Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গণতন্ত্র রক্ষায় মমতা মডেল
হারাধন চৌধুরী

কোভিড বিধি ভেঙে পার্টিতে যোগ দিয়ে জরিমানার মুখে পড়েছিলেন বরিস জনসন, তাঁর স্ত্রী এবং ঋষি সুনাক। ওই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন মোট ৫০ জন। জরিমানার নোটিস ধরানো হয় বাকিদেরও। ঘটনাস্থল ব্রিটেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। সময়টা ২০২০-র ১৯ জুন। বরিস তখন প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী ঋষি। বরিসের জন্মদিনের পার্টি ছিল অতিসংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য। ভয়াবহ মহামারী পরিস্থিতির মধ্যে এমন আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজনকে কেউই ভালোভাবে নেয়নি। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন বিরোধীরা। তাঁরা পদত্যাগ না করলেও, মেট্রোপলিটন পুলিস নির্ভয়েই ‘পার্টিগেট’-এর তদন্ত করে। এমনকী, ২০২২-এর ১২ এপ্রিল ৫০ জনকেই ধরানো হয় জরিমানার নোটিস। এরপর প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী ঘটনাটির জন্য অনুতপ্ত বলে জানান এবং দেশবাসীর কাছে ক্ষমাও প্রার্থনা করেন।
ঋষি সুনাক এখন প্রধানমন্ত্রী। ফের জরিমানার মুখে পড়েছেন তিনি। ১০০ পাউন্ড জরিমানা দিতে হল তাঁকে। অপরাধ, সিট বেল্ট ছাড়াই গাড়ি চড়েছেন। তাঁর সাফাই, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের উদ্দেশ্যে সরকারি প্রকল্পের একটি ভিডিও তৈরি করছিলেন। সেজন্যই কিছুক্ষণের জন্য সিট বেল্ট খুলতে হয়েছিল। কিন্তু এরপরও ব্রিটেনের পুলিস দেশের প্রধানমন্ত্রীকে রেয়াত করেনি। বিরোধী দলের কঠোর সমালোচনাও মুখ বুজে সহ্য করেছেন তিনি। ঘটনাটির জন্য ক্ষমাই চেয়ে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে সকলের উদ্দেশে তাঁর পরামর্শ, সিট বেল্ট পরেই গাড়ি চড়ুন।
গণতন্ত্রের আসন কতটা উঁচু হলে এই জিনিস সম্ভব ভেবে দেখতে হবে। আমাদের দেশের সামান্য একজন পঞ্চায়েত সদস্য কিংবা পুর কাউন্সিলারকেও বোধহয় এইভাবে আইনে বাঁধা সম্ভব হয়নি। এই কলকাতায় প্রতিদিন দেখা যায়, বহু পুলিসকর্তার জন্যও আইন ভিন্ন। ট্রাফিক সিগন্যাল লাল দেখেও তাঁরা গাড়ি ছুটিয়ে রাস্তা পেরিয়ে যান, অনিবার্য কারণ ছাড়াই!
অথচ, আমাদের দেশের সংবিধান, আইন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা আইনের রক্ষকদের যে ক্ষমতা দিয়েছে, তা ব্রিটেনের চেয়ে কম নয়। ১৯৪৭ সালে এক ভাষণে হবু আইএএস’দের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার প্যাটেল। প্রশাসনের দায়িত্বে নিযুক্ত অফিসারদের তিনি ‘স্টিল ফ্রেম অব ইন্ডিয়া’ বলে বর্ণনা করেন। বল্লভভাই অতঃপর যা বলেন তার নির্যাস হল, স্বাধীন ভারতের সংবিধান ও আইন সরকারি অফিসারদের এমন ক্ষমতা দিয়েছে যে, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও পরোয়া করার দরকার হবে না তাঁদের। আইনে যেটা সংগত বলে মনে হবে সব অফিসার নির্ভয়ে সেইমতোই কর্তব্য পালন করবেন। তার জন্য জরুরি সতর্কবার্তা রেখেছিলেন তিনি, সিভিল সার্ভেন্টরা অবশ্যই রাজনীতিতে জড়াবেন না এবং সাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে চলবেন না।
স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর পেরিয়ে এসেছি আমরা। রাত পোহালেই আর একটি সাধারণতন্ত্র দিবস। তাই বৃহত্তম গণতন্ত্রের ভিতরের চেহারায় আর একবার চোখ রাখা যায়। 
আইনে একগুচ্ছ সংশোধনী এনে মোদি সরকার ২০১৮-তে নির্বাচনী বন্ড চালু করে। এই ব্যবস্থায়, যেকোনও পার্টিকে যত-খুশি চাঁদা দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা ব্যাঙ্ক থেকে বন্ড কিনতে পারেন। এই চাঁদা কে, কাকে এবং কত টাকার দিচ্ছেন তা প্রকাশ পাবে না। তবে, ১০ লক্ষ এবং ১ কোটি টাকার বন্ড কেনার বহর থেকে পরিষ্কার যে ক্রেতারা মূলত কর্পোরেট সংস্থাই। বিশেষ রাজনৈতিক সুবিধা আদায় করার মতলবেই তারা এমন উদারহস্ত বলে সন্দেহ দানা বেঁধেছে। ২০১৮-২০২২ সালের মধ্যে বন্ড বিক্রি হয়েছে মোট ৯,২০৮ কোটি টাকার। তার মধ্যে ৫,২৭০ কোটি টাকা বা প্রায় ৫৭ শতাংশ একাই পেয়েছে বিজেপি! উল্লেখযোগ্য দুটি বিরোধী দল কংগ্রেস এবং তৃণমূল এই প্রশ্নে যথাক্রমে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে থাকলেও তাদের প্রাপ্তির ভাঁড়ার তুলনায় যৎসামান্য।
ভোটের ঢাকে কাঠি পড়লেই দেশময় টাকা ওড়ে! যেমন ২৩ জানুয়ারির কাগজে পড়া গেল, কর্ণাটকের এক বিজেপি নেতা ভোট-প্রতি ৬ হাজার টাকা দর হাঁকিয়েছেন। রাজ্যের এই প্রাক্তন মন্ত্রীর অভিযোগ, ভোটারদের জন্য উপঢৌকন ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। কুড়িয়ে বাড়িয়ে তার দাম তিন হাজার টাকার বেশি নয়। শাসকদলের এই বিধায়ক বলেন, ‘আমরা কোনও উপহার এখনও ঘোষণা করিনি। তবে, মানুষের মন বোঝার চেষ্টা করছি। বিরোধীদের দ্বিগুণ টাকা আমরা দিতে পারি! ৬ হাজার করে টাকা না পেলে আপনারা বিজেপি প্রার্থীকে ভোট দেবেন না।’ এর মধ্যে নির্বাচনী বন্ডের মাহাত্ম্য খোঁজাটি অপ্রাসঙ্গিক হবে? এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যায় যে, বেলগাভি গ্রামীণ কেন্দ্রের এই বিধায়ক রমেশ জার্কিহোলি এর আগের ভোটে কংগ্রেসের হয়ে গলা ফাটিয়েছিলেন। এবার দায়িত্ব পেয়েছেন কংগ্রেসের মুণ্ডপাত করার! এই ঘটনার দু’দিন আগে বুলডোজার চালাবার হুমকি শুনিয়েছেন বিজেপি-শাসিত মধ্যপ্রদেশের এক মন্ত্রী। রাঘোগড় জেলায় এক জনসভায় পঞ্চায়েতমন্ত্রী মহেন্দ্র সিং শিসোদিয়া বিরোধীদের উদ্দেশে বলেন, ‘ফের ক্ষমতায় আসবে বিজেপি’ই। আস্তে আস্তে বিজেপিতে চলে আসুন সবাই। নইলে, মামাজির (মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান) বুলডোজার তৈরি আছে। খুব সাবধান!’
অথচ এই পার্টিই পশ্চিমবঙ্গে রাজনীতি করতে নেমে তৃণমূলকে ‘স্বৈরাচারী’ দেগে দেয়। নবান্নকে নাকাল করতে দীর্ঘদিন রাজভবনকেও ব্যবহার করেছে তারা। মনরেগা, আবাসসহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে দিল্লির আচরণে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা বানচাল হওয়ার জোগাড়। আবার অম্বিকেশ মহাপাত্র (কার্টুন কাণ্ড) কিংবা শিলাদিত্য চৌধুরী (কৃষক) গ্রেপ্তার ইস্যুতে রাম, বাম, অতিবাম সবাই এক পংক্তিতেই চলে আসে। কিন্তু জেলায় জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকের অভিনবত্ব এবং ইতিবাচক দিক নিয়ে তারা স্পিকটি নট! দিদিকে বলো, টক টু মেয়র, দুয়ারে সরকার, পাড়ায় সমাধান, দিদির সুরক্ষা কবচ, দিদির দূত, পুরমন্ত্রীর রাজ্যজুড়ে পুরসভা সফর প্রভৃতি কর্মসূচি যে গণতন্ত্রের অত্যন্ত সৎ ও সাহসী রূপ, তাতে সন্দেহ কী? তবু বিজেপিসহ বিরোধীরা এই কর্মসূচিগুলির মতলবি  বিকৃতি করছে। সমালোচনা একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক পন্থা এবং স্বাগত। কিন্তু এই ধরনের বিকৃতি সমালোচনার গুরুত্বকেই লঘু করে দিচ্ছে। আসলে মমতার জনসংযোগ কর্মসূচি বানচাল করতেই মরিয়া বিরোধীরা।
বস্তুত এই কর্মসূচিগুলির মাধ্যমে শাসক পক্ষ সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। পরের মুখে ঝাল খাওয়ার বদলে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকেই জেনে নিতে চাইছে—তাদের আর কী কী চাহিদা আছে, কোন কোন সমস্যায় রয়েছে তারা ইত্যাদি। সুরাহা দেওয়ার জন্য সমস্যাগুলিই যে জানা দরকার সবার আগে। হাজার কাজ করার পরেও শত সমস্যা থাকবে। কারণ জীবনের মতোই পরিবর্তনশীল চাহিদা ও প্রয়োজন। এ এক ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। দিদির দূতরা গ্রাম সফরে বেরিয়ে এই প্রক্রিয়াটিকেই সচল রেখেছেন। সরকার ও শাসক দলকে এইভাবে সক্রিয় ও জনমুখী করার কথা অন্তত এই দেশে ইতিপূর্বে কেউ ভাবেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই পদক্ষেপ যথার্থ গণতান্ত্রিক; একই সঙ্গে অভিনব, প্রশংসনীয় ও ঐতিহাসিক। অন্য দলগুলি মার খাচ্ছে ঠিক এখানেই, গতানুগতিকতার বাইরে বেরবার সাহস সঞ্চয় করে উঠতে পারেনি। ফলে তাদের জনবিচ্ছিন্নতার সমস্যা বাড়ছে রোজ।
গণতন্ত্রের এই চর্চা, সুস্থ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অন্তর্হিত হলে, গণতন্ত্র দুর্বল হলে কী হয়—তা আমরা দেখেছি এই বঙ্গেই, ষাট-সত্তরের দশকের দীর্ঘসময় এবং বাম জমানার শেষদিকেও। দু’বারই বেড়েছিল নকশাল কিংবা মাওবাদীদের নামে তুমুল নৈরাজ্য। এই প্রেক্ষাপটে দল এবং প্রশাসন পরিচালনার যে মডেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামনে এনেছেন, তা অবশ্যশিক্ষণীয়। সব মিলিয়ে বাংলায় গণতান্ত্রিক পরিসর আজ অনেকটাই চওড়া।
পশ্চিমবঙ্গ পথ দেখাতে পারে, কিন্তু একা সারা ভারতের গণতন্ত্র রক্ষা করতে পারবে না। বাংলাকে অনুসরণ করে উদ্যোগী হতে হবে সব রাজ্যকেই। সবচেয়ে বড় দায়িত্ব কেন্দ্রীয় শাসকদলের। আঞ্চলিক ক্ষেত্রের জন্যও একই কথা প্রযোজ্য। ভারত পথ দেখাতে পারে, কিন্তু সেটা অনুসরণ করতে হবে প্রতিবেশী দেশগুলিকেও। বিশেষ করে‌ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে। প্রতিবেশী কোনও রাষ্ট্রে দিনের পর দিন গণতন্ত্র নস্যাৎ হতে থাকলে, ভারতও বেশিদিন তার প্রভাবমুক্ত থাকতে পারবে না। কারণ সাদার পিছনেই কালোর চলাফেরা। এমন অনুসরণ নিজে সাদা হওয়ার বাসনায় নয়, সামনের সাদাটাকেও কালো করে ফেলার জন্যে। ভারতসহ পৃথিবীর সর্বত্রই গণতন্ত্রের শত্রু বা স্বৈরাচারীরা সক্রিয়। তাদের পরাস্ত করা একার এবং একবারের কাজ নয়, এর জন্য যৌথ উদ্যোগ এবং ধারাবাহিকতার প্রয়োজন। গণতন্ত্র হল মানসিকতার ব্যাপার।‌ সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে, আসুন, আজ সকল ভারতবাসী একযোগে গণতন্ত্রের উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ হই।
25th  January, 2023
আমে-দুধে মেশায় আইএসএফ এখন ‘আঁটি’
তন্ময় মল্লিক

ডুবন্ত মানুষ বাঁচার আশায় খড়কুটোকেও আঁকড়ে ধরে। একুশের নির্বাচনে সেই আশায় ডুবন্ত সিপিএম আইএসএফকে আঁকড়ে ধরেছিল। বাংলার রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য ব্রিগেডের জনসভায় অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে দিয়ে আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকীর হাতে মাইক্রোফোন তুলে দিয়েছিলেন মহম্মদ সেলিম। বিশদ

অশ্বমেধের ঘোড়া বনাম এক নারীর লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবন ৫০ বছরে পা দিল। ৫০ বছর ধরে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্থান এক চমকপ্রদ ঐতিহাসিক রেফারেন্স। বিশেষত পুরুষতান্ত্রিক ভারতীয় রাজনীতিতে এক নারী হিসেবে ক্রমে শীর্ষে পৌঁছনো প্রায় বিরল। বিশদ

12th  April, 2024
ইতিহাসমেধ যজ্ঞের শেষ পরিণতি কী?
মৃণালকান্তি দাস

সদ্য ক্ষমতায় বসা নরেন্দ্র মোদি সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী তখন স্মৃতি ইরানি। ২০১৪-র অক্টোবর মাস। দিল্লির মধ্যপ্রদেশ ভবনে মন্ত্রীকে ডেকে এনে প্রায় সাত ঘণ্টা বৈঠক করেছিলেন আরএসএস নেতারা। বৈঠকে সুরেশ সোনি, দত্তাত্রেয় হোসাবোলে ছাড়াও শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সঙ্ঘের বিভিন্ন শাখার নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বিশদ

11th  April, 2024
অর্থ পরে, আগে আস্থা ফেরান মোদি
হারাধন চৌধুরী

পূর্ববর্তী দুটি লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাজিমাত করেছিলেন। এবার তাঁর প্রচারের ক্যাচলাইন ‘গ্যারান্টি’। কখনও কখনও তিনি শুধু ‘গ্যারান্টি’তেই থেমে নেই, ‘গ্যারান্টিরও গ্যারান্টি’ দিচ্ছেন! পুরো শরীরী ভাষা উজাড় করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে চলেছেন, ‘আজ পুরা হিন্দুস্থান জানতা হ্যায়, দুনিয়া ভি মানতা হ্যায়, মোদি কি গ্যারান্টি মতলব গ্যারান্টি পুরা হোনে কি গ্যারান্টি!’
বিশদ

10th  April, 2024
ফ্যাক্টর নারীশক্তি, গ্যারান্টিও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

জওহরলাল নেহরুর হাতে সময় যে বেশি নেই, তার আভাস অনেক আগে থেকেই পেয়েছিলেন কংগ্রেসের ‘বস’রা। তাই বছর দুয়েক ধরে নিজেদের গুছিয়ে নিতে পেরেছিলেন। বরং সময় দেননি লালবাহাদুর শাস্ত্রী। কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? বিশদ

09th  April, 2024
বিপন্ন সাংবিধানিক নৈতিকতা
পি চিদম্বরম

দুর্নীতির অভিযোগে একজন কর্তব্যরত মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার একইসঙ্গে আইনি, রাজনৈতিক এবং সাংবিধানিক সমস্যা। এটা আরও এমন একটা বিষয় যা সংবিধানের লিখিত বয়ানবহির্ভূত এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে সাংবিধানিক নৈতিকতার দিক। 
বিশদ

08th  April, 2024
ডায়মন্ডহারবারে বিজেপি’র প্রার্থী নেই কেন?
হিমাংশু সিংহ

মুখে বড় বড় কথা, লড়াই করার নেতা নেই, দমও নেই। শনিবার দুপুরে এই লেখা যখন লিখছি তখনও ডায়মন্ডহারবারে প্রার্থীই ঘোষণা করতে পারেনি রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। রণেভঙ্গ দিয়েছেন সিপিএমের মদতপুষ্ট নৌশাদ সিদ্দিকিও। বিশদ

07th  April, 2024
বেলাগাম হও, নম্বর বাড়াও
তন্ময় মল্লিক

‘বিধায়কের সম্পত্তির সঙ্গে উপার্জনের কোনও সঙ্গতি নেই। তার হিসেব আমার কাছে এসে গিয়েছে। কীভাবে এত সম্পত্তি, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হবে। তিনি হয়তো তিহারে যেতে পারেন। এই হুঁশিয়ারির পর বিধায়ক যদি চুপ করে যান তাহলে আমাদের কিছু বলার নেই।’ বিশদ

06th  April, 2024
ইতিহাসের তর্ক বিতর্ক: সর্বনাশ কিন্তু বাঙালিরই
সমৃদ্ধ দত্ত

আমরা সবথেকে কী পেতে ভালোবাসি? ধনসম্পত্তি, প্রশংসা এবং সমর্থন। ধনসম্পত্তি, অর্থাৎ টাকাপয়সা সম্পদ পেলে আনন্দ হয়। প্রশংসা শুনলে মন খুশিতে ভরে ওঠে। আর আমাদের কথার সমর্থন পেতে পছন্দ করি আমরা। সাধারণ মানুষ অথবা ক্ষমতার শীর্ষস্তরে থাকা ব্যক্তিত্ব সকলেরই এই একইরকম মনের সুর। বিশদ

05th  April, 2024
চান্দা দো ধান্দা লো!
মৃণালকান্তি দাস

হেটেরো দেশের অন্যতম বড় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা। অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ড্রাগ প্রস্তুতের কাজে হায়দরাবাদের এই কোম্পানি বিশ্বেরও বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা। মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই বিখ্যাত কোম্পানির বিরুদ্ধে ছ’টি নোটিস জারি করেছিল। কেন জানেন?
বিশদ

04th  April, 2024
মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা
সন্দীপন বিশ্বাস

জনমেজয় অতঃপর ব্যাসশিষ্য বৈশম্পায়নকে বললেন, হে ঋষিপ্রবর আপনি আমার কাছে কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের চরিতকথা বর্ণনা করুন। 
বিশদ

03rd  April, 2024
মোদির ম্যাজিক ফিগার আদৌ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বিশ্ব সমাজের পথচলাকে স্বামী বিবেকানন্দ দু’টি ভাগে ভাগ করেছিলেন—রাজনীতি ও ধর্ম। রাজনীতির ব্যাপারে তিনি সবসময় এগিয়ে রাখতেন গ্রিকদের। কারণ, ওই দেশেই জন্ম অ্যারিস্টটলের, যাঁর হাত ধরে পলিটিক্স বিজ্ঞানের মর্যাদা পেয়েছে। কারণ, ওই দেশেই গণতন্ত্রের ভাবনার জন্ম। বিশদ

02nd  April, 2024
একনজরে
মন্টে কার্লো ওপেনের পুরুষ সিঙ্গলসের শেষ আটে পৌঁছলেন নোভাক জকোভিচ। শনিবার রাউন্ড অব সিক্সটিনের লড়াইয়ে তিনি হারালেন ইতালির লরেঞ্জো মুসেত্তিকে। ...

রাজ্য সরকারের সচিবালয়ে বিভিন্ন স্তরে প্রচুর নতুন পদ সৃষ্টির সুফল পেতে শুরু করেছেন সরকারি কর্মীরা। বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মীদের পদোন্নতির সুযোগ বেড়ে গিয়েছে। ভোট ঘোষণার আগেই আপার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট (ইউডিএ), সেকশন অফিসার (এসও) প্রভৃতি পদে অনেক কর্মীই উন্নীত হয়েছেন। ...

চাকদহ থানার চরসরাটি এলাকায় শুক্রবার নদীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেলেন এক যুবক। দুপুরে কল্যাণী ব্লকের সগুনা এলাকার জয়েস ভট্টাচার্য (২০) সহ আরও দুই যুবক স্নান করতে নামেন। ...

চলতি অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৭ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (এডিবি)। তাদের বক্তব্য, মূলত চাহিদা বৃদ্ধি এবং সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের হাত ধরে পূর্বের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাবে ভারত। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সপরিবারে তীর্থভ্রমণ ও দেবদর্শনে আত্মিক শান্তি। ব্যাবসায়িক ক্ষেত্রে শুভ। বিদ্যায় অগ্রগতি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

চৈত্র সংক্রান্তি
১৭৭২: ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন
১৮৫৫: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কৃত ‘বর্ণপরিচয়’ প্রথম প্রকাশিত হয়। (১লা বৈশাখ,সংবৎ ১৯১২)
১৮৯৩: গোকুলচন্দ্র নাগ ও দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘কল্লোল’ প্রথম প্রকাশিত হয়
১৯০৯: প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী ও সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তীর জন্ম
১৯১৯: জালিওয়ানালাবাগে হত্যাকাণ্ড। জেনারেল ডায়ারের নেতৃত্বে চলল নির্বিচারে গুলি। মৃত অন্তত ৩৭৯, আহত ১২০০
১৯৪০: মেঘালয়ের রাজ্যপাল নাজমা হেপতুল্লার জন্ম  
১৯৪৮: ভুবনেশ্বরকে ওড়িশা রাজ্যের রাজধানী করা হয়
১৯৫৬: পরিচালক-অভিনেতা সতীশ কৌশিকের জন্ম
১৯৫৬: প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনিল আরোরার জন্ম
১৯৬৩: রুশ দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভের জন্ম 
১৯৭৩: চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা বলরাজ সাহনির মৃত্যু
২০২৩: পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এক বিশাল শঙ্খের আকারের বিশ্বমানের অডিটোরিয়াম ধনধান্য-র উদ্বোধন হয়।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৮৯ টাকা ৮৩.৯৮ টাকা
পাউন্ড ১০৩.৪০ টাকা ১০৬.০২ টাকা
ইউরো ৮৮.২৩ টাকা ৯০.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৩,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৪,০০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭০,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮৪,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮৪,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী ১৬/৪৬ দিবা ১২/৫। মৃগশিরা নক্ষত্র ৪৮/৩৮ রাত্রি ১২/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২২/২, সূর্যাস্ত ৫/৫২/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ১/৩২ মধ্যে পুনঃ ২/২৮ গতে ৩/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/১১ গতে ২/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/১৯ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/১৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে উদয়াবধি। 
৩০ চৈত্র, ১৪৩০, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪। পঞ্চমী অপরাহ্ন ৪/১২। মৃগশিরা নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৫০। সূর্যোদয় ৫/২৩, সূর্যাস্ত ৫/৫৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৫ গতে ১২/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৯ মধ্যে ও ১২/২ গতে ১/৩৫ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৭ মধ্যে ও ১/১২ গতে ২/৪৬ মধ্যে ও ৪/২০ গতে ৫/৫৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/২০ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/২২ মধ্যে। 
৩ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সবচেয়ে বড় চোর-ডাকু বিজেপি: মমতা

01:17:00 PM

বিজেপিকে জেতালেন, কিন্তু আপনাদের জন্য তারা কিছুই করেনি: মমতা

01:15:31 PM

আমরা বলেছিলাম বদলা নয় বদল চাই, আর ওরা বলছে বেছে বেছে জেলে ঢোকাবে: মমতা

01:15:00 PM

গৌতমকে হারিয়ে যাকে জেতালেন, তাঁকে রাস্তা থেকে তুলে পদে বসিয়েছিলাম: মমতা

01:14:45 PM

সংবাদপত্রে দেখলাম, সেনার প্রতিষ্ঠানকেও বিজেপির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে: মমতা

01:14:33 PM

বাগডোগরা থেকে শিলচর যাব, সেখান থেকে ফের উত্তরবঙ্গে ফিরব: মমতা

01:13:47 PM