Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই
১৬
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

গিরীন্দ্রনাথ সরকার। সাহিত্যিক হিসেবে তেমন খ্যাতি অর্জন করতে না পারলেও, তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভূপর্যটক। পৃথিবীর প্রায় সব দেশই তাঁর ঘোরা ছিল। বহুকাল তিনি সরকারি কন্ট্রাক্টর হিসেবে ব্রহ্মদেশে কাজ করেছিলেন। আর এইসময়ই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের। খুব অল্পদিনের মধ্যে গিরীন্দ্রনাথ শরৎবাবুর হৃদয়ে একটা পাকাপাকি আসন তৈরি করে নিতে পেরেছিলেন। তিনি শরৎচন্দ্রকে ‘শরৎদা’ এবং শরৎদা তাঁর এই ভাইকে গিরীন বলে সম্বোধন করতেন। প্রথমদিকে শরৎচন্দ্রকে ভাষা সমস্যায় বারেবারে নাজেহাল হতে হয়েছে, তখন গিরীন্দ্রনাথই তাঁর দাদার দোভাষী হিসেবে কাজ করতেন। এই অন্তরঙ্গতার ফলে আমরাই কিন্তু পরবর্তীকালে যথেষ্ট লাভবান হয়েছি। গিরীন্দ্রনাথ সরকারের লেখা ‘ব্রহ্মদেশে শরৎচন্দ্র’ গ্রন্থ থেকে কথাসাহিত্যিক সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য আজ ‘শরৎ-গবেষকরা’ জানতে পারছেন। এই বইটি শুধু সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র নয়, মানবদরদী, ভূয়ষী প্রতিভার অধিকারী অসাধারণ মানুষের সুন্দর এক চিত্র আমাদের সামনে তুলে ধরেছে। দাদার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অটুট ছিল। শরৎচন্দ্রও বেশ কয়েকবার ভাই গিরীনের কালীঘাটের বাড়িতেও এসেছেন।
এই ভূপর্যটক মানুষটি একবার জোড়া বিপদে পড়লেন। তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র সন্তোষময় সেইসময় পড়াশোনা করতেন দেওঘরের এক নামী স্কুলে। একদিন বিকেলে কিশোর সন্তোষময় তার স্কুলের এক বেলগাছে চড়ে বসল। কিন্তু সেখানে সে বেশিক্ষণ বসে থাকার সুযোগ পায়নি। খেয়েছিল পেল্লাই এক ধাক্কা। সোজা গাছ থেকে নেমে এল ভূমিতে। শোনা যায়, ওই বেলগাছে বসবাস করতেন এক ব্রহ্মদৈত্য। কিশোর সন্তোষময়ের বেয়াদপি তিনি একদম বরদাস্ত করতে পারেননি। শুধু ধাক্কা মেরেই ক্ষান্ত হলেন না, তিনি সেই কিশোরের শরীরের প্রবেশ করলেন। আর ঠিক সেইসময় পুরীর রাধানিবাসে ঘটল এক অলৌকিক কাণ্ড। গিরীন্দ্রনাথের কন্যা কমলা মানুষের ভূত-ভবিষ্যৎ বলতে শুরু করলেন। মানুষজন অবাক হয়ে বলতে লাগলেন, অবশ্যই কমলার ওপর কোনও দৈবশক্তি ভর করেছে। গিরীন্দ্রনাথের তখন উভয়সঙ্কট। ছোটাছুটির শেষ নেই। মেয়েকে নিয়ে তিনি বহু চিকিৎসক ও কবিরাজের কাছে গেলেন, করালেন ঝাড়ফুঁক, পরালেন অসংখ্য কবচ ও মাদুলি— কিন্তু এসব করে কোনও লাভ হল না।
এইসময় একদল ভক্ত-প্রাণ মানুষ গিরীন্দ্রনাথকে বললেন, শুনেছি রাম-নামে ভূত পালায়। আমরা আগামী একাদশীর দিন একটা নাম সংকীর্তনের আয়োজন করব। আপনি একবার কষ্ট করে আপনার কন্যাকে নিয়ে আসবেন!
গিরীন্দ্র রাজি হলেন, বললেন, কখন আসতে হবে বলুন?
তাঁরা বললেন, সন্ধের মুখে।
নির্দিষ্ট দিনে কন্যাকে নিয়ে তিনি সেই সংকীর্তনের আসরে এলেন। শুরু হল প্রবল নামসংকীর্তন। কমলা খুব শান্ত মনে সেই সংকীর্তন শুনছিলেন। হঠাৎ তিনিও যোগ দিলেন সেই সংকীর্তনে। আয়োজকরা কমলার মুখে রামনাম শুনে বেজায় মুষড়ে পড়লেন। তাঁরা বুঝলেন— এই ওষুধে কোনও কাজ হবে না। বিষন্ন গিরীন্দ্র এরপর মেয়েকে নিয়ে ফিরে এলেন তাঁর কলকাতার কালীঘাটের বাড়িতে।
কমলার কথা তখন কলকাতার অনেকেই জানেন। সুদূর বম্বেতেও এই খবর কোনওভাবে পৌঁছে গিয়েছিল। সেখান থেকে কমলাকে দেখতে এলেন বিখ্যাত পরলোকতত্ত্ববিদ ভি ডি ঋষি, সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। তিনি সব কিছু পর্যবেক্ষণ করে গিরীন্দ্রনাথকে বললেন, আমি আপনার কন্যার অলৌকিক খবরটি আমার ‘স্পিরিচুয়্যাল বুলেটিন’-এ প্রকাশ করতে চাই। আপনার কী কোনও আপত্তি আছে?
গিরীন্দ্রনাথ বললেন, দয়া করে ওই কাজটি করবেন না, এতে আমার গৃহশান্তি নষ্ট হবে।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ও তখন কলকাতায়। লোকমুখে গিরীন্দ্রের বিপদের কথা শুনে তিনিও ছুটে গেলেন ভাইয়ের বাড়িতে।
শরৎদাকে দেখে লাফিয়ে উঠলেন গিরীন্দ্রনাথ সরকার। দাদাকে অভ্যর্থনা করে ঘরে নিয়ে গিয়ে বসালেন।
শরৎচন্দ্র বললেন, হ্যাঁগো,গিরীন এ কী শুনছি! তুমি শুধু বিলেত ফেরত নও, দুনিয়া ফেরত লোক! শেষকালে তুমিও ভূতে মজলে। কবে থেকে এসবে বিশ্বাস হল তোমার?
গিরীন্দ্র করুণ হেসে বললেন, শরৎদা, বেজায় বিপদে পড়েছি আমি। গত পাঁচ বছর ধরে এই কাণ্ড চলছে। কোনও কিছুই করতে বাকি রাখিনি। শুনেছেন তো আমার ছেলের ঘাড়ে ব্রহ্মদৈত্য ভর করেছেন। আমার ছেলেকে তিনি কিছুতেই ছাড়তে চাইছেন না।
শরৎচন্দ্র বললেন, তোমার মেয়ে কমলার খবরটা কী?
গিরীন্দ্র বললেন, ও সব অতীন্দ্রিয় শক্তির খেলা।! কিন্তু, শরৎদা, তুমি জানলে কেমন করে?
কীভাবে তিনি জানতে পেরেছিলেন সে প্রসঙ্গে না গিয়ে শরৎচন্দ্র বললেন, দেখো, গিরীন, আমি যা শুনেছি তা বিশ্বাস করা আমার কাছে সত্যিই অসম্ভব। তাই তোমার মুখে পুরো ঘটনাটা শোনার জন্য আমি ছুটে এসেছি। কমলার এই ব্যাপারটা কী শুধু পুরীর লোকজনরাই জানেন? নাকি কলকাতার লোকেরাও দেখেছেন।
গিরীন্দ্রনাথ বললেন, শরৎদা, কেন শুধু পুরীর লোকেরা দেখবেন? কমলার এই অলৌকিক শক্তির সাক্ষী রয়েছেন পাটনা হাইকোর্টের জজ রায়বাহাদুর অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়, পুরীর ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট মন্মথনাথ বসু, লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর রায়বাহাদুর জ্ঞানেন্দ্র চক্রবর্তী, রায়সাহেব উপেন্দ্রনাথ দে, সাহিত্যিক কুমুদবন্ধু সেন ও বিশিষ্ট পরলোকতত্ত্ববিদ ভি ডি ঋষি এবং তাঁর স্ত্রী।
শরৎচন্দ্র হাসতে হাসতে বললেন, তাহলে এই খবরটা কাগজে দিচ্ছ না কেন?
গিরীন্দ্র বললেন, শরৎদা, কী হবে সাধারণের কাছে প্রকাশ করে? মিঃ ঋষিও লিখতে চাইছিলেন। আমি তাঁকে মানা করেছি।
শরৎচন্দ্র তাঁর ভাইয়ের কাছে মিঃ ঋষির পরিচয় জানতে চাইলেন।
গিরীন্দ্র বললেন, মিস্টার ভি ডি ঋষি একজন প্রখ্যাত আইনজীবি। ১৯১৯ সালে তাঁর প্রথমা স্ত্রী সুভদ্রা সন্তানপ্রসব করতে গিয়ে মারা যান। স্ত্রীর অকাল মৃত্যুতে তিনি খুব ভেঙে পড়েছিলেন। এইসময় তাঁর হাতে আসে অলিভার লজের লেখা একটি বই। যেখান থেকে তিনি জানতে পারেন মৃত্যুর পরেও আত্মা বর্তমান থাকে। পরবর্তীকালে ঋষি আবার বিয়েও করেন। বর্তমানে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী দুজনেই পরলোকতত্ত্ব নি঩য়ে বেজায় মেতে আছেন। শরৎদা তাঁরা দুজনেই কিন্তু দারুণ ভালো মিডিয়াম।
(ক্রমশ)
23rd  June, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
মরুতীর্থের দেবী, পর্ব ২০
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 আমার বারো বছর বয়সের সময় বাবা-মায়ের সঙ্গে তীর্থযাত্রায় গিয়ে দ্বারকা থেকে ফেরার পথে ভাটিয়া স্টেশনে নেমে সমুদ্রের খাড়ি পার হতে হয়েছিল। ওখান থেকে গন্তব্য ছিল সুদামাপুরী (পোরবন্দর)। পথে যেতে যেতে এক জায়গায় বাসযাত্রীরা সবাই নেমে পড়লেন এক জাগ্রতা দেবীকে দর্শন করবার জন্য।
বিশদ

ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 একদিন মিউগেন্স সাহেবকে বললাম, আমি বাড়িতে মাঝে মাঝে মিডিয়াম হয়ে ‘স্পিরিটের’ সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু খুব ভালো পারছি বলে মনে হচ্ছে না। মিউগেন্স সাহেবের গম্ভীর মুখের দিকে তাকিয়ে আবার বললাম, — অথচ বিলেতের কাগজে পড়েছি, এফিসিয়েন্ট মিডিয়ামের সাহায্যে তারা একান্ত আপনজনের স্পিরিট নিয়ে আসছে....
বিশদ

এমনি বরষা ছিল সেদিন
ছন্দা বিশ্বাস

দশ দিন হতে চলল অর্ণব ঠাকুরপোকে পাওয়া যাচ্ছে না। অনিকেতের ছেলেবেলার বন্ধু অর্ণব। আমার বিয়ের পরে বেশ কয়েকবার আমাদের বাড়িতে এসেছে। তারপর বহুদিন আর দেখা হয়নি। মাঝখানে হঠাৎ একদিন এসেছিল আমাদের বাড়িতে। সেও বেশ কিছুদিন হতে চলল। অনিকেত শুনলাম থানায় একটা মিসিং ডায়েরি করেছে।
বিশদ

14th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয় 
গিরিতীর্থ হিংলাজ, পর্ব-১৯

 এবার গিরিতীর্থ হিংলাজে যাওয়া যাক। ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে গুজরাত প্রদেশে হিংলাজ মাতার মন্দির আছে। তবে সে সবের সন্ধান আমার জানা নেই। দৈবকৃপায় আমি যে দুটি স্থানে গিয়ে পড়েছিলাম তারই বর্ণনা দেব। বিশদ

14th  July, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 প্যারীচাঁদ মিত্র সেইসময় কলিকাতার বেঙ্গল লাইব্রেরির (বর্তমানে জাতীয় গ্রন্থাগার) সম্পাদক ছিলেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি পরলোক চর্চা নিয়ে অতিশয় মেতে উঠলেন। লাইব্রেরির সংগ্রহশালায় থাকা পরলোকতত্ত্ব সম্বন্ধীয় বিভিন্ন পুস্তক ও প্রবন্ধাদি পাঠ করতে শুরু করলেন। বিশদ

14th  July, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: জোড়াবাগান থানার বিপরীতে নিমতলার বিখ্যাত মিত্র বাড়ির এই দুপুরের সময়টা বউদের বড়ই ব্যস্ততার মধ্যে কাটে। এই বাড়ির প্রখ্যাত, রাশভারী শ্বশুরমশাই পুজো সেরে এখনই খেতে বসবেন।   বিশদ

07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
অমরকণ্টক  পর্ব-১৮

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: বিন্ধ্যপর্বতের যে অংশটির নাম মেকল বা মৈকল, তীর্থভূমি নর্মদার সেই স্থানই অমরকণ্টক। শুধু তীর্থভূমি নয়, অমরকণ্টক হল সৌন্দর্যের খনি। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনাতীত।  বিশদ

07th  July, 2019
শাল-পিয়ালের চুপকথা 

সুপর্ণা সেনগুপ্ত: পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল বাগমুণ্ডি। আকাশ যেখানে গল্প করে মেঘের সঙ্গে। ঘন জঙ্গল, পাহাড় আর ঝর্ণা ঘেরা ছোট ছোট গ্রাম, আঁকা থাকে নীল আকাশের ক্যানভাসে। বর্ষায় সেখানে নদীর জল ছাপিয়ে যায়।   বিশদ

07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: মধ্যপ্রদেশের গুণা জেলায় সুন্দরী চান্দেরিতে এক বনময় পর্বতের গুহায় দেবী জাগেশ্বরীর অধিষ্ঠান। ইনি শুধু দেবী নন, মহাদেবী। মাত্র ২০০ মিটার উঁচু এই দুর্গ শহরের আকর্ষণ ঐতিহাসিক গুরুত্ব, দেবী মহিমা ও লোভনীয় চান্দেরি শাড়ির জন্য।  বিশদ

30th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: ঋষি এবং তাঁর স্ত্রী খুব ভালো মিডিয়াম— এই কথাটা শুনে শরৎচন্দ্র হাসতে হাসতে ভাইয়ের কাছে জানতে চাইলেন, তুমি কী করে জানলে তাঁরা খুব ভালো মিডিয়াম?
গিরীন্দ্রনাথ বললেন, আমি এবং আমার বন্ধু রায়সাহেব হরিসাধন মুখোপাধ্যায় তাঁদের সঙ্গে প্ল্যানচেটে বসেছিলাম। বিশদ

30th  June, 2019
মোম জোছনা 

সঞ্জয় রায়: ‘হেই, হ্যাট্‌-হ্যাট্‌-হ্যাট্‌, যাঃ যাঃ-যাঃ। উঃ, দ্যাকো দিকিনি উঠোনটা খালি খালি নোংরা করে। অ্যাই, যাঃ-যাঃ-যাঃ।’ কুসুম সক্কালবেলায় হাঁসের দলটাকে উঠোন থেকে তাড়াচ্ছিল। দীননাথ দাওয়ায় বসে কুসুমের ছলকে পড়া যৌবনটাকে জরিপ করছিল।  বিশদ

30th  June, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ জলপা, পর্ব-১৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 মৈহরপীঠ দর্শনের পর সে রাতটা মৈহরেই কাটালাম। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটার ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই কাটনিতে। মধ্য রেলওয়ের কাটনি একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন। এ যাত্রায় আমি ঘরমুখো হব বলেই কাটনিতে এলাম। কেন না এখানে ট্রেন একটু বেশিক্ষণ দাঁড়ায় তাই।
বিশদ

23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৫
নিস্তব্ধ নির্জন ঘর, দেবতা বিশ্রাম করছেন খাটে। ঘরের এককোণে চুপ করে বসে আছেন মতিলাল। প্রদীপটা তখনও মিটমিট করে জ্বলছে। সময় যেন আর কাটতেই চাইছে না। মাঝে একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন মতো হয়ে পড়েছিলেন মতিলাল। সেই রেশ কাটাতে তিনি ঘরের ভেতর পায়চারি করতে শুরু করলেন।  
বিশদ

16th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

মৈহর পীঠ, পর্ব-১৫
মৈহর হল মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলা তহশিলের এক প্রসিদ্ধ দেবীস্থান। একান্ন পীঠের অন্তর্গত পীঠ না হলেও উপপীঠ। এখানে সতীর দেহাংশ নয় কণ্ঠহার পড়েছিল। এই পুণ্যভূমিতেই ত্রিকূট পর্বতের চূড়ায়। সতীমাঈ কি হার। তাই থেকেই মাঈহার, মৈহার ও বর্তমানে মৈহর।  
বিশদ

16th  June, 2019
একনজরে
সংবাদাতা, রায়দিঘি: রাজ্যে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই। তাই বৃষ্টি যাতে দ্রুত আসে, সেই কারণে ধুমধাম করে ...

 ওয়াশিংটন, ২০ জুলাই (পিটিআই): আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদকে গ্রেপ্তার করেছে পাকিস্তান। এরপরেও পাকিস্তানের উপর থেকে সন্দেহ যাচ্ছে না আমেরিকার। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রবীণ এক কর্তাব্যক্তি শুক্রবার জানিয়েছেন, আগেও হাফিজকে গ্রেপ্তার করেছিল ইসলামাবাদ। ...

  নয়াদিল্লি, ২০ জুলাই: বিশ্বকাপের সময় ভারতীয় ক্রিকেটাররা মাত্র ১৫ দিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাকার সুযোগ পাবেন। এটাই ছিল বিসিসিআইয়ের নিয়ম। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে হুগলির চাঁপদানির ডালহৌসি জুটমিলে কাজ শুরু হল। শুক্রবার বিকেলে একাংশের কর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। তারপর রাতে কারখানার সমস্ত কর্মী কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কর্মীদের অভিযোগ, কারখানার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বেশি সময় ধরে কাজের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে ভালো ফল হবে। ব্যবসায় যুক্ত হলে খুব একটা ভালো হবে না। প্রেমপ্রীতিতে বাধাবিঘ্ন। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২০: মা সারদার মৃত্যু
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

20th  July, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
20th  July, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৫২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ১৬/২২ দিবা ১১/৪০। শতভিষা ৫/৪৫ দিবা ৭/২৫। সূ উ ৫/৬/৫২, অ ৬/১৮/১৬, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৫/৫৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৩ গতে ২/২৪ মধ্যে।
৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ৯/২৬/৩১ দিবা ৮/৫২/১৬। শতভিষানক্ষত্র ২/০/৪৮ প্রাতঃ ৫/৫৩/৫৯, সূ উ ৫/৫/৪০, অ ৬/২১/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪ গতে ৯/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/৮ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪/১৩ গতে ১১/৪৩/৪৪ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৩/৪৪ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৪/১২ গতে ২/২৪/৪২ মধ্যে।
১৭ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:29:52 AM

ওভারথ্রোয়ের নিয়ম বদলাতে পারে এমসিসি
বিশ্বকাপের ফাইনালে ওভারথ্রো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় নিয়ম বদল করা ...বিশদ

10:15:00 AM

  ইস্ট বেঙ্গলে জুনিয়র বিশ্বকাপার
ইস্ট বেঙ্গলের অনুশীলনে যোগ দিলেন যুব ভারতীয় দলের স্ট্রাইকার অভিজিৎ ...বিশদ

09:28:53 AM

প্রয়াত দিল্লির প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি মঙ্গেরাম গর্গ 

09:25:00 AM

তেলেঙ্গানার নালগোন্ডায় জামাইবাবুর গলা কেটে খুন করল শ্যালক 

09:22:00 AM

হায়দরাবাদের জুলজিক্যাল পার্কে একটি সিংহের মৃত্যু 

09:20:00 AM