গল্পের পাতা
 

গানের ভিতর দিয়ে 

স্বপ্নময় চক্রবর্তী:  বাঙালির মনন বাংলা গানকে বলেছে তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে। বাংলা গান এসেছে নবনব রূপে। কিন্তু কানে এসেছে প্রাণে নয়। সেই কবিওয়ালাদের গান থেকে রামপ্রসাদ-নিধুবাবু হয়ে সলিল চৌধুরি হয়ে আজকের ব্যান্ডের গান পর্যন্ত নব নব রূপেই এসেছে। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের গান কী করে যেন রূপের মধ্যে অরূপ হয়ে থেকেছে। অরূপ তোমার বাণী হয়ে বয়ে গেছে।
আমি প্রাক্‌রা঩বীন্দ্রিক যুগের গানের কথা জানি না। রবীন্দ্র-পরবর্তী গানগুলি কিছু জানি। কিছু গান মরুপথে দিশা হারিয়েছে, কিছু গান শীর্ণ স্রোতে রবীন্দ্রগানের মূল ধারায় এসে নত হয়ে মিশে গেছে।
নব্বইয়ের দশকে দেখেছি একদল ছেলে জিনস পরে খোঁচা দাড়ি এবং খুস্কো চুল পিঠে গিটার নিয়ে নতুন কিছু করার চেষ্টা করেছে। সুমন এবং পরবর্তী দুই তিন দশক নিশ্চয়ই নতুন কিছু তো হয়েছে, কিন্তু ওরাও শুরুতেই রবীন্দ্রনাথ দিয়েই তো শুরু করে ওদের গান। সুমন, নচিকেতার কণ্ঠেও ব্যাপ্ত হয়েছে রবীন্দ্রনাথের গানে।
গত চার পাঁচ দশকে শহুরে বাঙালির জীবনযাত্রা বদলেছে তুমুল। বদলেছে মুখের ভাষা, খাদ্য, পোশাক, মূল্যবোধ। অথচ রবীন্দ্রনাথের গান কিন্তু পাশাপাশি চলেছে ঠিক। ইংরেজি মাধ্যমে পড়া আধুনিক ছেলেমেয়েরাও রবীন্দ্রনাথের গান গাইতে পারাটাকে অতিরিক্ত যোগ্যতা মনে করে। কী করে, কোন জাদুশক্তিতে রবীন্দ্রনাথের গান ধুতি পরা বাঙালি থেকে জিনস পরা বাঙালি পর্যন্ত, চিড়ে-মুড়ি খাওয়া বাঙালি থেকে বার্গার পিৎজা খাওয়া বাঙালি পর্যন্ত, যুদ্ধ-দাঙ্গা-দেশভাগ-গণনাট্য-নবনাট্য-মিস শেফালি অতিক্রম করা, কংগ্রেস-বামফ্রন্ট-তৃণমূল অতিক্রম করা বাঙালির পথচলায় রবীন্দ্রনাথের গান পাহাড়ি পথের পাশে পাশে বয়ে চলা নদীর মতোই রয়ে গেল।
একটা সময় ছিল যখন গান করতে মঞ্চে গায়ক এবং একজন তবলচি ছাড়া কিছুই লাগত না। রবীন্দ্রনাথ গান গাইতেন হারমোনিয়াম ছাড়া। ছবিতে দেখেছি গোল চশমা চোখে রবীন্দ্রনাথ গান গাইছেন, পাশে দীনেন্দ্রনাথ ঠাকুর এস্রাজ নিয়ে। শৈলজারঞ্জন শুধু তানপুরায় গাইতেন। হেমন্ত সুবিনয়— দেবব্রতদের হারমোনিয়াম নিয়ে গাইতে দেখেছি। আবার একইরকম ভালো লেগেছে স্বাগতালক্ষ্মী যখন কি বোর্ডে গান গেয়ে ওঠেন। আবার একইরকম, নাকি অন্যরকম ভালো লেগেছে যখন সুমন গিটারে ঝংকার দিয়ে গেয়ে ওঠেন ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে— তখনও একইরকম ভালো লাগে যে... কী করব। গানের অনুষঙ্গ বদল হয়েছে, কিন্তু গানের মহিমা তো ক্ষুণ্ণ হয়নি কখনও। ছোটবেলায় আমার মায়ের কণ্ঠে একেবারেই খালি গলায় শুনতাম ‘দিবস রজনী’ আমি যেন কার আশায় আশায় থাকি... তখনও কেমন একটা জাদুকরি ভালোলাগা ছিল, আমিও আশায় আশায় থাকতাম যা আবার কখন আনমনে গুনগুনিয়ে উঠবেন।
রবীন্দ্রনাথের গানের পরিবেশন কতরকমভাবে হয়েছে। দেবব্রত বিশ্বাস কিছু বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করেছিলেন বলে বিশ্বভারতীর সংগীত বোর্ড আপত্তি করল, আকাশবাণীতে রবীন্দ্রসংগীতের সঙ্গে হারমোনিয়ামের ব্যবহার কতদিন বন্ধ ছিল, এ সবই পেরিয়ে এসেছি আমরা। এখন রবীন্দ্রনাথের গানের সঙ্গে বিচিত্র ধরনের শব্দানুষঙ্গ জোড়া হয়। আরও কত কিছু জুড়ছে তবুও কেন যেন সবই ভালো লাগছে। একটি চলচ্চিত্রে পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে গানটির সঙ্গে হুলালা হুলালা যুক্ত হয়েছিল। আমার তো সেটাও ভালো লাগল। আবার মায়াবন বিহারিণী হরিণী গানটি র‌্যাপ কায়দায় গাওয়া হল। খারাপ লাগল না তো... সেই কবে চারুলতা ছবিতে কিশোর কুমারকে দিয়ে সত্যজিৎ রায় ‘আমি চিনি গো চিনি তোমারে’ গাওয়ালেন। সেটা কি স্বরলিপি অনুযায়ী ছিল পুরোপুরি? আমি জানি না। আমি গানের ব্যাকরণ একেবারেই বুঝি না। কিচ্ছু বুঝি না। কিন্তু, গানটা শুনে মনে হয় অর্থোডক্স রবীন্দ্রপ্রেমীদের গানটি’র গায়ন ভালো লাগবে না। বিশেষত শেষের বউঠাকুরণের শব্দটির সংযোজনা নেহাৎ সত্যজিৎ রায় বলেই কেউ কিছু বলতে পারেনি। কিন্তু আমাদের মনে হয় ওই গানটি কিশোর কুমারের ওই ঢং ছাড়া অন্য কোনওভাবে অমলের কণ্ঠে মানাত না। রবীন্দ্রনাথের গান ছোটবেলা থেকেই আমাদের কানে ঢুকেছে, কিন্তু প্রাণে ঢুকেছে ধীরে ধীরে। যত বয়স বাড়ছে তত নব নব রূপে আসছে প্রাণে। একবার সমুদ্রের ধারে বসে আছি। ঢেউ আসছে, আবার চলে যাচ্ছে। মনের মধ্যে ভেসে এস কুসুমে কুসুমে চরণ চিহ্ন দিয়ে যাও কোথায় কুসুম সামনে তো ঢেউ। ঊর্মিমালা। আসছে, ভাঙছে, আবার চলে যাচ্ছে। তার পরেই একটা শব্দ— ওহে চঞ্চল। এই তো রঙ্গমালা তো নিত্য চঞ্চল। তারপরেই বেলা না যেতে খেলা কেন তব যায় ঘুচে। রবীন্দ্রনাথ মোটেই সমুদ্র ঢেউ কে ভেবে গানটি লেখেননি। কিন্তু এই গান আবার সত্য হয়ে উঠল কোনও নিকট বন্ধুর অকালপ্রয়াণে। আবার এই সমুদ্রতীরেই আর একবার মনে হল অন্য একটি গান— আমি হেথায় থাকি শুধু গাইতে তোমার গান। দিন রাত তোমারই তো গান গাইছে। আজ যেমন করে গাইছে আকাশ তেমন করেই তো গাইছে। তারপরএই গানের শেষে লাইনটা সমুদ্রের অফুরান্ত ঢেউয়ে মিশে গেল— ‘হাওয়া যেমন পাতায় পাতায় মর্মরিয়া বনকে কাঁদায় তেমনি আমার বুকের মাঝে কাঁদিয়া কাদাও গো’। কি আশ্চর্যভাবে একটি গানের সঙ্গে অন্য একটি গান মিশে আছে। সমুদ্রজল বেলাভূমিতে এল, স্তিমিত হল, রেখে গেল ফেনার বুদবুদ, সেটুকুও মিলাল ধরনীতে। তারপর আবার নতুন তরঙ্গ। এটাই তো প্রাণের খেলা। জগতের নিয়ম। আবার এই সাগর কিনারেই মনে হল— আমি হেথায় থাকি শুধু গাইতে তোমার গান। বিরাট আকাশ আর অনন্ত জলরাশির সামনে দাঁড়িয়ে মনে হল আমি তোমার ভুবন মাঝে, লাগিনি নাথ কোনও কাজে শুধু কেবল সুরে বাজে অকাজের এই প্রাণ। কী আশ্চর্য! আজকাল এই বয়সে তো সমুদ্রের ধারে গেলে ‘সুনীল সাগরের শ্যামল কিনারে’ মনে হয় না। আরও বৃহত্তর ব্যঞ্জনা নিয়ে আসে বিশ্বপ্রকৃতি। কেন জানি না কয়েকটি গান আমাকে ভীষণরকম নাড়ায়, কাঁদায়। একটি গান হল ‘ও অকূলের কূল ও অগতির গতি’...। শেষ লাইনটি হল— ‘ও জনমের দোলা, ও মরণের কোল’। কী এক আশ্চর্য সুরে জীবন ও মৃত্যুকে আহ্বান। শেষ ও আরম্ভকে।
রবীন্দ্রনাথের গানকে আধুনিক গান বলা হয় না। বলা না হলেও এই গানগুলি একইসঙ্গে শাশ্বত ও আধুনিক। ‘আধুনিক গান’— কথাটা কলকাতা বেতারের উদ্ভাবন নয়। ঢাকা বেতার কেন্দ্রের। ১৯২৭ সালে কলকাতা বেতারকেন্দ্র চালু হওয়ার পর উচ্চাঙ্গ সংগীত এবং ধর্মমূলক সংগীত ছাড়া যে সব গান শোনানো হত, তার নাম ছিল কাব্যগীতি। রবীন্দ্রনাথের গান, নজরুল, দ্বিজেন্দ্রলাল বা তুলসি লাহিড়ী সবার লেখা গানই কাব্যগীতি ছিল। ঢাকা বেতার কেন্দ্র ভেবেছিল পুরোপুরি ব্যাকরণ অনুসারী হওয়া আধুনিকতার ধর্ম নয়। নির্দিষ্ট রাগ রাগিনীর ছাঁচে গানকে ঢালাই করা আধুনিকতা নয়।
মল্লারেই বর্ষার গান বাঁধতে হবে, কিংবা করুণ রসের গান রাগেশ্রী বা বেহাগেই ধরতে হবে এমন শর্ত আধুনিকতা নয়। নবনির্মিত গানগুলিকে আধুনিক গান বলা হতে লাগল। কালক্রমে দেখা গেল রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, রামপ্রসাদ, দ্বিজেন্দ্র, রজনীকান্ত, অতুলপ্রসাদের বাইরে বাকি সমস্ত গীতিকারের গানকে আধুনিক গান বলা হচ্ছে। কিন্তু আধুনিকতার সংজ্ঞায় রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলই সবচেয়ে বেশি আধুনিক। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের গানের গভীরতা এত বেশি যে তল পাওয়া যায় না। কিন্তু স্তরে স্তরে ঢোকা যায় এবং নান্দনিক মূল্য ছেড়ে দিলেও যেটা পাই সেটা হল শুশ্রূষা। গানটা কানের বিষয় না হয়ে প্রাণের বিষয় হয়ে ওঠে। কথা হচ্ছিল আধুনিকতা নিয়ে। রবীন্দ্রগানকে আধুনিক গানের বাইরে রাখার পিছনে একটা যুক্তি কাজ করেছিল। আধুনিক মানে এই মুহূর্তের। কিন্তু রবীন্দ্রসংগীত চিরকালের। কিন্তু আর আধুনিক কবিতা আধুনিক হয়ে উঠেছিল গত শতাব্দীর তিরিশ দশকে রবীন্দ্রনাথকে বিরোধিতা করতে গিয়ে। কিন্তু আধুনিক বাংলা গানের জন্ম রবীন্দ্র বিরোধিতার মধ্যে নয়। রবীন্দ্রগানেরই একটি অক্ষম উপধারা হয়ে থেকেছে। এখন বাংলা আধুনিক গানের মূল প্রবাহ রবীন্দ্র সংগীত যার ভিতরে মিশে রয়েছে শাস্ত্রীয় সংগীত, কীর্তন, টপ্পা এরকম অনেক অনুপান। আশ্চর্য এর ধারণ ক্ষমতা। এর মধ্যে হুলা হুলা, র‌্যাপ ইত্যাদি মেশাতে পারলে মিশে যায়। তবে রবীন্দ্রগানের ভিতর দিয়ে যে ভূবনখানি দেখি, ‘তখন তারে চিনি আমি, তখন তারে জানি।’
14th  May, 2017
 তিনপুরুষী বচন: ডাক, ঘাঘ এবং রাবণ

 বারিদবরণ ঘোষ: খনার বচনের মতো বাংলা আর অসমে ডাকের বচনের পরিচিতি আদৌ কম নয়। ডাক কি কোনও লোকের নাম? বলা মুশকিল। কথায় বলে ডাকপুরুষের বচন। এ থেকে বোঝা যায় ডাকপুরুষ হল জ্ঞানীমানুষ। ডাক হল আহ্বান—ডাকা। তার মানে জ্ঞানীমানুষের আহ্বান, তিনি ডেকে যে সব কথা শোনাতে চেয়েছেন সেসব তাঁর অভিজ্ঞতার ফসল। বিশদ

কিছু পথ কিছু কথা

তরুণ চক্রবর্তী: রজক কুলোদ্ভব রতন সরকারের মতো ভাগ্যবান ছিলেন আরও অনেকেই, সমাজের নিম্নবর্গের মানুষ হয়েও যাঁরা নিজেদের নাম খুদে দিতে পেরেছিলেন সেকেলে কলকাতার পথের গায়ে। এমন একদল মানুষ হলেন খানসামা। একালে এই ‘খানসামা’ শব্দটি অচেনা ঠেকলেও এক সময়ে ভৃত্য বিশেষ খানসামাদের সমাদর ছিল খুবই। কলকাতার বেশ কয়েকটি গলি এদের নামেও নামাঙ্কিত হয়েছিল। তারই কিছু ইতিবৃত্ত খুঁজি।
বিশদ

 বুলিদি

 মুক্তি বন্দ্যোপাধ্যায়: ও তাই তো বলি দুধ এত কম কেন, বলিহারি আক্কেল তোর। ভাইটা আমার এতদিন পর এসেছে একবাটি ঘন দুধ খাওয়াব, না রোজ দুধ কম। এই কথাগুলো শুনতে শুনতে ঘুম ভাঙল আমার। পল্লিগ্রামের সকাল এক সোঁদা গন্ধ মাখা, সবুজ চাদর গায়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, এটাই আমার মনে হয়।
বিশদ

গ্রাম ধুলিহরের জলিল মিঞা

 অমর মিত্র: জলিল মিঞা থাকে ধুলিহর গ্রামে। গ্রামটি বাংলাদেশের জেলা শহর সাতক্ষীরে থেকে পাঁচ কিলোমিটারের ভিতর। সাধারণ গ্রাম। কিছুটা গিয়ে বেতনা নদী। বেতনা গিয়ে পড়েছে কপোতাক্ষ নদে। সব নদীই এখন শুকিয়েছে বুড়ি হয়ে, বুড়ো হয়ে। জলিল মিঞার বাবা শুকুর আলি এই ধুলিহরে এসেছিলেন যখন, জলিলের বয়স বছর আড়াই।
বিশদ

18th  June, 2017
 তারানাথ পিশাচ
গুণীজনের অলৌকিক অভিজ্ঞতা

 অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: বামদেব হাসছেন, শিশুর মতো খিল খিল করে হাসছেন। উপস্থিত ভক্ত ও পাণ্ডারা বাবার কাণ্ড দেখে অবাক। এক ভক্ত সাহস করে জিজ্ঞেস করলেন, বাবা, কী হয়েছে! আপনি এরকম হাসছেন কেন? বিশদ

18th  June, 2017
 তারা খসে পড়ে

সুব্রত মুখোপাধ্যায়: ফুলবাড়ি বর্ডারের এপার ওপার কাঁটা ও জালি তার দিয়ে দু’টি ধার আলাদা করার পাকাপোক্ত ব্যবস্থা। এই ফুলবাড়ি শিলিগুড়ি শহর থেকে মাত্র আট কিলোমিটার দূরে। বর্ডার বলতে যেরকম ধূসর ধূসর মনে হয় এ তা নয়। বেশিরভাগই গাছপালা আর সবুজ ঘাসময়। দেখলে চোখ জুড়োয় কিন্তু মন খাঁ খাঁ করে। বিশদ

18th  June, 2017
কিংবদন্তির নায়ক নায়িকা
খনার বচন 

বারিদবরণ ঘোষ:  ছোট্টবেলায় আকাশের দিকে তুলো পেঁজা মেঘ দেখতে দেখতে মাকে বলতে শুনতাম—
কোদালে কুড়ুলে মেঘের গা/ ঠান্ডা ঠান্ডা দিচ্ছে বা। মা বলত—খনার বচন।
বিশদ

11th  June, 2017
কিছু পথ, কিছু কথা 

তরুণ চক্রবর্তী:  বলি বটে পায়ে চলার পথ, পায়ে পায়ে এগিয়ে যেতে থাকলে পদমর্যাদায় তাদের অবস্থান দেখে হাঁ হয়ে যেতে হয়। এই শহর কলকাতার পথের বিচিত্র সব কাহিনিই তা বলে দেবে। পথ তো শুধুই পথমাত্র নয়, এক একটি পথের বুকে কান পাতলে শোনা যাবে কত না গল্পের টুকরো।
বিশদ

11th  June, 2017
অন্তররেশ

গৌতম দে:  সল্টলেক থেকে দক্ষিণের বাস অল্প। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে তবে বাস পাওয়া যায়। বসার জায়গা পাওয়া যায় না। যদি পাওয়া যায় লটারির ফার্স্ট প্রাইজের মতো। আজ যেমন পেয়েছে নমিতা। জানলার ধারে না হলেও এক যাত্রীর পাশে।
বিশদ

11th  June, 2017
কুহা

বাণীব্রত চক্রবর্তী : কুহা বলল, ‘আজ বিকেলে গির্জার সামনে আসতে পারবে?’ হিমান্ত বলল, ‘কী ব্যাপার বলো তো! কালই দেখা হল। রুবি কাফেতে বসে কত গল্প করলাম। বলেছিলে আবার কবে দেখা হবে ফোনে জানাবে।’ ‘সেটাই তো জানাচ্ছি। বিকেল পাঁচটায় গির্জার সামনে।’ হিমান্ত জিজ্ঞেস করল, ‘এমন জরুরি তলব কেন!’— , ‘ফোনে বলা যাবে না। বিকেলে এসো।’
বিশদ

04th  June, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার:বিজেপির বিস্তারক কর্মসূচির মোকাবিলায় তৃণমূল কংগ্রেস বীরভুম জেলায় ইতিমধ্যেই পালটা বিস্তারক কর্মসূচি শুরু করেছে। এবার পঞ্চায়েত ভোটের আগাম প্রস্তুতি হিসাবে তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার-১ ব্লক সভাপতি মনোরঞ্জন দে তাঁর ব্লকে বুথ ভিত্তিক খুলি বৈঠক শুরু করেছেন। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: স্ত্রী ও শাশুড়ির বঁটির কোপে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি হলেন স্বামী। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নিউটাউনের প্রমোদগড় বাজার এলাকায়। স্থানীয় সূত্রের খবর, পারিবারিক বিবাদের জেরে শুভঙ্কর সরকারের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর স্ত্রীর অশান্তি চলছিল। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: তারাপীঠে ব্যতিক্রমী রথের দড়িতে টান দিতে শনিবারই দূরদূরান্ত থেকে কয়েক হাজার ভক্ত তারাপীঠ এসেছেন। সাধারণত জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে রথে বসিয়ে রথযাত্রা উৎসব পালিত হয়। কিন্তু তারাপীঠে তারা মা-ই রথে আরোহন করেন। রথ, উলটো রথ দুই পর্যায়ের রথেই ...

 বেজিং, ২৪ জুন (পিটিআই): বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সাবমেরিন ডিটেক্টর আবিষ্কার করল চীন। আজ ‘দ্য চাইনিজ আকাদেমি অব সায়েন্সেস’-এর একদল বিজ্ঞানী এই দাবি করেছেন। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লৌহ ও ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯০৩- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের জন্ম
১৯৬০- কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের মৃত্যু
১৯৭৪- অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের জন্ম
১৯৭৫- প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে জরুরি অবস্থা জারি করলেন
২০০৯- মার্কিন পপ সংগীত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৫ টাকা ৬৫.৪৩ টাকা
পাউন্ড ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৪২ টাকা
ইউরো ৭০.৭৬ টাকা ৭৩.২৮ টাকা
24th  June, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,২০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১০ আষাঢ়, ২৫ জুন, রবিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ১/২, পুনর্বসুনক্ষত্র রাত্রি ১১/২৫, সূ উ ৪/৫৭/৩৬, অ ৬/২০/৩৬, অমৃতযোগ ৬/৪৪-৯/২৫ পুনঃ ১২/৫-২/৪৫ রাত্রি ৭/৪৫ পুনঃ ১০/৩৫-১২/৪৩, বারবেলা ৯/৫৮-১/১৯, কালরাত্রি ১২/৫৯-২/১৯।

রথযাত্রা উৎসব
রাত্রি ১/৩৮/২৯ অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ

১০ আষাঢ়, ২৫ জুন, রবিবার, প্রতিপদ ৬/২১/২১ পরে দ্বিতীয়া রাত্রিশেষ ৪/৮/৫০, পুনর্বসুনক্ষত্র ২/৪৯/৪৫, সূ উ ৪/৫৪/৫৩, অ ৬/২২/১২, অমৃতযোগ দিবা ৪/৪২/৩১-৯/২৩/৫৯, ১২/৫/২৭-২/৪৬/৫৫ রাত্রি ৭/৪৬/৩৩, ১০/৩৫/১৬-১২/৪১/৪৮, বারবেলা ৯/৫৭/৩৮-১১/৩৮/৩৩, কালবেলা ১১/৩৮/৩৩-১/১৯/২৮, কালরাত্রি ১২/৫৭/৩৮-২/১৬/৪৩।

রথযাত্রা উৎসব
রাত্রি ১/৩৮/২৯ অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ
২৯ রমজান

ছবি সংবাদ


এই মুহূর্তে
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বনগাঁর গনরাপোতা বাজার এলাকা থেকে ১৫০টি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার করল পুলিশ, গ্রেপ্তার ৬

10:20:00 AM

লখনউতে ১৪ বছর বয়সী এক পুলিশ অফিসারের কন্যার আত্মহত্যা, চাঞ্চল্য

10:16:00 AM

পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে তেলের ট্যাঙ্কার থেকে আগুন লাগার ঘটনায় মৃত শতাধিক, গুরুতর জখম ৪০

10:14:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ট্রাফিকের সামান্য চাপ রয়েছে এজেসি বসু রোড, ইএম বাইপাস, মা উড়ালপুল, পার্কস্ট্রিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে। এদিন শহরে তেমন কোনও বড় মিটিং-মিছিলের খবর নেই। ফলে মোটামুটি সারাদিনই শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে আজ রথযাত্রাকে ঘিরে বেশ কয়েকটি রাস্তায় যানজট দেখা দিতে পারে। ইসকনের রথ অ্যালবার্ট রোড থেকে হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট, এজেসি বোস রোড, শরৎ বসু রোড, হাজরা রোড, এসপি মুখার্জি রোড, আশুতোষ মুখার্জি রোড, চৌরঙ্গি রোড, এক্সাইড ক্রসিং, জওহরলাল নেহরু রোড, আউটরাম রোড হয়ে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে থামবে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে যে ক’দিন ইসকনের রথ থাকবে, সেই ক’দিন সেখানে প্রসাদ বিতরণ, নানা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। অন্যদিকে, মেট্রোর কাজের জন্য ২৯ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ব্রাবোর্ন রোড ফ্লাইওভার ব্রিজ। সেই সময় সমস্ত গাড়ি মহাত্মা গান্ধী রোড, পোস্তা ও স্ট্যান্ড রোড দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। তার ফলে ওই এলাকাগুলিতে যানজট দেখা দিতে পারে। কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, মা ফ্লাইওভারের নতুন ফ্ল্যাংকের নির্মাণ কাজ চলায় আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কড়েয়া রোড ও বেকবাগান রো'র মধ্যবর্তী সার্কাস এভিনিউ'র দক্ষিণ অভিমুখও বন্ধ থাকবে। তার জেরে ওই এলাকাতেও যানজটের সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রাফিক সংক্রান্ত যে কোনও খবরাখবরের জন্য কলকাতা পুলিশের টোল ফ্রি নম্বর ১০৭৩-তে ফোন করুন।

10:02:00 AM

মধ্য জাপানে ভূমিকম্প, রিখটার স্কেলে ৫.২

09:38:00 AM

চীনে ভূমিধস, মৃত ১৫, নিখোঁজ শতাধিক

09:34:00 AM