Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

 ডেডলাইন
সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায়

একটা অজানা-অচেনা স্টেশনে নেমে পড়ে এইভাবে একটা চায়ের দোকানে ঢুকে পড়া কতটা ঠিক হল কে জানে। ঐত্রেয়ী অন্তত সেই কথাই ভাবছে। এইখানে চিনি ছাড়া লাল চা পাওয়ার জাস্ট কোনও চান্স নেই। সুতরাং একটা দুধ চা-ই বলেছে। দোকানি দিদি আঁচল দিয়ে ঘাম মুছতে মুছতে জিজ্ঞেস করে গেছেন আর কিছু সে খাবে কিনা। এই রোদের তাপের মধ্যে একটু ছাউনি পাওয়া গেছে সেই তো অনেক...সঙ্গে একটু চাও। খাবারের কথা তাই এক্ষুনি ভাবছে না সে। আরও কিছুক্ষণ তো সে এমনিও আছে। তাছাড়া কাজটা না হলে ফেরাও যাবে না। কলকাতায় বসে তো হচ্ছিলও না কিছু। দোকানি ছাড়া আর কোনও মহিলা নেই, বাকিরা পুরুষ। তারা একটু ঘুরে ঘুরে তাকাচ্ছে, ঐত্রেয়ী জামাটা একটু টেনে নেয়, সকালের তাড়াহুড়োয় জিন্স পরেই বেরিয়ে পড়েছে সে। কুর্তাটা অবশ্য লম্বা। পাশে যে পুরুষরা বসেছেন, কেউ লুঙ্গি, কেউ পাজামা। একজনের খালি গা। গায়ে একটা পৈতে। হাতটা ঘুরিয়ে খেয়াল পড়ল ঘড়ি পরতে ভুলে গিয়েছে ঐত্রেয়ী। এক হাতে চায়ের ভাঁড়। ব্যাগ থেকে ফোন বের করতে গিয়ে যদি আবার পড়ে যায়। পাজামা পরা ভদ্রলোককে ঐত্রেয়ী জিজ্ঞেস করল ‘কাকু কটা বাজে?’ ভদ্রলোক পাজামার পকেট থেকে মোবাইল বার করে বললেন, ‘বারোটা বাজতে দশ।’ পাশে লুঙ্গি পরা ভদ্রলোক জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি কি সাংবাদিক?’ ঐত্রেয়ী সঙ্গে সঙ্গে না বলতে যায়, তখনই সেই ভদ্রলোক আবার বলেন, ‘সঞ্জয়কে চেনো? তুমি সঞ্জয়ের বন্ধু?’ ঐত্রেয়ী মাথা নেড়ে বলে, ‘নাহ্‌, আমি এই গ্রামের কেউ নই।’ ভদ্রলোকরা হেসে ফেলেন, ‘তা কি আর বলে দিতে হবে তোমায়।’ এই হাসির রোলে ঐত্রেয়ীর একটু অস্বস্তি হয়, মৃদু হাসি ফিরিয়ে দিয়ে দোকানটার ছাউনি থেকে বেরিয়ে পাশটায় গিয়ে দাঁড়ায়, বেশ রোদ, তবে সামনে একটা ধানখেত। চোখে রোদ লাগলেও বেশ লাগছে দেখতে। মাথার ওপর থেকে এক হাতে সানগ্লাসটা নামিয়ে নেয়! হঠাৎ একটা বাইক থামার শব্দ হয়। ঐত্রেয়ী মাথা ঘুরিয়ে দেখে একটা বাইক থেকে একটা লোক নেমে হেলমেট খুলছে, হেলমেটের নীচে একটা রুমাল বাঁধা। মাথায় রুমাল বাঁধা লোক দেখলেই ঐত্রেয়ীর একটা রিপালশন হয়। তারপর অবশ্য দেখে লোকটা রুমালটা খুলে চায়ের দোকানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ঐত্রেয়ীর চা খাওয়া শেষ পয়সা আগেই দিয়ে দিয়েছিল, ভাঁড়টা ছুঁড়ে ফেলে, দোকানের থেকে একটু দূরে গিয়ে দাঁড়ায়। ব্যাগ থেকে ফোনটা বার করে ছবি তোলে ধানজমির। হঠাৎ পাশ থেকে এসে কেউ বলে, ‘আমি সঞ্জয়। ওঁরা বলছিলেন, আপনি সাংবাদিক। কোন কাগজ?’ ঐত্রেয়ী ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে সেই বাইকের লোকটা। চেহারাটা সৌম্য।
‘উঁহু, আমি সাংবাদিক নই।’
‘এখানে?’
‘একটা কাজে এসেছি।’
সঞ্জয় এবার বলে ‘কোনও সাহায্য লাগলে বলতে পারেন। আমি এখানকারই।’
ঐত্রেয়ী বুঝতে পারে না, কতটা ঠিক হবে অচেনা কাউকে জিজ্ঞেস করা, কিন্তু চেনা কাউকে জিজ্ঞেস করার তো চান্সও নেই। তাই ঐত্রেয়ী বলেই ফেলে ‘এখানে ছায়ায় একটু বসা যাবে এমন কোনও জায়গা আছে? আসলে একজনের আসার কথা।’ সঞ্জয় অনায়াসেই বলে, সামনে এগিয়ে গিয়ে ডানদিকে বেঁকলে একটা ছোট্ট নদী আছে, সেখানে দুটো নৌকা তীরে বাঁধাই থাকে। ওইখানে চলে যান। গাড়ি আছে সঙ্গে?’ ‘উহুঁ, ট্রেনেই এসেছি।’ সঞ্জয়ের অনুরোধে ওর বাইকে করে খানিক দূরে এগিয়ে যায় ঐত্রেয়ী। সামনে শান্ত একটা নদী, আর তীরে বাঁধা নৌকা। সঞ্জয়ের সঙ্গে খানিকক্ষণ কাটিয়ে ভালোই তো লাগছিল, তাই শহুরে ঐত্রেয়ী বাইক থেকে নেমে বলেই ফেলল, ‘আপনার কি কাজ আছে কোনও? নইলে একটু বসে যেতে পারতেন। আমাকে ছেড়ে দিয়ে গেলেন অথচ একটুও গল্প হল না।’ সঞ্জয়ের সৌম্য চেহারা, নীল শার্ট আর বাদামি ট্রাউজারের ওপর কেন জানি ঐত্রেয়ীর ভরসা হল, খুব কোনও বিপদ হবে না কিছুক্ষণ বসলেও। এ ভরসার অবশ্য কোনও মানে নেই। কিন্তু ঐত্রেয়ী এমনই। সঞ্জয় একটু মৃদু হেসে বলল, ‘কারোর আসার কথা বলছিলেন যে, আমার একটা ছোট্ট কাজ আছে, তবে একটু পরে গেলেও হবে।’ ঐত্রেয়ীও জানায়, যার আসার কথা তার আসতে দেরি আছে। নৌকাটায় উঠে কাঠের পাটাতনে দু’জনে গিয়ে বসে ... ঐত্রেয়ীর কুসুম রঙের কুর্তা আর নীল জিন্স এই নদীর ধারের হাওয়ায় বেশ উজ্জ্বল দেখাচ্ছে। চুলও উড়ছে একটু একটু। চোখে অবশ্য তখনও সানগ্লাস। সঞ্জয়ের চোখ খালি... ঐত্রেয়ী সেই দিকে তাকিয়ে দেখল, হুবহু নদীটার মতো স্বচ্ছ। চোখাচোখি হয়ে যাওয়ায় আবার চোখ নামিয়ে নিয়ে অভ্যেসবশে জামাটা একটু টেনে নিল ঐত্রেয়ী। সঞ্জয়ও চোখ ফেরাল নদীটার দিকে।
‘এই নদীটার নাম অলীক জানেন। কত কত দিন এই নদীটার ধারে বসে থেকেছি আমি।’ ‘অলীক?’ ভূগোল বইয়ে এমন নদীর নাম কোনওদিন পড়েনি বলেই একটু অবাক চোখে তাকালো ঐত্রেয়ী। সঞ্জয় আপন মনে বলেই চলেছে। ‘রাখালদা এইখানটা বসে ছিপ ফেলত। আর আমি পাশে বসে বসে দেখতাম। এই গ্রামটাও খুব অন্যরকম ছিল জানেন, এটা আসলে ছিল এক জমিদারদের ঘুরতে আসার জায়গা। আমরা এই গ্রামে সেই প্রজাদেরই বংশ আসলে। এখন অবশ্য উল্টো, সেই জমিদাররাই এখানে প্রান্তিক। ওই দুটো পরিবার আছে বোধ হয়। প্রজাদের বংশই এখন এই গ্রামে সবটা। তবে সেই জমিদার বাড়ি নিয়ে কিন্তু অনেক কিছু শোনা যায়। বিশেষত, একটা গল্প তো আমার একেবারে নিজের স্মৃতিতেই আছে’ সঞ্জয় ঘুরে তাকায় ঐত্রেয়ীর দিকে ‘আপনি বোর হচ্ছেন না তো?’ ঘাড় নেড়ে না জানায় ঐত্রেয়ী। কৌতূহলের সঙ্গে জিজ্ঞেস করে, ‘কী গল্প?’ সঞ্জয় আবার বলতে শুরু করে ‘আজ থেকে প্রায় একশো বছর আগে এই অলীক নদীর ধারে শোনা যায় সেই জমিদারবাড়ির কোনও ছেলে মাছ ধরতে এসে জলে ডুবে মারা যায়। তো তারপর থেকে জমিদার বাড়ির কোনও প্রজন্মের কেউই নাকি এখানে মাছ ধরতে আসত না। কিন্তু এই যে হারানদাকে দেখলেন...’ ঐত্রেয়ী জানায় ‘দেখিনি, আপনি বললেন।’ ‘হ্যাঁ তাই আর কি। তো হারানদার বাবা হারানদাকে নিয়ে একবার মাছ ধরতে এসেছিল। সেই নিয়ে গ্রামে রইরই পড়ে যায়, কিন্তু হারানদা বা হারানদার বাবা কারওরই কিছু হয় না।’ ঐত্রেয়ী আবার বলে ‘যাক। মানে সেটাই তো হওয়ার কথা ছিল। আর হারানদাকে তো আপনিও মাছ ধরতে দেখেছেন, তাই না?’ সঞ্জয় এবার একটু উদাস হয়ে বলে ‘হ্যাঁ, কিন্তু আসল গল্প তো এর পরে, বাবার সঙ্গে এমন দু-তিন দিন আসার পর, পঞ্চম বা সপ্তম দিনে, মানে আমার ঠিক মনে নেই, হারানদার বাবা মারা যান এই নদীতেই মাছ ধরতে এসে।’ ঐত্রেয়ী একটু নড়ে বসে। না সে মোটেই অলৌকিক কিছুতে বিশ্বাস করে না, কিন্তু সঞ্জয়ের গল্প বলার ধরনটা এত ভালো! যে বুকটা একটু ছ্যাঁত করে ওঠে। সঞ্জয় বলতে থাকে ‘হারানদার বাবা এমনিতে ভাবতে গেলে জলে পা পিছলে পড়ে গিয়েছেন। তাই মারা গেছেন। কিন্তু গ্রামের লোকেরা তো তা শুনতে নারাজ। বিশেষত যখন এমন মৃত্যুর কথা এই গ্রামের ইতিহাসে আছে। হারানদা নাকি তর্ক জুড়েছিল যে, তাহলে তো প্রথমদিনই এমন দুর্ঘটনা ঘটার কথা। ক’দিন বাদে কেন? কিন্তু বাচ্চা ছেলের প্রশ্নকে কেউই আমল দেয়নি। ঐত্রেয়ী আবার বলে ‘কিন্তু আপনি যে বললেন, আপনি আর হারানদা...।’ সঞ্জয় জোর দিয়ে বলে ‘আগে শুনুন। তো হারানদার কথা কেউ পাত্তা দেয়নি সেটা ঠিকই কিন্তু হারানদাও এই রহস্যের সন্ধান ছাড়েনি। হারানদার ওই পাঁচ দিন বা সাত দিনের স্মৃতি হাতড়ে বার করেছিল যে ওই শেষদিন হারানদার বাবা নদীটার একটু বেশি কাছে গিয়ে বসেছিল। সুতরাং হারানদার মনে হতে থাকে এই তীরে কোনও এক অদৃশ্য সীমারেখা আছে, যেটা সম্ভবত পেরনো যাবে না। সেটা পেরলেই মৃত্যু অনিবার্য। হারানদা দিনের পর দিন বসে থেকে খেয়াল করতে থাকে। এমনকী একবার একটা ছাগল ছুটে এসেছিল নদীর ধারে, তারও নাকি পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়। তো তারপর থেকে হারানদা সেই অদৃশ্য সীমারেখাটাকে কোনওরকম ভাবে চিহ্নিত করে এবং সেটার একটা আশ্চর্য নাম দেয়।’ ‘কী?’ চোখ থেকে সানগ্লাসটা নামিয়ে জানতে চায় ঐত্রেয়ী। ‘মৃত্যুরেখা। আমাকে ছোটবেলায় যখন নিয়ে আসত হারানদা, আমাকে বারবার দেখাত... ‘এই দেখ, এর পরে গেলেই কিন্তু মরে যাবি। তাই সবসময় এইখানে থাকবি। এর মধ্যে। চিহ্নিত করার জন্য পরে অবশ্য এই নৌকাগুলি রাখা হল। এইটাই হচ্ছে সেই সীমারেখা বা হারানদার কথায় মৃত্যুরেখা বলতে পারেন। যার পরে গেলেই মৃত্যু অনিবার্য’ জানায় সঞ্জয়। ঐত্রেয়ী একটু ঢোক গেলে, তারপর বলে... ‘আপনি কোনওদিন পেরিয়ে দেখেননি?’ সঞ্জয় উত্তর দেয়, ‘নাহ্‌, আমার কোনওদিনই অত সাহস ছিল না। তাছাড়া জীবন দারুণ, কত মানুষ, কত ঘটনা, খামোখা মরা যায় কি না দেখতে যাব কেন বলুন।’ ঐত্রেয়ীর নৌকাটায় বসে থাকতে একটু অস্বস্তি হয় এবার, জামাটা টেনে নেয় আবার, সঞ্জয় খেয়াল করে ঐত্রেয়ীর চোখগুলো, একটু অস্থিরতা আর একটু ঔদাসীন্য মাখা এই অলীক নদীর মতোই দুটো চোখ। সঞ্জয় ভাবতে চায়, ‘এই চোখের মৃত্যুরেখা কোনখানে, কতদূর গেলে মৃত্যু অনিবার্য আমার?’ ঐত্রেয়ী জানতে চায় ‘হারানদার এখন কত বয়স?’ সঞ্জয় বলে, ‘পঞ্চাশ ধরুন।’ সঞ্জয় আরও বলে, ‘সেই কারণেই হয়তো এই নদীতে কাউকে নামতে দেখা যায় না। তবে আমি কিন্তু আমার জীবনে বারবার এমন মৃত্যুরেখার টের পেয়েছি জানেন। সে কিন্তু কেবল এই অলীক নদীর নয়, অনেক কিছুর। কোনটার সীমারেখা যে কতদূর তা ঠাহর করাই মুশকিল। কোনও একরকমের যুক্তি তো খাটেও না বলুন?’ এরপর সঞ্জয় তাড়াতাড়ি ঘড়ির দিকে তাকায়। ঐত্রেয়ী আবার বলে ‘কী?’ সঞ্জয় জানায় এইবার তাকে উঠতে হবে। কাজটা এবার না করলেই নয়। ‘কিন্তু আপনার কেউ তো এল না এখনও?’ ঐত্রেয়ী একটু উদাস হয়ে বলে ‘আসছে... থ্যাংক ইউ।’ সঞ্জয় পকেট থেকে একটা চিরকুট বার করে দশটা সংখ্যা লিখে ঐত্রেয়ীর হাতে দিয়ে উঠে পড়ে ‘আমার নম্বর। এমনি দিয়ে রাখলাম। যদি লাগে কখনও।’ সঞ্জয় বাইকে উঠে পড়ে স্টার্ট দিচ্ছে, কিন্তু মাথায় রুমালটা আর বাঁধল না। ঐত্রেয়ী বলে ‘রুমালটা?’ সঞ্জয় জানায় ‘ওটা ঘাম হয় বলে পরি তো। এখন তো বিকেল হয়ে এল।’ তারপরই আঙুল দেখিয়ে দূরের একজনের দিকে তাকিয়ে বলে, ‘ওই যে হারানদা আসছে। একবার শুনে নিতে পারেন পুরো গল্পটা।’ বাইক স্টার্ট দিয়ে শব্দ করে চলে যায় সঞ্জয়। ঐত্রেয়ী সেই চলে যাওয়ার দিকে দেখে। তারপর মনে মনে ভাবে, ‘মৃত্যুরেখা।’ সে কি কেবল মৃত্যুরই? দূরে যাওয়ার কোনও রেখাপথ নেই? কতদূর এগলে, সামনে থেকে কেউ হুস করে দূরে চলে যায়...এভাবে?
নদীর ধারে তখন বিকেল নেমে আসছে, সূর্যাস্ত হবে হবে। দূর থেকে হেঁটে আসছে হারানদা। ঐত্রেয়ী এখন সবটাই জানে, জমিদার, অলীক নদী, হারানদা, মৃত্যুরেখা—সব।’ থ্যাংক্স টু সঞ্জয়’ লোকটা কাছে আসতেই ঐত্রেয়ী উত্তেজিত হয়ে বলল ‘আপনি হারানদা তো?’ প্রৌঢ় উত্তর দেয় ‘কে? হারানদা? তুমি কাকে খুঁজছ মা? আমি তো বরুণ।’ ঐত্রেয়ী অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। সঞ্জয় তো স্পষ্ট এই দিকেই দেখাল। ও আবার বলে ‘আপনি মাছ ধরতে আসা এই অলীক নদীর ধারের হারানদা নন?’ লোকটা আরও অবাক হয়ে বলে ‘অলীক নদী? এটা তো ছোট একটা খাঁড়ি মা।’ এবার খুব অসুবিধে হতে থাকে ঐত্রেয়ীর। ঠোঁট কামড়ে বলে ‘আপনি তার মানে জমিদার, মৃত্যুরেখা, এসবের কিছুই জানেন না?’ লোকটা একটু বিরক্ত হয়, তারপর বলে ‘তুমি কী সব বলছ মা, কোথা থেকে এসেছ?’ ঐত্রেয়ী আবার জামাটা টেনে নেয়, তারপর সূর্যাস্তের লাল আকাশের নীচের ওই সোজা দিগন্ত ধরে হাঁটতে থাকে, আরেকটু হাঁটলেই দূরে দেখা যাবে স্টেশন। কিন্তু কিছুতেই এটা মেনে নিতে পারছে না ঐত্রেয়ী। এমনকী হাঁটতে হাঁটতে দুটো ছেলেকে লাফ দিয়ে জলে নামতেও দেখে, ছ্যাঁত করে ওঠে বুক, কিন্তু তারা এক ডুব দিয়েই উঠে আসে। তার মানে এই এতক্ষণ ধরে যা যা শুনল সে, সব মিথ্যে? কিন্তু কেন? দিগন্তকেও এখন কেমন মৃত্যুরেখার মতো লাগছে ঐত্রেয়ীর। ব্যাগ থেকে চিরকুটটা বের করে ওই নম্বরটায় একটা এসএমএস লিখল সে।
‘লোকটি হারানদা নয়। নদীটাও অলীক নয়। এমনকী জমিদারও বোধহয় ছিলেন না কোনওদিন। বাচ্চারা নদীতে স্নান করতে আসে। গল্পে কোথাও কোনও মৃত্যু নেই। সেটা তো ভালোই। কিন্তু একটা দুপুর, গোটা একটা দুপুর এতগুলি মিথ্যে বলে গেলেন কেন? দুপুরের বুঝি মৃত্যু হয় না।’
ঐত্রেয়ীর বেশ চিটেড লাগছে। দারুণ একটা দিন কেমন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে মুহূর্তে। সঞ্জয়ের চোখের দিকেও তো তাকিয়ে ফেলেছিল সে। এইবার স্টেশনের আলো দেখা যাচ্ছে। হাঁটতে হাঁটতে অবশেষে স্টেশনে পৌঁছয় ঐত্রেয়ী, ছ’টার ট্রেন। হাতে এখনও সময় আছে একটু। বসে এক জায়গায়। এই ভিড়, কোলাহল, কিছুই ভালোলাগছে না তার। সে কেবল ভাবছে, অন্তত অলীক নদীটাও যদি সত্যি হতো!
মোবাইল বের করে দেখে, ওয়ান নিউ মেসেজ।
‘মিথ্যে বলেছি কে বলল? তাছাড়া আপনি তো এসেছিলেন গল্প খুঁজতে। সত্য খুঁজতে তো নয়। আমি আপনাকে পত্রিকার অফিসে দেখেছি কয়েকবার। গল্প দিতে এসেছিলেন। তাই অচেনা-অজানা এই গ্রামে আপনি যে কেবল গল্পের জন্যই ছুটে এসেছেন সেটা বুঝতে খুব একটা অসুবিধে হয়নি আমার। আমাকে দোষারোপ করলে কিন্তু আমিও করতে পারি, কারণ আপনারও তো কেউ আসার ছিল না।’
এইবার আপন মনে হেসে ফেলে ঐত্রেয়ী। লিখে পাঠায় ‘আসার কথা ছিল তো, গল্পের’ তারপর ট্রেন চলতে শুরু করলে, ব্যাগ থেকে একটা খাতা বের করে লিখতে শুরু করে সে। হাত কেঁপে কেঁপে যায়। স্টেশনে নামবার আগে আবার মেসেজ করল ঐত্রেয়ী।
‘গল্পের নাম রাখলাম ডেডলাইন। মানে আপনার মৃত্যুরেখা।’
সঙ্গে সঙ্গে উত্তর এল ‘বাহ্‌, আচ্ছা, এই গল্পটায় আমায় সহ-লেখক করতে ভুলবেন না যেন!’
ঐত্রেয়ী ঠিকানা চেয়ে রাখে। আর গল্প বেরলে পত্রিকাটা পোস্টে পাঠিয়ে দেয় সঞ্জয়ের ঠিকানায়। দেখা যায় লেখকের নাম সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায় আর চরিত্রের নাম ঐত্রেয়ী প্রামাণিক। পত্রিকার ভিতরে ছোট্ট একটা নোট রাখে ঐত্রেয়ী। ‘যদি কখনও সেই অলীক নদী খুঁজে পাওয়া যায়। কিংবা সত্যি সত্যি হারানদাকে, সেদিন নাহয় একসঙ্গে মাছ ধরব আমরা। গল্পের ডেডলাইনটা আপনার জন্য মিস করলাম না ঠিকই, কিন্তু লেখক তো আর আমি নই।
ওই যে আপনি বলেছিলেন, সব জায়গারই, সবকিছুরই একটা নিজস্ব মৃত্যুরেখা আছে। তেমনই হয়তো জানেন, এই গল্পটাও। এই গল্পটা যে মুহূর্তে একটা সত্যি থেকে কল্পনা হয়ে গেল, আর সঙ্গে সঙ্গে মরে গেল একটা অলীক নদী, একটা গ্রাম, হারানদার বাবা, হারানদা... জমিদারের বাড়ি, সব, সব্বাই! বাস্তবে হয়তো ছিল না কিছুই, কিন্তু আমি তো বিশ্বাস করেছিলাম বলুন। আর তাই, আমার বিশ্বাসে এরা সব্বাই সেই মৃত্যুরেখাকে পেরিয়ে গেল...কেবল তারপরেও একটা খাঁড়ির ধারে কেবল রয়ে গেলাম আমি শ্রোতা আর আপনি কথক। আমাদের মধ্যিখানে একটা সূর্যাস্তের নিভু নিভু আকাশের দিগন্ত। তাকে মৃত্যুরেখা ভাবতে ইচ্ছে করছে না জানেন। চলুন না, একদিন পেরিয়ে দেখি, মন বলছে... মরব না।’
21st  April, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
সৌন্দত্তির দেবী ইয়েলাম্মা, পর্ব-২৮
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

এবার রওনা দেওয়া যাক সুদূর কর্ণাটকের দিকে। এখানে সৌন্দত্তিতে আছেন ভক্তজন বাঞ্ছিতদেবী ইয়েলাম্মা। ইনি হলেন মূলত দেবদাসীদের আরাধ্যা দেবী। প্রতিবছর মাঘীপূর্ণিমা তিথিতে দলে দলে মেয়েরা এই মন্দিরে দেবদাসী হন। 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৮
আবার মৃত্যু, কবি-জীবন থেকে ঝরে যাবে আরও একটি ফুল। কবির জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরীলতা। ডাকনাম বেলা। কবির বেল ফুল-প্রীতির কথা পরিবারের সবাই জানতেন। সেই ভালোবাসার কথা মাথায় রেখেই কবির মেজ বৌঠান জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সদ্যোজাত কন্যার নাম রাখলেন বেলা। রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই কন্যাকে নানা নামে ডাকতেন, কখনও বেলা, কখনও বেল, কখনও বেলি, কখনও বা বেলুবুড়ি। 
বিশদ

15th  September, 2019
অবশেষে এল সে
রঞ্জনকুমার মণ্ডল 

ঋজু অফিস থেকে ফিরতেই রণংদেহি মূর্তি নিয়ে সামনে দাঁড়াল রিনি, প্রশ্ন করল, ‘তুমি গতকাল আদিত্যদের বাড়িতে গিয়েছিল?’
একটু থমকে দাঁড়াল ঋজু, জানতে চাইল, ‘তুমি কোন আদিত্যর কথা বলছ? আমার কলিগ?’ 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র, ব্রাহ্ম নেতা,আচার্য, দানবীর মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের শেষ উইলটি এবার করবেন। তাঁর মন আজকে বড়ই শান্ত, কাকে কী দেবেন তা পূর্ব রাত্রেই ঠিক করে ফেলেছেন। মনে আর কোনও দ্বিধা বা সংশয় নেই। কারণ তিনিও যে তার পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন। মৃত্যুর পায়ের শব্দ— দিন ফুরিয়ে এল, এবার ফেরার পালা!
বিশদ

08th  September, 2019
কোলহাপুরের মহালক্ষ্মী - পর্ব-২৭
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

ভারতের মুখ্য দেবীপীঠগুলির মধ্যে করবীর নিবাসিনী মহালক্ষ্মী হলেন অন্যতমা। করবীর বর্তমানে কোলহাপুর নামে খ্যাত। কোলহাপুরং মহাস্থানং যত্র লক্ষ্মী সদা স্থিতা। পঞ্চগঙ্গার দক্ষিণ তীরে অবস্থিত এবং ৫১ (মতান্তরে ৫২) পীঠের অন্তর্গত এই মহাপীঠে সতীর ত্রিনয়ন (ঊর্ধ্বনেত্র) পতিত হয়েছিল। মহারাষ্ট্রের পুনে থেকে আমি কোলহাপুরে গিয়েছিলাম।
বিশদ

08th  September, 2019
তর্পণ
দেবাঞ্জন চক্রবর্তী

রাত শেষ হয়ে এসেছে। এই সময় স্বপ্নটা দেখছিল সমীরণ। স্বপ্ন বলে কোনওভাবেই সেটাকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। অথচ সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে— এখন যা ঘটছে তা বাস্তবে ঘটা সম্ভব নয়। বাবা চলে গেছেন আজ পঁচিশ বছর হল। পঁচিশ বছরে বাবার মাত্র একটা স্বপ্ন দেখেছে সে। এই নিয়ে সমীরণের মনের মধ্যে দুঃখও আছে। লোকে নাকি মৃতদের নিয়ে স্বপ্ন দেখে।
বিশদ

08th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
দেবী সপ্তশৃঙ্গী, পর্ব-২৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সহ্যাদ্রি পর্বতে দেবী সপ্তশৃঙ্গীর বাস। তাই এবারে আসা যাক সহ্যাদ্রি পর্বতমালার বুকে নাসিকের সপ্তশৃঙ্গীতে। এর উচ্চতা ৫ হাজার ২৫০ ফুট। কাজেই স্থানটি শীতল ও রমণীয়। 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

২৬
বাজার সরকার শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের কন্যা, ঠাকুর পরিবারের অন্যতম কৃতী ও গুণবান সন্তান জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী কাদম্বরী দেবীর মৃত্যু জোড়াসাঁকোর সেই বিখ্যাত বাড়ির সদস্যদের সম্পর্কের ভিতে বোধহয় চোরা ফাটল ধরিয়ে দিয়েছিল। অনেকেই কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুর জন্য তাঁর স্বামীর দিকেই আঙুল তুলতেন। তাঁরা মনে করতেন স্বামীর অবহেলা, কথার খেলাপ অভিমানিনী কাদম্বরী দেবী কিছুতেই মেনে নিতে পারতেন না।  
বিশদ

01st  September, 2019
তিথির অতিথি
প্রদীপ আচার্য 

‘বাবা, উনি কাঁদছেন।’ চোখের ইশারায় গোলোকচন্দ্রকে বাইরে ডেকে নিয়ে নিচুস্বরে কথাটা বলল তিথি। গোলোকচন্দ্র আকাশ থেকে সটান মাটিতে পড়লেন। বললেন, ‘ধ্যাৎ, খামোখা কাঁদতে যাবেন কেন?’ 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৫
‘কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই।’ ‘জীবিত ও মৃত’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোট গল্প। এখানেও এসেছেন কাদম্বরী দেবী, তবে নিজ নামে নয় কাদম্বিনী নামে। এই গল্পের শেষ অর্থাৎ ক্লাইম্যাক্সে কি হল! শোনাব আপনাদের। ‘কাদম্বিনী আর সহিতে পারিল না; তীব্রকণ্ঠে বলিয়া উঠিল, ‘ ওগো, আমি মরি নাই গো, মরি নাই।  
বিশদ

25th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
পাওয়াগড়ের কালী, পর্ব-২৫
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

‘আদ্যেতে বন্দনা করি হিঙ্গুলার ভবানী। তারপরে বন্দনা করি পাওয়াগড়ের কালী।’ পাওয়াগড় যেতে হলে গুজরাত প্রদেশের বারোদা থেকেই যাত্রা শুরু করতে হবে। বারোদা এখন নাম পাল্টে ভাদোদারা।  
বিশদ

25th  August, 2019
কুঞ্জবিহারী
তরুণ চক্রবর্তী 

‘জানো তো হাটতলার কোণে পান-বিড়ির একটা দোকান দিয়েছে কুঞ্জবিহারী?’
গাঁয়ের বাড়িতে গিয়ে কথাটা শুনে প্রথমে নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারিনি— অ্যাঁ, ঠিক শুনছি তো?
কথাটা যে ঠিক, এখন দোকানটা থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে স্বচক্ষেই তা দেখছি আর উপভোগ করছি বিস্ময়ের আনন্দ। 
বিশদ

25th  August, 2019
এ ফেরা অন্য ফেরা
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

উচ্চতা ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি, গায়ের রং আধাফর্সা, রোগা-পাতলা চেহারা। পরনে অতিসাধারণ শাড়ি-ব্লাউজ, কিন্তু পরিষ্কার। ঈষৎ গম্ভীর থাকে কাজের সময়। ঠিক সময়ে ঘরে ঢোকে, দ্রুত নিজের কাজটি সেরে বেরিয়ে যায় অন্য বাড়ির উদ্দেশে। কামাই প্রায় করেই না।
বিশদ

18th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
বহুচরা দেবী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

গুজরাত প্রদেশে আর এক তীর্থে আছেন বহুচরা দেবী। দিল্লি অথবা আমেদাবাদ থেকে মাহেসানায় নেমে এই তীর্থে যেতে হয়। স্থানীয়রা এই দেবীকে বলেন বেচরাজি। কিন্তু কেন ইনি বেচরাজি? প্রবাদ, বহুকাল আগে এক চাষি চাষ করতে করতে এখানকার দেবী দুর্গা বা অম্বিকাকে খেতের মধ্যে কুড়িয়ে পান।
বিশদ

18th  August, 2019
একনজরে
বিএনএ, রায়গঞ্জ: দুই শিক্ষাকর্মীর বদলির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে শুক্রবার উত্তাল হল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্ক ও কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সায়েন্স বিভাগের সামনে কয়েকশ’ ছাত্রছাত্রী ...

 দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২০ সেপ্টেম্বর: যাদবপুর-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে রিপোর্ট দেবে বঙ্গ বিজেপি। আজ এ কথা জানিয়েছেন বিজেপির অন্যতম কেন্দ্রীয় সম্পাদক তথা পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের সহনেতা সুরেশ পূজারি। তিনি বলেছেন, ‘যে রাজ্যে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরই কোনও নিরাপত্তা নেই, সেই ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: শুক্রবার সকালে সাঁকরাইলের ডেল্টা জুটমিলের পরিত্যক্ত ক্যান্টিন থেকে নিখোঁজ থাকা এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্বার হল। তাঁর নাম সুভাষ রায় (৪৫)। তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেছেন। ...

 ওয়াশিংটন, ২০ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): আমেরিকার রাস্তায় ফের প্রকাশ্যে বন্দুকবাজের তাণ্ডব। গুলিতে একজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও পাঁচজন জখম হয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা নাগাদ কলম্বিয়া হাইটস এলাকায় ওই ঘটনা ঘটেছে। জায়গাটি হোয়াইট হাউস থেকে খুব বেশি দূরে নয় বলেও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহবৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে মানসিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৭,৯৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,০৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৫৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ৩৭/১২ রাত্রি ৮/২১। রোহিণী ১৪/৪৩ দিবা ১১/২২। সূ উ ৫/২৮/২৩, অ ৫/৩১/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪১ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১/০ গতে ২/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি।
৩ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ২৫/২২/২১ দিবা ৩/৩৭/৫। রোহিণী ৭/১/২৪ দিবা ৮/১৬/৪৩, সূ উ ৫/২৮/৯, অ ৫/৩৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ১/১/২৯ গতে ২/৩২/৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৮/৪৯ মধ্যে ও ৪/২/৪৯ গতে ৫/৩৩/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৫৮/৪৯ গতে ৫/২৮/২৮ মধ্যে।
২১ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কেবিসিতে রামায়ণ নিয়ে সহজ প্রশ্নে হোঁচট, হাসির খোরাক সোনাক্ষী 
কার জন্য সঞ্জীবনী বুটি এনেছিলেন হনুমান? একেবারেই সহজ প্রশ্ন। কিন্তু, ...বিশদ

02:33:00 PM

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়: আচার্যর সঙ্গে ফ্যাকাল্টি সদস্যদের মুখোমুখি আলোচনার প্রস্তাব উপাচার্যের 
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠনের পরিবেশ ফেরানো সহ একাধিক বিষয়ে উৎকর্ষবৃদ্ধির জন্য ...বিশদ

02:13:25 PM

বাঁকুড়ায় বধূকে গণধর্ষণের অভিযোগে ধৃত ২ 

01:49:43 PM

রাজীব কুমারের খোঁজে ভবানী ভবনে হানা সিবিআইয়ের 

01:10:16 PM

‘সংবেদনশীলতা আর যত্নের মাধ্যমে আমরা অনেকের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারি’, বিশ্ব অ্যালজাইমার দিবস উপলক্ষে ট্যুইট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

12:48:00 PM

২১ অক্টোবর মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় ভোট, গণনা ২৪ অক্টোবর 

12:33:04 PM