গল্পের পাতা
 

দর্পণে গ্রহণ 

কাবেরী চক্রবর্তী:  ‘স্ত্রী বিদ্যাভাস। চন্দ্রিকা ও প্রভাকর।
গত সপ্তাহের দর্পণে বিফার্মারে প্রকাশিত বাবু কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষের এক পত্রের বিষয়ে এবং আমাদের এক পত্রপ্রেরকের পর ইত্যঙ্কিত পত্রের বিষয়ে চন্দ্রিকা সম্পাদক মহাশয়ের উক্তি আমার দর্পণে অর্পণ করিলাম। এবং তদ্‌঩বিষয়ক প্রভাকরণ সম্পাদক মহাশয়ের উক্তিও অদ্য প্রকাশ করিলাম। উক্ত মহাশয়েরা স্বয়ং বিদ্বান হইয়া যে অজ্ঞানতার সপক্ষ হইতেছেন তাঁহারদের এতদ্রূপ উৎসাহ দেখিয়া আমরা বিস্মিত হইলাম।’
...বাপ রে! তখনকার দিনেও মেয়েদের নিয়ে এভাবে চর্চা চালাত ছেলেদের দল, তাও আবার খবরের কাগজের পাতায়,... আশ্চর্য তো!
চন্দ্রিকার মন্তব্য ছিল, ‘স্ত্রীলোকের ইহকাল পরকাল মঙ্গল কেবল, স্বামী সেবাতে হয়। ম্লেচ্ছরা যেমন বেদপাঠ করবে না, স্ত্রীলোক-শিক্ষা শাস্ত্রে নেই।’
বাহ্‌! কী অযৌক্তিক যুক্তি। অহেতুক কোঁদল। আর তাতে গলা মিলিয়েছেন তখনকার সমাজের নামী-দামি ব্যক্তিত্ব। সমাচার দর্পণ হল উদারপন্থী। শ্রীরামপুর প্রেস থেকে মিশনারিদের উৎসাহে প্রকাশিত হলেও, বাঙালি যুক্তিবাদী বিশিষ্টজনেরা যুক্ত ছিলেন। তাই দর্পণের পাতায়, ‘মৈত্রেয়ী, শকুন্তলা, অনসূয়া, খনা, রানি ভবানী’ প্রমুখের উদাহরণ। দর্পণের যুক্তি, ‘কর্ণাট, দ্রাবিড়, মহারাষ্ট্র, তৈলঙ্গ ইত্যাদি দেশে অনেক নারী বিদ্যাবতী। যেমন অহল্যাবাঈ। গৌড় আর হিন্দুস্থানে বহুকাল যবনাধিকার হওয়াতে মেয়েরা অন্তঃপুরবাসিনী হয়। অত্যাচার থেকে বাঁচতে।’
...আর অন্তঃপুরে তারা হয়ে পড়ে পুরুষের মেজাজ মর্জির অধীন। সোজা হিসাব। সেই আদিযুগ থেকে আর বদলাল না বাঙালি পুরুষ। নিজের মনেই হেসে ফেলল সমতা। পুরানো দিনের খবরের কাগজ খুলে বসেছে, ন্যাশনাল লাইব্রেরির স্টাডিরুমে। কী যে ভালো কাটে সময়টা...। কত বই, কত বিষয়! বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র ‘সমাচার-দর্পণ’ পড়ছে ক’দিন ধরে। এইসব পুরানো বইপত্র ঘাঁটতে, পড়তে ভীষণই ভালো লাগছে ওর। ছোটবেলায় বাবা ওকে বলত ‘গ্রন্থকীট’। বই পেলে আর কিছু চায় না। ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান, যে বিষয়ই হোক, সমান উৎসাহ নিয়ে পড়ে। আর এ হল বাংলা ভাষা-সাহিত্যের ইতিহাস। কত কিছু জানছে। আবার সেসব নিয়ে লিখতেও হয়। হ্যাঁ, আপাতত এটাই ওর কাজ। একজন খ্যাতিমান অধ্যাপকের আত্মীয় ও। তাঁরই সাহায্যকারী। একটা মনের মতো কাজ কেমন অনায়াসে পেয়ে গেছে সমতা। উনিই সঙ্গে করে এনে মেম্বার করে দিয়েছেন লাইব্রেরির। সমতার সামনে উন্মুক্ত খাজানা। কৃতজ্ঞ সমতা। কী বিশাল কালেকশন এঁদের। একদিন এঁদের আর্কাইভে ঢোকারও সুযোগ পেয়েছিল। তালপাতার পুঁথি, সোনার পাতায় লেখা ঝলমলে কোরান, পার্চমেন্ট-এ লেখা বৌদ্ধ পুঁথি..., আরও কত দুর্মূল্য সম্পদ!
এসব ভাবতে গিয়েই মনে পড়ে গেল, হাতে লেখা পুঁথিও আছে এখনকার রেয়ার কালেকশনে। আগে একদিন শুনেছে। আসলে সেদিন ১৮০১ সালে প্রকাশিত লেখক রামরাম বসু’র বইয়ের একটা পাতা হাতে লেখা দেখে চমকে উঠেছিল। একান্ত ওরই আবিষ্কার যেন। ছাপা বইতে হাতে লেখা পাতা, একেবারে ছাপার সঙ্গে মেলানো প্রায়... পিছনের ইতিহাসও যেন জেনে ফেলবে ও..., এতটাই উত্তেজিত। কথায় কথায় সেদিনই এঁরা বলেছিলেন, ‘হাতে লেখা পুঁথি আছে। আপনি দেখতে পারেন।’ সেদিন থেকেই অদম্য কৌতূহলে ফাটছে সমতা। কী কী বই, কী তাদের বিষয়, কেমন ভাষা, কেমন অলংকরণ— এসব জানার প্রবল আগ্রহ। সমাচার দর্পণের কিছু কিছু অংশ পড়ে নিজের মতো করে লিখে নিয়ে যেতে বলেছেন প্রিয়ব্রত স্যার। সমতার ননদের শ্বশুরমশাই উনি। কিন্তু সবাই ওঁকে ‘স্যার’ বলেই ডাকে, সমতাও। সমাচার দর্পণ আগে, না গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের বেঙ্গল গেজেটি আগে, সেই নিয়ে তুমুল বাকবিতণ্ডার স্বাক্ষর পত্রিকার পাতায়। সম্ভবত চন্দ্রিকাই শেষমেশ রণে ভঙ্গ দিয়েছিল। চন্দ্রিকার সম্পাদক ভবানী চরণ বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষটি খুনসুটিতে বেশ দড় ছিলেন বলেই মনে হয়। ঘোঁট পাকিয়ে মজা পেতেন। যাই হোক, ইংরেজি বাংলা কলাম করে একই খবর ডবল করে ছাপা, তখনকার ছাপানো ভাষার ধরন, উদাহরণ স্বরূপ কিছু কিছু টুকরো খবর— এসবের ওপর নোট নিয়েছে। আগামী দু’দিন আরও কিছুটা দেখে নেওয়া যাবে। এখন একটু নিজের-পড়া পড়া যেতেই পারে। রেয়ার বুকস-এর ঘরটা ছোট, পড়ুয়াও কম। স্টাফও কম। কেবল গোপালবাবুকেই চেনে সমতা। ওকে বই দিয়ে ভদ্রলোক বেরিয়ে গিয়েছিলেন। ফিরতেই সমতা বলল, দাদা, আমাকে হাতে লেখা পুঁথি দেখাবেন বলেছিলেন। আজ দেবেন?
স্যারের কাছে লিখিয়ে এনেছেন? হঠাৎই জিজ্ঞেস করলেন ভদ্রলোক।
না তো? থতমত খেয়ে গেছে সমতা। কারণ, এর আগেও কখনও কিছু লিখিয়ে আনেনি ও। তবে কি উনি কিছু তালিকা দিয়ে রেখেছেন এদের? তার বাইরে দেখাবে না? এটা জানলে তো লিখিয়েই আনত। ও বলল, ‘আপনি তো আগেরদিন বলেননি সেকথা? আপনি দেখাবেন বলেছিলেন বলেই আজ চাইলাম।’
‘শুধু দেখার জন্যে কাউকে কিছু দেওয়া হয় না।’ বলে অদ্ভুতভাবে হাসলেন গোপালবাবু।
রাগই হল সমতার। ‘শুধু দেখব কেন, কাজ করব।’ ঝোঁকের মাথায় বলেই ফেলল ও।
‘আপনি করেন কী, কলেজে পড়ান?’ জিজ্ঞেস করল অন্য একজন।
‘না না। আমি তো বাড়িতেই থাকি।’ বলল সমতা।
‘বাড়িতে থাকেন, মানে হাউজ-ওয়াইফ’! ‘হ্যা, হ্যা’ করে হেসে উঠল দ্বিতীয় লোকটা। ওর সঙ্গে বাদবাকিরাও। ‘রেয়ার বুকস-এ ঢুকলেন কী করে আপনি? রিসার্চ-স্কলার ছাড়া কেউ আসতে পারে না এখানে।’
মরমে মরে যাচ্ছে সমতা। যেন চুরির দায়ে ধরা পড়ে গেছে। রাগে-অপমানে বোবা, একটা পাথরের মূর্তি।
‘এটা কীরকম কথা হল দাদা’? ওপাশের টেবিল থেকে উঠে এলেন এক ভদ্রলোক। এর আগেও এখানে দেখেছে। কাঁচা-পাকা চুল পিছনে ঝুঁটি করে বাঁধা। একরাশ বই সামনে সাজিয়ে ঘাড় গুঁজে বসে থাকেন। আজও সমতা আসার আগে থেকেই ছিলেন। এখন হঠাৎ উঠে এলেন। বললেন, ‘লাইব্রেরিতে বই পড়ার জন্যে রিডার হওয়াটাই যথেষ্ট নয় কি? আমিও তো তাই।’
‘আপনার ব্যাপারটা স্যার আলাদা।’ আগের লোকটা এখন তোতলাচ্ছে। সামাল দিতে এগিয়ে এলেন গোপালবাবু, ‘এই দিদি প্রিয়ব্রতবাবুর অ্যাসিস্ট্যান্ট। কিন্তু, পুঁথির কথা তো ওঁর সঙ্গে হয়নি।’ তারপর সমতার দিকে ঘুরে বললেন, ‘আপনি হয়তো কোনও আর্টিকেল লিখবেন। তারপর ছাপাবেন। কিন্তু দিদি, এখানকার কোনও নথি কমার্শিয়াল ব্যবহার করা যায় না। এটা সরকারি সংস্থা। কেবলমাত্র সরকারি উদ্যোগে কোনও বই বা পত্রিকা প্রকাশ হলে, এখানে কাজ করা যায়। তার জন্যে আলাদা পারমিশনও লাগে।’
‘এই লাইব্রেরির এই ঘরে বসে, এখানকার বই পড়ে, খবরের কাগজে ধারাবাহিক লেখা বেরিয়েছে। তারপর বই হয়েছে। আপনাদের এখানেই আছে, এনে দেখাব?’ সমতার হয়ে একেবারে কোমর বেঁধে লেগেছেন অচেনা ভদ্রলোকটি। ঠিক যেন চন্দ্রিকা-দর্পণের লড়াই। দুঃখের মধ্যেও অবাক না হয়ে পারে না সমতা। উনি বলছেন, ‘নিয়মের দোহাই দিয়ে আপনারা আসলে ন্যাশনাল লাইব্রেরির আদর্শটাকেই মিথ্যে করে দিচ্ছেন। ছবি তুলতে দেবেন না। নিয়মের অত্যাচারে একটা ভালো কাজ করতে গিয়েও হোঁচট খেতে হয়। বইয়ের একেকটা পাতা জেরক্স বা প্রিন্ট-আউট নিতে এত টাকা দিতে হলে গরিব ছাত্রদের উপকার হবে কী করে? এটা একটা সরকারি সংস্থা। ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরিতে আমি নিজে এত এত ছবি তুলে আনি। কেন জানেন? রাত জেগে বাড়িতে বসে পড়ব বলে। আবার বগলদাবা করে নিয়েও আসি চারটি বই!’
‘কী করব স্যার, আমাদের হাত-পা বাঁধা। আমরা এখানে চাকরি করি। নিয়মের বাইরে যাওয়ার উপায় আমাদের নেই।’
‘আর চাকরিটা পাওয়ার জন্যে যা যা পড়াশোনা করলেন, সেগুলো স্রেফ ভোগে! পকেটে মাইনে ভরেই খুশি? পাঠকের জন্যে কেবল কিছু বাঁধা গত। সাহায্য করার চেষ্টা বা আন্তরিকতাটাও আপনাদের নেই।’
‘আপনি স্যার উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন। ঠিক আছে, আমি পুঁথি বের করে দিচ্ছি, উনি দেখুন।’
‘আমার লাগবে না।’ মরিয়া হয়েই কথাগুলো বলে উঠল সমতা। ডেলা পাকানো কান্নাটাও চাপা থাকল না।
‘চলুন ম্যাডাম। আজ আর কাজে মন বসবে না। চলুন, বাইরে গিয়ে চা খাই।’ এগিয়ে গেলেন ভদ্রলোক। ভোঁতা চিন্তা নিয়ে শুধুমাত্র ওঁকে অনুসরণ করল সমতা।
দুই
নিজের ঘরে রাতের শোওয়ার আয়োজন করছে সমতা, দরজায় নক। বন্ধ দরজা ফাঁক করে ওর মোবাইলটা বাড়িয়ে দিল জিষ্ণু, ‘দিদির ফোন। তোমাকে পায়নি। আমার ফোনে করেছে।’
ফোনটা হাতে নিতেই ওপাশে কাতর গলা, ‘বাবার সঙ্গে তোমার আজ কী হয়েছে সমতা, আমি ফিরতেই বলল, ‘রাগের মাথায় মেয়েটাকে কী না কী বলেছি, হয়তো খুব দুঃখ পেয়েছে।’ তাই আমাকে ফোন করতে বলল। আমি রিং করছি তুমি ধরছ না..., তাতে আমারও দুশ্চিন্তা হচ্ছে...’
‘আমার ফোনটা সাইলেন্ট করা ছিল। টের পাইনি।’ ছোট্ট করে বলল সমতা। লাইব্রেরি থেকে ফেরার সময় ওখানে গিয়েছিল আজ। কিছুটা যেন বিচার চাইতেই। সব শুনে স্যার প্রিয়ব্রত ভট্টাচার্য মুচকি হেসে বললেন, ‘বাংলায় একটা কথা আছে জানো তো, ‘ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া’, আজ সেটাই করতে গিয়েছিলে তুমি। তার ফলও পেয়েছ। শোনো মেয়ে, অর্থমূল্যে তোমার কাজটাকে যখন কিনে নেওয়া হচ্ছে, সেই কাজের ওপর তোমার আর কোনও অধিকার থাকে না। আমার পরিচয়েই যে তুমি ওখানে ঢুকতে পেরেছ, সেটা তো তোমার অজানা নয়! ওরা তোমাকে যে বাড়তি খাতিরটুকু করেছে, সেটাও আমারই জন্যে। আমারও নেহাত বয়স হয়েছে, অপারগ হয়েছি বলেই এইসব কাজে অন্যের সাহায্য নিচ্ছি। আমার পাবলিশড বইয়ের সংখ্যাটাও বোধহয় তোমার জানা নেই। হ্যাঁ, তোমার মেধা আছে। নিষ্ঠা আছে। গড়পড়তা বউ-মেয়েদের মতো টিভি সিরিয়াল দেখে বোধ ভোঁতা হয়ে যায়নি। আর সেইজন্যেই তোমার সঙ্গে কাজ করে আনন্দও পাই। সে বাদে তুমি আর কেউ নও। কিস্যু নও।’ কথাগুলো শুনে চুপচাপ মাথা নিচু করে বেরিয়ে এসেছিল সমতা।
‘যাক বাবা বাঁচলাম। বাবার কথায় তুমি কিছু মনে করোনি তো? কিছু মনে কোরো না গো। বুড়ো মানুষ একের রাগ অন্যের ওপর ঝেড়েছে হয়তো। এখন ছটফট করছে। আমি ফোন না করলে রাতে হয়তো ঘুমোতেই পারবে না।’ একটানা বলে যাচ্ছে অমলা, ফিলোজফির প্রফেসর। প্রিয়ব্রত স্যারের আদরের বউমা। সমতার ননদ। জিষ্ণুর দিদি। সমতা চুপ। একটু বাদে অমলাই বলল, এখন তবে রাখি, কেমন? রাত হয়েছে, শুয়ে পড়।’
ফোনটা জিষ্ণুকে ফেরত দিয়ে এসে নিজের ফোনটা খুলে সমতা দেখে মোট এগারোটা মিসড-কল। তবে শুধু ননদিনীর নয়। আরও একটা নম্বর। লাইব্রেরির ওই ভদ্রলোক, চা খেতে খেতে কেমন অবলীলায় চেয়ে নিলেন ওর নম্বরটা। কিন্তু আজ লাইব্রেরিতে ঢোকার আগে ফোন যে সাইলেন্ট করেছিল, সেটা তেমনি আছে। ভাগ্যিস...! ফোনটা বাজলে ননদের ফোন না ধরার সাহস কী ওর হত আদৌ? কিন্তু রাত ন’টা নাগাদ এই ভদ্রলোক দু’দুবার ফোন করেছিলেন, কেন? এখন এত রাতে আর রিং-ব্যাক করাও যায় না। রোজের অভ্যাসে হোয়াটস-অ্যাপ খুলে বসল সমতা।
‘হাই! তুমি কী জানো আজ আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন বিরোধী দিবস? নিজেকে নির্যাতিত মনে করলে যোগাযোগ করো আমাদের সঙ্গে।’— হাসিমুখের ইমোজি সমেত নিচে একটা ঠিকানা।
হোয়াটস-অ্যাপ খুলতেই মেসেজ। আজ নভেম্বরের পঁচিশ, নারী নির্যাতন বিরোধী দিবস! জানা ছিল না তো!
‘...রাস্তার পাশে শুয়ে আছে একটা মেয়ে। ভিখারি, নাকি পাগল? বেঁচে আছে তো? কৌতূহলী চোখের সারি মেয়েটাকে ঘিরে। দু’পা এগোতই নজরে পড়ল মেয়েটার নাইটি। চমকে উঠল সমতা। এটা তো ওর নাইটি। যেটা ও এখন পরে আছে...।’
...হ্যাঁ, ঠিক এই স্বপ্নটাই আজ ভোররাতে ঘুমের মধ্যে দেখেছিল। নাইটি পরে এভাবে রাস্তায় কেন ও— এটা ভেবেই ভয়ের চোটে হয়তো ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। কিন্তু চোখ খুলতেই অস্বাভাবিক আলোয় ধাঁধিয়ে গিয়েছিল দৃষ্টি। ঘরের দরজা জানলা সব খোলা। এমনকী পরদাগুলোও নামানো নেই। এদিকে ও নাইটি পরে বিছানায় শোয়া। এতটাই চমকে উঠেছিল যে, স্বপ্নটা মাথা থেকে বেমালুম গায়েব হয়ে গিয়েছিল তখন। ধড়মড়িয়ে উঠে বসতেই মুখে হাসি নিয়ে সামনে জিষ্ণু। ‘যাক, উঠেছ তাহলে। আমি তো ভাবলাম আজ সকালে চা আর জুটবেই না। সাতটা বেজে গেছে।’
‘বাহ্‌! আমি উঠিনি, সেই রাগে তুমি শোওয়ার ঘরটাকে এভাবে হাট করে দিয়েছ...! আব্রু বলেও কিছু রাখলে না?’ রাগে হতাশায় ভেঙে এসেছিল সমতার গলা।
‘এহ্‌, তুমি কী, যে তোমাকে দেখার জন্যে জানলা দিয়ে ড্যাবড্যাব করে চেয়ে থাকবে লোকজন’? মুখ বিকৃত করে ভেঙচে উঠেছিল জিষ্ণু। তারপরেই গম্ভীর হয়ে বলল, ‘সকলেরই কাজ-কর্ম আছে। আমার এঘরে দরকার ছিল, তাই জানলা খুলেছি।’
অতিকষ্টে নিজেকে সামলে নিয়েছিল সমতা। ‘কুল-কুল’, মনে মনে নিজেই নিজেকে বলেছিল এইভাবেই নিজেকে নিজে সামলে চলে ও। চলতে হয়। কারণ, সংসারে নিজেকে যতই ত্রুটি-মুক্ত রাখার চেষ্টা করুক না সমতা, পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করবেই ওর বর। লাইব্রেরিতে গিয়ে বসলেই এইসব ঘটনাগুলো তুচ্ছ হয়ে যায়। আজ ভুলেই গিয়েছিল। কিন্তু আজ সেখানেও সব উলটোপালটা ঘটে গেল। এই মেসেজটা যেন ধাক্কা দিয়ে মনে পড়িয়ে দিল সবকিছু। ভুলে যাওয়া স্বপ্নটাও! আশ্চর্য!
আজ তবে পঁচিশে নভেম্বর...। এবং পঁচিশে নভেম্বর ক্যালেন্ডারের একটা বিশেষ দিন। সমতার জন্যেও। ডায়েরি লেখার অভ্যেস ওর নেই। থাকলে লিখত আজ। কেমন শীত শীত করছে। শীতকাল কি সত্যিই এল? গায়ে একটা চাদর টেনে নিল সমতা।
‘হ্যালো ম্যাডাম! কোথায় ভ্যানিশ হয়ে গেলেন?’
ইস্‌! ওই ভদ্রলোক আবার। হোয়াটস অ্যাপ-এ ওকে অনলাইন দেখে মেসেজ করেছেন। লজ্জায় পড়ে গেল সমতা। লিখল, ‘সরি। ফোন সাইলেন্ট ছিল।’
‘ইট’স ওকে। আপনাকে একটা খবর দেওয়ার ছিল। পুরানো হাতে লেখা পুঁথি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ-এর কালেকশনেও আছে। আমি খবর নিয়েছি।’
‘কিন্তু ওঁরা আমায় দেখতে দেবেন কেন?’
‘আলবাত দেবো! আমি আছি কী করতে?’
‘ঠিক আছে।’ লিখে, একটা হাসিমুখ পাঠাল সমতা।
‘গুড নাইট’! ভদ্রলোক অফ লাইন হয়ে গেলেন। সমতাও বন্ধ করল ফোন। আনন্দ মোহন বিশ্বাস। নাম শুনে চিনতে পারেননি প্রিয়ব্রত স্যার। সমতাও জিজ্ঞেস করেনি পরিচয়। আসলে অস্বস্তি হচ্ছিল। একে তো অমন একটা পরিস্থিতিতে আলাপ। ভদ্রলোক নিজেই এত প্রশ্ন করছিলেন, ওর কাজ সম্পর্কে জানালেন. তারপর বললেন, ‘আপনি এরকম একটা কাজ করেন, অথচ ওদের কাছে ‘হাউজ ওয়াইফ’ বনলেন কেন?’ কারণটা সমতার নিজেরও অজানা। তাই চুপ করেই ছিল। উনি নিজেই জানালেন ল্যাঙ্গুয়েজ অব হিস্ট্রির ওপরে কিছু একটা কাজ উনি করছেন।
ফোন বন্ধ করে দিল সমতা। চোখ বন্ধ। ‘...নিজেকে নির্যাতিত মনে করলে যোগাযোগ কোরো আমাদের সঙ্গে...’, ও কি সত্যিই নির্যাতিতা? এগারোটা মিসড কল, জিষ্ণু আজ ফোনটা দেওয়ার আগে দরজায় নক করেছে। ...দিদির উদ্বেগ দেখে ভাইও কি ভয় পেয়েছে। ফিক করে হেসে ফেলল সমতা। বন্ধ ফোনটাকে চুমু খেল একবার। তারপর উঠল। বাথরুমে যেতে হবে। বাথরুম থেকে ফিরে ওর শোওয়ার ঘরের দরজাটায় ছিটকিনি এঁটে দিল, এই প্রথমবার।

অলংকরণ: সুব্রত মাজী
07th  May, 2017
 কালাপাহাড়

 বারিদবরণ ঘোষ: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর গল্পে একটি বিধ্বংসী মোষের নাম দিয়েছিলেন কালাপাহাড়। কে জানে কেন এমন নামকরণ! মোষ সে কালো, সে ভেঙেচুরে ফেলে—তাতে কালো হতে পারে। কিন্তু কালা তো বধির—যে কানে শুনতে পায় না।
বিশদ

কিছু পথ কিছু কথা কলকাতা

 তরুণ চক্রবর্তী: রাজপুতানার ইতিহাসে আমরা পড়েছি ‘ধাত্রী পান্নার কাহিনি।’ নিজের সন্তানের প্রাণের বিনিময়েও প্রভুর পুত্রকে রক্ষা করে ত্যাগ ও কর্তব্য পরায়ণতার অনন্যা সাধারণ নজির গড়েছিলেন তিনি। আমাদের শাস্ত্রেও ধাত্রী বা ধাই-মাকে মাতৃসদৃশা জ্ঞানে উচ্চাসন দেওয়া হয়েছে।
বিশদ

 নির্জন অবভাসে

 কমলেশ রায়: আজ ফুলবেলা। রোজই সকলে ফুল পায় না। সপ্তাহে এই একটি দিন, রোববারের সকালে পাওয়া যায়। বাকি ক’টা দিন চরাচরের কোন দিক থেকে ওঠে ঘর-হলুদ রোদ। আর রাতে জুঁই-জ্যোৎস্নার বেহিসেবি ফিনকি দেওয়া, কখনও ঘন, কখনও কুয়াশার মতো আরও ঘনতর। লুকোচুরি খেলতে খেলতে এই পাহাড়ি টিবি স্যানাটোরিয়ামের ওপর দিয়ে পেরিয়ে যায়, রোগীরা কোনও খবর রাখে না। আসলে খবর রাখার জন্যে যে ঘরোয়া মানসিকতা, সেটাও কবে ফুরিয়ে গেছে। বিশদ

সেই যুবক

কলকাতা থেকে দূরে রজতপুরের পলিক্লিনিকে বসতে প্রথমটাই আপত্তি করেছিলেন সাইকিয়াট্রিস্ট ডঃ মৈনাক গুহ। বন্ধু শংকর বলেছিলেন, ‘ওখানে চেম্বার করো। একেবারে সোনার খনি। তোমার কপাল খুলে যাবে।’
বিশদ

16th  July, 2017
 ঠগবাজের দোকানে লাল বাতি

 বাড়ি ছিল তালুকদারদের। সেই বাড়ির ছেলে স্বপন আমার বাল্যকালের বন্ধু। স্বপনের বাবা মরে গেলে সে মায়ের সঙ্গে চলে যায় মামার বাড়ি। তারপর আর দেখা হয়নি। নাকি হয়েছিল একবার। স্বপন এসেছিল বাড়িতে তাদের অংশ দাবি করতে। সে ছিল ভয়ানক সময়। স্বপনের কাকা যোগেন স্বপনকে ভয় দেখিয়েছিল নকশাল বলে পুলিশের হাতে তুলে দেবে। ১৯৭১-’৭২-এর কথা বলছি। স্বপন দাবি ত্যাগ করে চলে গিয়েছিল। বিশদ

16th  July, 2017
 তারাখ্যাপা, মাতাজি ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র

 ১৮৩৫ সাল। প্রসিদ্ধ রায় বেল্‌হর দুর্গ। এই দুর্গের কোনও এক কক্ষে মাতাজি গঙ্গাবাঈ প্রথম পৃথিবীর আলো দেখেন। দাক্ষিণাত্যের আর্কট প্রদেশের রাজা যোগীরাজের বংশের রাজকন্যা ছিলেন মাতাজি। রাজপরিবারে জন্ম হওয়া সত্ত্বেও ছোট থেকেই ভোগবিলাসের প্রতি তাঁর বিন্দুমাত্র আকর্ষণ ছিল না। রাজকন্যা হওয়ার ফলে তাঁকে রাজবংশের নানাবিধ নিয়মকানুন মেনেই চলতে হত। তা সত্ত্বেও তিনি বিদ্যাচর্চার পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চাও করতেন। সংস্কৃত ভাষার ওপর তাঁর দখল ছিল অপরিসীম। চিরকুমারী থাকার সংকল্প নিয়ে তিনি পঞ্চাগ্নিব্রতও পালন করেছিলেন।
বিশদ

16th  July, 2017
সভাঘরে

 সভাঘরে কবিতা পাঠের আগে বক্তৃতা পর্ব চলছে। সভাপতির আসনে সাহিত্যিক অনিমেষ নাথ। অকস্মাৎ পাখির ডাক। সভাপতির চলভাষ থেকে। মিনিট পাঁচেক আগে ঘোষক উপস্থিত সকলকে এই বাক বিনিময় যন্ত্রটি নির্বাক করে রাখার অনুরোধ জানালে সভাপতিমশাই নিজেও জোরালো সায় দিয়েছিলেন খানিক বক্তৃতাসহ। একটু অপ্রস্তুত হয়ে ফোন ধরে চাপা গলায় বললেন, ‘বল’।
বিশদ

09th  July, 2017
কিছু পথ কিছু কথা-কলকাতা
পর্ব-৩

 যে এলাকার পথের কথায় আসছি সেখানকার নামের পেছনেও ঘটনার কিছু ঘনঘটা আছে। নেমেছি যখন পথে এবং বিশেষ করে গলিঘুঁজির যতটা যা পারি তত্ত্বতালাশ করতে, তখন এটুকু প্রথমে বলে নিতেই হচ্ছে। সেকালের সুতানুটি গ্রাম আজকের শোভাবাজার বলে যাকে আমরা জানি, তার নাম হয়েছিল সভাবাজার এবং তারও আগে ওই গাঁয়ের নাম ছিল রাসপল্লি।
বিশদ

09th  July, 2017
 চিতোর রানি পদ্মিনী

  পদ্মা, পদ্মাবতী, পদুমাবৎ, পদ্মিনী— যে নামেই তাঁকে ডাকি— তিনি সাড়া দেবেন। সাড়া দেবেন ইতিহাসে এবং কিংবদন্তিতে। কট্টর ঐতিহাসিক বলবেন— পদ্মিনী একটা গল্পের নায়িকা, ইতিহাসের এর অস্তিত্ব নেই। কিংবদন্তি প্রতিবাদ জানাবে— যাঁর সৌন্দর্যের কাছে একটা পদ্মফুল হার মানে, তিনি গল্প হয়ে যাবেন। আলাউদ্দিন কি তবে মিছিমিছিই চিতোর দুর্গ দখল করেছিলেন।
বিশদ

09th  July, 2017
তারানাথের রোষে কপাল পুড়ল ম্যাজিষ্ট্রেটের 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: শাসকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন বড়মার জ্যেষ্ঠ সন্তান বামদেবের প্রিয় শিষ্য তারানাথ বা তারাখ্যাপা। এই প্রসঙ্গে ডাক্তার অভয়পদ চট্টোপাধ্যায় লিখছেন, ‘ তন্ত্রসাধকগণ ধরিত্রী বা বসুন্ধরাকে আপন ইষ্ট মাতৃকাস্বরূপেই দেখে থাকেন। বিশদ

02nd  July, 2017
ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ
কন্ধ উপজাতি-গঞ্জের চিকিৎসক
 

অমর মিত্র: ক’দিন আগেই সুখ্যাত এক বেসরকারি হাসপাতালে ধরা পড়েছে জাল ডাক্তার। নামের পাশে এমবিবিএস। আমি যে ডাক্তারবাবুর কথা বলছি, তিনিও ডাক্তার। আধুনিক চিকিৎসাবঞ্চিত আদিবাসী গ্রামে চিকিৎসা করেন। না তাঁর নামের পাশে ভুয়ো ডিগ্রি নেই। কেতাও নেই। বলি তাঁর কথা।
বিশদ

02nd  July, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহরমপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা বিচারাধীন বন্দি উধাও হল হাসপাতাল থেকে। পলাতক ওই বন্দির নাম সোহেল রানা (২৫)। ...

ইসলামাবাদ, ২২ জুলাই (পিটিআই): পানামা পেপার ফাঁস কেলেঙ্কারিতে শেষ পর্যন্ত গদি খোয়াতে হতে পারে নওয়াজ শরিফকে। এমন আশঙ্কায় শরিফের উত্তরসূরি হিসাবে বেছে নেওয়া হল তাঁর ভাইকেই। শাহবাজ শরিফ এখন পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং নওয়াজের ছোট ভাই। তবে শাহবাজ শরিফ পাক ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের শহরে তোলাবাজির অভিযোগ। পাঁচ লক্ষ টাকা তোলা চেয়ে হুমকি দেওয়ায় কলকাতার বেনিয়াপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক প্রোমোটার। মহম্মদ ওমর ফারুখ নামে ওই প্রোমোটারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। লালবাজার সূত্রে এই ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ পুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে গত ৯ জুলাই আদিবাসী নাবালিকাদের ধর্ষণ এবং ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ জুলাই শহরে আদিবাসীদের তাণ্ডবের পর শনিবার রায়গঞ্জে এসে বৈঠক করলেন আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী জেমস কুজুর। এদিন কর্ণজোড়ায় সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ২ ওভারে ১১ রান প্রয়োজন 

10:06:00 PM

ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM