Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বনাম ছাপ্পান্ন ইঞ্চির ভাঁওতা
সন্দীপন বিশ্বাস

নমস্কার, আমি আপনার ব্যাঙ্কের ম্যানেজার বলছি। আপনার অ্যাকাউন্টে একটু আগে একটা বিদেশি লটারির পুরস্কার বাবদ ১৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঢুকেছে। কিন্তু অ্যাকাউন্টে একটা সমস্যা থাকায় টাকাটা ঢুকছে না। আপনার কাছে একটা ওটিপি নম্বর যাচ্ছে, সেটা আমাকে বলে দিলেই আপনার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা ঢুকে যাবে। 
এই ধরনের ফোন অনেকেই পেয়েছেন। 
যাঁরা লোভে পা দিয়ে ওটিপি নম্বর  জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের অ্যাকাউন্ট ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। এগুলো আসলে প্রতারণার কল। বর্তমানে এই ধরনের প্রতারণা বেড়েই চলেছে। রাজনীতিও তার ব্যতিক্রম নয়। জীবনের সবক্ষেত্রেই প্রতারককে ঠিকমতো চিনতে না পারলে, সবকিছু কিন্তু নিমেষে শেষ হয়ে যাবে। 
১৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার প্রাপ্তি সংক্রান্ত প্রতারণার গল্প শোনার পরই অনেকেরই মনে পড়তে পারে দশ বছর আগের কথা। সেদিনও ছিল আজকের মতো এমনই ভোটের হাওয়া। সারা দেশের বিভিন্ন মঞ্চে গিয়ে এক নেতা বারবার বলে গিয়েছেন, ‘আপনারা আমাকে ভোট দিন, আমি বিদেশ থেকে সমস্ত কালো টাকা উদ্ধার করে নিয়ে এসে আপনাদের ব্যাঙ্কে ১৫ লক্ষ টাকা জমা করে দেব।’ গোয়েবলসের থিয়োরির মতো তিনি একই কথা বারবার বলে মানুষের মনে অনায়াসে বিশ্বাস সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাঁর ৫৬ ইঞ্চি ছাতির সাহসিকতার উপর মানুষ বিশ্বাস করেছিলেন। মানুষ তাঁকে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু মানুষের অ্যাকাউন্টে আর ১৫ লক্ষ টাকা ঢোকেনি। কালো টাকা বিদেশ থেকে আসেনি। নীরব মোদিরা তাঁদের আমলেই ব্যাঙ্ক লুটেপুটে পালিয়েছেন। তাঁর আমলেই দেশের গুটিকয় ধনী ফুলে ফেঁপে উঠেছেন। সাধারণ মানুষ নিঃস্ব হয়ে গিয়েছেন। এখন কালো টাকা আনার কথা তিনি মুখেও আনেন না। নীরব মোদিদের গ্রেপ্তার করার কথাও বলেন না।  
এখানেই শেষ নয়, তিনি বলেছিলেন, ‘আমি বছরে দেশের দু’কোটি যুবককে চাকরি দেব।’ মানুষ আবার তাঁকে বিশ্বাস করলেন। উল্টে দেখা গেল, বহু মানুষ তাঁদের চাকরি হারালেন। দেশের চাকরির জগৎকে শ্মশান বানিয়ে তুললেন। সেই শ্মশানে বসেই যেন শুরু হয়েছে তাঁর ক্ষমতা দখলের সাধনা। 
‘ভাঁওতাদ প্রতিশ্রুতির একটা একটা করে প্রমাণ রয়ে গিয়েছে বিজেপির ইস্তাহারে। এখনও গুগল খুললে পাওয়া যাবে বিজেপির প্রথম ও দ্বিতীয় লোকসভা ভোটের ইস্তাহার। সেই ইস্তাহার ছিল প্রতিশ্রুতির গঙ্গাসাগর। একটি প্রবাদ আছে, ‘স্বপ্নে পোলাও রান্না করলে বেশি করে ঘি ঢালো।’ সুতরাং যে প্রতিশ্রুতি পালনের দায়বদ্ধতা নেই, তাতে যত ইচ্ছে জল মেশাও।  কংগ্রেস শাসনকালের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিষোদ্গার করে ইস্তাহারে বিজেপি বলেছিল, ‘ক্ষমতায় এলে তাদের অগ্রাধিকার হবে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ।’ কিন্ত কী দেখা গেল? নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নিয়ে ব্যাপক ফাটকাবাজি হল। সর্ষের তেল সহ অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়িয়ে রাতারাতি বড় ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের পকেটে হাজার হাজার কোটি টাকা ভরে দেওয়া হল। তবে তা একতরফা ছিল না। বেওসায়িদের একাংশও বিজেপির তহবিলে গোপনে টাকা দিয়ে ঋণ শোধ করলেন। শাসনযন্ত্রকে ব্যবহার করে বিজেপি কীভাবে একের পর এক চাঁদা নেওয়া বা ‘তোলাবাজি’ করেছে, আজ আর তা দেশের মানুষের কাছে লুকোছাপার ব্যাপার নয়। 
মানুষের বিশ্বাস ভঙ্গ করার বহু দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন বহু শাসক। কিন্তু গত দশ বছরে মানুষকে ধনেপ্রাণে মারার এমন নিষ্ঠুর হৃদয়হীনতা এর আগে কোনও শাসকই দেখাতে পারেননি। এমন নজির যিনি সৃষ্টি করেছেন, তাঁর নাম হল নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি। কিন্তু মানুষের কাছে বারবার অসত্য প্রতিশ্রুতির টোপ ফেললেই কি মানুষ তা গিলে নেন? না, তা নেন না। বিগত দু’টো নির্বাচন মোদির মুখোশ খুলে দিয়েছে। দেশ থেকে কালো টাকা মুছে ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যিনি, তাঁরই দলের তহবিলে জমছিল গোপন অনুদান। কে দিচ্ছে, কেন দিচ্ছে, তার ইতিহাস গোপন করার কী মরিয়া চেষ্টা! কিন্তু গোটা গেমটারই চালিয়াতি ফাঁস হয়ে গেল। ধর্ম নিয়ে যাঁদের ব্যবসা, তাঁদের সামনেই ধর্মের কল বাতাসে নড়ে গেল। কীভাবে বড় বড় কোম্পানিকে ভয় দেখিয়ে তাদের বাড়িতে ইডি পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেল করে পার্টি টাকা আদায় করত, তা আজ জলের মতো পরিষ্কার। যে কোম্পানি লোকসানে চলছে, সেও শত শত কোটি টাকা গেরুয়া বাবাজিদের তহবিলে তোলা দিয়েছে। সেই তোলাবাজির গোপন কথা ফাঁস হতেই দেশজুড়ে ধিক্কার। কিন্তু মুখে কুলুপ ৫৬ ইঞ্চি অ্যান্ড কোম্পানির। এসব কথা কিন্তু ইস্তাহারে পাওয়া যাবে না।
বিগত দশ বছরের ইতিহাস মানুষের কাছে সেই বিশ্বাসভঙ্গের ইতিহাস। একবার চোখ বুজে বড় বড় প্রতিশ্রুতিগুলো বসে পাঁচ মিনিটের জন্য ভাবুন। বুঝতে পারবেন, দেশের নাগরিক হিসাবে আপনি কতখানি প্রতারিত হয়েছেন। ১৫ লক্ষ টাকা , দু’কোটি চাকরির পরেও রয়েছে অজস্র প্রতিশ্রুতি। আচ্ছে দিন। পেয়েছেন? পাননি। না খাউঙ্গা না খানে দুঙ্গা! বিরোধীদের খাওয়া বন্ধ করার ফাঁকে দেখা গেল নিজেরাই গলা পর্যন্ত খেয়ে বসে আছেন। ঢেকুর তোলার জায়গা পর্যন্ত নেই। স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবে অর্থাৎ ২০২২ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি মানুষের মাথায় পাকা ছাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেখানেও ব্যর্থ। করোনার সময় বারবার দেখা গিয়েছে মোদি সরকারের অমানবিক মুখ। দেশের কালো টাকা ধরার নামে নোটবন্দি করলেন। বললেন, ‘আমাকে পঞ্চাশ দিন সময় দিন, আমি দেশের অর্থনীতি বদলে দেব।’ এক্ষেত্রে তিনি কথা রেখেছেন। অর্থনীতিকে বদলে দিয়েছেন, কিন্তু সেটা অক্ষমের হাতে পড়ে তলিয়ে যাওয়ার লজ্জা! দেশের বৈদেশিক ঋণ ক্রমেই বাড়ছে। পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কার মতো আমরাও ধীরে ধীরে তলিয়ে যাচ্ছি ঋণের জালে, আর সরকার অসত্য তথ্য দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করছে, ‘সব ঠিক হ্যায়’। 
২০১৪ সালে দেশের বৈদেশিক ঋণ ছিল প্রায় ৫৬ লক্ষ কোটি টাকা। দশ বছরে সেই ঋণ তিনগুণ বেড়ে গিয়েছে। সোনার দাম, টাকার দাম, পেট্রল-গ্যাসের দাম নিয়ে তুলনা করুন, ব্যর্থতার প্রমাণ পেয়ে যাবেন। অর্থনীতি যে এভাবে মুখ থুবড়ে পড়বে, তা অনেকদিন আগেই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন স্পষ্টভাষায় বলে দিয়েছিলেন। তারপর মোদি সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার বহর দেখে একে একে সরে পড়েছেন অরবিন্দ পানাগরিয়া, অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যম, উর্জিত প্যাটেলের মতো বড় বড় অর্থনীতিবিদরা।   
এবারের নির্বাচনে তাঁর স্লোগান, ‘মোদির গ্যারান্টি’। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাঁর একটা গ্যারান্টিও কাজে লাগেনি। দেউলিয়া শাসকের আবার গ্যারান্টি! বিজেপি যাঁকে ‘বিশ্বগুরু’ সাজিয়ে ভোটপ্রচারে নেমেছে, আন্তর্জাতিক স্তরে তিনি ভারতকে কোথায় পৌঁছে দিয়েছেন, তা অনেকেরই জানা নেই। গণতন্ত্র,  খাদ্য সুরক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, বাক স্বাধীনতা, শান্তি, সুখী দেশের নিরিখে আমরা তালিকার শেষের দেশগুলোর সঙ্গে লড়াই করছি। মোদির শাসনে আমরা প্রায় সবক্ষেত্রে লাস্ট বয়।
একটা খামখেয়ালি শাসন ব্যবস্থার মূল্য দিতে হচ্ছে দেশের প্রতিটি মানুষকে। বিরাট স্ট্যাচু অব ইউনিটি গড়ে যিনি একসময় হাততালি কুড়িয়েছেন, তিনিই ভারতের আত্মিক ঐক্যকে, ধর্মনিরপেক্ষতাকে শেষ করতে চলেছেন। যিনি নিজেকে দেশের ‘চৌকিদার’ বলে বুক বাজান, তাঁর দলকে ঘিরে আজ ইলেক্টোরাল বন্ডের কলঙ্ক জমেছে। আমরা এখনও জানি না, পিএম কেয়ার্স ফান্ড নিয়ে এমন কোনও হতবাক হওয়ার মতো কিছু ভবিষ্যতে ঘটবে কি না! একমাত্র সুপ্রিম কোর্টই আমাদের সেই রাস্তা দেখাতে পারে।  সুতরাং এই মুহূর্তে মোদি গ্যারান্টির শেয়ার দর যে ভোটারদের কাছে হু হু করে পড়ে যাচ্ছে, এনিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। 
পাশাপাশি ভোটারদের এই বাংলার দিকে তাকাতে বলি। কীভাবে রাজ্য সরকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অসময়ে তাঁদের বল ভরসা জোগাচ্ছে, সেটা দেখে শেখার মতো। শুধু লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের শক্তিকে রোখার মতো কোনও শক্তিই আজ বিজেপির অস্ত্র ভাণ্ডারে নেই। তাই এবার বিজেপিকে লড়তে হবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, সবুজ সাথী, স্বাস্থ্যসাথী, কৃষকবন্ধু, খাদ্যসাথী, কন্যাশ্রী, ঐক্যশ্রী, রূপশ্রী, জয় জোহার নামক নানা মৃত্যুঞ্জয় অস্ত্রের সঙ্গে। মোদির বায়বীয় গল্প, নাকি মমতার বাস্তবতা? বাংলার মানুষকে ভাতে মারার কৌশল, নাকি তাঁদের মুখে ভাত পৌঁছে দিতে এক নারীর অসম লড়াই। এটাই এবার নিরূপণ করবে ভোটের ভাগ্য! অবশ্য বিজেপিরও আছে নিজস্ব এক বড় মাপের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার! সেখানে হাজার টাকা নয়, জমা হয় বেওসায়িদের হাজার হাজার কোটি টাকা। তার জোরেই বিজেপি নিজেকে সর্বশক্তিমান মনে করছে। সেই টাকার জোরেই যেন দেশের বিরোধী নেতাদের কিনে নেওয়ার ‘মান্ডি’ খুলে বসেছে। কিছুতেই গুরুত্ব দিচ্ছে না গণতন্ত্রে মানুষের শক্তিকে। ভোট কি তবে নতুন দিশা দেখাতে পারবে? বহু মানুষের সঙ্গে কথা বলে দেখেছি তাঁদের কথার মূল সুরই হল, ‘দশ বছরের দশমীতে বেজে উঠুক মোদি বিসর্জনের ঢাক!’  
17th  April, 2024
মহিষের উপর উত্তরাধিকার কর
পি চিদম্বরম

লোকসভা নির্বাচন নিয়ে এই যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে সেখানে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় কোনটি? যুদ্ধের এক পক্ষে নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর কয়েকজন মিত্র আর উল্টো দিক থেকে একটি বহুমুখী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী এবং বিভিন্ন রাজ্যভিত্তিক শক্তিশালী ও স্বাধীন সেনাপতিগণ। বিশদ

মোদিজি, গন্ধটা কিন্তু বেশ সন্দেহজনক!
হিমাংশু সিংহ

কোনও দল, কোনও নেতা কিংবা সংগঠন কখন নির্বাচন চলাকালীন কেঁচে গণ্ডূষ করে ফেলে? বারবার কথা বদলায়? যাকে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছিলেন, তাকেই আবার বুকে টেনে নেন? সহজ উত্তর, পায়ের তলার মাটি টালমাটাল হলে, কিংবা অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় আচমকা বেড়ে গেলে বুকের ধড়ফড়ানি। বিশদ

19th  May, 2024
আরামবাগে বিজেপির ভরসা তৃণমূলের গদ্দাররাই
তন্ময় মল্লিক

আরামবাগ লোকসভা আসনটি দলের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথম নির্বাচনী সভা করেছেন এখানে। শুধু তাই নয়, বেনজিরভাবে একই লোকসভা কেন্দ্রে দু’-দু’বার জনসভা করলেন নরেন্দ্র মোদি। বিশদ

18th  May, 2024
মহিলা-মুসলিম-গরিব: বঙ্গভোটে বড় ফ্যাক্টর
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা কেন ভোট দিই? কেউ ভোট দেয় নিজের পছন্দের দলকে সমর্থন করতে। নিজের পছন্দের দল ক্ষমতাসীন হোক অথবা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে নিজেই সবথেকে বেশি আসন পেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠুক, এটা দেখতে ভালো লাগে। ভাবতে ভালো লাগে। বিশদ

17th  May, 2024
একনায়কের পদধ্বনি!
মৃণালকান্তি দাস

জার্মানির রাজনীতিতে হিটলারের প্রবেশ ১৯১৯ সালে। ওয়াইমার রিপাবলিক-এর নতুন সংবিধানের জন্মও ওই বছরই। গণতান্ত্রিক অধিকারের মাপকাঠিতে এমন জোরদার সংবিধান দুনিয়ায় বিরল, মানবসভ্যতার শিখরে পৌঁছনোর অঙ্গীকার তার ছত্রে ছত্রে।  বিশদ

16th  May, 2024
দড়ি ধরে টান মারাটাও গণতন্ত্রের বড় শক্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

নির্বাচন পর্ব গড়িয়ে গড়িয়ে প্রায় শেষের দিকে এগিয়ে চলেছে। চার পর্বের ভোট শেষে ফলাফলের দিশা অনেকটাই যেন পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। আর দিন কুড়ি পরেই বাস্তব চিত্রটা বোঝা যাবে। কিন্তু এর মধ্যেই সারা দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটা দেখে ‘হীরক রাজার দেশে’র শেষাংশের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। বিশদ

15th  May, 2024
মতুয়াদের নিঃশর্ত নাগরিকত্ব দেবেন না মোদি
গোপাল মিস্ত্রি

আপনি কি মতুয়া? আপনার জন্ম কি ভারতেই? এই বাংলার মটিতে? আপনি এই মাটির জল-হাওয়ায় বড় হয়েছেন? আপনি কি চাকরিজীবী অথবা ব্যবসায়ী, কিংবা কৃষক? ভোট দেন কি? আপনার ভোটেই তো নির্বাচিত দেশজুড়ে মন্ত্রী, এমএলএ, এমপিরা। বিশদ

15th  May, 2024
এক বছরের প্রধানমন্ত্রী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পাওয়ার সেন্টার। হতে পারে বিশেষ কোনও ব্যক্তি, বা একটা কোর গ্রুপ। কোম্পানি চালাতে, পার্টি, রাজ্য কিংবা দেশ... পাওয়ার সেন্টারকে কিছুতেই অস্বীকার করা যায় না। গণতন্ত্রেও না। কারণ, গণতান্ত্রিক সিস্টেমকে ঠিকমতো প্রয়োগ করার জন্যও একজন ব্যান্ড মাস্টার প্রয়োজন। বিশদ

14th  May, 2024
একজন ‘শক্তিশালী’ নেতা মিথ্যা বলবেন কেন?
পি চিদম্বরম

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একজন স্বঘোষিত ‘শক্তিশালী’ নেতা। তিনি প্রায়ই তাঁর ৫৬ ইঞ্চির বুকের ছাতি নিয়ে অহঙ্কার করতেন। তাঁর অনুগামীরা—খান মার্কেট চক্রের নিয়ন্ত্রণ, শহুরে নকশালদের উপড়ে ফেলা, টুকরে-টুকরে গ্যাংকে ধ্বংস করা, পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া, সহযোগী সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজির কার্যত বিলুপ্তি, মূলধারার মিডিয়াকে বশীভূত করা এবং ‘বিশ্বগুরু’ হিসেবে ভারতের কাল্পনিক মর্যাদার দিকে ইঙ্গিত করেন। বিশদ

13th  May, 2024
নিরপেক্ষ রেফারি ছাড়া খেলার মূল্য কী?
জি দেবরাজন

ভারতের সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের অধীনে নির্বাচন কমিশনের ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারাটি কমিশনকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষমতা দেয়। কমিশনের কর্মপদ্ধতি ‘আইনসম্মত’ এবং ‘নিরপেক্ষ’ বলেই বিশ্বাস করা হয়। বিশদ

13th  May, 2024
আক্রমণ ছেড়ে মোদিজি আত্মরক্ষায় কেন?
হিমাংশু সিংহ

ছবিটা একবার ভাবুন। নরেন্দ্র মোদি একক প্রচেষ্টায় গোল করতে পারছেন না, উল্টে নিজের পেনাল্টি বক্সে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত গোল বাঁচাচ্ছেন। গোলকিপার না স্ট্রাইকার ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। অনেক দূরে অমিত শাহ। বাকিদের মেঘ-রোদ্দুরে ঠিক ঠাওরই করা যাচ্ছে না। বিশদ

12th  May, 2024
‘ধর্মগুরু’র কোটি টাকার ফ্ল্যাট, দ্বিধায় মতুয়ারা
তন্ময় মল্লিক

পাশাপাশি দু’টি মন্দির। একটি হরিচাঁদ ঠাকুরের, অন্যটি গুরুচাঁদের। পায়ের চাপে ভেঙে যাওয়া ভক্তদের ছড়ানো বাতাসার গুঁড়ো সরিয়ে গোবরজলে ধোয়া হয়েছে মন্দির চত্বর। তাতে নোংরা গেলেও কটু গন্ধে টেঁকা দায়। ভন ভন করছে মাছি। বিশদ

11th  May, 2024
একনজরে
লোকাল ট্রেনে বিনা টিকিটে সফর করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। প্রযুক্তির যুগে কাউন্টারের দীর্ঘ লাইন এড়িয়ে মোবাইল কিংবা বিকল্প উপায়ে ট্রেনের টিকিট কাটার সুযোগ রয়েছে। ...

বছর দশেক আগে মণিপুরে ফুটবল প্রতিযোগিতায় খেলতে গিয়েছিলেন। মারাত্মক চোট পান বাঁ হাঁটুতে। বহু চিকিৎসাতেও কোনও কাজ হয়নি। ...

বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও এক নার্সকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়েছিলেন। প্রথমে সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু পরে বিয়ের জন্য জোর দিতে থাকেন শালু তিওয়ারি নামে ওই নার্স। ...

কাঁটাতার দিয়েও থামানো যাচ্ছে না। পাচার রুখতে হিলি সীমান্তের একাধিক এলাকায় কাঁটাতারের উপর প্রায় ৩০ ফুট উচ্চতার জাল লাগাল বিএসএফ। পাচারকারীরা কৌশল বদলে হিলি সীমান্তে কাঁটাতারের ওপারে পাচার সামগ্রী  ছুড়ে দেয় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুরুজনের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা ও মানসিক উদ্বেগ। কাজকর্মে বড় কোনও পরিবর্তন নেই। বয়স্কদের স্বাস্থ্য সমস্যা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস
১৪৯৮ - ভাস্কো ডা গামা প্রথম ইউরোপীয়, যিনি আজকের দিনে জলপথে ভারতের কালিকট বন্দরে উপস্থিত হন
১৫০৬- ক্রিস্টোফার কলম্বাসের মৃত্যু
১৬০৯ - শেক্সপিয়ারের সনেট প্রথম প্রকাশিত হয় লন্ডনে। প্রকাশক ছিলেন থমাস থর্প
১৮৫৪ - বিশিষ্ট বাঙালি ব্যবসায়ী,সমাজসেবী ও দানবীর মতিলাল শীলের মৃত্যু
১৮৬৭ - মহারানি ভিক্টোরিয়া আজকের দিনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে রয়াল অ্যালবার্ট হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন
১৯৩২- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপিনচন্দ্র পালের মৃত্যু
১৯৩২ - ইয়ারহার্ট প্রথম মহিলা ‍যিনি একক উড্ডয়নে আটলান্টিক পাড়ি দেন
১৯৪৭ - বিশিষ্ট কবি প্রবন্ধকার ও শিশুসাহিত্যিক প্যারীমোহন সেনগুপ্তর মৃত্যু
১৯৫২ – প্রাক্তন ক্যামেরুনিয়ান ফুটবলার রজার মিল্লার জন্ম
১৯৭৪ - চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৮৩ - এইচআইভি ভাইরাস সম্পর্কে প্রথম প্রকাশিত হয় সায়েন্স ম্যাগাজিনে
১৯৮৬ - বাংলা ভাষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রতিষ্ঠিত
২০১৯ - বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধনের মৃত্যু
২০১৯ -  লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৫৩ টাকা ৮৪.২৭ টাকা
পাউন্ড ১০৪.২৩ টাকা ১০৭.৭১ টাকা
ইউরো ৮৯.২৯ টাকা ৯২.৪৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  May, 2024
পাকা সোনা (১০ গ্রাম)  
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম)  
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম)  
রূপার বাট (প্রতি কেজি)  
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি)  
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, সোমবার, ২০ মে, ২০২৪। দ্বাদশী ২২/৩৩ দিবা ৩/৫৯। চিত্রা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৪/৫৮/২৩, সূর্যাস্ত ৬/৭/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/১ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৩/৩২ গতে ৪/১৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ২/৫১ গতে ৪/৩০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।   
৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, সোমবার, ২০ মে, ২০২৪। দ্বাদশী দিবা ৩/১৭। চিত্রা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৪/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৩/৩০ গতে ৪/১২ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ২/৫২ গতে ৪/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১১ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় কোন রাজ্যে কত শতাংশ ভোট পড়ল
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় আজ, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ৭টি কেন্দ্র সহ ...বিশদ

08:22:49 PM

শ্রীরামপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
ভরসন্ধ্যায় শ্রীরামপুরের পিয়ারাপুর এলাকার একটি স্টকহাউসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। ...বিশদ

07:56:49 PM

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪(পঞ্চম দফা): বিকাল ৫টা পর্যন্ত কোন রাজ্যে কত ভোট পড়ল
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণপর্ব চলছে। আজ, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ৭টি ...বিশদ

06:30:00 PM

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪(পঞ্চম দফা): বিকাল ৫টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে কোথায় কত ভোট
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণপর্ব চলছে। গোটা দেশের একাধিক রাজ্যের ...বিশদ

06:20:00 PM

কল্যাণীর গয়েশপুরে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উপর কেন্দ্রীয়বাহিনীর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ করার অভিযোগ

05:35:00 PM

মোদি আপনাদের উন্নয়নে দিন-রাত কাজ করে: মোদি

04:57:00 PM