Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ধর্মের নামে বজ্জাতির পরিণতি
পি চিদম্বরম

কংগ্রেস এবং বিজেপির ইস্তাহারের মধ্যে তুলনা করতে পারিনি বলে আমার গত সপ্তাহের কলামে আক্ষেপ করেছিলাম। আমার লেখার পরপরই অবশ্য ‘মোদি কি গ্যারান্টি’ নামে একটি ইস্তাহার বিজেপি প্রকাশ করে। এটা এখন ভীষণ রকমে স্পষ্ট যে বিজেপি আর একটি রাজনৈতিক দলমাত্র নয়, এটি একটি কাল্ট বা গোঁড়া ধর্মীয় গোষ্ঠীর নাম। তাদের এই দলিল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই, পূর্ববর্তী রাজনৈতিক দলের ‘মূল’ নীতি হিসেবে ধর্মীয় গোঁড়ামিটাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
নথিটি হল গত পাঁচ-দশ বছরে বিজেপি-এনডিএ সরকারের তরফে নেওয়া পদক্ষেপগুলির একটি সংগ্রহ। সমস্ত ত্রুটি এবং বৈষম্যের ভিত্তিতে তাদের যেসব কর্মসূচি চলছে সেগুলিকে নতুন করে সাজিয়েছে বিজেপি। অতঃপর সেগুলিই রূপায়ণের প্রতিশ্রুতি তারা দিয়েছে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা বিস্মৃত হয়ে।
‘মোদি কি গ্যারান্টি’ বা ‘মোদির গ্যারান্টি’ কথাটির মধ্যে বিপুল পরিমাণ অগ্নিবর্ষী বার্তা মজুত রয়েছে, যা কোনোভাবেই মঙ্গলজনক নয়। সর্বাগ্রে রয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউনিফর্ম সিভিল কোড বা ইউসিসি) এবং এক দেশ এক নির্বাচন (ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন বা ওএনওই)। উভয়ই, অথবা অন্তত একটির জন্য বড় ধরনের সাংবিধানিক সংশোধনের প্রয়োজন হবে এবং বিজেপি নেতৃত্বকে এই প্রশ্নে অকুতোভয় বলেই মনে হচ্ছে। তাদের প্রথম উদ্দেশ্য হল, একটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মডেল তৈরি করা, যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর হাতে সমস্ত ক্ষমতা ন্যস্ত হবে। বিজেপির দ্বিতীয় উদ্দশ্য হল, দেশবাসীকে সামাজিক ও রাজনৈতিক দিক থেকে যতটা সম্ভব একসূত্রে বেঁধে ফেলা। এই শাসকের তৃতীয় উদ্দেশ্য হল, তথাকথিত দুর্নীতি নির্মূল করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন। কিন্তু এই ঘোষণার মূল লক্ষ্য হল চিহ্নিত বিরোধী দল এবং রাজনৈতিক নেতাদের শায়েস্তা করা।
মোদির গ্যারান্টির বাকিটা আর কিছুই নয়, গত ১০ বছরের দাবি এবং অহংকারের চর্বিতচর্বণ, যা ইতিমধ্যেই ভীষণ ক্লান্তিকর। পুরনো স্লোগান বাতিলের পাশাপাশি আমদানি করা হয়েছে কিছু হাতে গরম স্লোগান। উদাহরণ? এটি আর কোনোভাবেই আচ্ছে দিন আনেওয়ালা হ্যায় ট্যায় নয়, এবারের সোজাসাপটা পেশ ‘বিকশিত ভারত’। আহা, যেন কোনও জাদুবলে মাত্র এক দশকেই ভারত একটি ‘উন্নয়নশীল’ দেশ থেকে ‘উন্নত’ রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে! এই দাবি নিতান্তই হাস্যকর। মোদি কি গ্যারান্টি—২০২৪-এর প্রধান প্রতিশ্রুতির দিকেই ফিরে আসা যাক:
অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি)
ভারতে একাধিক সিভিল কোড বা দেওয়ানি বিধি রয়েছে। সেগুলি আইনত ‘কাস্টম’ বা সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী বা শ্রেণির রীতি/প্রথা হিসেবে স্বীকৃত। হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ, পার্সি এবং ইহুদিদের দেওয়ানি বিধিগুলির পার্থক্য আমাদের সবারই জানা। নানা সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব রয়েছে; আছে বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ এবং দত্তক গ্রহণের অনেক নিয়ম ও রীতিনীতি; উত্তরাধিকারেরও (ইনহেরিটেন্স অ্যান্ড সাকসেশন) বিভিন্ন নিয়ম; এবং মানুষের জন্ম ও মৃত্যুকে কেন্দ্র করেও পালিত হয় নানারকম আচারবিচার। পারিবারিক কাঠামো, খাদ্য, পোশাক এবং সামাজিক আচরণেও কিছু বৈচিত্র্য পরিলক্ষিত হয়। তবে এই জিনিসটা সবাই ওয়াকিবহাল নয় যে, প্রতিটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে এবং এক-একটি গোষ্ঠীর বিভিন্ন অংশের মধ্যে কত অগুনতি পার্থক্য রয়েছে!
ইউসিসি হল সমজাতীয়করণের বা সংহতিস্থাপনের জন্য একটি নরমসরম কথা। ইংরেজিতে যাকে বলে হোমোজেনাইজেশন। এজন্য খোদ রাষ্ট্র কেন এগিয়ে এসে পদক্ষেপ করবে? এমন অভিন্ন নিয়মাবলি রচনার গুরুদায়িত্ব দেশের কে নেবেন কিংবা কোন গোষ্ঠীর পুরুষ ও মহিলাদের উপর তা ন্যস্ত হবে? জনগণের মধ্যে যে দুস্তর তফাত, তার জন্য যথেষ্ট প্রতিনিধিত্বকারী হবে কি এই ধরনের কোনও গোষ্ঠী? সমজাতীয়করণ হল—প্রতিটি ব্যক্তিকে এক ছাঁচে ফেলার এবং নাগরিকদের জীবন নিয়ন্ত্রণ করার একটি দুষ্ট প্রয়াস—অনেকটা চীনের সেই সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময়কার ব্যর্থ এক কাণ্ডকারখানা। ইউসিসি হল—মানুষের মুক্ত চেতনার অবমাননা। এই ফরমান চেপে বসলে ভারতের ঐতিহ্যবাহী ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য’ মুছে যাবে।
ব্যক্তিগত আইনের সংস্কার প্রয়োজন কিন্তু সেই সংস্কারের চাহিদা ও প্রকরণ অবশ্যই উঠে আসতে হবে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভিতর থেকে। রাষ্ট্র প্রণীত আইন—শুধুমাত্র সম্প্রদায়ের তরফে গৃহীত কিংবা স্পষ্টভাবে মেনে নেওয়া সংস্কারকে স্বীকৃতি দিতে পারে। ইউসিসি বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং সংস্কৃতির মধ্যে তিক্ত বিতর্কের সূত্রপাত ঘটাবে। বিতর্কগুলি চলে যাবে ক্ষোভ, ক্রোধ এবং অসন্তোষের দিকে। অতঃপর সেই অসন্তোষই রূপ নেবে দ্বন্দ্বের। ব্যাপারটা শেষমেশ হিংসাত্মকও হয়ে উঠতে পারে!
এক দেশ এক নির্বাচন (ওএনওই)
এক দেশ এক নির্বাচন বা সংক্ষেপে ওএনওই হল—আঞ্চলিক পার্থক্য, পছন্দ এবং সংস্কৃতিকে মুছে ফেলার একটি গোপন মতলব। ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে উঠেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে প্রেরণা নিয়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হল একটি ফেডারেশন বা সংঘ। সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের জন্য দু’বছর অন্তর। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয় প্রতি চার বছরে একবার। এছাড়া প্রতি ছ’বছর অন্তর সেনেটের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডার মতো ফেডারেল পার্লামেন্টারি সিস্টেম বা যুক্তরাষ্ট্রীয় সংসদীয় ব্যবস্থায়ও একযোগে ভোট নেওয়া হয় না। একটি এগজিকিউটিভ গভর্নমেন্ট বা কার্যনির্বাহী সরকার তার প্রতিদিনের কাজকর্মের ব্যাপারে আইনসভার কাছে দায়বদ্ধ। ওএনওই হল এই নীতির বিরোধী। জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) দেশজুড়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য একটি ক্যালেন্ডার মেনটেন করে।  এক দেশ এক নির্বাচন আসলে, কমিশনের ওই নিয়ন্ত্রণ সরকারের তরফে ছিনিয়ে নেওয়ার একটি প্রচেষ্টা।
দুর্নীতি-বিরোধী ধর্মযুদ্ধ
দুর্নীতির বিরুদ্ধে তথাকথিত ধর্মযুদ্ধের উদ্দেশ্য হল সমস্ত বিরোধী দলকে শেষ করে দেওয়া এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরোধী নেতাদের দূরে রাখা। বিজেপির মারাত্মক আলিঙ্গন ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক দলকে ((মূলত একটি রাজ্যেই যাদের কর্মকাণ্ড) সাইনবোর্ড-সর্বস্ব করে ফেলেছে। কংগ্রেস এবং ক্ষমতাসীন আঞ্চলিক দলগুলির মোকাবিলায় হাতিয়ার হয়ে উঠেছে আইনগুলি। আমি নিশ্চিত যে ইডি, এনআইএ এবং এনসিবি যে পদ্ধতিতে কিছু লোককে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিচ্ছে, এটা কোনও একদিন বন্ধ হয়ে যাবে। এই তথাকথিত ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধ আদৌ  দুর্নীতির বিরুদ্ধে নয়, এটি বরং আরও আধিপত্য বিস্তারের কৌশল।
ইউসিসি এবং ওএনওই-র মতো দুটি সিদ্ধান্তকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বিজেপি মরিয়া কেন? কারণ, অযোধ্যায় মন্দির নির্মাণের পরে বিজেপি উত্তর ভারতের রাজ্যগুলির হিন্দু আধিপত্যবাদীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের উপযোগী কিছু বিষয়ের সন্ধানে রয়েছে—যেসব ইস্যুকে সামনে রেখে হিন্দিভাষী, রক্ষণশীল, ঐতিহ্য-মগ্ন, বর্ণ-সচেতন শ্রেণিগুলি থেকে নিশ্চিতভাবে রাজৈনতিক ফায়দা তোলা সম্ভব। এই রাজ্যগুলিই তিন দশক যাবৎ আরএসএস এবং বিজেপির রাজনৈতিক সমর্থন লাভের উৎস। সেই রাজনৈতিক ভিত্তিকে সুসংহত  বা আরও মজবুত করার কৌশলের নামই হল ইউসিসি এবং ওএনওই। এরপর আঞ্চলিক দল বা ভারতের ধর্মীয়, জাতি ও ভাষাগত গোষ্ঠীগুলি তাদের ভাষা ও সাংস্কৃতিক পরিচয় জাহির করতে গেলে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলির নির্বাচনী ওজনের গুঁতোয় ঘায়েল হয়ে যাবে।
এই নির্বাচনে মোদির ইউসিসি এবং ওএনওই গ্যারান্টি তুমুল বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এবার তামিলনাড়ু (১৯ এপ্রিল) এবং কেরলের (২৬ এপ্রিল) জনগণের রায় কী হবে, তা আন্দাজ করতে পারি। তবে অন্য অঞ্চলের মধ্যে, বিশেষ করে উত্তর ভারতের হিন্দিভাষী, রক্ষণশীল এবং বর্ণ-সচেতন রাজ্যগুলিতে বিজেপির মনোবাঞ্ছা পূরণ হতে পারে।
• লেখক সাংসদ ও দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। 
মতামত ব্যক্তিগত
22nd  April, 2024
মহিষের উপর উত্তরাধিকার কর
পি চিদম্বরম

লোকসভা নির্বাচন নিয়ে এই যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে সেখানে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় কোনটি? যুদ্ধের এক পক্ষে নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর কয়েকজন মিত্র আর উল্টো দিক থেকে একটি বহুমুখী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী এবং বিভিন্ন রাজ্যভিত্তিক শক্তিশালী ও স্বাধীন সেনাপতিগণ। বিশদ

মোদিজি, গন্ধটা কিন্তু বেশ সন্দেহজনক!
হিমাংশু সিংহ

কোনও দল, কোনও নেতা কিংবা সংগঠন কখন নির্বাচন চলাকালীন কেঁচে গণ্ডূষ করে ফেলে? বারবার কথা বদলায়? যাকে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছিলেন, তাকেই আবার বুকে টেনে নেন? সহজ উত্তর, পায়ের তলার মাটি টালমাটাল হলে, কিংবা অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় আচমকা বেড়ে গেলে বুকের ধড়ফড়ানি। বিশদ

19th  May, 2024
আরামবাগে বিজেপির ভরসা তৃণমূলের গদ্দাররাই
তন্ময় মল্লিক

আরামবাগ লোকসভা আসনটি দলের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথম নির্বাচনী সভা করেছেন এখানে। শুধু তাই নয়, বেনজিরভাবে একই লোকসভা কেন্দ্রে দু’-দু’বার জনসভা করলেন নরেন্দ্র মোদি। বিশদ

18th  May, 2024
মহিলা-মুসলিম-গরিব: বঙ্গভোটে বড় ফ্যাক্টর
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা কেন ভোট দিই? কেউ ভোট দেয় নিজের পছন্দের দলকে সমর্থন করতে। নিজের পছন্দের দল ক্ষমতাসীন হোক অথবা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে নিজেই সবথেকে বেশি আসন পেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠুক, এটা দেখতে ভালো লাগে। ভাবতে ভালো লাগে। বিশদ

17th  May, 2024
একনায়কের পদধ্বনি!
মৃণালকান্তি দাস

জার্মানির রাজনীতিতে হিটলারের প্রবেশ ১৯১৯ সালে। ওয়াইমার রিপাবলিক-এর নতুন সংবিধানের জন্মও ওই বছরই। গণতান্ত্রিক অধিকারের মাপকাঠিতে এমন জোরদার সংবিধান দুনিয়ায় বিরল, মানবসভ্যতার শিখরে পৌঁছনোর অঙ্গীকার তার ছত্রে ছত্রে।  বিশদ

16th  May, 2024
দড়ি ধরে টান মারাটাও গণতন্ত্রের বড় শক্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

নির্বাচন পর্ব গড়িয়ে গড়িয়ে প্রায় শেষের দিকে এগিয়ে চলেছে। চার পর্বের ভোট শেষে ফলাফলের দিশা অনেকটাই যেন পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। আর দিন কুড়ি পরেই বাস্তব চিত্রটা বোঝা যাবে। কিন্তু এর মধ্যেই সারা দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটা দেখে ‘হীরক রাজার দেশে’র শেষাংশের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। বিশদ

15th  May, 2024
মতুয়াদের নিঃশর্ত নাগরিকত্ব দেবেন না মোদি
গোপাল মিস্ত্রি

আপনি কি মতুয়া? আপনার জন্ম কি ভারতেই? এই বাংলার মটিতে? আপনি এই মাটির জল-হাওয়ায় বড় হয়েছেন? আপনি কি চাকরিজীবী অথবা ব্যবসায়ী, কিংবা কৃষক? ভোট দেন কি? আপনার ভোটেই তো নির্বাচিত দেশজুড়ে মন্ত্রী, এমএলএ, এমপিরা। বিশদ

15th  May, 2024
এক বছরের প্রধানমন্ত্রী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পাওয়ার সেন্টার। হতে পারে বিশেষ কোনও ব্যক্তি, বা একটা কোর গ্রুপ। কোম্পানি চালাতে, পার্টি, রাজ্য কিংবা দেশ... পাওয়ার সেন্টারকে কিছুতেই অস্বীকার করা যায় না। গণতন্ত্রেও না। কারণ, গণতান্ত্রিক সিস্টেমকে ঠিকমতো প্রয়োগ করার জন্যও একজন ব্যান্ড মাস্টার প্রয়োজন। বিশদ

14th  May, 2024
একজন ‘শক্তিশালী’ নেতা মিথ্যা বলবেন কেন?
পি চিদম্বরম

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একজন স্বঘোষিত ‘শক্তিশালী’ নেতা। তিনি প্রায়ই তাঁর ৫৬ ইঞ্চির বুকের ছাতি নিয়ে অহঙ্কার করতেন। তাঁর অনুগামীরা—খান মার্কেট চক্রের নিয়ন্ত্রণ, শহুরে নকশালদের উপড়ে ফেলা, টুকরে-টুকরে গ্যাংকে ধ্বংস করা, পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া, সহযোগী সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজির কার্যত বিলুপ্তি, মূলধারার মিডিয়াকে বশীভূত করা এবং ‘বিশ্বগুরু’ হিসেবে ভারতের কাল্পনিক মর্যাদার দিকে ইঙ্গিত করেন। বিশদ

13th  May, 2024
নিরপেক্ষ রেফারি ছাড়া খেলার মূল্য কী?
জি দেবরাজন

ভারতের সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের অধীনে নির্বাচন কমিশনের ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারাটি কমিশনকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষমতা দেয়। কমিশনের কর্মপদ্ধতি ‘আইনসম্মত’ এবং ‘নিরপেক্ষ’ বলেই বিশ্বাস করা হয়। বিশদ

13th  May, 2024
আক্রমণ ছেড়ে মোদিজি আত্মরক্ষায় কেন?
হিমাংশু সিংহ

ছবিটা একবার ভাবুন। নরেন্দ্র মোদি একক প্রচেষ্টায় গোল করতে পারছেন না, উল্টে নিজের পেনাল্টি বক্সে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত গোল বাঁচাচ্ছেন। গোলকিপার না স্ট্রাইকার ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। অনেক দূরে অমিত শাহ। বাকিদের মেঘ-রোদ্দুরে ঠিক ঠাওরই করা যাচ্ছে না। বিশদ

12th  May, 2024
‘ধর্মগুরু’র কোটি টাকার ফ্ল্যাট, দ্বিধায় মতুয়ারা
তন্ময় মল্লিক

পাশাপাশি দু’টি মন্দির। একটি হরিচাঁদ ঠাকুরের, অন্যটি গুরুচাঁদের। পায়ের চাপে ভেঙে যাওয়া ভক্তদের ছড়ানো বাতাসার গুঁড়ো সরিয়ে গোবরজলে ধোয়া হয়েছে মন্দির চত্বর। তাতে নোংরা গেলেও কটু গন্ধে টেঁকা দায়। ভন ভন করছে মাছি। বিশদ

11th  May, 2024
একনজরে
লোকাল ট্রেনে বিনা টিকিটে সফর করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। প্রযুক্তির যুগে কাউন্টারের দীর্ঘ লাইন এড়িয়ে মোবাইল কিংবা বিকল্প উপায়ে ট্রেনের টিকিট কাটার সুযোগ রয়েছে। ...

দুর্ঘটনার কবলে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির হেলিকপ্টার। রবিবার পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে এই ঘটনা ঘটে। ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ...

বছর দশেক আগে মণিপুরে ফুটবল প্রতিযোগিতায় খেলতে গিয়েছিলেন। মারাত্মক চোট পান বাঁ হাঁটুতে। বহু চিকিৎসাতেও কোনও কাজ হয়নি। ...

কাঁটাতার দিয়েও থামানো যাচ্ছে না। পাচার রুখতে হিলি সীমান্তের একাধিক এলাকায় কাঁটাতারের উপর প্রায় ৩০ ফুট উচ্চতার জাল লাগাল বিএসএফ। পাচারকারীরা কৌশল বদলে হিলি সীমান্তে কাঁটাতারের ওপারে পাচার সামগ্রী  ছুড়ে দেয় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুরুজনের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা ও মানসিক উদ্বেগ। কাজকর্মে বড় কোনও পরিবর্তন নেই। বয়স্কদের স্বাস্থ্য সমস্যা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস
১৪৯৮ - ভাস্কো ডা গামা প্রথম ইউরোপীয়, যিনি আজকের দিনে জলপথে ভারতের কালিকট বন্দরে উপস্থিত হন
১৫০৬- ক্রিস্টোফার কলম্বাসের মৃত্যু
১৬০৯ - শেক্সপিয়ারের সনেট প্রথম প্রকাশিত হয় লন্ডনে। প্রকাশক ছিলেন থমাস থর্প
১৮৫৪ - বিশিষ্ট বাঙালি ব্যবসায়ী,সমাজসেবী ও দানবীর মতিলাল শীলের মৃত্যু
১৮৬৭ - মহারানি ভিক্টোরিয়া আজকের দিনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে রয়াল অ্যালবার্ট হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন
১৯৩২- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপিনচন্দ্র পালের মৃত্যু
১৯৩২ - ইয়ারহার্ট প্রথম মহিলা ‍যিনি একক উড্ডয়নে আটলান্টিক পাড়ি দেন
১৯৪৭ - বিশিষ্ট কবি প্রবন্ধকার ও শিশুসাহিত্যিক প্যারীমোহন সেনগুপ্তর মৃত্যু
১৯৫২ – প্রাক্তন ক্যামেরুনিয়ান ফুটবলার রজার মিল্লার জন্ম
১৯৭৪ - চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৮৩ - এইচআইভি ভাইরাস সম্পর্কে প্রথম প্রকাশিত হয় সায়েন্স ম্যাগাজিনে
১৯৮৬ - বাংলা ভাষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রতিষ্ঠিত
২০১৯ - বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধনের মৃত্যু
২০১৯ -  লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৫৩ টাকা ৮৪.২৭ টাকা
পাউন্ড ১০৪.২৩ টাকা ১০৭.৭১ টাকা
ইউরো ৮৯.২৯ টাকা ৯২.৪৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  May, 2024
পাকা সোনা (১০ গ্রাম)  
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম)  
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম)  
রূপার বাট (প্রতি কেজি)  
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি)  
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, সোমবার, ২০ মে, ২০২৪। দ্বাদশী ২২/৩৩ দিবা ৩/৫৯। চিত্রা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৪/৫৮/২৩, সূর্যাস্ত ৬/৭/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/১ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৩/৩২ গতে ৪/১৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ২/৫১ গতে ৪/৩০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।   
৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, সোমবার, ২০ মে, ২০২৪। দ্বাদশী দিবা ৩/১৭। চিত্রা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৪/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৩/৩০ গতে ৪/১২ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ২/৫২ গতে ৪/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১১ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় কোন রাজ্যে কত শতাংশ ভোট পড়ল
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় আজ, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ৭টি কেন্দ্র সহ ...বিশদ

08:22:49 PM

শ্রীরামপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
ভরসন্ধ্যায় শ্রীরামপুরের পিয়ারাপুর এলাকার একটি স্টকহাউসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। ...বিশদ

07:56:49 PM

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪(পঞ্চম দফা): বিকাল ৫টা পর্যন্ত কোন রাজ্যে কত ভোট পড়ল
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণপর্ব চলছে। আজ, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ৭টি ...বিশদ

06:30:00 PM

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪(পঞ্চম দফা): বিকাল ৫টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে কোথায় কত ভোট
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণপর্ব চলছে। গোটা দেশের একাধিক রাজ্যের ...বিশদ

06:20:00 PM

কল্যাণীর গয়েশপুরে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উপর কেন্দ্রীয়বাহিনীর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ করার অভিযোগ

05:35:00 PM

মোদি আপনাদের উন্নয়নে দিন-রাত কাজ করে: মোদি

04:57:00 PM