Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অশ্বমেধের ঘোড়া বনাম এক নারীর লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবন ৫০ বছরে পা দিল। ৫০ বছর ধরে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্থান এক চমকপ্রদ ঐতিহাসিক রেফারেন্স। বিশেষত পুরুষতান্ত্রিক ভারতীয় রাজনীতিতে এক নারী হিসেবে ক্রমে শীর্ষে পৌঁছনো প্রায় বিরল। আবার নরেন্দ্র মোদির প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক জীবন ৩৯ বছরের। তবে তিনিও ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যুক্ত। তাঁদের দুজনেরই রাজনৈতিক সাফল্য চমকপ্রদ। তাঁরা দুজনেই একক ক্ষমতা ও শক্তিতে মাস লিডার হয়ে উঠেছেন। তাঁদের কারও উত্থানের পিছনে পারিবারিক পেডিগ্রি 
অথবা পদবির ভূমিকা ছিল না। নিজের শক্তিতেই সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছেন। তাঁরা দুজনেই বিরোধীদের কাছে ঠিক যতটা নিন্দিত, ভক্তদের কাছে ততটাই জনপ্রিয়। রাজনৈতিক জীবনের বহু উত্থান পতন চড়া‌ই উতরাই পেরিয়ে আসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদির কাছে অবশেষে হাজির হয়েছে ২০২৪ সাল। ভারতের দুই প্রান্ত থেকে উঠে আসা এই দুই রাজনীতিকের লড়াই ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সবথেকে কৌতূহলোদ্দীপক হয়ে উঠেছে রাজনীতি এবং ইতিহাস সচেতন নাগরিক সমাজের কাছে। তাঁদের দুজনের কাছেই এই লোকসভা ভোট এক অগ্নিপরীক্ষা। 
নরেন্দ্র মোদি ১০ বছরের মধ্যে কার্যত অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছেন। বলা যেতে পারে তাঁর অশ্বমেধের ঘোড়া আসছে দেখতে পেলে রাজ্যে রাজ্যে প্রতিপক্ষদের মধেয এক চরম শঙ্কার সৃষ্টি হয়। অথচ এহেন অশ্বমেধের ঘোড়া বারংবার একজন নারীর কাছে এসে থেমে যাচ্ছে, স্তিমিত হচ্ছে। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোট থেকে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোট। চারটি বৃহৎ সংসদীয় ভোটেই মোদির প্রভাব ও জনপ্রিয়তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গরিষ্ঠতা এবং আসন সংখ্যায় পরাস্ত করতে পারেনি। ২০২৪ সালের এই লোকসভা ভোটে মোদি যদি আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুলনায় কম আসন পেয়েই থেমে যান, সেটা বঙ্গবিজেপির কাছে তো বটেই, মোদির কাছেও এক বড়সড় হতাশাই নিয়ে আসবে। সেই হতাশা ২০২৬ সালের জন্য তাঁর দলের পক্ষে ইতিবাচক নয়। 
বয়সে চার বছরের বড় হলেও নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক কেরিয়ারের সময়সীমা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুলনায় কম। ১৯৭৪ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার একটি কলেজে প্রবেশ করেই ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে পড়েন। ছাত্র পরিষদের নেত্রী। মহিলা কংগ্রেসের রাজ্য নেত্রী হয়ে যান সাতের দশকেই। পক্ষান্তরে, ১৯৭১ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘে যোগদান করে সামাজিক  কাজ শুরু করলেও, প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতিতে নরেন্দ্র মোদি আসেন ১৯৮৫ সালে। তাঁকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের পক্ষ থেকে পাঠানো হয় পাঁচ বছর বয়সি একটি রাজনৈতিক দলের সংগঠনের কাজে। সেই দলের নাম ভারতীয় জনতা পার্টি। 
তার আগে কি মোদি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না? অবশ্যই ছিলেন। ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার আগে এবং পরে তিনি ছিলেন অন্যতম এক সক্রিয় সঙ্ঘ কর্মী। এমনকী জরুরি অবস্থার সময় তিনি প্রায় আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যান। মাথায় পাগড়ি পরে কখনও নরেন্দ্র সিং নাম নিয়েছেন, কখনও বা প্রকাশ নাম নিয়ে পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে জেলযাত্রা থেকে রক্ষা পেয়েছেন। যে ক’জন বিরোধী নেতা সেই সময় জেলের বাইরে ছিলেন তাঁদের মধ্যে সমন্বয় রক্ষা করার কাজটিও করতেন নরেন্দ্র মোদি। সুতরাং কোনও রাজনৈতিক দলের সদস্য না হলেও তিনি রাজনীতির আবর্তেই ছিলেন। তবে প্রত্যক্ষভাবে ১৯৮৫ সালে বিজেপির সঙ্গী হওয়ার পর তিনি দ্রুত লালকৃষ্ণ আদবানির একটি তরুণ টিমের সদস্য হয়ে যান। ১৯৮৬ সালের পর আদবানি ঝকঝকে এবং করিতকর্মা যে যুব টিম তৈরি করেছিলেন নিজের অনুগামী হিসেছে, সেই দলে ছিলেন, অরুণ জেটলি, বেঙ্কাইয়া নাইডু, সুষমা স্বরাজ, গোবিন্দাচার্য, প্রমোদ মহাজন এবং নরেন্দ্র মোদি।
অর্থাৎ সঙ্ঘ থেকে বিজেপিতে এসেই দলের শীর্ষ নেতার নেকনজরে পড়ে যাওয়া। মোদির পরবর্তী এক দশকে শুধুই উত্থানের কাহিনি। গুজরাতে ছিলেন দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা। শংকর সিং বাঘেলা এবং কেশুভাই প্যাটেল। কিন্তু মোদি হয়ে উঠেছিলেন নিজের ক্যারিশমা আর জনপ্রিয়তা দিয়ে তৃতীয় পাওয়ার সেন্টার। তাঁর উত্থান আটকাতে এই সিনিয়র নেতারা প্রবল চেষ্টা করেছেন। দিল্লিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে সাধারণ সম্পাদক করে। কিন্তু ২০০১ সালে তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী করে পাঠাতে হয় গুজরাতে। এরপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। তিনি রাজনীতির কেরিয়ারে সর্বোচ্চ লক্ষ্য পূরণ করেছেন। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী হওয়া। 
অবিকল একই চিত্রনাট্য তার আগে থেকেই দেখেছে বাংলার কংগ্রেস রাজনীতি। রাজ্যে সোমেন মিত্র অথবা দিল্লিতে প্রণব মুখোপাধ্যায়দের পাশাপাশি সম্পূর্ণ পৃথক এক ক্ষমতার কেন্দ্র হয়ে উঠেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের অন্দরে। কংগ্রেসের আন্দোলন মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতএব যুব কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা সকলেই মমতাপন্থী হয়ে যান।
নরেন্দ্র মোদি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? মোদি যত শক্তিশালীই হন, তিনি বিজেপির ছত্রচ্ছায়ায় থেকে গিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরাট ঝুঁকি নিয়ে নিজের দল গড়েছেন। এবং নতুন দল গঠনের মাত্র ১৩ বছরের মধ্যে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যান একক ক্ষমতায়। মোদি তিন বারের মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তিন বারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর পদ মমতার পাওয়া হয়নি। অন্তত এখনও পর্যন্ত! 
ভারতীয় রাজনীতিতে ৫০ বছর ধরে কোনও নারীর টিকে যাওয়া বিশেষ চোখে পড়ে না। ইন্দিরা গান্ধী ১৯৫৯ সালে কংগ্রেসের সভানেত্রী পদে এসে সক্রিয়ভাবে কংগ্রেস রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। তার আগে পর্যন্ত তিনি ছিলেন মূলত পিতার রাজনীতি ও প্রশাসনিক ছায়াসঙ্গিনী। ১৯৮৪ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। কেরিয়ার ২৬ বছরের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি অনেক নারী উঠে এসেছিলেন। জয়ললিতা, মায়াবতী, বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া, শীলা দীক্ষিত, সুষমা স্বরাজ। যাঁরা মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। বিশেষত মায়াবতী ও জয়ললিতা প্রবল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। কিন্তু কালক্রমে প্রত্যেকেই বিভিন্ন কারণে আর ভারতীয় রাজনীতির অন্যতম প্রধান চরিত্র হিসেবে নেই। সোনিয়া গান্ধীর ১৯৯৯ সালে আগমন রাজনীতিতে। আজও তিনি সক্রিয়। কিন্তু তাঁর সময়কালে দুবার ক্ষমতায় আসা দল আজ ক্ষয়ের খাদের কিনারায়। 
 সাত বারের এমপি, একাধিকবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, দুবার রেলমন্ত্রী, তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বর্তমানে তাবৎ সক্রিয় রাজনীতিকদের পার্থক্য হল, তিনি সবথেকে ভালো জানেন যে, একটি সরকার কীভাবে পরিচালিত হয়। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ 
প্রক্রিয়া কেমন। নয়ের দশক থেকে তিনি এসব সরকারের ভিতর থেকে দেখেছেন। ১০ বছর পর আজ মোদিও তাই। গুজরাত এবং ভারত সরকার পরিচালনা করে তিনিও সরকার চালানোর চাবিকাঠি জেনে গিয়েছেন। 
প্রশাসনিকভাবে এই দুজন সম্পূর্ণ সফল কি না সেই তর্ক ও বিতর্ক চলবে। তাঁদের বহু দুর্বলতা ও ব্যর্থতা রয়েছে। কিন্তু ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁদেরই একমাত্র একটি ক্যাপটিভ অডিয়েন্স আছে।  ভক্ত এবং নিবেদিত ভোটার।  এই দুজন আর কাউকে দেখিয়ে ভোট 
চান না। নবীনবাবু বিজু পট্টনায়কের পুত্র। 
স্ট্যালিন করুণানিধির রেখে যাওয়া রাজ্যপাটের উত্তরাধিকার। তেজস্বী যাদব লালুপ্রসাদ যাদবের উত্তরসূরি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদিরা নিজেদের দেখিয়ে ভোট চান। তাঁরাই ক্রাউড পুলার। তাঁরাই প্রধান সেনাপতি। তাঁরাই স্টার ক্যাম্পেনার। তাঁদের কোনও হাইকমান্ড ঩নেই। তাঁরাই দল। তাঁরাই নীতি নির্ধারক। 
তাই ক্রমেই মোদি বনাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লড়াই সবথেকে আকর্ষক হয়ে উঠেছে ২০২৪ সালের ভোটে। ১৯৮৪ সাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসংখ্য পুরুষ প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করে চলেছেন। তাঁর চোখের সামনে সিপিএম, বিজেপি, কংগ্রেসের বহু সেনাপতির অবসান ঘটেছে। তিনি রয়ে গিয়েছেন। অতএব তাঁকে আন্ডারএস্টিমেট করা চরম নির্বুদ্ধিতা। বারংবার সেই প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে।
যে বাংলা  শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জন্মস্থান, সেখানে আজ পর্যন্ত বিজেপি এক নম্বর দল হতে পারল না, এটা বিজেপির দীর্ঘকালের এক অনুতাপ। আবার মোদি রাজ্যে রাজ্যে বিজয়কেতন উড়িয়ে চলেছেন, অথচ বাংলা নামক একটি রাজ্যের এক নারীর কাছে বারংবার থমকে যাচ্ছেন, এটাও তাঁর নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারের জন্য সম্মানহানি। বাংলা কি তাঁর অধরাই থেকে যাবে? সুতরাং তিনি সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়েছেন। 
অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন ধরে যে শক্তি প্রদর্শন করে এসেছেন, সেটা রক্ষা করাই তাঁর চ্যালেঞ্জ। অর্থাৎ মোদি বনাম মমতা যুদ্ধে মমতাই জয়ী হয়েছেন বারংবার, এই ইতিহাস প্রতিষ্ঠা করে যাওয়া। কিন্তু শুধুই তাই নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এই লোকসভা ভোট বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তাঁর প্রধান লক্ষ্য, দেশের আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে সবথেকে বেশি আসন পাওয়া। সেক্ষেত্রে ক্ষমতায় যেই আসুক, আগামী পাঁচ বছর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর গুরুত্ব অনেক বৃদ্ধি পাবে। আর মোদির শেষ প্রচেষ্টা তাঁর অবসরের আগে একবার অন্তত যেন বাংলা জয় করা সম্ভব হয়! 
নরেন্দ্র মোদির অশ্বমেধের ঘোড়া বনাম এক নারীর লড়াইয়ে এবার জয় কার হবে? 
12th  April, 2024
ধর্মতন্ত্রের মুদ্রাদোষ ও রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা
মৃণালকান্তি দাস

কবিগুরুকে নিয়ে রাজনীতির তাড়না নতুন কিছু নয়। তাঁকে ছাড়া নাকি বাঙালি মনন ধরা দেয় না। তাই সব রঙের রাজনেতাই সেই তাড়না বোধ করে এসেছেন। মোদি-অমিত শাহরাও চেষ্টার ত্রুটি রাখেননি। বিশদ

মোদি কার ‘অবতার’, হিরণ্যকশিপু না হিটলার?
সন্দীপন বিশ্বাস

নির্বাচন এখন একেবারে শেষ লগ্নে এসে পৌঁছেছে। পুরো নির্বাচনী প্রচারে বারবার প্রধানমন্ত্রীর তাল কেটেছে। এক এক পর্যায়ের নির্বাচনের পর তিনি মুখ খুললেই নানা বিতর্কিত কথা বেরিয়ে এসেছে। তাই নিয়ে মানুষের মনে এক তিক্ত অনুভূতির জন্ম হয়েছে। বিশদ

29th  May, 2024
৪০০ পার: মিথ? নাকি মিথ্যা?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মিথ, আর মিথ্যার মধ্যে ফারাক কতটা? কালজয়ী একটি মিথের কথা বলা যাক। সম্রাট নিরো সম্পর্কে। বলা হয়, রোম যখন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল, সম্রাট নিরো তখন বেহালা বাজাচ্ছিলেন। বিশদ

28th  May, 2024
সমস্যা আজও জাতপাত আর বৈষম্য
পি চিদম্বরম

যতক্ষণ না রাজনৈতিক দলগুলি স্বীকার করে যে ভারতীয় রাজনীতি এবং অর্থনীতির দুটি নির্ণায়ক হল—জাতি এবং বৈষম্য—দারিদ্র্য, বৈষম্য এবং নিপীড়নের মূলে আমরা আঘাত হানতে পারব না। ‘উন্নয়ন’ নিয়ে বিজেপি যে কাহিনি ফাঁদে, কংগ্রেসের ইস্তাহার তার কালো দিকগুলির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, ওইসঙ্গে রেখেছে জনগণের কাছে কয়েকটি প্রতিশ্রুতিও।
বিশদ

27th  May, 2024
ভোট মিটবে, ফল বেরবে, ঘা শুকবে না
হিমাংশু সিংহ

বাকি আর মাত্র এক দফা। আরও কত কী দেখতে হবে! আরও কত নোংরা খেলা। ষড়যন্ত্র, বিভেদ এবং সমাজের বাটোয়ারা। ভোট মিটে সরকার গড়া হবে, কিন্তু গত তিন মাসের গভীর ক্ষত, দগদগে ঘা সহজে শুকবে না। বিশদ

26th  May, 2024
মমতার খুঁত ধরে জিততে পারবেন মোদি?
তন্ময় মল্লিক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণ শুনলে এটা লোকসভা না বিধানসভার নির্বাচন, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হবেই। লোকসভা নির্বাচনে সাধারণত দেশের ও আন্তর্জাতিক স্তরের বিষয় প্রাধান্য পায়। কিন্তু ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকার পরেও মোদিজি বাংলায় এসে স্থানীয় বিষয়গুলিকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন।
বিশদ

25th  May, 2024
বিজ্ঞাপনী যুদ্ধ বনাম ভোটারদের মনস্তত্ত্ব
সমৃদ্ধ দত্ত

২০০৪ সালের জানুয়ারি মাসের ৬ তারিখ প্রথমবার দিল্লির লোদি এস্টেটে গিয়েছিল টিম। মতিলাল ভোরা, জয়রাম রমেশ, অম্বিকা সোনি, সলমন খুরশিদ, সোনিয়া গান্ধীরা উপস্থিত। তাঁদের দেখেই বোঝা যাচ্ছে ক্লান্ত, প্রায় বিধ্বস্ত এবং কিছুটা অসহিষ্ণুও। বিশদ

24th  May, 2024
বাঙালি বিদ্বেষের বিষাক্ত রেপ্লিকা!
মৃণালকান্তি দাস

বিজেপি বদলায়নি। কৈলাস বিজয়বর্গীয় চিঁড়ে খেতে দেখে বাংলাদেশি চিনে ফেলেছিলেন। তারপর ছাড়ানো হয়েছে পেঁয়াজের এক একটি খোসা। বেরিয়ে পড়েছে হিন্দুত্ববাদী নগ্নতার আরও কদর্যরূপ। ধর্মান্ধতার নিরিখে বিজেপি যে শুধু অহিন্দু বিদ্বেষী নয়, একইসঙ্গে অহিন্দি বিদ্বেষীও তা তারা প্রকাশ্যে হাজির করেছে। বিশদ

23rd  May, 2024
ভোটের দফার সঙ্গে বাড়ছে মমতার গুরুত্ব
হারাধন চৌধুরী

‘ইন্ডিয়া’ জোট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে তৈরি। নামকরণও তাঁর। এহেন ‘মহাজোট’কে গেরুয়া শিবির কখনও ‘ইন্ডিয়া’ বলে ডাকেনি, পরিবর্তে ‘ইন্ডি’ নামেই কটাক্ষ করেছে, যার সঙ্গে সংস্কৃত ‘পিণ্ড’ শব্দের কথ্যরূপ ‘পিণ্ডি’র মিল রয়েছে। বিশদ

22nd  May, 2024
উত্তরপ্রদেশ নিয়ে বিজেপি শঙ্কায় কেন?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কথায় কথায় উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি নেতা ঘনিষ্ঠ মহলে বলেই ফেললেন, ‘৮০টার মধ্যে ৫০টা সিট তো পাব।’ তাতেও যে তিনি খুব আত্মবিশ্বাসী, তেমনটা নয়। সবচেয়ে বড় চমকের জায়গা হল সংখ্যাটা। ৫০। বিশদ

21st  May, 2024
মহিষের উপর উত্তরাধিকার কর
পি চিদম্বরম

লোকসভা নির্বাচন নিয়ে এই যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে সেখানে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় কোনটি? যুদ্ধের এক পক্ষে নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর কয়েকজন মিত্র আর উল্টো দিক থেকে একটি বহুমুখী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী এবং বিভিন্ন রাজ্যভিত্তিক শক্তিশালী ও স্বাধীন সেনাপতিগণ। বিশদ

20th  May, 2024
মোদিজি, গন্ধটা কিন্তু বেশ সন্দেহজনক!
হিমাংশু সিংহ

কোনও দল, কোনও নেতা কিংবা সংগঠন কখন নির্বাচন চলাকালীন কেঁচে গণ্ডূষ করে ফেলে? বারবার কথা বদলায়? যাকে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছিলেন, তাকেই আবার বুকে টেনে নেন? সহজ উত্তর, পায়ের তলার মাটি টালমাটাল হলে, কিংবা অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় আচমকা বেড়ে গেলে বুকের ধড়ফড়ানি। বিশদ

19th  May, 2024
একনজরে
 বিজেপির সভা-সমিতিতে প্রায়শ দেখা যায়, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। তাঁর জন্ম ও মৃত্যুদিনে বিশেষ কর্মসূচিও পালন করে বিজেপি। ...

ভোটপ্রচারে নেমে হিন্দু ধর্মশাস্ত্র নিয়ে তাঁর পাণ্ডিত্যের আভাস পেয়েছিলেন বর্ধমান দুর্গাপুরের ভোটাররা। গেরুয়া রং যে শুধুমাত্র সনাতন হিন্দু ধর্মের প্রতীক নয় তা বোঝাতে উত্তর ভারত থেকে দক্ষিণ ভারতের মন্দিরের উদাহরণ তুলে ধরেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। ...

দিল্লি হিংসা মামলায় জামিন পেলেন ছাত্রনেতা শারজিল ইমাম। রবিবার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে দিল্লি হাইকোর্ট। যদিও এখনই জেল থেকে বেরতে পারবেন না জওহরলাল ...

২০১২-১৩ মরশুম। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ‘অল জার্মান’ ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

একাধিক সূত্রে অর্থাগম হতে পারে। উপস্থিত বুদ্ধি ও যথাযথ ব্যবস্থাগ্রহণে কর্মে বাধামুক্তি ও উন্নতি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৮৫৯: প্রথমবার বেজে ওঠে ইংল্যান্ডের বিগ বেন ঘড়ি
১৮৯৯:- কলকাতার ঘরে ঘরে বৈদ্যুতিক সরবরাহ শুরু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪০: জগমোহন ডালমিয়ার জন্ম
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৯: ব্রিটিশ ক্রিকেট তারকা বব উইলিসের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
১৯৫৩: নিউজিল্যান্ডের হিলারি ও নেপালের তেনজিংয়ের এভারেস্ট শৃঙ্গ জয়
১৯৮৭: ভারতের ২৫তম রাজ্যের স্বীকৃতি পেল গোয়া
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৪০ টাকা ৮৪.১৪ টাকা
পাউন্ড ১০৪.৪৩ টাকা ১০৭.৯১ টাকা
ইউরো ৮৮.৭৭ টাকা ৯১.৯১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৩,০০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৩,৩৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৬৯,৭৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৯৪,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৯৪,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ ‌জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪। সপ্তমী ১৭/০ দিবা ১১/৪৪। ধনিষ্ঠা নক্ষত্র ৬/২৮ দিবা ৭/৩১। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৪ গতে ৯/৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ প্রাতঃ ৫/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৯/২১ গতে ১১/৭ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৩ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। 
১৬ ‌জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪। সপ্তমী দিবা ১০/৫৮। ধনিষ্ঠা নক্ষত্র দিবা ৭/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪১ গতে ৬/১৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৫/৪৮ মধ্যে ও ৯/২৪ গতে ১১/১২ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। 
২১ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পাটনায় একটি বহুতলে আগুন, অকুস্থলে দমকল

29-05-2024 - 08:12:00 PM

বিধানসভায় সিপিএম-এর ভোট যাবে বিজেপিতে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

29-05-2024 - 06:30:00 PM

১০০ দিনের কাজের টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

29-05-2024 - 06:28:00 PM

সব কিছু বিক্রি করে দিচ্ছে বিজেপি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

29-05-2024 - 06:27:09 PM

ইন্ডিয়াকে সমর্থন করবে তৃণমূল: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

29-05-2024 - 06:27:00 PM

মোদি মিথ্যা কথা বলে প্রচার করছেন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

29-05-2024 - 06:26:03 PM