Bartaman Patrika
 

প্রাপ্তমনস্ক ও স্যা ন্ডু ই চ 

হুগলি একক প্রয়াসের উদ্যোগে দুটি নাটক মঞ্চস্থ হল শিশির মঞ্চে। রঙ্গপীঠ প্রযোজিত নাটক ‘প্রাপ্তমনস্ক’ ও আয়োজক দলের ‘স্যান্ডুইচ’। এক অবৈধ সম্পর্কের পোস্টমর্টেম নিয়ে প্রাপ্তমনস্ক ও সাম্প্রতিক কালের রাজ্য রাজনীতির দুরবস্থার ওপর নির্মিত হয় স্যান্ডুইচ নাটকটি। রাকেশ বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ব্যবসায়ী। থাকে ম্যাকলাস্কিগঞ্জে। তার ডাক্তার বন্ধু ধ্রুবর স্ত্রী সুতপাকে নিয়ে সে ঘর বাঁধে। ধ্রুব রাকেশেরই বান্ধবী প্রিয়াকে খুনের দায়ে সাত বছর সশ্রম হাজতবাস করে। সুতপার সঙ্গে সংসার করলেও ধনী পরিবারের কর্মরত মেয়ে প্রিয়ার সঙ্গেও সম্পর্ক ছিন্ন করে না রাকেশ। নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এমনকী তার বাড়িতেও যাতায়াত করত। কলেজ জীবন থেকেই মেয়েদের সঙ্গে ফ্লার্ট করত রাকেশ। গ্রামের এক স্কুল মাস্টারের সাধারণ ছেলে রাকেশ সুপুরুষ হওয়ায় মেয়েদের কাছে যেতে সুবিধা হতো। ছাত্রাবস্থায় রাকেশ গ্রাম থেকে এসে ধ্রুবর বাড়িতেই থাকত। ধ্রুব আর রাকেশ অভিন্ন হৃদয় বন্ধু ছিল। পাড়ার লোকেরা তাদের রাম-লক্ষ্মণ বলে ডাকত। এইরকম মানুষ যে কখনও এক মহিলায় সন্তুষ্ট থাকতে পারবে না সে কথা বলাই বাহুল্য। যাই হোক ধ্রুবর অনুপস্থিতিতে রাকেশ খুব বেশি ঘনিষ্ঠ হয়ে মিশত সুতপার সঙ্গে। তারপর হঠাৎ একদিন ধ্রুব প্রিয়াদের ফ্ল্যাট বাড়িতে গিয়ে দেখে বিছানার ওপর সে শুয়ে আছে। অনেক ডাকাডাকির পর তার ঘুম ভাঙে না। কারণ অনেক আগেই সে মারা গেছে। গলায় কালশিটের দাগ দেখা যায়। এরপর আবাসনের বাসিন্দারা পুলিস সঙ্গে নিয়ে আসে। তারা ধ্রুবকেই হত্যাকারী বলে তুলে নিয়ে যায়। সেই থেকেই ধ্রুব জেলে ছিল। ছাড়া পেয়ে সে ম্যাকলাক্সিগঞ্জে যায়। তাকে দেখে ভয় পেয়ে যায় সুতপা। কিন্তু সেদিন রাতেই সব ঘটনাগুলো ধ্রুব তাকে বলে। রাকেশের চরিত্রের কথা জানতে পারে সুতপা। এরপর পুলিস আসে দরজায় কড়া নাড়ে।
দ্বিতীয় নাটকে বর্তমান সমাজের অশিক্ষা, দুর্নীতি ও নোংরা রাজনীতির ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। শ্রীকান্ত একজন প্রাইমারি স্কুলের মাস্টারমশাই। তাঁর স্ত্রী মাধবী গৃহবধূ। কিন্তু হঠাৎ তার মনে ফ্যাশন শো করার সুপ্ত ইচ্ছা জেগে ওঠে। তাই সে স্থানীয় মহিলা পার্টি সমিতিতে যোগ দেয়। ওই পাড়ার ছেলে অভীক মাধ্যমিক ফেল। সে এবারে ভোটে দাঁড়িয়ে নেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। অভীক আবার শ্রীকান্তবাবুর ভাইপো। সে মাধবীকে নিয়ে যায় মিটিংয়ে। একদিন সকাল থেকে বাড়িতে মাধবী মুখে ফেস প্যাক মেখে চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছে। বাজার থেকে ফিরে তাই দেখে শ্রীকান্তবাবু খুব মশকরা করেন। তিনি ভাবেন তার স্ত্রীর বুঝি মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে, না হলে সাতসকালে ছাইপাঁশ মেখে বসে আছে কেন? যা-ই হোক অভীকের কাছ থেকে জানতে পারে সেদিন কোনও এক এনজিও-র সঙ্গে মাধবীর মিটিং আছে। তাই সেজেগুজে যেতে হবে। সেই মতো তৈরি হয় মাধবী। নির্দিষ্ট সময়ে এসে হাজির হয় অভীক। তারা চলে গেলে মহেশবাবু নামের একজন ব্যক্তি তাদের বাড়িতে আসেন। তাকে একদম পছন্দ করে না শ্রীকান্তবাবু। কারণ মহেশ প্রমোটারি করে, নানা অসাধু ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। একবার জেলেও গিয়েছে। মহেশবাবু চরিত্রগতভাবে অসৎ ও সুযোগসন্ধানী। নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য যে কোনও কাজ করতে পারেন। নিজেকে কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা হিসেবে দেখাতে চায় আদর্শবাদী শ্রীকান্তবাবুর কাছে। তার সুচতুর কৌশলে লোক দেখিয়ে শ্রীকান্তবাবুকে বশে আনা যাবে না ভেবে হাতে পায়ে ধরে। তার মেয়ের সঙ্গে অভীকের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে হাজির হলে তাকে তাড়িয়ে দিতে চাইলেও নাছোড়বান্দা মহেশবাবু কিছুতেই যেতে চায় না। আর এইসময় হাজির হয়ে যায় মাধবী। তার সঙ্গে মহেশ কথা বলে। শ্রীকান্ত জানতে পারে বিয়ের ব্যাপারে আগেই ওদের দু’জনের মধ্যে কথা হয়ে গিয়েছে এবং মাধবী রাজি আছে। এরপর অসৎ ব্যবসায়ীদের টাকায় পুষ্ট রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রচারে মাধবী ও অভীক পরস্পরকে আক্রমণ প্রতিআক্রমণ করে। প্রমাণ হয় মানুষ আজ পার্থিব সুখসম্পদ, ক্ষমতালাভের উপাদান হিসাবে দেখে রাজনীতিকে। মানুষের সেবার ইচ্ছে তার মধ্যে গৌণ। ঘরের মধ্যে তীব্র যন্ত্রণায় প্রতিবাদে ফেটে পড়েন শ্রীকান্তবাবু। বিকৃত রাজনৈতিক দর্শন এবং লোভী ব্যবসায়ী মানসিকতা এই দুইয়ের চাপে সাধারণ মানুষের অবস্থা স্যান্ডুইচের মতোই।
দু’ধরনের দুটি নাটক। প্রথম নাটকটির গল্পটা খুব প্রাসঙ্গিক। তবে নতুন কিছু নয়। বাস্তবে এইরকম ঘটনা দেখা যায়। অরুণ বিশ্বাস নির্দেশিত নাটকটির বাঁধন খুব জোরালো নয়। অভিনয় দীপের চরিত্রে ধ্রুব মুখোপাধ্যায়ের অভিনয় মন্দ লাগে না। রাকেশকেও (শৌভিক নাগ) বেশ স্বচ্ছন্দ মনে হয়। তবে সুতপারূপী সুতপা রায়ের মধ্যে সাবলীলতার অভাবে চরিত্রটি নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। ছোট চরিত্রে অরুণ বিশ্বাসকে বেশ মানায়। সঙ্গীত ও আলোর ব্যবহার যথাযথ না হওয়ায় পারফেক্ট সিকোয়েন্স সৃষ্টি হয় না। দ্বিতীয় নাটকেও মিউজিক নেই বললেই চলে। তাই মাঝে মাঝে নাটকটি শুধুই কথোপকথন বলে মনে হয়। তবে অভিনয়ে মাধবী ও শ্রীকান্ত যথাক্রমে শ্রাবণী দত্ত গুপ্ত ও সিদ্ধার্থ বন্দ্যোপাধ্যায় দু’জনের মধ্যেই পেশাদারিত্বের ছাপ স্পষ্ট। মহেশ (নিমাই শাসন), (অভিমানস দাস) যথাযথ।
কলি ঘোষ 
21st  January, 2019
গিরিশ মঞ্চে সাজাহান 

গোপীমোহন সব পেয়েছিল আসর সম্প্রতি গিরিশ মঞ্চে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা সাজাহান নাটকটি মঞ্চস্থ করল। উপলক্ষ ছিল তাদের ৬৬তম বর্ষ উদযাপন। সাজাহানের চরিত্রে অভিনয় করেন সুব্রত ভট্টাচার্য।  বিশদ

14th  March, 2020
রামধনু নাট্যোৎসব 

বরানগর রামধনু নাট্যোৎসব এবার তৃতীয় বর্ষে পা রাখল। আগামী শুক্রবার ২০ মার্চ বরানগর রবীন্দ্রভবনে দুপুর ১২টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন বর্ষীয়ান নাট্যব্যক্তিত্ব গৌতম মুখোপাধ্যায়। নাট্যোৎসবটি চলবে ২২ মার্চ পর্যন্ত। মোট ১৬টি নাট্যদল এবার এই উৎসবে অংশ নিচ্ছে, তারমধ্যে বেশিরভাগই মফস্সলের। 
বিশদ

14th  March, 2020
পুশকিনের জীবন নিয়ে নাটক 

আগামী ২১ মার্চ বিশ্ব কবিতা দিবস। দু’শো বছর আগে ওইদিনই জন্ম হয়েছিল বিশ্ববন্দিত রাশিয়ান কবি আলেকজান্দার পুশকিনের। আর তাঁর জীবনদীপ নেভে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে। জারের রাজকর্মচারী দান্তেসের সঙ্গে ডুয়েল লড়তে গিয়ে নিহত হন পুশকিন। অনেকে বলেন মৃত্যু, অনেকে বলেন হত্যা।  
বিশদ

14th  March, 2020
আনন্দজীবন নাট্যোৎসব

দিনাজপুর কৃষ্টি আয়োজিত সাতদিনের আনন্দজীবন নাট্যোৎসব হয়ে গেল কুশমন্ডিতে। ২০ থেকে ২৬ জানুয়ারি এই উৎসবে মোট আটটি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিদিনই দিনাজপুরের পাশাপাশি অন্যান্য জেলা থেকে আগত দলগুলির একটি করে নাটক মঞ্চস্থ হয়। উৎসবের প্রথমদিনে স্থানীয় বিধায়ক নর্মদা রায় প্রদীপ জ্বালিয়ে শুভ সূচনা করেন।  
বিশদ

14th  March, 2020
এ নাটক এক সমকালীন দলিল যা দর্শককে ভাবায় 

সময়টা বড়ই ভয়ঙ্কর। ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে রাজনীতির কারবারিরা যে যার মত করে ঘুঁটি সাজাতে তৎপর। ধর্ম নামক বস্তুটিকে সামনে রেখে চলছে গরিব-বড়লোকের শ্রেণীবিন্যাস আর চিরকালীন সংঘাত। ঠিক এই সময়ে দাঁড়িয়ে ‘কালিন্দী নাট্যসৃজন’-এর নতুন প্রযোজনা ‘মন সারানি’ চমকে দেয়।
বিশদ

14th  March, 2020
কমলকুমারের গল্পের দুঃসাহসিক মঞ্চায়ন 

কমলকুমার মজুমদারকে ‘দুঃসাহসী লেখক’ বলে অভিহীত করেছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর বাক্যগঠন, শব্দ, ক্রিয়াপদ, কমা, পূর্ণচ্ছেদের ব্যবহার সবই ছিল চলতি রীতির থেকে আলাদা। এমনকী আলাদা ছিল তাঁর ভাষাও। সাধুভাষার ব্যবহার, অপ্রচলিত শব্দের ব্যবহার তাঁর লেখাকে করে তুলেছিল অন্য সবার থেকে আলাদা, ফলে হয়তো দুরূহও।  
বিশদ

14th  March, 2020
নান্দীকারের নাট্যোৎসব একটি প্রতিবেদন 

অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টস মঞ্চে নান্দীকারের ছত্রিশতম নাট্যমেলা অনুষ্ঠিত হল গত ডিসেম্বর মাসের ষোলো থেকে পঁচিশ তারিখ পর্যন্ত। নান্দীকারের সুনাম অক্ষুণ্ণ রেখেই সমাপ্ত হল তাদের এই নাট্যোৎসব। 
বিশদ

07th  March, 2020
প্রসেনিয়ামের থিয়েটার ফেস্টিভ্যাল 

প্রসেনিয়াম’স আর্ট সেন্টার ও বিভাবন যৌথ উদ্যোগে গত ১৩ থেকে ১৭ নভেম্বর এক থিয়েটার উৎসবের আয়োজন করে। তাদের নিজস্ব সেন্টারে আয়োজিত এই উৎসবে ১১টি নাট্যদলের থিয়েটার মঞ্চস্থ হয়। 
বিশদ

07th  March, 2020
দ্বাদশ থিয়েলাইট নাট্যোৎসব 

থিয়েলাইট নাট্যদলের নাট্যোৎসব এবছর বারোয় পা দেবে। বিগত বছরগুলিতে এই উৎসব ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিভিন্ন জেলায় করা হতো। এবছর সেই ধারায় ব্যতিক্রম ঘটতে চলেছে। এবছর উৎসব হবে কলকাতাতেই।  
বিশদ

07th  March, 2020
সাথী হারা ভালোবাসা ফিরিয়ে দেয় যাত্রার স্বাদ 

২৪তম যাত্রা উৎসব হয়ে গেল ফণীভূষণ বিদ্যাবিনোদ মঞ্চে। এই উৎসবের উল্লেখযোগ্য যাত্রাপালা ছিল বিশ্বভারতী অপেরার প্রযোজনায় ‘সাথী-হারা ভালোবাসা’। আর পাঁচটি প্রেম কাহিনীর মতোই একটি রোমান্টিক প্রেমের গল্প এটি। ভালোবাসার জন্য একজন মানুষ সবকিছুই করতে পারে।  
বিশদ

07th  March, 2020
গা ছমছম কী হয় কী হয়!
রহস্য নাটকের সার্থক মঞ্চায়ন

সময়টা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পশ্চিমবঙ্গ। প্রচণ্ড ঝড়জলের এক রাত। কার্শিয়াংয়ের এক সদ্য চালু হওয়া হোটেল ড্রিমল্যান্ডে একে একে জড়ো হয় রহস্যময় কয়েকজন বোর্ডার। একজন নাকউঁচু মহিলা মিস কাজল দত্ত, যিনি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি অফিসার। 
বিশদ

07th  March, 2020
এনএসডি-র আদিরঙ মাতিয়ে দিল দ্বারোন্দা 

ইউক্যালিপটাসের সুউচ্চ গাছগুলোর মাথায় মেঘমুক্ত পশ্চিমাকাশে ধ্রুবতারাটা জ্বলজ্বল করছিল। শেষ লগ্নে এসেও শীত তার দাপট জানান দিচ্ছে তীব্র হিমেল হাওয়ায়। তবু বোলপুরের দ্বারোন্দা গ্রামের মুক্ত প্রান্তরে মানুষের ভিড় কম নয়। চলছে দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা (এনএসডি) আয়োজিত ‘আদিরঙ’ অর্থাৎ আদিবাসী রঙ্গোৎসব।  
বিশদ

22nd  February, 2020
প্রেমের ঘেরাটোপে শয়তানের পদচারণা 

আ কনফেশন অব সাইকোফেনিক— আলোচনাটা এভাবে শুরু করা যায়। জালের ঘেরাটোপের মধ্যে শুরু হয় নাটক। একটি অন্তরঙ্গ ঘরে, কুলকুল জলের শব্দে, জালের মধ্যে গাঢ় বেগুনি আলোয় ভেসে ওঠে কতকগুলি বিমূর্ত হাত। একপাশে যুগল অন্তরঙ্গ হয়ে চুম্বনরত ও তাদের ঘিরে পুলিসবেশী ডাক্তার ও নার্সের পদচারণা।  
বিশদ

22nd  February, 2020
ভাষা দিবসে এনআরসি বিরোধী নাট্য 

শুধুমাত্র মাতৃভাষার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে একটা দেশ স্বাধীনতার স্বাদ উপলব্ধি করতে পেরেছিল। তারই স্বীকৃতি স্বরূপ ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস হিসেবে চিহ্নিত করে। যা গোটা বিশ্বে পালিত হয়। 
বিশদ

22nd  February, 2020

Pages: 12345

একনজরে
ভোট মরশুমে চোখ রাঙাচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত গরম। আজ, শুক্রবার, লোকসভার দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। বৃহস্পতিবার আগামী পাঁচদিনের জন্য পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক এবং উত্তরপ্রদেশের ...

কথা ছিল বাড়ি ফিরে পাকা বাড়ি দেওয়ার। সেই স্বপ্ন নিয়ে আর ফেরা হল না। কফিনবন্দি হয়ে ফিরছে পরিযায়ী কিশোর শ্রমিক। কর্মরত অবস্থায় বহুতল ...

আইপিএলে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়ম নিয়ে আগেই মুখ খুলেছিলেন রোহিত শর্মা ও রিকি পন্টিং। এবার একই সুর শোনা গেল দিল্লি ক্যাপিটালসের অক্ষর প্যাটেলের ...

রক্তক্ষরণ আটকাতে পারবে কি সিপিএম? আটকানো যাবে কি বামের ভোট রামে যাওয়া? —মূলত এই দু’টি প্রশ্নই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। ব্রিগেড ভরাতে পারলেও ভোটবাক্স ভরাতে পারবেন কি না, তা নিয়েই এখন চিন্তিত সিপিএমের বঙ্গ রাজনীতির কুশীলবরা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যা ও কর্মে উন্নতির যুগ অর্থকরি দিকটি কমবেশি শুভ। মানসিক চঞ্চলতা ও অস্থিরতা থাকবে। স্বাস্থ্যের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৪- উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সেতার ও সুরবাহার বাদক ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁর জন্ম
১৮৯৭- বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক নীতীন বসুর জন্ম
১৯২০- ভারতীয় গণিতবিদ শ্রীনিবাস রামানুজনের মৃত্যু
১৯২৪- সাহিত্যিক নারায়ণ সান্যালের জন্ম 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮১.৫০ টাকা ৮৪.৯৩ টাকা
পাউন্ড ১০১.৪৭ টাকা ১০৫.৯২ টাকা
ইউরো ৮৭.১৪ টাকা ৯১.১৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭২,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৩,০৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৬৯,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮১,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮১,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৩ বৈশাখ, ১৪৩১, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৪। দ্বিতীয়া ৬/১৩ দিবা ৭/৪৭। অনুরাধা নক্ষত্র ৫৮/৪০ রাত্রি ৩/৪০। সূর্যোদয় ৫/১১/৩০, সূর্যাস্ত ৫/৫৭/২৪। অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৪ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/১৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২৮ গতে ৮/৫৭ মধ্যে পুনঃ ২/৫৭ গতে ৩/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/২৭ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/৪১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৪ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪৫ গতে ১০/১০ মধ্যে। 
১৩ বৈশাখ, ১৪৩১, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৪। দ্বিতীয়া দিবা ৬/২৮। অনুরাধা নক্ষত্র রাত্রি ২/২৬। সূর্যোদয় ৫/১২, সূর্যাস্ত ৫/৫৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ৭/৩৮ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/১৫ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৪/২০ গতে ৫/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৯/০ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৩/৩৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/২৭ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ৩/৩৪ গতে ৫/১১ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৪ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪৭ গতে ১০/১১ মধ্যে। 
১৬ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: কেকেআরকে ৮ উইকেটে হারাল পাঞ্জাব

11:31:28 PM

আইপিএল: ২৩ বলে হাফসেঞ্চুরি শশাঙ্ক সিংয়ের, পাঞ্জাব ২৪৬/২ (১৭.৪ ওভার) টার্গেট ২৬২

11:26:31 PM

আইপিএল: ৪৫ বলে সেঞ্চুরি জনি বেয়ারস্টোর, পাঞ্জাব ২১০/২ (১৬.১ ওভার) টার্গেট ২৬২

11:13:32 PM

আইপিএল: ২৬ রানে আউট রাইলি রুশো, পাঞ্জাব ১৭৯/২ (১৩ ওভার) টার্গেট ২৬২

10:56:50 PM

আইপিএল: ২৪ বলে হাফসেঞ্চুরি জনি বেয়ারস্টোর, পাঞ্জাব ১২০/১ (৯.১ ওভার) টার্গেট ২৬২

10:36:30 PM

আইপিএল: ৫৪ রানে আউট প্রভসিমরন, পাঞ্জাব ১০৭/১ (৭.৫ ওভার) টার্গেট ২৬২

10:29:44 PM