Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আইএসএফকে নিয়ে বিরোধীদের
কেন এই টানাটানি?
তন্ময় মল্লিক

শুধু অন্ধ স্নেহই নয়, অন্ধ বিরোধিতাও বিপজ্জনক। অন্ধ পুত্রস্নেহের জন্যই ধৃতরাষ্ট্র সন্তানকে ন্যায়-অন্যায় শেখাতে পারেননি। তাই দুর্যোধনকে সর্বস্ব খোয়াতে হয়েছিল। এই বঙ্গে বিজেপি এবং সিপিএম মমতা বন্দ্যোপাধ্যা঩য়ের অন্ধ বিরোধিতা চালিয়ে যাওয়ায় হারাচ্ছে পায়ের তলার মাটি। ভাঙড় কাণ্ডে আইএসএফের পাশে দাঁড়িয়ে সিপিএম প্রমাণ করে দিল, তারা কানাগলিতেই ঘুরপাক খাচ্ছে। আইএসএফের সঙ্গে জোট করে ‘শূন্য’ হয়েও সিপিএমের শিক্ষা হয়নি। তাই তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটে চিড় ধরানোর নেশায় এখনও তারা মত্ত। আর কোনওভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শায়েস্তা করতে না পেরে বিজেপিও আইএসএফের পাশে। কোন বিজেপি? যারা ‘৭০ শতাংশ’কে এককাট্টা করার আশায় গুজরাত, উত্তরপ্রদেশে একটি আসনেও সংখ্যালঘুকে প্রার্থী করেনি। তাই আইএসএফের জন্য বিজেপির চোখের জল ‘কুম্ভীরাশ্রু’ হলেও ‘৭০ শতাংশ’কে ধন্দে ফেলার জন্য তা যথেষ্ট। তাতে বঙ্গ বিজেপির আম ও ছালা দু’ই খোয়া যাবে না তো? প্রশ্নটা কিন্তু উঠছে।
নির্বাচন হল রাজনৈতিক দলের কাছে অ্যাসিড টেস্ট। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলি নানা ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করে থাকে। জয়ের আশায় কেউ জোটসঙ্গী পাল্টায়, কেউ পাল্টায় দল। নির্বাচনের ফল বেরলে ‘দলবদলু’রা বুঝতে পারেন, তাঁদের স্ট্যান্ড বা গেমপ্ল্যান ঠিক ছিল, নাকি ভুল! মানুষের মনোভাব বুঝে নেতারা এবং রাজনৈতিক দলগুলি তাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করে থাকে। রাজনীতির এটাই প্রথা।
বাংলার রাজনীতিতে একুশের বিধানসভা নির্বাচন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। কারণ এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে যে ভাঙাগড়া হয়েছে তা আগে কখনও হয়নি। জোট গড়াতেও ছিল চমক। নীতি ও আদর্শের ধ্বজা উড়িয়ে ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড সৃষ্টিকারী বামেরা আইএসএফের সঙ্গে জোট করেছিল। স্রেফ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে। ২০১৬ সালে জোট করেছিল কংগ্রেসের সঙ্গে। ক্ষমতায় ফেরার তীব্র বাসনায় সিপিএম নেতৃত্ব ভুলে গিয়েছিল এই কংগ্রেসের বিরুদ্ধেই ’৭২-এর সন্ত্রাসের ফাটা রেকর্ড বাজিয়ে বাংলা দখল করেছিল তারা। এভাবেই একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে বামেরা ‘বিনাশকালে বিপরীত বুদ্ধি’ প্রবাদটার গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে।
শূন্যে পৌঁছনোর বড় কারণটি হল, সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ লেগে থাকা আইএসএফের সঙ্গে জোট শিক্ষিত বামপন্থীরা মেনে নেননি। কারণ তাঁরা বিশ্বাস করেন, সাম্প্রদায়িকতা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজন সহনশীলতা। উল্টো মেরুর সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মদত দেওয়াটা সমাধানের পথ হতে পারে না। কিন্তু সেই ভুলটাই সিপিএম করেছিল। তাই একদা বামেদের দুর্ভেদ্য দুর্গ বাংলায় সিপিএম হয়ে গিয়েছে অপ্রাসঙ্গিক। তখন অনেকেই ভেবেছিলেন, বাম নেতৃত্ব নিজেদের ভুল বুঝতে পেরেছে। কিন্তু ফের আইএসএফের সঙ্গে গা ঘেঁষাঘেঁষিতে প্রমাণ হল, ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া নয়, ভুল করাটাই বামেদের ট্র্যাডিশন।
আইএসএফ বিধায়ক গ্রেপ্তার হতেই ‘গণতন্ত্র রক্ষা’র দোহাই দিয়ে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে সিপিএম। ধৃত বিধায়কের সঙ্গে দেখা করার জন্য সটান লালবাজারে হাজির হয়েছিলেন সুজন চক্রবর্তী। যদিও পুলিস ধৃত বিধায়কের পরিবারের সদস্যদের ছাড়া কাউকে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে দেয়নি। তাই বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকির সঙ্গে মোলাকাত হয়নি সুজনবাবুর। তবে, তাঁর আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেয়েছেন। আর সেই ছবি সিপিএমের মুখপত্র ‘গণশক্তি’ পত্রিকায় খুব গুরুত্ব সহকারে ছাপা হয়েছে। তাতেই বোঝা গিয়েছে, সিপিএমের ‘গণতন্ত্র রক্ষা’র আসল তাগিদটা কোথায়।
সিপিএম যে খেলাটা একুশের বিধানসভা নির্বাচনে খেলেছিল, পঞ্চায়েত ভোটের আগে সেই ছকেই এগতে চাইছে। সিপিএম নেতৃত্ব অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আইএসএফ বিধায়কের গ্রেপ্তারিকে গোটা মুসলিম সমাজের উপর আঘাত বলে দেখাতে চাইছে। সেই জন্য নৌশাদ সিদ্দিকির ধর্মীয় পরিচয়টাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে। বিজেপি যে কৌশলে ধর্ম আর রাজনীতিকে মিশিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে, এখানেও সিপিএম ঠিক সেই চেষ্টাই করছে। এর উদ্দেশ্য? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্কে চিড় ধরানো। তাতে বামেদের কতটা লাভ হবে বলা মুশকিল, কিন্তু বিজেপির লাভ ষোলোআনা।
ফুরফুরা শরিফ শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছেই নয়, বহু হিন্দুর কাছেও অত্যন্ত পবিত্র স্থান। প্রচুর মানুষ সেখানে গিয়ে অন্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদারাও বিশেষ সম্মান ও শ্রদ্ধা পান। কিন্তু কোনও ধর্মগুরু ধর্মের আঙিনা ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে অবতীর্ণ হলে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়টাই বড় হয়ে যায়। ভাঙড় কাণ্ডে সেটাই ঘটেছে। নৌশাদ সিদ্দিকি পীরজাদা এবং সম্মাননীয়। কিন্তু তিনি সেদিন রাস্তায় নেমেছিলেন একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবেই। তাই তাঁর গ্রেপ্তারি কিছুতেই মুসলিম সমাজের উপর আঘাত হতে পারে না। 
শুধু সিপিএম নয়, বিজেপিও একইভাবে মুসলিমদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তারা নৌশাদ সিদ্দিকিসহ ১৯ জনের গ্রেপ্তারির ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিজেপি নেতৃত্ব বলছে, যাদের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় এসেছেন, এবার তারাই দেখুক, কাকে বসিয়েছে!
বিজেপি নেতৃত্ব কেন একথা বলছে? আসলে এটা গেরুয়া শিবিরের চরম হতাশার বহিঃপ্রকাশ। ভাঙড়ে তৃণমূল ও আইএসএফের অশান্তির রেশ কলকাতায় আছড়ে পড়লে সবচেয়ে খুশি কারা হতো? অবশ্যই বিজেপি। কলকাতার বুকে আইএসএফের অশান্তির ভিডিও ভাইরাল করা হতো। সেই ছবি এমনভাবে তুলে ধরা হতো যাতে হিন্দুরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। আর আতঙ্কিত করতে পারলেই সহজ হয় মেরুকরণের কাজ। সেই ছবি দেখিয়ে বোঝানো হতো, কেন এরাজ্যে বিজেপিকে আনা দরকার।
ভাঙড় ইস্যুতে পুলিস কড়া পদক্ষেপ না নিলেই অশান্তি বাড়ত। তখন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের টিম ময়দানে নেমে পড়ত। তারা প্রচার করত, অশান্তি হল, ভাঙচুর হল, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস পকেটে হাত ঢুকিয়ে বসে রইল। কিছুই করল না। ‘দুধেল গাই’ বলেই পুলিস অ্যাকশন নিল না। হিন্দু হলে মেরে ফাটিয়ে দিত। কিন্তু পুলিস আইন রক্ষায় কড়া পদক্ষেপ করায় সেই সুযোগটা বিজেপির হাতছাড়া হয়ে গেল।
বছর ঘুরলেই লোকসভা ভোট। বিজেপির দিল্লির কর্তারা হিসেব কষতে গিয়ে বুঝতে পারছেন, ২০২৪ সালে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া খুব সহজ হবে না। কারণ পরপর দু’বার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বসেও আম জনতার স্বার্থে বলার মতো কোনও কাজই করেনি। উল্টে পেট্রল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। লক্ষ লক্ষ সরকারি পদ অবলুপ্ত করেছে। চাকরির সুযোগ সঙ্কুচিত হওয়ায় বেড়েছে বেকারত্ব। গেরুয়াকরণের লক্ষ্যে অবিচল বিজেপির দিক থেকে আগেই মুখ ফিরিয়েছে সংখ্যালঘুরা। তার উপর রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রা বিজেপির কাছে গোদের উপর বিষফোড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। সব মিলিয়ে মোটেই স্বস্তিতে নেই দিল্লি বিজেপি।
ভারতীয় জনতা পার্টির গোপন রিপোর্ট বলছে, দেশের ৬০টি সংখ্যালঘু আসনে তাদের জেতার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই রয়েছে ১৩টি। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দলের কর্মীদের শিক্ষিত মুসলিমদের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি ভেবেছিলেন, রামমন্দির নির্মাণ করতে পারলেই কেল্লা ফতে। গটগট করে গিয়ে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন। এখন সেই মোদিজিই মুসলিমদের কাছে যেতে বলছেন। তবে এটা উদারতা নয়, স্বপ্ন সফল করার নয়া ছল। 
‘৭০ শতাংশ’কে এককাট্টা করার আশায় গুজরাত, উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে কোনও মুসলিম প্রার্থী দেয়নি বিজেপি। সফল হয়েছে সেই গেমপ্ল্যান। দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা হবে জেনেও বিলকিস বানোর খুনিদের জেল থেকে বেরনোর পথ মসৃণ করে দিয়েছে। তার জেরে গুজরাতে রেকর্ড সংখ্যক আসন জিতে ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি। সেই বিজেপি কি না বাংলায় নৌশাদ সিদ্দিকির মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে! বেড়াল গাছে উঠতে চাইলে বুঝতে হবে, সে ঠেলায় পড়েছে।
 
28th  January, 2023
আমে-দুধে মেশায় আইএসএফ এখন ‘আঁটি’
তন্ময় মল্লিক

ডুবন্ত মানুষ বাঁচার আশায় খড়কুটোকেও আঁকড়ে ধরে। একুশের নির্বাচনে সেই আশায় ডুবন্ত সিপিএম আইএসএফকে আঁকড়ে ধরেছিল। বাংলার রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য ব্রিগেডের জনসভায় অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে দিয়ে আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকীর হাতে মাইক্রোফোন তুলে দিয়েছিলেন মহম্মদ সেলিম। বিশদ

অশ্বমেধের ঘোড়া বনাম এক নারীর লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবন ৫০ বছরে পা দিল। ৫০ বছর ধরে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্থান এক চমকপ্রদ ঐতিহাসিক রেফারেন্স। বিশেষত পুরুষতান্ত্রিক ভারতীয় রাজনীতিতে এক নারী হিসেবে ক্রমে শীর্ষে পৌঁছনো প্রায় বিরল। বিশদ

12th  April, 2024
ইতিহাসমেধ যজ্ঞের শেষ পরিণতি কী?
মৃণালকান্তি দাস

সদ্য ক্ষমতায় বসা নরেন্দ্র মোদি সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী তখন স্মৃতি ইরানি। ২০১৪-র অক্টোবর মাস। দিল্লির মধ্যপ্রদেশ ভবনে মন্ত্রীকে ডেকে এনে প্রায় সাত ঘণ্টা বৈঠক করেছিলেন আরএসএস নেতারা। বৈঠকে সুরেশ সোনি, দত্তাত্রেয় হোসাবোলে ছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সঙ্ঘের বিভিন্ন শাখার নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বিশদ

11th  April, 2024
অর্থ পরে, আগে আস্থা ফেরান মোদি
হারাধন চৌধুরী

পূর্ববর্তী দুটি লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাজিমাত করেছিলেন। এবার তাঁর প্রচারের ক্যাচলাইন ‘গ্যারান্টি’। কখনও কখনও তিনি শুধু ‘গ্যারান্টি’তেই থেমে নেই, ‘গ্যারান্টিরও গ্যারান্টি’ দিচ্ছেন! পুরো শরীরী ভাষা উজাড় করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে চলেছেন, ‘আজ পুরা হিন্দুস্থান জানতা হ্যায়, দুনিয়া ভি মানতা হ্যায়, মোদি কি গ্যারান্টি মতলব গ্যারান্টি পুরা হোনে কি গ্যারান্টি!’
বিশদ

10th  April, 2024
ফ্যাক্টর নারীশক্তি, গ্যারান্টিও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

জওহরলাল নেহরুর হাতে সময় যে বেশি নেই, তার আভাস অনেক আগে থেকেই পেয়েছিলেন কংগ্রেসের ‘বস’রা। তাই বছর দুয়েক ধরে নিজেদের গুছিয়ে নিতে পেরেছিলেন। বরং সময় দেননি লালবাহাদুর শাস্ত্রী। কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? বিশদ

09th  April, 2024
বিপন্ন সাংবিধানিক নৈতিকতা
পি চিদম্বরম

দুর্নীতির অভিযোগে একজন কর্তব্যরত মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার একইসঙ্গে আইনি, রাজনৈতিক এবং সাংবিধানিক সমস্যা। এটা আরও এমন একটা বিষয় যা সংবিধানের লিখিত বয়ানবহির্ভূত এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে সাংবিধানিক নৈতিকতার দিক। 
বিশদ

08th  April, 2024
ডায়মন্ডহারবারে বিজেপি’র প্রার্থী নেই কেন?
হিমাংশু সিংহ

মুখে বড় বড় কথা, লড়াই করার নেতা নেই, দমও নেই। শনিবার দুপুরে এই লেখা যখন লিখছি তখনও ডায়মন্ডহারবারে প্রার্থীই ঘোষণা করতে পারেনি রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। রণেভঙ্গ দিয়েছেন সিপিএমের মদতপুষ্ট নৌশাদ সিদ্দিকিও। বিশদ

07th  April, 2024
বেলাগাম হও, নম্বর বাড়াও
তন্ময় মল্লিক

‘বিধায়কের সম্পত্তির সঙ্গে উপার্জনের কোনও সঙ্গতি নেই। তার হিসেব আমার কাছে এসে গিয়েছে। কীভাবে এত সম্পত্তি, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হবে। তিনি হয়তো তিহারে যেতে পারেন। এই হুঁশিয়ারির পর বিধায়ক যদি চুপ করে যান তাহলে আমাদের কিছু বলার নেই।’ বিশদ

06th  April, 2024
ইতিহাসের তর্ক বিতর্ক: সর্বনাশ কিন্তু বাঙালিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা সবথেকে কী পেতে ভালোবাসি? ধনসম্পত্তি, প্রশংসা এবং সমর্থন। ধনসম্পত্তি, অর্থাৎ টাকাপয়সা সম্পদ পেলে আনন্দ হয়। প্রশংসা শুনলে মন খুশিতে ভরে ওঠে। আর আমাদের কথার সমর্থন পেতে পছন্দ করি আমরা। সাধারণ মানুষ অথবা ক্ষমতার শীর্ষস্তরে থাকা ব্যক্তিত্ব সকলেরই এই একইরকম মনের সুর। বিশদ

05th  April, 2024
চান্দা দো ধান্দা লো!
মৃণালকান্তি দাস

হেটেরো দেশের অন্যতম বড় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা। অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ড্রাগ প্রস্তুতের কাজে হায়দরাবাদের এই কোম্পানি বিশ্বেরও বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা। মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই বিখ্যাত কোম্পানির বিরুদ্ধে ছ’টি নোটিস জারি করেছিল। কেন জানেন?
বিশদ

04th  April, 2024
মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা
সন্দীপন বিশ্বাস

জনমেজয় অতঃপর ব্যাসশিষ্য বৈশম্পায়নকে বললেন, হে ঋষিপ্রবর আপনি আমার কাছে কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা বর্ণনা করুন। 
বিশদ

03rd  April, 2024
মোদির ম্যাজিক ফিগার আদৌ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বিশ্ব সমাজের পথচলাকে স্বামী বিবেকানন্দ দু’টি ভাগে ভাগ করেছিলেন—রাজনীতি ও ধর্ম। রাজনীতির ব্যাপারে তিনি সবসময় এগিয়ে রাখতেন গ্রিকদের। কারণ, ওই দেশেই জন্ম অ্যারিস্টটলের, যাঁর হাত ধরে পলিটিক্স বিজ্ঞানের মর্যাদা পেয়েছে। কারণ, ওই দেশেই গণতন্ত্রের ভাবনার জন্ম। বিশদ

02nd  April, 2024
একনজরে
বৃহস্পতিবার রাতে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক বধূ। মৃতার নাম সুপর্ণা দেবনাথ(২৮)। বাড়ি কালনা থানার রংপাড়ায়। শুক্রবার কালনা মহকুমা ...

রাজ্য সরকারের সচিবালয়ে বিভিন্ন স্তরে প্রচুর নতুন পদ সৃষ্টির সুফল পেতে শুরু করেছেন সরকারি কর্মীরা। বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মীদের পদোন্নতির সুযোগ বেড়ে গিয়েছে। ভোট ঘোষণার আগেই আপার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট (ইউডিএ), সেকশন অফিসার (এসও) প্রভৃতি পদে অনেক কর্মীই উন্নীত হয়েছেন। ...

চলতি অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৭ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (এডিবি)। তাদের বক্তব্য, মূলত চাহিদা বৃদ্ধি এবং সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের হাত ধরে পূর্বের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাবে ভারত। ...

মন্টে কার্লো ওপেনের পুরুষ সিঙ্গলসের শেষ আটে পৌঁছলেন নোভাক জকোভিচ। শনিবার রাউন্ড অব সিক্সটিনের লড়াইয়ে তিনি হারালেন ইতালির লরেঞ্জো মুসেত্তিকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সপরিবারে তীর্থভ্রমণ ও দেবদর্শনে আত্মিক শান্তি। ব্যাবসায়িক ক্ষেত্রে শুভ। বিদ্যায় অগ্রগতি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

চৈত্র সংক্রান্তি
১৭৭২: ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন
১৮৫৫: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কৃত ‘বর্ণপরিচয়’ প্রথম প্রকাশিত হয়। (১লা বৈশাখ,সংবৎ ১৯১২)
১৮৯৩: গোকুলচন্দ্র নাগ ও দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘কল্লোল’ প্রথম প্রকাশিত হয়
১৯০৯: প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী ও সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তীর জন্ম
১৯১৯: জালিওয়ানালাবাগে হত্যাকাণ্ড। জেনারেল ডায়ারের নেতৃত্বে চলল নির্বিচারে গুলি। মৃত অন্তত ৩৭৯, আহত ১২০০
১৯৪০: মেঘালয়ের রাজ্যপাল নাজমা হেপতুল্লার জন্ম  
১৯৪৮: ভুবনেশ্বরকে ওড়িশা রাজ্যের রাজধানী করা হয়
১৯৫৬: পরিচালক-অভিনেতা সতীশ কৌশিকের জন্ম
১৯৫৬: প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনিল আরোরার জন্ম
১৯৬৩: রুশ দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভের জন্ম 
১৯৭৩: চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা বলরাজ সাহনির মৃত্যু
২০২৩: পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এক বিশাল শঙ্খের আকারের বিশ্বমানের অডিটোরিয়াম ধনধান্য-র উদ্বোধন হয়।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৮৯ টাকা ৮৩.৯৮ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৪০ টাকা ১০৬.০২ টাকা
ইউরো ৮৮.২৩ টাকা ৯০.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৩,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৪,০০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭০,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী ১৬/৪৬ দিবা ১২/৫। মৃগশিরা নক্ষত্র ৪৮/৩৮ রাত্রি ১২/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২২/২, সূর্যাস্ত ৫/৫২/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/২৮ গতে ৩/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/১১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/১৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/১৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে উদয়াবধি। 
৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী অপরাহ্ন ৪/১২। মৃগশিরা নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৫০। সূর্যোদয় ৫/২৩, সূর্যাস্ত ৫/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৫ গতে ১২/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৯ মধ্যে ও ১২/২ গতে ১/৩৫ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৭ মধ্যে ও ১/১২ গতে ২/৪৬ মধ্যে ও ৪/২০ গতে ৫/৫৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২০ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/২২ মধ্যে। 
৩ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বলছে উল্টো টাঙিয়ে দেবে, আমরা ঝটকা দিয়ে দেব: মমতা

01:12:00 PM

আমরা অমসের চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি: মমতা

01:11:55 PM

জলপাইগুড়িকে অমৃতসর-দীঘার সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলাম আমি: মমতা

01:11:53 PM

আমি রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বেশিরভাগ প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ করে দিয়ে গিয়েছি: মমতা

01:10:56 PM

৩ মাস ধরে ভোট হলে কাজ হবে কবে: মমতা

01:10:00 PM

সংবাদপত্রে দেখলাম, সেনার প্রতিষ্ঠানকেও বিজেপির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে: মমতা

01:09:00 PM