গল্পের পাতা
 

দর্পণে গ্রহণ 

কাবেরী চক্রবর্তী:  ‘স্ত্রী বিদ্যাভাস। চন্দ্রিকা ও প্রভাকর।
গত সপ্তাহের দর্পণে বিফার্মারে প্রকাশিত বাবু কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষের এক পত্রের বিষয়ে এবং আমাদের এক পত্রপ্রেরকের পর ইত্যঙ্কিত পত্রের বিষয়ে চন্দ্রিকা সম্পাদক মহাশয়ের উক্তি আমার দর্পণে অর্পণ করিলাম। এবং তদ্‌঩বিষয়ক প্রভাকরণ সম্পাদক মহাশয়ের উক্তিও অদ্য প্রকাশ করিলাম। উক্ত মহাশয়েরা স্বয়ং বিদ্বান হইয়া যে অজ্ঞানতার সপক্ষ হইতেছেন তাঁহারদের এতদ্রূপ উৎসাহ দেখিয়া আমরা বিস্মিত হইলাম।’
...বাপ রে! তখনকার দিনেও মেয়েদের নিয়ে এভাবে চর্চা চালাত ছেলেদের দল, তাও আবার খবরের কাগজের পাতায়,... আশ্চর্য তো!
চন্দ্রিকার মন্তব্য ছিল, ‘স্ত্রীলোকের ইহকাল পরকাল মঙ্গল কেবল, স্বামী সেবাতে হয়। ম্লেচ্ছরা যেমন বেদপাঠ করবে না, স্ত্রীলোক-শিক্ষা শাস্ত্রে নেই।’
বাহ্‌! কী অযৌক্তিক যুক্তি। অহেতুক কোঁদল। আর তাতে গলা মিলিয়েছেন তখনকার সমাজের নামী-দামি ব্যক্তিত্ব। সমাচার দর্পণ হল উদারপন্থী। শ্রীরামপুর প্রেস থেকে মিশনারিদের উৎসাহে প্রকাশিত হলেও, বাঙালি যুক্তিবাদী বিশিষ্টজনেরা যুক্ত ছিলেন। তাই দর্পণের পাতায়, ‘মৈত্রেয়ী, শকুন্তলা, অনসূয়া, খনা, রানি ভবানী’ প্রমুখের উদাহরণ। দর্পণের যুক্তি, ‘কর্ণাট, দ্রাবিড়, মহারাষ্ট্র, তৈলঙ্গ ইত্যাদি দেশে অনেক নারী বিদ্যাবতী। যেমন অহল্যাবাঈ। গৌড় আর হিন্দুস্থানে বহুকাল যবনাধিকার হওয়াতে মেয়েরা অন্তঃপুরবাসিনী হয়। অত্যাচার থেকে বাঁচতে।’
...আর অন্তঃপুরে তারা হয়ে পড়ে পুরুষের মেজাজ মর্জির অধীন। সোজা হিসাব। সেই আদিযুগ থেকে আর বদলাল না বাঙালি পুরুষ। নিজের মনেই হেসে ফেলল সমতা। পুরানো দিনের খবরের কাগজ খুলে বসেছে, ন্যাশনাল লাইব্রেরির স্টাডিরুমে। কী যে ভালো কাটে সময়টা...। কত বই, কত বিষয়! বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র ‘সমাচার-দর্পণ’ পড়ছে ক’দিন ধরে। এইসব পুরানো বইপত্র ঘাঁটতে, পড়তে ভীষণই ভালো লাগছে ওর। ছোটবেলায় বাবা ওকে বলত ‘গ্রন্থকীট’। বই পেলে আর কিছু চায় না। ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান, যে বিষয়ই হোক, সমান উৎসাহ নিয়ে পড়ে। আর এ হল বাংলা ভাষা-সাহিত্যের ইতিহাস। কত কিছু জানছে। আবার সেসব নিয়ে লিখতেও হয়। হ্যাঁ, আপাতত এটাই ওর কাজ। একজন খ্যাতিমান অধ্যাপকের আত্মীয় ও। তাঁরই সাহায্যকারী। একটা মনের মতো কাজ কেমন অনায়াসে পেয়ে গেছে সমতা। উনিই সঙ্গে করে এনে মেম্বার করে দিয়েছেন লাইব্রেরির। সমতার সামনে উন্মুক্ত খাজানা। কৃতজ্ঞ সমতা। কী বিশাল কালেকশন এঁদের। একদিন এঁদের আর্কাইভে ঢোকারও সুযোগ পেয়েছিল। তালপাতার পুঁথি, সোনার পাতায় লেখা ঝলমলে কোরান, পার্চমেন্ট-এ লেখা বৌদ্ধ পুঁথি..., আরও কত দুর্মূল্য সম্পদ!
এসব ভাবতে গিয়েই মনে পড়ে গেল, হাতে লেখা পুঁথিও আছে এখনকার রেয়ার কালেকশনে। আগে একদিন শুনেছে। আসলে সেদিন ১৮০১ সালে প্রকাশিত লেখক রামরাম বসু’র বইয়ের একটা পাতা হাতে লেখা দেখে চমকে উঠেছিল। একান্ত ওরই আবিষ্কার যেন। ছাপা বইতে হাতে লেখা পাতা, একেবারে ছাপার সঙ্গে মেলানো প্রায়... পিছনের ইতিহাসও যেন জেনে ফেলবে ও..., এতটাই উত্তেজিত। কথায় কথায় সেদিনই এঁরা বলেছিলেন, ‘হাতে লেখা পুঁথি আছে। আপনি দেখতে পারেন।’ সেদিন থেকেই অদম্য কৌতূহলে ফাটছে সমতা। কী কী বই, কী তাদের বিষয়, কেমন ভাষা, কেমন অলংকরণ— এসব জানার প্রবল আগ্রহ। সমাচার দর্পণের কিছু কিছু অংশ পড়ে নিজের মতো করে লিখে নিয়ে যেতে বলেছেন প্রিয়ব্রত স্যার। সমতার ননদের শ্বশুরমশাই উনি। কিন্তু সবাই ওঁকে ‘স্যার’ বলেই ডাকে, সমতাও। সমাচার দর্পণ আগে, না গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের বেঙ্গল গেজেটি আগে, সেই নিয়ে তুমুল বাকবিতণ্ডার স্বাক্ষর পত্রিকার পাতায়। সম্ভবত চন্দ্রিকাই শেষমেশ রণে ভঙ্গ দিয়েছিল। চন্দ্রিকার সম্পাদক ভবানী চরণ বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষটি খুনসুটিতে বেশ দড় ছিলেন বলেই মনে হয়। ঘোঁট পাকিয়ে মজা পেতেন। যাই হোক, ইংরেজি বাংলা কলাম করে একই খবর ডবল করে ছাপা, তখনকার ছাপানো ভাষার ধরন, উদাহরণ স্বরূপ কিছু কিছু টুকরো খবর— এসবের ওপর নোট নিয়েছে। আগামী দু’দিন আরও কিছুটা দেখে নেওয়া যাবে। এখন একটু নিজের-পড়া পড়া যেতেই পারে। রেয়ার বুকস-এর ঘরটা ছোট, পড়ুয়াও কম। স্টাফও কম। কেবল গোপালবাবুকেই চেনে সমতা। ওকে বই দিয়ে ভদ্রলোক বেরিয়ে গিয়েছিলেন। ফিরতেই সমতা বলল, দাদা, আমাকে হাতে লেখা পুঁথি দেখাবেন বলেছিলেন। আজ দেবেন?
স্যারের কাছে লিখিয়ে এনেছেন? হঠাৎই জিজ্ঞেস করলেন ভদ্রলোক।
না তো? থতমত খেয়ে গেছে সমতা। কারণ, এর আগেও কখনও কিছু লিখিয়ে আনেনি ও। তবে কি উনি কিছু তালিকা দিয়ে রেখেছেন এদের? তার বাইরে দেখাবে না? এটা জানলে তো লিখিয়েই আনত। ও বলল, ‘আপনি তো আগেরদিন বলেননি সেকথা? আপনি দেখাবেন বলেছিলেন বলেই আজ চাইলাম।’
‘শুধু দেখার জন্যে কাউকে কিছু দেওয়া হয় না।’ বলে অদ্ভুতভাবে হাসলেন গোপালবাবু।
রাগই হল সমতার। ‘শুধু দেখব কেন, কাজ করব।’ ঝোঁকের মাথায় বলেই ফেলল ও।
‘আপনি করেন কী, কলেজে পড়ান?’ জিজ্ঞেস করল অন্য একজন।
‘না না। আমি তো বাড়িতেই থাকি।’ বলল সমতা।
‘বাড়িতে থাকেন, মানে হাউজ-ওয়াইফ’! ‘হ্যা, হ্যা’ করে হেসে উঠল দ্বিতীয় লোকটা। ওর সঙ্গে বাদবাকিরাও। ‘রেয়ার বুকস-এ ঢুকলেন কী করে আপনি? রিসার্চ-স্কলার ছাড়া কেউ আসতে পারে না এখানে।’
মরমে মরে যাচ্ছে সমতা। যেন চুরির দায়ে ধরা পড়ে গেছে। রাগে-অপমানে বোবা, একটা পাথরের মূর্তি।
‘এটা কীরকম কথা হল দাদা’? ওপাশের টেবিল থেকে উঠে এলেন এক ভদ্রলোক। এর আগেও এখানে দেখেছে। কাঁচা-পাকা চুল পিছনে ঝুঁটি করে বাঁধা। একরাশ বই সামনে সাজিয়ে ঘাড় গুঁজে বসে থাকেন। আজও সমতা আসার আগে থেকেই ছিলেন। এখন হঠাৎ উঠে এলেন। বললেন, ‘লাইব্রেরিতে বই পড়ার জন্যে রিডার হওয়াটাই যথেষ্ট নয় কি? আমিও তো তাই।’
‘আপনার ব্যাপারটা স্যার আলাদা।’ আগের লোকটা এখন তোতলাচ্ছে। সামাল দিতে এগিয়ে এলেন গোপালবাবু, ‘এই দিদি প্রিয়ব্রতবাবুর অ্যাসিস্ট্যান্ট। কিন্তু, পুঁথির কথা তো ওঁর সঙ্গে হয়নি।’ তারপর সমতার দিকে ঘুরে বললেন, ‘আপনি হয়তো কোনও আর্টিকেল লিখবেন। তারপর ছাপাবেন। কিন্তু দিদি, এখানকার কোনও নথি কমার্শিয়াল ব্যবহার করা যায় না। এটা সরকারি সংস্থা। কেবলমাত্র সরকারি উদ্যোগে কোনও বই বা পত্রিকা প্রকাশ হলে, এখানে কাজ করা যায়। তার জন্যে আলাদা পারমিশনও লাগে।’
‘এই লাইব্রেরির এই ঘরে বসে, এখানকার বই পড়ে, খবরের কাগজে ধারাবাহিক লেখা বেরিয়েছে। তারপর বই হয়েছে। আপনাদের এখানেই আছে, এনে দেখাব?’ সমতার হয়ে একেবারে কোমর বেঁধে লেগেছেন অচেনা ভদ্রলোকটি। ঠিক যেন চন্দ্রিকা-দর্পণের লড়াই। দুঃখের মধ্যেও অবাক না হয়ে পারে না সমতা। উনি বলছেন, ‘নিয়মের দোহাই দিয়ে আপনারা আসলে ন্যাশনাল লাইব্রেরির আদর্শটাকেই মিথ্যে করে দিচ্ছেন। ছবি তুলতে দেবেন না। নিয়মের অত্যাচারে একটা ভালো কাজ করতে গিয়েও হোঁচট খেতে হয়। বইয়ের একেকটা পাতা জেরক্স বা প্রিন্ট-আউট নিতে এত টাকা দিতে হলে গরিব ছাত্রদের উপকার হবে কী করে? এটা একটা সরকারি সংস্থা। ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরিতে আমি নিজে এত এত ছবি তুলে আনি। কেন জানেন? রাত জেগে বাড়িতে বসে পড়ব বলে। আবার বগলদাবা করে নিয়েও আসি চারটি বই!’
‘কী করব স্যার, আমাদের হাত-পা বাঁধা। আমরা এখানে চাকরি করি। নিয়মের বাইরে যাওয়ার উপায় আমাদের নেই।’
‘আর চাকরিটা পাওয়ার জন্যে যা যা পড়াশোনা করলেন, সেগুলো স্রেফ ভোগে! পকেটে মাইনে ভরেই খুশি? পাঠকের জন্যে কেবল কিছু বাঁধা গত। সাহায্য করার চেষ্টা বা আন্তরিকতাটাও আপনাদের নেই।’
‘আপনি স্যার উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন। ঠিক আছে, আমি পুঁথি বের করে দিচ্ছি, উনি দেখুন।’
‘আমার লাগবে না।’ মরিয়া হয়েই কথাগুলো বলে উঠল সমতা। ডেলা পাকানো কান্নাটাও চাপা থাকল না।
‘চলুন ম্যাডাম। আজ আর কাজে মন বসবে না। চলুন, বাইরে গিয়ে চা খাই।’ এগিয়ে গেলেন ভদ্রলোক। ভোঁতা চিন্তা নিয়ে শুধুমাত্র ওঁকে অনুসরণ করল সমতা।
দুই
নিজের ঘরে রাতের শোওয়ার আয়োজন করছে সমতা, দরজায় নক। বন্ধ দরজা ফাঁক করে ওর মোবাইলটা বাড়িয়ে দিল জিষ্ণু, ‘দিদির ফোন। তোমাকে পায়নি। আমার ফোনে করেছে।’
ফোনটা হাতে নিতেই ওপাশে কাতর গলা, ‘বাবার সঙ্গে তোমার আজ কী হয়েছে সমতা, আমি ফিরতেই বলল, ‘রাগের মাথায় মেয়েটাকে কী না কী বলেছি, হয়তো খুব দুঃখ পেয়েছে।’ তাই আমাকে ফোন করতে বলল। আমি রিং করছি তুমি ধরছ না..., তাতে আমারও দুশ্চিন্তা হচ্ছে...’
‘আমার ফোনটা সাইলেন্ট করা ছিল। টের পাইনি।’ ছোট্ট করে বলল সমতা। লাইব্রেরি থেকে ফেরার সময় ওখানে গিয়েছিল আজ। কিছুটা যেন বিচার চাইতেই। সব শুনে স্যার প্রিয়ব্রত ভট্টাচার্য মুচকি হেসে বললেন, ‘বাংলায় একটা কথা আছে জানো তো, ‘ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া’, আজ সেটাই করতে গিয়েছিলে তুমি। তার ফলও পেয়েছ। শোনো মেয়ে, অর্থমূল্যে তোমার কাজটাকে যখন কিনে নেওয়া হচ্ছে, সেই কাজের ওপর তোমার আর কোনও অধিকার থাকে না। আমার পরিচয়েই যে তুমি ওখানে ঢুকতে পেরেছ, সেটা তো তোমার অজানা নয়! ওরা তোমাকে যে বাড়তি খাতিরটুকু করেছে, সেটাও আমারই জন্যে। আমারও নেহাত বয়স হয়েছে, অপারগ হয়েছি বলেই এইসব কাজে অন্যের সাহায্য নিচ্ছি। আমার পাবলিশড বইয়ের সংখ্যাটাও বোধহয় তোমার জানা নেই। হ্যাঁ, তোমার মেধা আছে। নিষ্ঠা আছে। গড়পড়তা বউ-মেয়েদের মতো টিভি সিরিয়াল দেখে বোধ ভোঁতা হয়ে যায়নি। আর সেইজন্যেই তোমার সঙ্গে কাজ করে আনন্দও পাই। সে বাদে তুমি আর কেউ নও। কিস্যু নও।’ কথাগুলো শুনে চুপচাপ মাথা নিচু করে বেরিয়ে এসেছিল সমতা।
‘যাক বাবা বাঁচলাম। বাবার কথায় তুমি কিছু মনে করোনি তো? কিছু মনে কোরো না গো। বুড়ো মানুষ একের রাগ অন্যের ওপর ঝেড়েছে হয়তো। এখন ছটফট করছে। আমি ফোন না করলে রাতে হয়তো ঘুমোতেই পারবে না।’ একটানা বলে যাচ্ছে অমলা, ফিলোজফির প্রফেসর। প্রিয়ব্রত স্যারের আদরের বউমা। সমতার ননদ। জিষ্ণুর দিদি। সমতা চুপ। একটু বাদে অমলাই বলল, এখন তবে রাখি, কেমন? রাত হয়েছে, শুয়ে পড়।’
ফোনটা জিষ্ণুকে ফেরত দিয়ে এসে নিজের ফোনটা খুলে সমতা দেখে মোট এগারোটা মিসড-কল। তবে শুধু ননদিনীর নয়। আরও একটা নম্বর। লাইব্রেরির ওই ভদ্রলোক, চা খেতে খেতে কেমন অবলীলায় চেয়ে নিলেন ওর নম্বরটা। কিন্তু আজ লাইব্রেরিতে ঢোকার আগে ফোন যে সাইলেন্ট করেছিল, সেটা তেমনি আছে। ভাগ্যিস...! ফোনটা বাজলে ননদের ফোন না ধরার সাহস কী ওর হত আদৌ? কিন্তু রাত ন’টা নাগাদ এই ভদ্রলোক দু’দুবার ফোন করেছিলেন, কেন? এখন এত রাতে আর রিং-ব্যাক করাও যায় না। রোজের অভ্যাসে হোয়াটস-অ্যাপ খুলে বসল সমতা।
‘হাই! তুমি কী জানো আজ আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন বিরোধী দিবস? নিজেকে নির্যাতিত মনে করলে যোগাযোগ করো আমাদের সঙ্গে।’— হাসিমুখের ইমোজি সমেত নিচে একটা ঠিকানা।
হোয়াটস-অ্যাপ খুলতেই মেসেজ। আজ নভেম্বরের পঁচিশ, নারী নির্যাতন বিরোধী দিবস! জানা ছিল না তো!
‘...রাস্তার পাশে শুয়ে আছে একটা মেয়ে। ভিখারি, নাকি পাগল? বেঁচে আছে তো? কৌতূহলী চোখের সারি মেয়েটাকে ঘিরে। দু’পা এগোতই নজরে পড়ল মেয়েটার নাইটি। চমকে উঠল সমতা। এটা তো ওর নাইটি। যেটা ও এখন পরে আছে...।’
...হ্যাঁ, ঠিক এই স্বপ্নটাই আজ ভোররাতে ঘুমের মধ্যে দেখেছিল। নাইটি পরে এভাবে রাস্তায় কেন ও— এটা ভেবেই ভয়ের চোটে হয়তো ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। কিন্তু চোখ খুলতেই অস্বাভাবিক আলোয় ধাঁধিয়ে গিয়েছিল দৃষ্টি। ঘরের দরজা জানলা সব খোলা। এমনকী পরদাগুলোও নামানো নেই। এদিকে ও নাইটি পরে বিছানায় শোয়া। এতটাই চমকে উঠেছিল যে, স্বপ্নটা মাথা থেকে বেমালুম গায়েব হয়ে গিয়েছিল তখন। ধড়মড়িয়ে উঠে বসতেই মুখে হাসি নিয়ে সামনে জিষ্ণু। ‘যাক, উঠেছ তাহলে। আমি তো ভাবলাম আজ সকালে চা আর জুটবেই না। সাতটা বেজে গেছে।’
‘বাহ্‌! আমি উঠিনি, সেই রাগে তুমি শোওয়ার ঘরটাকে এভাবে হাট করে দিয়েছ...! আব্রু বলেও কিছু রাখলে না?’ রাগে হতাশায় ভেঙে এসেছিল সমতার গলা।
‘এহ্‌, তুমি কী, যে তোমাকে দেখার জন্যে জানলা দিয়ে ড্যাবড্যাব করে চেয়ে থাকবে লোকজন’? মুখ বিকৃত করে ভেঙচে উঠেছিল জিষ্ণু। তারপরেই গম্ভীর হয়ে বলল, ‘সকলেরই কাজ-কর্ম আছে। আমার এঘরে দরকার ছিল, তাই জানলা খুলেছি।’
অতিকষ্টে নিজেকে সামলে নিয়েছিল সমতা। ‘কুল-কুল’, মনে মনে নিজেই নিজেকে বলেছিল এইভাবেই নিজেকে নিজে সামলে চলে ও। চলতে হয়। কারণ, সংসারে নিজেকে যতই ত্রুটি-মুক্ত রাখার চেষ্টা করুক না সমতা, পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করবেই ওর বর। লাইব্রেরিতে গিয়ে বসলেই এইসব ঘটনাগুলো তুচ্ছ হয়ে যায়। আজ ভুলেই গিয়েছিল। কিন্তু আজ সেখানেও সব উলটোপালটা ঘটে গেল। এই মেসেজটা যেন ধাক্কা দিয়ে মনে পড়িয়ে দিল সবকিছু। ভুলে যাওয়া স্বপ্নটাও! আশ্চর্য!
আজ তবে পঁচিশে নভেম্বর...। এবং পঁচিশে নভেম্বর ক্যালেন্ডারের একটা বিশেষ দিন। সমতার জন্যেও। ডায়েরি লেখার অভ্যেস ওর নেই। থাকলে লিখত আজ। কেমন শীত শীত করছে। শীতকাল কি সত্যিই এল? গায়ে একটা চাদর টেনে নিল সমতা।
‘হ্যালো ম্যাডাম! কোথায় ভ্যানিশ হয়ে গেলেন?’
ইস্‌! ওই ভদ্রলোক আবার। হোয়াটস অ্যাপ-এ ওকে অনলাইন দেখে মেসেজ করেছেন। লজ্জায় পড়ে গেল সমতা। লিখল, ‘সরি। ফোন সাইলেন্ট ছিল।’
‘ইট’স ওকে। আপনাকে একটা খবর দেওয়ার ছিল। পুরানো হাতে লেখা পুঁথি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ-এর কালেকশনেও আছে। আমি খবর নিয়েছি।’
‘কিন্তু ওঁরা আমায় দেখতে দেবেন কেন?’
‘আলবাত দেবো! আমি আছি কী করতে?’
‘ঠিক আছে।’ লিখে, একটা হাসিমুখ পাঠাল সমতা।
‘গুড নাইট’! ভদ্রলোক অফ লাইন হয়ে গেলেন। সমতাও বন্ধ করল ফোন। আনন্দ মোহন বিশ্বাস। নাম শুনে চিনতে পারেননি প্রিয়ব্রত স্যার। সমতাও জিজ্ঞেস করেনি পরিচয়। আসলে অস্বস্তি হচ্ছিল। একে তো অমন একটা পরিস্থিতিতে আলাপ। ভদ্রলোক নিজেই এত প্রশ্ন করছিলেন, ওর কাজ সম্পর্কে জানালেন. তারপর বললেন, ‘আপনি এরকম একটা কাজ করেন, অথচ ওদের কাছে ‘হাউজ ওয়াইফ’ বনলেন কেন?’ কারণটা সমতার নিজেরও অজানা। তাই চুপ করেই ছিল। উনি নিজেই জানালেন ল্যাঙ্গুয়েজ অব হিস্ট্রির ওপরে কিছু একটা কাজ উনি করছেন।
ফোন বন্ধ করে দিল সমতা। চোখ বন্ধ। ‘...নিজেকে নির্যাতিত মনে করলে যোগাযোগ কোরো আমাদের সঙ্গে...’, ও কি সত্যিই নির্যাতিতা? এগারোটা মিসড কল, জিষ্ণু আজ ফোনটা দেওয়ার আগে দরজায় নক করেছে। ...দিদির উদ্বেগ দেখে ভাইও কি ভয় পেয়েছে। ফিক করে হেসে ফেলল সমতা। বন্ধ ফোনটাকে চুমু খেল একবার। তারপর উঠল। বাথরুমে যেতে হবে। বাথরুম থেকে ফিরে ওর শোওয়ার ঘরের দরজাটায় ছিটকিনি এঁটে দিল, এই প্রথমবার।

অলংকরণ: সুব্রত মাজী
07th  May, 2017
কবির পুরস্কার
চন্দন চক্রবর্তী

‘কি হল! সকালবেলাতেই বিছানায় বসে কবিতার জাবর কাটছ!’ দুখিরাম তখন কবিতার ডায়েরিটা খুলে সবে বসেছে। গতকাল রাতে একটু বৈশাখী ঝড়, টুপুর টুপুর বৃষ্টি হয়েছে। সকালের মেঘেও নরম খবর। দুখিরামের স্ত্রী সতী রকম সকম দেখে কথাটা বলে দাঁড়ায়। গলায় শ্লেষ এনে বলে!
বিশদ

22nd  October, 2017
ফুটবল ঘিরে জেগে উঠেছে এক বুক স্বপ্ন

কলকাতা এমনই এক জা‌য়গা যেখানে ভারত বা কলকাতার কোনও দলের খেলা থাকলে দর্শকের ভিড়ে মাঠ উপচে পড়ে, কিন্তু বিদেশি খেলায় উৎসাহ থাকে অনেকটাই স্তিমিত। এবারে কিন্তু তার উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। লিখেছেন সুকুমার সমাজপতি। বিশদ

15th  October, 2017
বনানীগড়ের ঝগড়ামহল
রতনতনু ঘাটী

সে রাজ্যের নাম বনানীগড়। সে এক ভারী মজার রাজ্য। তার দক্ষিণ দিকে একটা মস্ত উঁচু পাহাড়। উত্তর দিকে ধু ধু মরুভূমি। পুব দিকে বিরাট সাগর। আর পশ্চিম দিকে দিগন্তের পর দিগন্তে মিশে যাওয়া আকাশ। রাজা না থাকলে কি আর রাজ্য হয় নাকি? তাই সে রাজ্যেরও একজন রাজাআছেন। তাঁর নাম পক্ষীকেতু। সেই রাজার রানিও আছেন একজন। তাঁর নাম কুসুমকান্তা।
বিশদ

15th  October, 2017
লোকনাথজির কৃপায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেন নিশিকান্ত বসু 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়
পর্ব-২৬
ডাক্তার নিশিকান্ত বসু, বিএসএমডি। পিতা রজনীকান্ত বসু। মাতা রাজকুমারী বসু। অধুনা বাংলাদেশের বারদীর বড় জমিদার স্বর্গীয় কালীকিশোর নাগ মহাশয়ের কনিষ্ঠা কন্যা ছিলেন রাজকুমারী দেবী। বিশদ

08th  October, 2017
ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ: পর্ব-২৮
ভুবন ভরা জালিয়াত 

অমর মিত্র: টাকার জন্য, জমির জন্য, সম্পত্তির জন্য মানুষ কী না পারে? আমাদের দেশটি ভাগই হয়েছিল স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা এবং শাসন ক্ষমতা অধিকারের জন্য। সম্পত্তি এখানে ক্ষমতা। দেশ শাসন করবে কে? কোন দল? ক্ষমতাই সমস্ত কিছু করায়ত্ত করার মূল।
বিশদ

08th  October, 2017
আগন্তুক 

পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়: হাঁসফাঁস করা গরম। একটু স্বস্তির জন্য ট্রেনের ভিতর থেকে দরজার কাছে এসে দাঁড়িয়ে ছিল অলোকনাথ। বারাসত স্টেশনে ট্রেনটা থামতেই দু-দ্দাড় করে উঠে এল ১০-১২ জন যুবক। বিশদ

08th  October, 2017
অন্নদাসুন্দরী
দীপান্বিতা মিত্র

 পুরানো দিনের বাড়ি, লম্বা লম্বা বারান্দা পেরিয়ে যে ঘরটার সামনে আমাকে দাঁড় করানো হল সেটি হল ‘দিদির ঘর’। তখনও জানতাম না, কে এই দিদি। ঘোমটার ফাঁক দিয়ে দেখলাম প্রকাণ্ড একটা পালঙ্কের উপর দুধ সাদা থান পরে এক মহিলা বসে আছেন, যার চারপাশ দিয়ে যেন জ্যোতি বের হচ্ছে। বেশ ফর্সা, দোহারা চেহারা, মাথার চুল খাটো করে কাটা, দুটি প্রকাণ্ড চোখ নিয়ে আমার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন, আমি ধীর পায়ে ঘরে প্রবেশ করে তাঁকে প্রণাম করলাম। ওই পরিচয়ের শুরু.... তারপর আজ ষোলো বছর ধরে তার অস্তিত্বকে অস্বীকার করার ক্ষমতা আমার হয়নি। বিশদ

27th  September, 2017
পিতা পুত্র
শান্তনু বসু

 জেনেতুন্নেসা বেগমের করুণ আর্তনাদ শেলের মতো এসে বিঁধছে বিজয় সিংয়ের অন্তরে, অপরাধবোধ যেন কুরে কুরে খাচ্ছে তাঁকে। নবাবের মৃত্যুর সব দায়ই যেন তাঁর। অথচ তিনি তো যুদ্ধ করছিলেন অন্যদিকে। নিষেধ না শুনে সামনে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিলেন সরফরাজ খাঁ। ভুল কৌশলে নিজের বিপদ নবাব নিজেই ডেকে এনেছিলেন। একথা যে বিজয় সিং জানেন না তা নয়। তবুও অপরাধবোধ, আত্মধিক্কার। অন্নদাতা প্রভুকে রক্ষা করতে পারেননি বিজয় সিং।
বিশদ

27th  September, 2017
দুর্গাদুপুর
বাণীব্রত চক্রবর্তী

 গৌতমের মোবাইল বেজে উঠল। অরণি ফোন করছে, ‘কী হল! এত দেরি করছিস কেন! শুভায়ু দুটোর মধ্যে চলে এসেছে।’ গৌতম বলল, ‘কী করব! বাস পাচ্ছি না।’ গৌতমের পকেটে কেবল সাঁইতিরিশ টাকা আছে। অরণি বলল, ‘ট্যাক্সিতে চলে আয়। আমি ভাড়া দিয়ে দেব।’ গৌতম ফোনটা কেটে দিল এবং সঙ্গে সঙ্গে ফোনের সুইচ অফ করে দিল। বিশদ

27th  September, 2017
আগমনি
সায়ন্তনী বসু চৌধুরী

 অনেকক্ষণ থেকে মোবাইলটা বেজে চলেছে। একটানা ঘ্যানর ঘ্যানর শব্দ। বিরক্ত হয়ে মহুয়া ঘরের দিকে এগিয়ে গেল। এই এক জিনিস হয়েছে। দু’ দণ্ড একলা থাকতে দেয় না কাউকে। যখনই একটু নিভৃতে নিজের সঙ্গে আলাপ চলে ওমনি বেজে উঠে সব তালগোল পাকিয়ে দেয়। সাত ইঞ্চির চওড়া স্ক্রিনে মায়ের নম্বরটা ফুটে উঠছে। মহুয়ার মুখে এক আকাশ কালো মেঘ এসে জমা হল। দু’তিনবার ঢোঁক গিলে গলাটা যতদূর সম্ভব স্বাভাবিক করে ও কলটা রিসিভ করল,
—‘হ্যাঁ মা, বলো বলো।’
বিশদ

27th  September, 2017
ঝাড়খিলি
পাপিয়া ভট্টাচার্য

 দালানের অন্য দিকে প্রবল চেঁচামেচি হচ্ছে। ‘বলু গো, কুমোরদের বলু! নারায়ণকে তুলে নিয়ে পালিয়েছে।’ হাঁপাতে হাঁপাতে খবর দিল শেফালি। সে এতক্ষণ শাঁখ বাজাচ্ছিল দালানে। ‘শাঁখ রাখতে গিয়েই তো দেখলুম, মশারি তুলে শ্রীধরকে নিয়ে ছুটল। আবার বলছে সন্ধ্যে থেকে রোজ ঘুম! এত ঘুম কিসের, এ্যাঁ? চলো আমার সঙ্গে বেড়িয়ে আসবে।’
বিশদ

27th  September, 2017
একনজরে
সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: পুরানো কলকাতায় মাটির তলায় কোথায় সুয়্যারেজ, গ্যাস, বিদ্যুতের লাইন রয়েছে, তার কোনও ম্যাপ বা রেকর্ড কেএমডিএ’র কাছে নেই। ফলে কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে এই নির্মাণকারী সংস্থাকে। মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলছে গ্রেটার ক্যালকাটা গ্যাস সার্ভিসের পাইপলাইন, ...

সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি, ২৩ অক্টোবর: গুজরাত নির্বাচনের প্রচারে নেমে নজিরবিহীনভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিঙ্গুর ফরমুলায় মোদিকে আক্রমণ করলেন রাহুল গান্ধী। সিঙ্গুরে বাধা পেয়ে আমেদাবাদ সংলগ্ন সানন্দে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এ রাজ্যে লগ্নির বহর বাড়াতে শুধু রাজ্য সরকার উদ্যোগ নেবে, এ কেমন কথা। এই বিষয়ে যাতে শিল্পমহল নিজেই এগিয়ে আসে, তার জন্য আরজি জানিয়েছিল শিল্প দপ্তর। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে রাজ্যের কয়েকটি বণিকসভা জানিয়েছিল, তারা নিজেরাই একযোগে ...

বিশ্বজিৎ দাস  কলকাতা: ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কলকাতা তথা রাজ্যবাসীকে দুশ্চিন্তায় রেখেছে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগগুলি। কিন্তু তার মোকাবিলায় তৈরি শতাব্দী প্রাচীন ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। কোনও না কোনও কর্মে যুক্ত হবার সম্ভাবনা। এই মুহূর্তে ব্যবসায় যোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬০১: জ্যোতির্বিদ টাইকো ব্রাহের মৃত্যু হল প্রাগ শহরে
১৯২৯: নিউ ‌ইয়র্ক শেয়ার বাজারে শুরু হল মহামন্দা। দিনটি ‘ব্ল্যাক থার্সডে’ নামে বিখ্যাত
১৯৩৫: ইথিওপিয়া আক্রমণ করল ইতালি
১৯৩৮: কারখানায় শিশুশ্রমিক নিষিদ্ধ করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
১৯৫৬: সোভিয়েত বাহিনী হাঙ্গেরি আক্রমণ করল। প্রধানমন্ত্রী হলেন ইমরে নাগি
১৯৮০: সলিডারিটি ট্রেড ইউনিয়নকে আই঩নি ঘোষণা করল পোল্যান্ড সরকার

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.৩০ টাকা ৬৫.৯৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৫৫ টাকা ৮৭.৪২ টাকা
ইউরো ৭৫.৩৯ টাকা ৭৮.০২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৯১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৩৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৮০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ কার্তিক, ২৪ অক্টোবর, মঙ্গলবার, চতুর্থী দিবা ৭/৭, নক্ষত্র-জ্যেষ্ঠা, সূ উ ৫/৪০/৪০, অ ৫/১/১২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১১ গতে ১০/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৩৫ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ৯/১৫ গতে ১১/৪৭ মধ্যে পুনঃ ১/২৮ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৪/৫০ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/৬ গতে ৮/৩১ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/১১ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩৭ গতে ৮/১১ মধ্যে।
৬ কার্তিক, ২৪ অক্টোবর, মঙ্গলবার, পঞ্চমী অহোরাত্র, জ্যেষ্ঠানক্ষত্র, সূ উ ৫/৪০/৪১, অ ৫/০/৪৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৬/১ মধ্যে ও ৭/১১/২১-৯/৩৮/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩১/৪৩-৮/২২/২৩ মধ্যে ও ৯/১৩/৩-১১/৪৫/৩ ও ১/২৬/২২-৩/৭/৪২ মধ্যে ও ৪/৪৯/১-৫/৪১/১৫, বারবেলা ৭/৫/৪১-৮/৩০/৪২, কালবেলা ১২/৪৫/৪৩-২/১০/৪৩, কালরাত্রি ৬/৩৫/৪৪-৮/১০/৪৩।
৩ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  ভারতের নিকোবর আইল্যান্ডে ভূমিকম্প
নিকোবর আইল্যান্ডে আজ সন্ধ্যায় ভূমিকম্প অনুভুত হয়। রিখটার স্কেলে যার ...বিশদ

23-10-2017 - 08:25:00 PM

বাগুইআটিতে গ্রেপ্তার হাইকোর্টের আইনজীবী
সিগন্যাল ভেঙে এগিয়ে যাওয়া একটি গাড়ি ধরায় এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে ...বিশদ

23-10-2017 - 07:26:00 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল গুয়াহাটির পরিবর্তে কলকাতায়

২৫ অক্টোবরের অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের ইংল্যান্ড-ব্রাজিল সেমিফাইনাল ম্যাচটি গুয়াহাটির পরিবর্তে ...বিশদ

23-10-2017 - 05:40:00 PM

দক্ষিণেশ্বরের রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের উদ্যোগে বাগবাজারে ভগিনী নিবেদিতার সার্ধশত জন্মজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে ১৬ নং বোস পাড়া লেনের নিবেদিতার বাড়ি উদ্বোধন করলেন মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

23-10-2017 - 04:51:00 PM

অমিতাভ মালিকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তভার সিআইডির হাতে দিল রাজ্য সরকার 

23-10-2017 - 04:30:10 PM

ডেবরায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ, জখম ১০ 
তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা। ঘটনায় ...বিশদ

23-10-2017 - 04:09:02 PM

পর্ণশ্রীতে আত্মঘাতী মহিলা 
পর্ণশ্রীতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক মহিলা। ...বিশদ

23-10-2017 - 02:33:00 PM