করতে হবে। এবং ওই প্রচণ্ড আঘাতের মধ্যেই প্যাটেল কয়েকদিন পরই মর্নিং ওয়াকের সময় ডেকে পাঠাতেন সংবিধান সভার কিছু সদস্যকে। তাঁদের সঙ্গে মর্নিং ওয়াক করতে করতে তিনি তাঁদের সংবিধানের খসড়া নিয়ে আপত্তি ও প্রতিবাদের কথা শুনতেন। এবং বোঝাতেন ধৈর্য ধরে। নিষ্পত্তি হতো সমস্যার। এগিয়ে যেত সংবিধান রচনার কাজ।
১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর সংবিধান সভার কাজ সমাপ্ত হওয়ার প্রাক্কালে বি আর আম্বেদকর শেষ বক্তৃতায় সতর্ক করেছিলেন কয়েকটি বিষয়ে। তার মধ্যে দুটি সতর্কবার্তা আমরা ৭০ বছর পর স্বচ্ছন্দে ভুলে গিয়েছি। তিনি বলেছিলেন, ১) ‘পৃথিবীর যে কোনও দেশের তুলনায় রাজনীতিতে ভক্তিবাদ ভারতে সবথেকে বেশি। ধর্মে ভক্তি আত্মাকে শান্তিপ্রদান করে। কিন্তু রাজনীতিতে ভক্তি অথবা একজন নেতাকেই হিরো হিসাবে বন্দনা করা চরম বিপজ্জনক। কারণ সেটি নিশ্চিতভাবে অগ্রসর হয় স্বৈরতন্ত্রের দিকে।’ ২) ‘২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ থেকে ভারত চরম এক বৈপরীত্য ও দ্বিচারিতা নিয়ে অগ্রসর হবে। রাজনীতিতে আমাদের মধ্যে সাম্য থাকবে, অথচ আর্থিক ও সামাজিকভাবে থেকে যাবে চরম বৈষম্য। রাজনীতিতে আমরা স্বীকৃতি দেব একটি ভোট একটি মূল্য। প্রতিটি ভারতবাসীর ক্ষেত্রে যা প্রযোজ্য। কিন্তু সামাজিক ও আর্থিকভাবে সব মানুষের মূল্য সমান হবে না। কতদিন এই বৈষম্য আর দ্বিচারিতা নিয়ে ভারত চলবে? ভারতবাসীর মধ্যে সামাজিক আর আর্থিক বৈষম্যের যদি অবসান না হয় তাহলে আমরা রাজনৈতিক গণতন্ত্রকেও আসলে হত্যা করব।’
সংবিধান রচনার ৭০ বছর পরও আম্বেদকরের সতর্কবার্তা ধ্রুব সত্য হিসেবে রয়ে গিয়েছে। এটাই আমাদের কাছে সবথেকে বড় অগৌরব। তাই সংবিধানের ৭০ বছরে পা দিয়ে আজ আমাদের কী উচিত নয় অন্তত প্রতিটি মৌলিক অধিকারকে সযত্নে করে রক্ষা করার শপথ গ্রহণ? ধর্ম ও সংস্কৃতির অধিকার, স্বাধীনতার অধিকার, সাম্যের অধিকার, ভাষার অধিকার ... জীবনের অধিকার! সোজা কথা হল, যে দল সংবিধানকে রক্ষা করবে, আমরা সেই দলের সমর্থক হব। সে দলের নেতানেত্রীর নাম যাই হোক না কেন!
04th  January, 2019
মোদিজির বালাকোট স্বপ্ন 

পি চিদম্বরম: গত ১০ মার্চ, রবিবার নির্বাচন কমিশন রণতূর্য বাজিয়ে দিল। সরকারকে শেষবারের মতো ‘ফেভার’ও করল তারা। নির্বাচন ঘোষণাটিকে সাধারণ মানুষ মুক্তির শ্বাসের মতো গ্রহণ করল: আর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘটা নেই, আর অর্ডিন‌্যান্স নেই এবং নেই কিছু নড়বড়ে সরকারি স্কিমের বেপরোয়া সূচনা।  বিশদ

আধাসেনা নামিয়ে কি ভোটযুদ্ধে
মমতাকে ঘায়েল করা যাবে?

শুভা দত্ত 

রাজ্যে ভোটের হাওয়া গরম হচ্ছে। জেলায় জেলায় শাসক এবং বিরোধী—দুই শিবিরের প্রচারও একটু একটু করে গতি পাচ্ছে। মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রার্থীদের অনেকেই নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। দেওয়াল লেখাও চলছে জোরকদমে। ভোটপ্রার্থীদের সমর্থনে পোস্টার ব্যানার দলীয় পতাকাও দেখা দিতে শুরু করেছে চারপাশে।  
বিশদ

17th  March, 2019
তীব্র জলসঙ্কট হয় মানুষের কারণে
খেসারত দিতে হবে মানুষকেই 
মৃন্ময় চন্দ

নদী বিক্রি? আজব কথা, তাও কি হয় সত্যি? ছত্তিশগড় তখনও নয় স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্য, কুলকুল করে বয়ে চলেছে ‘শেওনাথ’ নদী। ১৯৯৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ২৩ কিমি দীর্ঘ ‘শেওনাথ’ নদীটিকে ৩০ বছরের লিজে হস্তান্তর করল স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে।  বিশদ

16th  March, 2019
সংরক্ষণের রাজনীতি, রাজনীতির সংরক্ষণ 
রঞ্জন সেন

আগে ব্যাপারটা বেশ সহজ ছিল, সিপিএম, সিপিআই মানেই শ্রমিক-কৃষক- মধ্যবিত্তদের দল, কংগ্রেস উচ্চবিত্তদের দল, বিজেপি অবাঙালি ব্যবসায়ী শ্রেণীর দল। এই সরল শ্রেণীবিভাগ এখন অচল। বাম আমলে আমরা দেখেছি, টাটাদের মতো শিল্পপতিরাও বামেদের বেশ বন্ধু হয়ে গেছেন।   বিশদ

16th  March, 2019
সন্ত্রাসবাদীদের চক্রব্যূহে ফেঁসে
রয়েছেন ইমরান খান
মৃণালকান্তি দাস

২০১৩ সালে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তানি তালিবান কম্যান্ডার ওয়ালি-উর-রেহমান। প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিলেন ইমরান খান। সেদিন ট্যুইট করে বলেছিলেন, ‘ড্রোন হামলায় শান্তিকামী নেতা ওয়ালি-উর-রেহমানকে হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ, যুদ্ধ ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হল যোদ্ধাদের। একদমই মানতে পারছি না।’
বিশদ

15th  March, 2019
অথ শ্রীমহাভারত কথা
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

আবার এক মহাভারত যুদ্ধ সমাগত। রণবাদ্য বাজিয়ে যুদ্ধের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে, আকাশে-বাতাসে সেই যুদ্ধের বার্তা ভাসছে, প্রস্তুতি চলছে নানা স্তরে, সর্বত্র সাজ সাজ রব উঠে গেছে। বাদী, সম্বাদী, বিবাদী সব দলই নানা উপায়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম, দান, দণ্ড, ভেদাদি প্রতিটি উপায়ই সমাজের নানা স্তরে নানাভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে।
বিশদ

14th  March, 2019
ভোটজয়ে যুদ্ধের ভাবাবেগের একাল সেকাল
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 পুলওয়ামার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রত্যাঘাত এবং পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানের আক্রমণ প্রতিহত করা, কোনও শর্ত ছাড়াই উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্ত করে এনে ভারত যে শৌর্যের প্রদর্শন করেছে তা বিরাট গর্বের।
বিশদ

12th  March, 2019
গোঁফ দিয়ে যায় চেনা?
অতনু বিশ্বাস

 উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অকুতোভয় সাহসিকতা আর কর্তব্যনিষ্ঠায় মোহিত ভারতবাসী। তারা খুঁজতে চায় সেই রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব। সুকুমারী দুনিয়ার হেড অফিসের বড়বাবু তো সেই কবেই বলেছেন, গোঁফ দিয়েই নাকি চেনা যায় আমাদের সব্বাইকে। তবু, ছেলেবেলা থেকে এনিয়ে সন্দেহ আমার পুরোদস্তুর।
বিশদ

12th  March, 2019
যুদ্ধ বনাম শান্তি এবং বাঙালি মগজের অবস্থান
 

শুভময় মৈত্র: সকালবেলা দুধের ডিপোয় গভীর আলোচনা। পলিথিনবন্দি দুশো গ্রাম দই আর পাঁচশো মিলিলিটার গুঁড়ো গোলা দুধ কিনতে গিয়ে মহা বিপদে পড়তে হল। একটু আধটু লিখি সেকথা যাঁরা জানেন তাঁরা ঘিরে ধরে বললেন যে যুদ্ধ নিয়ে লিখুন যত খুশি, তবে নিজের মাথা বিক্রি করে নয়। অর্থাৎ বক্তব্য খুব পরিষ্কার। যুদ্ধের পক্ষে বা বিপক্ষে যাই লিখুন না কেন, সেটার পিছনে যেন নিজের ধান্দা না থাকে।   বিশদ

11th  March, 2019
জাতীয়তা-বিরোধী সংবাদপত্র! 

পি চিদম্বরম: রাফাল বিতর্ক থামবে না! পুলওয়ামায় জঙ্গিহামলা এবং অতঃপর ভারতীয় বায়ুসেনার প্রত‌্যাঘাতের কারণে বিতর্কটা যদি যবনিকার আড়ালে চলে গিয়ে থাকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই সেটাকে মঞ্চের মাঝখানে এনে ফেলেছেন প্ররোচনামূলক মন্তব‌্য করে—‘‘আমাদের যদি রাফাল যুদ্ধবিমান থাকত ...।’’  বিশদ

11th  March, 2019
মমতার নামে কুৎসা করে
বাংলার ভোট জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

 কুৎসা ছাড়া কী? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশপ্রেমিক নন! তিনি সেনার মর্যাদা গৌরব বোঝেন না! তিনি পাকিস্তানের হয়ে কথা বলছেন! এসব কুৎসা ছাড়া কী? আমাদের রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশেও কি কেউ এক মুহূর্তের জন্য বিশ্বাস করবে এইসব? এমনকী মমতার অন্ধ বিরোধীরাও কি এমন কথা মানবে?! অসম্ভব।
বিশদ

10th  March, 2019
মিথ্যা‌ই সত্য
সমৃদ্ধ দত্ত

 এই যে কোনও আধুনিক সভ্যতার উপকরণ নির্মাণেই আমরা পশ্চিমি দেশের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছি না এটাই কি শেষ কথা? ভারত কি সত্যিই কোনও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং-এই এক নম্বর নয়? এটা ভুল ধারণা। আমরা এক নম্বর স্থান পেয়েছি একটি আন্তর্জাতিক ইস্যুতে। সেটি হল ফেক নিউজ।
বিশদ

08th  March, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সুপার কাপে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্ট বেঙ্গলের ইনভেস্টর কোয়েস। ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবের শীর্ষ কর্তারা আবার সুপার কাপে খেলতে মরিয়া। অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন আবার ইস্ট বেঙ্গলকে চিঠি দিয়ে সুপার কাপে খেলার আহ্বান জানিয়েছে। ...

 তিরুপতি, ১৭ মার্চ (পিটিআই): রবিবার ভোরে তিরুমালার বেঙ্কটেশ্বর মন্দির চত্বর থেকে এক দম্পতির তিন মাসের বাচ্চা চুরি হয়েছে। তামিলনাড়ুর ভিল্লুপুরমের বাসিন্দা এই দম্পতি যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখনই তাঁদের শিশুটি চুরি হয়। গত তিন বছর ধরেই এই দম্পতি এখানে গলার হার, ...

সঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিলিগুড়ি, বিএনএ: ভোটের হাওয়া উঠতেই উত্তরবঙ্গের শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপি’র মূল লড়াই হবে বলেই আলোচনা ছড়িয়েছে। তৃণমূল প্রচারে তাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিজেপি’কে যে গুরুত্ব দিচ্ছে তা কংগ্রেস ও সিপিএম তথা বামেরা পাচ্ছে না।  ...

 করাচি, ১৭ মার্চ (পিটিআই): রবিবার পাকিস্তানের অশান্ত বালুচিস্তান প্রদেশে রেললাইনে বিস্ফোরণে দুই মহিলা সহ চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আটজন। বিস্ফোরকটি রাখা ছিল বালুচিস্তানের ডেরা মুরাদ জামালি এলাকায়। দুষ্কৃতীদের লক্ষ্য ছিল রাওয়ালপিন্ডি থেকে কোয়েটাগামী যাত্রীবাহী জাফর এক্সপ্রেস। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৭- প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ডের জন্ম
১৯০১- সাহিত্যিক ও পরিচালক শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৩৯- প্রাক্তন ইংরেজ ফুটবলার রন অ্যাটকিনসনের জন্ম
১৯৭৪- কবি বুদ্ধদেব বসুর মৃত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৪৮ টাকা ৭০.১৭ টাকা
পাউন্ড ৯০.২২ টাকা ৯৩.৫০ টাকা
ইউরো ৭৭.৪০ টাকা ৭৯.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  March, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৪৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০, ৮০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ২৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮, ০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮, ১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
17th  March, 2019

দিন পঞ্জিকা

৩ চৈত্র ১৪২৫, ১৮ মার্চ ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ২৯/৫১ সন্ধ্যা ৫/৪৪। অশ্লেষা ৩৯/৫৭ রাত্রি ৯/৪৬। সূ উ ৫/৪৭/৫, অ ৫/৪২/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৭/২১ মধ্যে পুনঃ ১০/৩৩ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩১ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ২/৩৩ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে পুনঃ ২/৪৪ গতে ৪/১৩ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৪৫ মধ্যে। 
৩ চৈত্র ১৪২৫, ১৮ মার্চ ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ২/২৬/৫০। অশ্লেষানক্ষত্র রাত্রি ৭/৩/২৪, সূ উ ৫/৪৭/৩২, অ ৫/৪২/১, অমৃতযোগ দিবা ৭/২২/৪৮ মধ্যে ও ১০/৩৩/২০ থেকে ১২/৫৬/১৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩০/২৩ থেকে ৮/৫৫/২৯ মধ্যে ও ১১/২৯/৩৫ থেকে ২/৩৪/৪ মধ্যে, বারবেলা ২/৪৩/২৪ থেকে ৪/১২/৪৩ মধ্যে, কালবেলা ৭/২৬/৫১ থেকে ৮/৪৬/৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৪/৫ থেকে ১১/৪৪/৪৬ মধ্যে। 
১০ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়ায় আইইডি বিস্ফোরণ, জখম ৫ সিআরপিএফ জওয়ান 

06:48:58 PM

কলকাতা বিমানবন্দরে ২ জন রোহিঙ্গা সহ গ্রেপ্তার ৩ 

06:24:00 PM

অনুব্রতর মন্তব্য নিয়ে রিপোর্ট তলব কমিশনের  
অনুব্রত মণ্ডলের মন্তব্য নিয়ে বীরভূমের জেলাশাসক মৌমিতা গোধারা বসুর কাছে ...বিশদ

05:35:12 PM

সল্টলেকে গাড়ির ধাক্কায় জখম এক সাইকেল আরোহী  

05:00:00 PM

নেদারল্যান্ডসের উৎরেষ্ট শহরে বন্দুকবাজের হামলা, হত ১, জখম বেশ কয়েকজন

04:11:00 PM

৭১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

03:54:21 PM