Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

৪০০ নামুমকিন, তবু মরিয়া ‘গোয়েবলস’
হিমাংশু সিংহ

নির্বাচন কত বড় ‘মাইন্ড গেম’ তার অকাট্য প্রমাণ এবারের লড়াই। নরেন্দ্র মোদি জানেন, কোনও অঙ্কেই ৪০০ আসন জেতা সম্ভব নয়। দক্ষিণ ভারত না সাথ দিলে ৩০০ অতিক্রম করাও কঠিন। উত্তর ভারতে দু’-চারটে রাজ্যে হিসেব না মিললে ২০০-র আগেই কিংবা সামান্য ওপরে থমকে যেতে পারে বিজেপির রথ। এমন আশঙ্কাও আছে, ২০ বছর আগে বাজপেয়ি সরকারের ‘শাইনিং ইন্ডিয়া’র মর্মান্তিক পরিণতির মতো বিসর্জনের বাজনা না বেজে ওঠে ৪ জুন ফল ঘোষণার দ্বিপ্রহরে। তবু সব জেনেও সকাল বিকেল এক ডজন কিংবা তারও বেশিবার একই স্লোগান তুলছেন প্রধানমন্ত্রী। ‘আব কি বার ৪০০ পার’। সজ্ঞানে সচেতনভাবে বুক চিতিয়ে। ৭৩ বছর বয়সের অদম্য জীবনীশক্তিতে ভর করে বিরোধীদের ফিনিশ করার নেশায়। উপস্থিত জনতাকেও ওই শব্দবন্ধের জাদুতে উদ্বেলিত করার চেষ্টা চলছে ষোলো আনার উপর আঠারো আনা। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, আমরা কি ‘মহামান্য’ হিটলার ও তাঁর প্রোপাগান্ডা মন্ত্রী গোয়েবলসের গন্ধ পাচ্ছি এই উচ্চকিত প্রচারে? বার বার অলীক স্বপ্নের জাল বুনে বিরোধীদের মনোবল ভেঙে দেওয়া এবং শেষে মিথ্যেকে আপাত সত্যিতে বদলে প্রতিপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করাই এই কৌশলের মূল কথা। সঙ্গে ফাউ মেরুকরণ। যাতে বিপক্ষের নিশ্চিত জয়ী প্রার্থীও ভয়ে নতজানু হতে বাধ্য হন রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর আগেই!
বেকারত্ব থেকে মুক্তি নয়। মূল্যবৃদ্ধির আঁচ 
এড়িয়ে পরিত্রাণের শপথ নয়। কাজ নয়, কারখানা নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য নয় গরিবের জন্য কোনও সুনির্দিষ্ট আর্থিক আশ্বাসও নয়, শ্রমিক, কৃষকের দাবি পূরণ নয়, শুধু এআইয়ের (আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স) প্রসার, সঙ্গে ডিজিটাল উন্নয়নের শুকনো গ্যারান্টি ফেরি করে যাচ্ছেন সকাল বিকেল। কে না জানে, এআইয়ের দৌলতে আগামীতে চাকরির সুযোগ আরও কমবে। আইটি সেক্টর অচিরেই ধসে যাবে। চাকরি গেলে স্টার্ট আপ খুলে সফল হতে পারেন ক’জন? বেকারের কত শতাংশ? 
তবে দেশবাসী এখন গেরুয়া বাহিনীর সৌজন্যে নেশার ঘোরে। আর নেশাড়ুকে বাস্তবের কথা মনে করালে একটাই অভিব্যক্তি বেরিয়ে আসে, সব চুলোয় যাক! সেই মৌতাতেই গেরুয়া নেতারা মশগুল শুধু দেদার দল ভাঙানোয়। প্রচারে প্রতিদিন রুটিন করে দেশের উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম হাওয়াই জাহাজে চেপে তাঁর মৃগয়া অভিযানে আর কোনও ইস্যু নেই, ইস্যুও সীমিত। এক চামচ পরিবারবাদ। এক চামচ কংগ্রেসকে খতম করার আস্ফালন। বিরোধীদের দুর্নীতি নিয়ে ইডি-সিবিআইয়ের চোর-পুলিস খেলা। মন্দির ও ধর্ম নামক আফিমের মিশেল এবং ব্যাগ ভর্তি গ্যারান্টির ক্লান্তিহীন পরিবেশন! সবশেষে ‘আব কি বার ৪০০ পার’! ক্লিশে শব্দবন্ধের একঘেয়ে পুনরাবৃত্তি। ব্যস মঞ্চ থেকে নেমে ধুলো উড়িয়ে অন্য কোনও রাজ্যে উড়ে যাওয়া। আবার একই স্বপ্ন ফেরি। প্রতিশ্রুতির ওই ফানুসে গরিবের পেট ভরবে তো? না সমাজে বৈষম্যই আরও প্রকট হবে বিশ্বগুরুর জি ২০-র আকাশছোঁয়া সাফল্য আর চাঁদের মাটি ছোঁয়ার অতুল কীর্তি গায়ে মেখে।
একটা জিনিস স্পষ্ট, তিনি গরিবের ঘর থেকে উঠে এসে সযত্নে গরিবকেই আঘাত করছেন। তবে তাঁর প্রোপাগান্ডা মেশিনারিকে সপ্তমে নিয়ে যাওয়ার মরিয়া প্রয়াস চালালেও বাস্তবের দেওয়াল লিখনটাও বুঝতে পারছেন হাড়ে হাড়ে। সময় যত এগচ্ছে সেই দুশ্চিন্তা থেকেই আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন। তিনি বিলক্ষণ জানেন, দক্ষিণ ভারতের ১৩০টি আসনের মধ্যে মাত্র কয়েকটিতে পদ্ম ফুটিয়ে ৪০০ কেন, ২৫০ আসন জেতাও বিরাট ঝক্কির কাজ। ৬ বার কেন আরও ৬০ বার গেলেও তামিলনাড়ু ও কেরলে বিজেপির পদ্ম ফোটানো এবারও নামুমকিন। 
ভারতীয় নির্বাচনের ইতিহাস যদি ফিরে দেখি তাহলে হালে মাত্র একবারই কোনও দল ৪০০ অতিক্রম করতে পেরেছিল। সালটা ছিল ১৯৮৪। আজ থেকে ৪০ বছর আগে। নিজের বাড়িতে রক্ষীর হাতে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী খুন হওয়ার তিনমাসের মধ্যে অষ্টম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সেবার। রাষ্ট্রনেত্রীর মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে গোটা দেশে শোকের দাবানল। সরকার, বিরোধী কেউ সেই ভয়ঙ্কর অভিঘাত এড়াতে পারেননি। নেহরু-কন্যার মর্মান্তিক পরিণতির ধাক্কায় দু’চোখ বেয়ে নেমে আসা অশ্রুসজল আবেগই জনসমর্থনের সুনামিতে বদলে জাতীয় কংগ্রেসকে চারশো আসনের ম্যাজিক ফিগার পার করেছিল। সেবার সারা দেশের সঙ্গে পাঞ্জাব ও অসমে ভোট হয়নি। ওই দুই রাজ্য বাদে প্রথম দফাতেই জাতীয় কংগ্রেস পায় ৪০৪টি আসন। পরে একবছর বাদে বাকি দুই রাজ্যে ভোট হলে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৪১৪-তে। তামিলনাড়ুতে সেবার কংগ্রেস পেয়েছিল ৩৯ আসনের মধ্যে ৩৭টি। কেরলে ২০টির মধ্যে ১৮টি। কর্ণাটকে ২৮টি আসনের মধ্যে ২৬টি। অর্থাৎ শুধু দক্ষিণ ভারত থেকেই তারা ৮১টিরও বেশি আসনে জেতে। একমাত্র অন্ধ্রে তেলুগু দেশম ছাড়া আর কোথাও কোনও বিরোধী শক্তি দাঁত ফোটাতে পারেনি সেবার। 
অথচ বিগত ২০১৯ সালে যেবার বিজেপি ৩০৩ আসন জিতে ক্ষমতায় আসে সেবারও দক্ষিণ ভারতে তারা ১৩০টির মধ্যে ৩০টির বেশি আসন পায়নি। ওই ৩০টি আসনের মধ্যে শুধু কর্ণাটক থেকেই এসেছিল ২৫টি। ৪টি আসে তেলেঙ্গানা থেকে। তামিলনাড়ু ও কেরল থেকে প্রাপ্তি ছিল শূন্য। এবারও তামিলনাড়ু ও কেরলে শূন্যের কলঙ্ক মেটানো সম্ভব হবে কি? তেলেঙ্গানায় এখন শাসন ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে। সেখানে বিজেপির ৪টি আসন জেতাও কঠিন। নতুন ঝাঁ চকচকে সংসদের গৃহপ্রবেশে তামিল ঐতিহ্য মেনে সেঙ্গল স্থাপন, গত ২২ জানুয়ারি ঐতিহাসিক রামমন্দির উদ্বোধনের আগে তামিলনাড়ুর একের পর এক মন্দিরে সপ্তাহব্যাপী প্রধানমন্ত্রীর পুজোঅর্চনা, সবই আঞ্চলিক ভাবাবেগকে উস্কে দেওয়ারই মরিয়া চেষ্টার নামান্তর। নতুন বছরে তিনি বারবার তামিলনাড়ু ও কেরল গিয়েছেন উত্তর ভারতের কোনও রাজ্যে আসন কমে গেলে তা ক্ষতিপূরণ করার তাগিদেই। এজন্য কোয়েম্বাটোরে রোড শো পর্যন্ত করতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে।
তবু এতকিছু করেও কপালে চিন্তার ভাঁজ কিন্তু ঢাকতে পারছেন না নরেন্দ্র মোদি। উদ্বেগের কারণ বিহার, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক, অন্ধ্র, কেরল, তামিলনাড়ু এবং অবশ্যই উত্তরপ্রদেশ। ইন্দিরার মৃত্যুর পর ভোটে কংগ্রেস সবচেয়ে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ উত্তরপ্রদেশে ৮৫টির মধ্যে ৮৩ আসনে জয়ী হয়েছিল। এখন উত্তরপ্রদেশে মোট আসন সংখ্যা কমে ৮০। ৬৫ আসন মিলবে তো বিজেপির! আরও দু’তিনটি বড় রাজ্য যেমন বিহার ও মহারাষ্ট্রের রাজনীতি এবার জটিল চেহারা নিয়েছে। মহারাষ্ট্রে গতবারের মতো ৪৮-এর মধ্যে ৪১ আসন জেতা কিংবা বিহারে ৪০-এর মধ্যে ৩৯ জেতা প্রায় অসম্ভব। দু’রাজ্যেই সিট কমতে বাধ্য। পাঞ্জাব এবারও বিজেপির উপর সদয় হবে বলে মনে হয় না। তেলেঙ্গানা একমাত্র রাজ্য যেখানে কংগ্রেস সুবিধাজনক অবস্থায়। কর্ণাটকে বিজেপির পক্ষে গতবারের মতো ২৫ আসন জেতা সম্ভব হবে না। আসন কমবেই। সিএএ’র প্রভাবে অসমে বিজেপির আসন ক’টা কমে তাও ভোট পণ্ডিতদের গবেষণার বিষয়। অন্ধ্রের রাজনীতি বিজেপির পক্ষে, একথা কোনও পাগলেও বলবে না। কেরল ও তামিলনাড়ুতে শূন্যেই থামতে হতে পারে আবার। 
সবচেয়ে বিস্ময়কর, পশ্চিমবঙ্গে অমিত শাহ নিজেই টার্গেট কমাচ্ছেন, ৩৫ থেকে ৩০ করেছেন নিজেই। টার্গেট কমতে কমতে আবার ২৫-এ। এখনও সব আসনে প্রার্থীই দিতে পারেনি বিজেপি। একের পর এক জেলায় প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষ চরমে। 
একেই সংগঠন তলানিতে তার উপর প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভের আগুনে প্রচার বহু জায়গায় থমকে 
যাচ্ছে। অর্ধেক জেলায় বুথওয়াড়ি সংগঠন নেই। তাই বাংলায় গতবারের জেতা আসনও হাতছাড়া হওয়ার ভয় চেপে বসছে ক্রমাগত। কমতে কমতে তা কোথায় দাঁড়ায়, দু’অঙ্কের আগেই থেমে যায় কি না তা জানা যাবে ৪ জুন, তার আগে শুধু টিভির পর্দাজুড়ে আলোচনা আর আলোচনা!
তবু মোদিজি জেতেন কিংবা জেতার কথা সদর্পে বলেন, কারণ তিনি স্বপ্ন বুনতে এবং সেই খোয়াবে দেশবাসীকে বুঁদ করে দিতে জানেন। নতুন নতুন অলীক টার্গেট। একটার পর একটা। কখনও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম আর্থিক শক্তি হওয়ার ঘোর। আবার কখনও রামমন্দির নির্মাণের স্বপ্ন সাকার করার দু’শো কৃতিত্ব। ৫০০ বছর পর নাকি ঘর পেলেন রাম, যা দেখেই ছুটছে ভক্তিতে গদগদ দেশবাসী। এখন আবার রামের নিজের বাড়িতে রামনবমী পালনের বর্ণাঢ্য পার্বণ পালনের অপেক্ষা, প্রথম দফার ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে। ষোলো সালে ছিল কালো টাকার লেনদেন বন্ধের হুঙ্কার, যা উপহার দিয়েছিল নোট বাতিলের ফ্লপ শো। মানুষের দুর্দশা ছাড়া বিনিময়ে আর কিচ্ছু মেলেনি। সময় যায়, স্বপ্ন বদলায়। কারণ ভোটে চাই নতুন হুজুগ। কৃষকের আয় কতগুণ হল, কে খবর রাখে আজ? বছরে দু’কোটি চাকরি হল কি না, গরিবের খাতায় টাকা ঢুকল কি না, কারও মনে নেই। হিসেব বুঝে নেওয়ার সময়ও নেই। ক্ষোভ আছে, অসন্তোষ তীব্র তবে তাকে চাপা দিতে নতুন মনোহারি আকাশকুসুম স্বপ্নও এসে গিয়েছে বাজারে। পুরনোটা হারিয়ে গিয়েছে আস্তাকুঁড়ে। গেরুয়া অভিযানে এবার হিন্দুরাষ্ট্রের অঙ্গীকার। সঙ্গে ‘ওয়ান নেশন ওয়ান ভোট’। ‘ইউনিফর্ম সিভিল কোড’। আর বিরোধীদের বেছেবেছে গারদে ভরার বর্ণময় প্রস্তুতি। তাঁর নয়া স্বপ্নকে সবাই ছুঁতে পারবেন না, সাকার হতেও দেখবেন না। অনেকেই কালের নিয়মে অতীত হয়ে যাবেন। এখন তাঁর লক্ষ্য ২০৪৭। ২৪×৭ ফর ২০৪৭। আজ যাঁরা ভোট দেবেন তাঁদের মধ্যে প্রবীণরা অনেকেই ওই পর্যন্ত বেঁচেই থাকবেন না। গোলপোস্টটা ২৩ বছর দূরে ওই কারণেই। 
তবু প্রার্থনা করি, ভারত সমৃদ্ধ হোক, প্রথম তিনটি দেশের তালিকায় স্থান পাক। শুধু এই ভোট বৈতরণী পার করার জন্য নয়, প্রকৃত অর্থেই। ৪ জুন ফল বেরলেই যেন স্বপ্ন ফেরি শেষ হয়ে না যায়। নতুন সরকারের শপথ নিয়ে মন্ত্রীসান্ত্রিরা প্রচারের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার যেন পাঁচবছরের জন্য না ভুলে যান। স্বপ্ন সাকার করতে যেন তাঁরা প্রাণপাত করেন। 
ইতিহাস কিন্তু কোনওদিনই গোয়েবলসদের ক্ষমা করে না। মিথ্যে অভিনয়ও না-পসন্দ। নাটক ছেড়ে সবাই বাস্তবের মাটিতে আসুন, গরিবের পাশে দাঁড়ান।
14th  April, 2024
মহিষের উপর উত্তরাধিকার কর
পি চিদম্বরম

লোকসভা নির্বাচন নিয়ে এই যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে সেখানে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় কোনটি? যুদ্ধের এক পক্ষে নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর কয়েকজন মিত্র আর উল্টো দিক থেকে একটি বহুমুখী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী এবং বিভিন্ন রাজ্যভিত্তিক শক্তিশালী ও স্বাধীন সেনাপতিগণ। বিশদ

মোদিজি, গন্ধটা কিন্তু বেশ সন্দেহজনক!
হিমাংশু সিংহ

কোনও দল, কোনও নেতা কিংবা সংগঠন কখন নির্বাচন চলাকালীন কেঁচে গণ্ডূষ করে ফেলে? বারবার কথা বদলায়? যাকে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছিলেন, তাকেই আবার বুকে টেনে নেন? সহজ উত্তর, পায়ের তলার মাটি টালমাটাল হলে, কিংবা অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় আচমকা বেড়ে গেলে বুকের ধড়ফড়ানি। বিশদ

19th  May, 2024
আরামবাগে বিজেপির ভরসা তৃণমূলের গদ্দাররাই
তন্ময় মল্লিক

আরামবাগ লোকসভা আসনটি দলের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথম নির্বাচনী সভা করেছেন এখানে। শুধু তাই নয়, বেনজিরভাবে একই লোকসভা কেন্দ্রে দু’-দু’বার জনসভা করলেন নরেন্দ্র মোদি। বিশদ

18th  May, 2024
মহিলা-মুসলিম-গরিব: বঙ্গভোটে বড় ফ্যাক্টর
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা কেন ভোট দিই? কেউ ভোট দেয় নিজের পছন্দের দলকে সমর্থন করতে। নিজের পছন্দের দল ক্ষমতাসীন হোক অথবা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে নিজেই সবথেকে বেশি আসন পেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠুক, এটা দেখতে ভালো লাগে। ভাবতে ভালো লাগে। বিশদ

17th  May, 2024
একনায়কের পদধ্বনি!
মৃণালকান্তি দাস

জার্মানির রাজনীতিতে হিটলারের প্রবেশ ১৯১৯ সালে। ওয়াইমার রিপাবলিক-এর নতুন সংবিধানের জন্মও ওই বছরই। গণতান্ত্রিক অধিকারের মাপকাঠিতে এমন জোরদার সংবিধান দুনিয়ায় বিরল, মানবসভ্যতার শিখরে পৌঁছনোর অঙ্গীকার তার ছত্রে ছত্রে।  বিশদ

16th  May, 2024
দড়ি ধরে টান মারাটাও গণতন্ত্রের বড় শক্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

নির্বাচন পর্ব গড়িয়ে গড়িয়ে প্রায় শেষের দিকে এগিয়ে চলেছে। চার পর্বের ভোট শেষে ফলাফলের দিশা অনেকটাই যেন পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। আর দিন কুড়ি পরেই বাস্তব চিত্রটা বোঝা যাবে। কিন্তু এর মধ্যেই সারা দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটা দেখে ‘হীরক রাজার দেশে’র শেষাংশের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। বিশদ

15th  May, 2024
মতুয়াদের নিঃশর্ত নাগরিকত্ব দেবেন না মোদি
গোপাল মিস্ত্রি

আপনি কি মতুয়া? আপনার জন্ম কি ভারতেই? এই বাংলার মটিতে? আপনি এই মাটির জল-হাওয়ায় বড় হয়েছেন? আপনি কি চাকরিজীবী অথবা ব্যবসায়ী, কিংবা কৃষক? ভোট দেন কি? আপনার ভোটেই তো নির্বাচিত দেশজুড়ে মন্ত্রী, এমএলএ, এমপিরা। বিশদ

15th  May, 2024
এক বছরের প্রধানমন্ত্রী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পাওয়ার সেন্টার। হতে পারে বিশেষ কোনও ব্যক্তি, বা একটা কোর গ্রুপ। কোম্পানি চালাতে, পার্টি, রাজ্য কিংবা দেশ... পাওয়ার সেন্টারকে কিছুতেই অস্বীকার করা যায় না। গণতন্ত্রেও না। কারণ, গণতান্ত্রিক সিস্টেমকে ঠিকমতো প্রয়োগ করার জন্যও একজন ব্যান্ড মাস্টার প্রয়োজন। বিশদ

14th  May, 2024
একজন ‘শক্তিশালী’ নেতা মিথ্যা বলবেন কেন?
পি চিদম্বরম

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একজন স্বঘোষিত ‘শক্তিশালী’ নেতা। তিনি প্রায়ই তাঁর ৫৬ ইঞ্চির বুকের ছাতি নিয়ে অহঙ্কার করতেন। তাঁর অনুগামীরা—খান মার্কেট চক্রের নিয়ন্ত্রণ, শহুরে নকশালদের উপড়ে ফেলা, টুকরে-টুকরে গ্যাংকে ধ্বংস করা, পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া, সহযোগী সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজির কার্যত বিলুপ্তি, মূলধারার মিডিয়াকে বশীভূত করা এবং ‘বিশ্বগুরু’ হিসেবে ভারতের কাল্পনিক মর্যাদার দিকে ইঙ্গিত করেন। বিশদ

13th  May, 2024
নিরপেক্ষ রেফারি ছাড়া খেলার মূল্য কী?
জি দেবরাজন

ভারতের সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের অধীনে নির্বাচন কমিশনের ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারাটি কমিশনকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষমতা দেয়। কমিশনের কর্মপদ্ধতি ‘আইনসম্মত’ এবং ‘নিরপেক্ষ’ বলেই বিশ্বাস করা হয়। বিশদ

13th  May, 2024
আক্রমণ ছেড়ে মোদিজি আত্মরক্ষায় কেন?
হিমাংশু সিংহ

ছবিটা একবার ভাবুন। নরেন্দ্র মোদি একক প্রচেষ্টায় গোল করতে পারছেন না, উল্টে নিজের পেনাল্টি বক্সে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত গোল বাঁচাচ্ছেন। গোলকিপার না স্ট্রাইকার ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। অনেক দূরে অমিত শাহ। বাকিদের মেঘ-রোদ্দুরে ঠিক ঠাওরই করা যাচ্ছে না। বিশদ

12th  May, 2024
‘ধর্মগুরু’র কোটি টাকার ফ্ল্যাট, দ্বিধায় মতুয়ারা
তন্ময় মল্লিক

পাশাপাশি দু’টি মন্দির। একটি হরিচাঁদ ঠাকুরের, অন্যটি গুরুচাঁদের। পায়ের চাপে ভেঙে যাওয়া ভক্তদের ছড়ানো বাতাসার গুঁড়ো সরিয়ে গোবরজলে ধোয়া হয়েছে মন্দির চত্বর। তাতে নোংরা গেলেও কটু গন্ধে টেঁকা দায়। ভন ভন করছে মাছি। বিশদ

11th  May, 2024
একনজরে
দুর্ঘটনার কবলে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির হেলিকপ্টার। রবিবার পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে এই ঘটনা ঘটে। ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ...

বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও এক নার্সকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়েছিলেন। প্রথমে সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু পরে বিয়ের জন্য জোর দিতে থাকেন শালু তিওয়ারি নামে ওই নার্স। ...

রবিবার পুরুলিয়া শহরে কার্যত জনজোয়ারে ভাসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রোড শো চলার মাঝেই কোথাও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট মেয়েকে আদর করলেন, কোথাও আবার বৃদ্ধাকে ...

লোকাল ট্রেনে বিনা টিকিটে সফর করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। প্রযুক্তির যুগে কাউন্টারের দীর্ঘ লাইন এড়িয়ে মোবাইল কিংবা বিকল্প উপায়ে ট্রেনের টিকিট কাটার সুযোগ রয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুরুজনের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা ও মানসিক উদ্বেগ। কাজকর্মে বড় কোনও পরিবর্তন নেই। বয়স্কদের স্বাস্থ্য সমস্যা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস
১৪৯৮ - ভাস্কো ডা গামা প্রথম ইউরোপীয়, যিনি আজকের দিনে জলপথে ভারতের কালিকট বন্দরে উপস্থিত হন
১৫০৬- ক্রিস্টোফার কলম্বাসের মৃত্যু
১৬০৯ - শেক্সপিয়ারের সনেট প্রথম প্রকাশিত হয় লন্ডনে। প্রকাশক ছিলেন থমাস থর্প
১৮৫৪ - বিশিষ্ট বাঙালি ব্যবসায়ী,সমাজসেবী ও দানবীর মতিলাল শীলের মৃত্যু
১৮৬৭ - মহারানি ভিক্টোরিয়া আজকের দিনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে রয়াল অ্যালবার্ট হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন
১৯৩২- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপিনচন্দ্র পালের মৃত্যু
১৯৩২ - ইয়ারহার্ট প্রথম মহিলা ‍যিনি একক উড্ডয়নে আটলান্টিক পাড়ি দেন
১৯৪৭ - বিশিষ্ট কবি প্রবন্ধকার ও শিশুসাহিত্যিক প্যারীমোহন সেনগুপ্তর মৃত্যু
১৯৫২ – প্রাক্তন ক্যামেরুনিয়ান ফুটবলার রজার মিল্লার জন্ম
১৯৭৪ - চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৮৩ - এইচআইভি ভাইরাস সম্পর্কে প্রথম প্রকাশিত হয় সায়েন্স ম্যাগাজিনে
১৯৮৬ - বাংলা ভাষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রতিষ্ঠিত
২০১৯ - বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধনের মৃত্যু
২০১৯ -  লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৫৩ টাকা ৮৪.২৭ টাকা
পাউন্ড ১০৪.২৩ টাকা ১০৭.৭১ টাকা
ইউরো ৮৯.২৯ টাকা ৯২.৪৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  May, 2024
পাকা সোনা (১০ গ্রাম)  
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম)  
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম)  
রূপার বাট (প্রতি কেজি)  
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি)  
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, সোমবার, ২০ মে, ২০২৪। দ্বাদশী ২২/৩৩ দিবা ৩/৫৯। চিত্রা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৪/৫৮/২৩, সূর্যাস্ত ৬/৭/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/১ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৩/৩২ গতে ৪/১৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ২/৫১ গতে ৪/৩০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।   
৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, সোমবার, ২০ মে, ২০২৪। দ্বাদশী দিবা ৩/১৭। চিত্রা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৪/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৩/৩০ গতে ৪/১২ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ২/৫২ গতে ৪/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১১ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় কোন রাজ্যে কত শতাংশ ভোট পড়ল
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় আজ, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ৭টি কেন্দ্র সহ ...বিশদ

08:22:49 PM

শ্রীরামপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
ভরসন্ধ্যায় শ্রীরামপুরের পিয়ারাপুর এলাকার একটি স্টকহাউসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। ...বিশদ

07:56:49 PM

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪(পঞ্চম দফা): বিকাল ৫টা পর্যন্ত কোন রাজ্যে কত ভোট পড়ল
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণপর্ব চলছে। আজ, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ৭টি ...বিশদ

06:30:00 PM

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪(পঞ্চম দফা): বিকাল ৫টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে কোথায় কত ভোট
লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণপর্ব চলছে। গোটা দেশের একাধিক রাজ্যের ...বিশদ

06:20:00 PM

কল্যাণীর গয়েশপুরে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উপর কেন্দ্রীয়বাহিনীর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ করার অভিযোগ

05:35:00 PM

মোদি আপনাদের উন্নয়নে দিন-রাত কাজ করে: মোদি

04:57:00 PM