Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গণতন্ত্রই বিপন্ন, ইট-কাঠ-পাথরের সংসদে লাভ কী?
হিমাংশু সিংহ

আচ্ছে দিন মরীচিকা হয়ে থাকলেও আচ্ছে সংসদ ঘোর বাস্তব হয়েই ধরা দিচ্ছে। কীর্তি, সাফল্য তাঁর পিছু ছাড়ে না। ভক্তকুল নানা অবতারে তাঁর গরিমাকে তুলে ধরে। তবু সাধারণ মানুষের সমস্যা কমে না। বিতর্ক তাড়া করে প্রতি মুহূর্তে। সংবিধান ও গণতন্ত্রের সূতিকাগৃহ হল সংসদ। ন’বছর আগে এই ভবনেরই চৌকাঠে মাথা ঠুকে শাসনক্ষমতায় হাতেখড়ি হয়েছিল সুদূর গুজরাতের তিনবারের দাপুটে মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। আশা ছিল, তাঁর আমলে শুধু উন্নতিই হবে না, বদলে যাবে দেশের সামগ্রিক চেহারা। মানুষ দু’মুঠো খেতে পাওয়ার সঙ্গে কাজ পাবে। মিলবে মাথার ছাদ। পড়শি শত্রুরা সমীহ করবে। সেই সাহস আর সঙ্কল্প নিয়েই শুরু হয়েছিল যাত্রা। ন’বছর পর আজ, যখন বেকার সমস্যা মেটার কোনও লক্ষণ নেই, মূল্যবৃদ্ধি আকাশছোঁয়া, ব্যবসা তলানিতে তখন দৃষ্টি ঘোরাতে শুধু ৮৬২ কোটির নতুন সংসদ ভবনে কি চিঁড়ে ভিজবে? কিংবা গুটিকতক নতুন মন্দিরে। লেলিয়ে দেওয়া এজেন্সি সন্ত্রাসে বিধ্বস্ত বিরোধীরা ইতিমধ্যেই রবিবারের অনুষ্ঠান বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁদের দাবি প্রধানমন্ত্রী নয়, গণতন্ত্রের এই মন্দিরের উদ্বোধন করার ষোলোআনা হক রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর। শীর্ষ সাংবিধানিক পদে আসীন তিনিই। বিতর্কের শেষ এখানেই নয়, বরং শুরু। আধুনিক ভারতের নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনের জন্য কেন সাভারকারের জন্মদিনকে বাছা হল, ক্ষোভ দানা বেঁধেছে তা নিয়েও। সুবিশাল এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করতে হঠাৎই আমদানি করা হয়েছে ব্রিটিশ রাজদণ্ড (মোটেই ন্যায়দণ্ড নয়!) সেঙ্গোলের। লর্ড মাউন্টব্যাটেন ওই দণ্ড নেহরুজির হাতে তুলে দিয়েছিলেন। তারপর তার ঠাঁই হয়েছিল অন্ধকারে। আজ মোদিজি সেই ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি করছেন দক্ষিণের তামিল ব্রাহ্মণদের ভোট জিততে। এই তাঁর উদারমনা রাজনীতির উদাহরণ!
মহাত্মা গান্ধীর নাতি তুষার গান্ধী তাৎপর্যপূর্ণ টুইট করেছেন। তাঁর দাবি, এতই যখন হল তখন নয়া সংসদ ভবনের নাম রাখা হোক ‘সাভারকার সদন’। আর গরিব জনগণের দেওয়া করের কোটি কোটি টাকায় তৈরি ভবনের সবচেয়ে বড় যে সভাকক্ষ, যেখানে প্রায় ১,২০০ নির্বাচিত সদস্যের বসার জায়গা থাকছে, পরিভাষায় যাকে সেন্ট্রাল হল বলে, তার নাম রাখা হোক ‘মাফি কক্ষ’। প্রশ্ন একটাই, সেই অর্থে সাভারকারকে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম সারির কোনও মুখ বলা যায় কি? তিনি কোনও অর্থেই নেহরু, প্যাটেল, মহাত্মা গান্ধী, চিত্তরঞ্জন দাশ, বাঘাযতীনের সমকক্ষ ছিলেন না। যতই মহান সাজানোর চেষ্টা হোক, এখনও দেশবাসী ভুলতে পারে না আন্দামানের সেলুলার জেলে থাকার সময় ‘মহামান্য’ সাভারকারই ব্রিটিশ সরকারের কাছে ক্ষমা চেয়ে চিঠি লিখেছিলেন। প্রথমবার তাঁর প্রার্থনা খারিজ হয়ে যায়। অথচ ক্ষমা প্রার্থনা যাঁদের রক্তে নেই, সেই আপসহীন নেতাজিকে চিরদিন ব্রাত্য রেখে, গান্ধীজিকে দূরে সরিয়ে আজ ২৮ মে সাভারকারের জন্মদিনে উদ্বোধন হচ্ছে নয়া সংসদের। সামনেই দেশের ৭৬তম স্বাধীনতা দিবসের মতো পবিত্র মুহূর্ত অপেক্ষা করছে। অপেক্ষা করছে সংবিধানের ৭৫তম বর্ষও। ২৬ নভেম্বর ১৯৪৮, সংবিধান উপহার পেয়েছিলাম আমরা। তবু  ইতিহাসকে পিছনে ঠেলে দ্রুত বিতর্কিত সাভারকারের জন্মদিনকে বেছে নেওয়া কেন, সেই প্রশ্ন আজ প্রাসঙ্গিকভাবেই উঠছে।
একথা বলতেই হবে, দেশের শ্রেষ্ঠ বীর এই বাংলার পরাক্রমী পুরুষ নেতাজির সঙ্গে সেই অর্থে সাভারকারের কোনও তুলনাই চলে না। তাঁর খ্যাতি-অখ্যাতি মূলত হিন্দুত্বের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে, স্বাধীনতার লড়াইয়ের আপসহীন সংগ্রামী হিসেবে নয়। তাও সীমাবদ্ধ অঙ্গরাজ্য মহারাষ্ট্রে। আজ হিন্দুত্বের ধ্বজাধারীরাই দেশের শাসন ক্ষমতায়। এহেন হিন্দুত্বের মুখ সাভারকারকে স্বাধীনতার লড়াইয়ের প্রধান মুখ হিসেবে তুলে ধরার তাই উচ্চকিত আয়োজন। কিন্তু একইসঙ্গে মনে রাখতে হবে তাঁর জন্মদিনে ১,২০০ আসনের রাজকীয় সংসদ ভবনের উদ্বোধন করে সেই বিভাজনের রাজনীতিতেই শান দিলেন নরেন্দ্র মোদি। তাই তাঁর মুকুটে এটি মোটেই ধর্মনিরপেক্ষ কোনও পালক নয়। অতঃপর সব কা সাথ, সব কা বিকাশের ঢক্কানিনাদ ওই নয়া ভবনের ইট কাঠের আড়ালে গুমরে মরবেই। শান্তি পাবে না দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া শতশত স্বাধীনতা সংগ্রামীর আত্মাও।
প্রথম থেকেই গেরুয়া শক্তির একটাই এজেন্ডা নেহরুর ইতিহাসকে মুছে ফেলার। ১৯২৭ সালে স্থপতি গ্রাহাম লুটিয়েনের পরিকল্পনায় পুরনো সংসদ ভবনের পত্তন হয়। পুরনো ভবনের বয়স প্রায় ৯৬ বছর। স্বাধীনতার ৭৫ বছরের বহু উত্থান পতনের সাক্ষী এটি। কিন্তু আজ কংগ্রেসকে বিসর্জন দিতে গিয়ে নেতাজি সহ অন্যদেরও ভুলে যাওয়া কেন? নতুন যে সংসদ ভবনের আজ উদ্বোধন হচ্ছে তাঁর স্থপতি কোনও লুটিয়েন নয়, মোদি ঘনিষ্ঠ গুজরাতি বিমল প্যাটেল। বারাণসীর মন্দিরে প্রবেশের চোখ ধাঁধানো প্রশস্ত করিডরের নকশাও তাঁরই। সাধারণ নির্বাচনের আর একবছরও দেরি নেই। নয়া সংসদ ভবনের পর অযোধ্যার রামমন্দিরের উদ্বোধন হবে মোদিজির হাত দিয়েই। এবছরের শেষে কিংবা নতুন বছরের শুরুতে। ক্রমশ সেই মাহেন্দ্রক্ষণও এগিয়ে আসছে। কে জানে, কয়েক মাসের মধ্যে হয়তো বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদও ভোটের স্বার্থে ঢাকা পড়বে শিবলিঙ্গের ছায়ায়। সব মিলিয়ে হিন্দুরাষ্ট্র গঠনের দু’শো আয়োজন। এককথায় বেঁচে থাকার সমস্যা সমাধানের ব্যর্থতা ঢেকে দিয়ে হিন্দুত্বের গগনভেদী জয়োল্লাসে ভোট বৈতরণী পার করার মরিয়া প্রয়াস।
এই লেখা আজ যখন পাঠকের হাতে পৌঁছচ্ছে তখন ৮৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পুরোদমে শুরু হয়ে গিয়েছে। ভোর থেকে প্রধানমন্ত্রী যজ্ঞ শুরু করেছেন দেশের প্রথম সারির পণ্ডিতদের পাশে বসিয়ে। ওই যজ্ঞে তিনি একাই থাকবেন একনায়কের মতো। বাজপেয়িজি বেঁচে থাকলে আদবানিজিও শামিল হতে পারতেন। এই সরকারে এক আর দু’নম্বরের মধ্যে বিস্তর ফারাক। তাই ওটা হওয়ার নয়। দুপুর ১২টায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে অন্যদের। প্রায় ২০টি স্বীকৃত রাজনৈতিক দল অনুষ্ঠান বয়কট করেছে। এককথায় গণতন্ত্রই যে-দেশে বিপন্ন, বিরোধীরা এজেন্সি আর আইনের ফাঁসে নাস্তানাবুদ, সেখানে এত বিশাল খরচের গণতন্ত্রের মন্দিরের প্রয়োজনটা কী?
ভক্তকুল ওসব মানে না। তাঁরা সোচ্চারে বলতেই থাকে ৯ বছরের কীর্তির খতিয়ান। দু-দু’বার নোট বাতিলের অভাবনীয় ‘সাফল্য’। জিএসটি কার্যকর করার অনন্য ‘নজির’। সব বিরোধী নেতাকে জেলে পুরে কাশ্মীর দু’ভাগ করার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ, তিন তালাক বন্ধ করার ‘অতুলনীয় কীর্তি’। সিবিআইয়ের দাপাদাপি। শূন্য সংসদে ধ্বনি ভোটে একের পর এক বিল পাশের অসাধারণ রেকর্ড। পাকিস্তানের ভিতরে ঢুকে সার্জিকাল স্ট্রাইক। এমন বুক ফুলিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারা প্রধানমন্ত্রী এর আগে আসেননি বলে ঢাক বাজতেই থাকে। তবু বেকার সমস্যা গত ৪৫ বছরের মধ্যে রেকর্ড উচ্চতা ছুঁয়েছে। এত অস্ত্র, হুঙ্কার, আস্ফালন সত্ত্বেও চীন, পাকিস্তানের দৌরাত্ম্য একচুল কমেনি। সীমান্ত পেরিয়ে অরুণাচলে ঢুকে সেতু পর্যন্ত উড়িয়ে দিয়েছে লালফৌজ। আর আমরা অসহায় দর্শক হয়ে দেখেছি। এই অস্থিরতার সঙ্গেই কখনও ক্ষুধার সূচকে একশো দেশের নীচে লজ্জাজনক অবস্থান, আবার কখনও পেট্রল-ডিজেল-গ্যাসের আকাশছোঁয়া দাম বেমালুম মিলে যায় এক বিন্দুতে। মূল্যবৃদ্ধির ছ্যাঁকা লাগছে, তবু মুখে বলে কার সাধ্য? স্বাধীন মতামত প্রকাশের পরিসরটুকুও আজ কমতে কমতে নিশ্চিহ্ন। উত্তরপ্রদেশের মতো দিকে দিকে ডাবল ইঞ্জিন সরকারের হাতছানি। তবু হালে কর্ণাটক, হিমাচল সেই জাল কেটে আবার সিঙ্গল ইঞ্জিন রাজ্যের দিকে ফিরেছে। দু’হাতে লাড্ডুর আহ্লাদে মানুষ আর ভুলছে না। উন্নয়নের চকমকিও তাই কেমন যেন ম্লান!
১০ ডিসেম্বর, ২০২০। দেশ তখন কোভিডের আঘাতে দিশাহারা। প্রধানমন্ত্রী তাতে আমল না দিয়েই নয়া সংসদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তারপর রেকর্ড সময়ে সেন্ট্রাল ভিস্তার প্রথম পর্বের সূচনা। চিদম্বরম সাহেব নয়া সংসদ ভবন সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেছেন, গণতন্ত্রের ধ্বংসাবশেষের উপরই নতুন সংসদের পত্তন করা হয়েছে। আসলে বড় সংসদ মানে শুধু লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্য বৃদ্ধিই নয়, এর মধ্যেই সুপ্ত রয়েছে আগামী দিনের রাজ্যভাগের পরিকল্পনা (পড়ুন, ষড়যন্ত্র)। যেসব রাজ্যে এখনও বিজেপি তেমন প্রভাব বিস্তার করতে ব্যর্থ, সেখানে রাজ্য ভেঙে একটি অংশের উপর দখলদারি কায়েমের মরিয়া চেষ্টা আগামী দিনে আরও বেপরোয়া হয়ে নখ দাঁত বের করবে। ইতিমধ্যেই বঙ্গ বিজেপি বুঝে গিয়েছে, বাংলায় দক্ষিণবঙ্গে ভোটে জেতা দূর অস্ত। তাই উত্তরবঙ্গকে বিচ্ছিন্ন করে দখলদারি কায়েমের চক্রান্তে ক্রমাগত ইন্ধন দিয়েই চলেছে তারা। আবার সিএএ না-হলেও, মতুয়াদের নানা টোপ দিয়ে কাছে টানার জঘন্য ষড়যন্ত্রও চলছে। রাজ্য ভাগ হলে এই বিভাজনের তাস আরও কদর্য রূপ নিতে বাধ্য। 
উদ্দেশ্য পরিষ্কার, শুধু সাম্প্রদায়িক বিভাজন নয়, রাজ্যভাগের তাস খেলেও ভোটবাক্সে ঝড় তোলার চেষ্টা শুরু হচ্ছে। নয়া সংসদ ভবন তারই ইঙ্গিতবাহী। কিন্তু মানুষে মানুষে বিভেদ বাড়লে যেমন নেতাদের লাভ, তেমনি মস্তবড় লোকসান দেশের। ভাগ বাটোয়ারার এই খেলায় দেশের আত্মাটাই ক্রমশ বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। ‘বিবিধের মাঝে মিলন মহান’-এর গৌরবময় উপলব্ধির কঙ্কালটুকু ছাড়া আর অবশিষ্ট রইল কী!
28th  May, 2023
মমতার খুঁত ধরে জিততে পারবেন মোদি?
তন্ময় মল্লিক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণ শুনলে এটা লোকসভা না বিধানসভার নির্বাচন, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হবেই। লোকসভা নির্বাচনে সাধারণত দেশের ও আন্তর্জাতিক স্তরের বিষয় প্রাধান্য পায়। কিন্তু ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকার পরেও মোদিজি বাংলায় এসে স্থানীয় বিষয়গুলিকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন।
বিশদ

বিজ্ঞাপনী যুদ্ধ বনাম ভোটারদের মনস্তত্ত্ব
সমৃদ্ধ দত্ত

২০০৪ সালের জানুয়ারি মাসের ৬ তারিখ প্রথমবার দিল্লির লোদি এস্টেটে গিয়েছিল টিম। মতিলাল ভোরা, জয়রাম রমেশ, অম্বিকা সোনি, সলমন খুরশিদ, সোনিয়া গান্ধীরা উপস্থিত। তাঁদের দেখেই বোঝা যাচ্ছে ক্লান্ত, প্রায় বিধ্বস্ত এবং কিছুটা অসহিষ্ণুও। বিশদ

24th  May, 2024
বাঙালি বিদ্বেষের বিষাক্ত রেপ্লিকা!
মৃণালকান্তি দাস

বিজেপি বদলায়নি। কৈলাস বিজয়বর্গীয় চিঁড়ে খেতে দেখে বাংলাদেশি চিনে ফেলেছিলেন। তারপর ছাড়ানো হয়েছে পেঁয়াজের এক একটি খোসা। বেরিয়ে পড়েছে হিন্দুত্ববাদী নগ্নতার আরও কদর্যরূপ। ধর্মান্ধতার নিরিখে বিজেপি যে শুধু অহিন্দু বিদ্বেষী নয়, একইসঙ্গে অহিন্দি বিদ্বেষীও তা তারা প্রকাশ্যে হাজির করেছে। বিশদ

23rd  May, 2024
ভোটের দফার সঙ্গে বাড়ছে মমতার গুরুত্ব
হারাধন চৌধুরী

‘ইন্ডিয়া’ জোট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে তৈরি। নামকরণও তাঁর। এহেন ‘মহাজোট’কে গেরুয়া শিবির কখনও ‘ইন্ডিয়া’ বলে ডাকেনি, পরিবর্তে ‘ইন্ডি’ নামেই কটাক্ষ করেছে, যার সঙ্গে সংস্কৃত ‘পিণ্ড’ শব্দের কথ্যরূপ ‘পিণ্ডি’র মিল রয়েছে। বিশদ

22nd  May, 2024
উত্তরপ্রদেশ নিয়ে বিজেপি শঙ্কায় কেন?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কথায় কথায় উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি নেতা ঘনিষ্ঠ মহলে বলেই ফেললেন, ‘৮০টার মধ্যে ৫০টা সিট তো পাব।’ তাতেও যে তিনি খুব আত্মবিশ্বাসী, তেমনটা নয়। সবচেয়ে বড় চমকের জায়গা হল সংখ্যাটা। ৫০। বিশদ

21st  May, 2024
মহিষের উপর উত্তরাধিকার কর
পি চিদম্বরম

লোকসভা নির্বাচন নিয়ে এই যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে সেখানে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় কোনটি? যুদ্ধের এক পক্ষে নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর কয়েকজন মিত্র আর উল্টো দিক থেকে একটি বহুমুখী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী এবং বিভিন্ন রাজ্যভিত্তিক শক্তিশালী ও স্বাধীন সেনাপতিগণ। বিশদ

20th  May, 2024
মোদিজি, গন্ধটা কিন্তু বেশ সন্দেহজনক!
হিমাংশু সিংহ

কোনও দল, কোনও নেতা কিংবা সংগঠন কখন নির্বাচন চলাকালীন কেঁচে গণ্ডূষ করে ফেলে? বারবার কথা বদলায়? যাকে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছিলেন, তাকেই আবার বুকে টেনে নেন? সহজ উত্তর, পায়ের তলার মাটি টালমাটাল হলে, কিংবা অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় আচমকা বেড়ে গেলে বুকের ধড়ফড়ানি। বিশদ

19th  May, 2024
আরামবাগে বিজেপির ভরসা তৃণমূলের গদ্দাররাই
তন্ময় মল্লিক

আরামবাগ লোকসভা আসনটি দলের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথম নির্বাচনী সভা করেছেন এখানে। শুধু তাই নয়, বেনজিরভাবে একই লোকসভা কেন্দ্রে দু’-দু’বার জনসভা করলেন নরেন্দ্র মোদি। বিশদ

18th  May, 2024
মহিলা-মুসলিম-গরিব: বঙ্গভোটে বড় ফ্যাক্টর
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা কেন ভোট দিই? কেউ ভোট দেয় নিজের পছন্দের দলকে সমর্থন করতে। নিজের পছন্দের দল ক্ষমতাসীন হোক অথবা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে নিজেই সবথেকে বেশি আসন পেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠুক, এটা দেখতে ভালো লাগে। ভাবতে ভালো লাগে। বিশদ

17th  May, 2024
একনায়কের পদধ্বনি!
মৃণালকান্তি দাস

জার্মানির রাজনীতিতে হিটলারের প্রবেশ ১৯১৯ সালে। ওয়াইমার রিপাবলিক-এর নতুন সংবিধানের জন্মও ওই বছরই। গণতান্ত্রিক অধিকারের মাপকাঠিতে এমন জোরদার সংবিধান দুনিয়ায় বিরল, মানবসভ্যতার শিখরে পৌঁছনোর অঙ্গীকার তার ছত্রে ছত্রে।  বিশদ

16th  May, 2024
দড়ি ধরে টান মারাটাও গণতন্ত্রের বড় শক্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

নির্বাচন পর্ব গড়িয়ে গড়িয়ে প্রায় শেষের দিকে এগিয়ে চলেছে। চার পর্বের ভোট শেষে ফলাফলের দিশা অনেকটাই যেন পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। আর দিন কুড়ি পরেই বাস্তব চিত্রটা বোঝা যাবে। কিন্তু এর মধ্যেই সারা দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটা দেখে ‘হীরক রাজার দেশে’র শেষাংশের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। বিশদ

15th  May, 2024
মতুয়াদের নিঃশর্ত নাগরিকত্ব দেবেন না মোদি
গোপাল মিস্ত্রি

আপনি কি মতুয়া? আপনার জন্ম কি ভারতেই? এই বাংলার মটিতে? আপনি এই মাটির জল-হাওয়ায় বড় হয়েছেন? আপনি কি চাকরিজীবী অথবা ব্যবসায়ী, কিংবা কৃষক? ভোট দেন কি? আপনার ভোটেই তো নির্বাচিত দেশজুড়ে মন্ত্রী, এমএলএ, এমপিরা। বিশদ

15th  May, 2024
একনজরে
পরিত্যক্ত কুয়ো পরিষ্কার করতে নেমে মৃত্যু হল দুই চা শ্রমিকের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও এক চা শ্রমিক। শুক্রবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে ফাঁসিদেওয়ার ঘোষপুকুরের কমলা চা ...

আজ, শনিবার দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের পাঁচ লোকসভা আসনের নির্বাচন। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন দীপক অধিকারী ...

তাপপ্রবাহে বেহাল দশা দেশের একাধিক শহরের। স্বস্তি পেতে পর্যটকদের গন্তব্য শৈলশহর। ভিড় সামলাতে পরিচিত গন্তব্যের পাশাপাশি নতুন পর্যটনস্থল বেছে নিয়ে প্রচার শুরু করেছে কেন্দ্র। এই উদ্যোগের পোশাকি নাম ‘কুল সার্মাস অব ইন্ডিয়া।’ ...

টিম ইন্ডিয়ার পরবর্তী কোচ কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। বিসিসিআই সচিব জয় শাহ বলছেন, রাহুল দ্রাবিড়ের চেয়ারে এমন কেউ বসুন, যাঁর ভারতীয় ক্রিকেট সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রয়েছে। এই মন্তব্য সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি কোনও ভারতীয় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কৃষিজ পণ্যের ব্যবসায় উন্নতি ও লাভ বৃদ্ধির যোগ। সাহিত্যচর্চা/ বন্ধু সঙ্গে আনন্দ। আর্থিক উন্নতি হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৩৬০ - ফ্রান্সের একদল নাবিক এবং নৌ অভিযাত্রী গিনি উপসাগর আবিষ্কার করেন
১৭৫১: বাংলায় মুদ্রিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা হ্যালহেডের জন্ম
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৮৯: হেলিকপ্টারের উদ্ভাবক রুশ-মার্কিন বিজ্ঞানী ইগর সিকোরস্কির জন্ম
১৯০৬: বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪: শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৪১: ব্রতচারী আন্দোলনের পথিকৃৎ ও সমাজকর্মী গুরুসদয় দত্তের মৃত্যু
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
১৯৮৯: গর্বাচভ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম প্রশাসনিক ক্ষমতাধর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করে
২০১৮: শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৪৩ টাকা ৮৪.১৭ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৯৮ টাকা ১০৭.৪৫ টাকা
ইউরো ৮৮.৪৭ টাকা ৯১.৬১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭২,৪৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭২,৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৬৯,২৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৯,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৯,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ ‌জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪। দ্বিতীয়া ৩৫/৫ রাত্রি ৬/৫৯। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র ১৪/৮ দিবা ১০/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০/৮। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ প্রাতঃ ৫/৪৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২১ গতে ১২/০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩১ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।   
১১ ‌জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪। দ্বিতীয়া সন্ধ্যা ৬/৪২। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র দিবা ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৭/৪৬ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৫/৪৮ মধ্যে ও ৯/২৩ গতে ১২/৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/১৪ গতে ২/৫৩ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৩ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। 
১৬ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হাড়োয়ার জনসভায় পৌঁছলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

04:06:23 PM

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪ (ষষ্ঠ দফা): দুপুর ৩ টে পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে কত শতাংশ ভোট পড়ল
গোটা দেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও ষষ্ঠ দফায় ভোটগ্রহণ চলছে। আজ, শনিবার ...বিশদ

04:05:23 PM

ওড়িশার বিধানসভা নির্বাচন (তৃতীয় দফা): দুপুর ৩ টে পর্যন্ত ৪৮.৪৪ শতাংশ ভোট পড়ল

04:03:31 PM

বসিরহাটের জনসভা হচ্ছে, দুর্যোগ উপেক্ষা করেই যাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী
বসিরহাটের জনসভা হচ্ছে। দুর্যোগ উপেক্ষা করেই হাড়োয়াতে যাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী ...বিশদ

04:00:27 PM

লোকসভা নির্বাচন ২০২৪ (ষষ্ঠ দফা): দুপুর ৩ টে পর্যন্ত দেশে কত শতাংশ ভোট পড়ল
আজ, শনিবার লোকসভা নির্বাচনের ষষ্ঠ দফার ভোট। এই দফায় দেশের ...বিশদ

03:59:19 PM

মহিলা ভোটারকে মারধরের অভিযোগ, কাঠগড়ায় ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থী
মহিলা ভোটারকে মারধরের অভিযোগ বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডু এবং তাঁর ...বিশদ

03:55:31 PM