গল্পের পাতা
 

দর্পণে গ্রহণ 

কাবেরী চক্রবর্তী:  ‘স্ত্রী বিদ্যাভাস। চন্দ্রিকা ও প্রভাকর।
গত সপ্তাহের দর্পণে বিফার্মারে প্রকাশিত বাবু কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষের এক পত্রের বিষয়ে এবং আমাদের এক পত্রপ্রেরকের পর ইত্যঙ্কিত পত্রের বিষয়ে চন্দ্রিকা সম্পাদক মহাশয়ের উক্তি আমার দর্পণে অর্পণ করিলাম। এবং তদ্‌঩বিষয়ক প্রভাকরণ সম্পাদক মহাশয়ের উক্তিও অদ্য প্রকাশ করিলাম। উক্ত মহাশয়েরা স্বয়ং বিদ্বান হইয়া যে অজ্ঞানতার সপক্ষ হইতেছেন তাঁহারদের এতদ্রূপ উৎসাহ দেখিয়া আমরা বিস্মিত হইলাম।’
...বাপ রে! তখনকার দিনেও মেয়েদের নিয়ে এভাবে চর্চা চালাত ছেলেদের দল, তাও আবার খবরের কাগজের পাতায়,... আশ্চর্য তো!
চন্দ্রিকার মন্তব্য ছিল, ‘স্ত্রীলোকের ইহকাল পরকাল মঙ্গল কেবল, স্বামী সেবাতে হয়। ম্লেচ্ছরা যেমন বেদপাঠ করবে না, স্ত্রীলোক-শিক্ষা শাস্ত্রে নেই।’
বাহ্‌! কী অযৌক্তিক যুক্তি। অহেতুক কোঁদল। আর তাতে গলা মিলিয়েছেন তখনকার সমাজের নামী-দামি ব্যক্তিত্ব। সমাচার দর্পণ হল উদারপন্থী। শ্রীরামপুর প্রেস থেকে মিশনারিদের উৎসাহে প্রকাশিত হলেও, বাঙালি যুক্তিবাদী বিশিষ্টজনেরা যুক্ত ছিলেন। তাই দর্পণের পাতায়, ‘মৈত্রেয়ী, শকুন্তলা, অনসূয়া, খনা, রানি ভবানী’ প্রমুখের উদাহরণ। দর্পণের যুক্তি, ‘কর্ণাট, দ্রাবিড়, মহারাষ্ট্র, তৈলঙ্গ ইত্যাদি দেশে অনেক নারী বিদ্যাবতী। যেমন অহল্যাবাঈ। গৌড় আর হিন্দুস্থানে বহুকাল যবনাধিকার হওয়াতে মেয়েরা অন্তঃপুরবাসিনী হয়। অত্যাচার থেকে বাঁচতে।’
...আর অন্তঃপুরে তারা হয়ে পড়ে পুরুষের মেজাজ মর্জির অধীন। সোজা হিসাব। সেই আদিযুগ থেকে আর বদলাল না বাঙালি পুরুষ। নিজের মনেই হেসে ফেলল সমতা। পুরানো দিনের খবরের কাগজ খুলে বসেছে, ন্যাশনাল লাইব্রেরির স্টাডিরুমে। কী যে ভালো কাটে সময়টা...। কত বই, কত বিষয়! বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র ‘সমাচার-দর্পণ’ পড়ছে ক’দিন ধরে। এইসব পুরানো বইপত্র ঘাঁটতে, পড়তে ভীষণই ভালো লাগছে ওর। ছোটবেলায় বাবা ওকে বলত ‘গ্রন্থকীট’। বই পেলে আর কিছু চায় না। ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান, যে বিষয়ই হোক, সমান উৎসাহ নিয়ে পড়ে। আর এ হল বাংলা ভাষা-সাহিত্যের ইতিহাস। কত কিছু জানছে। আবার সেসব নিয়ে লিখতেও হয়। হ্যাঁ, আপাতত এটাই ওর কাজ। একজন খ্যাতিমান অধ্যাপকের আত্মীয় ও। তাঁরই সাহায্যকারী। একটা মনের মতো কাজ কেমন অনায়াসে পেয়ে গেছে সমতা। উনিই সঙ্গে করে এনে মেম্বার করে দিয়েছেন লাইব্রেরির। সমতার সামনে উন্মুক্ত খাজানা। কৃতজ্ঞ সমতা। কী বিশাল কালেকশন এঁদের। একদিন এঁদের আর্কাইভে ঢোকারও সুযোগ পেয়েছিল। তালপাতার পুঁথি, সোনার পাতায় লেখা ঝলমলে কোরান, পার্চমেন্ট-এ লেখা বৌদ্ধ পুঁথি..., আরও কত দুর্মূল্য সম্পদ!
এসব ভাবতে গিয়েই মনে পড়ে গেল, হাতে লেখা পুঁথিও আছে এখনকার রেয়ার কালেকশনে। আগে একদিন শুনেছে। আসলে সেদিন ১৮০১ সালে প্রকাশিত লেখক রামরাম বসু’র বইয়ের একটা পাতা হাতে লেখা দেখে চমকে উঠেছিল। একান্ত ওরই আবিষ্কার যেন। ছাপা বইতে হাতে লেখা পাতা, একেবারে ছাপার সঙ্গে মেলানো প্রায়... পিছনের ইতিহাসও যেন জেনে ফেলবে ও..., এতটাই উত্তেজিত। কথায় কথায় সেদিনই এঁরা বলেছিলেন, ‘হাতে লেখা পুঁথি আছে। আপনি দেখতে পারেন।’ সেদিন থেকেই অদম্য কৌতূহলে ফাটছে সমতা। কী কী বই, কী তাদের বিষয়, কেমন ভাষা, কেমন অলংকরণ— এসব জানার প্রবল আগ্রহ। সমাচার দর্পণের কিছু কিছু অংশ পড়ে নিজের মতো করে লিখে নিয়ে যেতে বলেছেন প্রিয়ব্রত স্যার। সমতার ননদের শ্বশুরমশাই উনি। কিন্তু সবাই ওঁকে ‘স্যার’ বলেই ডাকে, সমতাও। সমাচার দর্পণ আগে, না গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের বেঙ্গল গেজেটি আগে, সেই নিয়ে তুমুল বাকবিতণ্ডার স্বাক্ষর পত্রিকার পাতায়। সম্ভবত চন্দ্রিকাই শেষমেশ রণে ভঙ্গ দিয়েছিল। চন্দ্রিকার সম্পাদক ভবানী চরণ বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষটি খুনসুটিতে বেশ দড় ছিলেন বলেই মনে হয়। ঘোঁট পাকিয়ে মজা পেতেন। যাই হোক, ইংরেজি বাংলা কলাম করে একই খবর ডবল করে ছাপা, তখনকার ছাপানো ভাষার ধরন, উদাহরণ স্বরূপ কিছু কিছু টুকরো খবর— এসবের ওপর নোট নিয়েছে। আগামী দু’দিন আরও কিছুটা দেখে নেওয়া যাবে। এখন একটু নিজের-পড়া পড়া যেতেই পারে। রেয়ার বুকস-এর ঘরটা ছোট, পড়ুয়াও কম। স্টাফও কম। কেবল গোপালবাবুকেই চেনে সমতা। ওকে বই দিয়ে ভদ্রলোক বেরিয়ে গিয়েছিলেন। ফিরতেই সমতা বলল, দাদা, আমাকে হাতে লেখা পুঁথি দেখাবেন বলেছিলেন। আজ দেবেন?
স্যারের কাছে লিখিয়ে এনেছেন? হঠাৎই জিজ্ঞেস করলেন ভদ্রলোক।
না তো? থতমত খেয়ে গেছে সমতা। কারণ, এর আগেও কখনও কিছু লিখিয়ে আনেনি ও। তবে কি উনি কিছু তালিকা দিয়ে রেখেছেন এদের? তার বাইরে দেখাবে না? এটা জানলে তো লিখিয়েই আনত। ও বলল, ‘আপনি তো আগেরদিন বলেননি সেকথা? আপনি দেখাবেন বলেছিলেন বলেই আজ চাইলাম।’
‘শুধু দেখার জন্যে কাউকে কিছু দেওয়া হয় না।’ বলে অদ্ভুতভাবে হাসলেন গোপালবাবু।
রাগই হল সমতার। ‘শুধু দেখব কেন, কাজ করব।’ ঝোঁকের মাথায় বলেই ফেলল ও।
‘আপনি করেন কী, কলেজে পড়ান?’ জিজ্ঞেস করল অন্য একজন।
‘না না। আমি তো বাড়িতেই থাকি।’ বলল সমতা।
‘বাড়িতে থাকেন, মানে হাউজ-ওয়াইফ’! ‘হ্যা, হ্যা’ করে হেসে উঠল দ্বিতীয় লোকটা। ওর সঙ্গে বাদবাকিরাও। ‘রেয়ার বুকস-এ ঢুকলেন কী করে আপনি? রিসার্চ-স্কলার ছাড়া কেউ আসতে পারে না এখানে।’
মরমে মরে যাচ্ছে সমতা। যেন চুরির দায়ে ধরা পড়ে গেছে। রাগে-অপমানে বোবা, একটা পাথরের মূর্তি।
‘এটা কীরকম কথা হল দাদা’? ওপাশের টেবিল থেকে উঠে এলেন এক ভদ্রলোক। এর আগেও এখানে দেখেছে। কাঁচা-পাকা চুল পিছনে ঝুঁটি করে বাঁধা। একরাশ বই সামনে সাজিয়ে ঘাড় গুঁজে বসে থাকেন। আজও সমতা আসার আগে থেকেই ছিলেন। এখন হঠাৎ উঠে এলেন। বললেন, ‘লাইব্রেরিতে বই পড়ার জন্যে রিডার হওয়াটাই যথেষ্ট নয় কি? আমিও তো তাই।’
‘আপনার ব্যাপারটা স্যার আলাদা।’ আগের লোকটা এখন তোতলাচ্ছে। সামাল দিতে এগিয়ে এলেন গোপালবাবু, ‘এই দিদি প্রিয়ব্রতবাবুর অ্যাসিস্ট্যান্ট। কিন্তু, পুঁথির কথা তো ওঁর সঙ্গে হয়নি।’ তারপর সমতার দিকে ঘুরে বললেন, ‘আপনি হয়তো কোনও আর্টিকেল লিখবেন। তারপর ছাপাবেন। কিন্তু দিদি, এখানকার কোনও নথি কমার্শিয়াল ব্যবহার করা যায় না। এটা সরকারি সংস্থা। কেবলমাত্র সরকারি উদ্যোগে কোনও বই বা পত্রিকা প্রকাশ হলে, এখানে কাজ করা যায়। তার জন্যে আলাদা পারমিশনও লাগে।’
‘এই লাইব্রেরির এই ঘরে বসে, এখানকার বই পড়ে, খবরের কাগজে ধারাবাহিক লেখা বেরিয়েছে। তারপর বই হয়েছে। আপনাদের এখানেই আছে, এনে দেখাব?’ সমতার হয়ে একেবারে কোমর বেঁধে লেগেছেন অচেনা ভদ্রলোকটি। ঠিক যেন চন্দ্রিকা-দর্পণের লড়াই। দুঃখের মধ্যেও অবাক না হয়ে পারে না সমতা। উনি বলছেন, ‘নিয়মের দোহাই দিয়ে আপনারা আসলে ন্যাশনাল লাইব্রেরির আদর্শটাকেই মিথ্যে করে দিচ্ছেন। ছবি তুলতে দেবেন না। নিয়মের অত্যাচারে একটা ভালো কাজ করতে গিয়েও হোঁচট খেতে হয়। বইয়ের একেকটা পাতা জেরক্স বা প্রিন্ট-আউট নিতে এত টাকা দিতে হলে গরিব ছাত্রদের উপকার হবে কী করে? এটা একটা সরকারি সংস্থা। ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরিতে আমি নিজে এত এত ছবি তুলে আনি। কেন জানেন? রাত জেগে বাড়িতে বসে পড়ব বলে। আবার বগলদাবা করে নিয়েও আসি চারটি বই!’
‘কী করব স্যার, আমাদের হাত-পা বাঁধা। আমরা এখানে চাকরি করি। নিয়মের বাইরে যাওয়ার উপায় আমাদের নেই।’
‘আর চাকরিটা পাওয়ার জন্যে যা যা পড়াশোনা করলেন, সেগুলো স্রেফ ভোগে! পকেটে মাইনে ভরেই খুশি? পাঠকের জন্যে কেবল কিছু বাঁধা গত। সাহায্য করার চেষ্টা বা আন্তরিকতাটাও আপনাদের নেই।’
‘আপনি স্যার উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন। ঠিক আছে, আমি পুঁথি বের করে দিচ্ছি, উনি দেখুন।’
‘আমার লাগবে না।’ মরিয়া হয়েই কথাগুলো বলে উঠল সমতা। ডেলা পাকানো কান্নাটাও চাপা থাকল না।
‘চলুন ম্যাডাম। আজ আর কাজে মন বসবে না। চলুন, বাইরে গিয়ে চা খাই।’ এগিয়ে গেলেন ভদ্রলোক। ভোঁতা চিন্তা নিয়ে শুধুমাত্র ওঁকে অনুসরণ করল সমতা।
দুই
নিজের ঘরে রাতের শোওয়ার আয়োজন করছে সমতা, দরজায় নক। বন্ধ দরজা ফাঁক করে ওর মোবাইলটা বাড়িয়ে দিল জিষ্ণু, ‘দিদির ফোন। তোমাকে পায়নি। আমার ফোনে করেছে।’
ফোনটা হাতে নিতেই ওপাশে কাতর গলা, ‘বাবার সঙ্গে তোমার আজ কী হয়েছে সমতা, আমি ফিরতেই বলল, ‘রাগের মাথায় মেয়েটাকে কী না কী বলেছি, হয়তো খুব দুঃখ পেয়েছে।’ তাই আমাকে ফোন করতে বলল। আমি রিং করছি তুমি ধরছ না..., তাতে আমারও দুশ্চিন্তা হচ্ছে...’
‘আমার ফোনটা সাইলেন্ট করা ছিল। টের পাইনি।’ ছোট্ট করে বলল সমতা। লাইব্রেরি থেকে ফেরার সময় ওখানে গিয়েছিল আজ। কিছুটা যেন বিচার চাইতেই। সব শুনে স্যার প্রিয়ব্রত ভট্টাচার্য মুচকি হেসে বললেন, ‘বাংলায় একটা কথা আছে জানো তো, ‘ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া’, আজ সেটাই করতে গিয়েছিলে তুমি। তার ফলও পেয়েছ। শোনো মেয়ে, অর্থমূল্যে তোমার কাজটাকে যখন কিনে নেওয়া হচ্ছে, সেই কাজের ওপর তোমার আর কোনও অধিকার থাকে না। আমার পরিচয়েই যে তুমি ওখানে ঢুকতে পেরেছ, সেটা তো তোমার অজানা নয়! ওরা তোমাকে যে বাড়তি খাতিরটুকু করেছে, সেটাও আমারই জন্যে। আমারও নেহাত বয়স হয়েছে, অপারগ হয়েছি বলেই এইসব কাজে অন্যের সাহায্য নিচ্ছি। আমার পাবলিশড বইয়ের সংখ্যাটাও বোধহয় তোমার জানা নেই। হ্যাঁ, তোমার মেধা আছে। নিষ্ঠা আছে। গড়পড়তা বউ-মেয়েদের মতো টিভি সিরিয়াল দেখে বোধ ভোঁতা হয়ে যায়নি। আর সেইজন্যেই তোমার সঙ্গে কাজ করে আনন্দও পাই। সে বাদে তুমি আর কেউ নও। কিস্যু নও।’ কথাগুলো শুনে চুপচাপ মাথা নিচু করে বেরিয়ে এসেছিল সমতা।
‘যাক বাবা বাঁচলাম। বাবার কথায় তুমি কিছু মনে করোনি তো? কিছু মনে কোরো না গো। বুড়ো মানুষ একের রাগ অন্যের ওপর ঝেড়েছে হয়তো। এখন ছটফট করছে। আমি ফোন না করলে রাতে হয়তো ঘুমোতেই পারবে না।’ একটানা বলে যাচ্ছে অমলা, ফিলোজফির প্রফেসর। প্রিয়ব্রত স্যারের আদরের বউমা। সমতার ননদ। জিষ্ণুর দিদি। সমতা চুপ। একটু বাদে অমলাই বলল, এখন তবে রাখি, কেমন? রাত হয়েছে, শুয়ে পড়।’
ফোনটা জিষ্ণুকে ফেরত দিয়ে এসে নিজের ফোনটা খুলে সমতা দেখে মোট এগারোটা মিসড-কল। তবে শুধু ননদিনীর নয়। আরও একটা নম্বর। লাইব্রেরির ওই ভদ্রলোক, চা খেতে খেতে কেমন অবলীলায় চেয়ে নিলেন ওর নম্বরটা। কিন্তু আজ লাইব্রেরিতে ঢোকার আগে ফোন যে সাইলেন্ট করেছিল, সেটা তেমনি আছে। ভাগ্যিস...! ফোনটা বাজলে ননদের ফোন না ধরার সাহস কী ওর হত আদৌ? কিন্তু রাত ন’টা নাগাদ এই ভদ্রলোক দু’দুবার ফোন করেছিলেন, কেন? এখন এত রাতে আর রিং-ব্যাক করাও যায় না। রোজের অভ্যাসে হোয়াটস-অ্যাপ খুলে বসল সমতা।
‘হাই! তুমি কী জানো আজ আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন বিরোধী দিবস? নিজেকে নির্যাতিত মনে করলে যোগাযোগ করো আমাদের সঙ্গে।’— হাসিমুখের ইমোজি সমেত নিচে একটা ঠিকানা।
হোয়াটস-অ্যাপ খুলতেই মেসেজ। আজ নভেম্বরের পঁচিশ, নারী নির্যাতন বিরোধী দিবস! জানা ছিল না তো!
‘...রাস্তার পাশে শুয়ে আছে একটা মেয়ে। ভিখারি, নাকি পাগল? বেঁচে আছে তো? কৌতূহলী চোখের সারি মেয়েটাকে ঘিরে। দু’পা এগোতই নজরে পড়ল মেয়েটার নাইটি। চমকে উঠল সমতা। এটা তো ওর নাইটি। যেটা ও এখন পরে আছে...।’
...হ্যাঁ, ঠিক এই স্বপ্নটাই আজ ভোররাতে ঘুমের মধ্যে দেখেছিল। নাইটি পরে এভাবে রাস্তায় কেন ও— এটা ভেবেই ভয়ের চোটে হয়তো ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। কিন্তু চোখ খুলতেই অস্বাভাবিক আলোয় ধাঁধিয়ে গিয়েছিল দৃষ্টি। ঘরের দরজা জানলা সব খোলা। এমনকী পরদাগুলোও নামানো নেই। এদিকে ও নাইটি পরে বিছানায় শোয়া। এতটাই চমকে উঠেছিল যে, স্বপ্নটা মাথা থেকে বেমালুম গায়েব হয়ে গিয়েছিল তখন। ধড়মড়িয়ে উঠে বসতেই মুখে হাসি নিয়ে সামনে জিষ্ণু। ‘যাক, উঠেছ তাহলে। আমি তো ভাবলাম আজ সকালে চা আর জুটবেই না। সাতটা বেজে গেছে।’
‘বাহ্‌! আমি উঠিনি, সেই রাগে তুমি শোওয়ার ঘরটাকে এভাবে হাট করে দিয়েছ...! আব্রু বলেও কিছু রাখলে না?’ রাগে হতাশায় ভেঙে এসেছিল সমতার গলা।
‘এহ্‌, তুমি কী, যে তোমাকে দেখার জন্যে জানলা দিয়ে ড্যাবড্যাব করে চেয়ে থাকবে লোকজন’? মুখ বিকৃত করে ভেঙচে উঠেছিল জিষ্ণু। তারপরেই গম্ভীর হয়ে বলল, ‘সকলেরই কাজ-কর্ম আছে। আমার এঘরে দরকার ছিল, তাই জানলা খুলেছি।’
অতিকষ্টে নিজেকে সামলে নিয়েছিল সমতা। ‘কুল-কুল’, মনে মনে নিজেই নিজেকে বলেছিল এইভাবেই নিজেকে নিজে সামলে চলে ও। চলতে হয়। কারণ, সংসারে নিজেকে যতই ত্রুটি-মুক্ত রাখার চেষ্টা করুক না সমতা, পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করবেই ওর বর। লাইব্রেরিতে গিয়ে বসলেই এইসব ঘটনাগুলো তুচ্ছ হয়ে যায়। আজ ভুলেই গিয়েছিল। কিন্তু আজ সেখানেও সব উলটোপালটা ঘটে গেল। এই মেসেজটা যেন ধাক্কা দিয়ে মনে পড়িয়ে দিল সবকিছু। ভুলে যাওয়া স্বপ্নটাও! আশ্চর্য!
আজ তবে পঁচিশে নভেম্বর...। এবং পঁচিশে নভেম্বর ক্যালেন্ডারের একটা বিশেষ দিন। সমতার জন্যেও। ডায়েরি লেখার অভ্যেস ওর নেই। থাকলে লিখত আজ। কেমন শীত শীত করছে। শীতকাল কি সত্যিই এল? গায়ে একটা চাদর টেনে নিল সমতা।
‘হ্যালো ম্যাডাম! কোথায় ভ্যানিশ হয়ে গেলেন?’
ইস্‌! ওই ভদ্রলোক আবার। হোয়াটস অ্যাপ-এ ওকে অনলাইন দেখে মেসেজ করেছেন। লজ্জায় পড়ে গেল সমতা। লিখল, ‘সরি। ফোন সাইলেন্ট ছিল।’
‘ইট’স ওকে। আপনাকে একটা খবর দেওয়ার ছিল। পুরানো হাতে লেখা পুঁথি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ-এর কালেকশনেও আছে। আমি খবর নিয়েছি।’
‘কিন্তু ওঁরা আমায় দেখতে দেবেন কেন?’
‘আলবাত দেবো! আমি আছি কী করতে?’
‘ঠিক আছে।’ লিখে, একটা হাসিমুখ পাঠাল সমতা।
‘গুড নাইট’! ভদ্রলোক অফ লাইন হয়ে গেলেন। সমতাও বন্ধ করল ফোন। আনন্দ মোহন বিশ্বাস। নাম শুনে চিনতে পারেননি প্রিয়ব্রত স্যার। সমতাও জিজ্ঞেস করেনি পরিচয়। আসলে অস্বস্তি হচ্ছিল। একে তো অমন একটা পরিস্থিতিতে আলাপ। ভদ্রলোক নিজেই এত প্রশ্ন করছিলেন, ওর কাজ সম্পর্কে জানালেন. তারপর বললেন, ‘আপনি এরকম একটা কাজ করেন, অথচ ওদের কাছে ‘হাউজ ওয়াইফ’ বনলেন কেন?’ কারণটা সমতার নিজেরও অজানা। তাই চুপ করেই ছিল। উনি নিজেই জানালেন ল্যাঙ্গুয়েজ অব হিস্ট্রির ওপরে কিছু একটা কাজ উনি করছেন।
ফোন বন্ধ করে দিল সমতা। চোখ বন্ধ। ‘...নিজেকে নির্যাতিত মনে করলে যোগাযোগ কোরো আমাদের সঙ্গে...’, ও কি সত্যিই নির্যাতিতা? এগারোটা মিসড কল, জিষ্ণু আজ ফোনটা দেওয়ার আগে দরজায় নক করেছে। ...দিদির উদ্বেগ দেখে ভাইও কি ভয় পেয়েছে। ফিক করে হেসে ফেলল সমতা। বন্ধ ফোনটাকে চুমু খেল একবার। তারপর উঠল। বাথরুমে যেতে হবে। বাথরুম থেকে ফিরে ওর শোওয়ার ঘরের দরজাটায় ছিটকিনি এঁটে দিল, এই প্রথমবার।

অলংকরণ: সুব্রত মাজী
07th  May, 2017
বুঝিবে ফাজিল অঙ্ক শুভঙ্কর ভনে 

আমরা একটি সিরিজ শুরু করছি— ‘কিংবদন্তির নায়ক-নায়িকা’। আমরা কথা প্রসঙ্গে এমন সব পুরুষ মহিলার নাম কথা প্রসঙ্গে নিয়ে থাকি, যাঁরা খুব যেন পরিচিত, কিন্তু তাঁদের সম্পর্কে এমন কিছুই জানি না। তাঁদের ঘিরে নানান গল্পগুজব গড়ে উঠেছে। বিশদ

28th  May, 2017
বাংলা নাটক 

স্বপ্নময় চক্রবর্তী:  কলকাতায় একটা যাত্রাপাড়া আছে, ওখানে বিভিন্ন যাত্রা কোম্পানিগুলির অফিস, ওখান থেকেই বুকিং হয়। রিহার্সাল কোথায় হয় জানি না। রবীন্দ্র সরণির নতুন বাজার থেকে আহেরিটোলার মোড় পর্যন্ত ৩০০-৩৫০ মিটার দূরত্বের মধ্যে এখনও কমপক্ষে ৩০-৩৫টি যাত্রাদলের গদি রয়েছে।
বিশদ

28th  May, 2017
মারুবেহাগ
 

ভাস্কর গুপ্ত:   ১  সাড়ে সাতটা বেজেছে। টিভি’টা বন্ধ করে বারান্দায় এসে দাঁড়ায় সুনীপা। তিনতলার এই দু’কামরার ছোট্ট ফ্ল্যাটের বারান্দাটাও সেই মাপে। তবুও এই বারান্দাটা খুব পছন্দের সুনীপার।
বিশদ

28th  May, 2017
গুরুর নির্দেশে শবসাধনায় বসলেন তারানাথ 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়:  হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। আর মাত্র কয়েক ঘন্টা। তারপরই শুরু হবে এক নতুন জীবন। তারাপীঠে আসার পর থেকে তারানাথও খুব প্রয়োজন ছাড়া গুরুর কাছ ছাড়া হচ্ছেন না এবং বামদেবও চাইছেন শিষ্য তাঁর আশেপাশেই থাকুন।
বিশদ

21st  May, 2017
ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ 
সাতক্ষীরের দীপ্তিময় মল্লিক

 অমর মিত্র: দীপ্তিময়, দীপ্তি মল্লিকের বয়স ৭৫-এর মতো। তিনি পিতৃপুরুষের ভিটে ছাড়েননি। দীপ্তি মল্লিকের সঙ্গে আমার দেখা বাংলাদেশের সাতক্ষীরেয় আমার পিতৃপুরুষের ফেলে আসা ভিটে দেখতে গিয়ে। তিনি শিক্ষক ছিলেন। একটি কন্যা এবং এক পুত্র।
বিশদ

21st  May, 2017
সন্ধ্যাতারা 

পাপিয়া ভট্টাচার্য:  সেন্ট্রালের সামনে ওকে নামিয়ে দিয়ানা বলল, ‘সরি বনি, আমি আর ওয়েট করব না। তুমি ঠিকঠাক চলে যেও। ফোন করব। সরি এগেইন।’
গ্যাসচালিত ধোঁয়াহীন বাইকটা ঝড়ের বেগে বেরিয়ে যাবার পর খেয়াল হল তার, ইস, আবারও সেই একই ভুল।
বিশদ

21st  May, 2017
তিথির সঙ্গে কিছুক্ষণ 

আশিস ঘোষ:  ঠিক সন্ধের শুরুতে তিথি এল। কখন থেকে দাঁড়িয়ে আছি। কত বাস, মিনিবাস, ট্যাক্সি দাঁড়াল। লোকজন ওঠানামা করল। তিথি আর আসে না। ক্লান্ত বিরক্ত হয়ে চলে যাব কিনা ভাবছি, এমন সময় তিথি এল। ঠিক সন্ধের শুরুতে। বিশদ

14th  May, 2017
গানের ভিতর দিয়ে 

স্বপ্নময় চক্রবর্তী:  বাঙালির মনন বাংলা গানকে বলেছে তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে। বাংলা গান এসেছে নবনব রূপে। কিন্তু কানে এসেছে প্রাণে নয়। সেই কবিওয়ালাদের গান থেকে রামপ্রসাদ-নিধুবাবু হয়ে সলিল চৌধুরি হয়ে আজকের ব্যান্ডের গান পর্যন্ত নব নব রূপেই এসেছে।
বিশদ

14th  May, 2017
ইতিহাসের আলোছায়ায় 
টোডার মল

বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায়: টোডার মল ছিলেন আকবর বাদশার প্রথম রেভিনিউ মিনিস্টার এবং দক্ষ ভূমি ও ভূমিরাজস্ব ব্যবস্থার যথার্থ রূপকার। তাঁর জন্ম হয়েছিল লাহোরে। অতি সাধারণ পরিবারে জন্ম। বাদশার কাজে তিনি যোগ দেন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া। বিশদ

14th  May, 2017
জ্বলন্ত চিতায় তারামাকে দর্শন করলেন তারানাথ  

পর্ব-১৬
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়:  মাসটা কার্তিক। বেশ ঠাণ্ডাও পড়েছে। প্রায় বাহাত্তর ঘন্টা ট্রেন- সফর করে বীরভূমের মল্লারপুর স্টেশনে এসে নামলেন ব্রহ্মচারী প্রমথেশ। রামপুরহাটের আগের স্টেশনটিই মল্লারপুর। বিশদ

07th  May, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির শ্লথতা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে বিস্তর। আর সেকারণেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির জন্য এক বছর আগে পুলিশকে দেওয়া হয়েছিল চারটি গাড়ি। এই গাড়িগুলি ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির উপযোগী যাবতীয় পরিকাঠামোয় সজ্জিত। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ময়ূরেশ্বরের বড়তুড়িগ্রামে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় নয়া মোড়। শুধুমাত্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই নয়, খুনের পিছনে কাজ করেছে পুরানো আক্রোশও। ধৃতদের জেরা করে এমনটাই পুলিশ জানতে পেরেছে। উল্লেখ্য, শনিবার সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে আসগর আলি নামে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পাহাড় জয়ের স্বপ্নে এবার হাত মেলাল দুই বাংলা। কলকাতার পর্বতারোহী সত্যরূপ সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশের মুসা ইব্রাহিম একযোগে অভিযান শুরু করলেন ওশিয়ানিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কারস্টেইনৎস পিরামিড ওরফে পুনসাক জয়া-র উদ্দেশ্যে। ...

 মুম্বই, ২৯ মে (পিটিআই): শেয়ার বাজারের ঊর্ধ্বগতি চলছেই। এদিন মুম্বই শেয়ার বাজারের সূচক সেনসেক্স ৩১ হাজার ১০৯ পয়েন্টে শেষ হয়েছে। গত তিন দিন ধরেই সেনসেক্স ঊর্ধ্বমুখী। তিনদিনে ৮০০ পয়েন্টেরও বেশি উঠেছে সূচক। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭০ টাকা ৬৫.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৮ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭০.৮৭ টাকা ৭৩.২৩ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,২৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৪০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

 ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী দিবা ৮/৪৭, পুষ্যানক্ষত্র দিবা ১১/৫৭, সূ উ ৪/৫৫/৪৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ পুনঃ ৯/২১-১২/০ পুনঃ ৩/৩১-৪/২৫, বারবেলা ৬/৩৬-৮/১৫ পুনঃ ১/১৩-২/৫৩, কালরাত্রি ৭/৩২-৮/৫৩।
১৫ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী ২/১৯/৫, পুষ্যানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৫/২৮/৪৩, সূ উ ৪/৫৪/৪৫, অ ৬/১২/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪/১৯, ৯/২০/৪২-১২/০/১৬, ৩/৩৩/২-৪/২৬/১৩ রাত্রি ৬/৫৫/২৫, ১১/৫৫/৫-২/৩/৩১, বারবেলা ৬/৩৪/২৯-৮/১৪/১৩, কালবেলা ১/১৩/২৪-২/৫৩/৮, কালরাত্রি ৭/৩২/৫২-৮/৫৩/৮।
৩ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণার ইচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মান পাণিগ্রাহীর 
চিকিৎসক বা ইঞ্জিনিয়ার নয়। গবেষক হতে চায় এবছর উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থান অধিকারি হুগলি কলেজিয়েট স্কুলের অর্চিষ্মান পাণিগ্রাহী। পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। ২০১৫ সালে মাধ্যমিকে দ্বিতীয় হয়েছিল অর্চিষ্মান। উচ্চ মাধ্যমিকে তার থেকেও ভালো ফল করায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি সে। 

10:58:00 AM

চিকিৎসক হতে চায় উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বাঁকুড়া জেলা স্কুলের সুরজিৎ লোহার 

10:54:51 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় (৯৭.৮%) শুভম সিংহ ও সুরজিৎ লোহার (বাঁকুড়া জেলা স্কুল) 

10:49:32 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মাণ পানিগ্রাহি ( হুগলি কলেজিয়েট স্কুল) 

10:45:00 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় (৯৮.৪%) ময়াঙ্ক চট্টোপাধ্যায় (মাহেশ শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যাভবন), উপমন্যু চক্রবর্তী (নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন) 

10:39:06 AM

সাফল্যের নিরিখে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর 

10:15:00 AM






বিশেষ নিবন্ধ
এবারই প্রথম নয়, ’৯৯-এ কারগিল যুদ্ধেও পাক সেনারা নৃশংসতার নজির রেখেছিল
সীমান্তরক্ষায় অনেকদিন কাটানো পোড়খাওয়া এক ক্যাপ্টেন একদিন দার্শনিকের ঢঙে বললেন, আমরা এটুকুই বুঝি—যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন মানে ...
 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!
শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ...
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ
 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, ...
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...