Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এক জাতি, এক নির্বাচন: সন্দেহজনক তত্ত্ব
পি চিদম্বরম

ইস্তাহার হল একটি লিখিত ঘোষণা। তাতে থাকে মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি সম্পর্কে কিছু ইচ্ছা এবং মতামত। এই প্রসঙ্গেই মনে আসে ১৭৭৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং ১৯৪৭-এর ১৪-১৫ আগস্ট জওহরলাল নেহরুর সেই বিখ্যাত ‘ভাগ্যদেবতার সঙ্গে অভিসারের সংকল্প’ ভাষণের মতো দৃষ্টান্তগুলি। ১৯৯১ সালের ২৪ জুলাই  ডঃ মনমোহন সিংয়ের এক ভাষণে ভারতের অর্থনীতির দিক বদল ঘটে গিয়েছিল। সেই স্মরণীয় ভাষণে তিনি ভিক্টর হুগোকে উদ্ধৃত করেন, ‘যে চিন্তার সময় উপস্থিত হয়েছে পৃথিবীর কোনও শক্তিই তাকে থামাতে পারবে না।’ এই বিবৃতি বা ভাষণগুলি থেকে নতুন শাসকদের অভিপ্রায় উচ্চস্বরে এবং স্পষ্টভাবে ঘোষিত হয়েছে।
একটি বিবৃতি, সেটির উদ্গাতার আসল উদ্দেশ্যটি গোপনও করতে পারে। জাল মহাপুরুষরা মিথ্যে বিবৃতি দেন। কিছু বিবৃতি নরেন্দ্র মোদিেক তাড়া করে বেড়াচ্ছে। যেমন—‘আমি প্রত্যেক ভারতবাসীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা জমা দেব’, ‘আমি বছরে ২ কোটি নতুন চাকরি সৃষ্টি করব’, ‘কৃষকদের আয় আমি দ্বিগুণ করে ছাড়ব’ প্রভৃতি। এগুলি নির্বাচনী ‘জুমলা’ হিসেবে হাসির খোরাকই হয়ে গিয়েছে। 
ভারতের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল—ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি—জাতীয় দল হিসেবেই গণ্য হয়। বিজেপির ইস্তাহার কমিটি তৈরি হয়েছে ৩০ মার্চ। অন্যদিকে, ৫ এপ্রিল প্রকাশিত হয়েছে কংগ্রেসের ইস্তাহার। এই বিশেষ নিবন্ধে দুটি ইস্তাহারের তুলনা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু হাতে আছে যে কেবল কংগ্রেসের ইস্তাহারটিই! তাই আমি কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্যের তালিকা রাখছি, পাঠক এবং ভোটাররা তার ভিত্তিতে ইস্তাহার দুটির তুলনা করতে পারবেন। 
ভারতের সংবিধান
কংগ্রেস বলেছে, ‘আমরা আবারও বলছি যে, ভারতের সংবিধানই অন্তহীন যাত্রায় আমাদের একমাত্র পথপ্রদর্শক এবং সহচর থাকবে।’ বিজেপি সংবিধান মেনে চলবে না কি তার আমূল সংশোধন করবে, তা জানার জন্য মানুষ উদ্বেগের সঙ্গে অপেক্ষা করছে। এক দেশ, এক নির্বাচন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি),  নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ (এটি সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে) এবং অন্যান্য স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী ও বিভাজন সৃষ্টিকারী ধারণার প্রেক্ষিতেই এই প্রশ্ন উঠেছে। সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত সংসদীয় গণতন্ত্রের ওয়েস্টমিনস্টার নীতিগুলি তারা মেনে চলবে কি না সেটি বিজেপির স্পষ্ট করা উচিত।
আর্থ-সামাজিক ও জাতি গণনা, সংরক্ষণ
কংগ্রেস তার অভিপ্রায় স্পষ্ট করেছে। কংগ্রেসের নেতৃত্বে সরকার তৈরি হলে তারা দেশব্যাপী আর্থ-সামাজিক এবং জাতি গণনা (সোশিও-ইকনমিক অ্যান্ড কাস্ট সেন্সাস) করবে। তারা সংবিধান সংশোধন করবে সংরক্ষণের ৫০ শতাংশের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দেওয়ার জন্য। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির (ইডব্লুএস) জন্য চাকরি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থাটি সমস্ত জাতি এবং সম্প্রদায়ের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
কর্মসংস্থান ও শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য পরিমাপসহ তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কংগ্রেস একটি ডাইভার্সিটি কমিশন তৈরি করবে। মানুষের অধিকারের মতো বৃহত্তর ইস্যুতে, দুটি দলের কে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে? এর জবাবে বিজেপির উচিত তাদের অবস্থানের ধোঁয়াশা কাটিয়ে ফেলা এবং এই বিষয়গুলিতে তাদের উদ্দেশ্য সাফ সাফ জানিয়ে দেওয়া। 
সংখ্যালঘু
ভারতে ধর্মীয় ও ভাষাগত সংখ্যালঘু শ্রেণিরা রয়েছে। কংগ্রেস বলেছে তারা বিশ্বাস করে যে, ভারতের সমস্ত মানুষ সমানাধিকারের ভিত্তিতেই মানবাধিকার উপভোগ করবেন। তার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত তাঁদের নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রেণির আধিপত্যবাদ বা একনায়কত্বের কোনও স্থান নেই। বহুত্ববাদ এবং বৈচিত্র্যই ভারতের সারসত্য। কংগ্রেসের গায়ে ‘তোষণের’ তকমা সেঁটে দিয়েছে বিজেপি—এটি তাদের সুপরিচিত সংখ্যালঘু শ্রেণি বিরোধী অবস্থানের জন্য একটি সাংকেতিক শব্দ। বিজেপি কি সিএএ কার্যকর এবং ইউসিসি পাস করার ব্যাপারে তাদের সংকল্পটি ফের একবার জোরের সঙ্গে জানাবে? যেহেতু ধর্মীয় সংখ্যালঘু শ্রেণিগুলি এই আইন দুটিকে বৈষম্যমূলক বলে মনে করে, তাই তারা বিজেপির ইস্তাহার প্রকাশের জন্য উদ্বেগসহকারে অপেক্ষা করছে।
যুব ও চাকরি
জনসংখ্যার জন্য ভারতের যে সুবিধাগুলি ছিল তা ক্রমে হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। সন্তোষজনক গড়ের চেয়ে নিম্ন বৃদ্ধির হার (৫.৯ শতাংশ), ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের (জিডিপির ১৪ শতাংশ) থম মেরে থাকার পরিস্থিতি, কাজে শ্রমশক্তির অংশগ্রহণের নিম্ন হার (৫০ শতাংশ) এবং ব্যাপক বেকারত্ব ( স্নাতকদের মধ্যে ৪২ শতাংশ) এজন্য দায়ী। কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে যে ৩০ লক্ষ শূন্যপদ রয়েছে সেগুলি পূরণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কংগ্রেস। তারা আরও কথা দিয়েছে—(১) শিক্ষানবিশ অধিকার আইন (রাইট টু অ্যাপ্রেনটিসশিপ অ্যাক্ট) তৈরি করবে। (২) কর্পোরেটদের জন্য একটি কর্মসংস্থান-সংযুক্ত প্রণোদনা প্রকল্প (এমপ্লয়মেন্ট-লিঙ্কড ইনসেনিটভ স্কিম বা ইএলআই) রূপায়ণ করবে, তার মাধ্যমে সৃষ্টি হবে নতুন চাকরির বিরাট সুযোগ। (৩) মূলধন জোগানোর মাধ্যমে, স্টার্ট-আপ সংস্থাগুলিকে প্রোমোট করার জন্য একটি ফান্ড স্কিমও নেবে কংগ্রেস সরকার। এগুলি তরুণদের মধ্যে শুরুতেই সাড়া ফেলে দিয়েছে। যুবক-যুবতীদের চাকরির ব্যবস্থা করার জন্য বিজেপি-এনডিএ সরকারের কোনও বিশ্বাসযোগ্য পরিকল্পনা ছিল না। অতএব এখানেই প্রশ্ন রাখতে চাই, একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে বিজেপি আরও আকর্ষণীয় কোনও পরিকল্পনা সামনে রাখতে পারবে কি না।
মহিলা
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় মহিলারা অংশগ্রহণ করেন সবচেয়ে বেশি উৎসাহ নিয়ে। তাঁরা প্রচারের ভাষণগুলি শোনেন এবং সেসব নিয়ে নিজেদের মধ্যে তর্ক-বিতর্কে লিপ্ত হন। যতটুকু কানে আসছে বা দেখা যাচ্ছে, তা থেকে মনে হয়—কংগ্রেসের মহালক্ষ্মী প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি (প্রতিটি গরিব পরিবারকে প্রতি বছর ১ লক্ষ টাকা অনুদান), মনরেগায় শ্রমিকের  দৈনিক মজুরি বাড়িয়ে ৪০০ টাকা, মহিলা ব্যাঙ্কের পুনরুজ্জীবন এবং কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি নিয়ে মহিলারা, এমনকী কম বয়সি মেয়েরাও বেশ উচ্ছ্বসিত। অন্যদিকে, বিজেপি তাদের ধর্মীয় (হিন্দুত্ব) আবেগের রাজনীতির বাইরে বেরিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে আসবে কি না, তা এখনও জানা যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা
সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হল বিজেপির স্বৈরাচার। যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা এবং ‘ভারত হল রাজ্যগুলির একটি ইউনিয়ন’ এই যে সাংবিধানিক ঘোষণা—তাকে ধ্বংস করে দিয়েছে বিজেপি। তাদের এক জাতি, এক নির্বাচনের তত্ত্ব ভীষণ সন্দেহজনক। এই তত্ত্ব—এক জাতি, এক নির্বাচন, এক সরকার, এক দল ও এক নেতার পথ প্রশস্ত করবে। কংগ্রেসের ইস্তাহারে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার একটি অধ্যায়ের উপর ১২টি পয়েন্ট রয়েছে। বিজেপি কি এগুলির কোনও একটিরও বিষয়ে সহমত হতে পেরেছে? সবচেয়ে সুদূরপ্রসারী প্রতিশ্রুতি হল—আইন তৈরির কিছু ক্ষেত্রকে যৌথ তালিকা থেকে রাজ্যের তালিকায় স্থানান্তর করার ব্যাপারে ঐকমত্য স্থাপন। এই ১২টি পয়েন্টের ভিত্তিতে এবার বিজেপির বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষা হবে। 
যেসব বিষয় নিয়ে আমি ভাবিত, সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল—সংবিধান, সংসদীয় গণতন্ত্র, মানবাধিকার, স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা এবং সাংবিধানিক নৈতিকতার প্রশ্নে যুযুধান দলগুলির প্রতিশ্রুতি। আমার ভোট সেই প্রার্থীরই পক্ষে থাকবে যিনি বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে এই নীতিগুলিকে সমর্থন করবেন এবং সেগুলির পালনে যত্নবান হবেন। 
• লেখক সাংসদ ও ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত
15th  April, 2024
মহিষের উপর উত্তরাধিকার কর
পি চিদম্বরম

লোকসভা নির্বাচন নিয়ে এই যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে সেখানে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় কোনটি? যুদ্ধের এক পক্ষে নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর কয়েকজন মিত্র আর উল্টো দিক থেকে একটি বহুমুখী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী এবং বিভিন্ন রাজ্যভিত্তিক শক্তিশালী ও স্বাধীন সেনাপতিগণ। বিশদ

মোদিজি, গন্ধটা কিন্তু বেশ সন্দেহজনক!
হিমাংশু সিংহ

কোনও দল, কোনও নেতা কিংবা সংগঠন কখন নির্বাচন চলাকালীন কেঁচে গণ্ডূষ করে ফেলে? বারবার কথা বদলায়? যাকে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছিলেন, তাকেই আবার বুকে টেনে নেন? সহজ উত্তর, পায়ের তলার মাটি টালমাটাল হলে, কিংবা অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় আচমকা বেড়ে গেলে বুকের ধড়ফড়ানি। বিশদ

19th  May, 2024
আরামবাগে বিজেপির ভরসা তৃণমূলের গদ্দাররাই
তন্ময় মল্লিক

আরামবাগ লোকসভা আসনটি দলের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথম নির্বাচনী সভা করেছেন এখানে। শুধু তাই নয়, বেনজিরভাবে একই লোকসভা কেন্দ্রে দু’-দু’বার জনসভা করলেন নরেন্দ্র মোদি। বিশদ

18th  May, 2024
মহিলা-মুসলিম-গরিব: বঙ্গভোটে বড় ফ্যাক্টর
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা কেন ভোট দিই? কেউ ভোট দেয় নিজের পছন্দের দলকে সমর্থন করতে। নিজের পছন্দের দল ক্ষমতাসীন হোক অথবা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে নিজেই সবথেকে বেশি আসন পেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠুক, এটা দেখতে ভালো লাগে। ভাবতে ভালো লাগে। বিশদ

17th  May, 2024
একনায়কের পদধ্বনি!
মৃণালকান্তি দাস

জার্মানির রাজনীতিতে হিটলারের প্রবেশ ১৯১৯ সালে। ওয়াইমার রিপাবলিক-এর নতুন সংবিধানের জন্মও ওই বছরই। গণতান্ত্রিক অধিকারের মাপকাঠিতে এমন জোরদার সংবিধান দুনিয়ায় বিরল, মানবসভ্যতার শিখরে পৌঁছনোর অঙ্গীকার তার ছত্রে ছত্রে।  বিশদ

16th  May, 2024
দড়ি ধরে টান মারাটাও গণতন্ত্রের বড় শক্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

নির্বাচন পর্ব গড়িয়ে গড়িয়ে প্রায় শেষের দিকে এগিয়ে চলেছে। চার পর্বের ভোট শেষে ফলাফলের দিশা অনেকটাই যেন পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। আর দিন কুড়ি পরেই বাস্তব চিত্রটা বোঝা যাবে। কিন্তু এর মধ্যেই সারা দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটা দেখে ‘হীরক রাজার দেশে’র শেষাংশের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। বিশদ

15th  May, 2024
মতুয়াদের নিঃশর্ত নাগরিকত্ব দেবেন না মোদি
গোপাল মিস্ত্রি

আপনি কি মতুয়া? আপনার জন্ম কি ভারতেই? এই বাংলার মটিতে? আপনি এই মাটির জল-হাওয়ায় বড় হয়েছেন? আপনি কি চাকরিজীবী অথবা ব্যবসায়ী, কিংবা কৃষক? ভোট দেন কি? আপনার ভোটেই তো নির্বাচিত দেশজুড়ে মন্ত্রী, এমএলএ, এমপিরা। বিশদ

15th  May, 2024
এক বছরের প্রধানমন্ত্রী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পাওয়ার সেন্টার। হতে পারে বিশেষ কোনও ব্যক্তি, বা একটা কোর গ্রুপ। কোম্পানি চালাতে, পার্টি, রাজ্য কিংবা দেশ... পাওয়ার সেন্টারকে কিছুতেই অস্বীকার করা যায় না। গণতন্ত্রেও না। কারণ, গণতান্ত্রিক সিস্টেমকে ঠিকমতো প্রয়োগ করার জন্যও একজন ব্যান্ড মাস্টার প্রয়োজন। বিশদ

14th  May, 2024
একজন ‘শক্তিশালী’ নেতা মিথ্যা বলবেন কেন?
পি চিদম্বরম

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একজন স্বঘোষিত ‘শক্তিশালী’ নেতা। তিনি প্রায়ই তাঁর ৫৬ ইঞ্চির বুকের ছাতি নিয়ে অহঙ্কার করতেন। তাঁর অনুগামীরা—খান মার্কেট চক্রের নিয়ন্ত্রণ, শহুরে নকশালদের উপড়ে ফেলা, টুকরে-টুকরে গ্যাংকে ধ্বংস করা, পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া, সহযোগী সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজির কার্যত বিলুপ্তি, মূলধারার মিডিয়াকে বশীভূত করা এবং ‘বিশ্বগুরু’ হিসেবে ভারতের কাল্পনিক মর্যাদার দিকে ইঙ্গিত করেন। বিশদ

13th  May, 2024
নিরপেক্ষ রেফারি ছাড়া খেলার মূল্য কী?
জি দেবরাজন

ভারতের সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের অধীনে নির্বাচন কমিশনের ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারাটি কমিশনকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষমতা দেয়। কমিশনের কর্মপদ্ধতি ‘আইনসম্মত’ এবং ‘নিরপেক্ষ’ বলেই বিশ্বাস করা হয়। বিশদ

13th  May, 2024
আক্রমণ ছেড়ে মোদিজি আত্মরক্ষায় কেন?
হিমাংশু সিংহ

ছবিটা একবার ভাবুন। নরেন্দ্র মোদি একক প্রচেষ্টায় গোল করতে পারছেন না, উল্টে নিজের পেনাল্টি বক্সে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত গোল বাঁচাচ্ছেন। গোলকিপার না স্ট্রাইকার ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। অনেক দূরে অমিত শাহ। বাকিদের মেঘ-রোদ্দুরে ঠিক ঠাওরই করা যাচ্ছে না। বিশদ

12th  May, 2024
‘ধর্মগুরু’র কোটি টাকার ফ্ল্যাট, দ্বিধায় মতুয়ারা
তন্ময় মল্লিক

পাশাপাশি দু’টি মন্দির। একটি হরিচাঁদ ঠাকুরের, অন্যটি গুরুচাঁদের। পায়ের চাপে ভেঙে যাওয়া ভক্তদের ছড়ানো বাতাসার গুঁড়ো সরিয়ে গোবরজলে ধোয়া হয়েছে মন্দির চত্বর। তাতে নোংরা গেলেও কটু গন্ধে টেঁকা দায়। ভন ভন করছে মাছি। বিশদ

11th  May, 2024
একনজরে
বছর দশেক আগে মণিপুরে ফুটবল প্রতিযোগিতায় খেলতে গিয়েছিলেন। মারাত্মক চোট পান বাঁ হাঁটুতে। বহু চিকিৎসাতেও কোনও কাজ হয়নি। ...

মাটির উনুনের উপর বসানো হাঁড়িতে ফুটছে ধানের কুড়া, সঙ্গে শাকসব্জি। তৈরি হচ্ছে গোরুর খাবার। গৃহকর্ত্রী ঝুমা কিস্কু হাঁড়ির ঢাকনা সরিয়ে একবার দেখে নিলেন, কতটা ফুটেছে। ...

বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও এক নার্সকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়েছিলেন। প্রথমে সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু পরে বিয়ের জন্য জোর দিতে থাকেন শালু তিওয়ারি নামে ওই নার্স। ...

লোকাল ট্রেনে বিনা টিকিটে সফর করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। প্রযুক্তির যুগে কাউন্টারের দীর্ঘ লাইন এড়িয়ে মোবাইল কিংবা বিকল্প উপায়ে ট্রেনের টিকিট কাটার সুযোগ রয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুরুজনের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা ও মানসিক উদ্বেগ। কাজকর্মে বড় কোনও পরিবর্তন নেই। বয়স্কদের স্বাস্থ্য সমস্যা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস
১৪৯৮ - ভাস্কো ডা গামা প্রথম ইউরোপীয়, যিনি আজকের দিনে জলপথে ভারতের কালিকট বন্দরে উপস্থিত হন
১৫০৬- ক্রিস্টোফার কলম্বাসের মৃত্যু
১৬০৯ - শেক্সপিয়ারের সনেট প্রথম প্রকাশিত হয় লন্ডনে। প্রকাশক ছিলেন থমাস থর্প
১৮৫৪ - বিশিষ্ট বাঙালি ব্যবসায়ী,সমাজসেবী ও দানবীর মতিলাল শীলের মৃত্যু
১৮৬৭ - মহারানি ভিক্টোরিয়া আজকের দিনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে রয়াল অ্যালবার্ট হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন
১৯৩২- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপিনচন্দ্র পালের মৃত্যু
১৯৩২ - ইয়ারহার্ট প্রথম মহিলা ‍যিনি একক উড্ডয়নে আটলান্টিক পাড়ি দেন
১৯৪৭ - বিশিষ্ট কবি প্রবন্ধকার ও শিশুসাহিত্যিক প্যারীমোহন সেনগুপ্তর মৃত্যু
১৯৫২ – প্রাক্তন ক্যামেরুনিয়ান ফুটবলার রজার মিল্লার জন্ম
১৯৭৪ - চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৮৩ - এইচআইভি ভাইরাস সম্পর্কে প্রথম প্রকাশিত হয় সায়েন্স ম্যাগাজিনে
১৯৮৬ - বাংলা ভাষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রতিষ্ঠিত
২০১৯ - বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধনের মৃত্যু
২০১৯ -  লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৫৩ টাকা ৮৪.২৭ টাকা
পাউন্ড ১০৪.২৩ টাকা ১০৭.৭১ টাকা
ইউরো ৮৯.২৯ টাকা ৯২.৪৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  May, 2024
পাকা সোনা (১০ গ্রাম)  
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম)  
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম)  
রূপার বাট (প্রতি কেজি)  
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি)  
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, সোমবার, ২০ মে, ২০২৪। দ্বাদশী ২২/৩৩ দিবা ৩/৫৯। চিত্রা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৪/৫৮/২৩, সূর্যাস্ত ৬/৭/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/১ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৩/৩২ গতে ৪/১৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ২/৫১ গতে ৪/৩০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।   
৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, সোমবার, ২০ মে, ২০২৪। দ্বাদশী দিবা ৩/১৭। চিত্রা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৪/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৩/৩০ গতে ৪/১২ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ২/৫২ গতে ৪/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১১ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় কোন রাজ্যে কত শতাংশ ভোট পড়ল
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় আজ, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ৭টি কেন্দ্র সহ ...বিশদ

08:22:49 PM

শ্রীরামপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
ভরসন্ধ্যায় শ্রীরামপুরের পিয়ারাপুর এলাকার একটি স্টকহাউসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। ...বিশদ

07:56:49 PM

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪(পঞ্চম দফা): বিকাল ৫টা পর্যন্ত কোন রাজ্যে কত ভোট পড়ল
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণপর্ব চলছে। আজ, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ৭টি ...বিশদ

06:30:00 PM

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪(পঞ্চম দফা): বিকাল ৫টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে কোথায় কত ভোট
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণপর্ব চলছে। গোটা দেশের একাধিক রাজ্যের ...বিশদ

06:20:00 PM

কল্যাণীর গয়েশপুরে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উপর কেন্দ্রীয়বাহিনীর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ করার অভিযোগ

05:35:00 PM

মোদি আপনাদের উন্নয়নে দিন-রাত কাজ করে: মোদি

04:57:00 PM