Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতা-মডেল ছাড়া গতি নেই বিজেপির
তন্ময় মল্লিক

টার্গেট সবসময় উঁচুতে বাঁধা হয়। তাতে লক্ষ্যের ধারেকাছে না হোক, অর্ধেকটা গেলেও সম্মান বাঁচে। বিজেপির দিল্লি নেতৃত্বও সেই নীতিতেই নির্বাচনে আসন লাভের লক্ষ্য স্থির করে। কখনও সখনও শিকে ছিঁড়লেও বেশিরভাগ সময়েই তা মুখ থুবড়ে পড়ে। তাই কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় ফেরা নিয়ে সন্দিহান বিজেপির এবার লোকসভার টার্গেট চারশো। স্লোগানও তৈরি, ‘আব কি বার ৪০০ পার।’ তার সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে সুকান্ত মজুমদারদের উঠছে নাভিশ্বাস। কিন্তু অঙ্ক তো মেলাতেই হবে। তাই একুশে ২০০ পারের হুঙ্কার দিয়ে ৭৭-এ আটকে যাওয়া বঙ্গ বিজেপির লোকসভার টার্গেট ২৫। এসব শুনে অনেকেই বলছেন, সংগঠনের তো নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা, অথচ লোভ বিরিয়ানি খাওয়ার।
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৩০০ আসন পার করেছিল বিজেপি। সেবার বালাকোট ইস্যুতে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছিল জাতীয় ভাবাবেগ। তারসঙ্গে বাংলায় যুক্ত হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতিবাচক ভোট। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েতে বিপুল আসনে ভোট করতে না দেওয়াটা তৃণমূলের কাল হয়েছিল। ২০১৬ সালের নির্বাচনে হেরে বাম-কংগ্রেস জোট রণে ভঙ্গ দেওয়ায় বিজেপিকেই আঁকড়ে ধরেছিলেন মমতা-বিরোধীরা। বামেদের উজাড় করে দেওয়া ভোটে বিজেপি পেয়েছিল ১৮টি আসন। কিন্তু এখন সেই অবস্থা নেই। উল্টে পেট্রল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধিতে বিজেপির উপর চটে আছে গোটা দেশ। অবস্থা এতটাই খারাপ যে কেন্দ্রীয় এজেন্সির চোখ রাঙানি সত্ত্বেও একের পর এক জোট শরিক ত্যাগ করেছে বিজেপির সঙ্গ। এই অবস্থায় দেশে ৪০০, আর বাংলায় ২৫ আসনের দাবি জানিয়ে হাসির খোরাক হয়েছে বিজেপি।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিপুল প্রত্যাশা জাগিয়েও মুখ থুবড়ে পড়েছিল বিজেপি। তারপর থেকেই পায়ের তলার মাটি হারাচ্ছে গেরুয়া শিবির। প্রতিটি নির্বাচনে তাদের ভোট কমছে। তা সত্ত্বেও সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীর পরাজয়ে বিজেপি খুব উল্লসিত হয়েছিল। কিন্তু সেই উল্লাস দিনদিন মিইয়ে যাচ্ছে। কারণ বিজেপির নেতারা বুঝতে পারছেন, সাগরদিঘির ফল তাঁদের জন্য অশনি সঙ্কেত। হু-হু করে ভোট কমার ছবি স্পষ্ট। তা সত্ত্বেও লোকসভা নির্বাচনে ২৫টি আসনের দাবির কারণ একটাই, দিল্লির নেতৃত্বের দেওয়া অঙ্কের উত্তর মেলানোর তাগিদ। তবে অনেকেই কটাক্ষ করে বলছেন, ২৫টা শেষপর্যন্ত ২+৫ না হয়ে যায়!
২০১৯ থেকেই বিজেপির বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখা শুরু। অবশ্যই তা ঘুরপথে। আর সেই স্বপ্নটা দেখিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। তাঁরা নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রায় প্রতিটি জনসভায় বলেছিলেন, দিল্লিতে বিজেপি ক্ষমতায় এলেই পতন হবে তৃণমূল সরকারের। তাই রাজ্যে ১৮টি আসন জিততেই লম্ফঝম্ফ জুড়ে দিয়েছিল বঙ্গ বিজেপি। তখন নেতাদের মুখে শুধু একটাই বুলি, ৩৫৬ ধারা। কথায় কথায় রাজভবনে গিয়ে ‘অভিভাবকে’র কাছে নালিশ ঠুকতেন। ‘নির্বাচন পরবর্তী হিংসা’কে ইস্যু করে বাংলাকে অশান্ত প্রমাণের চেষ্টা হয়েছিল অনেক। একের পর এক কেন্দ্রীয় টিম পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু লাভ হয়নি। কারণ তদন্তে নেমে কেন্দ্রীয় টিম বুঝেছিল, অধিকাংশ অভিযোগই মিথ্যে। গল্পের ‘সন্ত্রাস’কে গাছের মগডালে তোলা হয়েছে।
তবে, বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবিতে জল ঢেলেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই। বঙ্গ বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেটানোর বৈঠকে তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন, ঘুরপথে বাংলার ক্ষমতা দখলের কোনও সুযোগ নেই। তৃণমূল সরকারের মোকাবিলা করতে হবে গণতান্ত্রিক পথে। আন্দোলন করে। আর সফল আন্দোলনকারীর দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেছিলেন এমন একজনের নাম যাতে বঙ্গ বিজেপির কাটা ঘায়ে পড়েছিল নুনের ছিটে। অমিত শাহ তৃণমূল নেত্রীর আন্দোলন ও পথকে অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কারণ তিনিও মানেন, মমতাই হলেন আন্দোলনের প্রতীক।
বিরোধীরা যতই সমালোচনা করুন না কেন, সাধারণ মানুষের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আন্দোলন, পরিষেবা ও জনসংযোগের রোলমডেল। তাঁর নেওয়া সমস্ত সরকারি কর্মসূচি সমাজ জীবনে ফেলেছে আলোড়ন। স্বাধীনতা লাভের পর দেশের বিভিন্ন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে অনেকেই বসেছেন, কিন্তু তাঁর মতো করে মেয়েদের জন্য আর কে ভাবতে পেরেছেন? কেন্দ্রীয় সরকার তাঁর কন্যাশ্রীর আদলে চালু করেছে ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও।’ রাজ্যের ‘কৃষকবন্ধু’ অনুসরণে কেন্দ্রে চলছে ‘প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মাননিধি।’ ‘রূপশ্রী’ কোনও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি ঠিকই, কিন্তু লক্ষ লক্ষ কন্যাদায়গ্রস্ত দুঃস্থ বাবা, মায়ের দুশ্চিন্তা দূর করেছে। 
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু প্রকল্প চালু করেন না, তার সুযোগসুবিধাও মানুষের কাছে পৌঁছে দেন। 
তাঁর ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্প সাধারণ মানুষকে 
দিয়েছে ‘গণদেবতা’র মর্যাদা। মানুষ বুঝেছে, 
সরকারি সাহায্য কোনও করুণা বা দয়ার দান নয়, সেটা তাঁদের অধিকার।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়ায় বিরোধীদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। কিন্তু পিছু হটেননি। করোনার জন্য পুজোর অনুদান বাড়ানোয় সমালোচনার ঝাঁঝ হয়েছিল তীব্র। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় ভোটব্যাঙ্ক তৈরির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন বহু নেটনাগরিক। কিন্তু মজাটা হল, যোগী আদিত্যনাথের সরকারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথ অনুসরণ করছে। উত্তরপ্রদেশে চৈত্র নবরাত্রি পালনের জন্য এবার থেকে দেওয়া হচ্ছে টাকা। পরিমাণটা কম নয়, এক লক্ষ। 
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও প্রকল্প চালু করলেই বিরোধীরা তার পিছনে অভিসন্ধি খুঁজে পান। সমালোচনাও করেন। আবার বাঁচার জন্য সেই কর্মসূচিকে আঁকড়ে ধরেন। কেবল নামটা বদলে 
দেন। কোনও দলের কর্মসূচি বা সরকারি প্রকল্প 
ভালো হলে তাকে অনুসরণ করা অন্যায় নয়। 
বরং সাধারণ মানুষের জন্যে তা স্বাস্থ্যকর। কিন্তু সমালোচনা করার পর তাকেই আঁকড়ে ধরলে? বুঝতে হবে, সেটা দৈন্যের লক্ষণ।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় মূলধন জনসংযোগ। তাই মুখ্যমন্ত্রী হয়েও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যান অনায়াসেই। গাড়ি থেকে নেমে দোকানে ঢুকে চা বানিয়ে কিংবা তেলেভাজা ভেজে খাওয়াতে পারেন সঙ্গীদের। দলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের একাংশের জনবিচ্ছিন্নতা ও বিচ্যুতি দেখে তিনি চালু করেছিলেন ‘দিদির দূত’ কর্মসূচি। সঙ্গে সঙ্গে তাকে ‘দিদির ভূত’ বলে কটাক্ষ শুরু করে দেয় বিরোধীরা। অথচ ভোট এগিয়ে আসতেই সুকান্ত মজুমদাররা সেই রাস্তাতে হাঁটার চেষ্টা করছেন। শুরু করেছে ‘বুথ সশক্তিকরণ’ কর্মসূচি। আর বালুরঘাটে ‘পাড়ায় সুকান্ত’। বিজেপির রাজ্য সভাপতির কথায়, উদ্যোগ ফলপ্রসূ হলে রাজ্যের অন্যত্রও তা চালু হবে। 
বিজেপির এই কর্মসূচির সাফল্যের পিছনে সংশয়ের কারণ দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের তোলা কৃত্রিম হওয়ার জোরে বিজেপি এরাজ্যে প্রধান বিরোধী দল হয়েছে। কিন্তু সাংগঠনিক দুর্বলতা থেকেই গিয়েছে। তাই বিজেপির কোনও আন্দোলনই বেশিদিন টেকে না। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই করে উঠে এসেছেন।  কঠিন পরিস্থিতির মুখেও কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সেটা তিনি জানেন। 
এরাজ্যে যাঁরা মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তাঁরা প্রত্যেকেই দলের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে তাঁদের ক্ষেত্রে দলীয় প্রতীকটাই ছিল বড়। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে দল গড়েছেন। তিনিই দলের মুখ। মানুষ তাঁকে দেখেই তৃণমূলকে ভোট দেয়। অন্যদের সঙ্গে তাঁর ফারাকটা এখানেই। তাই রাস্তায় নামলেই তিনি ‘হ্যামলিন’।
মানুষের অধিকার নিয়ে যে আন্দোলন তাঁকে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে হ্যাটট্রিক করার বিরল সম্মান এনে দিয়েছে তা থেকে তিনি সরেননি। দেড় বছর ধরে অনেক অনুনয়, বিনয় করেও রাজ্যের প্রাপ্য বকেয়া আদায় করতে পারেননি। তাই ফের নামছেন আন্দোলনে। তাঁর দু’দিনের ধর্নায় কি কেন্দ্র বাংলায় ১০০ দিনের কাজ চালু করে দেবে? মোটেই না। যারা কোভিডের দোহাই দিয়ে গরিবের ‘ইজ্জত’ মান্থলি বন্ধ করে, আধার ও প্যান কার্ডের সংযোগে দেরি হওয়ায় ঘাড় ধরে হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে, তারা সুযোগ পেলেই গরিবের পেটে লাথি মারবে, এটাই তো স্বাভাবিক। বিরোধী অনৈক্যের সুযোগ নিয়ে নরেন্দ্র মোদি হয়তো ফের একবার প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন, কিন্তু কিছুতেই গরিবের বন্ধু হতে পারবেন না।
25th  March, 2023
মহিষের উপর উত্তরাধিকার কর
পি চিদম্বরম

লোকসভা নির্বাচন নিয়ে এই যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে সেখানে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় কোনটি? যুদ্ধের এক পক্ষে নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর কয়েকজন মিত্র আর উল্টো দিক থেকে একটি বহুমুখী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী এবং বিভিন্ন রাজ্যভিত্তিক শক্তিশালী ও স্বাধীন সেনাপতিগণ। বিশদ

মোদিজি, গন্ধটা কিন্তু বেশ সন্দেহজনক!
হিমাংশু সিংহ

কোনও দল, কোনও নেতা কিংবা সংগঠন কখন নির্বাচন চলাকালীন কেঁচে গণ্ডূষ করে ফেলে? বারবার কথা বদলায়? যাকে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছিলেন, তাকেই আবার বুকে টেনে নেন? সহজ উত্তর, পায়ের তলার মাটি টালমাটাল হলে, কিংবা অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় আচমকা বেড়ে গেলে বুকের ধড়ফড়ানি। বিশদ

19th  May, 2024
আরামবাগে বিজেপির ভরসা তৃণমূলের গদ্দাররাই
তন্ময় মল্লিক

আরামবাগ লোকসভা আসনটি দলের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথম নির্বাচনী সভা করেছেন এখানে। শুধু তাই নয়, বেনজিরভাবে একই লোকসভা কেন্দ্রে দু’-দু’বার জনসভা করলেন নরেন্দ্র মোদি। বিশদ

18th  May, 2024
মহিলা-মুসলিম-গরিব: বঙ্গভোটে বড় ফ্যাক্টর
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা কেন ভোট দিই? কেউ ভোট দেয় নিজের পছন্দের দলকে সমর্থন করতে। নিজের পছন্দের দল ক্ষমতাসীন হোক অথবা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে নিজেই সবথেকে বেশি আসন পেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠুক, এটা দেখতে ভালো লাগে। ভাবতে ভালো লাগে। বিশদ

17th  May, 2024
একনায়কের পদধ্বনি!
মৃণালকান্তি দাস

জার্মানির রাজনীতিতে হিটলারের প্রবেশ ১৯১৯ সালে। ওয়াইমার রিপাবলিক-এর নতুন সংবিধানের জন্মও ওই বছরই। গণতান্ত্রিক অধিকারের মাপকাঠিতে এমন জোরদার সংবিধান দুনিয়ায় বিরল, মানবসভ্যতার শিখরে পৌঁছনোর অঙ্গীকার তার ছত্রে ছত্রে।  বিশদ

16th  May, 2024
দড়ি ধরে টান মারাটাও গণতন্ত্রের বড় শক্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

নির্বাচন পর্ব গড়িয়ে গড়িয়ে প্রায় শেষের দিকে এগিয়ে চলেছে। চার পর্বের ভোট শেষে ফলাফলের দিশা অনেকটাই যেন পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। আর দিন কুড়ি পরেই বাস্তব চিত্রটা বোঝা যাবে। কিন্তু এর মধ্যেই সারা দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটা দেখে ‘হীরক রাজার দেশে’র শেষাংশের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। বিশদ

15th  May, 2024
মতুয়াদের নিঃশর্ত নাগরিকত্ব দেবেন না মোদি
গোপাল মিস্ত্রি

আপনি কি মতুয়া? আপনার জন্ম কি ভারতেই? এই বাংলার মটিতে? আপনি এই মাটির জল-হাওয়ায় বড় হয়েছেন? আপনি কি চাকরিজীবী অথবা ব্যবসায়ী, কিংবা কৃষক? ভোট দেন কি? আপনার ভোটেই তো নির্বাচিত দেশজুড়ে মন্ত্রী, এমএলএ, এমপিরা। বিশদ

15th  May, 2024
এক বছরের প্রধানমন্ত্রী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পাওয়ার সেন্টার। হতে পারে বিশেষ কোনও ব্যক্তি, বা একটা কোর গ্রুপ। কোম্পানি চালাতে, পার্টি, রাজ্য কিংবা দেশ... পাওয়ার সেন্টারকে কিছুতেই অস্বীকার করা যায় না। গণতন্ত্রেও না। কারণ, গণতান্ত্রিক সিস্টেমকে ঠিকমতো প্রয়োগ করার জন্যও একজন ব্যান্ড মাস্টার প্রয়োজন। বিশদ

14th  May, 2024
একজন ‘শক্তিশালী’ নেতা মিথ্যা বলবেন কেন?
পি চিদম্বরম

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একজন স্বঘোষিত ‘শক্তিশালী’ নেতা। তিনি প্রায়ই তাঁর ৫৬ ইঞ্চির বুকের ছাতি নিয়ে অহঙ্কার করতেন। তাঁর অনুগামীরা—খান মার্কেট চক্রের নিয়ন্ত্রণ, শহুরে নকশালদের উপড়ে ফেলা, টুকরে-টুকরে গ্যাংকে ধ্বংস করা, পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া, সহযোগী সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজির কার্যত বিলুপ্তি, মূলধারার মিডিয়াকে বশীভূত করা এবং ‘বিশ্বগুরু’ হিসেবে ভারতের কাল্পনিক মর্যাদার দিকে ইঙ্গিত করেন। বিশদ

13th  May, 2024
নিরপেক্ষ রেফারি ছাড়া খেলার মূল্য কী?
জি দেবরাজন

ভারতের সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের অধীনে নির্বাচন কমিশনের ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারাটি কমিশনকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষমতা দেয়। কমিশনের কর্মপদ্ধতি ‘আইনসম্মত’ এবং ‘নিরপেক্ষ’ বলেই বিশ্বাস করা হয়। বিশদ

13th  May, 2024
আক্রমণ ছেড়ে মোদিজি আত্মরক্ষায় কেন?
হিমাংশু সিংহ

ছবিটা একবার ভাবুন। নরেন্দ্র মোদি একক প্রচেষ্টায় গোল করতে পারছেন না, উল্টে নিজের পেনাল্টি বক্সে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত গোল বাঁচাচ্ছেন। গোলকিপার না স্ট্রাইকার ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। অনেক দূরে অমিত শাহ। বাকিদের মেঘ-রোদ্দুরে ঠিক ঠাওরই করা যাচ্ছে না। বিশদ

12th  May, 2024
‘ধর্মগুরু’র কোটি টাকার ফ্ল্যাট, দ্বিধায় মতুয়ারা
তন্ময় মল্লিক

পাশাপাশি দু’টি মন্দির। একটি হরিচাঁদ ঠাকুরের, অন্যটি গুরুচাঁদের। পায়ের চাপে ভেঙে যাওয়া ভক্তদের ছড়ানো বাতাসার গুঁড়ো সরিয়ে গোবরজলে ধোয়া হয়েছে মন্দির চত্বর। তাতে নোংরা গেলেও কটু গন্ধে টেঁকা দায়। ভন ভন করছে মাছি। বিশদ

11th  May, 2024
একনজরে
দুর্ঘটনার কবলে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির হেলিকপ্টার। রবিবার পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে এই ঘটনা ঘটে। ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ...

লোকাল ট্রেনে বিনা টিকিটে সফর করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। প্রযুক্তির যুগে কাউন্টারের দীর্ঘ লাইন এড়িয়ে মোবাইল কিংবা বিকল্প উপায়ে ট্রেনের টিকিট কাটার সুযোগ রয়েছে। ...

রবিবার পুরুলিয়া শহরে কার্যত জনজোয়ারে ভাসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রোড শো চলার মাঝেই কোথাও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট মেয়েকে আদর করলেন, কোথাও আবার বৃদ্ধাকে ...

বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও এক নার্সকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়েছিলেন। প্রথমে সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু পরে বিয়ের জন্য জোর দিতে থাকেন শালু তিওয়ারি নামে ওই নার্স। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুরুজনের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা ও মানসিক উদ্বেগ। কাজকর্মে বড় কোনও পরিবর্তন নেই। বয়স্কদের স্বাস্থ্য সমস্যা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস
১৪৯৮ - ভাস্কো ডা গামা প্রথম ইউরোপীয়, যিনি আজকের দিনে জলপথে ভারতের কালিকট বন্দরে উপস্থিত হন
১৫০৬- ক্রিস্টোফার কলম্বাসের মৃত্যু
১৬০৯ - শেক্সপিয়ারের সনেট প্রথম প্রকাশিত হয় লন্ডনে। প্রকাশক ছিলেন থমাস থর্প
১৮৫৪ - বিশিষ্ট বাঙালি ব্যবসায়ী,সমাজসেবী ও দানবীর মতিলাল শীলের মৃত্যু
১৮৬৭ - মহারানি ভিক্টোরিয়া আজকের দিনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে রয়াল অ্যালবার্ট হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন
১৯৩২- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপিনচন্দ্র পালের মৃত্যু
১৯৩২ - ইয়ারহার্ট প্রথম মহিলা ‍যিনি একক উড্ডয়নে আটলান্টিক পাড়ি দেন
১৯৪৭ - বিশিষ্ট কবি প্রবন্ধকার ও শিশুসাহিত্যিক প্যারীমোহন সেনগুপ্তর মৃত্যু
১৯৫২ – প্রাক্তন ক্যামেরুনিয়ান ফুটবলার রজার মিল্লার জন্ম
১৯৭৪ - চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৮৩ - এইচআইভি ভাইরাস সম্পর্কে প্রথম প্রকাশিত হয় সায়েন্স ম্যাগাজিনে
১৯৮৬ - বাংলা ভাষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রতিষ্ঠিত
২০১৯ - বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধনের মৃত্যু
২০১৯ -  লেখক, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক অদ্রীশ বর্ধনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৫৩ টাকা ৮৪.২৭ টাকা
পাউন্ড ১০৪.২৩ টাকা ১০৭.৭১ টাকা
ইউরো ৮৯.২৯ টাকা ৯২.৪৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  May, 2024
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৪,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৫,১০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭১,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৯০,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৯০,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
19th  May, 2024

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, সোমবার, ২০ মে, ২০২৪। দ্বাদশী ২২/৩৩ দিবা ৩/৫৯। চিত্রা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৪/৫৮/২৩, সূর্যাস্ত ৬/৭/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/১ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৩/৩২ গতে ৪/১৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ২/৫১ গতে ৪/৩০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।   
৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, সোমবার, ২০ মে, ২০২৪। দ্বাদশী দিবা ৩/১৭। চিত্রা নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৪/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৩/৩০ গতে ৪/১২ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ২/৫২ গতে ৪/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১১ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
লোকসভা নির্বাচন ২০২৪ (পঞ্চম দফা): ভোট দিলেন বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর

08:24:26 AM

হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের সিঙ্গুরে ভোট দিলেন বিধায়ক বেচারাম মান্না ও করবী মান্না

08:23:44 AM

বিজেপির বুথ এজেন্টকে মারধর, কাঠগড়ায় তৃণমূল
বিজেপির বুথ এজেন্টকে মারধর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ। ঘটনাটি ...বিশদ

08:23:29 AM

কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শান্তনু ঠাকুর
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন খোদ কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা ...বিশদ

08:21:22 AM

নৈহাটিতে বড়মার মন্দিরে পুজো দিচ্ছেন বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক

08:19:22 AM

ভোট না দিতে পেরে ক্ষোভপ্রকাশ উলুবেড়িয়া কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অরুন উদয় পাল চৌধুরীর

08:18:19 AM